

মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার গোমতী নদীতে ককশীট ও কলাগাছের সঙ্গে বেঁধে পাচারের জন্য ভাসিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বিজিবি। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী গোলাবাড়ি পোস্টের বিজিবি সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
কুমিল্লা ১০ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ শুক্রবার সকাল ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মাদক কারবারিরা প্রতিনিয়ত কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে মাদক পাচারের চেষ্টা করে। তার ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ী এলাকায় গোমতী নদীতে কলা গাছ ও ককশীটের সঙ্গে বেঁধে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় পানিতে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মদ, ভদকা, বিয়ার স্কাফসহ ১০ লাখ টাকার মূল্যমানের মাদক। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মাদকদ্রব্যগুলো কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা লালমাইয়ে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে কুকুর দিয়ে কামড়ানোর ভয় দেখিয়ে পরপর তিনবার জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে আবাদ উল্লাহ (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী।
এই ঘটনায় আজ রোববার (৯ মার্চ) সকালে ওই বৃদ্ধকে আসামি করে লালমাই থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশুর মা। গ্রেফতারকৃত আবাদ উল্লাহ উপজেলার বেলঘর উত্তর ইউনিয়নের ভুশ্চি গ্রামের মৃত রেহান উদ্দিনের ছেলে। প্রাথমিকভাবে যৌথবাহিনীর নিকট ধর্ষণের দায় শিকার করেছেন ওই বৃদ্ধ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের অভিযুক্ত আবাদ উল্লাহ ভুক্তভোগী শিশুর সম্পর্কে দাদা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে শিশু সামিয়া মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার সময় কুকুর দিয়ে কামড়ানোর ভয় দেখিয়ে হাত ও মুখ চেপে ধরে জনৈক হিরণের বাড়ীতে নিয়ে পায়জামা খুলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আবাদ উল্লাহ। একই কায়দায় পরপর আরো দুইবার ধর্ষণ করে এবং এই ঘটনা কাউকে না জানাতে শিশুকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতিও প্রদর্শন করা হয়।
এ বিষয়ে শিশুটির মা জুতি আক্তার বলেন, গত শুক্রবার (৭ মার্চ) ঘটনাটি প্রথমে আমাকে জানায় সামিয়ার দুই বান্ধবী। প্রথমে তাদেরকে ১০০ টাকার বিনিময়ে কু-প্রস্তাব দেয় ওই বৃদ্ধ। তারা রাজি না হওয়ায় আমার মেয়েকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে সে। বিষয়টি শোনার পর আমার মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে মেয়ে জানায় তাকে কুকুর দিয়ে কামড়ানোর ভয় দেখিয়ে গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে পরপর তিনবার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে পাশের বাড়ির দাদা সম্পর্কে আবাদ উল্লাহ। পরে ঘটনাটি আমি স্থানীয় সর্দার ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তাদের কাছে সে (আবাদ উল্লাহ) বিষয়টি অস্বীকার করে। পরবর্তীতে আমি আইনের আশ্রয় নিলে যৌথবাহিনী তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম বলেন, এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে আসামি আবাদ উল্লাহ কে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামি প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের দায় স্বীকার করেছে এবং ভুক্তভোগীকে মেডিকেল চেকআপের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে বিভিন্ন চামড়া জাত উৎপাদিত পন্য সামগ্রী বিক্রি করা জনপ্রিয় শপ স্যাচল মার্ট এর দ্বিতীয় শাখার (জুতা সামগ্রী) উদ্বোধন হয়েছে।
আজ শনিবার ( ১৬ আগস্ট) দুপুরে নগরীর সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্স এর তৃতীয় তালায় দোয়া ও মোনাজাত এর মাধ্যমে উক্ত শপ এর উদ্বোধন করা হয়।
দোয়া ও মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্সে কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতিসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মার্কেট মসজিদের খতিব।
এ সময় স্যাচল মার্ট এর স্বত্বাধিকারী তুহিন আলম, নুর মোহাম্মদ জানান, সাত্তার খান কমপ্লেক্স এর শপ স্যাচল মার্ট দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার বাসীর জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিত লাভ করে আসছে। আমরাও সুনামের সাথে ব্যবসার কাজ পরিচালনা করতেছি। আমাদের আগে ছিল চামড়া জাত পণ্য যেমন লেডিস ব্যাগ, স্কুল কলেজ পড়ুয়া সকলের জন্য ছোট বড় ব্যাগ, ছোট-বড় ট্রলি ব্যাগ,বেল্ট, ওয়ালেট সহ অন্যান্য সামগ্রী কিন্তু ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আজকে থেকে আমরা বিভিন্ন রকমের জুতার সামগ্রী নিয়ে স্যাচল মার্ট এর দ্বিতীয় শাখা উদ্বোধন করেছি। বিশেষত স্যাচল মার্ট এর বেশিরভাগ পণ্য সামগ্রী চায়না থেকে ইমপোর্ট করা। তাই আমরা পণ্য সামগ্রীর কোয়ালিটি মেইনটেইন করে থাকি।
স্যাচল মার্ট এর বিক্রয় কর্মী জানান, আমাদের নতুন জুতার কালেকশনে রয়েছে স্লিপার, ব্লক হীল, পেন্সিল হিল, বেলেন্স হিল, ডক্টর সেন্ডেল, ডক্টর সু, কোট সু, পার্টি সু, রাফ ইউজ ও বাচ্চাদের জন্য সকল আইটেম।
উল্লেখ্য, আজ এবং আগামীকাল সকল ৩০% ও শর্তপ্রযোজ্যে ৫০% ডিসকাউন্ট চলমান থাকবে, এছাড়া ও দ্রুত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বিক্রয় করা যাবে। অনলাইনে ক্রয় করতে স্যাচল মার্ট ফেসবুক পেজ ফলো করুন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৭ অক্টোবর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন শিমপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ শাকিব আহমেদ
(২২) নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ শাকিব আহমেদ (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার চরপাড়া গ্রামের মৃত বাবুল
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের
নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ করার জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামের ছোট্ট খালের ওপর পাশাপাশি ৩২ ও ৪৪ মিটার দীর্ঘ দুটি সেতু নির্মাণ হয়েছিল প্রায় আড়াই বছর আগে। নির্মাণে খরচ হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সংযোগ রাস্তা না থাকায় আজও সেতু দুটির ওপর দিয়ে একটি যানবাহনও চলাচল করে না। অব্যবহৃত ওই সেতু এখন স্থানীয়দের জন্য গোবরের ঘুঁটে, ধান ও খড় শুকানোর জায়গায় পরিণত হয়েছে।
এই দুটি সেতুকে ঘিরে থাকা কুড়ালিয়া দিয়ার–একডালা সড়কটি প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ। রাস্তাটি দিয়ে রতনকান্দি ও কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। কিন্তু তিন বছর আগে রাস্তাটির একটি বড় অংশ ভেঙে খালে তলিয়ে যাওয়ার পর থেকে চলাচল কার্যত বন্ধ। ভাঙা অংশের পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় এলাকা দুটি যাতায়াত সংকটে পড়েছে।
২০২৩ সালে এলজিইডি সেতু দুটি নির্মাণ করলেও ভেঙে যাওয়া রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় পুরো প্রকল্পই অকার্যকর হয়ে আছে। ফলে রোগী পরিবহন, কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া, এমনকি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুল–কলেজে যাতায়াত—সবকিছুতেই চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহরাব আলী, বেবি খাতুন, আমিনুল ইসলাম ও জহুরা খাতুন জানালেন, ২৫ বছর আগে বন্যায় রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার পর আর কখনো তা ঠিক হয়নি। কর্মকর্তারা কয়েকবার এলেও কোনো উন্নয়ন হয়নি। সেতু হয়েছে, কিন্তু রাস্তা না থাকায় এখনো গাড়িতে চড়ার সুযোগ মেলেনি। অসুস্থ মানুষকে হাসপাতালে নিতে গেলেও বিপাকে পড়তে হয়।
কৃষক হাবিবুর রহমানসহ অন্যরা বলেন, রাস্তা না থাকায় সার–বীজ আনতে কষ্ট হয়, আবার নিজেদের উৎপাদিত ফসল হাটে নিতে গেলেও পথে ঘুরপথে যেতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়ে যায়, ন্যায্য দামও পাওয়া যায় না।
এলাকার কয়েকজন কলেজছাত্র শিহাব বাবু ও সাগর আলী বলেন, খারাপ রাস্তার কারণে সময়মতো ক্লাসে পৌঁছানোই বড় চ্যালেঞ্জ। বর্ষায় পরিস্থিতি আরও করুণ হয়ে যায়—তখন যাতায়াত প্রায় অসম্ভব।
শতবর্ষী হযরত আলী জানান, কুড়ালিয়া, চিলগাছা, একডালা, কুড়িপাড়া, মহিষামুরাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই রাস্তাই ব্যবহার করতেন। এখন হাটে যেতে হলেও দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে।
কৃষক মো. ভুট্ট আলী বলেন, যানবাহন চলাচল না করায় সেতুর ওপর ধান, খড় ও ঘুঁটে শুকানো ছাড়া তাদের আর উপায় নেই।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান জানান, কুড়ালিয়া–একডালা সড়কের ৩৭৭৬ মিটার অংশের মধ্যে প্রায় ৭০০ মিটার তিন বছর আগে ভেঙে খালে পড়ে গেছে। ওই অংশে সরকারি রাস্তা না থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তিনি বলেন, এলাকাবাসী যদি যৌথভাবে প্রয়োজনীয় জায়গা দিতে রাজি হন, তাহলে রাস্তা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টামণ্ডলীর চার সদস্য।
আর এই শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ১৯৫২ সাল থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। আমরা গতকাল নতুন চারজন উপদেষ্টা শপথ গ্রহণ করেছি। আমরা আগামীকাল কাজে যোগদান করবো। আমাদের সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার।
শুধু এটা না আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আমরা এখানে আজকে এসেছিলাম আমাদের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। ৫২ থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। কিন্তু এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে। আর সেজন্যই আমাদের সামনে এখন বাংলাদেশকে পুনঃনির্মাণের বড় একটি চ্যালেঞ্জ।
সবশেষে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে দেশটাকে গতিশীল করা এবং জনগণের সঠিক সেবা নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২ ঘন্টার মধ্যে ছোট ভাইয়ের
হাতে বড় ভাই হত্যাকান্ডের মূল ঘাতক গ্রেফতার এবং আলামত(একটি লোহার তৈরী রক্তমাখা বটি)
উদ্ধার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানায় পুলিশ।
গত ২৬ জুন বিকেলে চৌদ্দগ্রাম থানার
১০নং বাতিসা ইউনিয়ন চাঁন্দকরা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ ইলিয়াছ(৫০) ও তার আপন ভাই মোঃ বাহার
(৩৩) এর মধ্যে তাদের বাড়ির উঠানে ছাগল পালনকে
কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামী বাহার তার ঘর হতে লোহার ধারালো বটি এনে
পরিকল্পিতভাবে মোঃ ইলিয়াছকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাম দিকের পাজরে স্বজোরে গুরুতর আঘাত
করে। উক্ত আঘাতের ফলে ভিকটিম রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পরে। তাৎক্ষণিকভাবে মোঃ
ইলিয়াছকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুবরণ
করেন।
উক্ত ঘটনার সংবাদ পাওয়া সাথে সাথে চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশের একটি চৌকশ টিম স্থানীয় সোর্স ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চৌদ্দগ্রাম থানার
বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ বাহারকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারক আসামী হলো-কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চাঁন্দকরা গ্রামের মৃত শফিকুর রহমান এর ছেলে মোঃ বাহার।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী মোঃ বাহার
হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রক্ত মাখা বটি তার দেখানো স্থান
হতে উদ্ধার করা হয়। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায়
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা
রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ মিয়া,কচুয়া:
ইউটিউব দেখে ড্রাগন চাষ করে সফল হয়েছে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা বিতারা গ্রামের যুবক আক্তার বেপারী। প্রথমে ৬০টি ড্রাগন চারা রোপন করে বছর খানেক পর ২ লক্ষ টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন। একদিকে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটাচ্ছেন অপরদিকে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন। প্রথমে একটু কষ্ট ও পরিশ্রম হলেও এখন সফলতার স্বপ্ন দেখছেন।
জানা যায়, বিতারা গ্রামের অধিবাসী ইসমাইল বেপারীর ছেলে আক্তার বেপারী ৩ বছর পূর্বে প্রথমে ইউটিউব দেখে যশোরের বেনাপোল থেকে সখের বশে ড্রাগন চারা ক্রয় করে বাড়ির আঙ্গিনা রোপন করেন। পরে নিজেই এবং শ্রমিকদের দিয়ে পরিচর্চা করেন। বছর খানেক যেতেই ফল ধরা শুরু হয়। এতে নিজের পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন তিনি। তার এ ড্রাগন বাগান থেকে এলাকার স্থানীয়রা চারা সংগ্রহ করছেন।
ড্রাগন চাষী যুবক আক্তার বেপারী বলেন, প্রথমে অনেকের ভুল ধারনা থাকলেও এখন আর নেই। পরিশ্রম ও পরিচর্চার কারনে প্রতি বছর ভালো ফলন আসছে। গত বছর প্রায় ২লক্ষ টাকা বিক্রি করেছি। আশা করছি চলতি মৌসুমে ভালো ফলন হবে। তাছাড়া অনেক যুবক বেকার না থেকে ইচ্ছা ও উদ্যমী হলে ড্রাগন ফল চাষ করলেও তারা লাভবান হতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের রামু উপজেলায়
পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলার রাজারকূল ইউনিয়ন
পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ইউনিয়নের পশ্চিম
রাজারকূল মৌলভী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
দুই শিশুর ব্যাপারে জানা
যায় তারা খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল ।
মৃত মো. রিহাব (৭) ও মারিয়া
(৫) পশ্চিম রাজারকূল মৌলভী পাড়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সন্তান।
স্থানীয়দের বরাতে ইউপি চেয়ারম্যান
মুফিজুর বলেন, “সন্ধ্যার ঠিক আগে বাড়ির আশেপাশে প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল
রিহাব ও মারিয়া। এক পর্যায়ে তারা বাড়ির পাশের রেললাইনের সেতুর দিকে চলে যায়। সন্ধ্যার
পরেও দুই ভাই-বোন বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের
সন্ধান পাচ্ছিল না। পরে হাসমত আলী নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি মাছ ধরে বাড়ি ফেরার পথে
রেললাইন সংলগ্ন একটি সেতুর মুখে পানিতে ভরে থাকা গর্তে জাল ফেলেন। এ সময় দুই ভাই-বোনের
মৃতদেহ জালে উঠে আসে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান
বলেন, রেললাইন ও সেতু নির্মাণের সময় বেশ কয়েকটি গর্ত তৈরি হয়। সম্প্রতি বৃষ্টিপাতের
সময় ওই গর্তগুলোতে পানি জমে যায়। আর ওই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
রামু থানার ওসি আবু তাহের দেওয়ান বলেন, গর্ত বা কূপের পানিতে পড়ে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে এবং তাদের লাশ স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


মুকুল বসু , বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের একটি গ্রামের কৃষকেরা চোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। রাতে ওই গ্রামের বিভিন্ন মাঠ থেকে সেচ মোটর চুরি হওয়ার পর অনেক কৃষক চোরের ভয়ে সেচ মোটর মাঠ থেকে খুলে এনে বাড়িতে রেখে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই মাসে ময়না ইউনিয়নের কেওয়াগ্রাম থেকেই চুরি হয়েছে ২০-২২টি বৈদ্যুতিক সেচ মোটর। এসব বৈদ্যুতিক সেচ মোটর নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ওই গ্রামের শতাধিক কৃষক। ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, যারা পুরাতন মোটর ক্রয়-বিক্রয় করে তাদের কাছে চুরির সাথে জড়িতদের তথ্য থাকতে পারে। এছাড়া বৈদ্যুতিক কাজে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন লোকও এই চুরির কাজে জড়িত থাকতে পারে। ময়না ইউনিয়নের কেওয়াগ্রামের কৃষক হামিদুল্লাহ সিকদার বলেন, গত ১৬ এপ্রিল আমার সেচ পাম্পটি চুরি হয়ে যায়। এতে আমার কয়েক বিঘার জমিতে সেচ নিয়ে সমস্যায় পড়েছি। দিনদিন সেচ মোটর চুরি বেড়েই চলেছে। আমরা এর প্রতিকার চাই। একই গ্রামের আরেক কৃষক রেজাউল করিম বলেন, ‘পানি সেচ দেওয়া নিয়ে ভয়ে আছি। মোটর সংযোগ করলেই নিয়ে যাচ্ছে চোর চক্র। কিছুদিন আগে আমাদের একটি মোটর নিয়ে যায় চোর। ওই সেচ পাম্পের আওতায় থাকা কয়েক একর জমিতে বোরো ধানের আবাদে পানি সেচ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এতে কৃষি কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হোসেন মৃধা বলেন, 'আমাদের কেওয়াগ্রামের নূর ইসলাম, মুনাফ সিকদার, ওমর মোল্যা, শাফি শিকদার, ওসমান মৃধাসহ গত দুই মাসে অন্তত ২০টি বৈদ্যুতিক সেচ মোটর চুরি হয়েছে। এতে কৃষকেরা চরম বেকায়দায় পড়েছেন। আমরা চোরের উপদ্রব থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এ ব্যাপারে ময়না ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হক মৃধা বলেন, 'বিষয়টি আমার জানা নেই। চুরির ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগও করেনি।
মন্তব্য করুন