

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমান ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তথ্য অনুযায়ী,
নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার হিসেবে তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত
হয়েছে।
এর আগে, ভোটার
তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আবেদন
অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন ।
আজ রোববার নির্বাচন
কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নির্বাচন
কমিশন কর্তৃক তারেক রহমানের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি অনুমোদিত হয়েছে।
গত ২৭ ডিসেম্বর
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে যান তিনি। সেখানে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন ও জাতীয়
পরিচয়পত্র পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন তিনি।
২৭ ডিসেম্বরই
ভোটার হচ্ছেন তারেক রহমান- বিএনপির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছিল আগেই। সেজন্য সব
প্রস্তুতিও সেরে রাখে নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষ।
বিএনপি মিডিয়া
সেল শনিবার দুপুরে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, শনিবার, আঙুলের ছাপ, চোখের মণির (আইরিশ)
প্রতিচ্ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার পর তারেক রহমানের এনআইডি পেতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা
লাগবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এস এম হুমায়ুন কবীর।
মন্তব্য করুন


বাতিল হওয়া মনোনয়ন পুনর্বহালের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে তিনি নির্বাচন ভবনে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল আবেদন জমা দেন।এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেন।আপিল জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাসনিম জারা। তিনি জানান, ঢাকা-৯ সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও সেটি গ্রহণ করা হয়নি। এ কারণে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিল করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই বিষয়টির সমাধান চাওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের সমর্থনে স্বাক্ষর দিয়েছেন। অনেকে নিজের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বুথ পরিচালনা করেছেন, যা জনগণের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিফলন। এই সমর্থনের প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।তাসনিম জারা বলেন, যারা অল্প সময়ের মধ্যে স্বাক্ষর দিয়েছেন, তারা চান তিনি নির্বাচনে অংশ নিক। সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই আপিল করা হয়েছে এবং আইনগত পথেই লড়াই অব্যাহত থাকবে।উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোমবার থেকেই নির্বাচন কমিশনে আপিল গ্রহণ শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অঞ্চলভিত্তিক ১০টি আলাদা বুথ স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থী নিজে অথবা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকারি সেবাদানকারী সংস্থা আপিল আবেদন জমা দিতে পারবে।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত চার বিচারপতি আজ শপথগ্রহণ করেছেন।
শপথগ্রহণ করা আপিল বিভাগের চার বিচারপতি হলেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আপিল বিভাগের চার নবনিযুক্ত বিচারককে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
চার বিচারপতি নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চারজন বিচারককে তাদের শপথগ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথগ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত শনিবার (১০আগস্ট) দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের আগে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ৭। শনিবার রাতে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। পরদিন রোববার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট এই তিন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
মন্তব্য করুন


উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাটারিচালিত রিকশাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, উচ্চ আদালত থেকে একটি ভালো নির্দেশনা আসবে বলে আশা করছি। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান পারস্পরিক প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার আওতায় ভারতে দীর্ঘ সময় আটকে থাকা ১২৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী অবশেষে নিজ দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বঙ্গোপসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তাদের গ্রহণ করে।
এই প্রত্যাবাসনের অংশ হিসেবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের মালিকানাধীন পাঁচটি মাছ ধরার ট্রলারও হস্তান্তর করে। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কূটনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে সম্পন্ন এই উদ্যোগকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একই দিনে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক থাকা ২৩ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকেও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এ সময় ভারতের মালিকানাধীন দুইটি ফিশিং ট্রলার ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় দুই দেশের কোস্ট গার্ড কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এই বিনিময় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন পর নিজ পরিবারের কাছে ফেরার সুযোগ পাওয়ায় উভয় দেশের মৎস্যজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে।
এই বড় পরিসরের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশের একাধিক মন্ত্রণালয় ও সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন আইনগত ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো নিষ্পত্তিতে সহায়তা করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূলত সাগরে মাছ ধরার সময় বৈরী আবহাওয়া ও দিকভ্রান্তির কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক সীমা অতিক্রম করায় এসব মৎস্যজীবী আটক হন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে মৎস্যজীবীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।
ফেরত আসা বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। উভয় দেশের কোস্ট গার্ডের মতে, এ ধরনের সহযোগিতামূলক উদ্যোগ সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


নিত্য প্রয়োজনীয়
পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর ২টি কাঁচাবাজার তদারকি
করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২টি টিম।
আজ শুক্রবার
(১১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে শাহআলী সিটি কর্পোরেশন মার্কেট কাঁচাবাজার ও
শনির আখরা কাঁচাবাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তদারকি কার্যক্রম চলাকালে টিম দুটি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে
মোট চার হাজার ৫শ’টাকা জরিমানা করে।
শাহ্আলী সিটি
কর্পোরেশন মার্কেট কাচাঁবাজার তদারকি টিমের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র
সহকারী সচিব মোছা. ফুয়ারা খাতুন।
এ সময় নিত্য প্রয়োজনীয়
পণ্যের মধ্যে চাল, ডাল, আলু, ডিম, সবজি ও মুরগীর বাজারে তদারকি করা হয়।
টিমের সদস্যরা
মূল্য তালিকা হালনাগাদ করাসহ সকল পণ্য ক্রয় ও বিক্রয়ের রশিদ যাচাই করেন।
এছাড়াও মূল্য
তালিকা সঠিকভাবে না টাঙানো, যথাযথভাবে না লেখা ও সংরক্ষণ না করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে
সতর্ক করার পাশাপাশি এক হাজার ৫শ’ টাকা জরিমানা করে।
এ সময় দোকান মালিক ও ভোক্তারা তদারকি টিমকে জানান,
গত কয়েক দিনের তুলনায় ডিমের দাম হালি প্রতি পাঁচ টাকা কমেছে।
অপরদিকে রাজধানীর
শনিরআখড়ার কাঁচাবাজারে ডিম, পিঁয়াজ, কাঁচামরিচ, মুরগী ও চালসহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয়
পণ্যের ক্রয়মূল্য ও বিক্রি মূল্য যাচাই করা হয়।
এ সময় মুরগী,
চাল, আলু, পিঁয়াজসহ ও অন্যান্য পণ্যের হালনাগাদ মূল্য তালিকা টাঙানোর বিষয়ে তাগিদ দেওয়া
হয় ।
এ সময় কয়েকটি
প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স না থাকা ও মূল্য তালিকা টাঙানো না থাকায় তিন
হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ অভিযানে বাণিজ্য
মন্ত্রণালয় ও তার আওতাধীন বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।
গ্রেফতারের সময় তাদের কাছে থেকে ৯৮২ পিস ইয়াবা, ১৮ কেজি ৪৬০ গ্রাম গাঁজা, ১১ গ্রাম হেরোইন, ১৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০ বোতল দেশি মদ জব্দ করা হয়।
বুধবার(২০ ডিসেম্বর) সকাল ছয়টা থেকে বৃহস্পতিবার(২১ ডিসেম্বর) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩০টি মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
দেড় যুগ পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান।
আজ
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরের পর তিনি সেখানে যাবেন বলে জানা গেছে। এ উপলক্ষে দলীয়
কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
জানা
গেছে, সোমবার দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিট থেকে কার্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে রাখা হয়।
সীমিত
পরিসরে বিএনপির সিনিয়র নেতারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করছেন।
কার্যালয়ের
সামনে র্যাবের একটি ডগ স্কোয়াড টিম অপেক্ষমাণ রয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে সুইপিং কার্যক্রম
শুরু হবে বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ের সামনে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী
রয়েছেন।
সিএসএফ
ঘিরে রেখেছে পুরো কার্যালয়। এ ছাড়া পুরো নয়াপল্টন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রয়েছে
কঠোর নজরদারি।
তারেক
রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে দলীয় কার্যালয়। তাকে স্বাগত জানিয়ে
বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের কর্মকর্তারা ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবেন।
মন্তব্য করুন


নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও রিপোর্ট কার্ড তৈরির অ্যাপ 'নৈপুণ্যর' আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।
গতকাল বুধবার এ অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অ্যাপটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অ্যাপটির উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দ্র মজুমদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক সুভাষ সিংহ রায়, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম, সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদসহ শিক্ষা প্রশাসনের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, এ অ্যাপটি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংগ্রহ করতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ অ্যাপটিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে এ অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষার্থীদের রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করবে।
জানা গেছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে চালুকৃত মূল্যায়ন পদ্ধতির তথ্য সংরক্ষণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য ‘নৈপুণ্য’ নামের অ্যাপটি উন্নয়ন করা হয়েছে। এটুআইয়ের কারিগরি সহায়তায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এর দায়িত্বে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে এনসিটিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ অ্যাপে শিক্ষকদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমেই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। প্রধান শিক্ষকদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে অ্যাপে লগইন করা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠানো হয়েছে। তা ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষকরা অ্যাপে লগইন করতে পারবেন। শিক্ষক ব্যবস্থাপনা অপশন থেকে শিক্ষকদের যুক্ত করা যাবে এবং বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করা যাবে। কোনো শিক্ষককে যুক্ত করা হলে তার মুঠোফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড চলে যাবে। যা দিয়ে ওই শিক্ষক অ্যাপের ড্যাশবোর্ডে লগইন করতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন মূল্যায়ন ও সামষ্টিক মূল্যায়নের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে৷ এটি ব্যবহার করেই সক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করতে হবে।
শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা আরো বলছেন, এ অ্যাপে শিক্ষকদের শিক্ষার্থীর শিখণকালীন ও সামস্টিক মূল্যায়নের (পরীক্ষা) তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অ্যাপে সংরক্ষিত তথ্য শিক্ষার্থীর একটি আইডিতে সংরক্ষিত থাকবে। যা পরবর্তী শ্রেণিতেও শিক্ষকরা দেখতে পারবেন।
জানা গেছে, নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও রিপোর্ট কার্ড তৈরির অ্যাপ ‘নৈপুণ্য’ গত শনিবার শিক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এ অ্যাপে মাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্কুল ও মাদরাসার রেজিস্ট্রেশন করতে স্কুল ও মাদরাসাগুলোর প্রধানদের বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন কাতার সফরে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হচ্ছেন বাংলাদেশের চার জাতীয় নারী
ক্রীড়াবিদ। তাঁরা হলেন ফুটবলার আফিদা খন্দকার ও শাহেদা আক্তার রিপা, ক্রিকেটার সুমাইয়া
আক্তার ও শারমিন সুলতানা।
এবারই প্রথম কোনো
সরকার প্রধানের রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গী হতে যাচ্ছেন নারী ক্রীড়াবিদদের একটি দল।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা
৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাঁর সফরসঙ্গী
হতে যাওয়া এই চার ক্রীড়াবিদ। বাংলাদেশের এই নারী ক্রীড়াবিদদের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে
কাতার সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে কাতার ফাউন্ডেশন।
প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন চার নারী ক্রীড়াবিদ।
তারা বলেন, ‘আমরা
এ সফরের আমন্ত্রণ পেয়ে ভীষণ আনন্দিত এবং আমাদের টিমমেটরাও আমাদের এ আমন্ত্রণে উচ্ছ্বসিত।’
নারী ফুটবলাররা জানান,
‘দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে এশিয়ার অন্য দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলার খুব একটা সুযোগ আমাদের হয়
না। আমরা কাতার নারী টিমকে আমাদের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানাতে চাই। এ
সফরে আমরা তাদের স্পোর্টস ফ্যাসিলিটিসগুলো ঘুরে দেখতে চাই। তাদের প্রফেশনাল চিন্তাভাবনাগুলো
জানতে চাই।’
নারী ক্রিকেটাররা
প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, ‘কাতারে ক্রিকেট তেমনটা জনপ্রিয় নয়। আমরা এ সফরে ক্রিকেট নিয়ে
তাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরির চেষ্টা করব। আমাদের পুরুষ ক্রিকেট দল ও নারী ক্রিকেট দলের
গল্পগুলো তুলে ধরব। আমরা একটি প্রেজেন্টেশন তৈরি করে নিয়ে যাব।’
বৈঠকে নিজেদের জীবন
সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টাকে জানান চার নারী ক্রীড়াবিদ। সরকার প্রধানের সঙ্গে রাষ্ট্রীয়
সফরের সুযোগ দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান তারা।
তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা
ও কাতার সফর নিয়ে পরিকল্পনা শুনে ব্যাপক উৎসাহ ও সমর্থন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘আমি চাই,
তোমরা তোমাদের জীবনের সত্যিকারের কথাগুলো তাদের কাছে তুলে ধরবে। তোমরাই এদেশের স্পোর্টস
অ্যাম্বাসেডর। সেখানে তোমরা এদেশের স্পোর্টসকে প্রতিনিধিত্ব করবে। তোমাদের এ রাষ্ট্রীয়
সফরে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারে আমিও ভীষণ আনন্দিত।’
নারী ক্রীড়াবিদদের
এ সফর সফল করতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলেও আশ্বাস
দেন মুহাম্মদ ইউনূস।
আর্থনা সম্মেলনে যোগ
দিতে আগামী সোমবার চারদিনের সফরে কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত অবস্থা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যেসব প্রতিষ্ঠানে সীমানাপ্রাচীর নেই, দরজা-জানালা ভাঙা বা জরাজীর্ণ, কিংবা অল্প কিছু মেরামতের প্রয়োজন— সেসব প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য দ্রুত চেয়েছে কমিশন।
বুধবার (৫ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২০ অক্টোবর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন সেই তালিকাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যেগুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর তথ্য নির্ধারিত ফরমে পাঠাতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি জেলার সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে এসব তথ্য আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সহায়তা-১ শাখায় পাঠাতে হবে। তথ্যগুলো হার্ড কপি এবং নিকস ফন্টে সফ্টকপি উভয় আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া একই দিনে ইসি আরেকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা আছে, সেগুলোর বিস্তারিত তালিকাও দ্রুত পাঠাতে হবে। সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসারদের একই সময়সীমার মধ্যে তালিকাগুলো জমা দিতে বলা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা, অবকাঠামোর মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সহজ হবে। তারা আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও প্রযুক্তিনির্ভরভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে ইসি ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মন্তব্য করুন