

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)“ বাহারুল আলম” বলেছেন, ফ্যাসিবাদ সরকার গত বছর ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে গেছে। যদি পলাতক ফ্যাসিবাদগোষ্ঠী আবার দেশে বিশৃঙ্খলা বা অপরাধের চেষ্টা করে, তবে জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে।
আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন ফেসবুক পেজে দেখা যাচ্ছে, আগামী ১৩ নভেম্বর ফ্যাসিবাদীদের পক্ষ থেকে আন্দোলন বা ব্লকেডের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইজিপি জানান, “পলাতক ফ্যাসিবাদগোষ্ঠী যে ফেসবুক পেজ থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছে, সেই সব পেজের বিষয়ে গোয়েন্দা বিভাগ কাজ করছে।”
আইজিপি আরও বলেন, “দেশে আইন মান্যতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ৯০ শতাংশ মানুষকে নিয়ম মেনে চলতে হবে, বাকি ১০ শতাংশ আইন না মানলেও তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। স্বাধীনতা মানে সামাজিক মাধ্যমে কাউকে গালাগাল করা বা রাস্তা বন্ধ রাখা নয়। এই ধরনের কৃত্য প্রতিরোধে নাগরিক সমাজেরও ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি নির্বাচনের নিরাপত্তা বিষয়েও বলেন, “২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশে সন্ত্রাসী বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে না পারে, তার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই প্রথম নির্বাচনের নিরাপত্তা বিষয়ে পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আনুমানিক দেড় লাখ পুলিশ নির্বাচনের সময় দায়িত্বে থাকবে এবং নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করবে।”
আইজিপি আরও যোগ করেন, “জনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচন বানচালের চেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে আমাদের সব কর্মকাণ্ড আইনসঙ্গতভাবে পরিচালিত হবে। দেশের ভবিষ্যৎ ও জনগণের সুষ্ঠু ভোটের নিশ্চয়তা দিতে আমরা এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে নতুন
ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রোববার
(২ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত
এক আলোচনা সভায় মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের
বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অতীতের ভঙ্গুর নির্বাচনী পরিস্থিতির কারণে জনগণের মধ্যে
ভোটবিমুখতা তৈরি হয়েছিল, তবে এখন তারা আবারও ভোটের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
সানাউল্লাহ
আরও বলেন, এবারের ভোটার তালিকা হতে হবে স্বচ্ছ, যাতে কেউ ভুয়া বা অস্বচ্ছ তালিকার অভিযোগ
তুলতে না পারে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং নারী ভোটাররা
যাতে বাদ না পড়ে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন রাতের ভোট দেখতে চায়
না এবং কোনো পক্ষের কর্তৃত্বও মেনে নেবে না।
নির্বাচন
কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার স্বীকার করেন, অতীতের নির্বাচনগুলো ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং
এর দায় এড়াতে পারে না নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, ভুলের দায় শুধু প্রধান নির্বাচন কমিশনারের
নয়, একজন সাধারণ কর্মচারী পর্যন্ত এ দায় বহন করে।
তিনি
আরও বলেন, কমিশন কঠিন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
অন্যদিকে,
ইসি সদস্য আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কেবল মুখের কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে নির্বাচন
কমিশন নিজেদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করবে।
ইসি
সদস্য তাহমিদা আহমদ বলেন, ভোট যেন আর আবদ্ধ কক্ষে না হয়, সেজন্য খোলা মাঠে ভোট আয়োজনের
কথা ভাবতে হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে
২০২৬ সালে রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহে দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
আজ
শুক্রবার (১৩ জুন) যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ
সময় বেলা ২টা) বৈঠকটি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টা) বৈঠক
শেষ হয়। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ
সময় বিকেল ৪ টার দিকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে যৌথ বিবৃতি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস
সচিব শফিকুল আলম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিএনপি
নেতা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন
অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন তারেক রহমান।
যৌথ
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অধ্যাপক ড. ইউনূস ও তারেক
রহমানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার কাছে আগামী বছরের
রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তাব করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তিনি আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচন
অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার
আগের সপ্তাহেও নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেই সময়ের মধ্যে সংস্কার
ও বিচারের বিষয়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি অর্জন করা প্রয়োজন হবে।
বৈঠকে
ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


ঢাকার
সাভারে ভবঘুরে পরিচয়ে একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া সিরিয়াল কিলারের
পরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর নিজেকে ‘মশিউর রহমান খান
সম্রাট’ বলে পরিচয় দিলেও তার প্রকৃত নাম সবুজ শেখ বলে নিশ্চিত
করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার
(২০ জানুয়ারি) ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান
এ তথ্য জানান।
পুলিশ
জানায়, সবুজ শেখের বাবার নাম পান্না শেখ। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। তার বড়
বোনের নাম শারমিন। তার জন্মস্থান ও পৈতৃক বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া
ইউনিয়নের মোসামান্দা গ্রামে। পরিবারের একাংশ বরিশাল এলাকায় বসবাস করে।
পুলিশের
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নাম ও পরিচয় গোপন রেখে বিভিন্ন এলাকায় ভবঘুরে নারীদের সঙ্গে
শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ফাঁদ পাতত সবুজ।
পরে
তাদের পরিত্যক্ত ও নির্জন ভবনে নিয়ে যেত। ওই নারীরা অন্য কারো সঙ্গে কিংবা অন্য কেউ
তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ালে ক্ষিপ্ত হয়ে সে তাদের হত্যা করত। এসব হত্যাকাণ্ডের
বিষয়ে আদালতে দেওয়া তার স্বীকারোক্তি যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে দেওয়া সবুজের তথ্যগুলোর সত্যতা খতিয়ে দেখা
হচ্ছে।
তিনি
আরও জানান, সর্বশেষ ঘটনার তিন থেকে চার দিন আগে তানিয়া ওরফে সোনিয়া নামে এক ভবঘুরে
তরুণীকে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে আসে সবুজ। সেখানে ওই তরুণীর
সঙ্গে আরেক ভবঘুরে যুবকের অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনা ঘটলে প্রথমে যুবককে ভবনের দোতলায় নিয়ে
হত্যা করে। পরে তরুণীকে নিচতলায় হত্যা করে দুজনের মরদেহ কাঁধে করে দোতলার টয়লেটে নিয়ে
গিয়ে একসঙ্গে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে সাভার থানার সামনে থেকে সবুজ শেখকে আটক করে পুলিশ। পরে সাভার
পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর থেকে এক কিশোরীসহ দুজনের পোড়া মরদেহ উদ্ধারের
ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সোমবার
পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে হাজির করলে জিজ্ঞাসাবাদে সে ছয়টি হত্যাকাণ্ডে
জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলামের আদালতে
১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে সবুজ শেখ ওরফে সম্রাটকে সোমবার রাতেই কারাগারে
পাঠানো হয়।
প্রাথমিক
তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, সম্রাট ওরফে সবুজ প্রথম খুন করেন ২০২৫ সালের ৪ জুলাই। ওই দিন
রাতে সাভার মডেল মসজিদের সামনে আসমা বেগম নামে এক বৃদ্ধাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে।
পরবর্তীতে ওই বছর ২৯ আগস্ট সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনের ভেতরে এক
যুবককে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে দেন। এর প্রায় এক মাস পর ১১ অক্টোবর আরও এক নারীর
মরদেহ উদ্ধার হয় কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে। তাকেও সবুজ হত্যা করে বলে স্বীকার
করে।
সাভার
থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘সম্রাট পাগল নন। অতিরিক্ত নেশা করার
কারণে কিছুটা মানসিক বিকারগ্রস্ত। মানুষ খুন করা তার নেশায় পরিণত হয়েছিল। তার ভাষায়,
হত্যাকে তিনি “থার্টি ফোর” বা “সানডে মানডে ক্লোজ”
বলে উল্লেখ করতেন।’
হেলাল
উদ্দিন আরও বলেন, ‘সাভারে আসার পর ভবঘুরে ওই সিরিয়াল কিলার বেশির ভাগ রাত কাটিয়েছেন
সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার মডেল মসজিদে।
২০২৫
সালের ৪ জুলাই আসমা বেগম নামের এক বৃদ্ধকে হত্যার পর পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত
ভবনে চলে আসেন এবং ওই সেন্টারের নিচতলায় আস্তানা গাড়ে। এর পর থেকেই কমিউনিটি সেন্টারের
ভেতর থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার হতে থাকে। গত পাঁচ মাসে ওই ভবন থেকে পাঁচটি লাশ উদ্ধার
করা হয়। এ কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে ওই সেন্টারে নিয়মিতভাবে নজরদারি চালানো হতো। সম্রাটও
সন্দেহের বাইরে ছিলেন না। কিন্তু কোনো ক্লু বা প্রমাণের অভাবে তাকে আইনের আওতায় আনা
যাচ্ছিল না।’
হেলাল
উদ্দিন জানান, নজরদারির অংশ হিসেবে গত শুক্রবার রাতে কমিউনিটি সেন্টার পরিদর্শনে গিয়ে
এক কিশোরীকে সম্রাটের (ছদ্মনাম) বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। এ সময় সম্রাট পাশেই
দাঁড়িয়ে ছিলেন। জানতে চাইলে ওই কিশোরী সম্রাটকে তার ভাই বলে সম্বোধন করেন এবং তিন
দিন আগে কমিউনিটি সেন্টারে এসেছেন বলে জানিয়েছিলেন।
পরের
রাতেই (শনিবার রাত) ওই কিশোরীরসহ দুজনকে হত্যার পর তাদের মরদেহ পুড়িয়ে দেন সম্রাট।
পরদিন রোববার দুপুরের পর তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে
খুনের সঙ্গে সম্রাটের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে রোববার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
গতকাল
সোমবার আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি ছয় খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার
কথা স্বীকার করেছেন।
হেলাল
উদ্দিন বলেন, ভবঘুরে ওই সিরিয়াল কিলার দিনের বেলায় থানার আশপাশে ঘোরাফেরা করলেও গভীর
রাতে তার দেখা মিলত ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক বা পদচারী-সেতুতে। যেসব ভবঘুরে বা পাগল নারী-পুরুষ
রাতে পদচারী-সেতুতে ঘুমাতেন, তাদের কাউকে কাউকে ফুসলিয়ে তিনি পৌর কমিউনিটি সেন্টারে
নিয়ে আসতেন। যারা তার কথায় কমিউনিটি সেন্টারে আসতেন, তারাই খুনের শিকার হতেন।
জানতে
চাইলে সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী বলেন, খুনি ধরা পড়েছেন এবং
খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছেন। এখন ভিকটিম, অর্থাৎ যারা খুন হয়েছেন,
তাদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
আরমান
আলী আরও বলেন, ‘শুধু এই ছয় খুনই নয়, সম্রাট আরও কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
তদন্ত চলছে। আশা করি, সব তথ্য বের হয়ে আসবে।’
গত
বছর ১৯ ডিসেম্বর ওই কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরেই আরও এক যুবককে হত্যা করেন সবুজ।
এর
আগে সাভারে ছয় খুনের ঘটনায় আটক হওয়ার পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এই সিরিয়াল কিলার
খুনের দায় স্বীকার করে জানিয়েছেন ‘কোনো পাগল বা ভবঘুরেকে অনৈতিক যৌনাচারে লিপ্ত হতে
দেখলেই তাদের “থার্টি ফোর” বা “সানডে মানডে ক্লোজ”
করে দিতাম।’
মন্তব্য করুন


নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ—এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি সরকারের এবং এর পেছনে রয়েছে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আশঙ্কা। তিনি জানান, এই বিষয়গুলো সাধারণভাবে ক্রিকেটারদের বিবেচনার বিষয় নয়। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা বৈঠকে খেলোয়াড়দের বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে।
আসিফ নজরুল স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দেশের নাগরিক অন্য দেশে গেলে সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে কি না—তা মূল্যায়নের দায়িত্ব সরকারের। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার অন্য কারও নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকার মনে করছে, ভারতে বাংলাদেশ দলের জন্য ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্বকাপে অংশ না নিলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ক্ষতি হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, উল্টোভাবে ভাবারও প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উপেক্ষা করে যদি খেলোয়াড়, দর্শক ও সাংবাদিকদের সম্ভাব্য ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়, তাহলে সেটার ফলাফলও মারাত্মক হতে পারে। শুধুমাত্র খেলার জন্য দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করা যুক্তিযুক্ত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সরকার আশা করছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়সংগতভাবে বিবেচনা করবে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি মাথায় রেখে শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের অধিকার বলেও উল্লেখ করেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, ওই বৈঠকের বিষয়বস্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ের। ক্রিকেটাররা চাইলে নিজেরাই গণমাধ্যমে কথা বলতে পারেন। সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল—কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটি খেলোয়াড়দের পরিষ্কারভাবে বোঝানো। তার মতে, ক্রিকেটাররা বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন (ইসি) সরকারি ও বেসরকারি সব টেলিভিশন চ্যানেল এবং অন্যান্য গণমাধ্যমকে নির্দেশ দিয়েছে, নির্বাচনী সংলাপ বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে কোনো দল বা প্রার্থীকে হেয়প্রতিপন্ন করে বক্তব্য বা কটূক্তি প্রচার না করার জন্য। একই সঙ্গে, নির্বাচনী প্রচারে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ অধিশাখার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, “সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসমূহ তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করে নির্বাচনী পরিবেশে ভূমিকা রাখতে পারে।”
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার, টক শো বা নির্বাচনী সংলাপে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ২৫ অনুযায়ী, গণমাধ্যমে নির্বাচনী সংলাপে অংশ নেওয়া প্রার্থী বা দলের প্রতিনিধি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে আক্রমণ করতে পারবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “সরকারি-বেসরকারি সব টেলিভিশন চ্যানেলে নির্বাচনী সংলাপ বা অন্য কোনো অনুষ্ঠান প্রচারের ক্ষেত্রে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ প্রদান এবং কোনো দল বা প্রার্থীকে হেয়প্রতিপন্ন করে বক্তব্য বা কটূক্তি প্রচার না করার জন্য সতর্কতা অবলম্বনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।”
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের
কটিয়াদীতে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি)
দুপুরে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মন্ডলভোগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
মো. বজলুর রহমান (৬০) ওই গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে জুবায়ের (২৫)
পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ
জানায়, দুপুরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবার সঙ্গে অটোরিকশা চালক ছেলে জুবায়েরের কথা
কাটাকাটি হয়। এ সময় বাবাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় উত্তেজিত জুবায়ের।
আশঙ্কাজনক
অবস্থায় তাকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
মৃত ঘোষণা করেন।
চান্দপুর
ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহিদুল হক উজ্জ্বল জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে
কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবা ও ছেলের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে ছেলে তার বাবাকে
ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাবাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর
পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অভিযুক্ত জুবায়েরকে
ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
কটিয়াদী
মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান করছে। অভিযুক্তকে ধরতে
অভিযান চালাচ্ছে হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে যাকাত শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) বিকাল ৪ টায় নগরীর গোল্ডেন স্পুন অডিটরিয়ামে মহানগর জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ড.আবরার আহমেদ।বিশেষ আলোচক হিসাবে আলোচনা করেন ড.মাসুদুল হক চৌধুরী,আড়াইবাড়ী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতী আমিনুল ইসলাম।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমান এর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন,মহানগর জামায়াতে নায়েবে আমীর যথাক্রমে মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন,অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন,মহানগর জামায়াতে কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী,অধ্যাপক মজিবুর রহমান,কাজী নজীর আহম্মেদ,অধ্যাপক জাকির হোসেন,কাজী মোতাহের আলী দিলাল প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। আল্লাহতাআলার আইন দিয়ে দেশ না চললে কেউ সুখ শান্তি পাবে না। এখানে চুরি, হত্যা রাহাজানিসহ যতধরনের অপকর্ম চলতে থাকবে। ইসলাম মানেই সুবিচার, ইসলাম মানলেই সুবিচার হবে। ইসলাম যতদিন না থাকবে কোথাও সুবিচার কায়েম হবে না। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমেই সমাজের সকল স্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সমাজ, রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগ চালাবে না তারা কাফের, ফাসেক ও জালেম।
সেমিনার সম্মিলিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার করার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


মাথায়
টুপি, গলায় মেডেল পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানের একটি রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টারের দায়িত্ব
গ্রহণ করেছে ইয়োনতামা। প্রতিটি রেলস্টেশনেই একজন স্টেশনমাস্টার থাকেন, যিনি ওই স্টেশনের
তত্ত্বাবধান করেন। ইয়োনতামার স্টেশনমাস্টার হওয়ার খবর তবে কেন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে,
এটাই ভাবছেন তো! এর কারণ আছে এবং কারণটি হলো, ইয়োনতামা কোনো মানুষ নয়, একটি বিড়াল।
গত
বুধবার বিড়ালটিকে জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের কিশি স্টেশনের স্টেশনমাস্টার করা হয়। ইয়োনতামার
নিয়োগ অনুষ্ঠানে বহু ভক্ত, আলোকচিত্রী ও স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ওয়াকায়ামা
ইলেকট্রিক রেলওয়ের প্রেসিডেন্ট মিতসুনোবু কোজিমা অনুষ্ঠানে ইয়োনতামার গলায় মেডেল পরিয়ে
দেন।
ইয়োনতামার
এই দায়িত্ব মজার এবং আনুষ্ঠানিক হলেও জাপানে গ্রামীণ একটি রেলস্টেশনকে বাঁচিয়ে রাখতে
গুরুত্বপূর্ণও বটে।
ইয়োনতামা
কিশিগাওয়া লাইনের তৃতীয় বিড়াল স্টেশনমাস্টার। এটির আগে ছিল নিতামা। নিতামা প্রায় ১০
বছর দায়িত্ব পালন করেছে। গত বছরের নভেম্বরে নিতামা মারা গেলে ইয়োনতামাকে স্টেশনমাস্টার
হিসেবে মনোনীত করা হয়।
বুধবারের
ওই অনুষ্ঠানে রোকুতামা নামে একটি বিড়ালকেও সবার সামনে আনা হয়। সেটিকে শিক্ষানবিশ না
বলে স্টেশনমাস্টার পদপ্রার্থী বলে উল্লেখ করা হয়। এ কথায় উপস্থিত লোকজন হাততালি দিয়ে
ওঠেন।
মন্তব্য করুন


১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতার একযোগে ভাষণটি সম্প্রচার করবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


এতদিন
ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত নিয়ে বিতর্ক শুনেছি কিন্তু এবার সেটি পেরিয়ে বিনোদন অঙ্গনেও
শুরু হলো নতুন বিতর্কের ঝড়। বলিউড আইকন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে বিয়ের ইচ্ছা প্রকাশ
করলেন পাকিস্তানের বিতর্কিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি আবদুল কাভি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে
অংশ নিয়ে তিনি দাবি করেন, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে স্বামী অভিষেক বচ্চনের বিবাহবিচ্ছেদ হলেই
নাকি এই প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী নিজেই তাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন। মাত্র কয়েকটি
বাক্যেই আরও একবার বিতর্কের কেন্দ্রে মুফতি কাভি।
ভারতীয়
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, প্রকাশিত সেই পডকাস্টে মুফতি কাভি বলেন, ‘অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার
দাম্পত্য জীবনে নানা সমস্যা চলছে বলে তিনি অবগত। তার দাবি, ‘তাদের বিচ্ছেদ হয়ে গেলেই
ঐশ্বরিয়া আমার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবে। তবে আমি কখনোই চাই না যে তাদের বিচ্ছেদ
হোক। কিন্তু যদি সত্যিই তাদের মধ্যে এরকম কিছু হয়, তাহলে নিশ্চয়ই ঐশ্বরিয়া আমার
সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’
সে
সময় পডকাস্টের সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, একজন অমুসলিমকে কীভাবে তিনি বিয়ে করবেন? এর উত্তরে
কাভি জানান, ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে তার নাম রাখা হবে ‘আয়েশা’।
তিনি বলেন, ‘ঐশ্বরিয়া রাইয়ের মতো একজন সুন্দরী নিজের নাম হিসেবে লিখবেন আয়েশা রাই।
পাকিস্তানের
ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি আবদুল কাভি এর আগেও বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায়
এসেছেন। ঐশ্বরিয়া রাইকে নিয়ে এমন মন্তব্য করার আগে তিনি ভারতীয় অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তকে
নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন। কাভি দাবি করেন, তার উপদেশ মেনেই রাখি ধর্ম পরিবর্তন করে
নাম রেখেছেন ‘ফাতিমা’। এর আগে রাখিকেও বিয়ে করার ইচ্ছা
প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন