

পেশাদারত্ব ও ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ায়
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সাধুবাদ পেয়েছেন ক্যাপ্টেন
আশিক।
রোববার (১৮ আগস্ট) সেনাপ্রধানের কার্যালয়ে
এক সাক্ষাতে এই সাধুবাদ জানান সেনাপ্রধান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিকূল
পরিস্থিতিতেও পেশাদারত্ব বজায় রাখায় ক্যাপ্টেন আশিককে সাধুবাদ জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের জন্য অনুপ্রাণিত করেন তিনি।
এসময় আরও দুই সেনা কর্মকর্তা উপস্থিত
ছিলেন। সেনাপ্রধানের সঙ্গে এক ফটোসেশনে অংশ নিতেও দেখা গেছে আশিককে।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি
একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে শাহবাগ থানায় এক নারীকে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চবাচ্য করতে
দেখা যায়। এরকম পরিস্থিতিতে ক্যাপ্টেন আশিক অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতির
সামাল দেন এবং সেটির সমাধান করেন। ক্যাপ্টেন আশিকের এই ধৈর্য ও পেশাদারত্ব দেখে নেটিজেনরা
প্রশংসা করছেন।
মন্তব্য করুন


বঙ্গোপসাগর অঞ্চলকে সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার
কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এখানে সহযোগিতার
কেন্দ্রে যেন পরিণত হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি। এখানে যেন কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কেন্দ্র
না হয়।
আজ রোববার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট
অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-বিআইআইএসএসে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
‘বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে পুনরায় সংযোগ’ শীর্ষক
এ সেমিনারের আয়োজন করে বিআইআইএসএস ও ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপিং ইকোনমিকস (আইডিই-জেট্রো)।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগর অঞ্চল অর্থনীতি ও ভূ-কৌশলগত কারণে ফোকাল
পয়েন্টে পরিণত হয়েছে। এ কারণে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বঙ্গোপসাগর এলাকায় বড় বড় শক্তির
নজর পড়েছে। এটা এখন সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু। বঙ্গোপসাগর যেন সহযোগিতার
কেন্দ্রে পরিণত হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি, যাতে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কেন্দ্র না হয়। গত
সাত বছরের বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অবস্থান করছে।
রোহিঙ্গাদের অধিকারসহ নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে না পারলে এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত
হবে না। নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বঙ্গোপসাগর এলাকা গড়ে তোলার জন্য স্থিতিশীলতা দরকার। এজন্য
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সব অংশীজনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকায়
নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইওয়ামা কিমিনিরো বলেন, মাতারবাড়ী বন্দর দিয়ে এই অঞ্চলে
কানেক্টিভিটি আরও জোরদার হবে আশা করি। এই কানেক্টিভিটি
জোরদারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া থাকা দরকার।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইআইএসএসের
চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত এ এফএম গাওসুল আজম সরকার ও মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ইফতেখার
আনিস।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে খাবার খেয়ে ২৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ জন চাঁদপুর সদর হাসপাতালে এবং ২৫ জন লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারী তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়) রাত ৯টার পর।
এদের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ এলাকায় এবং ২৫ জনে বাড়ি রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নে।
তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১৩ জন নারী ও ৯ জন শিশু রয়েছে।
তারা চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে খাবার গ্রহণ করেন। তারা সন্ধ্যার পর থেকে অসুস্থ হতে শুরু করেন। বমি এবং পাতলা পায়খানা করেন অনেকেই।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম জানান, তারা অসুস্থ হয়েছেন ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়ায়। তবে কোন ধরনের খাদ্যে বিষক্রিয়া ছিল, এ চিকিৎসক সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের হাসপাতালে ২৫ জন ভর্তি হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর, তবে অনেকের অবস্থা ভালোর দিকে। ঠিক কোন খাবারের বিষক্রিয়া হয়েছে, সেটা আমরা নিশ্চিত নই। নমুনা ল্যাবেটরিতে পাঠালে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে আরও ৩ জন ভর্তি রয়েছেন।
অসুস্থরা ধারণা করছেন, তারা অসুস্থ হয়েছেন বিয়ে বাড়ির দধি খেয়েই।
জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের পাটওয়ারী বাড়ির তছলিম পাটওয়ারীর ছেলে মো. মানিকের সঙ্গে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চর মান্দারী গ্রামের তফাদার বাড়ির তোফায়েল আহমেদের মেয়ের বিয়ে হয়। শুক্রবার বউ ভাতের অনুষ্ঠানে অংশ নেয় রব পক্ষের লোকজন।
বর মানিকের ভাই মো. মাসুম জানান, আমরা বর পক্ষের প্রায় ২০০ অতিথি নিয়ে কনে বাড়িতে গিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানের দুপুরের খাবার খাই। বিকেলে চলে আসি। এরপর আমাদের পক্ষের অন্তত ৫০ জন অতিথির বুমি এবং পাতলা পায়খানা শুরু হয়। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে রায়পুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আবার অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বিভিন্নভাবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কোতোয়ালি থানা এলাকা হতে ১৮ টি চোরাই মোবাইলসেট উদ্ধারসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো, মো. আব্দুল্লাহ (২৪), মো. সোহাগ মোল্লা (৩০), জয় হোসেন (২২) ও মো. শহিদুল ইসলাম (৪৮) এ সময় তাদের হেফাজত হতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮টি পুরাতন মোবাইল ফোন, ১টি পুরাতন পাওয়ার ব্যাংক এবং ৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়।
গতকাল রবিবার রাতে কোতোয়ালি থানাধীন ওয়াইজঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয় তাদের।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
কোতোয়ালি থানা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য পাওয়া যায়, ওয়াইজঘাট এলাকার ব্যাকল্যান্ড বাঁধ রোডের সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের সামনে কিছু ব্যাক্তি চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশে অবস্থান করছে এমন সংবাদে অভিযান পরিচালনা করে থানার একটি টিম। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালানোর সময় উল্লিখিত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮ পুরাতন মোবাইল ফোন, একটি পুরাতন পাওয়ার ব্যাংক এবং চারটি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
সূত্র আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর যোগসাজসে ঢাকার গুলিস্তানসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা হতে ছিনতাইকৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন মোবাইল সেট, পাওয়ার ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকার সদরঘাটসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে আসছে। তারা প্রাথমিক স্বীকার করেছে, উদ্ধারকৃত মোবাইল সেট, পাওয়ার ব্যাংক এবং হাতঘড়ি একই উদ্দেশে তাদের কাছে ছিল।
মন্তব্য করুন


নির্মাণকাজ পরিদর্শন ও কোনো ত্রুটি আছে কি-না যাচাই করতে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাচ্ছে একটি ট্রেন।
রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় আটটি বগি ও একটি ইঞ্জিন নিয়ে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে গেছে।
ট্রেনটিতে রয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম ও রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, রোববার ট্রেনটি সকাল ১০টায় দোহাজারী স্টেশনে পৌঁছবে।
এরপর সেখান থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে। ট্রেনটি বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার পৌঁছার কথা রয়েছে। রেলের পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কক্সবাজারে অবস্থান করবেন। ৬ নভেম্বর ওই টিম কক্সবাজার রেলস্টেশন ইয়ার্ড পরিদর্শন করবে। ৭ নভেম্বর সকাল ৭টায় ওই টিম চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবে।
সরকারি রেল পরিদর্শক (জিআইবিআর) রুহুল কাদের আজাদ বাংলানিউজকে বলেন, আজ ট্রেনযোগে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছেন রেলের পরিদর্শন দফতরের টিম। এসময় নির্মাণাধীন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন ও বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করা হবে। এতে কোনো ত্রুটি আছে কি না যাচাই করা হবে।
দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের পরিচালক সুবক্তগীন বাংলানিউজকে বলেন, ১১ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে আসবেন। ওখানে সুধী সমাবেশ হবে। আইকনিক স্টেশন দেখবেন এবং একটা অংশ থাকবে উদ্বোধনের।
তিনি আরও বলেন, ১১ নভেম্বর কক্সবাজারের পথে ট্রেন চলাচল উদ্বোধনের পর বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলবে ২০ বা ২৫ নভেম্বর থেকে। কক্সবাজার রুটে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে ছয় জোড়া ট্রেন চলাচলের পরিকল্পনা আছে। তবে ইঞ্জিন ও বগি সংকটের কারণে এখনই তা হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম বলেন, এটি আমাদের রুটিন কাজ। এটিকে ট্রায়াল রান বলা যাবে না। আমাদের সঙ্গে আছেন রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। তারা এ রেল পরিদর্শন করবেন সেখানে কোন ত্রুটি আছে কিনা দেখবেন। ইন্টারলকিং সিগন্যালিং ব্যবস্থা, প্লার্টফর্ম উঁচু সঠিক কিনা, কালভার্ট, লেভেল ক্রসিং গেট এসব দেখবেন। পরে রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা সার্টিফাই করবেন। এরপর ট্রেন চলবে।
দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে অনুমোদন পায়। ২০১৮ সালে এই রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ৩০ জুন। পরে এক দফা বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ করা হয় ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রকল্পে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বাড়েনি। এ প্রকল্পের কাজ পুরোদমে চলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই তা সমাপ্ত হতে যাচ্ছে।
২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল প্রকল্পটি ‘ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। রেলপথটি নির্মিত হলে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) রবিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আর এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে।
ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে
রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটের
দিকে ঢাকার একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
তবে বিমান থেকে নামার সময় তারেক রহমান নিজেই লাগেজ
নিয়ে নেমেছেন। এমন একটি ছবি কালবেলার ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন করে তারেক রহমান
ইতোমধ্যেই বেশকিছু ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড করেছেন। যার জন্য তিনি প্রশংসায় ভাসছেন। মানবিক
এই নেতা এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাজধানীর মহাখালীতে কড়াইলবাসীর আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শুরুর আগে এক হুজুর মঞ্চের সামনে
এগিয়ে এলে বসার জন্য চেয়ার প্রয়োজন হয়। তখন তারেক রহমান নিজের ব্যবহৃত চেয়ারটি এগিয়ে
দেন।
ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা
নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। শুধু তাই নয়, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বেশ কয়েকজন নেতা
তাকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে গেলে তিনি সেটি করতে দেননি। এমন নানা প্রশংসিত কাজ করে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। আর আজ রাজশাহী
বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামার সময় নিজের লাগেজ নিজে বহন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন
তিনি।
দুপুর ২টায় রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী
সমাবেশে উপস্থিত হন। এই জনসভায় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও
নাটোরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
এরপর বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে নির্বাচনী
জনসভায় ভাষণ দেবেন। এ জনসভায় জয়পুরহাটের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে
নিজ জেলা বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তারেক রহমান বগুড়ায়
আলফাতুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। রাত সাড়ে ৮টায় রাতযাপনের
উদ্দেশে তিনি হোটেল নাজ গার্ডেনে চলে যাবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা
ময়দানে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়। সকাল থেকেই
রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার বিভিন্ন
এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। মানুষের ঢলে মাদ্রাসা ময়দান
ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা
থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। মিছিলে নানা ধরনের
স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ময়দান। সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বড়
বহর মাঠে প্রবেশ করলে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। বিপুল মানুষের চাপে সমাবেশস্থলের আশপাশের
সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। অনেক তরুণকে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আশায় গাছ,
উঁচু দেয়াল ও বিভিন্ন স্থাপনার ওপর উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ-
সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা ময়দান পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে।
সমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী। মাঠ ও আশপাশে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সভামঞ্চের
সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আকাশে ড্রোন
উড়তে দেখা গেছে, যার মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব
হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ
নজরুল।
নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় নিয়ে সেনাপ্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আভাস দেওয়ার পর এই প্রথম কোনো উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি
মন্তব্য করলেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে একটি
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আলোচনা অনুষ্ঠানে ড. আসিফ নজরুল ডিজিটাল
নিরাপত্তা আইন বাতিল হবে বলে জানান। এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো সাংবাদিকের
বিচার হবে এমন কথা আগে বলেননি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দ্রবমূল্যের ঊর্ধগতির জন্য জনগণের কাছে
ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, তরকারির এত দাম যে, বিক্রি কমে গেছে। বন্যার কারণে ডিমের সাপ্লাই
কমে গেছে। গত সরকারের আমলে সব নিয়ন্ত্রণ হতো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।
মন্তব্য করুন


রাস্তার দু'পাশে
লাখো নেতাকর্মী। হাত নেড়ে সবার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন তারেক রহমান। তাকে বহনকারী লাল
রঙের গাড়ি এগিয়ে চলছে খুব ধীরগতিতে।
সবশেষ খবর রাজধানীর
৩০০ ফিট সড়কের গণসংবর্ধনাস্থলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি
পৌঁছে বক্তৃতা করবেন। এরপরই যাবে এভারকেয়ার হাসপাতালে মা খালেদা জিয়াকে দেখতে।
এরআগে বৃহস্পতিবার
বেলা ১১.৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ঢাকার মাটিতে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসে ওঠার পূর্বে তারেক রহমান জুতা খুলে বাংলাদেশের মাটিতে
পা রাখেন এবং হাতে এক মুঠো মাটি নেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য ও দুর্গম অঞ্চলের এলাকায় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের যাতায়াত করা নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এক পরিপত্র জারি করা হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচন উপলক্ষে পার্বত্য-দুর্গম অঞ্চলে যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারের প্রয়োজন হবে। সেসব এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোর নির্বাচনী কর্মকর্তাদের যাতায়াতের জন্য এবং নির্বাচনী দ্রব্যাদি পাঠাতে নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে নির্বাচনের কয়েকদিন পর পর্যন্ত হেলিকপ্টার সার্ভিস প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে এবং যে কোনো প্রকার বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সদা সজাগ থাকার জন্য সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ও স্বচ্ছন্দে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, সেজন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ভ্রাম্যমাণ ইউনিটগুলো নিবিড় টহলের ব্যবস্থা করবে। উল্লিখিত ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনবোধে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে চেকিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আরো বলা হয়, নির্বাচনের দিন ভোট গণনা শেষ করে রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে ফল না পৌঁছানো পর্যন্ত পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


প্রতি সপ্তাহে ২০০ জন শহীদের পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ
সম্পাদক সারজিস আলম।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারকে আর্থিক
সহযোগিতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা শুরু হবে শনিবার। এদিন চারটি সেগমেন্টে চেক হস্তান্তরের
কাজ চলবে। ৮ বিভাগেই শহীদ পরিবারকে সহযোগিতার কাজ করা হবে। প্রথম ধাপে ঢাকা বিভাগ নিয়ে
কাজ চলছে। ভুয়া নম্বর থেকে কল দেয়া হচ্ছে, যা আমাদের নয়। ১৬০০০ নম্বরটি থেকে শহিদ
পরিবারে কল দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক টাকার হিসাব যেন দিতে পারি, সেভাবে কাজ চলছে। আহতদের
তালিকায় রয়েছে ২৪ হাজার। নিহত ১৬শ’র বেশি। তথ্য বারবার যাচাই করা হচ্ছে। আহতদের পুনর্বাসনের
কাজও করা হবে।
নভেম্বরের মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হলে ডিসেম্বরে সবার কাছে সহযোগিতা
পৌঁছে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ এবং আহতদের
পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন