

নেপালে
ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার তাণ্ডব দেখেছে পুরো বিশ্ব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া
একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে মাইলের পর মাইল এলাকা প্লাবিত হওয়া, ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়া,
মানুষের প্রাণহানি এবং পানির তোড়ে ভেসে যাওয়ার মর্মান্তিক সব দৃশ্য। চোখের পলকে তছনছ
হয়ে গেছে বিভিন্ন শহর ও বড় বড় স্থাপনা। তবে এমন ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মাঝেও মাঝে
মাঝে বেঁচে থাকার কিছু বিস্ময়কর গল্প তৈরি হয়। তেমনই একটি অলৌকিক বেঁচে ফেরার ঘটনা
সম্প্রতি নেপালের আকস্মিক বন্যার পর নেটিজেনদের ব্যাপক নজর কেড়েছে। খবর এনডিটিভির।
ইন্টারনেটে
ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তীব্র গতিতে বয়ে যাওয়া কাদা-পানির তোড়ের মাঝেও একটি
সবুজ রঙের দোতলা বাড়ি একাই শক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে। প্রথম প্রকাশিত ভিডিওটিতে দেখা যায়,
বন্যার পানি এলাকাটিতে আছড়ে পড়ার পর সেই সবুজ বাড়িটির আশপাশের একের পর এক স্থাপনা ও
ঘরবাড়ি চোখের সামনে ভেসে ও ভেঙে যাচ্ছে। পানির তীব্র স্রোত বিশাল সব ধ্বংসাবশেষ ভাসিয়ে
নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পথের সবকিছু ধ্বংস করে দিচ্ছিল। তবে একই বাড়ির পরবর্তী একটি ভিডিওতে
দেখা যায়, চারপাশ ঘিরে বয়ে যাওয়া গর্জনরত প্রবল পানির স্রোতের মুখেও বাড়িটি পুরোপুরি
অক্ষত ও অবিচল ছিল।
বাড়িটি
ধসে না পড়লেও তার ভেতরে একটি পুরো পরিবার আটকে থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হলে ইন্টারনেটে
তাদের ভাগ্য নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়। ভিডিওতে ধারণকৃত গা শিউরে ওঠা দৃশ্যগুলো দেখার
পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা আটকে পড়া পরিবারটির নিরাপত্তার জন্য সামাজিক
মাধ্যমে প্রার্থনার ঝড় তোলেন। একই সঙ্গে আশপাশের বাড়িঘর ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশে গেলেও
এটি কীভাবে এই প্রলয়ঙ্করী স্রোতের ধাক্কা সহ্য করে দাঁড়িয়ে রইল, তা নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক
আলোচনা শুরু হয়। একটি সাধারণ বাড়ি কীভাবে এমন তাণ্ডব সহ্য করল, তা দেখে অনেকে বিস্ময়
প্রকাশ করেন।
পরবর্তীতে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপর এক ব্যবহারকারী আরও একটি ভিডিও শেয়ার করে জানান যে, ওই
সবুজ বাড়ির ভেতরে আটকে থাকা পরিবারের সব সদস্যই অলৌকিকভাবে জীবিত এবং নিরাপদে উদ্ধার
হয়েছেন। এই স্বস্তিদায়ক খবরে বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগে থাকা মানুষদের মাঝে স্বস্তি নেমে
আসে। দুটি ভিডিওই অনলাইনে ইতোমধ্যে লাখ লাখ বার দেখা হয়েছে এবং নেটিজেনরা স্বস্তি ও
বিস্ময় প্রকাশ করে নানা মন্তব্য করছেন।
ঘটনাটি
নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে এক সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে তাদের
মনের ভেতর যে কী চরম আতঙ্ক চলছিল! তারা কি জীবনের আশা ছেড়ে বিদায় নিচ্ছিল, নাকি বেঁচে
গেলে কী করবে তা নিয়ে ভাবছিল? পরিবারটির একটি সাক্ষাৎকার নেওয়া উচিত।’
আরেকজন লিখেছেন, ‘এত বড় একটি প্রলয়ঙ্করী আঘাতের পরও বাড়িটি টিকে থাকা প্রমাণ করে মজবুত
নির্মাণের গুরুত্ব কতটা।’ বাড়িটির নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করে
অন্য এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘যিনি এই ভবনটি তৈরি করেছেন, তাকে স্যালুট।’
আর পরিবারটি অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরায় স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অন্য একজন মন্তব্য
করেছেন, ‘যাক, সৃষ্টিকর্তাকে অশেষ ধন্যবাদ যে বাড়িটি বন্যায় টিকে গেছে এবং তারা বেঁচে
ফিরেছেন।’
মন্তব্য করুন


সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তি এবং তাঁদের যৌনসঙ্গীদের জন্য সমন্বিত এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদারে কুমিল্লায় জেলা পর্যায়ের মতবিনিময় ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করে পিএসটিসি, কুমিল্লা এতে সহযোগিতা করে সেভ দ্য চিলড্রেন ও জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রাম।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, বিপিএমপিএ সভাপতি ডা. আবু তাহের মুহিত, আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল হোসেন পাটোয়ারী (রবি), মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন কার্যালয়,ডা. কাউসার আল আমিন, ডা. শফিকুল ইসলাম , সাংবাদিক, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীরা এইচআইভি সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। তাই তাঁদের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবহৃত সুঁই-সিরিঞ্জের নিরাপদ অপসারণ, কাউন্সেলিং, চিকিৎসা ও সামাজিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে তাঁদের যৌনসঙ্গীদের সুরক্ষায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তি শুধু ব্যক্তিগত নয়, পারিবারিক ও সামাজিক সংকটও সৃষ্টি করে। কুমিল্লায় মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে উল্লেখ করে তাঁরা দ্রুত একটি সরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান। পাশাপাশি বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
‘বাংলাদেশে মূল জনগোষ্ঠীর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক এইচআইভি প্রতিরোধ সেবার ধারাবাহিকতা ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পিএসটিসির সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা.মোঃ মাসুদ রানা । সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সেন্টার ম্যানেজার মানস কান্তি দাস (অপু)।
সভা শেষে সিভিল সার্জন ডা: আলী নুর মো. বশির আহমেদ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজ (২৬ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জল, স্থল ও আকাশ পথে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
দ্রুততার সাথে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ও ত্রাণ বিতরণের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ১৫টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এখানে উল্লেখ্য যে, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ১১ জন মুমূর্ষ রোগীকে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর ও ২৪ জন ব্যক্তিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়।
প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ৪,৮৩৯ প্যাকেট ত্রান, ৫০,৪০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি, ৫০০ মোবাইল ফোন ও এক লাখ পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সিলেট, চট্টগ্রাম,ফেনী সদর, ফাজিলপুর, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, পরশুরাম ও মধুগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
দুর্যোগপূর্ণ
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার ৬টি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন ৭০টি পরিবার নিজ বসতভিটায় বিশেষ আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনীর নির্মিত ঘর পেয়েছে।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ঘরগুলো উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার, ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ এনামুল হক, ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলার বুড়িচংয়ে ২৯, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০, সদর দক্ষিণে ৬, চৌদ্দগ্রামে ১০, মনোহরগঞ্জে ১০ ও নাঙ্গলকোটে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এসব গৃহনির্মাণ বাস্তবায়ন করে।
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলপাশা ইউনিয়নের কুমাল্লা গ্রামের উপকারভোগী মো. আলম মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত হয়।
২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন কুমিল্লা জেলার ৭০টি পরিবারের মধ্যে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
উদ্যোগে আয়োজিত শুভ কঠিন চীবর দান ও জাতীয় বৌদ্ধধর্মীয় মহাসম্মেলন-২০২৪ উপলক্ষে
ঢাকার মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন। সেনাবাহিনী
প্রধান সবাইকে শুভ কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। সেই সাথে
পার্বত্য জেলাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে প্রতিটি ধর্মের নিজ নিজ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে
উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম গ্রহণে সদা প্রস্তুত।
একইসাথে তিনি সম্প্রীতির দেশ গঠনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থেকে একে
অপরকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায়
উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার জন্য অনুষ্ঠানে আগত ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের সম্মানিত
কূটনীতিকগনকে ধন্যবাদ জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য জেলা সমূহে শান্তি ও
সম্প্রীতির উন্নয়ন ঘটিয়ে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে পার্বত্য এলাকায়
বসবাসরত পাহাড়ি ও বাঙালিদের সচেষ্ট থাকতে অনুরোধ করেন। এছাড়াও প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যমন্ডিত পার্বত্য জেলাসমূহে পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয়
ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবন বৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পার্বত্য জেলাসমূহে অধিকতর স্কুল, কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতাকে দেশে ও বিদেশে
ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।
সবশেষে তিনি সারা দেশব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণ
কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীসহ সকল
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করায় বুদ্ধিস্ট
ফেডারেশনের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সেনাসদরে
সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
প্রতিনিধি দল। সেসময় সেনাবাহিনী প্রধান তিন পার্বত্য জেলায় শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
ও কঠিন চীবর দান উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার
ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসব সমূহ পালন করার
জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস প্রদান
করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ বাংলাদেশ
বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের অনুকূলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে এক কোটি টাকার চেক
অনুদান হিসেবে প্রদান করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এ বছর পার্বত্য চট্টগ্রামসহ
সারাদেশে ২৬৬টি বৌদ্ধ বিহারে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শুভ কঠিন চীবর
দান পালিত হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব
জেনারেল স্টাফ ও জিওসি ৯ পদাতিক ডিভিশন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের সভাপতি
শাসনস্তম্ভ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাথের মহোদয়, প্রধান ধর্মদেশক ভদন্ত এস লোকজিৎ মহাথের
মহোদয়সহ বিভিন্ন বিহার থেকে আগত পূজনীয় ভিক্ষুসংঘ, সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব, ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের কূটনীতিক ও
সর্বস্তরের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী গন এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কোনোভাবেই উদ্বিগ্ন নয় বিশ্বব্যাংক। বরং বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চায় সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব বিষয়ে সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায় বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। তিনি জানান, আমরা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জেনেছি। যার ফলে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির সংস্কারে কীভাবে সহযোগিতা করবো সেটিও আলোচনা করেছি। কারণ জটিল কিছু সংস্কার বাংলাদেশের প্রয়োজন। এখানে আর্থিক খাতে সংস্কার প্রয়োজন, বাণিজ্যে সংস্কার প্রয়োজন- আমরা এগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহী।
পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, আমরা এখন এ দেশে বেসরকারি খাতে চাকরির বাজার সৃষ্টিতে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে যুবকরা এখানে বড় সম্পদ। এছাড়া এখানে জলবায়ু পরিবর্তন অনেক বড় ঝুঁকি, সেখানে অন্তর্বর্তীমূলক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক গড়তে কাজ করছি আর আমরা মোটেই বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। আমি অনেক দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, এটি কখনোই আমাদের উদ্বেগের বিষয় নয়।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের স্থবির অর্থনীতিকে চালু করার জন্য যত রকমের সহযোগিতা দরকার বিশ্বব্যাংক তা দেবে। আইএফসি ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছি আমরা। তারা বলেছে, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা যে কোনো কিছুই করতে পারে। নিয়মকানুন মেনে তারা বিনিয়োগ করবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থীদের জন্য শোক জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। পাশাপাশি এ সময়ে যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা সংস্কারেও পাশে থাকবে সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে
"আসন্ন ঈদ-উল-আজহা ২০২৬ এর প্রাক্কালে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা,
ঈদের পূর্বে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতাদি পরিশোধ ও ছুটি প্রদান, সড়ক-মহাসড়ক যানজট
মুক্ত রাখা ও কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা প্রদানসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ক"
এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ
চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জানান, ঈদুল আজহার প্রাক্কালে এবং পরবর্তী সময়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে
একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। এই সেল ঈদের আগের ৭ দিন এবং পরের ৭ দিন সার্বক্ষণিক
কার্যকর থাকবে। এছাড়া র্যাব, পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও কোস্টগার্ডসহ সকল গোয়েন্দা সংস্থাকে
সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে জনসাধারণের জন্য পুলিশ,
ফায়ার সার্ভিস (১০২) ও বিআইডব্লিউটিএ (১৬১১৩) সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর হটলাইন নম্বরগুলো
চালু থাকবে।
মন্ত্রী
জানান, এবার সারাদেশে ৪ হাজার ২৫৯টি পশুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর
সিটি কর্পোরেশনে ১৫টি এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১১টি হাট থাকবে। হাটগুলোতে পর্যাপ্ত
আলোকসজ্জা ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জালনোট শনাক্তে প্রতিটি
হাটে ব্যাংকগুলোর বুথ ও মেশিন থাকবে। এছাড়া ইজারাদারদের চাহিদানুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত
করতে 'অঙ্গীভূত আনসার' নিয়োজিত করা হবে।
সড়ক
ও নৌপথে পশুবাহী যানবাহনে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি কঠোরহস্তে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন
মন্ত্রী। তিনি বলেন, “চাঁদাবাজি রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বডি-ওর্ন ক্যামেরা
ব্যবহার করবে এবং সিভিল ড্রেসে গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে।”
চামড়া পাচার রোধে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান,
চামড়ার গুণগত মান রক্ষায় কোরবানি পরবর্তী দুই ঘণ্টার মধ্যে লবণ দিয়ে সংরক্ষণের জন্য
দেশব্যাপী প্রচারণা চালানো হবে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিনামূল্যে
লবণ সরবরাহের অনুমোদন দিয়েছেন।
ঈদের
ছুটির আগেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ
এবং বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সড়ক ও নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে
ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং মহাসড়কের গর্তগুলো দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট
মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। ফেরি ও লঞ্চে যাত্রী ও পশু পরিবহনে হেনস্তা বন্ধে বিশেষ ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকারের গৃহীত এসব পদক্ষেপের ফলে দেশবাসী অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ
ও উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করতে পারবেন।
ভারতের
অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন বা অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে কোনো সাম্প্রদায়িক প্রভাব
পড়ার শঙ্কা নাকচ করে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে বন্ধুপ্রতিম
দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে। সীমান্ত দিয়ে কোনো প্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ বা 'পুশ-ইন'
রোধে বিজিবি সর্বদা জাগ্রত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
বন্দরে একটি ভাড়া বাসায় গ্যাসের লাইন লিকেজের আগুনে দগ্ধ হয়ে এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে।
গত বুধবার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে
খোকন সরকার মারা যায়।
তার
মৃত্যুর ছয় ঘন্টা পর তার স্ত্রী ফজিলত বেগমের মৃত্যু হয়। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর এমন
করুণ মৃত্যুতে কুমিল্লার দেবীদ্বারের উজানীকান্দি ও উজানীজোড়া গ্রামে নেমে এসেছে শোকের
ছায়া।
নিহত
খোকন সরকার (৫৪) কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের উজানীকান্দি
গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে এবং ফজিলত বেগম (৪০) একই ইউনিয়নের উজানীজোড়া গ্রামের
নানু মিয়া খন্দকারের মেয়ে। স্বামী-স্ত্রী দুজনই
নারায়ণগঞ্জের মদনপুর এলাকার জাহীন গার্মেন্টসে কাজ করে সংসার চালাতেন।
তাদের
ইউসুফ সরকার ও খাদিজা আক্তার নামে দুই সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় তারা গ্রামের বাড়িতে
ছিলেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, গত শুক্রবার
রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার মুরাদপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ
আগুন ধরে যায়। এতে গুরুতর দগ্ধ হন খোকন-ফজিলত দম্পতি।
তাৎক্ষণিক
তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চার দিন আইসিইউতে চিকিৎসার
পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে খোকন সরকারের মৃত্যু হয়। পরদিন বুধবার সকালে তার মরদেহ
দেবীদ্বারের উজানীকান্দি গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক
কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
স্বামীর
দাফন শেষ হওয়ার মাত্র ছয় ঘণ্টা পর বুধবার বিকেল ৪টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় মারা যান স্ত্রী ফজিলত বেগমও। পরে বুধবার রাতে নিহত ফজিলতের মরদের গ্রামের
বাড়ি উজানীজোড়া গ্রামে নিয়ে আসা হয়।
আজ
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় তার জানাজা শেষে স্বামীর কবরের পাশেই দাফন করার কথা রয়েছে।
স্বামীর দাফনের পরপরই স্ত্রীর মৃত্যুর খবর আসায় কুমিল্লার দেবীদ্বারে নেমে আসে শোকের
মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে গ্রামের পরিবেশ।
নিহতদের
মেয়ে খাদিজা আক্তার কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বাসা ভাড়ায় থাকতাম।
ঘটনার সময় আমার ভাই ও আমি গ্রামে চলে আসি। শুক্রবার রাতে কেউ একজন ফোন করে আমার আব্বা-আম্মা
দুজনই আগুনে দগ্ধ হন। পরে আমরা ঢাকা মেডিক্যালে গিয়ে জানতে পারি আমার তারা দুইজনই বার্ন
ইউনিটের আইসিউতে ভর্তি রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমার আব্বা ও পরদিন বুধবার বিকেল ৪টার
দিকে আমার আম্মা মারা যান।
এ
বিষয়ে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, অগ্নিকাণ্ডে
দেবীদ্বারের দুই পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুর খবরটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। আমরা
শোকাহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করব এবং এই কঠিন সময়ে অসহায় পরিবারটির পাশে উপজেলা প্রশাসন
আর্থিক সহযোগিতা করবে।
মন্তব্য করুন


জনগণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর জন্য বাংলালিংক প্রতিনিধিদের আহ্বান জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিসকক্ষে বাংলালিংক প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে এলে একথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মের চাহিদার প্রেক্ষিতে ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর পাশাপাশি সব মোবাইল অপারেটরদের মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর চেষ্টা করতে হবে।
ভিওন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কান টার্জিওগ্লু বাংলাদেশে সিম কার্ডের ট্যাক্স কমানোর কথা বললে উপদেষ্টা বলেন, ট্যাক্সের সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় জড়িত, তাই এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন কান টার্জিওগ্লু।
বাংলালিংকের চিফ লিগ্যাল অফিসার জাহারাত আদিব চৌধুরী জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন টফির ব্যবহারে বিভিন্ন বাঁধার কথা উল্লেখ করলে উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
এ সময় বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক এস, প্রধান কর্পোরেট ও নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা তাইমুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বিএসটিআই, কুমিল্লা ও উপজেলা প্রশাসন, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে 'মুড়ি' পণ্যের গুণগত মান সনদ গ্রহণ ব্যতীত প্রস্তুত, বিক্রয়-বিতরণ করায় "বিএসটিআই আইন-২০১৮" অনুযায়ী কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর বেলতলীর কৃষ্ণপুরে মেসার্স খোরশেদ চিড়া ও মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার টাকা) এবং কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর গোপিনাথপুরের মেসার্স মমতা মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে "বিএসটিআই আইন-২০১৮" এবং "ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮" অনুযায়ী ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার টাকা) অর্থদণ্ড করা হয়।
উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ রেফাঈ আবিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই, কুমিল্লা অফিসের কর্মকর্তা জনাব ইকবাল আহম্মদ, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রকৌ: আরিফ উদ্দিন প্রিয়, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।
জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৬২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি। মোট ১৬১টি ফ্লাইটে
মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে পৌঁছান তারা। আজ (সোমবার, ১৮ মে) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত
সর্বশেষ বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এয়ারলাইনস,
সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা ও সৌদি আরবের সূত্রে হজ বুলেটিনের
আইটি হেল্প ডেস্ক জানিয়েছে, গতকাল (রোববার, ১৭ মে) দিবাগত রাত ৩টা নাগাদ সৌদি পৌঁছেছেন
৬২ হাজার ৫২৮ জন হজযাত্রী। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮২টি ফ্লাইটে ৩২ হাজার
৫০৮ জন বাংলাদেশি সৌদিতে পৌঁছেছেন।
এছাড়াও
সৌদি এয়ারলাইনস পরিচালিত ৫৭টি ফ্লাইটে জেদ্দায় পৌঁছেছেন ২১ হাজার ১৬১ জন হজযাত্রী।
সেই সঙ্গে ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস পরিচালিত ২২টি ফ্লাইটে আরও ৮ হাজার ৮৫৯ জন বাংলাদেশি
পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। সবমিলিয়ে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৪৪৪
জন এবং বেসরকারি মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৮৪ জন হজযাত্রী মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে পৌঁছেছেন।
এদিকে,
চলতি বছর হজ করতে সৌদি আরবে গিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের
মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা। যাদের মধ্যে মক্কায় ১২ জন এবং মদিনায় ৫ জনের মৃত্যু
হয়েছে বলে জানিয়েছে হজ বুলেটিনের আইটি হেল্প ডেস্ক।
চাঁদ
দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে চলতি বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে গত
১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে যায় হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট। হজের
আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৩০ মে থেকে হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে।
মন্তব্য করুন