

সিঙ্গাপুরে
বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি
শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান।
আজ
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি । পরে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান।
পোস্টে
বালাকৃষ্ণান লেখেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সিঙ্গাপুর সরকারের
পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। তার দীর্ঘ
রাজনৈতিক জীবন ও জনসেবা বাংলাদেশের উন্নয়নে একটি গভীর ছাপ রেখে গেছে।’
বালাকৃষ্ণান
২০০৫ সালে খালেদা জিয়ার সিঙ্গাপুর সফরের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ২০০৫ সালে
সিঙ্গাপুরে তার সরকারি সফর এবং দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে তার প্রচেষ্টার
কথা স্মরণ করি। ওই সফর সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের মধ্যে উষ্ণ বন্ধুত্ব এবং চমৎকার সহযোগিতার
ভিত্তি স্থাপন করেছিল।’সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন,
‘আমাদের চিন্তা ও সমবেদনা তার পরিবার এবং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ঘরে-বাইরে উভয় স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে নারীর উন্নয়ন
ও সমৃদ্ধির জন্য গৃহীত নীতিমালার সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে না।
আজ
রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’
উদযাপন এবং ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান’
অনুষ্ঠানে ভাষণকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি
বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক-নারী ও কন্যারা যেন আর অবহেলা, নির্যাতন
ও বৈষম্যের শিকার না হন। তারা যেন সমান সুযোগ ও মর্যাদা পান।
বাসযোগ্য
বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি জানান যে, তিনি এমন এক দেশের
স্বপ্ন দেখেন যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠবে, স্বাবলম্বী হবে এবং নেতৃত্ব
দিবে। যেখানে প্রতিটি কন্যাশিশু স্বপ্ন দেখবে এবং সেই স্বপ্নপূরণের অফুরন্ত সুযোগ পাবে।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজকর্মী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাদের
কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রয়াত
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রগতিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’
পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তার দাদীর পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ
করেন।
রাষ্ট্রপ্রধান
বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে
কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন। এ ধরনের
অপরাধ মোকাবিলায় এখনও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি
আরও বলেন, নারীর অগ্রগতি দেশ ও জাতির অগ্রগতি। বিশেষ করে পুরুষশাসিত সমাজে এই সত্যকে
স্বীকৃতি দিতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নারী উন্নয়েেনর জন্য
তিনি যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন তা বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী
রূপ নেয়। তিনি মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে
শিক্ষা চালু করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতি
বলেন, নারীশিক্ষার হার বাড়াতে বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তিও চালু
করেন। এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি
উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার
সুযোগ চালু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
অর্থনৈতিকভাবে
পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে সহায়তা করার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, এটি আগামী ১০ মার্চ থেকে চালু
হবে। আশা করা হচ্ছে, উদ্যোগটি পারিবারিক অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা
রাখবে।
রাষ্ট্রপতি
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা; কর্মক্ষেত্রে ও মজুরি বৈষম্য; দুর্বল আইনি সুরক্ষা; নিরাপত্তাহীনতা;
বাল্যবিবাহ; নারীবিরোধী মনোভাব এবং সামাজিক কুসংস্কারসহ বেশ কয়েকটি স্থায়ী সামাজিক
চ্যালেঞ্জও তুলে ধরেন।
তিনি
বলেন, সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং অপরাধের নতুন
চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি
সাহাবুদ্দিন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং বৃহত্তর সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে এসব সমস্যা মোকাবিলার
জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
তিনি
পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতা, গণমাধ্যম কর্মী এবং তরুণ প্রজন্মকে
নারীর প্রতি সমতা ও শ্রদ্ধার মূল্যবোধ প্রচারের কথাও বলেন।
তৈরি
পোশাক শিল্পে কর্মরত লাখ লাখ নারীর অবদানের কথা স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।
তাদেরকে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবেও বর্ণনা করেন।
রাষ্ট্রপতি
আরও বলেন, রাজনীতি, গণমাধ্যম, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রশাসন, শান্তিরক্ষা
এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা বর্তমানে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে।
বক্তব্যের
শুরুতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত গণতন্ত্র
ও জনগণের অধিকারের সকল আন্দোলন ও সংগ্রামের শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধা জানান।
অনুষ্ঠানে
‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীকালের ন্যায়বিচার: নারী ও মেয়েদের অধিকার সুরক্ষিত থাকুক’
শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
মহিলা
ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় পাঁচটি ভিন্ন বিভাগে আরও পাঁচ নারীকে সম্মাননা পদক প্রদান
করে।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আরাও
বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন; বাংলাদেশে ইউএনডিপি-এর
আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।
পরে
রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে ফটোসেশনে যোগ দেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার
সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে
বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৪ ডিসেম্বর ) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার
হাসপাতালের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
এই
সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন চিকিৎসক, দলের নেতাকর্মীসহ ১৪ জন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা
ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তারা
হলেন—পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, ডা. জাহিদ হোসেন, ডা. এনামুল
হক চৌধুরী (চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা), ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, ডা. সাহাবুদ্দিন
তালুকদার, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ আল মামুন, হাসান
শাহরিয়ার ইকবাল (এসএসএফ), সৈয়দ সামিন মাহফুজ (এসএসএফ), আব্দুল হাই মল্লিক (ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যানের সহকারী), মাসুদের রহমান (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট সেক্রেটারী), ফাতেমা
বেগম (গৃহকর্মী), রুপা শিকদার (গৃহকর্মী)।
ডা.
জাহিদ জানান, বেগম খালেদা জিয়াকে আজ মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে
নিয়ে যাব। আমরা সেখানে বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল নির্ধারণ করেছি।
দীর্ঘদিন
ধরে খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায়
ভুগছেন। গত বছরের ৫ আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া
মুক্তি পান। এরপর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া।
চিকিৎসার জন্য ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে দেশে ফেরেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কমনওয়েলথের পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি আয়োরকর বচওয়ের সঙ্গে তার বৈঠকে এ অনুরোধ জানান তিনি।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা সুসংহত করা এবং নির্বাচন কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা অত্যাবশ্যক—বিশেষ করে কমনওয়েলথের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধের জবাবে মহাসচিব বচওয়ে আশ্বস্ত করে জানান, নির্বাচন এবং এর পরবর্তী উত্তরণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশকে কমনওয়েলথ সর্বাত্মক সহায়তা দেবে। তিনি উল্লেখ করেন, ৫৬ সদস্যের এই সংগঠন—যার মধ্যে জি–৭ ও জি–২০–এর দেশও রয়েছে—একসঙ্গে কাজ করার বিস্তর সুযোগ তৈরি করে।
এছাড়া তিনি জানান, বাংলাদেশ সফরে তিনি প্রধান বিচারপতি, আইন ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নানান গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তার কথায়, বাংলাদেশের আগামীর যাত্রা নিয়ে তিনি আশাবাদী।
মহাসচিব আরও বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে একাধিক পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু করেছে কমনওয়েলথ।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনে
নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন, সব ধরনের প্রস্তুতি
নেওয়া আছে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
তিনি
বলেন, যে সময় নির্বাচন হবে, সে সময়ের জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার আমরা সেই ধরনের
প্রস্তুত রয়েছি।
আজ
শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে র্যাব-১ অফিস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এটা আপনারাও বলছেন। গত ১১ মাসে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ইন্টারনেটের ব্যবহার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা হল এটা খোলা থাকবে। ইন্টারনেট যদি
কেউ বন্ধ করে, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
আজ
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি
এ কথা বলেন ।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অনেক পুরনো শব্দ। কিছু কিছু
শব্দ আছে যেগুলো সব সময় ব্যবহার হয়। কেউ বলবে ফিল্ড লেভেল, কেউ বলবে ফিল্ড লেভেল না।
কিন্তু আমরা আমাদের চেষ্টা করে যাচ্ছি। নির্বাচনটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডেই হবে।’
দেশের
১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন কাজ বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বলেন, ‘আপনারা সবসময় বলেন, আইনশৃঙ্খলা কন্ট্রোল করি না। দেখেন এখানে আপনারা কয়জন সাংবাদিক,
এই কয়জনের কথা বলাটা বন্ধ করতে অনেক সময় লেগে যায়। তো দেশের ১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা
রক্ষা করা অনেক ডিফিকাল্ট কাজ।’
তিনি
জানান, নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে। তাদের প্রস্তুতি মতো
কাজ এগিয়ে গেলে আমাদের নির্বাচনটা হবে খুবই সুষ্ঠু, উৎসবমুখর এবং একেবারে ফেয়ার। এখানে
কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না।
ফেসবুকসহ
সামাজিক মাধ্যমে বর্তমানে যে মাত্রার স্বাধীনতা দেখা যাচ্ছে, বিগত আমলে তা ছিল না বলেও
মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ফেসবুক বা ইন্টারনেট বন্ধ করা এখন আর গ্রহণযোগ্য
নয়। সবাই স্বাধীনভাবে লিখবেন, মত প্রকাশ করবেন। আগে সাংবাদিকেরাও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে
ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে গিয়ে প্রশ্ন করার সাহস পেতেন না। এখন সেই পরিবেশ বদলে
গেছে।
সাংবাদিকদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের মুখ একেবারে খোলা। সত্যি কথা প্রকাশ করার জন্যই তো আপনারা।
আপনারা যদি সত্য তথ্য প্রকাশ করতে না পারেন, জনগণ সঠিক তথ্য পাবে না। তাই আমরা চাই,
সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করুক, সত্য কথা বলুক।
নির্বাচনকালীন
সহিংসতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এই সময় যে সহিংসতাগুলো
হচ্ছে, তার অনেকটাই নিজেদের দলের ভিতরেই। একই দল বা একই সংগঠনের ভেতরের দ্বন্দ্ব থেকেই
অনেক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সচেতন হতে
হবে। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো
রয়েছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ
সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
সভায়
স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন ও জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশসহ
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল ফেন্সিডিল’সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
(০২ জুলাই) তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) এবং ২। মনি আক্তার (২৯) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে (০২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানার মধ্যম মাইজপাড়া গ্রামের শামসুল আলম এর ছেলে, ২। মনি আক্তার (২৯) নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার গুরুবদী গ্রামের হানিফ মিয়া এর মেয়ে এবং ৩। মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ভরজালা গ্রামের মৃত আলী আকবর এর ছেলে। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
পার্টিকে আওয়ামী লীগের সহযোগী দল আখ্যা দিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট
২০২৬-এ দলটির অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
রাজশাহী জেলার সাবেক সমন্বয়ক মো. নাহিদুল ইসলাম সাজু।
তিনি
বলেন, জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীতে জাতীয় পার্টি
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে এখানে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
বুধবার
(২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের
সম্মেলন কক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান চলাকালে এ
উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় রাজশাহী-০৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির
মনোনীত প্রার্থী মো. আফজাল হোসেনের প্রতীক বরাদ্দের প্রতিবাদ জানান নাহিদুল ইসলাম সাজু।
প্রতীক
বরাদ্দ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাজশাহীতে যদি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো সহযোগী বা
দোসরকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহলে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ঘেরাও করা হবে
এবং রাজশাহীতে কোনো জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
তার
এ বক্তব্যের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা
আফিয়া আখতার তাকে লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পরামর্শ দেন। তিনি জানান, অভিযোগ নির্বাচন
কমিশনে পাঠানো হবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর
নাহিদুল ইসলাম সাজু জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি
স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে
বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী
শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং
তাদের নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যা গভীর উদ্বেগজনক। এসব ব্যক্তি ও দল অতীতে
গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে প্রত্যক্ষ
ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা পালন করেছে।
এতে
আরও বলা হয়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত
করতে হলে স্বৈরাচার ও তার দোসরদের রাজনৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করা জরুরি। সংবিধান, নির্বাচন
কমিশনের বিধিমালা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের
নির্বাচনে অংশগ্রহণ জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিসমূহ
হলো—
১.
আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল
ব্যক্তি ও দলের মনোনয়নপত্র ও প্রতীক বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
২.
যেসব প্রার্থী অতীতে অবৈধ নির্বাচন, ভোট কারচুপি ও দমনপীড়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের
প্রার্থিতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩.
নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সাহসী ভূমিকা
নিশ্চিত করতে হবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজন করলে ব্যয় কিছুটা বাড়বে, তবে বাজেট নিয়ে কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা জানান, তপশিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া হবে। স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বরাদ্দ দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে করা একটি চ্যালেঞ্জ হলেও এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা উচিত। পৃথিবীর অনেক দেশেই একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি আরও জানান, পরিশোধিত তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। চালের দাম স্থিতিশীল থাকলেও সাম্প্রতিক বৃদ্ধি মোকাবিলায় নন-বাসমতি চাল আমদানি করা হবে, সাধারণত যেটির পরিমাণ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টনের কম হয় না। দেশের ব্যবসায়ীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বে এভাবে পণ্যের দাম বাড়ে না; এর সমাধান প্রশাসনের চেয়ে রাজনৈতিক সরকারের হাতে বেশি কার্যকর।
মন্তব্য করুন


আগামী ৩ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত
হতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ অধিনায়ক
নিগার সুলতানা জ্যোতি ও ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রিত কৌরকে সামনে রেখে বিশ্বকাপের সূচি
প্রকাশ করে আইসিসি।
এনিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নারী টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর এবারের
আসরে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দশটি দল। এর আগে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ ৮টি দল সরাসরি
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। বাকি দুটি দল উঠে আসবে চলমান বাছাইপর্ব থেকে।
স্বাগতিক বাংলাদেশ পড়েছে বি গ্রুপে।
যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাছাইপর্বের দ্বিতীয়
দল।
অপর গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত,
নিউজিল্যান্ড পাকিস্তান ও বাছাইপর্বের প্রথম দল।
১৯ দিনের এই আসরে দুটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত
হবে মোট ২৩টি ম্যাচ। বাংলাদেশসহ গ্রুপ 'বি' এর সকল ম্যাচগুলো হবে ঢাকার শেরেবাংলা জাতীয়
স্টেডিয়ামে। গ্রুপ 'এ'- এর সবগুলো ম্যাচের ভেন্যু সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম। ২০
অক্টোবর ঢাকায় ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে বিশ্বকাপের নবম আসরের। প্রথম সেমিফাইনালে
সিলেট ও দ্বিতীয় সেমিফাইনাল হবে ঢাকায়। নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচের জন্যই থাকবে রিজার্ভ
ডে।
আসরের প্রথম দিন বাছাইপর্ব থেকে আসা
দ্বিতীয় দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
মধ্য দিয়ে গঠিত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে খুবই
আন্তরিক।
এ
খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ইতিবাচক ভূমিকা অব্যাহত রাখার
জন্য তিনি আহ্বান জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস’ উপলক্ষে আজ দেয়া এক
বাণীতে এসব কথা বলেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২৫’
উদ্যাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড
(বিএবি) এর সকল অংশীজন এবং সহযোগী সংস্থাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। দিবসটির এবারের
প্রতিপাদ্য ‘অ্যাক্রেডিটেশন : ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের ক্ষমতায়ন (এসএমই)’, বর্তমান
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
ক্ষুদ্র
ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের মোট দেশজ উৎপাদনের একটি বৃহৎ অংশ এসএমই খাত থেকে আসে।
নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসএমই খাতের
প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা, ক্রেতা ও ভোক্তার
পরিবর্তনশীল চাহিদা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এ সকল
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রয়োজন সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগ।
তিনি
আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা জাতীয় গুণগতমান অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পণ্য
ও সেবার সরবরাহ ব্যবস্থার সকল পর্যায়ে গুণগতমান নিশ্চিতকরণ, দক্ষ কারিগরি জনবল সৃষ্টি,
বাণিজ্যে কারিগরি বাধা অপসারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করে এ
সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিএবি এ
লক্ষ্যে কাজ করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সনদ প্রদানকারী
সংস্থা এবং পরিদর্শন সংস্থাসহ মোট ১৫৫টি সরকারি, বেসরকারি এবং বহুজাতিক সংস্থাকে আন্তর্জাতিক
মান অনুসারে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে।’
প্রধান
উপদেষ্টা ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা
করছি।
মন্তব্য করুন