

জ্বালানি
সরবরাহ আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জের, এ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার
(১৩ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত
উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
দেশের
জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, দেশজুড়ে এলপি গ্যাস নিয়ে
কাজ চলছে। জ্বালানি সরবরাহ আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জের, এ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
করা হচ্ছে।
ভেনেজুয়েলা
ও ইরানজুড়ে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। এতে আশঙ্কা করা হচ্ছে জ্বালানি তেলের মূল্যের ওপর
প্রভাব পড়তে পারে। সেই বিষয়ে সরকার কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন প্রশ্ন করা হলে সালেহউদ্দিন
আহমেদ বলেন, জ্বালানিতে ভেনেজুয়েলা ইন্ডিপেন্ডেন্ট অব ভেনেজুয়েলা। ভেনেজুয়েলাতে হঠাৎ
করে একটা প্রভাব পড়েছে, আমেরিকা কীভাবে ডিল করে...।
তিনি
আরও বলেন, জ্বালানির ব্যাপারে দীর্ঘমেয়াদী একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে একটা
প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়েছে, আমিও ছিলাম সেখানে। কারণ জ্বালানি তো আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
জ্বালানি যদি আমরা এনসিওর না করতে পারি, লোকাল প্রোডাকশন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জ্বালানির
দুইটা দিক আছে- পাওয়ার এবং এনার্জি। ওই দুইটা দিকে একটা কমপ্রিহেনসিভ করা হয়েছে। আমাদের
নিজস্ব অফশোর ড্রিলিং, তারপরে কয়লার ব্যবহারটা কীভাবে করব। মধ্যপাড়া কয়লাটা আছে সেটা
হার্ড রক। এগুলো একটা কমপ্রিহেনসিভ ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গতকাল
টিআইবি একটা রিপোর্ট দিয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে সরকারের উপদেষ্টাদের থেকে ব্যুরোক্রেসি
বেশি শক্তিশালী এবং তারা সব সিদ্ধান্ত নেয়। আপনি কী বলবেন- সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন
প্রশ্ন করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আপনারা দেখছেন না যে কোনো কিছু হয়েছে। দেখতে চাচ্ছেন
না বা যারা দেখেন তারা আবার সাহস করে বলতে পারছে না। আমাদের দেশে কিন্তু এ রকম একটা
জিনিস সব সময় চলে আসে। এক এক সময় বেশি বলেন, এক সময় কম বলেন।
তিনি
আরও বলেন, একেবারে যেসব হয়ে গেছে, আমি বলে ফেললাম ১০০ এর মধ্যে ১০০ পেয়ে গেছি, সেটা
তো না। ডেফিনেটলি কিছু কিছু আমাদের এক্সপেক্টেশন ছিল করতে পারব, লিমিটেশন ছিল করতে
পারিনি। তার মধ্যে অনেক রকম কোঅপারেশন আছে, কোঅর্ডিনেশন আছে, সরকারি কর্মচারী আছে,
দক্ষ লোকের দরকার আছে, নিষ্ঠা এগুলো আছে তো। এগুলো ছাড়া আমরা পরিকল্পনা করলাম বা আমরা
ইচ্ছা করলাম করে ফেলব, এটা সম্ভব না।
বৈঠকে
সয়াবিন তেল, সার, বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটি সেতু নির্মাণের পাশাপাশি বিদেশে পাঠানোর
জন্য ৬০ হাজার চালক নির্মাণের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি
ও সমমান পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(১৫ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর মো. আবুল
বাশারের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ১১
সেপ্টেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।
গত
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১১ সেপ্টেম্বর থেকে
শুরুর একটি প্রস্তাব অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের কাছে জমা দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
এর আগে কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার কারণে স্থগিত করা হয় এইচএসসি ও সমমানের
পরীক্ষা। পরবর্তীতে ১১ আগস্ট থেকে শুরুর কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। আর ৬ আগস্ট
‘অনিবার্য কারণবশত’ এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা স্থগিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের বোমা তৈরির কারিগর ও হ-ত্যা মামলার আসামি কসাই সোহেলকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-২।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম।
র্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম বলেন, রাজধানীর গাবতলী গরুর হাট এলাকা থেকে জেনেভা ক্যাম্পের বোমা তৈরির কারিগর ও হত্যা মামলার আসামি কসাই সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নভেম্বরে গণভোট চায় জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার
(২৮ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম
নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়।
তিনি বলেন, সকল রাজনৈতিক দল যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পায়-সেটি আমাদের দাবি।
এই নেতা বলেন, আমরা বলেছি যে সংস্কার এবং জাতীয় সনদের বিষয়গুলো ইলেকশন কমিশনকে পাবলিক করতে হবে। তারা ওয়েবসাইটে দেবেন জনগণ জানবে এবং সেটা নভেম্বরই হচ্ছে উপযুক্ত সময়।
জামায়াতের
সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমাদের যে গণপ্রতিত্ব আদেশ
সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে যেটা সংশোধন হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটা বিধান হচ্ছে যেটা ইলেক্টোরাল প্রসেস। যে রিফর্ম কমিশন
তারাও সুপারিশ করেছিল যে, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল তার জন্য
নির্ধারিত প্রতীকেই তিনি নির্বাচন করবেন। কিন্তু বাংলাদেশের পলিটিক্যাল কালচারের কারণে জোটবদ্ধ রাজনীতির একটা কালচার রেওয়াজ আমাদের আছে সেটা করার ক্ষেত্রেও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন বলেছে যে জোট হতে
পারবে কিন্তু প্রতীক হবে জোটবদ্ধ, প্রত্যেক দলের স্ব স্ব দলের নির্ধারিত প্রতীকে তাদের ভোট করতে হবে। তার প্রতীক বাদ দিয়ে অন্য কোনো দলের প্রতীকে ভোট করা যাবে না। এটা লাস্ট ইলেকশন ইলেক্টোরাল প্রসেস, রিফান্ড কমিশন তারা এই সুপারিশটা করেছে
এবং উপদেষ্টা পরিষদে এই সংশোধনটা অনুমোদিত
হয়েছে। এটা হওয়ার পরেও আমরা দেখলাম গত সম্ভবত ২৫
তারিখে একটি দলের পক্ষ থেকে এসে এটাকে আবার সংশোধন করার জন্য বলা হয়েছে। এটাকে আপত্তি জানানো হয়েছে। ইভেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড লঙ্ঘন করে খুবই দুঃখজনকভাবে একটি তথ্য ওনারাই এখানে প্রকাশ করেছেন। ওনারা বলেছেন যে এই সংশোধনটা
পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের দাবি মানতে হবে। আজকে চিফ কমিশনারকে বলেছি যে লেভেল প্লেয়িং
ফিল্ড ভঙ্গ হওয়ার এর চেয়ে নেকেড
উদাহরণ আর কি হতে
পারে। আমরা এটার ওপরে ঘোর আপত্তি দিয়েছি যে এটা কোনো
ক্রমেই সংশোধন করা যাবে না। সংশোধিত যে বিধান আছে
সে বিধানের ভিত্তিতে নির্বাচন হতে হবে।
গোলাম
পরওয়ার আরও বলেন, প্রবাসী ভোটারদের ভোট প্রক্রিয়া যাতে সহজ হয়, সে বিষয়েও আমরা
নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছি। নির্বাচন যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হয়, সেটিও জোর দিয়ে বলেছি। একই সঙ্গে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টিও আমরা উল্লেখ করেছি।
জামায়াতের
এই নেতা বলেন, আমরা সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এই সংবিধানের আওতায়
থেকেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক-এটাই চাই।
এদিকে
ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে বিএনপির আপত্তির মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
ইসলামী
ব্যাংক হাসপাতাল ও ইবনে সিনা
হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবামূলক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনী দায়িত্ব না দেওয়ার আহ্বান
জানিয়েছে-যা নিয়ে আমরা
উদ্বেগ প্রকাশ করছি।
মন্তব্য করুন


ন্যায় ও ইনসাফের নতুন বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সাধারণ একজন নাগরিক অপরাধের জন্য যেই শাস্তি পাবে প্রেসিডেন্টও অপরাধ করলে একই শাস্তি পাবে। বিচারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অপরাধ বিবেচ্য বিষয় হবে। অপরাধ করলে কেউ ছাড় পাবে না। তিনি বলেন, ‘‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে প্রতি ৬ মাস পরপর জনপ্রতিনিধিদের জনগণের মুখোমুখি হতে হবে’’। বিগত ৬ মাসে জনগণের জন্য কী কী কাজ করেছে এবং পরবর্তী ৬ মাসে জনগণের জন্য কী কী কাজ করবে তার হিসাব জনগণকে দিতে হবে। জনগণের টাকায় দেশ চললে অবশ্যই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জনপ্রতিনিধির নামে জনগণকে শোষণ করার দিন শেষ। জনপ্রতিনিধিদের শাসক নয় সেবক হতে হবে। দেশের সব নদী, খাল-বিল রক্ষায় জনপ্রতিনিধিদের বছরে ৪ বার নদী ও খাল-বিলে গোসল করানো হবে। কোনো এমপি, মেয়র, কমিশনার, চেয়ারম্যান বা মেম্বার ক্ষমতার প্রভাবে নদী, খাল-বিল দখল করতে পারবে না এবং ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করতে হবে না। যদি করে তাকে ময়লার ভাগাড়েই গোসল করতে হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-৪ ও ৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের কবল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যাত্রাবাড়ী অঞ্চলের মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকার করেছে। এই অঞ্চল শহীদের রক্তে রঞ্জিত। এই অঞ্চলের দায় রাষ্ট্রকেই শোধ করতে হবে। ঢাকা-৪ ও ৫ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা নিজ-নিজ এলাকার যেই সমস্যাগুলো তুলে ধরেছে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সকল সমস্যা গুলো সমাধান করা হবে।
কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে আমীরে জামায়াত বলেন, কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিটি সরকার চরম অবহেলা করেছে। কওমী মাদ্রাসার সিনিয়র লেভেলের সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও নিচের দিকের কোনো সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। কেউ তাদের স্বীকৃতি না দিলেও জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে কওমী মাদ্রাসার সর্বস্তরের সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলা ভাষার পাশাপাশি আরবি ও ইংরেজি ভাষার উপর গুরত্বারোপ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারাবিশ্বে আমাদের আগামী প্রজন্ম দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। জামায়াতে ইসলামী সেই সুযোগ সৃষ্টি করবে। যুবকদের বেকার ভাতার নয় দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে আমীরে জামায়াত বলেন, বেকারত্ব জাতির অভিশাপ। যারা জাতিকে নিয়ে ভাবে না, জাতির জন্য যাদের পরিকল্পনা নেই; তারাই যুবকদের বেকার ভাতার দেওয়ার ঘোষণা দেয়। জামায়াতে ইসলামী যুবসমাজকে দক্ষ জাতি হিসেবে গড়ে তুলবে।
আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘পরিবারের মতোই দেশকে নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গড়ে তুলতে হবে’’। বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতিতে সমানভাবে নারীরা অংশগ্রহনের সুযোগ পাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে, ‘‘নারী সমাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় মহিলাদের জন্য বড় শহরে ইভেনিং বাস সার্ভিস চালু করা হবে’’। নারী সমাজের অধিকার, স্বাধীনতা, মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবে না, সহ্য করা হবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদের ছায়ামুক্ত বাংলাদেশ চাই, আধিপাত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যারা জনগণের মুখের ভাষা বুঝতে পারে না, জনগণ তাদেরকে ১২ ফেব্রুয়ারি সেটি বুঝিয়ে দিবে। নতুনরূপে কোনো ফ্যাসিবাদ জনগণ মেনে নেবে না। দেশের জনগণের অর্থে কেনা অস্ত্রে জনগণের বুকে আর গুলি চালানোর দৃশ্য দেখতে চাই না।
যারা চাঁদাবাজি নামক নতুন পেশা চালু করেছে তাদের উদ্দেশ্যে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে আমরা কোনো মায়ের সন্তানকে চাঁদাবাজ হতে দেবো না। চাঁদাবাজরা যদি তাওবা করে সরল পথে ফিরে আসে তাদের জন্যও আমরা কর্মের ব্যবস্থা করবো। তাদের আমরা বলবো যেই যেই ব্যবসায়ী থেকে চাঁদা নিয়েছিলে তাদের টাকা ফেরত দিয়ে আসো। চাঁদাবাজরা চাঁদা ফেরত দিয়ে আসলে রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একটি সুখি-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সমাজের অপরাধ দমনের জন্য যা যা করণীয় তার সব কিছু করা হবে। চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করতে বিশেষ অ্যাপস চালু হবে। সেই অ্যাপসের তথ্যের আলোকে চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। পরিশেষে তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেনম, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি- ‘না’ মানে গোলামী।
১১ দলীয় জোট সমর্থিত ঢাকা-৫ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ঢাকা-৫ আসনে জলাবদ্ধতায় মানুষ নিদারুণ কষ্ট ভোগ করছে। এই এলাকাকে ময়লার ভাগাড় করে রাখা হয়েছে। বিগত সময়ে এই এলাকায় উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। এখানকার দুটি জুটমিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে বন্ধ থাকা জুটমিল দুটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া সহ মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আমীরে জামায়াতের নির্দেশনার আলোকে জামায়াতের কোনো এমপি শাসক হবে না সেবক হবে। ভোগবিলাসের জন্য জনপ্রতিনিধি না হওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যত্যয় করে মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা-৫ সংসদীয় এলাকাকে নতুনরূপে গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চান।
১১ দলীয় জোট সমর্থিত ঢাকা-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকা হচ্ছে অবহেলিত এলাকা। আগামীতে জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচিত করলে ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকাকে আধুনিক ঢাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, এই এলাকায় খেলাধুলার জন্য কোনো মাঠ নেই যার ফলে যুব সমাজ খেলাধুলার পরিবর্তে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। যুবসমাজের খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের জন্য এই এলাকায় একটি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। এখানে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নেই, সড়কের বেহাল দশা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দূরবস্থা, গ্যাস সংকট নিত্যদিনের সঙ্গী। জনগণের যাবতীয় সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করাই তার মূল লক্ষ্য বলে তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুর রব, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা-৫ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মুফতি মুখলেসুর রহমান কাসেমী, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য এবং জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন খান, জাকসু জিএস মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৫ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুস সালাম, ঢাকা-৪ আসন কমিটির পরিচালক ও কদমতলী থানা আমীর আব্দুর রহিম জীবন।
যাত্রাবাড়ী মধ্য থানা আমীর এডভোকেট এ.কে আজাদের পরিচালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জুলাই আন্দোলনের শহীদ আসলামের বোন শারমিন, এনসিপির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মুফতি সানাউল্লাহ আমিনী, নেজামে ইসলাম পার্টি যাত্রাবাড়ী থানা সভাপতি মাওলানা ওহিদুজ্জামান, খেলাফত আন্দোলন যাত্রাবাড়ী থানা সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফুর রহমান, ঢাকা-৫ আসন কমিটির সহকারী পরিচালক ও যাত্রাবাড়ী পূর্ব থানা আমীর মো. শাহজাহান খান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দীন রুবেল, ঢাকা-৫ আসন কমিটির সদস্য সচিব ও ডেমরা মধ্য থানা আমীর মোহাম্মদ আলী, ঢাকা-৪ আসন কমিটির সদস্য সচিব ও কদমতলী মধ্য থানা আমীর মো. মহিউদ্দীন, যাত্রাবাড়ী উত্তর থানা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা জাকির হোসেন, শ্যামপুর থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীন, কদমতলী দক্ষিণ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান, শ্যামপুর পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা আব্দুর রব ফারুকী, যাত্রাবাড়ী থানা আমীর মাওলানা সাদিক বিল্লাহ, ডেমরা উত্তর থানা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, যাত্রাবাড়ী-কোনাপাড়া থানা আমীর মো. আখতারুজ্জামান চয়ন, যাত্রাবাড়ী পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা আবুল হোসাইন, ডেমরা দক্ষিণ থানা আমীর মির্জা মো. হেলাল, ডেমরা পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের সকল থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে জননেতা আব্দুস সবুর ফকির বলেন, যাত্রবাড়ী শহীদের রক্তে রর্জিত এক ভূমি। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট পালিয়ে যাওয়ার পরও যাত্রাবাড়ীতে সন্ধ্যা পর্যন্ত গুলি চালানো হয়েছে। গুলি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জনগণের বুকে গুলি চালানো হয়েছে। ফ্যাসিবাদের কবল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যাত্রাবাড়ী এলাকার জনগণের ত্যাগ সর্বোচ্চ। এই ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই এলাকাকে নতুনরূপে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, যাদের সামজের কল্যাণে রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নাই তারাই এখনো একাত্তরের পরে আছে। জনগণের কল্যাণে কর্মসূচি না থাকলে আওয়ামী লীগের মতোই দেশ থেকে বিদায়ী নিতে হতে পারে উল্লেখ করে তিনি সকল দলকে জনগণের কল্যাণে জাতির স্বার্থে রাজনীতি করার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রনালয় এবং
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, জনগণের
আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে
জাতীয় নির্বাচন। বিগত ফ্যাসিবাদের সময় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যেভাবে বৈষম্য করা হয়েছে,
অন্তর্বর্তী সরকার তা করবে না। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো রংপুর ও রাজশাহী বিভাগেও
যাতে সমানভাবে উন্নয়ন হয়, সেভাবে কাজ করবে এ সরকার।
আজ বুধবার
(২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা শহরের সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ বলেন, শিল্পের বিকাশ ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবাহ এবং উন্নয়ন অসম্ভব। এ লক্ষ্যে
উত্তরবঙ্গে যেন শিল্পের বিকাশ ঘটে এজন্য স্থলবন্দর শক্তিশালী করণে সরকার কাজ করবে।
এরই মধ্যে সুগার ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই
অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন। সেই
লক্ষ্য বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোতে আমরা হাত
দিচ্ছি।
জেলা প্রশাসক
মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র
আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আবু সাঈদ লিওনসহ অনেকে এসময় বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।
এ সময়
উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান ।
অনুষ্ঠানে
দুই হাজার মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
সজীব ভূঁইয়া।
পরে নীলফামারী
সার্কিট হাউসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত জেলা সদরের গোড়গ্রাম
ইউনিয়নের রুবেল ইসলাম ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচন্ডি ইউনিয়নের নাঈম ইসলামের স্বজনদের
হাতে দুই লাখ করে মোট চার লাখ টাকার করে চেক তুলে দেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
বলেছেন, লেখাপড়া করে মেধার ভিত্তিতে যেমন ডাক্তার, প্রকৌশলী, অর্কিটেক্ট হতে হবে তেমনি
পেশাদার খেলোয়াড় কিংবা শিল্পী তৈরী করতে হবে। কারণ,একজন পেশাদার খেলোয়াড় কিংবা শিল্পীও
তার পেশার মাধ্যমে পরিবারকে সাহায্য করতে পারেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) লালমনিরহাটের
বড়বাড়ীতে শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’র ফাইনাল ম্যাচে লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল
প্লাটফর্মে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এটি ছিল ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল
টুর্নামেন্ট’র
৬ষ্ঠ তম আসর।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ স্বৈরাচার
বিদায় করেছে। এখন দেশ গড়ার পালা। এ প্রত্যয় নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য আমাদের
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ গড়তে আমরা ৩১ দফা দিয়েছি। দেশকে নিয়ে এখনো ষড়যন্ত্র
হচ্ছে। আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
আগামীদিনে পেশাদার খেলোয়াড় তৈরী করতে
হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর পাশপাশি ভাল সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিল্পী তৈরির কাজ
করতে হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে জনপ্রিয় খেলাগুলো বাছাই করে আমরা দেশের তরুণ সমাজের
মধ্যে থেকে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি করবো। বাইরের দেশের খেলোয়াড়ের উপর নির্ভরশীলতা
কমাতে হবে। সবকিছু হবে সরকারিভাবে।
এ প্রসঙ্গে, উদাহরণ হিসেবে শহিদ জিয়ার
আমলের ‘নতুন কুড়ি’
অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ওই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভাল সাংস্কৃতিক
ব্যক্তিত্ব এবং ভাল শিল্পী বের করে আনা। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী
বেবী নাজনীন ‘নতুন কুড়ি’-ই
ফসল।
তিনি বলেন, ‘ঠিক একইভাবে ভাল খেলোয়াড়
বের করে আনতে আমাদেরকে ৮ থেকে ১০ টি খেলা পছন্দ করে এসব খেলার ওপর জোর গুরুত্ব দিতে
হবে। যিনি যে ধরণের খেলায় ভাল করবেন, তাদেরকে সেই খেলায় পারদর্শী করে তুলতে হবে। যাতে
করে আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোতে আমাদের খোলোয়াড়রাও ভাল ফলাফল বয়ে আনতে পারে।’
বিএনপি’ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যার বলেন,‘জনগণের ভোটে যদি ক্ষমতায় আসতে
পারি তাহলে আমরা সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাজের সাথে-সাথে খেলাধুলা
ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ওপরও জোর দেব। মেধাবী ডাক্তার, প্রকৌশলী, আর্কিটেক্ট বানানোর
পাশাপাশি ভালো রাজনীতিবিদ, ভালো খেলোয়াড় ও শিল্পী তৈরী করতে পারি সেই চেষ্টা করবো।
তারেক রহমান আরও বলেন, যে ব্যক্তি যে
বিষয়ে মেধাবী, তার মেধাকে মূল্যায়ন করে সেই বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হবে। সবাইকে নিয়ে নতুন
বাংলাদেশ তৈরি করবে বিএনপি।
‘আমরা যদি বিভিন্ন খেলায় পেশাদার খেলোয়াড়
এবং ভালো সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পী তৈরী করতে পারি’ তাহলে ওইসব ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে বলেও
তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শহীদ
আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে গত ১২ নভেম্বর শুরু হয় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট। বিএনপির
রংপুর বিভাগের ১০টি সাংগঠনিক দল এতে অংশগ্রহণ করে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় পঞ্চগড় বিএনপি
একাদশ ও রংপুর মহানগর বিএনপি একাদশ’র
মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টাইব্রেকারে এক শূন্য গোলে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি একাদশ
বিজয় লাভ করে।
‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’র ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি’র
জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস। অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন বিএনপি’র
রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পদক আসাদুল হাবিব দুলু।
অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী
এ্যানি, কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ ও ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান অনুষ্ঠানে
বক্তৃতা করেন ।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার ( ১৭ ফেব্রুয়ারি ) ঢাকায় রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
সাক্ষাৎকালে
তোবগে একটি সংকটময় সময়ে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য
প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।
বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী আজ ঢাকায় এসে পৌঁছান। তাকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
স্বাগত জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. তৌহিদ হোসেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
দিবস উপলক্ষে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।
সোমবার
(১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ দিবস
ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নেওয়া নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের
তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি
কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, শহীদ মিনার এলাকা জুড়ে আমাদের বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা
ব্যবস্থা রয়েছে। ফুট পেট্রোলিং, ড্রোন পেট্রোলিং, মোবাইল পেট্রোলিং এবং সাইবার পেট্রোলিংয়ের
মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা ঝুঁকির কোনো
তথ্য নেই। তারপরও পুলিশ সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নিয়েছে। একুশে বইমেলায় আমাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে একটি
কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে, সিসি ক্যামেরার দিয়ে, সিকিউরিটি ইকুইপমেন্ট, সিকিউরিটি ইউনিট
সব সেখানে কাজ করছে। আর যে ছোটখাটো ব্যবস্থাগুলো হচ্ছে সেগুলো বইমেলা কর্তৃপক্ষ স্বাভাবিকভাবে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ হওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ সব সময়
সেখানে প্রস্তুত রয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি রাত থেকেই মানুষজন এখানে আসবেন। যানজট নিয়ন্ত্রণের
জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শহীদ মিনার এলাকায় কিছু কিছু গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে৷
আমরা লিখিতভাবে জানিয়ে দেব। সাধারণত পলাশীর মোড় থেকে এখানে আসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এই এলাকা থেকে বের হওয়ার রাস্তাগুলো দেওয়া হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমরা সেটি
জানিয়ে দিয়েছি। এখানে আমাদের একটি ম্যাপ তৈরি করে দেওয়া আছে। যারা আসবেন তাদের প্রতি
আমাদের অনুরোধ, শৃঙ্খলা মেনে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা এখানে রেখে আসবেন।
মন্তব্য করুন


গণভোটে 'হ্যাঁ'র প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, এবারের গণভোট কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানো কিংবা কোনো দলকে ক্ষমতায় যেতে বাধা দেয়ার এজেন্ডা নয়; এটি রক্তের অক্ষরে লেখা জুলাই জাতীয় সনদভিত্তিক রাষ্ট্র সংস্কারের এজেন্ডা, যা বাংলাদেশের সকল মানুষের। এই গণভোট হলো জনগণের সম্মতি নেওয়ার একটি প্রক্রিয়া: যার মাধ্যমে নির্ধারণ হবে আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে চলবে।
গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, সকালে রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে ঢাকা বিভাগীয় প্রশাসন।
ঢাকা বিভাগের কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি ও পূর্ত সচিব মো: নজরুল ইসলাম ওঢাকা রেন্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।
অনুষ্ঠানে প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় ‘একবাক্যে’ মত পেয়েছি-গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ওপর আইনগত নিষেধাজ্ঞা নেই। যারা এ বিষয়ে বাধা আছে বলে প্রচার করছে, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে অথবা ভিন্ন উদ্দেশ্যে বিষয়টি উত্থাপন করছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যে ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছিল, তার বিরুদ্ধে যারা সংগ্রাম করেছেন, প্রাণ দিয়েছেন, জেল–জুলুম–নিপীড়ন সহ্য করেছেন, গুমের শিকার হয়েছেন, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন-তারাই আমাদের দুইটি সুস্পষ্ট দায়িত্ব দিয়ে গেছেন। ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র যেন আর ফিরে আসতে না পারে, সেই পথ রুদ্ধ করা। আরেকটি দায়িত্ব হচ্ছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের পথনকশা নির্মাণ। বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ মানুষ ২৭ থেকে ৩৭ বছরের নিচে। আগামী অন্তত ৪০ বছর এই দেশ কেমনভাবে চলবে, আজ আমার ও আপনার দায়িত্ব হচ্ছে সে পথ নির্ধারণ করা এবং দুর্বার গতিতে সাফল্য ও সমৃদ্ধির এগিয়ে যাবার আয়োজন করা।
আলী রীয়াজ বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা কেবল কর্মকর্তা-কর্মচারী নন; তারা একই সঙ্গে নাগরিকও। তাই, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে নাগরিক দায়িত্ব পালনের প্রশ্নে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্তদের জনগণের সেবায় সর্বদা সচেষ্ট থাকার কর্তব্য এবং নাগরিকদের আইন মানা, শৃঙ্খলা রক্ষা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব উল্লেখ রয়েছে। সেই দায়িত্বের আলোকে গণভোটে মানুষকে সচেতন করা ও ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করার কাজটিও নাগরিক কর্তব্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তির বিষয়টি উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ সময় ভোট নিয়ে অনাস্থার কারণে অনেকের কাছে গণভোট নতুন অভিজ্ঞতা। ফলে জনগণকে বোঝাতে হবে কীভাবে ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের অর্থ কী। তারা জানান, গণভোটের ব্যালটে ‘টিক চিহ্ন’কে প্রচারণার মূল প্রতীক হিসেবে ধরে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে আনতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
আলী রীয়াজ আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তিনটি ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করছে-সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। নির্বাচন সরকার আয়োজন করে না; অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে সরকার, আর নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। একইভাবে বিচারও আদালত পরিচালনা করবে, সরকার শুধু বিচার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করছে।
অতীতে এক ব্যক্তির ইচ্ছায় সংবিধান সংশোধন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনী করার জন্য জাতীয় সংসদের একটা কমিটি করা হয়েছিল। তাতে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলের সদস্যরা ছিল না। সেই কমিটি ২৫ থেকে ২৬টি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকবে। তবে কিছু শর্ত আরোপ করা হবে। যেমন ৯০ দিনের বেশি এটা থাকতে পারবে না। বিদেশের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে পারবে না। একটা বৈঠকে সেটা পরিবর্তিত হয়েছে। সেই বৈঠকটা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে পঞ্চদশ সংশোধনী তৈরি হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে এক ব্যক্তির ইচ্ছায়। সংবিধান সংশোধনী ছেলে খেলায় পরিণত যাতে আর না থাকে সেটা বন্ধ করা দরকার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত ৪৮টি সুপারিশ গণভোটে আসছে চারটি ক্যাটাগরিতে। চার ক্যাটাগরিতে ৪৮টি সুপারিশ থাকলেও কার্যত প্রশ্নটি একটাই। সেটি হলো—আপনি কি জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে, না বিপক্ষে?
তিনি বলেন, গণভোট ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবে এবং সেটি কতটা বীভৎস আর নির্মম ও নৃশংস হতে পারে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি রাষ্ট্র তৈরী করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত গত ৫৪ বছরে সেই রাষ্ট্র আমরা পাইনি। বরং এই দীর্ঘ সময়ে ব্যাক্তি ও গোষ্ঠীবিশেষ আমাদের স্বাধীনতাকে অ্যাবিউজ করেছে নিজেদের হীন স্বার্থে। এবার জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সেই লক্ষ্য অর্জনের। এখন গণভোটের মাধ্যমে এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
সভায় ঢাকা বিভাগের জেলা সমূহের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনে দেশের বাইরে একটি বিরাট সংখ্যক ভোটার অবস্থান করে। তারা প্রতি সংসদ নির্বাচনেই ভোটদান কার্যক্রমের বাইরেই থেকে যায়। তবে এবার তাদেরকে ভোটদানে উৎসাহী করতে চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসকে কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।
আজ আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানিয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, অর্থ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (সমন্বয় ও সংস্কার) ২৯ জন কর্মকর্তা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া অন্য নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন।
মো. জাহাংগীর আলম জানান, আইনের আলোকে পোস্টাল ব্যালটে শুধু এবার নয়, সব সময় ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। এবারও ভোট দিতে পারবেন। এই ব্যাপারে আইনের বাধ্যবাধকতাও রয়েছে- কমিশন এই বার্তাটি সংশ্লিষ্টদের দিয়েছে।
তিনি বলেন, বিদেশে যে বাংলাদেশি মিশনগুলো রয়েছে তার মাধ্যমে নোটিশ আকারে যেন দেওয়া হয়, এজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। প্রবাসে বাংলাদেশি যারা দেশের ভোটার তালিকাভূক্ত নাগরিক রয়েছে, তারা যদি ভোট দিতে উৎসাহিত হয়, কী পদ্ধতিতে ভোট দেবে সে বার্তাটা যেন জানিয়ে দেওয়া হয়।
গণপ্রতিনিধিত্ব অ্যাক্ট অনুযায়ী, নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত ভোটার, প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার, সরকারি চাকরিজীবী যিনি চাকরিসূত্রে নিজ এলাকার বাইরে বাস করেন ও কারাবন্দিরা পোস্টাল ব্যালটে ভোটের আবেদন করতে পারেন।
মন্তব্য করুন