

জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও
বিচারপ্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির এক মতবিনিময়
সভায় তারা রাষ্ট্রীয় বিচারহীনতা, অবহেলা এবং পুনর্বাসনের অভাবের চিত্র তুলে ধরেন।
সভায়
নারায়ণগঞ্জের শহীদ আবুল হাসান সজলের ভাই রনি বলেন, আমার ভাইকে আমার চোখের সামনে গুলি
করা হয়েছে। আমাকে সে হাসপাতালে শুয়ে জিজ্ঞেস করেছে, হাসিনার পতন হইছে কি না? আমি বলছি,
পালাইছে। সে বলছে, আলহামদুলিল্লাহ। ভবিষ্যতে যে সরকারই আসুক, আমরা যেন বিচার পাই।
শহীদ
মিরাজের বাবা আব্দুর রব বলেন, আমার সন্তান মিরাজের বয়স ২৯ ছিল। মোবাইলে ভিডিও করে সে
সবাইকে দেখাতে চেয়েছিল। তাকে মেরে ফেলেছে। আমার আহ্বান, আগামীতে যারা পার্লামেন্টে
যাবে, সে সময় জুলাই সনদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবায়ন করবেন।
সংক্ষিপ্ত
কিন্তু গভীর বেদনার ভাষায় শহীদ পরিবারের সদস্য তামান্না বলেন, আমার দুইটা সন্তান বাবা
বলে ডাকতে পারে না। আনোয়ারুল ইসলাম জীবন নামে একজন শহীদের ভাই অভিযোগ করে বলেন, আমার
ভাইকে আমার চোখের সামনে ৫ আগস্ট মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
আন্তর্জাতিক
ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে গিয়েছিলাম, সেখানে তামিম নামে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছে,
আমার ভাই কোন দল করত। আমি বলেছি, সে বিএনপি করত। আমার মামলা নেওয়া হয়নি, বরং আমাকে
লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি তারেক রহমান স্যারকে বলি, আমার ভাই বিএনপি করত, এটা কি অপরাধ?
আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন, বাংলাদেশের সব শহীদের বিচার দৃশ্যমান করবেন। শহীদ পরিবারগুলো
যেন হেনস্তা না হয়। এই ইন্টেরিম সরকার কোনো বিচার করতে পারেনি। ছাত্রদের রক্তের ওপর
দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছে। শহীদদের জন্য তারা কিছুই দৃশ্যমান করতে পারেনি।
জুলাইয়ে
গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ শাহিন বলেন, রাজপথে যখন আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম, জনাব তারেক রহমান
বলেছিলেন, ‘দফা এক, দাবি এক: খুনি হাসিনার পদত্যাগ’। হাসিনা যদি আমাদের দাবি মেনে নিত,
পদত্যাগ করত, এত রক্ত কখনোই ঝরত না। আহত ও নিহত পরিবারদের জন্য জনাব তারেক রহমান ছাড়া
আর কেউ কিছু দিতে পারবে না।
শহীদ
আহনাফের মা বলেন, আমার ছেলে ৪ আগস্ট মিরপুরে আন্দোলনরত অবস্থায় ডান বুকে গুলি লেগে
মারা যায়। তার স্বপ্ন ছিল ব্যান্ড শিল্পী হবে। তার কোনো স্বপ্নই পূরণ হলো না। জনাব
তারেক রহমান, আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে আমাদের সব শহীদের হত্যার বিচার করবেন। আমার
ছেলের খুনি তার নিজের ঘরে বসবাস করছে, তার কোনো বিচার হচ্ছে না। আজ আমাদের সন্তানের
রক্তের ওপর বসে যারা আমাদের সঙ্গে বেইমানি করছে, আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার যে
শহীদদের হত্যার বিচার করবে, সেটা আমরা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। অনেকেই বলে, বিএনপি
ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে। আপনিও তো অনেক নির্যাতিত হয়েছেন। আপনি ক্ষমতায়
এলে যেন এই বিচার হয়। আপনার কাছে সব শহীদ যেন সমান থাকে শুধু নিজের দলের না। আমরা কোনো
দল করি না।
শহীদ
আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা বলেন, আমার ছেলে জীবিত থাকলে এবার ইন্টার পরীক্ষা দিত। আমার
ছেলে শহীদ হওয়ার ১৪ দিন পর আমার ছোট ছেলের ব্রেন ক্যানসার ধরা পড়ে। আমরা বিএনপি পরিবার
আমার ছেলের পুরো ক্যানসারের খরচ বহন করেছে। আমি কোনো রাজনীতি করি না। আমার ছেলে মারা
যাওয়ার সাত মাসের মাথায় আমার স্বামী স্ট্রোক করে মারা যায়। তারেক রহমান আমাকে ফোন করে
বলেছেন, তিনি আমার পাশে আছেন। গত ১৭ মাসে তাদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি, কৃতজ্ঞতা
থেকে তা স্বীকার করতেই হবে বিএনপির পরিবার আমাদের পাশে ছিল। কিন্তু এই ইন্টেরিম সরকার
কী করেছে? আমি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তিন দিন গিয়েছি। আমার ছেলে চিকিৎসা পায় না,
অথচ উনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিতে যান এটা কীভাবে হয়? আমাদের পরিবার পাশে না থাকলে আমার
ছেলের চিকিৎসা করতে পারতাম না। আমি তারেক রহমান স্যারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।
শহীদ
শাহরিয়ার হাসান আলভির বাবা বলেন, আলভি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ৪ আগস্ট মিরপুরে
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। রাষ্ট্রের জন্য আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। কিন্তু
এই ১৮ মাসে একটি হত্যার বিচারও আমরা দেখিনি। ট্রাইব্যুনালের নামে সেখানে বাণিজ্য চলছে,
বিচার হচ্ছে না। তারেক রহমানের কাছে আমার দাবি, আমাদের শহীদ পরিবার কীভাবে ভালো থাকবে
সেটা উনি নিশ্চিত করবেন।
শহীদ
ইমাম হাসান তাইমের ভাই বলেন, যাত্রাবাড়িতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল,
সেটা ছিল আমার ভাই। আমার বাবা একটা কথা বলেছিল, একটা মানুষকে হত্যা করতে কয়টা গুলি
লাগে, স্যার? গুলি করে পাখির মতো মানুষ মারা হয়েছে। আমাদের শহীদ পরিবারকে মনে হয় ইন্টেরিম
সরকারকে বলতে হবে, বিচার দাও, না হলে মানচিত্র খাবো। আমরা বিচারের জন্য প্রতিটি দ্বারে
দ্বারে গিয়েছি। আমি নাহিদ ভাইয়ের কাছে গিয়েছি, উনার কারণে আমার ভাইয়ের তিন খুনি পালিয়ে
গেছে। আমি আসিফ ভাইয়ের কাছেও গিয়েছি। তারেক রহমানের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনি যখন
ক্ষমতায় যাবেন, শহীদদের হত্যার বিচার করবেন। অনেক শহীদের সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে
গেছে। আমি বহুবার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা যেন আমাদের সঙ্গে
অবিচার না করেন। আল্লাহ তায়ালা ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না।
রংপুরে
শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই আবু সাঈদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের
মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার হত্যার বিচার এখনো হয়নি। যেসব হত্যা মানুষ চোখে দেখেনি,
সেগুলোর বিচার কীভাবে হবে? জনাব তারেক রহমানের কাছে আমার আবেদন, আহত ও নিহত পরিবারগুলোকে
যেন পুনর্বাসন করা হয়।
সবশেষে
মীর মুগ্ধের বাবা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে দানব-নরপিশাচ মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত করতে
চাই। আগামী দিনে যে সরকার আসবে, যারা আহত হয়েছে, শহীদ হয়েছে, শহীদ পরিবারের মধ্যে যারা
আর্থিক সংকটে আছে, তাদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাব। মতবিনিময় সভাজুড়ে
শহীদ পরিবারগুলোর বক্তব্যে উঠে আসে বিচারহীনতার ক্ষোভ, রাষ্ট্রীয় অবহেলার বেদনা এবং
ভবিষ্যতে একটি দায়বদ্ধ সরকারের প্রতি তাদের প্রত্যাশা।
মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব
করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও মঞ্চে না বসে অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের
সঙ্গে বসেন।
এ
সময় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার তারেক রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে নিজেদের দুর্দশার
কথা জানান। তিনি নিজেও অনেককে ডেকে নিয়ে কথা বলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশি
পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়ে সোমবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
চিঠিতে
উল্লেখ করা হয়, আগামী ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা বাংলাদেশি পণ্যের ওপর
এই শুল্ক কার্যকর হবে। তবে চিঠির কিছু অংশ পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প দ্বিপক্ষীয়
শুল্ক আলোচনার পথও খোলা রেখেছেন।
এই
প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ মঙ্গলবার (৮ জুলাই) তার ভেরিফায়েড
ফেসবুক পেইজে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের
নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে।
তারা ইতোমধ্যেই মার্কিন প্রশাসনের বাণিজ্য ও শুল্ক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক
করেছেন। বুধবার (৯ জুলাই) আরেক দফা নির্ধারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
মার্কিন
প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনা একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে
বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘ঢাকা ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি শুল্ক চুক্তির
প্রত্যাশা করছে, যা আমাদের বিশ্বাস, উভয় দেশের জন্য লাভজনক হবে।’
বাংলাদেশ
প্রতিনিধিদলে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানও রয়েছেন।
এদিকে
অধ্যাপক ড. ইউনূসকে লেখা মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিঠি প্রসঙ্গে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশ
দূতাবাসের মিনিস্টার (প্রেস) গোলাম মোর্তোজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে লিখেছেন, ৩৫ শতাংশ
শুল্ক চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নয়, আলোচনা চলছে। ৯ জুলাই পরবর্তী আলোচনার তারিখ। ভালো
কিছুর জন্য বাংলাদেশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি।
প্রধান
উপদেষ্টাকে পাঠানো চিঠিতে ট্রাম্প লিখেছেন, আপনার বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে আমরা আগামী
বছরগুলোতে আপনার সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। আপনি যদি এখন পর্যন্ত বন্ধ রাখা আপনার
বাণিজ্য বাজার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উন্মুক্ত করতে চান এবং শুল্ক, অশুল্ক নীতি ও বাণিজ্যিক
প্রতিবন্ধকতা দূর করেন, তবে এই চিঠির কিছু অংশ পুনর্বিবেচনা করতে পারি।
উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ মোট ১৪টি দেশের ওপর নতুন করে শুল্কহার
নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। এসব চিঠি তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ
সোশ্যালে প্রকাশিত হয়েছে।
হোয়াইট
হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, সামনে আরো কিছু দেশকে শুল্কবিষয়ক চিঠি
পাঠানো হতে পারে। যার মধ্যে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্যিক
অংশীদাররাও রয়েছেন।
চিঠিতে
ট্রাম্প বলেছেন, গত এপ্রিলে স্থগিত করা পাল্টা শুল্ক তিন সপ্তাহের মধ্যে এবং আগের চেয়েও
বেশি হারে ফিরে আসবে।
আরো জানানো হয়, টোকিও ও সিউলের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও মালয়েশিয়াসহ ১৪ দেশের ওপর ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ হারে শুল্ক বসানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগস্টের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানোর যে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটি নমনীয় হতে পারে।
গত
৩ এপ্রিল ট্রাম্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন। সে সময় বাংলাদেশি
পণ্যের ওপর গড়ে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। পরে সেটি ৩ মাসের জন্য স্থগিত করা
হয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করা হতো।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত মান্যবর রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ সেনাসদরে সেনাপ্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি তাঁরা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধির ব্যাপারে আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


‘আমরা দেশকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করেছি। এখন মানুষের
অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু ভোট, শুধু কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করলে হবে
না, মানুষকে স্বাবলম্বী করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট নগরের
সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা
বলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এই সমাবেশের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
ধানের শীষের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা বিএনপির
সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী।
সমাবেশে আসা মানুষের কাছে প্রশ্ন রেখে তারেক রহমান
বলেন, ‘নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে, টিকিট দেব বলছে না? যেটার মালিক
মানুষ না, সেইটার কথা যদি সে বলে, তা শিরকি করা হচ্ছে। হচ্ছে না?’ এসব বলে জনগণকে ঠকানো
হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শুধু ঠকাচ্ছে না।
সমাবেশে বক্তব্যের এক পর্যায়ে তারেক রহমান উপস্থিত
জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘ওমরা বা হজ করেছেন এমন একজন মুরব্বি হাত তুলুন।’ উপস্থিতদের অনেকে
হাত তুলেন। সেখান থেকে একজনকে তিনি মঞ্চে ডেকে নেন। তারপর তাঁর কাছে জানতে চান, ‘আপনি
কাবা শরীফে গেছেন? কাবা শরীফের মালিক কে’? তখন ওই লোক বলেন, ‘আল্লাহ।’ তারেক রহমান
এবার উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘এই দিন দুনিয়া, এই পৃথিবী দেখি, এই
সূর্য নক্ষত্র যা দেখে তার মালিক কে?’ সমবেত কণ্ঠে সবাই বলেন, ‘আল্লাহ।’ তিনি আবার
বলেন, ‘বেহেশতের মালিক কে? দোজখের মালিক কে?’ একইভাবে সবাই বলেন, ‘আল্লাহ’।
তারেক রহমান এবার বলেন, ‘আপনারা সবাই সাক্ষী দিলেন।
দোজখের মালিক আল্লাহ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ, এই পৃথিবীর মালিক আল্লাহ, কাবার মালিক
আল্লাহ।
যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কি অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা
রাখে? রাখে না।’ এমন চেষ্টা শিরকের সামিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাহলে কি দাঁড়াল?
নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে, টিকিট দেব বলছে না? যেটার মালিক মানুষ
না, সেইটার কথা যদি সে বলে, তা শিরকি করা হচ্ছে, হচ্ছে না?’ তিনি বলেন, ‘যার মালিক
আল্লাহ, যার অধিকার শুধু আল্লাহর একমাত্র, সব কিছুর উপরে আল্লাহর অধিকার। কাজেই আগেই
তো আপনাদেরকে ঠকাচ্ছে। নির্বাচনের পরে তাহলে কেমন ঠকানো ঠকাবে আপনাদেরকে, বুঝেন এবার।’
তিনি বলেন, ‘শুধু ঠকাচ্ছে না। যারা মুসলমান তাদেরকে শিরেকি করাচ্ছে তারা। নাউজুবিল্লাহ।’
তারেক রহমান বলেন, ‘প্রিয় ভাই বোনেরা, কেউ কেউ বলে
অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবারে একে দেখেন। ১৯৭১ সালের যে যুদ্ধ, সেই যুদ্ধে লক্ষ্য
মানুষের প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি। সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন
করার সময় অনেকের ভূমিকাও আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে এই দেশের লাখ লাখ ভাইয়েরা
শহীদ হয়। এই দেশের লাখ লাখ মা-বোনেরা তাদের সম্মানহানি হয়। কাজেই তাদেরকে তো বাংলাদেশের
মানুষরা দেখেই নিয়েছে।’
তিনি এসব হঠকারিতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
জানিয়ে বলেন, ‘প্রিয় ভাইবোনেরা, এই কুফরির বিরুদ্ধে, এই হঠকারিতার বিরুদ্ধে, এই মিথ্যার
বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদেরকে ওই যে, টেক ব্যাক বাংলাদেশে-থাকতে হবে।’
এর আগে সকালে সিলেট নগরের বিমানবন্দরের গ্র্যান্ড
সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে ‘দ্য প্ল্যান, ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক
এ অনুষ্ঠানে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। সেখানে অরাজনৈতিক ১৩০
তরুণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে গতকাল বুধবার রাত
৭টা ৫০ মিনিটে সিলেট এসে পৌছান তারেক রহমান। সিলেট পৌছার পর সরাসরি হযরত শাহজলাল (রহ.)
এর মাজার জিয়ারতের পর হযরত শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন। তারপর সিলেটের দক্ষিণ
সুরমা উপজেলার বিরাইমপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। রাত ১টার দিকে সেখানে পৌঁছান তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে ৬০ হাজার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের আবেদন অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানান, মাঠ পর্যায় থেকে ওঠে আসা প্রতিবেদন অনুযাযী কুমিল্লা অঞ্চলে ৫৯ হাজার ৬৬৩টি এনআইডি সংশোধনের আবেদন ঝুলে আছে।
এই অঞ্চলের প্রবাসীরা সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছে ৮ হাজার ৭৮৬টি। এর মধ্যে সাড়ে তিন হাজারের মতো আবেদন অনুমোদন হয়েছে।
এদিকে গত ৮ মাসে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৭৬৪ জন। এদের মধ্যে আবেদন অনুমোদন হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৩৯৮ জনের।
মন্তব্য করুন


সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম
সরোয়ার নির্জন হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলার এজাহার নামীয় অন্যতম আসামি মো: সাদেককে
গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)
দিনগত রাতে চকরিয়া থানার ফাসিয়াখালি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে
হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের চকরিয়ার
মাইজপাড়া এলাকায় মাছ ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের বাড়িতে একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে—
এমন সংবাদে লেফটেন্যান্ট তানজিম সরোয়ার নির্জনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে
যায়। এরপর একজন ডাকাতকে আটক করলে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তার ওপর হামলা করে ডাকাত
দল।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় লেফটেন্যান্ট
তানজিম সরোয়ার নির্জনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকরণের জন্য আগামীকাল শুক্রবার থেকে
সারাদেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১১ ডিসেম্বর ) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ
সংক্রান্ত চিঠি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে পাঠিয়েছেন। চিঠিতে ইসি জানায়,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত
সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় আচরণ বিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি উপজেলা
বা থানায় অন্যূন ২ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত
নিয়েছে।
ইসি
আরো জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন
পর পর্যন্ত সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় আচরণ বিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি
উপজেলা/থানায় অন্যূন ২ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের
জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় কোতয়ালী মডেল থানা কর্তৃক ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ০১জন আসামী গ্রেফতার।
আজ ২১/০১/২৪খ্রি: তারিখ কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ)/ শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় রাত্রীকালীন মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ০৩নং দক্ষিণ দূর্গাপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর সাকিনের চিশতিয়া টেক্সাটাইল মিলের মেইন গেইটের পূর্ব পার্শ্বে পরিত্যক্ত ছাঁদবিহীন বিল্ডিং এর ভিতর হতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শাসনগাছা (ঈদগা) এলাকার মোঃ নজরুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ আরিফুল ইসলাম(২৬)।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করলে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৫৭, তারিখ- ২১/০১/২০২৪; ধারা- ৬(১) সারণির ১৯(গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮; রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের
মতো নারী ও পুরুষ ফুটসাল টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের অভিষেক আসরেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার
গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটসাল দল।
আজ রোববার
(২৫ জানুয়ারি) নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
৭ দেশ নিয়ে আয়োজিত লিগ পদ্ধতির এই টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ পয়েন্ট পেয়েছে
বাংলাদেশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভুটানের পয়েন্ট ৫ ম্যাচে ১১।
গত পরশু ভারত-ভুটান
ম্যাচ ড্র হলে আজকের ম্যাচের আগেই চ্যাম্পিয়ন হতে পারতেন সাবিনারা। কিন্তু ওই ম্যাচে
ভুটান জেতায় শিরোপা নিশ্চিতে শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। নারী ফুটসালে মালদ্বীপ
সবচেয়ে দুর্বল শক্তির দল হওয়ায় বাংলাদেশের জয় অনুমেয়–ই ছিল।
ককের নন্থাবুরি
স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ মাঠে নেমেছিল ‘ড্র করলেই চ্যাম্পিয়ন’ সমীকরণ নিয়ে। প্রথমার্ধে
৬-১ গোলে এগিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন সাবিনা-মাসুরারা। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আরও ৮ গোল
করে। এই টুর্নামেন্টে এটাই কোনো দলের সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি।
প্রথম মিনিট
থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন সাবিনারা। তবে ম্যাচে প্রথম গোলটা করেছে মালদ্বীপই। তৃতীয়
মিনিটে গোলকিপার স্বপ্না আক্তার ও মাসুরা পারভীনের বোঝাপড়ার ভুলে বল যায় বাংলাদেশের
জালে। তবে সমতাসূচক গোল পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি বাংলাদেশকে।
ম্যাচের পঞ্চম
মিনিটে সরাসরি ফ্রি–কিক থেকে গোল করেন সাবিনা খাতুন। এর এক মিনিট পর পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
তবে এই সুযোগটা সাবিনা কাজে লাগাতে পারেননি। ১৩ মিনিটে আবার ফ্রী কিক পায় বাংলাদেশ।
এবার আর ভুল করেননি সাবিনা, সরাসরি শটে জাল কাঁপান অধিনায়ক।
বাংলাদেশও ম্যাচে
২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি মালদ্বীপ। একের পর এক গোল হজম
করেছে। ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের প্রথমার্ধে আরও চারটি গোল করে বাংলাদেশ। ৬–১ স্কোরলাইনে
সাবিনার মতো জোড়া গোল করেন লিপি আক্তারও।
দ্বিতীয়ার্ধে
বাংলাদেশ করে ৮টি গোল। এর মধ্যে ম্যাচের ২২তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাবিনা।
এক মিনিট পর বাংলাদেশকে অষ্টম গোলটি এনে
দেন মাতসুশিমা সুমাইয়া। ২৬ মিনিটে সাবিনা নিজের নামের পাশে আরেকটি গোল যোগ করেন।
ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে মালদ্বীপকে আরও পাঁচ
গোল দিয়েছে বাংলাদেশ। দশম ও ১১ নম্বর গোলটি করেন নিলুফা ইয়াসমিন ও লিপি আক্তার। ৩১
মিনিটে কৃষ্ণা উদযাপন করেন বাংলাদেশের ১২তম গোল। মালদ্বীপের কফিনে শেষ দুটি পেরেক ঠুকেছেন
মেহেরুন আক্তার ও মাসুরা।
বাংলাদেশের
নারী ফুটবলের কিংবদন্তি সাবিনা খাতুন সাবিনা খাতুনের এই টুর্নামেন্টে তার গোল সংখ্যা
১৩। বাংলাদেশের প্রতি ম্যাচে ধারাভাষ্যকার সাবিনার প্রশংসা করেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ
টানা দুই বার সাফ ফুটবলের পর ফুটসালেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
২০১৮ সালে ফুটসালে
বাংলাদেশের মেয়েদের পথচলা শুরু হয়। সে বছর কোচ গোলাম রব্বানীর অধীনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে
অংশ নেয় বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গত বছরের
শেষদিকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নতুন করে দল গঠন শুরু করে।
প্রথমবারের
মতো সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে দেশে ও দেশের বাইরে অনুশীলনের মধ্য দিয়ে
গড়ে ওঠে এই চ্যাম্পিয়ন দল। মেয়েদের পাশাপাশি ব্যাংককে চলছে ছেলেদের প্রথম সাফ ফুটসাল
চ্যাম্পিয়নশিপও। তবে ৬ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


আজ
রোববার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং
২৬ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। একই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন চারজন।
সরকারি
হিসাবে এখন পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জন।
আর মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৫০৩ জন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন এমন মানুষের
সংখ্যা ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪১০ জন।
গত
২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা করা হয় ২৯১ জনের নমুনা।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়া পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়ায় কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে 'দরবার' এবং সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন। এসময় তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে অর্পিত দায়িত্ব আন্তরিকতার সাথে পালন করায় অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি সকল সেনাসদস্যকে দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় ধৈর্য্য ও পেশাদারিত্বের সাথে অসামরিক প্রশাসন এবং দেশের জনসাধারণকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে রাষ্ট্র প্রদত্ত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বিচক্ষণতার সাথে প্রয়োগ করে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিটি সেনা সদস্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সাথে তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সকলকে প্রস্তুত থাকতে বলেন। এছাড়াও, নবনির্মিত সেনানিবাসের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সেনাপ্রধান ৭ পদাতিক ডিভিশনে চলমান বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন ।
পরিদর্শনকালে সেনাসদর ও বরিশাল এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ ছাড়াও জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ, অসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন