

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আবদুল মান্নান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান,মহাসড়কে চলন্ত গাড়িতে রড ছুঁড়ে ডাকাতি করতে ওত পেতে থাকা আন্তজেলা ডাকাতদলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার করার বিষয়ে পুলিশ সুপার জানান, গতকাল শুক্রবার দিনগত রাত আড়াইটায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার তীরচর এলাকা থেকে আন্তজেলা ডাকাতদলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসময় তাদের সাথে থাকা বাকি ১০ ডাকাত পালিয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মংনেথোয়াই মারমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক ও ডিবি) নাজমুল হাসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গ্রেপ্তারকৃত আন্ত:জেলা ডাকাতদলের সদস্যরা হলেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার হযরত আলী , একই গ্রামের মো. হাসান , চান্দিনা উপজেলার বাগমারা গ্রামের রুহুল আমিন , একই উপজেলার পরচঙ্গা গ্রামের মো. কাউছার ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার পূর্ব পোমকাড়া গ্রামের মো. জহির। বিভিন্ন অপরাধে জহিরের বিরুদ্ধে ১৩টি, হযরত আলীর বিরুদ্ধে আটটি ও কাউছারের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে।
ডাকাতি করার কৌশল নিয়ে পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা মহাসড়কে লোহার রড নিয়ে ওত পেতে থাকে। তারা দুটি গ্রুপে থাকে। এক দল চলন্ত গাড়িতে রড ছুড়ে মারে। গাড়িটি থামলে অন্য গ্রুপ যাত্রীদের আতংকিত করে ডাকাতি করে ।
মন্তব্য করুন


সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারের
দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত আরও কয়েকজনকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে
১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গাড়িটি সুনামগঞ্জের ছাতক
পৌরসভা এলাকা থেকে প্রাইভেটকারে জাফলং যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে হাইওয়ে ও জৈন্তাপুর
থানা পুলিশ নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে
পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রাইভেট কারে
ছাতক থেকে জাফলংয়ে পিকনিকে যাচ্ছিলেন কয়েকজন। সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের বাঘের সড়ক এলাকায়
প্রাইভেট কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা
লাগে। ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। এ সময় কারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। নিহতরা সুনামগঞ্জ জেলার
ছাতক পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার
করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
জৈন্তাপুর থানার ওসি আবুল বাশার বলেন,
এ দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তামাবিল হাইওয়ে থানার ওসি হাবিবুর রহমান
বলেন,ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তাদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় ট্রাকের
চাপায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ প্রাইভেটকারের পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। চারজন একই পরিবারের
সদস্য।
তারা হলেন, পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার
মোজ আলীর ছেলে জামাল মিয়া (৪০), তার স্ত্রী কামরুন্নাহার (৩৩), ছেলে মো. অনন্ত (১১)
ও নিহত জামালের ভাই এনামুল মিয়া (৩৫)।
নিহত প্রাইভেটকারের চালক হলেন, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা গ্রামের
ইউনুছ বেপারীর ছেলে হারুন ব্যাপারী (৩৪)।
বৃহস্পতিবার (২ মে) ভোর রাতে উপজেলার
শাহপুর হরিতলা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মো: বদরুল কবীর জানান, প্রাইভেটকারের যাত্রীরা সিলেটে হযরত শাহজালাল
(র.) এর মাজার জিয়ারতে গিয়েছিলেন। রাতে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে ঘটনাস্থলেই
মারা যান তারা।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের চরভৈরবী থেকে ষাটনল পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার নদী এলাকায় বসবাস করেন প্রায় অর্ধলক্ষাধিক জেলে। দেশের ৬টি অভয়াশ্রমে ইলিশ সহ সব ধরনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত মধ্যরাতে।মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ভোলা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর সহ নদী অঞ্চলে জেলেদের ইলিশ ধরতে দেখা গেছে।
যৌথ
অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল হওয়ায় এবার ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক
টন ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অফিস।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই জেলেরা জাল, নৌকা ও ট্রলার নিয়ে ইলিশসহ অন্য মাছ শিকারে প্রস্তুতি নেন।
জেলা
মৎস্য অফিস জানিয়েছে, এবার ৫৭৫টি অভিযান, ১২৮টি মোবাইল কোর্ট, ৩৩৪ জন জেলেকে আটক করে
বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রায় ৫৩ দশমিক ৯১০ লাখ মিটার কারেন্ট
জাল জব্দ করা হয়েছে। এদিকে, ৩ দশমিক ৪১৬ মেট্রিক টন জাটকা আটক করে দুস্থ ও এতিমদের
মাঝে বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে। আর জরিমানা আদায় করা হয়েছে ছয় লাখ ৫০৫ টাকা।
নিষেধাজ্ঞা
শেষে মাছ শিকার নিয়ে নৌ পুলিশ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সময় ১ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল
পর্যন্ত ইলিশ অভয়াশ্রমে অভিযান চালিয়ে ১৯ কোটি ১৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল, ১৭ হাজার ৮১৯
কেজি মাছ, ২৪৪টি নৌকাসহ এক হাজার ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলার নৌ থানা পুলিশ।
তাদের বিরুদ্ধে ১৭০টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ২২৬ আসামিকে ৪৮টি মোবাইল কোর্টের
মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ২১৩ জনকে ছয় লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা
করা হয়েছে। ১৫২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
জেলা
মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান বলেন, জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে জনপ্রতি ৪০
কেজি করে চার কিস্তিতে মোট ১৬০ কেজি চাল সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলে জেলা প্রশাসন,
পুলিশ প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও জেলা টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল
হওয়ায় ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে। তাছাড়া অসাধু
জেলেদের আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
দেশের
ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার প্রতি বছর ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা
করে। এই নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে র্যাবের পৃথক অভিযানে ১৬ হাজার ইয়াবা বড়ি ৬ লক্ষ টাকাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ভোর রাতে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার তালতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোঃ সোহাগ মোল্লা (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৬ হাজার ইয়াবা বড়ি ও নগদ পাঁচ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে দাউদকান্দি উপজেলার জুরানপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানে মোঃ শাহাদাত হোসেন শান্ত (২৬), হৃদয় মিয়া (২৩) এবং মোঃ শাহিন মিয়া শাকিল (২৩) নামে তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০৪টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


সরকারি গাছের ডাল কাটার অভিযোগে দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক ভ্যানচালককে ৭ দিন কারাদণ্ড দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: তাজ উদ্দিন। এ সময় একটি ভ্যানে থাকা করলা জব্দ করে স্থানীয় এতিমখানায় ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার খানসামা থেকে টংগুয়া সড়কের তেল পাম্প এলাকা থেকে ওই ভ্যানচালককে আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ভ্যানচালক রফিকুল ইসলাম (৩৫) খানসামা উপজেলার চার নম্বর খামারপাড়া ইউনিয়নের ডাঙাপাড়া গ্রামের ইয়াকুব হাজী পাড়ার ইনসান আলীর ছেলে।
জানা যায়, খানসামা উপজেলা উৎপাদিত করলা, বেগুন ও শসাসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ট্রাক ও পিক-আপ যোগে আড়তে পাঠানো হয়।
এই শাকসবজি প্রেরণের সময় প্যাকিংয়ের সময় বিভিন্ন গাছের পাতা ব্যবহার করেন ব্যবসায়ীরা।
উপজেলা বন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল কাদের জানান, উপজেলার বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘদিন ধরে মেহগনি, আকাশমণি গাছের ডাল কেটে আসছিলেন অজ্ঞাত কিছু লোক।
এটি বন্ধ করতে বন বিভাগ সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে কিন্তু এই নির্দেশনা অমান্য করেছিল অনেকে। নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে আজকে অভিযান পরিচালনা করে ভ্যানচালকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: তাজ উদ্দিন বলেন, গাছ আমাদের চারপাশের পরিবেশ রক্ষা করে থাকে। বনবিভাগের গাছের ক্ষতি করা বা ডাল-পালা কাটা সরকারি সম্পদ নষ্ট করার সামিল। এ অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় এক ব্যক্তিকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ১০ বিজিবি সদস্যরা মাদক ও
চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট ১ কোটি ২৯ লক্ষ ২২ হাজার ৯৬০ টাকা মূল্যের
ভারতীয় বাজি উদ্ধার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর ) কুমিল্লা
ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) বিশেষ টহলদল এ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে কুমিল্লার
পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের ফুট ওভার ব্রিজের নিচ হতে বিজিবি টহলদল ৫ লক্ষ ৭০ হাজার ৬৪০
পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার বাজি উদ্ধার করে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি)
অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় বাকি বিল্লাহ (৩৫) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ফেরী করে বিক্রি করেন নানান জিনিসপত্র। খেলনা থেকে শুরু করে নারীদের বিভিন্ন প্রসাধনীসহ নানান বাহারী রকমের সামগ্রী বিক্রি করেন তিনি। বাকী বিল্লাহ জীবন সংগ্রামে জীবিকা নির্বাহের যুদ্ধে এখনো ঠিকে আছেন তিনি। প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করেন। যা আয় হয়,তাই দিয়ে সংসার চলে তার। সে হবিগঞ্জের বানিয়াচোং উপজেলার সুজাতপুর গ্রামের অধিবাসী মৃত. সফিক মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামীন জনপদে ফেরিওয়ালাদের আনাগোনা খুবই কম। এক সময় উপজেলার প্রতিটা গ্রামেই ফেরিওয়ালাদের বিচরন ছিলো চোখে পড়ার মতো। ফেরি ওয়ালারা বিক্রি করত জিনিসপত্র। তবে ফেরিওয়ালারা বিভিন্ন জিনিসপত্রের বিনিময়ে ক্রেতাদের নিকট থেকে পুরাতন পরিত্যক্ত মালামাল নিয়ে যেতো। গ্রামের শিশু থেকে শুরু করে বয়বৃদ্ধরাও ফেরি ওয়ালাদের হাক ডাক শোনার সাথে সাথে পরিত্যক্ত প্লাষ্টিক এবং লৌহজাত পন্য নিয়ে ছুটে যেতো ফেরিওয়ালাদের নিকট। কালের বিবর্তনে গ্রামীন জনপদ থেকে সেই ফেরিওয়ালাদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। আধুনিক জীবন ব্যবস্থার সবকিছুর পরিবর্তন হলেও প্রত্যান্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে আজও ফেরিওয়ালাদের দেখা যায়। যুবক বাকী বিল্লাহ ছুটে চলেছেন গ্রামের মেঠো পথ ধরে। কচুয়ার প্রতিটি গ্রামে প্রতিদিন এভাবেই তাকে ছুটে চলতে হয়। অকালে পিতাকে হারানোর পর তিনি ছোট বেলা থেকেই ফেরি করে সংসার চালান। বিবাহিত জীবনে তার স্ত্রী ও একটি পুত্র সন্তান রয়েছে ।
ফেরিওয়ালা বাকী বিল্লাহ জানান, গৌরিপুর থাকেন তিনি। প্রতিদিন গৌরিপুর থেকে কাধেঁ করে ফেরির মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় যান। তার বাশির ডাকে শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষেরা ভিড় করেন। পরে কথার ধরনের ক্রেতারা মালামাল ক্রয় করেন। প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করলে তার ৩শ টাকা আয় হয়। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ফেরিওয়ালারা আরো ব্যাপক আকারে সুবিধা পাবেন বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


শহীদ
সাদমানদের রক্ত দিয়ে 'নতুন
সংবিধান' লেখা
হয়ে গিয়েছে। জীবিত সাদমানদের রক্তেই সেই নতুন সংবিধান প্রতিষ্ঠিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয়
যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির।
যুগ্ম
সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন,
আমরা চাই, বাংলাদেশে
একটি নতুন সংবিধান তৈরি হোক,
যেখানে প্রকৃত অর্থেই জনগণের ক্ষমতায়ন হবে এবং একব্যক্তিকেন্দ্রিক, এক পরিবার কেন্দ্রিক
ক্ষমতার কোনো সুযোগ থাকবে না।
শুক্রবার
(৪ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার দিঘলগাঁও গ্রামে শহীদ হামিদুর রহমান
মজুমদার সাদমানের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা
বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন,
শহীদ সাদমানরা বাংলাদেশকে এক অন্ধকার,
রুদ্ধশ্বাস পরিবেশ থেকে মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। এই
দেশের মানুষ আজীবন তাদের স্মরণ করবে,
তাদের জন্য দোয়া করবে এবং ইতিহাসের পাতায় তাদের অবদান অধ্যয়ন করবে। আমরা
বিশ্বাস করি, সাদমানদের
রক্তে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই রক্তকে আমরা পবিত্র রক্ত মনে
করি। এ রক্তের মাধ্যমেই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ,
সাম্রাজ্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদ পরাজিত হয়েছে। আওয়ামী লীগকে
নিষিদ্ধ করতে হবে, কারণ
তারা শহীদ সাদমানদের হত্যাকারী,
গণহত্যাকারী, শিশু
হত্যাকারী। এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই।
বর্তমান
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ সাদমানদের
রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও মূল্যায়ন করা হোক,
যেন বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্মৃতির প্রতি চিরকাল শ্রদ্ধা জানাতে পারে। আমরা
চাই, তাদের
ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক,
যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের সংগ্রাম ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এ বিষয়ে
আমরা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাই।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা
মহানগর কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মাদ রাশেদুল হাসান, লালমাই
উপজেলা এএসপি নেতা গাজী হুমায়ুন কবির,
ওমর ফারুক, মাঈন
উদ্দিন,কবির
হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার
রাসেল সিদ্দিকী,সদর
দক্ষিণ উপজেলার সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম রাকিব, সদস্য হান্নান,
ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন আয়ান, যুগ্ম
আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ,
লাল সবুজ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কাউসার আলম,
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লালমাই উপজেলা মুখপাত্র মো. জাহিদুল ইসলাম
ফারাবী এবং মুখ্যসংগঠক মেহেদি হাসান শুভ। এছাড়াও সদস্য ইয়ামিন,
নাজমুল হাসান জয়,
রাকিব, ফারুকসহ
শহীদ সাদমানের আত্মীয়-স্বজনরা কবর জিয়ারতে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ
(২ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুরের বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সাফ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকলো
বাংলাদেশ। সাগরীকা দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন।
ম্যাচপূর্ববর্তী
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেছিলেন, ১ম ম্যাচে জয় নিশ্চিত
করে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকতে চান। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছেন মাঠে।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে নেপালের বিপক্ষে আধিপত্য
বিস্তার করে খেলে পুরোটা সময়। এই ম্যাচে সাগরীকা নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।
ম্যাচের
৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। স্বপ্না রানির ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঝাপিয়ে রক্ষা
করেন। নেপালের গোলরক্ষক সুজাতাতামাংয়ের হাতে লেগে দিক বদলে বারে প্রতিহত হয়। ফিরতি
বলে মুনকি আক্তার বল জালে জড়াতে চেষ্টা করলেও তার শট ডিফেন্ডাররা আটকে দেন।
২
মিনিট বাদেই আবারও আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মুনকি আক্তার। তবে
নেপালের গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তাকে থামান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল পান পূজা
দাস। তার মাটি কামড়ানো শট অল্পের জন্য পোষ্ট ঘেঁষে বেড়িয়ে গেলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
১৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া পূজার বা পায়ের
শট ক্রসবার ঘেষে বেড়িয়ে যায়।
৩৮
মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। গোলকিক থেকে বল পান স্বপ্ন রানী। তার হেডে বক্সের
কাছাকাছি ২ ডিফেন্ডারের মাঝে বল পান সাগরীকা।
২ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়ান সাগরীকা।
ব্যবধান
২গুন করতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ ৪২ মিনিটে মুনকি আক্তারের দর্শনীয় গোলে ২-০ গোলের লিড
নেয় বাংলাদেশ। বক্সের ভেতর বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে আসেন নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা। তবে
তার ক্লিয়ার করা বল পান ইতি খাতুন; ক্রস দেন মুনকি আক্তারকে। তিনি বুদ্বিদীপ্ত শটে
গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান। প্রথমার্ধে
ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো বাংলাদেশের। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
বক্সের ভেতর সাগরীকাকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল
করতে পারেননি আফঈদা খন্দকার। তার শট পোস্টে লাগে। তবে ফিরতি বলে শট নেন সাগরিকা। তবে
নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা গ্লাভস বন্দী করেন। শেষ পর্যন্ত ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতীতে
যেতে হয় সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যদের।
দ্বিতীয়ার্ধে
আক্রমণের ধার বাড়ায় ২ দলই। ৫২ মিনিটেই এক গোল শোধ করে ম্যাচে ঘুড়ে দাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়
নেপাল। সুকরিয়া মিয়ার গোলে ব্যবধান কমায় নেপাল। তবে লিড বাড়িয়ে নিতে খুব বেশি সময় নেয়নি
বাংলাদেশ। ৫৬ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান ৩-১ করে সাইফুর বারী টিটুর শিষ্যরা।
পরের
ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ও চিকিৎসাধীন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সাথে মতবিনিময় করেছেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম।
আজ রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ টায় প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় সমন্বয়ক, আহত ও চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীরা তাদের স্মৃতিচারণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবী উপস্থাপন করেন।
ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের সকল কথা শুনেছি। সকল দাবীই যৌক্তিক। আমাদের এসব দাবী পূরণের তীব্র ইচ্ছা থাকলেও সক্ষমতা কম রয়েছে। দুটি হলের নাম অফিসিয়ালি পরিবর্তন করতে একটু সময়ের দরকার। আবদুল কাইয়ুমের স্মৃতি স্মরণীয় করে রাখার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের সাহায্য করার ইচ্ছা থাকলেও আমাদের সক্ষমতা সীমিত। কারণ এসব চিকিৎসা অনেক ব্যয় বহুল। তবে আমরা আহতদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার জন্য উপদেষ্টাদের কাছে তা পাঠিয়ে দেবো। সেখান থেকে তাঁরা সাহায্য করবেন বলে আমরা আশাবাদী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সকল দাবী পূরণে চেষ্টা করবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্যাহ।
মন্তব্য করুন