

পুলিশের লুট হওয়া একটি পিস্তলসহ একজন
দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন টমছম ব্রীজ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ তুহিন আলম (১৯) নামক
একজন দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে পুলিশের লুট হওয়া একটি বিদেশী
পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও আট রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ তুহিন আলম (১৯)
কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার খানগড়া গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে। তবে সে
ঢাকার গুলশান থানাধীন উত্তর বাড্ডা, স্বাধীনতা স্বরণী রোড এলাকায় হোটেলে কাজ করে মর্মে
জানা যায়।
র্যাব জানান, গত ৫ আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখে
সে সহ দুষ্কৃতিকারীরা ঢাকার বাড্ডা থানায় আক্রমণ করে এবং থানার অভ্যন্তরে থাকা অস্ত্র,
গোলাবারুদ সহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রাদি লুটপাট ও ধ্বংস করে। ঐ সময় আসামী মোঃ তুহিন আলম
(১৯) উক্ত উদ্ধারকৃত পিস্তল, ম্যাগাজিন ও কার্তুজ সমূহ লুট করে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজের
কাছে রাখে। একপর্যায়ে তা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে কুমিল্লায় আসলে গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে র্যাব এর বিশেষ অভিযানে তাকে পিস্তল, ম্যাগাজিন ও কার্তুজ সহ আটক করা হয়।
উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। পুলিশের অস্ত্র লুটের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে র্যাবের অভিযান
অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ২৬ কেজি গাঁজা ও ১৪৯
বোতল ফেন্সিডিল’সহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শনিবার (৮ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। সবুজ খান (২৩), ২। সবুজ হাওলাদার (২৩) এবং ৩। মোঃ রাহাত খান (২০) নামক তিন জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে অদ্য ৮ জুন রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ হালিম শেখ (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৬ কেজি গাঁজা, ১৪৯ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। সবুজ খান (২৩) ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানার আরুয়া সোনারগাঁও গ্রামের বাবুল খান এর ছেলে, ২। সবুজ হাওলাদার (২৩) গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার গচাপাড়া গ্রামের আলীম হাওলাদার এর ছেলে, ৩। মোঃ রাহাত খান (২০) ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার উত্তর চড়াইল গ্রামের সোহরাব খান এর ছেলে এবং ৪। মোঃ হালিম শেখ (৪৮) নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম দেওভোগ গ্রামের মৃত মোঃ করিম শেখ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য সংগ্রহ করে ঝালকাঠি, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অভিযান পরিচালনা করে ৬৯০ পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার শাড়ী জব্দ করেছে। এ সময় চোরাচালানের সাথে জড়িত কেউ আটক হয়নি।
আজ সোমবার ( ২ ডিসেম্বর) ভোরে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ কটকবাজার পোস্ট এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত মেইন পিলার ২১০০/এম হতে ০৫ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার নামক স্থান হতে ৬৯০ পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার শাড়ী জব্দ করে।
বিজিবি জানান, জব্দকৃত চোরাচালানী পণ্যের সর্বমোট মূল্য ৪৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার জেলার মুরাদনগর উপজেলায় বাড়ির পাশে থাকা পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কালারাইয়া গ্রামের কাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে বইছে শোকের মাতম।
নিহত শিশু কাজী ইয়াছিন আরাফাত(৩) উপজেলার কালারাইয়া গ্রামের কাজী তানভীর মিয়ার ছেলে ও রোজা মনি(৩) একই এলাকার মিদন মিয়ার মেয়ে। তারা দুজন সম্পর্কে চাচা-ভাতিজি ছিল।
দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি ছেলের বাবা কাজী তানভীর নিশ্চিত করে জানান, প্রতিদিনের মত আজকে সকাল ৯টার দিকে আমার ভাইয়ের মেয়ে রোজা মনি ও আমার ছেলে ইয়াছিন দুজন মিলে বাড়ির পিছনে পুকুর পাড়ে খেলতে যায়। কিছুক্ষন পর তাদের দুইজনকে কোথাও দেখতে না পেয়ে দুই পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজতে থাকি। খোঁজাখুঁজির একপর্যায় পুকুর পাড়ে তাদের ভাসতে দেখি। তাৎক্ষনিক তাদের উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুইজনকে মৃত ঘোষণা করে।
বিকালের দিকে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩২ কেজি গাঁজা ও একটি প্রাইভেটকারসহ
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে হোমনা থানা পুলিশ ।
আজ (১২ জুলাই) সকালে হোমনা থানার এসআই
মোজাফফর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোমনা থানার ছয়ফুল্লাকান্দি মাথাভাঙ্গা
এলাকায় ছিনাইয়া-টু-মেঘনাগামী পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্টে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশী
করে ৩২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- হবিগঞ্জ জেলার
মাধবপুর থানার গজনগর গ্রামের মোরশেদ এর ছেলে মোঃ সেলিম (৩৭)।
উক্ত ঘটনায় হোমনা থানার মামলা দায়ের
করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা/নীতিমালার বিষয়ে লার্নিং সেশন এর আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার কুমিল্লা জেলার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে লার্নিং সেশন এর আয়োজন করা হয়।
উক্ত লার্নিং সেশনে উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লার বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিজেএ সাউদ হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক।
লার্নিং সেশনের শুরুতে সভাপতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার বর্তমান ও অতীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে অবহিত করেন। সিজিএম মাদক মামলার জব্দ তালিকা প্রস্তুত, সাক্ষী গ্রহণ ও স্বাক্ষ্য প্রদান এবং বিধিমালা/নীতিমালার বিষয়ে উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিকে সম্মাননা স্মারক ও মাদকের ক্ষতিকর দিক লেখা সম্বলিত বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নগর ভিত্তিক পানিচক্রের টেকসই রূপান্তর নিয়ে পরিকল্পনা কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
সোমবার কুমিল্লার হোটেল এলিট প্যালেসের লোটাস হলে উক্ত পরিকল্পনা কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাক্তার তাহসিন বাহার।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামসুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট ম্যানেজার পেট্রেসিয়া সোলরঝানো।
বাংলাদেশ নেদারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে নগরভিত্তিক পানিচক্রের টেকসই রূপান্তর
প্রকল্প নিয়ে দুই দিনব্যাপী এই পরিকল্পনা কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
মন্তব্য করুন


কৃষি,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, সমাজ ও মানবকল্যাণে যারা
নিবেদিতভাবে কাজ করছেন, তাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, মানবিক ও বাসযোগ্য সমাজ রেখে যাওয়ার লক্ষ্যে সবাইকে
নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ
শনিবার (১৩ জুন) সকালে কুমিল্লা কবি নজরুল ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি,
কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ‘গুণীজন সম্মাননা-২০২৬’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষি,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সমাজ আমরা পূর্বসূরিদের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে
পেয়েছি। তাদের সৃষ্ট ইতিবাচক কর্ম ও অবদানের কারণেই আজ আমরা একটি উন্নত ও পরিচ্ছন্ন
সমাজে বসবাসের সুযোগ পাচ্ছি। সমাজে নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও পৃথিবী সামনের
দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই অগ্রযাত্রাকে আরও সমৃদ্ধ করতে সমাজের কল্যাণে কাজ করা ব্যক্তিদের
মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
তিনি
আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষকে নিজের অবস্থান থেকে সমাজের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ
করতে হবে। অন্যকে ভালো হওয়ার আহ্বান জানানোর আগে নিজেকে সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল হিসেবে
গড়ে তোলা জরুরি। অতীত থেকে আমরা যা পেয়েছি, আগামী প্রজন্মের জন্য তার চেয়েও উন্নত কিছু
রেখে যাওয়ার প্রত্যয় থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে
সমাজসেবা, শিক্ষা, চিকিৎসা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ে দীর্ঘদিনের
অবদান ও বিশেষ কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ কুমিল্লার পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে ‘গুণীজন
সম্মাননা-২০২৬’ প্রদান করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি তাদের হাতে সম্মাননার
ক্রেস্ট তুলে দেন।
এ
বছর সম্মাননা লাভ করেন- বিশিষ্ট ছড়াকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক দুলাল, চিকিৎসা
ও মানবসেবায় অবদানের জন্য ডা. আব্দুল লতিফ, জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ে বিশেষ ভূমিকার জন্য
জামিল আহমেদ খন্দকার, চিকিৎসা ও সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য ডা. গোলাম শাহজাহান এবং
ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বদরুল হুদা জেনু।
বাংলাদেশ
সাংবাদিক সমিতি, কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ইয়াসমিন রীমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ
অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
ইউসুফ মোল্লা টিপু এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক।
সংগঠনের
সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা এমরানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- কুমিল্লা প্রেসক্লাবের
সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সিপিবি নেতা শেখ আবদুল
মান্নান, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান মো. তরিকুল ইসলাম,
কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাফিজ, দৈনিক শিরোনামের সম্পাদক নীতিশ
সাহা, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান, অজিত গুহ কলেজের
অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে
বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির বিভিন্ন উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক
সংগঠনের প্রতিনিধি এবং জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০ কেজি
গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন
নাজিরা বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ নূর নবী এবং ২।
মোঃ আব্দুর রহীম উল্লা নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের
কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ নূর নবী
(৬৫) চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার পূর্ব হাসনাবাদ গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম এর
ছেলে এবং ২। মোঃ আব্দুর রহীম উল্লা (২৬) একই জেলার আকবর শাহ থানার বিশ্ব কলোনী কাচাঁবাজার
গ্রামের মোঃ আজিজুল হক এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর
যোগসাজসে জব্দকৃত মিনি ট্রাক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মহিউদ্দিন
(৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে ডান হাত কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার
দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মহিউদ্দিন পেশায় একজন রং মিস্ত্রি ছিলেন। তিনি
ওলাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
মহিউদ্দিনের মা মনোয়ারা বেগম বলেন,
আমার ছেলে মহিউদ্দিন দিনমজুর হিসেবে যখন যে কাজ পেতো, তাই করতো। আমার ছেলে রাজনৈতিক
কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। তার কোনো শক্রও ছিল না। কিন্তু কে বা কারা দিনদুপুরে
বসতবাড়িসংলগ্ন মসজিদের কাছে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে তার ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে
নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জান্নাতুল নাঈম তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডা: জান্নাতুল
নাঈম জানান, মহিউদ্দিনকে মৃত অবস্থায় আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়েছে। তাঁর
ডান হাত পাওয়া যায়নি। কনুইয়ের ওপর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। হাত বিচ্ছিন্ন করার
পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর মাথা ও পাসহ শরীরের বিভিন্ন
অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ
(পরিদর্শক) রোমেন বড়ুয়া বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের জেরে এ
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। তদন্তের পরে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের
জন্য কুমিল্লায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক
সাইদুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা হত্যা করা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। হত্যাকারীরা তার
ডান হাত নিয়ে গেছে। লাশের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে
পাঠানো হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘হামের টিকার বিষয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যথেষ্ট গাফিলতি ছিল। তাদের সাতবার এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। তারা চেয়েছিল প্রাইভেটলি, টাকা খেতে। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে হাম নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যে ১৮টি উপজেলায় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়, তা নিশ্চিত করা।’
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
হাম সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চেয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি ১০ জনকে ফাঁসি দিয়েও হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাব? আসলে শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হয় না।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের টিকা প্রসঙ্গে বলেন, ‘দুই কোটির বেশি শিশুদের টিকা দেওয়ার পরও আমরা বসে থাকিনি, সারাদেশে মেডিকেল সেন্টারগুলোতে বলেছি, যে বাচ্চারা হামের টিকা পায়নি তাদের ডেকে ডেকে টিকা দিতে। এই দেশের পরিসংখ্যান ও পৃথিবীর সবদেশের পরিসংখ্যান ভুল আছে। পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর না করে যারা টিকা পায়নি তাদের সবাইকে দেব।’
এর আগে মন্ত্রী কুমিল্লার সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সংকট ও সমস্যার কথা শোনেন। খাবারের মান যাচাই করেন। এছাড়াও রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘আমরা ১০টি জেলায় পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর সেবা, অক্সিজেন কনসেনট্রেটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সাপ্লাই করেছি, আগামী কয়েকদিনের ভেতরে আমরা সেখানেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিও) চালু করব, পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি জেলায় আমরা পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর (আইসিও) চালু করব। চিকিৎসকরা আগের থেকেও এখন বেশি উপস্থিত থাকছেন, আগে তো আসতেন না। আজকে এখানে সবার উপস্থিতি দেখলাম। এখানে জরুরি বিভাগ খোলা আছে, লেবার ওয়ার্ডে ডাক্তার আছে, সারাদেশব্যাপী উন্নত হইছে, তিন মাসে তো সব করতে পারব না। দোয়া করেন, আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই।’
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘পাঠ খেত যখন পরিচর্যা শুরু করেন, কামলা নেন, শুরু করেই কি খেতের শেষ মাথায় যাইতে পারে? আস্তে আস্তে যেতে হবে। আমরা কাজ শুরু করেছি।’
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রত্যেকটি উপজেলায় স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করব, বেড সংখ্যাও আমারা বৃদ্ধি করব, যাতে মানুষ সঠিক চিকিৎসা পায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রেজা হাসান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম, জেলা সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ, ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মো. সারোয়ার আকবর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের (ভারপ্রাপ্ত) পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন