

বিএনপিই
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে বলে মন্তব্য দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বক্তব্যের
শুরুতেই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তিনি বলেন, ‘অনেরা ক্যান আছেন (আপনারা কেমন আছেন)?’
তারেক
রহমান বলেন, বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারের সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য
পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছে। আমরা দেশের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য
সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলাম।
গত
১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি স্বাধীনতা
হরণ করা হয়েছে। তাই ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এসেছে পরিবর্তনের জন্য। বাংলাদেশের
মানুষ চায় নিরাপদ পরিবেশ, নিরাপদ চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সন্তানদের জন্য উন্নত শিক্ষা
ও চিকিৎসা সুবিধা।
তিনি
বলেন, আমাদের এই পরিকল্পনা তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে।
বর্তমানে
জনসংখ্যার অর্ধেক তরুণ, যারা কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবন চায়। বিএনপি হিসেবে আমরা চেষ্টা
করি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে। বিএনপি সরকারের
সময়ে আমরা লক্ষ লক্ষ মানুষকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়েছি। চট্টগ্রামের ইপিজেডগুলো সেই
কর্মসংস্থানের উদাহরণ।
নতুন
পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও বেশি ইপিজেড তৈরি করা হবে, যাতে যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান
বৃদ্ধি পায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে।
সারাদেশের
মানুষ যাতে নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে তা নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান
বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের সময় আমরা আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফলভাবে কাজ
করেছি এবং ভবিষ্যতেও একইভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন ছাড়
দেওয়া হবে না। এটি দেশের মানুষের অধিকার সুরক্ষায় অপরিহার্য। সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন
করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এটাই
দেশের পরিবর্তনের জন্য সত্যিকারের পথ।
তিনি
আরও বলেন, বাংলাদেশে জলাবদ্ধতা ও বন্যার সমস্যা দূর করতে আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু
করব। এটি দেশের নিরাপত্তা, জীবনমান এবং কৃষি-অর্থনীতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখবে। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। আমাদের
পরিকল্পনাগুলো
বাস্তবায়নের জন্য দেশের মানুষকে একত্রিত হতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের
ভোট ও সমর্থন দিয়ে বিএনপিকে সরকার গঠনে সক্ষম করতে হবে। তাহলে আমরা দেশের মানুষের ভাগ্য
পরিবর্তনের এই পদক্ষেপগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারব।
বক্তব্যের
শেষে চট্টগ্রামের সকল আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। সভায় সভাপতিত্ব
করেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ।
এর
আগে কঠোর নিরাপত্তায় বেলা সোয়া ১২টায় তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। এসময় করতালিতে সমাবেশস্থল
মুখরিত হয়ে উঠে। বিএনপির চেয়ারম্যান হাত নেড়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান।
সমাবেশে
উপস্থিত ছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন,
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, উদয় কুমার বড়ুয়া, সাঈদ আল
নোমান, মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান, সরোয়ার জামাল নিজাম, আবু সুফিয়ান, মোহাম্মদ শাহাজাহান
চৌধুরী, সুকোমল বড়ুয়া, আসলাম চৌধুরী, গোলাম আকবর খন্দকার, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী,
মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, এস এম ফজলুল হক, হারুনুর রশিদ, এম নাজিম উদ্দীন, আবুল হাশেম
বক্কর, আব্দুল ওয়াদুদ ভুইঁয়া, লুৎফুর রহমান কাজল, ম্যামাসিং, জেরি প্রু চৌধুরী, বেগম
নুরে আরা সাফা, ইদ্রিস মিয়া, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ, মোস্তফা কামাল, দীপেন দেওয়ান
তালুকদার, মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন, মোহাম্মদ এনামুল হক, নাজমুল মোস্তফা আমিন, মিশকাতুল
ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, মোহাম্মদ নুরুল আমিন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন’
বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ৩টায় সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ
সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায়
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর
উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মন্ত্রীপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দেশের
গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ দ্বিতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
পালিত হচ্ছে।
গতকাল
বুধবার থেকে সারাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়। গতকাল ৩১ ডিসেম্বর থেকে
শুরু হওয়া এই শোক চলবে আগামীকাল ২ জানুয়ারি, ২০২৬ (শুক্রবার) পর্যন্ত।
রাষ্ট্রীয়
শোকের দ্বিতীয় দিনে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ
সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা
হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই শোক কর্মসূচির
ঘোষণা দেওয়া হয়।
সেখানে
বলা হয়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে
সরকার গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর মৃত্যুতে বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ হতে শুক্রবার, ২ জানুয়ারি
২০২৬ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
বেগম
খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য আগামীকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেশের সকল মসজিদে
বিশেষ দোয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন করা হবে। এর আগে,
গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও গতকাল বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন।
বিরল
রাষ্ট্রীয় সম্মান ও মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়ে স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের
কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে মরহুমের ছেলে তারেক রহমান মাকে
কবরে শায়িত করেন। রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব
অনার প্রদান করা হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি।
দাফনের
আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, মানিক মিয়া এভিনিউ ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা
জুড়ে অনুষ্ঠিত হয় বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা। তাঁর এই জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। শোক আর শ্রদ্ধায় আপসহীন এই নেত্রীকে
শেষ বিদায় জানান কোটি মানুষ।
এই
জানাজাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ জানাজা বলে উল্লেখ করছেন অনেকেই।
বেগম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার
মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। ঐতিহাসিক এ জানাজায় বিশ্বের
বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ ও কুটনৈতিকগণ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


বান্দরবানে ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে আহম্মদ রশিদ (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২ জন আহত হয়েছে।
১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের টিটিসি এলাকায়।
বান্দরবান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালাঘাটা এলাকার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে আহম্মদ রশিদ। আহত আবুল হাশেম (৩০) ও জয়নাল (৩৮) একই এলাকার বাসিন্দা।
বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র স্টেশন অফিসার সাইদুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় আহমেদ রশিদ, জয়নাল ও আবুল হাশেম নামে ৩ জনকে উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হলে তাদের মধ্যে আহম্মদ রশিদের মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল জলিল।
মন্তব্য করুন


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব-এর ৬টি পদ সংরক্ষণ করেছেন। এই উপলক্ষ্যে সচিবালয়ের সকল শ্রেণীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পক্ষে থেকে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব আবদুল খালেক এর নেতৃত্বে উপসচিব-এর ৬টি পদ সংরক্ষণের অফিস আদেশ হাতে পেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী
সমিতির মহাসচিব মাহে আলম, পার্সোনাল অফিসার সমিতির সভাপতি মোহা: সালাহউদ্দীন, নজরুল
ইসলাম, জাহেদা, সেলিনা, নুরুল আলম, রফিক, হান্নান সরদার, নুর নওয়েজ, মনিরুজ্জামান,
আক্তার, কামাল হোসেন, গাজীউর রহমান, ফরিদ, রিয়াদ, সাদ্দাম হোসেন, আলমগীর, মুননাফসহ
এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন-এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন ও বিনিয়োগ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামীকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সফর। এই সফরে অনেকগুলো সমঝোতা স্বাক্ষর হবে। এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হবে। সফরের মূল ফোকাস অভিবাসন নিয়ে আলাপ, দ্বিতীয় ফোকাস হচ্ছে বিনিয়োগ।
রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফর নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচবি শফিকুল আলম বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের জনশক্তি খাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। আমরা আমাদের অভিবাসন এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারি-যাতে মালয়েশিয়া আমাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি নেয়। এগুলো নিয়ে কিছু আলাপ হবে এবং এটার আলোকে কিছু চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তিনি বলেন,মালয়েশিয়ার বড় বড় যেসব কোম্পানি আছে—তাদের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে কথা হবে। আগামী ১২ আগস্ট একটি বিজনেস কনফারেন্স আছে। এরপর ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টাকে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম) সম্মানসূচক ডিগ্রি দেবে। এই অনুষ্ঠানে আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীম উপস্থিত থাকবেন । মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১২ আগস্ট একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আছে। সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে সুসম্পর্ক আছে, সেটা একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহা-পরিচালক শাহ আসিফ রহমান বলেন, আগামী ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। তার সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল যাচ্ছেন। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন হারুন।
তিনি আরও জানান, সফরের প্রথম দিন প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হবে, সেখানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল প্রধান উপদেষ্টাকে গ্রহণ করবেন। ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। বৈঠকের পর দুদেশের প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হবে তা হলো প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা; এলএনজি ও পেট্রোলিয়াম সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণসহ জ্বালানি সহযোগিতা; বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ মালয়েশিয়া (আইএসআইএস); বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) ও চিপ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিমোস (এমআইএমওএস) এর সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক চেম্বার এফবিসিসিআইর সঙ্গে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক চেম্বারের মধ্যে সমঝোতা।
সম্ভাব্য এক্সচেঞ্জ নোটগুলো হলো হালাল ইকোসিস্টেম, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি এবং উচ্চ শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বিষয়ক নথি সই।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রশিক্ষণার্থীদের
সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে
পার্বত্য অঞ্চলকে এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সম্পদে
পরিপূর্ণ পার্বত্য জেলাগুলো বাংলাদেশের সবচাইতে উন্নত অঞ্চল হতে পারতো, কিন্তু সবচেয়ে
পেছনে পড়ে আছে। এটা হওয়ার কথা না। আপনাদের ফসল, ফল-ফলাদি, ঐতিহ্যবাহী পণ্য দিয়ে অর্থনীতিতে
আপনাদের এগিয়ে যাওয়ার কথা। পার্বত্য এলাকাগুলো দুর্গম, সেজন্য যোগাযোগ করা কঠিন হয়।
আর এ কারণেই সেখানে প্রযুক্তির প্রসার দরকার। প্রযুক্তি দিয়ে এই দূরত্ব জয় করা যাবে।
পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও
সদস্যবৃন্দের জন্য আয়োজিত 'পার্বত্য জেলা পরিষদ ব্যবস্থাপনা' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ
দিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নারী ফুটবল টিমে পার্বত্য জেলা থেকে
আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকের স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বের
অন্যান্য দেশের টিমকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। আপনাদের এলাকার মেয়েরা কী দুর্দান্ত
খেলল! কীভাবে বলবেন পিছিয়ে আছে? যারা আপনাদের এলাকা থেকে এসেছে তাদের সাথে আমি কথা
বলেছি। কী কঠিন পরিস্থিতি! কত কষ্ট করে পাহাড় ভেঙে বাড়িতে পৌঁছাতে হয়! বাবা মা ঢাকায়
আসলে কত কষ্ট করে তাদের আসতে হয়। এই প্রতিকূলতার মধ্যেই কিন্তু তারা বিশ্বজয় করে এসেছে।’
পার্বত্য এলাকার তরুণরা যেন বিশ্ব নাগরিক
হয়ে গড়ে ওঠে এ আশাবাদ ব্যক্ত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আপনাদের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বজয়
এনে দিয়েছে। তরুণরা শুধু বাংলাদেশের নাগরিক না, বিশ্ব নাগরিক হতে হবে। দুর্গম এলাকা
বলে পিছিয়ে থাকলে হবে না। সীমাবদ্ধতা থাকবে, কিন্তু মনের সীমারেখাকে বাড়িয়ে দিতে হবে।
সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে নিজ কৃতিত্ব দিয়ে পৌঁছে যেতে হবে।’ জানুয়ারিতে তারুণ্যের উৎসবে পার্বত্য
অঞ্চলের তরুণদের অংশ নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আপনাদের শিশুদের, তরুণদের
এ উৎসবে যোগ দিতে উৎসাহ দিন। স্থানীয় খেলা হোক, রচনা প্রতিযোগিতা, গান-নাচ তারা যা
পারে, যা চায় তা নিয়ে যেন অংশ নেয়। এটা সবার উৎসব। উৎসবটি বৈচিত্রময় হোক। সরকারি নির্দেশ
তাই অংশ নেবে এরকম না। তাদেরকে আপনারা উৎসাহ দিন, যেন নিজ থেকেই তারা উদ্যমী হয়ে এ
উৎসবে অংশ নেয়।
পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার
সংস্কার ও সঠিক পদ্ধতি, প্রশিক্ষণের গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি
আরও বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এক কঠিন সংকটে আছে। আপনাদের অঞ্চলে এটা আরও বেশি কঠিন।
শিক্ষকদের কষ্ট হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের কষ্ট হয়। আপনাদের পড়াশোনার দিকে মনোযোগী হতে হবে।
আমরাও চেষ্টা করব রাষ্ট্রীয় দিক থেকে কীভাবে কী করা যায়। পার্বত্য জেলার তরুণরা দুর্গম
অঞ্চলে আছে বলে বড় শহর থেকে লেখাপড়ায় পিছিয়ে থাকবে সেটা হতে দেওয়া যাবে না। লেখাপড়ায়
তাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্তব্য করুন


আজ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৬০তম জন্মদিন। তিনি ১৯৬৫ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন।
তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী দলের নেতাকর্মীরা জাঁকালো অনুষ্ঠান উদযাপনের পরিকল্পনা করলেও এবার দলের পক্ষ থেকে তা না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১১ নভেম্বর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের জন্মদিন উদযাপন না করার জন্য বলা হয়েছে। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা ওই বিবৃতিতে সংগঠনের সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের জানানো হয়, তারেক রহমানের জন্মদিন নিয়ে কোনো অনুষ্ঠান হবে না। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ডিম বিক্রি ও ক্যাশ মেমো না থাকায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ৩টি ডিমের আড়তকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করাহ হয়েছে।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দিনভর উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মাহমুদ হাসান রনির নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।
সিরাজগঞ্জের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মাহমুদ হাসান রনি জানান, ডিমের বাজার অস্থিরতা রোধে উল্লাপাড়ার মোহনপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় বেশি দামে বিক্রি ও ক্যাশ মেমো না দেওয়ায় মুন এগ্রোভিটকে (পোল্ট্রি খামার) ২০ হাজার, কোরবান ডিমের আড়ত ও সিরাজ ডিমের আড়তকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ৪০টি স্বর্ণের বারসহ ১ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) মহেশপুর উপজেলার মাটিলা সীমান্ত থেকে রিমন হোসেন (২৮) নামে ১ চোরাকারবারিকে আটক করা হয়। রিমন ওই উপজেলার মাটিলা বাগানপাড়ার হজরত আলীর ছেলে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে মহেশপুর-৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক কর্নেল মাসুদ পারভেজ রানা জানান, বুধবার মাটিলা সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণের বড় একটি চালান ভারতে পাচার করা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল সেখানে ওত পেতে ছিল। এসময় ২ চোরাকারবারি সীমান্ত এলাকায় এলে বিজিবি তাদের ধাওয়া করে। এসময় তাদের ১ জন ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে গেলেও রিপন নামে এক যুবককে ধরে ফেলে বিজিবি। এসময় চোরাকারবারিদের ব্যাগে ৪০টি (ওজন- ৪ কেজি ৬৬৫.৫৪ গ্রাম) স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। যার দাম ৪ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭১ টাকা। এ ঘটনায় মামলা দিয়ে মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে রিমন হোসেনকে।
মন্তব্য করুন