প্রেমে ব্যর্থ হয়ে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ, একদিন পর গ্রেফতার

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ, একদিন পর গ্রেফতার
সংগৃহীত

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে অপহরণের একদিন পর এক কলেজ ছাত্রীকে (১৭) উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় অপহরণকারী সদস্যদের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


বুধবার রাতে অপহরণের ঘটনায় ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা থানায় মামলা করলে বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার সাতপাড় এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। 


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক বাবুল হোসেন। 


মামলা সূত্রে জানা যায়, কলেজে আসা যাওয়ার পথে বাইখির-বনচাকী গ্রামের দিবস সরকার (২২) প্রতিনিয়ত প্রেমের প্রস্তাব ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) ওই ছাত্রী কলেজে অটোযোগে যাওয়ার পথে সকাল ১১টার দিকে কলেজের গেটের সামনে থেকে দিবস তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ওই ছাত্রীর মুখে গামছা বেধে সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়। বুধবার রাতে অপহরণের ঘটনায় ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে চতুল ইউনিয়নের বনচাকী বাইখির গ্রামের দিবস সরকার (২২), পিজুস বিশ্বাস (২০), অসিম বিশ্বাস (৪৫) ও গুনবহা গ্রামের রমেশ পালকে (২৭) আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলায় আরো ২-৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলা নম্বর ৩৪। 


মামলার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার সাতপাড় এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ওই কলেজ ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। 


এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অপহরণ হওয়া ওই কলেজ ছাত্রীকে বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার সাতপাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। 

এ সময় মামলার ১ নম্বর আসামি দিবস সরকারকে আটক করা হয়েছে।


 বৃহস্পতিবার ওই কলেজ ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 


বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

কুমিল্লার নিউমার্কেটে অভিযান, ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা

কুমিল্লার নিউমার্কেটে অভিযান, ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা
ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান

কু‌মিল্লায় নিত‌্যপ‌ণ্যের বাজা‌রে তদার‌কি অ‌ভিযা‌ন পরিচালনা করে তিন প্রতিষ্ঠান‌কে ৪৫ হাজার টাকা জ‌রিমানা ক‌রে‌ছে জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর, কু‌মিল্লা জেলা কার্যালয়।


বুধবার বেলা সা‌ড়ে ১১টা থে‌কে ২টা পর্যন্ত কু‌মিল্লা নগরীর নিউমা‌র্কেট ও এর আ‌শেপা‌শের এলাকায় পরিচালিত এ অ‌ভিযা‌নে চাল, ডাল, আটা, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ডিম, মাংস, সব‌জি, তেলসহ বি‌ভিন্ন নিত‌্যপণ্যের ক্রয় ভাউচার ও বিক্রয়ের তথ‌্য যাচাই করা হয়।


এরই সাথে দৃশ‌্যমান স্থা‌নে মূল‌্য তা‌লিকা প্রদর্শন ও সেখা‌নে ত‌থ্যের গর‌মিল আছে কিনা সে‌টিও যাচাই করা হয়।


পাশাপাশি অনু‌মোদনহীন শিশু খাদ‌্য ও কস‌মে‌টিকস বি‌ক্রি হ‌চ্ছে কিনা সেটিও তদারকি করা হয় ।


অভিযান পরিচালনা শেষে  অ‌তি‌রিক্ত মূ‌ল্যে চি‌নি বিক্রি ও মূল‌্য তা‌লিকায় গর‌মিল থাকায় মেসার্স তু‌হিন স্টোর‌কে ৫ হাজার টাকা, অনু‌মোদনহীন রং ও শিশু খাদ‌্য বিক্রয় করায় মেসার্স মা-ম‌নি স্টোর‌কে ১০ হাজার টাকা এবং অনু‌মোদনহীন বি‌দেশী কস‌মে‌টিকস বি‌ক্রি এবং ই‌চ্ছেমা‌ফিক
মূ‌ল্যের স্টিকার লাগা‌নোর অ‌ভি‌যো‌গে মেসার্স মামুন এন্টারপ্রাইজ‌কে ৩০ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়।

এছাড়াও বুধবার আয়োজিত এ অভিযানে ভোক্তা অ‌ধিকার বি‌রোধী নানা কর্মকা‌ণ্ডের অ‌ভি‌যো‌গে অ‌ধিদপ্ত‌রের প্রশাস‌নিক এখ‌তিয়া‌রে তিনটি প্রতিষ্ঠান‌কে জ‌রিমানা করা হয় এবং তদার‌কি করা হয় অন্তত ৩০টি প্রতিষ্ঠান।

আজকের এ অ‌ভিযান প‌রিচালনা ক‌রেন জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্ত‌র, কু‌মিল্লার সহকারী প‌রিচা‌লক মো: আছাদুল ইসলাম। সহ‌যো‌গিতা ক‌রেন জেলা স‌্যা‌নিটা‌রি ইন্স‌পেক্টর ইসরাইল হো‌সেন।

অিভিযান পরিচালনা করার সময় নিউমা‌র্কেট ব‌্যবসায়ী স‌মি‌তির নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পু‌লি‌শের এক‌টি টিম উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

জনস্বা‌র্থে এ ধর‌ণের কার্যক্রম অব‌্যাহত থাক‌বে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

৯৯৯ এ কল করে স্বামীকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী

৯৯৯ এ কল করে স্বামীকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী
সংগৃহীত

স্বামীর ঘরে রাখলেন ইয়াবা। পরে কল দিলেন ৯৯৯-এ। উদ্দেশ্য- যেকোনো ভাবে ফাঁসাতেই হবে স্বামীকে।

কিন্তু ভাগ্য হলো না সহায় । স্ত্রী নিজেই গেলেন ফেঁসে। শুনতে আশ্চর্য লাগলেও এমন ঘটনাটাই ঘটেছে রাজধানীতে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁও থানার পশ্চিম নাখালপাড়া থেকে ১৪ ইয়াবাসহ রুমা আক্তার (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্বামী কাওছার আহম্মেদের কাছে ইয়াবা আছে বলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করেন রুমা, কিন্তু পরে স্বীকার করেন স্বামীকে ফাঁসাতে তিনি নিজেই এই ইয়াবা কিনে সেখানে রেখেছেন।

তেজগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন পিপিএম (বার) এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, প্রবাসী কাওছার আহম্মেদের সাথে ১২ বছর আগে বিয়ে হয় রুমার। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকে। তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ করেন। ঝগড়া বিবাদের কারণে কাওছার বিদেশ থেকে চলে আসেন এবং ঢাকায় একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি শুরু করেন। দেশে ফিরলেও তাদের মধ্যে বিবাদ বাড়তে থাকে।

তিনি বলেন, স্বামীকে ফাঁসাতে জাকির নামে এক মাদক কারবারির নিকট হতে ১৪ পিস ইয়াবা কিনেন রুমা। সেই ইয়াবা শোবার ঘরের একটি ব্যাগে রেখে ৯৯৯- এ ফোন করেন। তাৎক্ষণিক তেজগাঁও থানা পুলিশের একটি টিম পশ্চিম নাখালপাড়ার কাওছারের বাসায় যায়। রুমার আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এক পর্যায়ে স্বীকার করেন, স্বামীকে ফাঁসাতেই তিনি নিজে ইয়াবা কিনে ঘরে রেখেছেন। পরে ১৪ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রুমার দেয়া তথ্য মতে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে জাকিরকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

বিদেশি পিস্তল,ম্যাগজিন এবং ৬ রাউন্ড গুলিসহ আটক ৩ জন

বিদেশি পিস্তল,ম্যাগজিন এবং ৬ রাউন্ড গুলিসহ আটক ৩ জন
সংগৃহীত

বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন এবং ছয় রাউন্ড গুলিসহ তিনজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের ব্যবহৃত একটি গাড়িও জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে যশোরের ঝিকরগাছায় উপজেলার লাউজানি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন-পিরোজপুর সদর উপজেলার নরখালী গ্রামের মনির শেখের ছেলে রাজিব শেখ (২৬), বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সায়রাবাদ গ্রামের জিলান শেখ (৫৫) ও খুলনার খানজাহান আলী থানার জগিপুর গ্রামের তোরাব শেখের ছেলে মেহেদী হাসান (৩০)।  

শনিবার সকালে যশোর ডিবি পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।  

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপন কুমার সরকার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের লাউজানি এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউণ্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন পাওয়া যায়। গাড়িতে থাকা তিনজনকে আটক করে গাড়িটিও জব্দ করা হয়।

ওসি জানান গ্রেফতারকৃত দের বিরুদ্বে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

শপথ নিলেন আপিল বিভাগে নবনিযুক্ত চার বিচারপতি

শপথ নিলেন আপিল বিভাগে নবনিযুক্ত চার বিচারপতি
সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত চার বিচারপতি আজ শপথগ্রহণ করেছেন।

শপথগ্রহণ করা আপিল বিভাগের চার বিচারপতি হলেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আপিল বিভাগের চার নবনিযুক্ত বিচারককে শপথবাক্য পাঠ করান।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।

শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

চার বিচারপতি নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো জনে।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ () অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চারজন বিচারককে তাদের শপথগ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথগ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত শনিবার (১০আগস্ট) দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের আগে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ৭। শনিবার রাতে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। পরদিন রোববার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট এই তিন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জনগণের জন্য প্রতি কেজি ইলিশ মাছের খুচরা বিক্রয় মূল্য সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা নির্ধারণ চেয়ে আইনি নোটিশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) ডাকযোগে ও ই-মেইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রকের কাছে এ নোটিশ পাঠান আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার।

নোটিশে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ইলিশ মাছের পাইকারি ও খুচরা বাজার মনিটরিং করা, ইলিশ মাছ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচাররোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর বাস্তবতা মেনে ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে একটি অভিন্ন সময়ে বা কাছাকাছি সময়ে ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার বিষয়ে লিখিতভাবে ভারতকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া। এছাড়া ভবিষ্যতে যেকোনো দেশে ইলিশ মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে যেন ইলিশ মাছ রপ্তানি করা না হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। অন্যথায় উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ মূলত বঙ্গোপসাগরের মাছ। মহান আল্লাহ প্রদত্ত এই ইলিশ মাছ বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমারসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের চেয়ে ভারত ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা অনেক বেশি বিস্তৃত। ভারত ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় প্রচুর ইলিশ মাছ উৎপাদন হয়। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন নদীতেও ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। এই ইলিশ মাছ সাগরের মাছ হলেও ডিম পাড়ার জন্য যখন ইলিশ পদ্মা নদীতে আসে, তখন ইলিশ মাছ পদ্মার বিভিন্ন প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে পরিপুষ্ট হয় এবং প্রাকৃতিকভাবে অত্যন্ত সুস্বাদু হয়ে উঠে। মূলত পদ্মা নদীর ইলিশ মাছই স্বাদে ও গন্ধে উৎকৃষ্ট। ফলে পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ যখন রান্না করা হয় তখন এর সুঘ্রাণ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু ইলিশ মাছ সাগরের মাছ তাই এই মাছ পুকুরে বা অন্য কোনো স্থানে চাষ করতে হয় না। ফলে ইলিশের কোনো ধরনের উৎপাদন খরচ নেই। এটি শতভাগ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত মাছ। বাংলাদেশে রুই, কাতলাসহ যেসব মাছ চাষ করা হয় তা বাজারে কেজি প্রতি সর্বোচ্চ ৫শ টাকাতে খুচরা বিক্রয় করা হয়। বাংলাদেশে ভারতীয় এজেন্টরা ও মাছ রপ্তানিকারকরা সারা বছর পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ মজুদ করে রাখে। বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে পদ্মা নদীর সব ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানি করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচার করে। বাংলাদেশের পদ্মা নদীর সব ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানি ও পাচার হওয়ার কারণে বাংলাদেশের জনগণ জাতীয় মাছ হওয়া সত্ত্বে বাজারে গিয়ে পদ্মা নদীর ইলিশ পায় না। ফলে বাংলাদেশের জনগণকে সামুদ্রিক ইলিশ খেতে হয়, যা পদ্মার ইলিশ মাছের মতো সুস্বাদু নয়।

বাংলাদেশে ইলিশ সুরক্ষায় তিন মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা থাকে। এর মধ্যে অক্টোবরে ২২ দিন। এ সময় মা মাছের ডিম ছাড়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এরপর বাচ্চা হলে তার সুরক্ষায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস নিষেধাজ্ঞা থাকে। মাছের বাড়ানোর জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই আবার এক দফায় সাগরে নিষেধাজ্ঞা থাকে। অন্যদিকে ভারতে নিষেধাজ্ঞা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত। ১৫ জুন শুরু হয় তাদের মাছ ধরা। বাংলাদেশে ইলিশ মাছ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার সুবিধা পাচ্ছেন ভারতের মৎস্যজীবীরা। এক মাসের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে চলা নিষেধাজ্ঞার সময় ভারতে ব্যাপকভাবে ইলিশ মাছ ধরা হয়। এতে বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে বেশি ইলিশ মাছ ধরা পড়ে। সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর বাস্তবতা মেনে ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে একটি অভিন্ন সময়ে বা কাছাকাছি সময়ে ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা তাই অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে এখনো ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বাংলাদেশ। নোটিশ প্রাপকদের দায়িত্বে অবহেলার ফলে বাংলাদেশের জনগণ কম দামে বড় আকারের সুস্বাদু পদ্মার ইলিশ মাছ তথা জাতীয় মাছ খাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমগুলোতে জাতীয় মাছ ইলিশের দাম বাংলাদেশের জনগণের ক্রয়সীমার বাইরে সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারিত হওয়ার পর ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার কারওয়ান বাজারে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর থেকে অভিযান পরিচালনা করে। সেই সময় হঠাৎ করেই অভিযান পরিচালনার স্থানে দাম কমে যায় ইলিশ মাছের। অথচ জাতীয় মাছ ইলিশ নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক যোগসাজশ করে এক শ্রেণির মৎস্য ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে মনোপলি কর্মকাণ্ড করলেও নোটিশ প্রাপকরা প্রতি কেজি ইলিশের সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণকে সুলভে জাতীয় মাছ ইলিশ খাওয়ানোর ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেননি।  

নোটিশে আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার আরও বলেছেন, বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রতি কেজি ইলিশ ১০ মার্কিন ডলার বা ১ হাজার ১৮০ টাকা দরে রপ্তানি শুরু হয়েছে। ভারতে যেই দামে ইলিশ মাছ রপ্তানি হচ্ছে, তার চেয়ে প্রতি কেজিতে কমপক্ষে ৯শ টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে বাংলাদেশের ভোক্তাদের। ইলিশ রপ্তানির পরিপত্রটি কয়েক বছর আগে তৈরি করা। এছাড়া বাংলাদেশের রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ অনুযায়ী, ইলিশ মাছ মুক্তভাবে রপ্তানিযোগ্য কোনো পণ্য নয়। এই মাছ রপ্তানি করতে চাইলে যথাযথ শর্ত পূরণ করতে হবে। তাই ইলিশ মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশীয় বাজারদরের চেয়ে বেশি মূল্যে রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করা উচিত ছিল। বাংলাদেশের জনগণ যেখানে প্রতি কেজি ইলিশ মাছ ১৯০০-২৪০০ টাকায় খুচরা বাজারে কিনছে সেখানে ভারতে রপ্তানি মূল্য কীভাবে ১১৮০ টাকা হতে পারে? এর ফলে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এই ক্ষেত্রেও নোটিশ প্রাপকরা চরম দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের ক্ষতিসাধন করেছেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা

কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা
সংগৃহীত

কেউ গাড়ির হেলপার-ড্রাইভার, কেউ দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, কেউবা পুরাতন মালামাল ক্রেতা কিংবা রাজমিস্ত্রী। আছে সবজি বিক্রেতাও। কিন্তু ভিন্ন পেশা হলেও সন্ধ্যা নামতেই বদলে যায় তাদের পেশা-পরিচয়। বেরিয়ে আসে ভয়ঙ্কর রূপ।


এসব ভিন্ন ভিন্ন পেশার আড়ালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় তারা ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে জড়িত। প্রত্যেকের নামে রয়েছে একাধিক মামলা। প্রত্যেকেই জেল খেটেছেন। বেরিয়ে আবারো জড়িয়েছেন গ্যাং কালচারে।


পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) রাজধানীর মোহাম্মাদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ এলাকায় কিশোর গ্যাং এর বিভিন্ন গ্রুপের ছিনতাই, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৩৬ জনকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে ।


গ্রেফতারকৃত কিশোর গ্যাং পাটালি গ্রুপের অন্যতম মূলহোতা সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব এবং লেভেল হাই এর অন্যতম মূলহোতা মো. শরিফ ওরফে মোহন ও চাঁন গ্রুপ,মাউরা ইমরান গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র। গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে ৫ জন পাটালি গ্রুপের, ৬ জন লেভেল হাই, ৬ জন চাঁন গ্রুপ, ৫ জন লও ঠ্যালা গ্রুপ, এবং ৭ জন মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। বাকি ৭ জন অন্য গ্রুপের সদস্য। এদের গ্রুপে প্রায় ২০-২৫ জন সদস্য থাকে।


র‌্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। এসব সন্ত্রাসীদের হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি ও মামলা হয়েছে। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ ও তার আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েকটি ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য পেয়ে র‌্যাব টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।


র‌্যাব-২ অধিনায়ক আরও বলেন, পাটালি গ্রুপটি সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। নিজেদের মধ্যে অন্তঃকোন্দলের কারণে তারা ২/৩টি গ্রুপে বিভক্ত হয়। লেভেল হাই গ্রুপটি গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। গ্রেফতাররা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাঁধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। এসব গ্রুপের গ্রেফতাররা একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। মাদক সেবনসহ এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত তারা। মূলত তারা মোহাম্মদপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত।


গ্রেফতারদের পেশা সম্পর্কে র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, বিভিন্ন গাড়ির হেলপার ও ড্রাইভার, দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, পুরাতন মালামাল ক্রেতা, সবজি বিক্রেতা ইত্যাদি পেশার আড়ালে তারা মূলত মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করতো।


অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, গ্রেফতার সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব পাটালি গ্রুপ এর মূলহোতা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। সে এই সন্ত্রাসী গ্যাং এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছিল।


গ্রেফতার রানা শিকদার, জুয়েল মিয়া ও সাগর গ্রেফতার ফর্মা সজীবের সহযোগী। তারা গ্রেফতার পাটালি গ্রুপ এর ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন এলাকায় টাকার বিনিময়ে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ১১টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এ সকল মামলায় কারাভোগ করেছে।


র‌্যাব-২ এর সিও আরও বলেন, গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহন লেভেল হাই গ্রুপের মূলহোতা ও সন্ত্রাসী হায়াত ওরফে টাকলা হায়াত অন্যতম প্রধান সহযোগী। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতো। সে টাকলা হায়াতের অন্যতম সহযোগী হিসেবে মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছিল।


টাকলা হায়াতের অবর্তমানে সে গ্যাংটি পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতার দুলাল, সোহাগ ও তারেক তারা লেভেল হাই গ্রুপের সদস্য। তারা গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। শরিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৮টির বেশি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


গ্রেফতার সাকিব ওরফে প্রকাশ রিয়াম চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী সদস্য। সে ২০১৮ সালে বরিশাল হতে ঢাকায় এসে ঢাকা উদ্যান এলাকায় বসবাস শুরু করে। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি করেছে।


২০২১ সালে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে চাকরির সময়ে চাঁন গ্রুপ নামে একটি কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পরে মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সে চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৩টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদকের কারবারে গ্রেফতার ইমরান ওরফে মাউরা ইমরান মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো।


২০২১ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সময়ে নিজেই একটি কিশোর গ্যাং মাউরা ইমরান গ্রুপ গঠন করে। মাউরা ইমরান মোহাম্মদপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৪টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


মুরগী রাকিব লও ঠ্যালা গ্রুপের সদস্য । র‌্যাব-২ এর সিও অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন খান আরও বলেন, রাকিব ওরফে মুরগী রাকিবের জন্ম বরিশাল এলাকায়। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি ও ডিসের লাইনে চাকরি করতো। ২০২০ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে চাকরির সময় লও ঠ্যালা গ্রুপে যোগ দেয়। সে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ ও মাদক পৌঁছে দেয়ার কাজ করতো। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত দুটির অধিক মামলায় কারাভোগ করেছে। 


গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

কুমিল্লায় এ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ১০০ কেজি গাঁজা

কুমিল্লায় এ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ১০০ কেজি গাঁজা
এ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ১০০ কেজি গাঁজা

কুমিল্লায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১০০ কেজি গাঁজা এবং মাদকের কাজে ব্যবহৃত ১টি এ্যাম্বুলেন্স সহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।

বৃহস্পতিবার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ২নং উত্তর দূর্গাপুর এর নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অবস্থিত ঢাকা বাসষ্ট্যান্ড নামক স্থানে ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর হতে ১টি  পুরাতন এ্যাম্বুলেন্স এর ভিতরে ১০০ কেজি গাঁজা সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গেফতার করা হয় । 

গ্রেফতারকৃতরা হলো -ভোলা সদরের ধনীয়া গ্রামের সিদ্দিক মিয়ার ছেলে মো. রুবেল (২১) এবং গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার ঠাকুরতলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৪৯)।

আসামি সাইদুলের বিরুদ্ধে আগে আটটি ও রুবেলের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

বর্ণিত ঘটনায় আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা এর কোতয়ালী মডেল থানাধীন আইনানুগ ব্যবস্হা প্রয়োগ করে  জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

র‍্যাব-১১ এর অভিযানে ৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ২

র‍্যাব-১১ এর অভিযানে ৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ২
৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিল

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ অভিযানে ৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ।

শনিবার রাতে (০১ জুন ২০২৪ ইং) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ ফারুক (৩২) ও  মোঃ ফাহিম (২১) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ ।

এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।


প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মোঃ ফারুক (৩২) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ঘোষতল গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান এর ছেলে এবং মোঃ ফাহিম (২১) ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার খামারগাও গ্রামের মোঃ চান মিয়া এর ছেলে।

গ্রেফতারকৃদের  হতে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

মাছ ধরার জালে ভাই-বোনের লাশ

মাছ ধরার জালে ভাই-বোনের লাশ
সংগৃহীত

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার রাজারকূল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ইউনিয়নের পশ্চিম রাজারকূল মৌলভী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

দুই শিশুর ব্যাপারে জানা যায় তারা খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল ।

মৃত মো. রিহাব (৭) ও মারিয়া (৫) পশ্চিম রাজারকূল মৌলভী পাড়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সন্তান।

স্থানীয়দের বরাতে ইউপি চেয়ারম্যান মুফিজুর বলেন, “সন্ধ্যার ঠিক আগে বাড়ির আশেপাশে প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল রিহাব ও মারিয়া। এক পর্যায়ে তারা বাড়ির পাশের রেললাইনের সেতুর দিকে চলে যায়। সন্ধ্যার পরেও দুই ভাই-বোন বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পাচ্ছিল না। পরে হাসমত আলী নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি মাছ ধরে বাড়ি ফেরার পথে রেললাইন সংলগ্ন একটি সেতুর মুখে পানিতে ভরে থাকা গর্তে জাল ফেলেন। এ সময় দুই ভাই-বোনের মৃতদেহ জালে উঠে আসে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, রেললাইন ও সেতু নির্মাণের সময় বেশ কয়েকটি গর্ত তৈরি হয়। সম্প্রতি বৃষ্টিপাতের সময় ওই গর্তগুলোতে পানি জমে যায়। আর ওই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

রামু থানার ওসি আবু তাহের দেওয়ান বলেন, গর্ত বা কূপের পানিতে পড়ে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে এবং তাদের লাশ স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০

শতাধিক নারীপাচার

শতাধিক নারীপাচার
সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ফেসবুকে সহজে বিদেশে চাকরির প্রলোভনের ফাঁদ পাতা নারী ও শিশুপাচার চক্রের সন্ধান পেয়েছে । রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে দুই কিশোরী নিখোঁজের ঘটনা তদন্তে নেমে এ চক্রের সন্ধান পান গোয়েন্দারা।


চক্রের মাস্টারমাইন্ড আনারুল। আর তার অন্যতম সহযোগী তার আপন বড়ভাই কবির হোসেন। আনারুল এলাকায় গরুর খামারের আড়ালে এ চক্রটি চালিয়ে আসছিলেন। আর কবির গাড়িচালক বেশে চক্রের সংগ্রহ করা নারী ও শিশুদের পাচার করতেন। চক্রটি অন্তত শতাধিক নারীকে পাচার করেছে বলে দাবি করেছে ডিবি।


গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার ভারতীয় সীমান্তের জিরোপয়েন্ট লাগোয়া গ্রাম কেরাগাছি এলাকার আব্দুল হামিদের দুই ছেলের নেতৃত্বে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে কম বয়সী নারী ও শিশুদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে সীমান্ত দিয়ে পাচার করে আসছিল। কবির হোসেনকে গ্রেফতার করলেও চক্রের মাস্টারমাইন্ড আনারুল পলাতক।


পাচার হওয়া থেকে উদ্ধার হয়েছেন খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার কালিবাড়ি এলাকার জনি হাওলাদারের স্ত্রী সিমা আক্তার ও তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নবাব শেখ। মা-ছেলেকে পাচার চক্রের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় নিয়ে গেলেও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ ফজলে এলাহী ও তার টিমের দক্ষতায় বেঁচে যান তারা।


জানা গেছে, সিমাকে ফেলে স্বামী অন্যত্র চলে যাওয়ায় একমাত্র ছেলেকে নিয়ে শুরু করেন জীবন সংগ্রাম। তিনি ভোমর তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। এই কাজ করে যা আয় হতো তা দিয়ে জীবন বাঁচলেও ছেলের পড়াশোনা করাতে পারছিলেন না। হঠাৎ একদিন ফেসবুকে পড়াশোনাসহ কোনো যোগ্যতা ছাড়াই ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় চাকরির একটি বিজ্ঞাপন দেখতে পান। যোগাযোগ করলেও জানানো হয় পাশের দেশ ভারতে তাকে বাসা বাড়িতে কাজ দেওয়া হবে পাশাপাশি তার ছেলেকে পড়াশোনাও করানো হবে।


আর এভাবেই আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় যেতে বলা হয়। আর ঘটনাক্রমে চাকরির প্রলোভনে মানবপাচার চক্রের ফাঁদে পড়েন সিমা ও তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নবাব শেখ।


উদ্ধার হওয়া সিমা আক্তার বলেন, তার স্বামী অনেক আগে ছেড়ে চলে গেছেন। হঠাৎ একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করেন। পরে ভারতীয় একটি নম্বর থেকে একজন ফোন দিয়ে জানতে চায় চাকরি করবো কি না। কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে সেই ব্যক্তি সিমাকে বলেন, আপনাকে একটি বাসায় কাজ দেওয়া হবে। আর আপনার ছেলেকে মাদরাসায় ভর্তি করা হবে। মাসে ২০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। পরে আমাকে সাতক্ষীরা থেকে ফোন দিয়ে একজন যেতে বলে। আমি গেলে তারা আমাকে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে ডিবি আমাকে উদ্ধার করে ।


পাসপোর্ট, ভিসা ও কোনো ধরনের টাকা ছাড়াই পাচার চক্রের ফাঁদে পা দেওয়া সিমা আরো বলেন, ফোনে তাদের বলেছি আমি টাকা দিতে পারবো না। আমার পাসপোর্ট নেই। কীভাবে যাবো? তখন তারা বলেছে, আপনি আসেন। আমরা সব কিছুর ব্যবস্থা করবো। আপনি ভারত যাওয়ার পর চাকরি করে মাসে মাসে যা পারেন দিয়েন।


এ চক্রের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে সম্প্রতি দুই কিশোরী নিখোঁজের ঘটনায় একটি মামলা হয়। মামলা তদন্তে নেমে আমরা একটি মানবপাচার চক্রের সন্ধান পাই। যারা ফেসবুকে সহজে টাকা-পয়সা ছাড়াই চাকরি দেওয়ার নামে নারী ও শিশুদের পাচার করে আসছে। এমনকি চক্রের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে খুলনা থেকে এক নারী তার সন্তানকে নিয়ে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার সীমান্ত এলাকায় চলে গেছেন।


তিনি আরো বলেন, চক্রের সদস্যরা তাকে পাচারের উদ্দেশ্যে নোম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় নিয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার কার হয়। তবে যে মামলার তদন্তে নেমে এই চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে সেই দুই মেয়েকে আগেই পাচারকারীরা পাচার করে দিয়েছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় চক্রের অন্যতম হোতা সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার কেরাগাছি এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে কবির হোসেনকে। এরপরই বেরিয়ে আসে চাকরির বিজ্ঞাপনের আড়ালে মানবপাচার চক্রের পরিচয়। দুই ভাই মিলে শতাধিক নারীকে পাচার করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।


ডিবি আরো জানিয়েছে, কবিরের বিরুদ্ধে তিনটি মানবপাচার মামলা রয়েছে ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

কুমিল্লায় মুড়ির মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

কুমিল্লায় ৫১কেজি গাঁজা ও ১৮০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

এনআইডি জালিয়াতি: বরখাস্ত ছয় কর্মচারী

বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০

বাসে ডাকাতি, শ্লী-ল-তা-হা-নি : গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত, এএসআই বরখাস্ত

১১

একুশের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক : প্রধান বিচারপতি

১২

উত্তরায় হামলার শিকার সেই যুগল স্বামী-স্ত্রী নন, যা জানালেন প্রকৃত স্ত্রী

১৩

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

১৪

যৌথ বাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী আটকসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

১৫

শপথ নিলেন ২৩ বিচারপতি

১৬

কুমিল্লায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৭

ইলিশের কেজি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ

১৮

ডিএনসি কুমিল্লার অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

১৯

সরকার পার্বত্য জেলায় শান্তি নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর

২০