

শেরপুর-৩ আসন (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) এলাকায় নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে একাধিক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা অনুষ্ঠানস্থলে জড়ো হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর প্রস্তুতির সময় মঞ্চের সামনে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা উত্তেজনায় রূপ নেয়।
কথাকাটাকাটির জেরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকেরা তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চান।
অন্যদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদুল হক রুবেল পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই হামলা চালানো হয়, এতে বিএনপির বহু নেতাকর্মী আহত হন এবং বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল জানান, সব প্রার্থীদের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণভাবে ইশতেহার পাঠের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে বসার স্থান নিয়ে সাময়িক গোলযোগ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত অবস্থা বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, তবে অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


পৃথিবী
সফরের অংশ হিসেবে আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি।
তবে এই ঐতিহাসিক ট্রফি সবাই সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। কেবল কোকা-কোলার ‘আন্ডার
দ্য ক্যাপ’ প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি
ট্রফিটি দেখার এবং এর সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পাবেন।
কোকা-কোলার
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনটি শেষ হয়েছে ৮ জানুয়ারি। নির্দিষ্ট প্রোমোশনাল বোতল কিনে কিউআর
কোড স্ক্যান করা এবং ফিফা-থিমভিত্তিক কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ীরা এই এক্সক্লুসিভ পাস অর্জন
করেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলার ষষ্ঠ আসরের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় গত শনিবার সৌদি
আরবের রাজধানী রিয়াদে। কিংবদন্তি ইতালিয়ান ফুটবলার ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপজয়ী আলেসান্দ্রো
দেল পিয়েরো এই বিশ্বভ্রমণের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের
শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন ভিআইপিরা।
বিশেষ
ট্রফি ট্যুর বিমানে করে রিয়াদ বিমানবন্দরে পৌঁছে দেল পিয়েরো টারমাকে ফিফা বিশ্বকাপের
মূল ট্রফি উন্মোচন করেন। এরপর তিনি অংশ নেন একটি সংগঠিত ফুটবল ক্লিনিকে, যেখানে তরুণ
শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং বিভিন্ন ফুটবল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিশ্বকাপ ট্রফির
উপস্থিতি ও কিংবদন্তি ফুটবলারের সান্নিধ্যে শিশুদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
দিনব্যাপী
উৎসবের শেষ পর্বে রিয়াদের একটি বড় শপিং মলে সাধারণ দর্শকদের জন্য আয়োজন করা হয় পাবলিক
ফ্যান ইভেন্ট। সেখানে শত শত ফুটবলপ্রেমী ও গণমাধ্যমকর্মীর সামনে প্রদর্শন করা হয় ফিফা
বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ট্রফি।
ফিফা
বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করবে। পুরো সফর
চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে। এই বৈশ্বিক ট্রফি ট্যুরের মাধ্যমে বিশ্বের হাজারো ফুটবলপ্রেমী
জীবনে একবার কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবলের সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
ট্রফি
ট্যুরের সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি।
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও বিশ্বকাপের আবহে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ
পাবেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ২০২৬ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ-যুক্তরাষ্ট্র,
কানাডা ও মেক্সিকো-যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এবারের আসরে অংশ নেবে ৪৮টি
দল এবং অনুষ্ঠিত হবে রেকর্ডসংখ্যক ১০৪টি ম্যাচ।
এই
ট্রফি ট্যুরে ২০২৬ সালের তিন আয়োজক দেশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ফিফা বিশ্বকাপ ও ফিফা নারী
বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলো-মরক্কো, পর্তুগাল, স্পেন, সৌদি আরব ও ব্রাজিল-সফর করবে ট্রফি।
কোকা-কোলা’র
গ্লোবাল অ্যাসেটস, ইনফ্লুয়েন্সার ও পার্টনারশিপস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মিকায়েল
ভিনে বলেন, ফুটবল এমন একটি খেলা, যা ভাষা বা দেশের সীমারেখা ছাড়াই মানুষকে একত্রিত
করে। দুই দশক ধরে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা ফুটবলপ্রেমীদের খেলাটির
জাদুর সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফিফার
চিফ বিজনেস অফিসার রোমি গাই বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি খেলাধুলার জগতে সর্বোচ্চ সম্মানের
প্রতীক। কোকা-কোলার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের
বিশ্বকাপের উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফুটবল
ম্যাচ দেখার সময় যে আবেগ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়-সেই অনুভূতিগুলোকে উদযাপন করতেই
ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি বাংলাদেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রফির এই সংক্ষিপ্ত সফর হলেও
তা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে ৭ অক্টোবর ও ২৫ ফেব্রুয়ারিকে দুটি জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতি বছর এই দুটি দিবস বিশেষভাবে পালিত হবে।
আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, শহীদ আবরার ফাহাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকাসহ দেশের সকল শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ইউ ফেইলড টু কিল আবরার ফাহাদ’ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে। ঢাকার প্রদর্শনীতে উপস্থিত থাকবেন আবরার ফাহাদের বাবা।
পোস্টে আরও বলা হয়, বর্তমানে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের জীবন ও তাদের সৃষ্টিকে উদযাপনের জন্য একটি ক্যালেন্ডার তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। এ ক্যালেন্ডারে সাংস্কৃতিক উৎসবের পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী ও বিডিআর ম্যাসাকার দিবস অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ফলে এখন থেকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতি বছর ৭ অক্টোবর ও ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দুটি দিবস বিশেষভাবে পালিত হবে।
মন্তব্য করুন


পতিত
ফ্যাসিবাদের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব
পালনকারী ব্যক্তিদের কেউ আসন্ন নির্বাচনে যথাসম্ভব দায়িত্ব প্রদান করা থেকে বিরত রাখার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আজ
রোববার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা
সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী৷
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, আজকের সভায় মূলতঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ
ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
বৃহত্তম রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখতে
দ্রুত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি
বলেছেন, আগামী বছরগুলোতে বর্তমান শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের
সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারে বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
হয়ে উঠবে।
আজ
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্স ইন
বাংলাদেশ (ইউরোচ্যাম) চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান
জানান। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও উপস্থিত
ছিলেন।
বৈঠকে
বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়ানো, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরো সহজ ও কার্যকর
করা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক
মোতায়েনের বিষয়টিও উঠে আসে।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি জাপানের সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব
চুক্তি (ইপিএ) সম্পন্ন করেছে। এর ফলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে ৭ হাজার
৩০০টিরও বেশি বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি
জানান, বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে একই ধরনের
আলোচনা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাতে ইইউ বাজারে বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের
পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকে।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, জাপানের সঙ্গে ইপিএ আমাদের জন্য নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। এটি আমাদের
রপ্তানি খাতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আমরা অবশ্যই ইইউর
সঙ্গে একটি এফটিএ স্বাক্ষরের প্রত্যাশা করছি।
ইউরোচ্যামের
চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজ বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের
পর বাংলাদেশ ইইউতে তার বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা হারাতে পারে। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে
এফটিএ আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন।
তিনি
বলেন, একটি এফটিএ বাংলাদেশে আরও ইউরোপীয় বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি
করবে এবং উন্নত পশ্চিমা বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। তিনি উদাহরণ হিসেবে
ভারতের সঙ্গে ইইউর এফটিএ আলোচনা এবং ভিয়েতনামের স্বাক্ষরিত চুক্তির কথা উল্লেখ করেন।
লোপেজ
উল্লেখ করেন, ভারত ইইউর সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করছে, অন্যদিকে ভিয়েতনাম
এরইমধ্যে এমন একটি চুক্তি করেছে, যার ফলে উভয় মধ্যম আয়ের দেশই ইউরোপীয় বাজারে অগ্রাধিকারমূলক
প্রবেশাধিকার পাবে।
তিনি
বলেন, আমরা একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে কথা বলছি। আমি বাংলাদেশে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে
বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করার জন্য ইউরোপ যাব।
ইইউ
রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্যিক
সম্পর্ক নতুনভাবে বিকশিত হবে, তবে তা ২০২৯ সালের আগে কার্যকর হবে না।
তিনি
প্রায় ২০ কোটি মানুষের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে
বলেন, দেশটিতে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আনতে ইইউ দৃঢ় আগ্রহী। তিনি ২০২৬ সালে
একটি ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতির কথাও জানান।
মিলার
বলেন, আমরা প্রাথমিক রাজনৈতিক সংকেত খুঁজছি, যাতে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে
আসতে উৎসাহিত হয় এবং সমান সুযোগ পায়।
প্রধান
উপদেষ্টা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের সুযোগের কথাও
তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ব্যয়ে দেশের বিশাল দক্ষ শ্রমশক্তি কাজে লাগিয়ে
বাংলাদেশ বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
তিনি
বলেন, আমরা একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গড়ে তুলছি। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী
ব্যবসার জন্য একটি উৎপাদন হাবে পরিণত করা। আমরা বাংলাদেশে আরও ইউরোপীয় বিনিয়োগ চাই।
আসন্ন
সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ইইউর বড় পরিসরের পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্তে
সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি আমাদের গণতন্ত্র
পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ আস্থার প্রতিফলন।
তিনি
নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রিক পরিবেশকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন।
বৈঠকে
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) সমন্বয়কারী ও সরকারের সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদও
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশের মহাপরিদর্শক
বাহারুল আলম বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর করার মতো পূর্ণ সক্ষমতা
বাংলাদেশ পুলিশের রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কঠোর প্রশাসনিক
পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আজ মঙ্গলবার
সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন,
২০২৬ উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসার ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা
বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন,
জুলাই-পরবর্তী সময়ে বাস্তব কারণেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির
মোকাবিলা করতে হয়েছে। তবে আমরা সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছি। নির্বাচনের আগে এই পর্যায়ে
এসে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের বাহিনী যথেষ্ট সক্ষমতা
অর্জন করেছে।
পুলিশ প্রশাসনের
মাঠ পর্যায়ের রদবদল নিয়ে ইসির কাছে স্পষ্টীকরণ চান আইজিপি। তিনি বলেন, এসপি বা ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের বদলির বিষয়ে কমিশনের নির্দেশনা থাকে। তবে কনস্টেবল বা সাব-ইন্সপেক্টরের
মতো সর্বনিম্ন পদেও রদবদলের ক্ষেত্রে কমিশনের পূর্বানুমতি প্রয়োজন কি না, সে বিষয়ে
স্পষ্ট নির্দেশিকা প্রয়োজন।
আইজিপি বাহারুল
আলম প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, পুলিশ তার সর্বশক্তি ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে
এবারের নির্বাচন সফল ও শান্তিপূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর। দেশবাসী ও নির্বাচন কমিশন আমাদের
ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারেন।
মন্তব্য করুন


মর্মান্তিক
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দক্ষিণ আমেরিকার জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার
ক্যারেন সোফিয়া কুইরোজ রামিরেজ। কলম্বিয়ার ফ্লোরিডাব্লাঙ্কাতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সোফিয়া
‘বাইকারগার্ল’ নামে বেশি পরিচিত। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২৫ বছর।
ব্রাজিলিয়ান
সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গত ২৬ নভেম্বর গুরুতর
সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এই ইনফ্লুয়েন্সার। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা
গেছে, রামিরেজ তাঁর মোটরসাইকেল চালানোর সময় লেন পরিবর্তন করতে গিয়ে দুইটি ট্রাকের মাঝখানে
পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এর পর দুর্ঘটনার শিকার হন।
প্রতিবেদন
অনুসারে, রাস্তার একপাশে একটি গাড়ির সাথে সংঘর্ষের পর অন্য পাশ থেকে আসা একটি ট্রাক
রামিরেজ চাপা দেয়। কলম্বিয়ার একজন পরিবহন কর্মকর্তা জাহির আন্দ্রেস কাস্তেলানোস গণমাধ্যমকে
জানান, রামিরেজ দুটি গাড়ির মাঝখান দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।
এই
দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে রামিরেজ তার মৃত্যু সম্পর্কে একটি চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী
করেছিলেন। এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, আমি আশা করছি যেন ক্র্যাশ না করি, কারণ আমি আমার
চশমা ছাড়াই মটর সাইকেল চালাচ্ছি।
ডেইলি
মেইল স্থানীয় প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আরও জানায়, বাইক চালানোর সময় তিনি যে চশমা ব্যবহার
করতেন সেটি তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন।
পরিবহন
কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনার কারণ জানতে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার এবং
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো কলম্বিয়ান এই ইনফ্লুয়েন্সারের
মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য অন্য কোনো চালক দায়ী কি না, তা নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে বাংলাসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ একসঙ্গে উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে জানানো হয়,সরকার জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপন উপলক্ষে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করছে। এ বছর বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক নববর্ষ শোভাযাত্রার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দেশের
সকল মানুষ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপন করতে পারে সে লক্ষ্যে আগামী ২৩ মার্চ
রোববার দুপুর ১২টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সভাপতিত্বে
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ৫ আগস্ট নিয়ে
আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বরাবরের মতোই সরকার সতর্ক আছে।
সরকারের বিশেষ অভিযান পুরো দেশব্যাপী চলছে, যেটা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলবে। আর যেসব
অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়নি, সেসব খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা
অব্যাহত রয়েছে।
তিনি
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত
কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্ট নিয়ে কোনো ধরনের আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। মহান আল্লাহর রহমতে
সকলের সহযোগিতায় সব ধরনের অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে
সরকারের পক্ষ থেকে সতর্কতাও রয়েছে।
তিনি
বলেন, সরকারকে সব কিছুর বিষয়েই সতর্ক থাকতে হয়। এজন্যই বিভিন্ন ধরনের সভা আয়োজন করা
হয় এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়। বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের সময় যে
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল তা ক্রমান্বয়ে উন্নতি হয়েছে। আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে
রয়েছে।
মব
সহিংসতা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মব সহিংসতা
আগের থেকে কমেছে। আস্তে আস্তে আরো কমে যাবে। মবের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দিচ্ছি না।
নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। নির্বাচনের সময় যেন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ভালো থাকে সেজন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা পুলিশকে প্রশিক্ষণও
দিচ্ছি।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর অপরাধ প্রবণতা বেশি। এ বিষয়ে আমাদের
পরিবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, মাদক আমাদের দেশে একটি বড় সমস্যা। মাদক উদ্ধার অভিযানে রুই-কাতলা ধরা
পড়ছে না, টেংরা-পুটি ধরা পড়ছে। অর্থাৎ মাদকের গডফাদার ধরা পড়ছে না, ক্যারিয়ার ধরা পড়ছে।
তবে আগের চেয়ে মাদক উদ্ধার অভিযান আরও জোরালো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এখন
অনেক মাদকদ্রব্য ধরা পড়ছে।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ আনসার ও
গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দিন পুলিশের সঙ্গে জুলাই যোদ্ধাদের সংঘর্ষের ঘটনায় ৪টি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে রিমন চন্দ্র বর্মন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে রাজধানীর শেরেবাংলা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে এসব মামলা করেন।
আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরেবাংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) “ইমাউল হক”। তিনি কালবেলাকে বলেন, গতকালের ঘটনায় মোট (৪টি) মামলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো সংরক্ষিত এলাকায় জোরপূর্বক প্রবেশের মামলা। অপরগুলো হলো পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও কন্ট্রোল রুম পোড়ানোর মামলা।
গতকাল শুক্রবার জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধাদের একাংশ জুলাই যোদ্ধাদের স্বীকৃতি, শহীদ ও আহতদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত, সুরক্ষা আইন ও তাদের দায়মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে এই তিন দফা দাবি নিয়ে উপস্থিত হয়। একপর্যায়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই কয়েক শত জুলাই যোদ্ধা গেট ভেঙে সনদ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানস্থল সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার ভেতরে ঢুকে যায়। প্রধান উপদেষ্টা অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত হবে এ জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে অনুরোধ করে পুলিশ। তবে পুলিশের অনুরোধে কাজ না হওয়ায় লাঠিপেটা করে বের করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে জুলাই যোদ্ধা ও পুলিশ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশ সদস্যদের মারধর, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও কন্ট্রোল রুমে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ জুলাই যোদ্ধারা৷ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিপেটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে পুলিশের অন্তত ১০ জন ও জুলাই যোদ্ধাদের ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে৷
এই সংঘর্ষের ঘটনাকে পুলিশি হামলা উল্লেখ করে গতকালই প্রতিবাদ জানিয়েছে জুলাই যোদ্ধা সংসদ নামে একটি সংগঠন। এ ছাড়া তিন দফা দাবি বাস্তবায়নসহ হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল রোববার (১৯ অক্টোবর) সারা দেশের সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে সংগঠনটি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, পিআর খায় না পিআর গায়ে মাখে এ পদ্ধতি জনগণ আর মানে না, জনগণ চায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে। পি আর দিয়ে নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে এদেশে লুটপাটের মহারাজ্য সৃষ্টি হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে নির্বাচিত সরকার ছাড়া এসব টাকা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাই অচিরেই পি আর পদ্ধতি বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন দেন।
তিনি আরও বলেন, যারা একাত্তর এর মুক্তিযোদ্ধাকে স্বীকার করে না, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া উর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে স্বীকার করে না।,শহীদ প্রেসিডেন্টকে জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকার করে না,তারা ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তদেয়াকে স্বীকার করেনা, তাদের বাংলাদেশে ভোট চাওয়ার অধিকার নেই,তাদের রাজনীতি করার অধিকার নাই। তিনি বলেন কোন হাইব্রীড যেন বিএনপির নেতা না হতে পারে সেজন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে গতকাল রোববার ২৪ আগস্ট বিকেলে ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ জাকারিয়া তাহের সুমন।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মোস্তাক মিয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সদস্য এডভোকেট সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, বুড়িছং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির বাবুল।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী জসিম উদ্দিন জসিম এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী আমির হোসেন।আরও যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, এডভোকেট মনিরুল হক সরকার, কেন্দ্রীয় বিএনপি, জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শেষে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন হাজী জসিম উদ্দিন জসিম, সাধারণ সম্পাদক হাজী আমির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুল হক ভূঁইয়া রিপন ও শাহ জাহান সাজু।
মন্তব্য করুন