

১৪৪৫ হিজরির পবিত্র হজ মৌসুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।
সম্প্রতি জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হজ ও ওমরাহ সম্মেলনে দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. তাওফিক আল-রাবিয়াহ এ ঘোষণা দেন।
সারা বিশ্বের মুসলিমদের হজযাত্রা স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে এবং হজযাত্রীদের মধ্যে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা তৈরি করতে জেদ্দায় তিন দিনব্যাপী হজবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশ নেয় বিভিন্ন দেশের ৮০ জন মন্ত্রী ও হজ প্রতিনিধিদলের প্রধান, ২৭টি সরকারি এজেন্সি এবং দুই শতাধিক সেবাপ্রদানকারী সংস্থা। সৌদি ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সম্মেলনে ৭৬টি দেশের সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে হজবিষয়ক ২২০টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পাশাপাশি এ সম্মেলনে ৫০টির বেশি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।
তা ছাড়া ১৯৩৮ সালের তৈরি পবিত্র কাবাঘরের একটি কিসওয়া (গিলাফ) প্রদর্শন করা হয়, যা প্রয়াত বাদশাহ আবদুল আজিজ বিন আবদুর রহমান আল-সৌদের নামে উৎসর্গ করা হয়।
উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১ মার্চ হজের ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং ২৯ এপ্রিল শেষ হবে। এরপর ৯ মে থেকে সৌদি আরবে হজযাত্রীদের গমন শুরু হবে।
গত বছর বিভিন্ন দেশ থেকে ১৩ কোটি ৫৫ লাখের বেশি মুসলিম ওমরাহ পালন করে, যা ছিল সৌদি আরবের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যা।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বৈষম্য বিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি এখন সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই দেশ আমাদের সকলের। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এদেশ সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলের ভাগ্য উন্নয়ন এবং সমান অধিকার সুনিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বাংলাদেশের সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


বাস্তব জীবনের
কিছু গল্প অনেক সময় কল্পনাকেও হার মানায়। তেমনই এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনার সাক্ষী হলো দক্ষিণ
কোরিয়ার আনসানের খুদেপিয়ংওয়ান হাসপাতাল। দীর্ঘ দিন ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের সঙ্গে
লড়াই করা কোরীয় নাগরিক চংওয়াং জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
মুফতি ফয়জুল্লাহ
আমানের হাতে এ পর্যন্ত ৮০ জনের মতো ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
গত সোমবার
(১২ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশি আলেম মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কালিমা পড়ে তিনি ইসলামের
সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নেন।
এক পাক্ষিক
প্রেমের অবিস্মরণীয় গল্প চংওয়াংয়ের জীবনের এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী
লাইলা। বাংলাদেশের সোনারগাঁয়ের মেয়ে লাইলার সঙ্গে প্রায় ১৪–১৫ বছর আগে ঘর বাঁধেন চংওয়াং।
বিয়ের সময় নামমাত্র শাহাদা পড়লেও চংওয়াং ধর্মীয় জীবনে অভ্যস্ত ছিলেন না। তবে স্বামীর
এই কঠিন অসুস্থতার সময়েও বাংলাদেশি বধূদের চিরচেনা ধৈর্য ও মায়ার প্রতিচ্ছবি হয়ে নিঃশব্দে
সেবা দিয়ে যাচ্ছেন লাইলা। তার অনুরোধেই চংওয়াং জীবনের এই সায়াহ্নে এসে তওবা করে নতুন
করে কালিমা পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
হাসপাতালের
সেই আবেগঘন মুহূর্ত কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি যুবক ইমনের মাধ্যমে খবর পেয়ে মুফতি
ফয়জুল্লাহ আমান হাসপাতালে যান। তিনি জানান, চংওয়াং এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। ডাক্তাররা
প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছেন। সেই বিছানায় শুয়েই তিনি কালিমা পড়ে নতুন জীবনের দীক্ষা নেন।
মুফতি
ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, মৃত্যু কোনো বিলয় নয়, এটি এক রূপান্তর। মানুষ বিলুপ্ত হয় না;
কেবল এক ঘর থেকে অন্য ঘরে স্থানান্তরিত হয়। যদি এই জীবনে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক
সুন্দর হয়, তবে পরের জীবনটি আরও শক্তিশালী ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।
শতজনের
পথপ্রদর্শক মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে এ পর্যন্ত কতজন ইসলাম গ্রহণ করেছেন জানতে
চাইলে তিনি সময় সংবাদকে জানান, এই সংখ্যা প্রায় ৮০ ছাড়িয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তিনি চংওয়াংয়ের
জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ চরম অসুস্থ ব্যক্তিকেও সুস্থ করতে
পারেন। আর যদি হায়াত না থাকে, তবে যেন ঈমানের সঙ্গে তার মৃত্যু নসিব হয়।
বর্তমানে
চংওয়াং আনসানের ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এক কোরীয় নাগরিকের
এমন ঈমানি রূপান্তর কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব
পৌঁছেছেন ১৩০ বছর বয়সী সারহোদা সাতিত নামের এক নারী। তিনি আলজেরিয়া থেকে হজ করতে গেছেন।
মঙ্গলবার (১১ জুন) জেদ্দা বিমানবন্দরে
সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ওই নারী পৌঁছলে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময়
তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন সৌদি কর্মকর্তারা।
সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়ার খবরে
বলা হয়, হজ পালনে প্রবীণ এ নারীর দৃঢ়তা সবাইকে
মুগ্ধ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার হজযাত্রার প্রশংসা করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের ভিডিওতে
দেখা যায়, বিমানবন্দরে ওই নারীকে হুইলচেয়ারে করে নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের তাকে
ফুলের মালা পরিয়ে দিতে দেখা যায়। তখন সংশ্লিষ্টদের কল্যাণ চেয়ে ওই নারী বলতে থাকেন,
মহান আল্লাহ সৌদি আরব ও এর জনগণের সুরক্ষা করুন।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজ করবেন ৮৫
হাজার ২৫৭ জন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ শনিবার (১২ অক্টোবর) পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন এবং সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


ধর্ম-বর্ণ ও মতের পার্থক্য থাকলেও বাংলাদেশের সব মানুষ একই পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে বিমানবন্দরে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. ইউনূস বলেন, তখন বলেছিলাম আমরা একটা পরিবার। আমাদের নানামত, নানা ধর্ম থাকবে, নানা রীতিনীতি থাকবে কিন্তু আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এটাতে জোর দিয়েছিলাম। আমাদের শত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পরস্পরের শত্রু নই। আমাদের জাতীয়তা, পরিচয়ের প্রশ্নে এক জায়গায় চলে আসি। আমরা বাংলাদেশি, এক পরিবারের সদস্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শপথ গ্রহণের পরে শুনতে আরম্ভ করলাম, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তখন মনটা খারাপ হয়ে গেল। এর পরপরই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গেলাম। সেখানেও বললাম, আমরা একই পরিবারের সদস্য।
তিনি বলেন, সব দাবিদাওয়া বাদ দিলেও একটা দাবি পরিষ্কার আমাদের সকলের সমান অধিকার, বলার অধিকার, ধর্মের অধিকার, কাজকর্মের অধিকার। সেটা এসেছে সংবিধান থেকে। নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেটা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, শুনলাম এখনো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে।
তাই আমি সবাইকে নিয়ে বসলাম, এটা থেকে কীভাবে উদ্ধার করা যায়।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেটা পুরো জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছিল। তখন তৃপ্তি পেলাম, একটু তো কাজ করেছি।
ভুল তথ্যের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবার নতুন কথা, হামলা হচ্ছে, অত্যাচার শুরু হচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যম বলব না প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, এটা হচ্ছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, কী হচ্ছে? সবদিকে দেখলাম এটা হচ্ছে না। এক খবরে বলা হচ্ছে, আরেক খবরে বলা হচ্ছে হচ্ছে না, তথ্যের মধ্যে ফারাক আছে। এটা ঠিক না। এটার অবসান হতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যে তথ্য পাচ্ছি তা ভুল হতে পারে। তথ্যের ওপর বসে থাকার কিছুই নাই, এটার অর্থ অন্ধের মতো বসে থাকা। ভেতরে গিয়ে দেখতে হবে। খোঁজ নিতে হবে তথ্যের গরমিল কেন? তাতে ওরা যা বলছে, তা কি মিথ্যা প্রচার? না আমরা যা বলছি তা মিথ্যা প্রচার। সত্যটা কোথায়।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যের কোনো ফারাক নেই। সেখানে সঠিক তথ্য কীভাবে পাব, সেটা আমাদের জানার। প্রকৃত তথ্য, অনেক সময় সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা করে লাভ নেই। কর্তা যা চায়, সেভাবে বলে। আসলটা মন খুলে বলতে চাই না। আমরা আসল খবরটা জানতে চাই। সেই প্রক্রিয়াটা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এত বড় দেশে যেকোন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু প্রকৃত তথ্য জানতে চাই। তাৎক্ষণিক খবর পেলে যাতে সমাধান করা যায়। যেদিক থেকেই দোষী দোষীই। তাকে বিচারের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, প্রথম কথাটা হলো না হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। আমি যা বলছি, তা দেশের বেশির ভাগ মানুষ মনে করে। আমরা এক পরিবারের মানুষ হিসেবে সামগ্রিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারি। সেখানে তথ্য ও প্রতিকার হলো বড় বিষয়।
তিনি বলেন, আমি পেলাম তথ্য কিন্তু প্রতিকার পেলাম না। সমস্যা হয়ে গেলে সমাধান করতে হবে। আজকের আলোচনা খোলাখুলি, আমরা সবাই আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্যে কোনো গোলমাল নেই। তথ্য প্রবাহ কীভাবে পাব, দোষীকে কীভাবে ধরব, যাতে সবাই সঠিক তথ্যটা পেয়ে যায়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই, যার নাম দিয়েছি নতুন বাংলাদেশ। এটা আমাদের করতে হবে। আপনাদের কথা বলে সন্তুষ্ট করে আজকের মতো বিদায় দিলাম তা নয়। এটা দ্রুত করতে হবে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দেখলে হবে না, আমাদের বর্তমানেই করতে যেতে হবে।
সংখ্যালঘু সমস্যার বিষয়ে অবাধ, সত্য তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা যায়, সে বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের পরামর্শ চান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কীভাবে নিরাপদে সংগ্রহ করব, যে তথ্য দিচ্ছে সে যেন বিব্রত না করে তাও নিশ্চিত হতে হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সেহরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি মূলত পরিচিতিমূলক হলেও সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকের বিষয়ে নানা তথ্য দেন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর বলেন, আগামীতে যে রমজান শুরু হচ্ছে, এই রমজানকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখা প্লাস হচ্ছে সেহরি, ইফতার, তারাবির সময়টা যেন বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন থাকে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে এবং সরকারের যে কমিটমেন্ট, বিশেষ করে নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় জনসভায় যে বিষয়গুলো বলেছেন—ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড সেগুলো কীভাবে ইমিডিয়েটলি আসলে কিছু দৃশ্যমান কাজ করা যায়, সেই বিষয়গুলো নিয়েও তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, আলোচনা করেছেন।’
দুর্নীতির প্রভাবমুক্ত হয়ে দৃশ্যমান কাজ করার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি বলেন, ১৮০ দিনের একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে সরকার। এ সময়ের মধ্যে গৃহীত কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া রমজানে যেন স্বস্তিদায়ক পরিবেশ থাকে, সেদিকে নজর দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতেও নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি গণমাধ্যম কমিশনের প্রস্তাবও হাতে আছে, সেগুলো নিয়ে কাজ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদুর রহমান বলেন, রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ঈদে নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরা নিয়েও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকার সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করবে এ সময়সূচি। ২ মার্চ প্রথম রোজার সাহ্রির শেষ সময় ভোর ৫টা ৪ মিনিট ও ইফতারির সময় ৬টা ২ মিনিট।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আরও জানায়, দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ করে অথবা ৯ মিনিট বিয়োগ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সাহ্রি ও ইফতার করবেন।
রোজা | মার্চ | বার | সাহরি শেষ | ফজর শুরু | ইফতারের সময় |
*০১ | ২ মার্চ | রোববার | ৫-০৪ মি. | ৫-০৫ মি. | ৬-০২ মি. |
০২ | ৩ মার্চ | সোমবার | ৫-০৩ মি. | ৫-০৪ মি. | ৬-০৩ মি. |
০৩ | ৪ মার্চ | মঙ্গলবার | ৫-০২ মি. | ৫-০৩ মি. | ৬-০৩ মি. |
০8 | ৫ মার্চ | বুধবার | ৫-০১ মি. | ৫-০২ মি. | ৬-০৪ মি. |
০৫ | ৬ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৫-০০ মি. | ৫-০১ মি. | ৬-০৪ মি. |
০৬ | ৭ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৫৯ মি. | ৫-০০ মি. | ৬-০৫ মি. |
০৭ | ৮ মার্চ | শনিবার | ৪-৫৮ মি. | ৪-৫৯ মি. | ৬-০৫ মি. |
০৮ | ৯ মার্চ | রোববার | ৪-৫৭ মি. | ৪-৫৮ মি. | ৬-০৬ মি. |
০৯ | ১০ মার্চ | সোমবার | ৪-৫৬মি. | ৪-৫৭ মি. | ৬-০৬ মি. |
১০ | ১১ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৫৫ মি. | ৪-৫৬মি. | ৬-০৬ মি. |
১১ | ১২ মার্চ | বুধবার | ৪-৫৪ মি. | ৪-৫৫ মি. | ৬-০৭ মি. |
১২ | ১৩ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৫৩ মি. | ৪-৫৪ মি. | ৬-০৭ মি. |
১৩ | ১৪ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৫২ মি. | ৪-৫৩ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৪ | ১৫ মার্চ | শনিবার | ৪-৫১ মি. | ৪-৫২ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৫ | ১৬ মার্চ | রোববার | ৪-৫০ মি. | ৪-৫১ মি. | ৬-০৮ মি. |
১৬ | ১৭ মার্চ | সোমবার | ৪-৪৯মি. | ৪-৫০ মি. | ৬-০৯ মি. |
১৭ | ১৮ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৪৮ মি. | ৪-৪৯মি. | ৬-০৯ মি. |
১৮ | ১৯ মার্চ | বুধবার | ৪-৪৭ মি. | ৪-৪৮ মি. | ৬-১০ মি. |
১৯ | ২০ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৪৬ মি. | ৪-৪৭ মি. | ৬-১০ মি. |
২০ | ২১ মার্চ | শুক্রবার | ৪-৪৫মি. | ৪-৪৬ মি. | ৬-১০ মি. |
২১ | ২২ মার্চ | শনিবার | ৪-৪৪ মি. | ৪-৪৫মি. | ৬-১১ মি. |
২২ | ২৩ মার্চ | রোববার | ৪-৪৩ মি. | ৪-৪৪ মি. | ৬-১১ মি. |
২৩ | ২৪মার্চ | সোমবার | ৪-৪২ মি. | ৪-৪৩ মি. | ৬-১১ মি. |
২৪ | ২৫ মার্চ | মঙ্গলবার | ৪-৪১মি. | ৪-৪২ মি. | ৬-১২মি. |
২৫ | ২৬ মার্চ | বুধবার | ৪-৪০ মি. | ৪-৪১মি. | ৬-১২মি. |
২৬ | ২৭ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪-৩৯ মি. | ৪-৪০ মি. | ৬-১৩মি. |
২৭ | ২৮মার্চ | শুক্রবার | ৪-৩৮ মি. | ৪-৩৯ মি. | ৬-১৩মি. |
২৮ | ২৯মার্চ | শনিবার | ৪-৩৬ মি. | ৪-৩৮ মি. | ৬-১৪মি. |
২৯ | ৩০ মার্চ | রোববার | ৪-৩৫ মি. | ৪-৩৬ মি. | ৬-১৪মি. |
৩০ | ৩১ মার্চ | সোমবার | ৪-৩৪ মি. | ৪-৩৫ মি. | ৬-১৫মি. |
রমজানের সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ পালন শেষে এখন
পর্যন্ত ৫১ হাজার ৯৮১ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
শুক্রবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের
হজ পোর্টালের সর্বশেষ বুলেটিনে এই তথ্য এর পাশাপাশি আরো জানানো হয়, চলতি বছর ৬০ জন
বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ইসমাইল হোসেন (৬৪) নামে একজন হাজি
মারা গেছেন।
সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, মৃত্যুবরণকারী এসব হাজির মরদেহ সৌদি আরবেই দাফন করা হবে। প্রখর
তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে চলতি বছর রেকর্ডসংখ্যক হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,
মারা যাওয়া ৬০ জনের মধ্যে ৪৭ জন পুরুষ এবং ১৩ জন নারী। এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা
শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৪৩ জন হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পর মারা গেছেন। সবার নাম-পরিচয়
প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল। এসব হজযাত্রীর মধ্যে ৪৭ জন মক্কায় মারা গেছেন।
মসজিদুল হারামে তাদের জানাজা
অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া হজ পালনের বিভিন্ন পর্যায়ে মদিনায় চারজন, মিনায় সাতজন ও জেদ্দায়
দুজন মারা গেছেন।
অন্যদিকে, মোট ১২৭টি ফ্লাইটে
৫০ হাজারের বেশি হাজি দেশে ফেরার তথ্য জানানো হয় বুলেটিনে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ
এয়ারলাইনস ৫৩টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৮টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইটে হজ পালন
শেষে তারা দেশে ফেরেন।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) সৌদি আরবে হজ পালন
করতে যান।
মন্তব্য করুন


দেশে ফিরছেন হেঁটে হজে যাওয়া
কুমিল্লার ছেলে আলিফ মাহমুদ আদিব।
রোববার (৭ জুলাই) দেশে ফেরার
কথা জানান আলিফ মাহমুদ।
সোমবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে
১২টায় রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা তার।
২০২৩ সালের ৮ জুলাই কুমিল্লার
নাঙ্গলকোট উপজেলার নিজ গ্রাম বাতাবাড়িয়া থেকে আলিফ রওনা দেন পবিত্র নগরী মক্কার উদ্দেশ্যে।
নানা বাধা পেরিয়ে দীর্ঘ ৯ মাস হেঁটে ৭ হাজার ৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তিনি পবিত্র
হজ পালন করেন। তিনি জানান, ২০২৩ সালের ৮ জুলাই কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার নিজ গ্রাম
বাতাবাড়িয়া থেকে হেঁটে রওনা দেন পবিত্র নগরী মক্কার উদ্দেশে। দীর্ঘ ৯ মাসের পথচলায়
ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইরাক, দুবাই হয়ে পৌঁছান সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে।
হেঁটে সৌদি আরব গিয়ে হজ পালনের
সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে আলিফ জানান, হাজার বছর আগের ধর্ম প্রচার, ব্যবসা-বাণিজ্যের এই একমাত্র
পথ আকৃষ্ট করে তার ভ্রমণ পিপাসু মনকে। শুরুতে সাইকেলে চড়ে মক্কায় যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও,
পরে হেঁটে যাওয়ার সংকল্প করেন।
এদিকে হেঁটে হজে যাওয়ায় আলিফ
মাহমুদের ভূয়সী প্রশংসা করছেন সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যে যেভাবে
পেরেছেন তাকে সহযোগিতা করেছেন। তার থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাসহ নানাভাবে এগিয়ে এসেছেন প্রবাসী
বাংলাদেশিরা।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা নিয়ে
মাহমুদ বলেন, ইচ্ছে আছে আরো বহু দেশ ভ্রমণ করবো, নিজের মত করে একটি মাদরাসা ও মসজিদ
প্রতিষ্ঠা করবো, অসহায় গরীবদের পাশে দাঁড়াবো। পথশিশুদের জন্য কিছু করবো।
মন্তব্য করুন


আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হবে।
রোববার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান ও আবু সায়েম এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিকেলে বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান ও আবু সায়েম জানান, প্রতি বছরের মতো ২০২৫ সালের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে। আগামী ৩১ জানুয়ারি আম বয়ানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। পরে ২ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম পর্ব। এবারও বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আয়োজন করবেন তাবলিগ জামাতের মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের অনুসারী (শুরায়ী নেজাম)।
৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। দ্বিতীয় পর্ব পরিচালনা করবেন তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ অনুসারীরা। ৯ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা। ১ম পর্বের আয়োজনকারীরা তাদের আয়োজন শেষে ইজতেমার মাঠ ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত বিশ্ব ইজতেমার মাঠ প্রস্তুতি সংক্রান্ত কমিটিকে ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টার মধ্যে বুঝিয়ে দেবেন। পরে ২য় পর্বের আয়োজনকারীরা ওইদিন বিকেলে ওই কমিটির কাছ থেকে ইজতেমার মাঠ বুঝে নেবেন। ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শেষে ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আয়োজকগণ কমিটির কাছে মাঠ হস্তান্তর করবেন।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান ও আবু সায়েম আরও জানান, এবার বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে মাওলানা সাদ উপস্থিত থাকবেন বলে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করেছেন।
মন্তব্য করুন