

নিজের
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। এর মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ক্যাটারিং দলের দুই নারী কর্মী।
চিকিৎসকের দায়িত্ববোধ থেকে আর দেরি করেননি নববধূ ডা. শিরিন সুবায়ের। সাময়িকভাবে বিয়ের
উৎসব থামিয়ে দুজনকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেন তিনি। ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়ে।
কেরালার
কান্নুর জেলার পানুরের বাসিন্দা শিরিনের সঙ্গে চিকিৎসক রিজাজের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটনাটি
ঘটে। ক্যাটারিং দলের এক নারীর নাক দিয়ে রক্তপাত শুরু হয় এবং আরেকজন মাথা ঘোরা ও দুর্বলতার
কথা জানান। শিরিন চিকিৎসক এ কথা জানতেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকে। তাই পরিস্থিতি দেখে
তাঁকে সাহায্যের জন্য ডাকা হয়।
শুক্রবার
একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে শিরিন বলেন, 'সবাই জানতেন আমি একজন চিকিৎসক। তাই একজন এসে
আমাকে পরিস্থিতি দেখতে বলেন। সেখানে গিয়ে যা করা দরকার ছিল, আমি সেটাই করেছি।' শিরিন
বর্তমানে ওট্টাপালমের ভাল্লুভানাড হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসাবিদ্যায় প্রথম বর্ষের এমডি
শিক্ষার্থী। অসুস্থ দুই নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে এমন প্রস্তুতি রেখে
তিনি ঘটনাস্থলেই তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
নাক
দিয়ে রক্তপাত হওয়া নারীকে সামনের দিকে ঝুঁকে বসতে বলেন শিরিন। একই সঙ্গে মুখ দিয়ে শ্বাস
নিতে নিতে নাকের নরম অংশ ১০ থেকে ১৫ মিনিট শক্ত করে চেপে ধরে রাখার পরামর্শ দেন। দুর্বল
ও মাথা ঘোরার সমস্যায় ভোগা অন্য নারীকে পা উঁচু করে শুইয়ে দেওয়া হয়। শিরিন বলেন, 'এগুলো
প্রাথমিক পদক্ষেপ। প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয়, এরপর প্রয়োজন হলে রোগীকে হাসপাতালে
নিতে হয়।'
ঘটনার
ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, তারা
স্বাধীনভাবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। অনলাইনে ঘটনাটি ব্যাপক প্রশংসা পেলেও
শিরিন একে অসাধারণ কিছু বলে মনে করেন না। তাঁর ভাষায়, 'এটা মোটেও বড় কোনো ব্যাপার নয়।
রাস্তায় কাউকে পড়ে যেতে বা জ্ঞান হারাতে দেখলে স্বাভাবিকভাবেই আমরা প্রতিক্রিয়া জানাই।
আমাদের পক্ষে কিছু করা সম্ভব হলে সেখানেই তা করি, এরপর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।'
ঘটনাটি
রেকর্ড করা হচ্ছিল সে সময় তা বুঝতে পারেননি বলেও জানান শিরিন। ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে
পড়ার পর পরিচিতদের কাছ থেকে সেটি পান তিনি। 'অনেকেই ভিডিওটি আমাকে পাঠিয়েছেন। কিন্তু
ঘটনার সময় কাউকে ভিডিও করতে দেখিনি। এটা কেবল আমাদের কর্তব্য ছিল, এর বেশি কিছু নয়,'
বলেন তিনি।
সাধারণ
মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে ধারণা থাকার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন শিরিন। বিশেষ
করে যেসব জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় না, সেখানে প্রাথমিক
চিকিৎসা জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দ্রুত
কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন বা সিপিআর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন শিরিন।
তাঁর মতে, জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে দেরি হলে আক্রান্ত ব্যক্তির বেঁচে থাকার
সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। শিরিনের স্বামী ডা. রিজাজও চিকিৎসাশাস্ত্রে
স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করছেন। তিনি অন্ধ্র প্রদেশে অর্থোপেডিকসে বিশেষজ্ঞতা অর্জন
করছেন। রিজাজ বলেন, 'জরুরি চিকিৎসা বিভাগের বিশেষজ্ঞদের এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত
সাড়া দেওয়ার প্রবণতা থাকে।'
নবদম্পতির
মতে, ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসার জ্ঞান থাকলে হাসপাতাল বা চিকিৎসক
থেকে দূরে থাকা অবস্থায়ও যে কেউ জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সাহায্যের হাত
বাড়িয়ে দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


শীতকে
উপেক্ষা করে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় নারী-পুরুষসহ সকল বয়সী মানুষের
ঢল নেমেছে। কেউ দাঁড়িয়ে, আবার কেউবা মাটিতে বসে উৎসবমুখর পরিবেশে উপভোগ করছেন ঘোড়দৌড়
প্রতিযোগিতা। গ্রামের একটি ফসলের মাঠে অতিথিদের বসার স্টেজ। তার সামনে মাঠের চারপাশে
দড়ি দিয়ে গোল চত্বর চিহ্নিত করে, তার চারপাশ দিয়ে ঘুরছে ঘোড়ার দল। মাঠের এক পাশে নানা
রকম খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
মঙ্গলবার
পড়ন্ত বিকালে এমন চিত্র দেখা যায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের শ্রীরামপুর
গ্রামে। সেখানে এলাকাবাসীর উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
হয়। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় ফুলবাড়ী উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে তিনটি
গ্রুপে ২০ জন খেলোয়াড় তাদের নিজ নিজ ঘোড়া নিয়ে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
দুপুরের পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ওই এলাকায়
তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। খেলা দেখতে পেরেও খুশি দর্শকরা।
প্রধান
অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান
ফিজার এমপি। খেলা শেষে এ প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারীদের
মাঝে পুরস্কার দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। যুক্তরাষ্ট্রে সংস্থাটির আর্থিক লেনদেন, স্পন্সরশিপ আয় এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও বিচার বিভাগ। তদন্তে অর্থ পাচার, ওয়্যার জালিয়াতি এবং সম্ভাব্য কর ফাঁকির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম লা নাসিওন।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসি ও মায়ামির ফেডারেল প্রসিকিউটররা তদন্তে অংশ নিয়েছেন। তারা খতিয়ে
দেখছেন, এএফএর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও স্পন্সরশিপ চুক্তি থেকে আসা শত শত মিলিয়ন মার্কিন
ডলার কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানান্তর হয়েছে এবং এসব লেনদেনে
যুক্তরাষ্ট্রের আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না।
এফবিআইয়ের
এ তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাভিত্তিক ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির
বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক স্পোর্টস মার্কেটিং ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের এ প্রতিষ্ঠানটি
বিদেশে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বাণিজ্যিক আয় ও বিপণন-সংক্রান্ত আর্থিক কার্যক্রম
পরিচালনা করতো।
গোপন
ব্যাংকিং নথির তথ্যের ভিত্তিতে লা নাসিওন দাবি করেছে, এএফএর অন্তত ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন
ডলার কয়েকটি শেল কোম্পানির মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের
কোনো কর্মচারী বা দৃশ্যমান বাণিজ্যিক কার্যক্রম ছিলো না।
তদন্তকারীরা
বর্তমানে ক্রীড়া ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ
করছেন। এর অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে আর্জেন্টাইন ফুটবলভিত্তিক ব্যবসায়ী গিয়ের্মো তোফোনির
সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টার একটি ভার্চুয়াল বৈঠকও হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও তিনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি।
এ
ছাড়া তদন্তে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তাকেও
সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। তদন্তকারীদের
ধারণা, এসব কর্মকর্তা এএফএর কার্যক্রম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নাগাল পেয়েছিলেন।
লা
নাসিওন জানিয়েছে, গত বছরই যুক্তরাষ্ট্রে এই তদন্তের প্রস্তুতি শুরু হয়। তদন্ত পরিচালনা
করছেন ওয়াশিংটন ডিসি ও ফ্লোরিডার অন্তত তিনজন ফেডারেল প্রসিকিউটর। তাদের মধ্যে রয়েছেন
ব্যাংকিং ও আর্থিক অপরাধ তদন্তে অভিজ্ঞ কর্মকর্তারাও।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মালিক হাভিয়ের ফারোনি ও তার স্ত্রী এরিকা জিলেট যুক্তরাষ্ট্রের
পাঁচটি ব্যাংকের মাধ্যমে শত শত মিলিয়ন ডলারের লেনদেন পরিচালনা করেছেন। ব্যাংকগুলো হলো
সিটিব্যাংক, সিনোভাস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগ্যান এবং পিএনসি ব্যাংক। এসব হিসাবের
মাধ্যমে এএফএর অন্তত ২৬ কোটি মার্কিন ডলারের আয় পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে অর্থের একটি বড় অংশের অর্থনৈতিক যৌক্তিকতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা তদন্তকারীরা এখনো পাননি।
প্রতিবেদনে
আরও বলা হয়েছে, অ্যাডিডাস ও ওয়ার্নারের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এএফএর আন্তর্জাতিক
চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থও ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
চুক্তি
অনুযায়ী, কর পরিশোধের পর আন্তর্জাতিক আয়ের ৩০ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ১০ শতাংশ লজিস্টিক
কমিশন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব আর্থিক নথিই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও
এফবিআই বিশ্লেষণ করছে।
অন্যদিকে
সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটি বলেছে, ট্যুরপ্রডএন্টার
এলএলসির সঙ্গে তাদের বৈধ ও কার্যকর চুক্তি রয়েছে এবং সেটি আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্রের
আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।
এএফএর
দাবি, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো দেশের ফুটবল প্রশাসনকে
অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ।
বিশ্বকাপ
চলাকালীন এই তদন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবলকে নতুন বিতর্কের মুখে ফেলেছে। তবে এখন পর্যন্ত
এটি প্রাথমিক তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক
কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করেনি।
মন্তব্য করুন


খাবারে
ঐতিহ্যবাহী ‘খদর’-এ খাসি না থাকায় আসর ত্যাগ করে দেশজুড়ে
আলোচনায় আসা সেই জাপান প্রবাসী জুনায়েদ মিয়ার বিয়ে অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার
(১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত
অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে তিনি নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ফেসবুক
পোস্টে জুনায়েদ লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিবাহ
সম্পন্ন হলো। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সবার কাছে দোয়া ও শান্তিময়,
সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা করছি।’
এর
আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা
গ্রামে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী ‘খদর’-এ (বড় থালায় পরিবেশিত বিশেষ খাবার)
খাসির মাংস না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন বর জুনায়েদ। কসবা উপজেলার
নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে জুনায়েদের এমন কাণ্ডের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই দেশজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, সোমবার কনের বাড়িতে পৌঁছানোর পর অভ্যর্থনার সময় ফুল নিয়ে অসন্তোষ
প্রকাশ করে উপস্থিত লোকজনের সামনে বিরূপ মন্তব্য করেন বর জুনায়েদ। পরবর্তীতে তোরণ
ও বরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে নির্ধারিত খাবার স্থানে বসানো হয়। সেখানে আমন্ত্রিত
অতিথিদের খাওয়া-দাওয়া শেষে বরের জন্য পরিবেশিত বিশেষ খাবারে খাসির মাংস অনুপস্থিত
দেখে তীব্র আপত্তি জানান তিনি। খাসির মাংস ছাড়া তিনি আহার গ্রহণ করবেন না এবং বিয়ের
আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন।
কনেপক্ষের
স্বজনসহ উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তিনি নিজের
অবস্থানে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বিয়ের কার্যক্রম অসমাপ্ত রেখেই একা কনের বাড়ি ত্যাগ
করেন ওই প্রবাসী বর। অবশেষে ব্যাপক আলোচনার পর মঙ্গলবার রাতে তাদের এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা
সম্পন্ন হলো।
মন্তব্য করুন


ভোলার
চরফ্যাশনের শশীভূষণে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তির লাশ
দাফনে বাধা ও সন্তানদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। লাশ দাফনকে কেন্দ্র করে দুই স্থানে
দুইবার কবর খুঁড়ে দাফন করতে পারেনি।
এ
নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন
হয়। শনিবার (২০ জুন) উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ৩ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার
সূত্রে জানা গেছে, মৃত জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৪টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার
দুই স্ত্রী ও সাতজন ছেলে-মেয়ে রয়েছে।
সন্তানদের
অভিযোগ, তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে
যান। এই সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরেই লাশ দাফনে বাধা দেন সন্তানরা। পরে বাধ্য হয়ে
পরিবারের লোকজন নিজ বাড়ির উঠানে দ্বিতীয়বার কবর খোঁড়েন। কিন্তু সেখানেও মৃতের চতুর্থ
স্ত্রী ও সেই ঘরের সন্তানরা পুনরায় বাধা দেন।
এ
ছাড়া লাশ আঙিনায় রেখে ভাই-বোনদের মধ্যে কয়েক দফা হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। খবর
পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব
হয়নি। পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত
করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের লাশ নিজ বাড়ির আঙিনায় জানাজা
শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানায়, দাফনকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা বিরাজ ওই বাড়িতে।
এক
পর্যায়ে লাশ বাড়ির উঠানে রেখে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি
এবং মারধর বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে শশীভূষণ
থানা পুলিশকে খরব দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।
তবে পুলিশের উপস্থিতিতেও কয়েক দফা উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি
ও স্থানীয়রা উভয় পক্ষকে শান্ত করে দীর্ঘ আলোচনার পর বাড়ির উঠানে জানাজা শেষে জলিলের
লাশ দাফন করা হয়।
এদিকে
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে একজন মৃত
ব্যক্তির দাফন বিলম্বিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। অনেকেই
এমন ঘটনাকে মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুর পৌনে ৩টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষের আস্থা ফেরাতে কাজ করবে নতুন সরকার।
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আজকে আমার আবু সাঈদের (রংপুরে গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছে।’
দেশের কোথাও হামলা না করার আহ্বান জানিয়ে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, যদি আমাকে বিশ্বাস করেন তাহলে সারাদেশে চলমান হামলা বন্ধ না করেন। তা না করলে আমার এখানে প্রয়োজন নেই। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। এই স্বাধীনতার সুফল সবার ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
এসময় তিনি তরুণ সমাজকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তরুণ সমাজ যেন নিজেদের মতো করে দেশটা সাজাতে পারে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্তির পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজ বৃহস্পতিবার শপথ নিতে যাচ্ছে। এদিন রাত সাড়ে ৮টা শপথ অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে ফ্রান্সের প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে। এরপর দেশে ফিরলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের
বৈঠকে যোগদানের জন্য তাঁর চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে আজ ভোরে দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের
বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট ভোর ৩টা ৩২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
এসে পৌঁছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় (নিউইয়র্ক
সময়) ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জেকেএফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার
(২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেয়া ছাড়াও ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন
প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
এছাড়া তিনি অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ
মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
শেহবাজ শরীফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং নেদারল্যান্ডস’র প্রধানমন্ত্রী ডিক শুফের সাথে দ্বিপাক্ষিক
বৈঠক করেন।
নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
উরসুলা ভন ডের লেয়েন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের হাইকমিশনারের শরণার্থী বিষয়ক কমিশনার ফিলিপ্পো
গ্র্যান্ডি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ ও ইউএসএইডের প্রশাসক সামান্থা
পাওয়ার সাক্ষাত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ
সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন।
তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত দেড়টায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানায়, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে
মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ করা
হয়েছে।
এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে (তিন পার্বত্য জেলা বাদে ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ
হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯৯ জন।
গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ
৪৯ হাজার ২৯৩ জন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা
মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।
মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।
গত বছরের ১৪ জুন এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার
গোবিন্দগঞ্জে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই)
সকালের দিকে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের ক্রোড়লগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ক্রোড়লগাছা গ্রামের মৃত বছির উদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন (৫৫)
এবং হরিরামপুর গ্রামের আইয়ুব মিয়ার ছেলে গোলাম মওলা (৩৫)।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, গোলাম মওলা দীর্ঘদিন ধরে গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সকালে তিনি
ও আজিম উদ্দিন একটি গাছ কাটতে যান। গাছ কাটার একপর্যায়ে সেটি পাশের বিদ্যুতের তারের
ওপর পড়ে। পরে গাছটি সরাতে গেলে উভয়ই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন,
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহের
হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় স্ত্রীর পরকীয়া জানাজানি হওয়ার ক্ষোভ ও অপমানে জাহিদ হোসেন
(৩৮) নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে
উপজেলার রামনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাহিদ হোসেন ওই গ্রামের মসিয়ার রহমানের ছেলে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, জাহিদ হোসেনের স্ত্রী শ্যামলীর সঙ্গে একই গ্রামের পাপপু নামের এক
যুবকের দীর্ঘদিন ধরে গোপনে পরকীয়া প্রেম চলে আসছিল। সম্প্রতি তাদের এই অনৈতিক সম্পর্কের
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয় এবং লোকমুখে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
গ্রামবাসীদের
অনেকেই জানান, বিষয়টি নিয়ে পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে জানাজানি হলে লোকলজ্জা ও
ক্ষোভে-অপমানে ভেঙে পড়েন জাহিদ। এরই জের ধরে শুক্রবার বিকেলে তিনি সবার অজান্তে নিজ
বাড়িতে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ বিষয়ে হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) অসিত কুমার বলেন, “আমরা খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহের সুরতহাল
প্রতিবেদন তৈরি করেছি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, স্ত্রীর পরকীয়া
ও সামাজিক অপমানের কারণেই তিনি চরম এই পথ বেছে নিয়েছেন। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।”
ওসি
আরও জানান, “ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে
পারে। এই আত্মহত্যার পেছনে প্ররোচনা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা
হচ্ছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ
করা হবে।”
মন্তব্য করুন


গত ৭৬ বছরের
রেকর্ড ভেঙেছে এবারের তাপপ্রবাহ। তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এক ঝলক বৃষ্টি
দেখতে কখনো সাধারণ মানুষ করছেন বিশেষ দোয়া ও পড়ছেন নামাজ,
কেউবা করছেন মন্দিরে বিশেষ প্রাথর্না আবার কেউ করছে হাহাকার।
দাবদাহ কমবে এবং দু-তিন দিনের
মধ্যে দেশজুড়ে হতে পারে বৃষ্টি; এমনি এক সুখবর দিলেন
আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা সম্পর্কে বলা হয়েছে- সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে এবং লীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকবে।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে এই বৃষ্টির প্রকোপ বেশি থাকবে। এপ্রিলের বাকি দুদিনও থাকবে তাপপ্রবাহের দাপট। তবে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে
দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি অথবা
বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ সহ আবহাওয়া প্রধানত
শুষ্ক থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার
পূর্বাভাস ।
তাপপ্রবাহ নিয়ে আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা ও রাজশাহী জেলা সমূহের ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ জেলাসহ বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন