

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য দেন।
সকালে দেশের আট বিভাগ থেকে আগত স্বেচ্ছাসেবকদের নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ৯টায় স্বেচ্ছাসেবক ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সকাল ১০টায় ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বড় অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প কিংবা বন্যার মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি বাহিনীর পক্ষে এককভাবে সব দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। স্বেচ্ছাসেবকেরা পেশাদার বাহিনীর সঙ্গে একযোগে কাজ করেই দুর্যোগকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি আরও বলেন, যেকোনো দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি জানান, স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য সুযোগ–সুবিধা বাড়ানো এবং তাদের প্রশিক্ষণের মান ও পরিমাণ বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখশ চৌধুরী এবং ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবকেরা জনগণের বন্ধু হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন। সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্পসহ বড় বড় দুর্ঘটনায় ফায়ার ফাইটারদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা—যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
অনুষ্ঠানের আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পূর্বাচল ট্রেনিং গ্রাউন্ডে স্বেচ্ছাসেবকদের মহড়া পরিদর্শন করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক দেশের বিভিন্ন এলাকার বাছাই করা ২২ জন স্বেচ্ছাসেবককে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতের সব দুর্যোগেও তাদের দেশপ্রেম ও নিষ্ঠা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক, উপপরিচালক, ট্রেনিং কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাস্তব জীবনের
কিছু গল্প অনেক সময় কল্পনাকেও হার মানায়। তেমনই এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনার সাক্ষী হলো দক্ষিণ
কোরিয়ার আনসানের খুদেপিয়ংওয়ান হাসপাতাল। দীর্ঘ দিন ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের সঙ্গে
লড়াই করা কোরীয় নাগরিক চংওয়াং জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
মুফতি ফয়জুল্লাহ
আমানের হাতে এ পর্যন্ত ৮০ জনের মতো ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
গত সোমবার
(১২ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশি আলেম মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কালিমা পড়ে তিনি ইসলামের
সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নেন।
এক পাক্ষিক
প্রেমের অবিস্মরণীয় গল্প চংওয়াংয়ের জীবনের এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী
লাইলা। বাংলাদেশের সোনারগাঁয়ের মেয়ে লাইলার সঙ্গে প্রায় ১৪–১৫ বছর আগে ঘর বাঁধেন চংওয়াং।
বিয়ের সময় নামমাত্র শাহাদা পড়লেও চংওয়াং ধর্মীয় জীবনে অভ্যস্ত ছিলেন না। তবে স্বামীর
এই কঠিন অসুস্থতার সময়েও বাংলাদেশি বধূদের চিরচেনা ধৈর্য ও মায়ার প্রতিচ্ছবি হয়ে নিঃশব্দে
সেবা দিয়ে যাচ্ছেন লাইলা। তার অনুরোধেই চংওয়াং জীবনের এই সায়াহ্নে এসে তওবা করে নতুন
করে কালিমা পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
হাসপাতালের
সেই আবেগঘন মুহূর্ত কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি যুবক ইমনের মাধ্যমে খবর পেয়ে মুফতি
ফয়জুল্লাহ আমান হাসপাতালে যান। তিনি জানান, চংওয়াং এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। ডাক্তাররা
প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছেন। সেই বিছানায় শুয়েই তিনি কালিমা পড়ে নতুন জীবনের দীক্ষা নেন।
মুফতি
ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, মৃত্যু কোনো বিলয় নয়, এটি এক রূপান্তর। মানুষ বিলুপ্ত হয় না;
কেবল এক ঘর থেকে অন্য ঘরে স্থানান্তরিত হয়। যদি এই জীবনে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক
সুন্দর হয়, তবে পরের জীবনটি আরও শক্তিশালী ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।
শতজনের
পথপ্রদর্শক মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে এ পর্যন্ত কতজন ইসলাম গ্রহণ করেছেন জানতে
চাইলে তিনি সময় সংবাদকে জানান, এই সংখ্যা প্রায় ৮০ ছাড়িয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তিনি চংওয়াংয়ের
জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ চরম অসুস্থ ব্যক্তিকেও সুস্থ করতে
পারেন। আর যদি হায়াত না থাকে, তবে যেন ঈমানের সঙ্গে তার মৃত্যু নসিব হয়।
বর্তমানে
চংওয়াং আনসানের ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এক কোরীয় নাগরিকের
এমন ঈমানি রূপান্তর কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
বৃহত্তম রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখতে
দ্রুত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি
বলেছেন, আগামী বছরগুলোতে বর্তমান শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের
সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারে বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
হয়ে উঠবে।
আজ
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্স ইন
বাংলাদেশ (ইউরোচ্যাম) চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান
জানান। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও উপস্থিত
ছিলেন।
বৈঠকে
বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়ানো, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরো সহজ ও কার্যকর
করা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক
মোতায়েনের বিষয়টিও উঠে আসে।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি জাপানের সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব
চুক্তি (ইপিএ) সম্পন্ন করেছে। এর ফলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে ৭ হাজার
৩০০টিরও বেশি বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি
জানান, বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে একই ধরনের
আলোচনা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাতে ইইউ বাজারে বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের
পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকে।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, জাপানের সঙ্গে ইপিএ আমাদের জন্য নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। এটি আমাদের
রপ্তানি খাতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আমরা অবশ্যই ইইউর
সঙ্গে একটি এফটিএ স্বাক্ষরের প্রত্যাশা করছি।
ইউরোচ্যামের
চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজ বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের
পর বাংলাদেশ ইইউতে তার বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা হারাতে পারে। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে
এফটিএ আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন।
তিনি
বলেন, একটি এফটিএ বাংলাদেশে আরও ইউরোপীয় বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি
করবে এবং উন্নত পশ্চিমা বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। তিনি উদাহরণ হিসেবে
ভারতের সঙ্গে ইইউর এফটিএ আলোচনা এবং ভিয়েতনামের স্বাক্ষরিত চুক্তির কথা উল্লেখ করেন।
লোপেজ
উল্লেখ করেন, ভারত ইইউর সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করছে, অন্যদিকে ভিয়েতনাম
এরইমধ্যে এমন একটি চুক্তি করেছে, যার ফলে উভয় মধ্যম আয়ের দেশই ইউরোপীয় বাজারে অগ্রাধিকারমূলক
প্রবেশাধিকার পাবে।
তিনি
বলেন, আমরা একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে কথা বলছি। আমি বাংলাদেশে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে
বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করার জন্য ইউরোপ যাব।
ইইউ
রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্যিক
সম্পর্ক নতুনভাবে বিকশিত হবে, তবে তা ২০২৯ সালের আগে কার্যকর হবে না।
তিনি
প্রায় ২০ কোটি মানুষের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে
বলেন, দেশটিতে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আনতে ইইউ দৃঢ় আগ্রহী। তিনি ২০২৬ সালে
একটি ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতির কথাও জানান।
মিলার
বলেন, আমরা প্রাথমিক রাজনৈতিক সংকেত খুঁজছি, যাতে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে
আসতে উৎসাহিত হয় এবং সমান সুযোগ পায়।
প্রধান
উপদেষ্টা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের সুযোগের কথাও
তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ব্যয়ে দেশের বিশাল দক্ষ শ্রমশক্তি কাজে লাগিয়ে
বাংলাদেশ বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
তিনি
বলেন, আমরা একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গড়ে তুলছি। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী
ব্যবসার জন্য একটি উৎপাদন হাবে পরিণত করা। আমরা বাংলাদেশে আরও ইউরোপীয় বিনিয়োগ চাই।
আসন্ন
সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ইইউর বড় পরিসরের পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্তে
সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি আমাদের গণতন্ত্র
পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ আস্থার প্রতিফলন।
তিনি
নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রিক পরিবেশকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন।
বৈঠকে
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) সমন্বয়কারী ও সরকারের সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদও
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের জোরা পাম্প এলাকায় বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ ৬ জন নিহত হয়েছে।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে।
এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১ জনকে উদ্ধার করে শেরপুর সদর হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সকালে রিফাত পরিবহন নামে একটি বাস কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা যাচ্ছিল। পথে জোরা পাম্প এলাকায় বাসটি নকলা থেকে শেরপুরগামী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে এর চালকসহ ঘটনাস্থলেই মারা যায় ৫ জন। আর শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ১ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে নারী রয়েছেন কয়েকজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়দুল আলম।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, ইটভাটা জনিত
বায়ুদূষণ রোধে আর কোনো নতুন ইটভাটার ছাড়পত্র দেয়া হবে না। পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন ৩,৪৯১
টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করা হবে। অবৈধভাবে পার্বত্য এলাকায় নির্মিত সব ইটভাটা স্থানান্তর
করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ
সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং
ওনার্স এসোসিয়েশন (বিবিএমওএ)-এর নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় পরিবেশ উপদেষ্টা এসব
কথা বলেন।
সভায় পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদন, ইটভাটার
আধুনিকায়ন, এবং কার্বন নির্গমন কমানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ইটভাটার
পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, শুধু ভবন নির্মাণই যথেষ্ট নয়, আমাদের
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বায়ুদূষণের কারণে মানুষের
গড় আয়ু ৫-৭ বছর কমে যাচ্ছে। তাই, লাইসেন্স এবং ছাড়পত্র ছাড়া কোনো ইটভাটা পরিচালনা করা
যাবে না। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়ার
কথাও জানান।
বিবিএমওএ-এর নেতৃবৃন্দ ইটভাটা শিল্পের
চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণের প্রস্তাব দেন। ইটভাটায় সবুজ প্রযুক্তির
ব্যবহার উৎসাহিত করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন এবং উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি প্রদান
করেন।
সভায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত
সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স এসোসিয়েশনের
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান-সহ কেন্দ্রীয় এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আগত
নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরোপুরি ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালু করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সরকার সব পাসপোর্ট ইলেকট্রনিক পাসপোর্টে রূপান্তর করার চেষ্টা করছে। চলতি বছরই ই-পাসপোর্টের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এ কাজ আমার দায়িত্বকালেই শেষ করে যেতে চাই।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সেবার মান বাড়ানো হবে। পাসপোর্ট পেতে এখনো বেশি সময় লাগে। কাজ দ্রুত করার কথা বলেছি। তবে রোহিঙ্গারা কোনোভাবেই বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না।
এ সময় পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন বাদ দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সবার সঙ্গে আলাপের মাধ্যমে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন উঠায় দিলে কি লাভবান হবো কি সমস্যায় পড়ব সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এছাড়া আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ভিসা ছাড়া যারা বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, তারা ভিসা সংগ্রহ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হয়েছেন ৩৩ কর্মকর্তা। এর মধ্যে
দুজনকে সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
আজ
বুধবার (২৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি প্রদান
করা হয়।
উপসচিব
মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসনের স্মারক মূলে উপ-পুলিশ
মহাপরিদর্শক (ডিআইজি, গ্রেড–৩) পদে পদোন্নতি প্রদান করা হলো। জারিকৃত
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এদিকে,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি)
লটারির মাধ্যমে রদবদল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানী সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজে (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাইয়ের ঐক্যবদ্ধ শক্তি ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তন করেছে মন্তব্য করে জাতির কল্যাণে আগামী দিনেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
দেশ–বিদেশের কয়েকশ’প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন সম্মেলনে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো অন্যায়, অবিচার মোকাবিলা করা যায়। শুধু তাই নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তন করা যায়। যেটা আমরা একশ’দিন জুলাই-আগস্ট মাসে দেখিয়েছি। তাই আগামী দিনেও সবাইকে দেশ-জাতির কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, কোনো অন্যায়, দোষ না করেও এ দেশের মানুষ কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হয়েছে। অনেক বড় শক্তির মুখোমুখি হওয়াতে আমরা অভ্যস্ত। কিন্তু আমরা এটাও জানি যে, যখন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই, যখন আমরা এক হয়ে কাজ করি, তখন আমাদের ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তন করার ক্ষমতা আছে, যেমনটি আমরা ১০০ দিন আগে বাংলাদেশে করেছি।
তিনি বলেন, মাত্র ১০০ দিন আগে একটি অনন্য রাজনৈতিক উত্থানের সম্মুখীন হয়েছিল বাংলাদেশ। গত ১৬ বছর ধরে চলা একটি ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটিয়েছে ছাত্ররা। আমি এ সম্মেলনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অতিথিদের কাছে একটি সদ্য উদীয়মান দেশে স্বাগত জানাই। নতুন বাংলাদেশ বলে অভিহিত করছি।
জুলাই বিপ্লবে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২০ হাজার আহত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা তাদের সবাইকে শ্রদ্ধা জানাই যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, যারা সারা জীবনের জন্য তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, চোখ এবং অনেক শারীরিক সক্ষমতা হারিয়েছে, তাদের প্রতি সমবেদনা জানাই।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিদেশিদের জুলাই-আগস্ট মাসে ঘটে যাওয়া ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড নিজের চোখে দেখার জন্য রাজধানীতে ঘুরে ঘুরে দেখার অনুরোধ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি আরও বলেন, ঠিক ১০০ দিন আগে এ শহরে যা ঘটে গেছে তা আপনার নিজ চোখে দেখে যান। জুলাই বিপ্লবের সময় তরুণদের আবেগ এবং আকাঙ্ক্ষাকে প্রকাশ করে রঙিন চিত্রে আঁকা রাস্তার দেয়ালগুলো দেখুন। দেখতে পারবেন কীভাবে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে। একইসঙ্গে তরুণ প্রজন্ম কী চায়, তাদের অভিব্যক্তি দেখে যে কেউ অবাক না হয়ে পারবেন না। এ ঐতিহাসিক সুযোগ হাতছাড়া না করার জন্য অনুরোধ করছি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এ বিপ্লবের কোনো ডিজাইনার ছিল না, কোনো কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা ছিল না এবং কোনো সংস্থা এটিকে অর্থায়ন করেনি। তরুণরা তাদের নিজের শক্তিতে করেছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী সোমবার দুই দিনব্যাপী সিভিল
সার্জন সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা আগামী ১২ মে (সোমবার) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে তাঁর তেজগাঁওস্থ
কার্যালয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।
মন্তব্য করুন


ভারতে
বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও কনস্যুলার কার্যালয়ে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ঘটনার বিষয়ে গভীর
উদ্বেগ জানাতে আজ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়
জানায়, গত ২০ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও হাইকমিশনারের বাসভবনের বাইরে
ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং ২২ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারে উগ্রবাদীদের
ভাঙচুরের বিষয়টি আলোচনায় তোলা হয়।
এক
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘ভারতে বাংলাদেশের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের সামনে
সহিংস বিক্ষোভের ঘটনায় বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’
বিবৃতিতে
আরও বলা হয়, দূতাবাসে পূর্বপরিকল্পিত সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ
দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানায়। এসব ঘটনা কেবল কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে
না, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তি ও সহনশীলতার নীতিকেও ক্ষুণ্ন করে।
বাংলাদেশ
সরকার ভারতকে এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের
ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভারতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন
ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
বাংলাদেশ
আশা প্রকাশ করেছে, ভারত সরকার আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী অবিলম্বে
যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। এতে কূটনৈতিক কর্মকর্তা ও স্থাপনার মর্যাদা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত
হবে।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের
উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন,
দেশের মোট আয়তনের এক দশমাংশ এলাকায় পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাই পার্বত্য
অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, পার্বত্য জেলাসমূহের নৈসর্গিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ ও পর্যটন শিল্পের প্রসারে
স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে নানামুখী সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে বেকারত্ব
হ্রাস পাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জীবনযাত্রার উন্নতি ও সামাজিক বৈষম্য
দূর হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল অধিবাসীর জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির
অভিযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আবশ্যক। প্রতি বছরের মতো এবারও
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’
পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল
জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। ১৯৯৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সরকার
এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এর মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি একটি
রাজনৈতিক চুক্তি ছিল যা শান্তি চুক্তি নামেও পরিচিত। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের
মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে
বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস 'পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’-এর
সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন