

মো: মাসুদ মিয়া,কচুয়া :
ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থী হ্রাস ও স্কুলমুখী করতে কাজ করছেন পোভার্টি ইরাডিকেশন প্রোগ্রাম (পিইপি)। সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পড়াশুনা ও শিক্ষাসামগ্রীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনায় সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে কাজ করছে পিইপি’র আওতাধীন কচুয়া সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প (কেআইডিপি)। পিইপি প্রকল্পের অধীনে সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার হ্রাস করার লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।
জানা যায়, ১৯৮৩ সালে কেআইডিপি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১০টি প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করে। তন্মধ্যে শিক্ষা,গবাদিপশু,ঘর মেরামত, স্যানিটেশন,কৃষি কাজে সহায়তা,কাঠ ও ফলজ চারা বিতরণ,রাস্তা বনায়ন,ল্যাসিম কর্মসূচি,পোল্ট্রি ও ক্ষুদ্রঋন পরিচালিত হয়। যার মধ্যে শিক্ষা কর্মসূচি এ উপজেলায় ৭টি ও মতলব উপজেলা ১টি সহ মোট ৮টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (সিডিসি) স্কুল রয়েছে। প্রতিটি স্কুলে ৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ৮জন শিক্ষক নিয়মিত ভাবে পাঠদান করাচ্ছেন। ওই প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই থেকে শুরু করে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে টিফিন করা হয় ও যার গড় প্রতি শিক্ষার্থীদের ব্যয় ১৫ টাকা এবং সপ্তাহে ৫দিন টিফিনের ব্যবস্থা রয়েছে। শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে নৃত্য,গান,কবিতা আবৃতি সহ নানামূখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে কচুয়া উপজেলা ৭টি স্কুলে ২১০জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেনি থেকে দ্বিতীয় শ্রেনি পর্যন্ত পড়াশুনা করা হয় এবং প্রতিদিন তাদের টিফিন করা হয় । এছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে এ বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এমন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দক্ষ শিক্ষদের মাধ্যমে এ স্কুলে আমাদের সন্তানদের পাঠদান করানো হচ্ছে। তাছাড়া এখনো নানা ধরনের সুবিধা রয়েছে। বিনামূল্যে তাদের পড়াশুনা খরচ ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করেন। এছাড়া বিদ্যালয় আঙ্গিনায় অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আমাদের সন্তানদের সিডিসি স্কুলে পড়াশুনা ও ভর্তি করা হয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাথী আক্তার,রাবেয়া আক্তার ও কোহিনুর সহ অন্যান্য শিক্ষকরা জানান, আমরা সবসময় চেষ্টা করি এসব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে। তাছাড়া এসব শিক্ষার্থীরা দুপুরের টিফিন পেয়ে খুশি। নিয়মিত ভাবে তাদের পাঠদান করানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনায় আমরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শেনিকক্ষে আরো কিভাবে ভালো কিছু করা যায় সেই লক্ষে কাজ করব।
কেআইডিপি’র চাঁদপুর জেলা মাঠ সমন্বয়কারী মো. আলাউদ্দিন বলেন, কেআইডিপির অনেক ধরনের কর্মসূচি রয়েছে তার মধ্যে শিক্ষা কর্মসূচি অন্যতম। সুবিধা বঞ্চিত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া থেকে রক্ষা ও তাদের স্কুলমূখী করার জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাছাড়া প্রতি শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ করে তারা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছেন। দারিদ্র্য দূরীকরনের পাশাপাশি শিক্ষার হার অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে এ সংস্থা।
মন্তব্য করুন


সাইদুর রহমান, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর সহকারী পরিচালক
ডাঃ নিশাত সুলতানা কে উপ-পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়াধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশ এবং মহামান্য
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফিডার পদে অভিজ্ঞতার শর্ত প্রমার্জনের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ক্যাডারের নিম্নোক্ত ৪৪ জন কর্মকর্তাকে উপ-পরিচালক/সমমান পদে পদোন্নতি প্রদান সম্পর্কে
এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উক্ত পদোন্নতি পেয়ে ডাঃ নিশাত সুলতানা কুমিল্লা
টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনকে জানান - পদোন্নতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের
মুহূর্ত। এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয় বরং আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের
স্বীকৃতি। এই অর্জন আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে
এবং প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে
নিয়ে তার পরবর্তী পরিকল্পনা - আমার মূল লক্ষ্য হলো হাসপাতালের
সেবার মান আরও উন্নত করা এবং রোগীসেবাকে আরও মানবিক ও দক্ষ করা। এজন্য আমি কয়েকটি দিককে
অগ্রাধিকার দিতে চাই —
চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন: আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় আরও নির্ভুলতা আনা।
মানবিক সেবা: চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের মধ্যে সহানুভূতি
ও নৈতিকতা জাগ্রত করে রোগীদের প্রতি যত্নশীল মনোভাব বৃদ্ধি করা।
গবেষণা ও শিক্ষা: চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের
বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বাড়ানো।
পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা: হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
রাখা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেবা সহজলভ্য করা।
কমিউনিটি সংযোগ: সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য
সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা।
আমার বিশ্বাস, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে
আমাদের হাসপাতাল একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


১৭৫ জন বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে আসেন
বর। কিন্তু খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ে না করেই বিয়ের আসর থেকে চলে গেলেন বর।
গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের কালুয়ারকান্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটলেও আগামী
রোববার সবার উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত হয়।
বিয়েতে বর ছিলেন উপজেলার আয়ূবপুর ইউনিয়নের
ঘাসিরদিয়া গ্রামের আলতাব হোসেন সরকারের ছেলে সাব্বির হোসেন সরকার (৩০)।
কনের মা সেলিনা বেগম জানান, আলোচনা
করেই গত এক সপ্তাহ আগে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হয়েছে। সময়মতো বর তার আত্মীয়স্বজনসহ ১৭৫
জন বরযাত্রী নিয়ে আসেন। খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের কাবিননামায় স্বাক্ষর করবে এমন সময় বরের
বড় বোন সাবিনা ও ছোট বোন নিপা বলেন, কনের আগে বিয়ে হয়েছে দুই বাচ্চা রয়েছে— এই বিয়ে হবে না। সেসময় কনের গায়ের
জামাকাপড় জোর করে খুলে নিয়ে বিয়ের আসর থেকে বরের লোকজন বরকে নিয়ে চলে যান। কনের আগে
বিয়ে হয়েছে এটা জানতো তারা; কিন্তু দুই বাচ্চা আছে এটা মিথ্যা কথা বলেছে। ঘটনার পরে
বরের বাড়ির এলাকার চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সরকারকে জানালে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।
এ বিয়ে উপলক্ষে আড়াই লাখ টাকা খাওয়া-দাওয়া ও ডেকোরেশন বাবদ খরচ হয়।
বরের বড় বোন সাবিনা বলেন, কনের আগে
বিয়ে হয়েছে আর বাচ্চা আছে এটা আমরা আগে জানতাম না।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সরকার
বলেন, আমি বর পক্ষের লোকজনকে বলেছিলাম বসে মীমাংসা করতে। তারা আসেনি।
শিবপুরের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র
সমন্বয়ক আসিফ, রাকিব, সুমনা ও সাহেদের কাছে কনের মা অভিযোগ করলে তারা বরের বাড়িতে
গেলে বর ও বরের বাবাকে না পেয়ে বরের মামাকে থানায় নিয়ে আসেন। থানার ওসি উপস্থিত না
থাকায় আগামী রোববার সবার উপস্থিতিতে বসে মীমাংসা করা হবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, শিবপুরের ছাত্র সমন্বয়করা বরের বাড়িতে গেলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার এর নেতৃত্বে ৭ ফেব্রুয়ারি বুড়িচং থানাধীন নিমসার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে হোমনাগামী একতা বাস তল্লাশি করে ১৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামি মো: হোসেন মিয়া (২৯) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার শুভপুর গ্রামের নাছির মিয়ার ছেলে। অপর আসামী শারমিন আক্তার(২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার আড়াইওড়া গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী।
আটককৃত আসামীরা প্রথমে ভুল তথ্য দিয়ে ডিএনসি টীমকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করে। এরপর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কথিত স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে মাদক পাচার করছিলো। একপর্যায়ে প্রকৃত স্বামীকে মুখোমুখি করলে ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে আসে। আটকৃত আসামি শারমিন তার স্বামীর অগোচরে মোবাইলের মাধ্যমে আসামি হোসেন মিয়ার সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে তোলে। কথিত স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তার কৌশল হিসেবে লোকাল বাসে কুমিল্লা হতে গাঁজা নিয়ে প্রথমে দাউদকান্দি যাচ্ছিল। তারপর অন্যবাসে করে ঢাকা নিয়ে যেতো।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


এম এ হান্নান, ভোলা:
ভোলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে টুলু নামে এক যুবক নিহত হয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নাম্বার ওয়ার্ড ভাঙ্গা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত টুলু ওই ইউনিয়নের মো. রহমান চৌকিদারের ছেলে।
অভিযুক্ত ফারুক একই ইউনিয়নের বাসিন্দা। টুলু এবং অভিযুক্ত ফারুক রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেদুয়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করেন।
পুলিশ রক্তমাখা ছুরি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে।
ভোলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিপন সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, আমরা ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ফারুককে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি। তবে এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
এ ঘটনায় শুধু ফারুকই জড়িত নাকি অন্য কেউ আছে। ময়না তদন্ত করে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্তবর্তী রসুলপুর রেলস্টেশন থেকে বিজিবি অভিযান চালিয়ে ৮৭ লাখ ১৫ হাজার টাকার আতশবাজি ও কিসমিস জব্দ করেছে।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার ব্যাটালিয়ন -১০ বিজিবি অধিনায়ক ।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানাধীন রসুলপুর রেল স্টেশনে চোরাচালান বিরোধী ট্রাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয় অভিযান কালে পাস কোর্স সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪ লাখ ২ হাজার ৫৭৫ পিস ভারতীয় অবৈধ বাজি এবং ৫৯ কেজি কিসমিশ আটক করেন।এসব পণ্যের বাজার মূল্য ৮৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লে.কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান কুমিল্লা ব্যাটেলিয়ান বিজিবি নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ কুমিল্লা জেলার রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশনে একটি চোরা চালান বিরোধী বিশেষ ট্রাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে সহকারী কমিশনার রতন কুমার দত্ত এর উপস্থিতিতে বিজিবি এবং পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স দল কর্তৃক মালিক বিহীন অবস্থায় ৪ লাখ ২ হাজার ৫৭৫ পিস বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় অবৈধ বাজি এবং ৫৯ কেজি কিসমিস আটক করা হয়। যার সর্বমোট মূল্য ৮৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা।
জব্দকৃত সকল অবৈধ দ্রব্য সামগ্রী বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে।
মন্তব্য করুন


সরকার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে
৫ শতাংশ কোটার সেই আদেশ বাতিল করেছে ।
সোমবার আগের আদেশ বাতিল করে
নতুন আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপসচিব (মাধ্যমিক-১) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার।
নতুন আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অনেক
ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জারি করা আদেশ বাতিল করে নতুন আদেশ
জারি করা হলো।
এটাতে
বলা হয়, গত বছরে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে অনেক ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের
সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি জারীকৃত আদেশ বাতিল
করে নতুন আদেশ জারি করা হলো।
তবে,
কোটার স্থলে আহত ও নিহতদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ভর্তিতে লটারির জন্য নির্ধারিত আসন
সংখ্যার অতিরিক্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন করে ভর্তির জন্য আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আদেশে
আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র/গ্যাজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং
ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে ইস্যুকৃত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই
করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে উক্ত
আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না বলেও আদেশে বলা হয়।
এর আগে,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জারি করা এক আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের
পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ ৩২ বছরের চাকরিজীবনের ইতি টানেন চান্দিনা থানায় কর্মরত সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (নি.) মো. অহিদ উল্যাহ। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় সহকর্মীরা তাকে দিয়েছেন রাজকীয় বিদায়। মো. অহিদ উল্যাহকে থানা থেকে ফুল সজ্জিত গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেন সহকর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চান্দিনা থানায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা।
মো. অহিদ উল্যাহ কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের কুরছাপ গ্রামের আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে। তিনি ১৯৯৩ সালে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। ২০০৪ সালে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী উপপরিদর্শক পদ লাভ করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর জেলাসহ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
চাকরিজীবনের সায়াহ্নে এসে নিজের পার্শ্ববর্তী থানা চান্দিনা থানায় কর্মরত ছিলেন।
সহকর্মীদের এমন ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে অহিদ উল্যাহ জানান, বাংলাদেশ পুলিশে দায়িত্ব পালন করতে পেরে আমি গর্বিত। এই ইউনিফরম আমার পরিচয়, আর মানুষের সেবা ছিল আমার অঙ্গীকার। সহকর্মীদের ভালোবাসা ও সম্মান আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।
বিদায় অনুষ্ঠানে ওসি জাবেদুল ইসলাম জানায়, মো. অহিদ উল্যাহ একজন সৎ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তার পেশাদারি এবং সদাচরণ আমাদের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে একটি গাভির ছয় পায়ের বাছুরের জন্ম হয়েছে।এ চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গাভির মালিকের বাড়িতে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের কৃষক মাহামুদুল হকের গাভিটি এ বাছুরটির জন্ম দেয়।
বর্তমানে বাছুরটি সুস্থ আছে। ছয় পা বিশিষ্ট বাছুরটি দেখতে আসা অনেকেই বলেন,লোকমুখে জানতে পারি নওদাপাড়া গ্রামে ৬ পায়ের একটি বাছুর জন্মেছে। তাই বাছুরটি দেখতে আসলাম। বাছুরটি দেখে খুব ভাল লাগলো।
গাভিটির মালিক মাহামুদুল হক বলেন, অনেক যত্ন করে ছোট থেকেই গাভিটিকে লালন-পালন করেছি। শুক্রবার সকালে গাভিটি প্রথম একটি বাছুর জন্ম দেয়। বাছুরটির পিঠের উপর অতিরিক্ত দুটি পা আছে। বর্তমানে গাভি ও বাছুরটি সুস্থ আছে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে হাজী ইয়াছিনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে একটি গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকালে নগরীর ছাতীপট্টি অজিত গুহ কলেজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় হাজী ইয়াছিন উপস্থিত না থাকলেও তার পক্ষে নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচি পরিচালনা করেন। কর্মসূচিটি ছাতীপট্টি থেকে শুরু হয়ে চকবাজার–তেলিকোনা হয়ে গুধীরপুকুর পাড়ে গিয়ে শেষ হয়।
গুধীরপুকুর পাড়ে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়া এখন সময়ের দাবি। জনগণের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই ৩১ দফার লক্ষ্য।
তারা জানান, হাজী ইয়াছিন কুমিল্লার মানুষের পাশে থেকে যে উন্নয়ন–ভিশন দিয়েছেন, তা আগামী দিনে কুমিল্লার আধুনিক নগর বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
বক্তারা আরো বলেন, কঠিন সময়েও হাজী ইয়াছিন দলের প্রতি যে নিষ্ঠা ও ত্যাগ দেখিয়ে গেছেন তা কুমিল্লার বিএনপিকে প্রেরণা দেয়। সংগঠনের প্রতিটি নেতা–কর্মীর মাঝে তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রয়েছে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, সদর দক্ষিণ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু সায়েম মজুমদার, সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়া জুয়েল—সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, আগামী দিনগুলোতে এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে আরও বিস্তৃত আকারে পরিচালিত হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার দেবীদ্বারে ভ্যানচালক শফিউল্লাহকে নৃশংসভাবে চোখ উপড়িয়ে হত্যার প্রধান আসামী মোঃ রাছেল হোসেন (৩৫)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি- ২ ।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ১৭ মে শনিবার রাতে পটুয়াখালী জেলার বাউফলের নগরের হাট এলাকা থেকে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রধান আসামী মোঃ রাছেল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সে , দেবীদ্বার উপজেলার আন্দিরপাড় গ্রামের পিতা-মোঃ কিরনের পুত্র।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ০৬ মে ২০২৫ ইং তারিখ দুপুরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের কারনে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন ত্রিবিদ্যা গ্রামে মোঃ ছফিউল্লাহ (৪৩) নামে এক ভ্যান চালককে শাবল দিয়ে ভিকটিমের মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাত করে হত্যা ড্রিল মেশিন দিয়ে নির্মমভাবে ভিকটিমের চোখ উপড়ে ফেলে।
মন্তব্য করুন