

ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানিয়েছেন, ঢাকার মূল সড়কে কোনো রিকশা চলাচল করতে পারবে না।
তিনি বলেন, রিকশা চলাচল করবে অভ্যন্তরের সড়কে। ব্যাটারিচালিত
অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডেসকোর সহায়তায় এসব রিকশা চার্জিং
পয়েন্ট ও উৎপাদনের ওয়ার্কশপ বন্ধ করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় ব্যাটারিচালিত
অবৈধ রিকশা চলাচল বন্ধে পরিচালিত অভিযানে এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন
(ডিএনসিসি) যৌথভাবে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মূল সড়কে চলাচলরত প্রায়
৩০টি ব্যাটারিচালিত রিকশা জব্দ করা হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, এক সমীক্ষায় দেখা গেছে
২০ শতাংশ দুর্ঘটনা এই ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
হচ্ছে শহরের নারী ও শিশুরা। এগুলো কোনো নীতিমালা বা যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায়
রেখে তৈরি করা হয়নি। প্রায়ই দেখা যায় পথচারীদের ওপর উঠে যাচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত গতির কারণে
প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ও সড়কে গণপরিবহন চলাচলে শৃঙ্খলা
ফেরাতে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বুয়েটের সহায়তায় এরই মধ্যে ব্যাটারিচালিত নিরাপদ
রিকশার নকশা করে কয়েকটি কোম্পানিকে প্রস্তুতের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই মাসের মধ্যে
ডিএনসিসি রিকশা চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণরাই বৈধ
লাইসেন্স পাবে এবং অনুমোদিত কোম্পানির তৈরি রিকশা শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় চালাতে পারবে।
এক এলাকার বৈধ রিকশা অন্য এলাকায় যেতে পারবে না। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে ভাড়াও নির্ধারিত
থাকবে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হবে। চলমান রিকশা নিয়ে যে বাণিজ্য
রয়েছে তা বন্ধ করা হবে।
উক্ত অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক
নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম বদরুদ্দোজা, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম, ডিএমপির ও ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয়
সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজের করা ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যে কথাটা আমি আগে বলেছিলাম, নির্বাচন
অত সহজ হবে না, ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। গত কয়েকদিনের ঘটনা, শুক্রবারের (হাদির ওপর
গুলি) ঘটনা এবং চট্টগ্রামে আমাদের প্রার্থীর উপরে গুলিবর্ষণের ঘটনা; এ সবকিছু নিয়েই
প্রমাণিত হচ্ছে যে, যা আমি বলছিলাম তা কিন্তু সত্য হচ্ছে আস্তে আস্তে। এজন্য দেশের
বর্তমান পরিস্থিতিতে মতভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গত শনিবার সন্ধ্যায়
রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’
শীর্ষক কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যদি নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে নিয়ে না আসি, আমরা যদি নিজেরা
ঐক্যবদ্ধ না হই। এ দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।
তিনি বলেন,
প্রত্যেকবার এ দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়েছে, প্রত্যেক বার আপনারা, কখনো শহীদ জিয়ার
নেতৃত্বে, কখনো দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, আস্তে আস্তে সেই খাদের কিনারা থেকে
দেশকে আবার বের করে নিয়ে এসেছেন।
ষড়যন্ত্রের
বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিভিন্ন সূত্রের
খবর বলছে, এ ষড়যন্ত্রগুলো আরও খারাপও হতে পারে। আমাদের ভয় পেলে চলবে না, মানুষদের সাহস
দিতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যত ঐক্যবদ্ধ হবো, আমরা যত সামনে এগিয়ে আসব, যেকোনো
মূল্যে নির্বাচন হবে; এ পরিস্থিতি যত আমরা তৈরি করব, ষড়যন্ত্রকারীরা তত পিছু হটতে বাধ্য
হবে।
চট্টগ্রামে
ও ঢাকায় দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে তারেক বলেন, চট্টগ্রামে
ঘটনা ঘটেছে, গতকাল (শুক্রবার) একটা ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা দিয়ে কেউ কোনো ফায়দা লোটার অবশ্যই
প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের
আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার পেছনে কারো কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কিনা ভেবে দেখার
পরামর্শ দিয়েছেন এই নেতা।
নেতাকর্মীদের
উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, এখন আমাদের সময় এসেছে আমি কী পেলাম এটা বাদ দিতে হবে। সময়
এসেছে আমি দেশ এবং জাতির জন্য কতটুকু করতে পারলাম। আজকে আপনি যদি দেশ এবং জাতির জন্য
কিছু করেন, তাহলে আগামী দিনে আপনার
যুদ্ধে নামার
আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। দয়া করে আসুন, এ যুদ্ধে
আমাদের জিততে হবে, এ যুদ্ধে জেতার সবচেয়ে বড় সহযোগী কে? বাংলাদেশের জনগণ। বাংলাদেশের
জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ যুদ্ধে আমাদেরকে জিততে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
তারেক রহমানকে
‘গণতন্ত্রের পথপ্রদর্শক’ আখ্যা আমির খসরু বলেন, এখন যার অপেক্ষায় বাংলাদেশ, গণতন্ত্রের
টর্চ বেয়ারার তারেক রহমান আগামী ২৫ তারিখে (ডিসেম্বর) বাংলাদেশে ফিরে আসবেন। এটা আমাদের
আনন্দের সংবাদ।
নেতাকর্মীদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের নেতা ২৫ তারিখ আসছেন। সেদিন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক
অঙ্গনে এক নতুন জোয়ার সৃষ্টি হবে। আপনাদের সবাইকে সেদিনের জন্য, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত
থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


উত্তর-পশ্চিম
বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অবস্থান করছে। ফলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর
উত্তাল রয়েছে। এ অবস্থায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে
বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজ
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে আবহাওয়ার ১ নম্বর
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে
বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম
দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে প্রথমে সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও পরে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে উত্তরপশ্চিম
বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় (২১.৩° উত্তর অক্ষাংশ এবং
৮৯.৬° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)
অবস্থান করছে।
এটি
আজ শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে,
কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কিলোমিটার পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩০ কিলোমিটার
দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ বিকেল নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের উপকূল
অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ
করছে।
উত্তর
বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা অথবা ঝোড়ো
হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এদিকে
নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০
কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ
কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও
পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
আরো বলা হয়েছে, অমাবস্যা ও নিম্নচাপের কারণে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট,
ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী,
ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ১-৩ ফুট অধিক
উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
উত্তর
বঙ্গোপসাগর অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে
এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


১৪
ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। কেউ ফুল দিয়ে ভালোবাসা জানায়, কেউ উপহার দিয়ে। কিন্তু
ভালোবাসার প্রকৃত অর্থ কি শুধুই কিছু মুহূর্তের আনন্দ? নাকি প্রিয় মানুষকে বাঁচাতে
নিজের জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার নামই সত্যিকারের ভালোবাসা? মৃত্যুর দুয়ারে দঁড়িয়ে থাকা স্বামীর
সংকট মুহূর্তে হাত ছাড়েননি তার জীবনসঙ্গী। নিজের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ দান করে
স্বামীকে নতুন জীবন দিয়ে ভালোবাসার প্রমাণ দিয়েছেন স্ত্রী।
হাসপাতালের
বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন বরিশাল নগরীর বাসিন্দা আবদুর রহমান। তার দুটি কিডনিই
অচল হয়ে গেছে। হাসপাতালের করিডোরে তখন অনিশ্চয়তার ভারী বাতাস। ডাক্তাররা জানিয়ে দেন
রহমানকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে কিডনি প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। চিকিৎসার জন্য জীবনের
উপার্জিত অর্থ তুলে দিয়েছিলেন ভাইয়ের হাতে। কিন্তু সেই ভাই রক্তের বাধনকে ছিন্ন করে
লোভে পড়েন অর্থের। অসুস্থ ভাইকে হাসপাতালে রেখে টাকা-পয়সা নিয়ে সটকে পড়েন তিনি।
সে
সময় দিশেহারা রহমানের স্ত্রী মেসাম্মাত তানজিলা, অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে নিরুপায়। কি
করে বাঁচাবে তার স্বামীকে। এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেয় নিজের একটি কিডনি দিয়ে তার প্রিয়
জীবন সঙ্গীকে ফিরিয়ে আনবেন তার ভালোবাসার সংসারে। ছোট ছোট দুটি সন্তান মায়ের কাছে রেখে
সুদূর ভারতের ভেলোরে দীর্ঘ ৮মাস একাই জীবন মরণ যুদ্ধে লড়াই করে ভোলাবাসার মানুষকে নিয়ে
ফেরেন দেশে। করুণ এই ভালোবাসার কথা গুলো যেন স্বরণীয় হয়ে থাকবে চিরকাল। তাই আজও রহমান
ও তানজিলার সংসার কাটছে অফুরন্ত ভালোবাসায়।
জানতে
চাইলে স্ত্রী মোসাম্মাত তানজিলা বলেন, বিয়ের পর থেকে স্বামীর সংসারে অবহেলিত ছিলেন
তানজিলা। স্বামীর কাছ থেকে পায়নি ভালোবাসা। স্বামী নিজে তার উপার্জিত অর্থ পরিবারের
আপন লোকদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু তারাই স্বামীকে ফেলে চলে যায় অনত্র। নিজের
স্বামীকে বাঁচাতে দিন রাত এক করে জমানো টাকা আর শরীরের কিডনি দিয়ে ফিরিয়ে আনেন স্বামীকে। তিনি বলেন, আমি আমার স্বামীকে নিজের জীবনের চেয়েও
বেশি ভালোবাসি। স্বামীকে হারাতে চাইনি তাই নিজের কিডনি দিয়ে তাকে আবার ফিরিয়ে এনেছি।
বর্তমানে আমি স্বামীর ভালোবাসা পাচ্ছি। তিনি এখন নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। আমি আমার
স্বামীকে নিয়ে সুখেই আছি।
১৪
ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এই দিনে অনেকেই ভালোবাসার মানুষকে ফুল, চকলেট কিংবা
উপহার দেন। কিন্তু রহমান ও তার স্ত্রীর গল্প মনে করিয়ে দেয় ভালোবাসা শুধু প্রকাশের
নয়, ত্যাগের নামও ভালোবাসা। ভালোবাসা মানে শুধু পাশে থাকা নয়, প্রয়োজনে নিজের ভেতরের
শক্তিটুকু উজাড় করে দেওয়া।
আবদুর
রহমানের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি নতুন জীবন পেয়েছি আমার স্ত্রীর কারণে। সে না
থাকলে আজ আমি বেঁচে থাকতাম না। আমি তার কাছে সারাজীবন ঋণী।
ফুল
শুকিয়ে যায়, উপহার হারিয়ে যায় কিন্তু ভালোবাসার জন্য দেওয়া এক টুকরো জীবন চিরকাল অম্লান
হয়ে থাকে। তাই তো ভালোবাসা সবসময়ই সুন্দর।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের
গত বছরের ঢাকা সফর সদ্য রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে উত্তরণের সময়ে বাংলাদেশকে এক বড় ধরনের
মানসিক প্রেরণা যুগিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
মালয়েশিয়া সফরকালে গতকাল বুধবার দেশটির
সরকারি বার্তা সংস্থা বারনামাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধ্যাপক
ড. ইউনূস বারনামাকে বলেন, আনোয়ার ইব্রাহিমের এই সফর বাংলাদেশের কঠিন সময়ে জাতির মধ্যে
আশার সঞ্চার করেছিল।
বারনামা আজ সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে।
বারনামার প্রধান সম্পাদক আরুল রাজু দুরার রাজের নেতৃত্বে সংস্থাটির একদল সাংবাদিক এই
সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে।
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তী
সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. ইউনূস সাক্ষাৎকারে ছাত্র জনতার নেতৃত্বে
কীভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন তা
স্মরণ করেন। এ সময়ে বাংলাদেশ যে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছিল, তা তুলে ধরেন তিনি।
এই পরিস্থিতিকে ‘ম্যাগনিচিউড ৯ ভূমিকম্পে
আঘাত হানা’ অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, সবকিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, ভীষণ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি, কিছুই চলছিল না- শুধু ক্ষোভ
ফুঁসে উঠছিল।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, আমাদের
এমন এক কঠিন সময়ে দেশ চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এটা ছিল অত্যন্ত কঠিন কাজ। শুধু
বিশৃঙ্খলা দূর করাই নয়, সবকিছু নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছে। আমরা তখন পথ খুঁজছিলাম, কীভাবে
এগোবো— এমন সময়ে সুখবর এল, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
আমাদের দেশে সফরে আসছেন।
বারনামাকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে নোবেল
বিজয়ী ইউনূস আনোয়ার ইব্রাহিমের সেই সফর নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।
আনোয়ার ইব্রাহিম ২০২৪ সালের অক্টোবর
মাসে বাংলাদেশ সফর করেন। অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশ পুনর্গঠনের দায়িত্ব
নেওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় তিনিই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি নেতা হিসেবে বাংলাদেশ
সফর করেন।
‘তিনি আমাদের আশা দিয়েছিলেন। তাঁর সফর
জনগণের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছিল। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের মানুষের কাছে খুব
পরিচিত একটি দেশ, কারণ এখানে বহু বাংলাদেশি বসবাস করেন এবং তাদের পরিবারও এখানে রয়েছে।
এটি কোনো অজানা-অচেনা দেশ নয়। তাই মালয়েশিয়ার
প্রধানমন্ত্রী এসে বললেন, ‘হ্যাঁ, আমরা তোমাদের পাশে আছি’— এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য অনেক
অর্থবহ ছিল। তাঁর উপস্থিতি খুবই উৎসাহব্যঞ্জক ও অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল,’ বলেন প্রধান উপদেষ্টা
ড. ইউনূস।
৮৫ বছর বয়সী ইউনূস একজন অর্থনীতিবিদ
ও সামাজিক উদ্যোক্তা। তিনি ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে দরিদ্র বিশেষত নারীদের জন্য জামানতবিহীন
ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
মালয়েশিয়া বাংলাদেশের বাইরে প্রথম দেশ
হিসেবে আমানাহ ইখতিয়ার মালয়েশিয়া প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক মডেল গ্রহণ করে।
ইউনূস ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়ায়
তিন দিনের সরকারি সফরে আসেন। এ সময় তিনি মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি বিশেষ
করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শ্রম, শিক্ষা, পর্যটন ও প্রতিরক্ষা খাত, এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক
পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়ে পর্যালোচনা করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন।
তিনি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক
জোরদারের লক্ষ্যে দেশটির বিভিন্ন খাতের নেতৃবৃন্দ এবং বড় বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, আমি
বলতে পারি, আমাদের সফরটি দারুণ ও অত্যন্ত সফল হয়েছে। আমরা এই সফর নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট।
সবাই তাঁদের সময় নিয়ে খুব উদার ছিলেন। আমরা যেসব কর্মকর্তা, নেতা ও ব্যক্তির সঙ্গে
দেখা করতে চেয়েছিলাম, সবাই এগিয়ে এসেছেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে
বলেন, এই সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করবে এবং পারস্পরিক উপকারী
ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা সম্প্রসারিত করবে, যা ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের
পর থেকে বিদ্যমান দৃঢ় বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম
বাণিজ্য অংশীদার ও রপ্তানি গন্তব্য বাংলাদেশ। এর প্রধান রপ্তানি পণ্য হলো পেট্রোলিয়ামজাত
দ্রব্য, পাম তেল ও রাসায়নিক দ্রব্য, আর আমদানি পণ্য হলো টেক্সটাইল, জুতা, পেট্রোলিয়ামজাত
দ্রব্য ও প্রস্তুত পণ্য।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চার দিনের সফরসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১১
থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চলের মধ্যে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর,
দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট সফর করবেন তিনি।
আজ
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব এ বি
এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
এ
ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত ‘আচারণ বিধি’
কোনো ক্রমেই লঙ্ঘন করা হবে না বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ
বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, সফর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার
বরাবর আবেদন করেছে বিএনপি।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, সফরের প্রথম দিন ১১ জানুয়ারি ঢাকায় কর্মসূচি শেষে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে
দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারেক রহমান। পরে তিনি বগুড়ায় পৌঁছাবেন।
১২
জানুয়ারি বগুড়া থেকে সফর শুরু করে তিনি রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সাংগঠনিক
কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
একই
দিনে রংপুরে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া
করার কর্মসূচিও রয়েছে।
১৩
জানুয়ারি পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে
বৈঠক ও মতবিনিময় করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
সফরের
শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর ও বগুড়ায় আরো কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ঢাকায় ফেরার কথা
রয়েছে তারেক রহমানের।
সফরকালে
তিনি মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ এবং তৈয়বা মজুমদারসহ নিহত জুলাই
যোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের কবর জিয়ারত করবেন। এছাড়া তাদের পরিবারের সঙ্গেও
সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৫.৩০টা থেকে
দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য একটি আবহাওয়ার
পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর যেখানে বলা হয়েছে কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে পশ্চিম অথবা
উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ
বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
দেখাতে বলা হয়েছে।
মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিটিতে আগামী তিন দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা
ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি
হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া
তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা ও
চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপ প্রবাহ এবং টাঙ্গাইল, বগুড়া,বাগেরহাট,
যশোর ও কুষ্টিয়া জেলাগুলোর ওপর দিয়ে তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও
বান্দরবান জেলাসহ রংপুর, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগসহ ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের
অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা
অব্যাহত থাকতে পারে।
সর্বোপরি তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়েছে, সারা
দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় একইরকম
থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


জুলাই
সনদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক
উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। কয়েক
মিনিটের মধ্যেই তার পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
বুধবার
(১১ মার্চ) রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই স্ট্যাটাস দেন তিনি।
স্ট্যাটাসে
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লেখেন, ‘জুলাই সনদ Non-negotiable’।
মাত্র
৩ শব্দের এ স্ট্যাটাসটি ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
স্ট্যাটাসটিতে
প্রায় ২৫ হাজার রিঅ্যাক্ট পড়েছে। পাশাপাশি প্রায় এক হাজার ২০০ আইডি থেকে স্ট্যাটাসটির
মন্তব্যের ঘরে নানা মন্তব্য করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামী আগামী ৩ জানুয়ারি ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র
ও জুলাই বিপ্লবের অন্যতম নেতা শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার
এবং দেশব্যাপী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
দলটি
জানায়, আগামী শুক্রবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে মহাসমাবেশ শুরু
হবে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাম্প্রতিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মহাসমাবেশ
সফল করতে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতাদের নিয়ে
সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে
এক মিলিয়নেরও বেশি নেতাকর্মীর অংশগ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়েও
প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
কর্মসূচির
উদ্দেশ্য সম্পর্কে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন,
জুলাই বিপ্লবের অগ্রসৈনিক শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক
বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসীদের
আটক করার দাবি জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, এসব মৌলিক দাবি পূরণ না হলে আসন্ন নির্বাচনের
জন্য প্রয়োজনীয় ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে
না।
মন্তব্য করুন


বয়স
মাত্র ৯ বছর, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অরিনা। দুই মাসের চেষ্টায় নিজের হাতে নির্ভুলভাবে
লিখেছে পবিত্র কোরআন শরিফ। ১১৪টি সুরা সংবলিত ৩০ পারার কোরআন শরিফটি দেখে বোঝার উপায়
নেই, এটি ছাপা না হাতে লেখা।
খুলনা
মহানগরীর খালিশপুরের গোয়ালখালী এলাকার ব্যবসায়ী মো. শুকুর আলী খান ও রাশিদা বেগম দম্পতির
ছোট মেয়ে অরিনা সাফা খান। তার বয়সী শিশুরা যখন খেলাধুলা আর মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত, সেই
সময়ে নিজের হাতে কোরআন লিখেছে অরিনা। সমগ্র কোরআন শরিফ লেখা শেষ করেছে মাত্র ২ মাসে।
হাতে
লেখার কারণে এ কোরআন যেন আরও যত্ন, ভক্তি ও আন্তরিকতায় মোড়া। শিশু অরিনা কাজটি করেছে,
আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায়।
খুলনার
বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিনা। ৪র্থ শ্রেণিতে
পড়ার সময়ও নিজের হাতে পবিত্র কোরআন লিখে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছিল। কোরআনের হাফেজ না হয়েও
সুরেলা কণ্ঠে অসংখ্য সুরা মুখস্ত তেলাওয়াত করে অরিনা। ইসলামী গান গেয়েও অনেক পেয়েছে
পুরস্কার অরিনা।
অরিনার
মা রাশিদা বেগম বলেন, ছোটবেলা থেকেই অরিনার বড় বোন আরবি ভাষা লিখতে ও শিখিয়েছে তাকে।
সেই থেকে আরবি লেখা প্রিয় হয়ে ওঠে তার। বড় হয়ে গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়
অরিনা, আসতে চায় সবার উপকারে।
মন্তব্য করুন


টানা দ্বিতীয় দিনে জাপানে ভূমিকম্পের ঝড় অনুভূত হয়েছে। রোববার ৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হওয়ার পর সোমবার (১০ নভেম্বর) উপকূলীয় পূর্ব ইওয়াতে ৫.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেয়েছে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আজকের কম্পনটি স্থানীয় সময় বিকেল ৪:২৩ মিনিটে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১.২ কিলোমিটার গভীরে অনুভূত হয়েছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থার ঘোষণা অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত কোনো সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়নি এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।
একদিন আগে, অর্থাৎ রোববার, একই প্রদেশে ৬.৭ মাত্রার মূল ভূমিকম্পের পর উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ছোট ছোট সুনামির ঢেউও লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া, মূল কম্পনের পরপরই ৫.৩ থেকে ৬.৩ মাত্রার কয়েকটি আফটারশকও আঘাত হেয়েছে।
মন্তব্য করুন