

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের এক মাস পূর্তি উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) শহীদি মার্চ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।
সমন্বয়ক সারজিস আলম জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের স্মরণে এই ‘শহীদী মার্চ’ করা হবে। মার্চ-টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে বিকাল ৩টায় শুরু হবে। সংবাদ সম্মেলন থেকে গেল জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের পরিবারের সদস্যদের অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি বৈঠক করেছেন ।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন উপদেষ্টারা। পাশাপাশি বন্যা কবলিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণসহ অগ্রাধিকার করণীয় নিয়েও আলোচনা হয় এবং দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়েছে দেশের নয়টি জেলা। বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো– ফেনী, নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর ও খাগড়াছড়ি। এসব জেলার কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি ও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এদিকে, বন্যা কবলিত এলাকা ফেনী-নোয়াখালীর উদ্দেশে ২৫০ উদ্ধারকারী নৌকা পাঠানোর বন্দোবস্ত করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ইতোমধ্যে ৫০-এর বেশি উদ্ধারকারী নৌকা রওনা দিয়েছে এবং সারাদিনে আরও দুইশ নৌকা যাওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়াও,
পদোন্নতি বঞ্চিত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনসহ বেশ কিছু বিষয়ে
বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


দ্রুত
পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে দেশে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি জোরদারের ব্যাপারে
গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ
গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই।
আজ
বুধবার ( ২৮ জানুয়ারি ) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি)
‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আগামী পৃথিবী মৌলিকভাবে ভিন্ন হবে। আজ যা আমরা কল্পনাও করতে
পারছি না, সেটাই বাস্তবতায় পরিণত হবে। পৃথিবী দ্রুত বদলাচ্ছে। এই বৈশ্বিক গতির সঙ্গে
যদি আমরা নিজেদের গতি বাড়াতে ও সামঞ্জস্য আনতে না পারি, তাহলে আমরা কতটা পিছিয়ে পড়ব,
তা ভেবে দেখা দরকার।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, দেখে মনে হতে পারে বাংলাদেশ অন্যদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে, কিন্তু
বাস্তবে আমরা অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে— চিন্তায় পিছিয়ে, কাজে পিছিয়ে এবং নিজেদের
প্রস্তুতিতেও পিছিয়ে। তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতকে যথাযথ গুরুত্ব
না দেওয়ার কারণেই এই পিছিয়ে পড়া। আইসিটিকে তিনি ‘মূল খাত’
হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এই খাত থেকেই ভবিষ্যৎ তৈরি হবে। আমি এই খাতের কথা বলছি, কারণ—
এটি একটি প্রধান খাত। ভবিষ্যৎ এই খাত থেকেই গড়ে উঠবে।’
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাতগুলো টিকে থাকবে ঠিকই। তবে, প্রযুক্তি খাতই হবে
চালিকাশক্তি— হাওয়ার মতো, বাতাসের মতো; যা প্রতিটি খাতকে স্পর্শ করে
নতুনভাবে রূপ দেবে। এ কারণে এখনই প্রস্তুতি শুরু করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এই খাতের
নীতিমালা প্রণয়নে সংশ্লিষ্টদের প্রচলিত চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
এক্সপো
প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজনগুলোতে আমরা কী ধরনের আলোচনা করি, কী
ধরনের ভবিষ্যৎ কল্পনা করি এবং সে অনুযায়ী কী ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করি—
দেশের ভবিষ্যৎ অনেকটাই তার ওপর নির্ভর করবে।’
প্রজন্মগত
পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আজকের শিশুরা প্রযুক্তির সঙ্গে প্রায় সহজাতভাবেই
যুক্ত। প্রজন্মগুলোর মধ্যে এই বাড়তে থাকা দূরত্ব একটি নেতৃত্ব সংকট তৈরি করছে। বয়স্ক
প্রজন্ম তরুণদের নেতৃত্ব দিতে পারছে না— কোনো খারাপ উদ্দেশ্যের কারণে নয়, বরং
তাদের চিন্তাভাবনার ধরন এক নয়।’
বাংলাদেশের
আইসিটি খাতেও এখনো পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন,
‘জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছাতে প্রকৃত ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা চালু করতে হবে।
মানুষ সরকারের কাছে আসবে না, বরং সরকারি সেবা মানুষের কাছে যাবে। এটি বাস্তবায়ন করা
গেলে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।’
চার
দিনব্যাপী এই প্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক
কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। ‘বাংলাদেশ টু দ্য ওয়ার্ল্ড’
প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই এক্সপো চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব
শীষ হায়দার চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল
ইসলাম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে
ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার
সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যানের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফুল ও মিষ্টি গ্রহণ করেন বিএনপি
মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন গুলশান কার্যালয়ের বিশেষ কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলাম মেহেদী।
মন্তব্য করুন


অবৈধভাবে ভোট
কেনার জন্য ভোটারদের টাকা দিয়েছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক প্রার্থী। কিন্তু
তাতে লাভ হয়নি। নির্বাচনে হেরে যান তিনি। এরপরেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছ থেকে
টাকা ফেরত চাইতে শুরু করেন ঐ পরাজিত প্রার্থীর স্ত্রী। এর জন্য রীতিমতো খাতাকলম নিয়ে
বেরিয়ে পড়েন তিনি। সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। বইছে সমালোচনার
ঝড়। ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে।
রাজ্যের পৌর
নির্বাচনে মাঞ্চেরিয়াল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের ৯ নম্বর ডিভিশন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছিলেন বিজেপির প্রার্থী জাদি তিরুপতি। নির্বাচনে মাত্র ১৬ ভোটের ব্যবধানে কংগ্রেস
প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, ফল ঘোষণার পর গভীর হতাশায় তিরুপতি ও
তার পরিবারের সদস্যরা সেসব ভোটারের বাড়িতে যাচ্ছেন, যারা টাকার বিনিময়ে তাকে ভোট
দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ভিডিওতে দেখা
যায়, বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী রূপা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ঈশ্বরের নামে
শপথ করতে বলছেন তারা তিরুপতিকে ভোট দিয়েছেন কি না। অভিযোগ রয়েছে, যারা ভোট না দেওয়ার
কথা স্বীকার করেছেন, তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি দেওয়া ৩ হাজার রুপি ফেরত নেওয়া হচ্ছে।
এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। কারণ নির্বাচনে প্রার্থীদের
পক্ষ থেকে ভোটারদের অর্থের প্রলোভন দেখানো নির্বাচনি বিধি ও গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থি।
ঘটনাটি তেলেঙ্গানার
স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে এবং নির্বাচনি স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর
প্রশ্ন তুলেছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে
নানা কর্মসূচি নেওয়া হলেও এই ভিডিওগুলোই বলে দিচ্ছে, তথাকথিত বিশ্বের সবচেয়ে বড়
গণতন্ত্রের দেশ ভারতে অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনা এখনো বাস্তবতা।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুর দুইটায় তিনি সংসদ ভবনে আসেন এবং সংসদের প্রেসিডেন্ট বক্স থেকে বাজেট উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেন ।
এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ
বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া
হয়েছে। দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিন বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭
লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি
দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী। আবুল হাসান মাহমুদ আলী অর্থমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম বাজেট
পেশ করবেন।
এটি দেশের ৫৩তম বাজেট। সময়ের
সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতি বছরই বাজেটের আকার বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আগামী অর্থবছরের
বাজেট দেশের সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে। এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা মুক্তি পেতে পারে না
বলে মনে করে বিএনপি। আজ বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজার
আগে দলের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়।
বিএনপির স্থায়ী
কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী নজরুল ইসলাম খান লিখিত বক্তব্য
পাঠ করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা
উপস্থিত ছিলেন।
নজরুল ইসলাম
খান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলায় ২০১৮
সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই বছরেরও বেশি সময় অন্ধকার কারাগারে আবদ্ধ থাকার সময়
উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে খালেদা জিয়া দারুণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দেশবাসী সাক্ষী হলো,
পায়ে হেঁটে যিনি কারাগারে প্রবেশ করেছিলেন; নির্জন কারাগার থেকে তিনি বের হলেন চরম
অসুস্থতা নিয়ে।’
‘দেশ-বিদেশের
চিকিৎসকদের মতে, পরবর্তী সময়ে গৃহবন্দিত্বের চার বছর বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ার
কারণেই তার অসুস্থতা বৃদ্ধি পায় এবং তার ফলশ্রুতিতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানতেই
হলো এই অপরাজেয় নেত্রীর। তাই এই মৃত্যুর দায় থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা কখনও মুক্তি
পেতে পারে না’- বলেন নজরুল ইসলাম খান।
নজরুল ইসলাম
উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের মাতা ও আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ভোর ৬টায়
মারা যান। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আজ বলেছেন, ধারাবাহিক সংস্কারের
মধ্য দিয়ে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ নির্বাচন
কমিশন (ইসি) তার লক্ষ্য অর্জনে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ
বুধবার ( ০৭ জানুয়ারি ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরো কনফারেন্স হলে ২৭টি
সিভিল সোসাইটি সংগঠন নিয়ে গঠিত প্ল্যাটফর্ম অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি
(এএফইডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচনের জন্য নাগরিক
পর্যবেক্ষণ : জাতীয় নির্বাচন, ২০২৬’ প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২৬-এর নির্বাচনটাকে যদি একটি উপমা দিয়ে
বুঝাতে চাই তাহলে বলা যায়, এটা অনেকটা ট্রেনকে লাইনে ফেরত এনে আবার চালানো শুরু করার
মতন। নূন্যতম সংস্কার করে এটাকে একটা গতি দেয়ার কাজটা যদি আমরা করতে পারি, তাহলেই আমাদের
প্রথম ধাপ অর্জিত হবে। তারপরে যত নির্বাচন আসবে তখন আমাদের এই প্রক্রিয়া আরো উন্নত
হবে। কারণ আমাদের সবার প্রত্যাশা অনেক এবং সবই যৌক্তিক প্রত্যাশা। আর জনগণের সেই প্রত্যাশা
পূরনেই কমিশন কাজ করে যাচ্ছে, কেননা এটা কমিশনের অঙ্গীকার।
ইসি
সানাউল্লাহ বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের একটা বিরাট শূন্যস্থান তৈরি হয়ে
গিয়েছে। তবে এই বাস্তবতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সব ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যাশার
সঙ্গে যৌক্তিকতার একটা সমন্বয় ঘটাতে হবে। আমাদের সবসময় এটা লক্ষ্য থাকে যে কিভাবে নির্বাচন
প্রক্রিয়াকে আরো উন্নত করা যায়। এবারের নির্বাচনে এসে নতুন করে অনেকগুলো বিধান সংযোজিত
হয়েছে, আইনি সংস্কার হয়েছে, বিধির সংস্কার হয়েছে। সংস্কারের মাধ্যমে সঠিক একটা নির্বাচন
ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। এই নির্বাচন ব্যবস্থাতে নতুনভাবে
যেসকল বিষয়গুলো প্রথমবারের মতন এবার সংযোজিত হয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে সঞ্চালনা করা গেলে
এবারের নির্বাচনটা ভবিষ্যতে একটা রোল মডেল হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা
থাকবে এবং এটাই স্বাভাবিক। কিšুত্ম তা যেন একটা নির্দিষ্ট সহনশীল পর্যায়ে থাকে সেদিকে
লক্ষ্য রাখতে হবে। এটা বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, খুব স্বাভাবিকভাবেই কিছু সামান্য ত্রুটি
হয়তো থেকে যাবে, তবে সেটাকে ধারাবাহিকভাবে সংস্কার করে এই নির্বাচন থেকে শুরু করে সামনের
বা এর পরেরগুলোকে সম্পূর্ণ নির্ভুল করে ভবিষ্যতের জন্য একটা খুব সুন্দর গ্রাউন্ড তৈরি
করতে হবে। যাতে করে বিচ্যুতির জায়গাগুলো কমিয়ে ফেলতে পারি এবং স্বচ্ছতর জায়গাগুলোকে
যেন আমরা সম্প্রসারিত করতে পারি।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
আপনারা বস্তুনিষ্ঠভাবে আপনাদের দায়িত্ব সম্পাদন করবেন, কারণ আপনারা সুষ্ঠু, সুন্দর
নির্বাচন আয়োজনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ইলেকশন কমিশনের কোথায় ভুল হচ্ছে,
কী কী সীমাবদ্ধতা আছে- সেগুলো কিন্তু আপনারাই কমিশনকে দেখিয়ে সংশোধন করে আরও উন্নতি
করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। কমিশন চায় যে অত্যন্ত মৌলিক বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে যেন কোনখানে
কোন ব্যত্যয় না হয়। নির্বাচনের নীতিমালার ভেতরে থেকে যে কাজগুলো আপনাদের করার কথা সেটা
করার জন্যব সব ধরনের সহায়তা নির্বাচন কমিশন থেকে আপনাদেরকে দেওয়া হবে। বক্তব্যে শেষে
তিনি ‘সিটিজেন অবজারভেশন ফর ইনক্লুসিভ এন্ড একাউন্টেবল ইলেকশন ইন বাংলাদেশ : ২০২৬ ন্যাশনাল
ইলেকশন’ প্রজেক্টের উদ্বোধন করেন। এলায়েন্স ফর দি ফেয়ার ইলেকশন
এন্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত আজকের অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে
ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন। সার্বিক সহায়তায় ছিল ইউরোপীয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি)।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন- এএফইডি’র কো-চেয়ার রফিকুল ইসলাম খোকন ও এডভোকেট
রোখসানা খোন্দকার, এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো মহাপরিচালক মো. দাউদ মিয়া, ফার্স্ট সেক্রেটারি
সেবাস্তিয়ান রিগার-ব্রাউন, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স
ডিয়েপাক এলমার, ইউরোপীয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির (ইপিডি) প্রকল্প পরিচালক আনাস্তাসিয়া
এস উইবাওয়া, ডেমোক্রেসিওয়াচ চেয়ারপারসন এবং এএফইডি’র বোর্ড সদস্য তালেয়া রেহমান ও এএফইডির
সদস্য সচিব মো. হারুন-অর-রশিদসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের আগে গ্রাহক প্রতি মোবাইল সিমের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৫তম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী একজন মোবাইল গ্রাহক তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারেন।
তিনি বলেন, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর এনআইডির বিপরীতে মোবাইল গ্রাহক প্রতি সিম নিবন্ধনের সংখ্যা ১০টিতে নামিয়ে আনা হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গ্রাহক প্রতি সিমের সংখ্যা আরো কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, একজনের সিমকার্ড ব্যবহার করে অন্যজন অপরাধ করে। এতে করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তি অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। এজন্য ব্যক্তি পর্যায়ে রেজিস্ট্রেশন করা সিমকার্ড কমিয়ে আনা হবে। কোনো ঘটনা ঘটার পর দেখা যায় সিমটি সেই ব্যক্তির নয়। সেজন্য নির্বাচনের আগে সিমকার্ডের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আপত্তি আসে নাই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আগেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোতে নিয়োগ ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। তিনি এ সময় নির্বাচন সুষ্ঠু ও ভালোভাবে সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব “নাসিমুল গনি “, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় থাকে এবং নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় সে বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে তিন বাহিনীর প্রধানকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এসময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের কঠোর পরিশ্রমের জন্য সাধুবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, গত ১৫ মাসে সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর সদস্যরা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেছে। আসন্ন নির্বাচন যেন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে সেজন্যও তিন বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর করতে অন্তর্বতীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
আজকের বৈঠকে নির্বাচনের জন্য সামরিক বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়ার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান।
নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৯০ হাজার সেনাসদস্য, আড়াই হাজারের বেশি নৌবাহিনীর সদস্য এবং দেড় হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে।
আজকের বৈঠকে আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান তিন বাহিনীর প্রধান।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকিতে থাকা ২০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে গানম্যান প্রদান করা হয়েছে। তালিকায় এনসিপির শীর্ষ নেতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ডিজিএফআই, এনএসআই ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে যারা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন তাদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেককে গানম্যান দেওয়া হয়েছে, তবে অনেকে গানম্যান নিতে স্বেচ্ছায় রাজি হননি।
সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
এছাড়া নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহম্মেদ শেখের জন্যও।
জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য সার্বক্ষণিক গানম্যান এবং বাসভবনের নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র পুলিশ সদস্য প্রেরণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন