

আজ সন্ধ্যায় বাড্ডা এলাকার প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার থেকে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত ও সাহসিকতার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, যার কারণে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিকেল আনুমানিক ৫:৩০ মিনিটের দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা ট্রান্সমিটার থেকে তীব্র ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকলে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আগুনের শিখা ট্রান্সমিটারের কাঠামোর বাইরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে আশেপাশের দোকানপাট ও বাড়িঘরের দিকে বিপদ বাড়তে থাকে।
বর্তমানে এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও, স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে একটি বড় বিপর্যয় থেকে এলাকার জনজীবন ও সম্পত্তি রক্ষা পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, রাজনৈতিক দলের ব্যাপারে যে রিউমার বা কথাবার্তা
শোনা যাচ্ছে, অনেকেই শুনতে চাচ্ছেন আমাদের থেকে, কথা হচ্ছে এ বিষয়ে এর আগেও আমরা স্পষ্টভাবে
বলেছি যে এখনই রাজনৈতিক দল খোলার কোনো অভিপ্রায় আমাদের নেই। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে
যা আছেন তাদের ক্ষমতার অভিলাস নেই।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আরও
বলেন, আপনারা জানেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যারা আছেন তাদের পেশাগত জীবন আছে। সবাই
সেখানে ফিরে যেতে চাই। দেশের মানুষ গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা
যথাযথভাবে পালন করা, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফল ঘটিয়ে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে
গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর
তেরখাদিয়া এলাকায় জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শক অধিদপ্তরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এসব
কথা বলেন।
উপদেষ্টা আসিফ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
বলেন, আমরা যে সংস্কারের কথা বলেছি, সেটা ছিল এক দফা সংস্কার। শেখ হাসিনার সরকারের
পতন হয়েছে অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। এক দফার মূল অংশ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ। এই
ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপের জন্য যে সংস্কারগুলো অত্যাবশ্যকীয় সেগুলো করার ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলো জনগণের ম্যান্ডেটের ভিত্তিতেই হয়েছে। জনগণ নির্বাচন বা ক্ষমতার
পালাবদলের জন্য অভ্যুত্থানে আসেনি। যদি আসত তাহলে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেই আসত
বলে আমি মনে করি। অভ্যুত্থান হয়েছে স্পষ্টভাবে এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিলুপ্তের জন্য।
যে ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে যদি এটার সংস্কার করে দিয়ে যেতে না পারি তাহলে যে দলই ক্ষমতায়
আসুক স্বৈরতান্ত্রিক একটা সিস্টেমের মধ্যে সে নিজেও স্বৈরাচার হতে বাধ্য হবে। সে কারণে
আমরা মনে করি, দেশের জনগণ যেভাবে দেশকে গড়তে চাইবে, পুনর্গঠনের যে প্রস্তাবনা মানুষের
মধ্য থেকে আসবে সেটার বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান
পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুর রহিম খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শ্রম
ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এএইচএম সফিকুজ্জান, আইএলও-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো
পুটিআইনেন প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, রাজশাহী নগরীর তেরখাদিয়া
এলাকায় ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহীতে নবনির্মিত জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
বিষয়ক গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ এশিয়ায় পেশাগত স্বাস্থ্য
ও নিরাপত্তা বিষয়ক একটি উল্লেখযোগ্য স্থান হতে চলেছে। দেশের শিল্প কলকারখানাসমূহে নিরাপদ
কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে এই প্রতিষ্ঠানটি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় চীনের পর এবার আসছে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ দল। বুধবার তারা ঢাকায়
আসবেন।
আজ
মঙ্গলবার ( ২ ডিসেম্বর ) দুপুরে হাসপাতালের সামনে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান খালেদা
জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
খালেদা
জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা দিতে চীনের পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল সোমবার (১
ডিসেম্বর) ঢাকায় আসেন। তারা ওইদিনই এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের
সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে দলের দায়িত্বশীল কোনো নেতা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
যুক্তরাষ্ট্র,
চীন, কাতার, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও ভারত ইতোমধ্যে চিকিৎসা সহায়তার হাত বাড়িয়েছে জানিয়ে
অধ্যাপক ডা. জাহিদ বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য দেশের বাইরে নেওয়ার জন্য যে কথাটি আমি
পূর্বেও বলেছি, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা ওনাকে দেখেছেন। আজও ইউকে থেকে ওনাকে দেখার
জন্য বিশেষজ্ঞ আসবেন এবং ওনারা দেখবেন। দেখার পর ওনাকে যদি ট্রান্সফারেবল হয়, আমাদের
যদি ট্রান্সফার করার প্রয়োজন পড়ে-মেডিকেল বোর্ড যদি মনে করে, তখনই সেই যথাযথ সময়ে
ওনাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে। আমাদের সকল প্রস্তুতি আছে; কিন্তু
সর্বোচ্চটা মনে রাখতে হবে- রোগীর বর্তমান অবস্থা এবং সর্বোপরি মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের
বাইরে কোনো কিছু করার সুযোগ এই মুহূর্তে আমাদের নেই।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বিশ্বে বিরাজমান অস্থিতিশীল অবস্থা দূরীকরণ ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বুদ্ধের শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
আগামীকাল ৫ অক্টোবর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান’ উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আদর্শ সমাজ গঠনই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য। তাঁর আদর্শ মানবিকতা ও ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল। তাঁর অহিংস বাণী ও জীবপ্রেম আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সাথে হাজার বছরের বৌদ্ধ ঐতিহ্য মিশে আছে। প্রাচীনকালে বর্তমান বাংলাদেশের অঞ্চলটি এশিয়ার বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল, যার প্রমাণ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার দেখা যায়।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল ধরে এদেশে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে। জাতি হিসেবে আমাদের সকল অর্জন ও প্রাপ্তিতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের অবদান রয়েছে। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের মানুষের মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতা আরো দৃঢ় ও অটুট হবে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ানুগ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন রাষ্ট্র গঠনের অভিযাত্রা মসৃণ ও সাফল্যমন্ডিত হবে-এটাই আমার প্রত্যাশা।’
প্রধান উপদেষ্টা ‘শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান’ উৎসবের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


এসএসসি
ও সমমানের পরীক্ষা আগামী এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে যাচ্ছে। আর এইচএসসি ও সমমানের
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুনের শেষ সপ্তাহে। এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী
১ মার্চ থেকে। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া
হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।
স্বাভাবিক
শিক্ষাসূচি অনুযায়ী প্রতিবছর ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হলেও করোনা মহামারির প্রভাব ও পরবর্তী বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক বছর ধরে এ
সূচি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।
চলতি
বছর জাতীয় নির্বাচন এবং পবিত্র রমজান মাসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের
শেষ সপ্তাহে পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী (টেস্ট)
পরীক্ষা ও ফরম পূরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে।
আন্তঃশিক্ষা
বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার এহসানুল
কবির সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। টেস্ট পরীক্ষা ও
ফরম পূরণসহ প্রাথমিক কাজগুলো শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায় থেকে বিশেষ কোনো অনুরোধ
এলে ফরম পূরণের সময় দু-এক দিন বাড়ানো হতে পারে।
এইচএসসি
পরীক্ষার বিষয়ে তিনি আরো বলেন, আগামী ১ মার্চ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ
শুরু হবে।
আশা
করছি, এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের মাটিতে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
আজ রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারা আমাদের জন্য ভালো মাইলফলক হবে। কিন্তু যেহেতু বাংলাদেশ একটা সংকটকালীন পার করছে, আবার একইসঙ্গে যারা আমাদের মেহমান হয়ে আসবেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব। সবকিছু বিবেচনায় এটা ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই, এখন এটা রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। ড. মুহাম্মদ ইউনূস (অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা) স্যার আছেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নতুন নিয়োগ পেয়েছেন। সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেব। আইসিসির সঙ্গেও আমাদের আলোচনা চলমান আছে। তারপর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।
বেশ কয়েকটি এজেন্ডা নিয়ে আগামী ২০ আগস্ট ক্রিকেট বোর্ডগুলোর সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে বসবে আইসিসি। তারা চাচ্ছে সেই সময়ের মধ্যে যেন বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়।
সূচি অনুযায়ী আগামী ৩-২০ অক্টোবর বাংলাদেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যার জন্য আয়োজকদের হাতে আর মাত্র দেড় মাস বাকি। সে হিসেবে দ্রুত জটিলতার অবসান চায় আইসিসি।
মন্তব্য করুন


ঘন কুয়াশায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ একাধিক গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
আজ রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হাসাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সগির মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এএসআই সগির মিয়া বলেন, রোববার সকাল ৬টার দিকে এক্সপ্রেসওয়ের নিমতলা এলাকার কাছে ঢাকা থেকে মাওয়াগামী গাড়িগুলোর মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
মন্তব্য করুন


কুপিয়ে হত্যা করা আইনজীবী সাইফুল ইসলাম
আলিফের পরিবারের জন্য ধর্ম উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে কোটি টাকার ফান্ড গড়ে তোলা হচ্ছে।
এ ফান্ড সংগ্রহের দায়িত্বে আছে মানবিক সংগঠন আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন।
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের
লোহাগাড়ার পানত্রিশা গ্রামে শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত ও মোনাজাত
শেষে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ধর্ম উপদেষ্টা
এ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেন, প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ আইনের শাসন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার
প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দেশ ও জাতিকে অনেক কিছু দিতে পারতেন। কিন্তু তাঁকেই নির্মমভাবে
হত্যা করা হয়েছে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে
না।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা
ও ধিক্কার জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধীদের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করতে
সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
ধর্ম উপদেষ্টা শহিদ আইনজীবী সাইফুল
ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত করেন ও খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা
জানান। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারে ক্ষেত্রে সরকারের দৃঢ় মনোভাব ব্যক্ত করেন।
এছাড়া উপদেষ্টা এই পরিবারকে সরকারের পক্ষ হতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ধর্ম উপদেষ্টা হত্যাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত
পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ, চিকিৎসা ও পড়ালেখার জন্য শহিদ সাইফুলের বাবার হাতে আলহাজ
শামসুল হক ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে এক কোটি টাকা সহায়তা প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নগদ এক
লাখ টাকা, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকার চেক ও আল মানাহিল ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আরো এক লাখ টাকা তুলে দেন।
এ সময় লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোহাম্মদ ইনামুল হাসানসহ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রায়
২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তাঁর বান্ধবী তৌফিকা
করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ
(সিআইডি)। সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত
২০১৫) এর ৪(২) ধারায় নিয়মিত এ মামলা দায়ের করে।
আজ
রবিবার ( ১১ জানুয়ারি ) বিকালে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) জসীম উদ্দিন খান
এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, সিআইডির অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে
একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র গঠন করে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল
পরিমাণ অবৈধ অর্থ আদায় করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান,
গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা
করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত।
সিআইডির
অনুসন্ধানে জানা যায়, মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট তৌফিকা
করিমের ‘ল’ ফার্ম “সিরাজুল হক অ্যাসোসিয়েটস”-এর
সঙ্গে নামমাত্র আইনি পরামর্শ চুক্তির মাধ্যমে তৌফিকা করিমের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে
নিয়মিত অর্থ স্থানান্তর করতেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পলাতক হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত শুধুমাত্র
ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান থেকেই চক্রটি মোট ১০ কোটি ৮০ লাখ টাকা আদায় করে বলে অনুসন্ধানে
উঠে এসেছে। এছাড়া তৌফিকা করিমের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের
কাছ থেকেও প্রায় ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের তথ্য পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে,
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী তৌফিকা করিম ও মো.
রাশেদুল কাওসার ভুঞা জীবনকে ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবে নিয়োগ দেন। একই সঙ্গে তিনি
“লিগ্যাল অ্যাসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার অ্যান্ড পারসন্স”
নামে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন। এনজিওটির চেয়ারম্যান ছিলেন তৌফিকা করিম, সেক্রেটারি
জেনারেল মো. রাশেদুল কাওসার ভুঞা জীবন এবং ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন আনিসুল
হক। সোনালী ব্যাংক পিএলসি, সুপ্রিম কোর্ট শাখায় পরিচালিত ওই এনজিওর হিসাবের মাধ্যমে
বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হতো। ১১ মার্চ ২০১৫
থেকে ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত উক্ত এনজিওর মাধ্যমে সর্বমোট ২৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৯ হাজার ২১
টাকা চাঁদা আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়। এদিকে, অনুসন্ধান চলাকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট তৌফিকা
করিমের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা মোট ২৬টি হিসাব নম্বরে জমাকৃত ২৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৯
হাজার ২১ টাকা ঢাকার মহানগর স্পেশাল জজ আদালতের আদেশে ফ্রিজ করা হয়েছে।
বর্তমানে
মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। অপরাধের
পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অজ্ঞাত অপর সদস্যদের শনাক্তকরণ ও অন্যান্য আইনানুগ প্রক্রিয়ার
স্বার্থে তদন্ত ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
সিআইডি
জানিয়েছে, অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে এবং
এ ধরনের অপরাধে জড়িত যে কাউকে আইনের আওতায় আনতে সংস্থাটির অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম
অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মানুষ
প্রায়ই ধরে নেয় যে বিড়াল আর কুকুর শত্রু। অবশ্য, কিছু কুকুর আর কিছু বিড়াল একসঙ্গে
না চললেও, অনেকেই আবার দারুণ বন্ধু হতে পারে। এমনকি কিছু কুকুর নিজের জীবন ঝুঁকিতে
ফেলে ফেলাইন বন্ধুকে বাঁচাতেও প্রস্তুত থাকে।
কয়েক বছর আগে ইউক্রেনের দোনেৎস্ক সিটির কাছে একটি প্রতিরক্ষা শিল্প ভবনে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুন ও ধোঁয়া আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে, অনেক মানুষ বিপদের মধ্যে পড়ে। লোকজন জ্বলন্ত ভবন থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসার সময় তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে নিতে নিশ্চিত হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বিশৃঙ্খলার মধ্যে কিছু পোষ্য পিছনে রয়ে গিয়েছিল।
বিস্ফোরণের
ধোঁয়া মাইলের পর মাইল ছড়িয়ে পড়ে, আশেপাশের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক মানুষকে
বাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়, যার মধ্যে একজন মানুষ ও তার কুকুরও ছিল—তাদের
বাড়িতেও আগুন লেগেছিল। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর কুকুরটির দড়ি খুলে দেওয়া হয়, কিন্তু
মানুষটি চিন্তিত ছিল না, কারণ কুকুরটি পালিয়ে যাওয়ার মত নয়।
কুকুরটি
কিছুক্ষণ সামনের উঠানে দাঁড়িয়ে রইল, কিন্তু তারপরই বুঝতে পারল কিছু একটা ভুল হচ্ছে।
মালিকের বিস্ময়ের মধ্যেই কুকুরটি বাড়ির দিকে দৌড়াতে শুরু করল, যদিও আগুন ক্রমেই
বাড়ছিল।
কুকুরটি
দৌড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মালিক আতঙ্কে তাকে ডাকতে লাগল। কিন্তু সাধারণত বাধ্য
কুকুরটি এবার কোনোভাবেই কথা শুনল না। সে জানত, আরও জরুরি কিছু করার আছে। কেউ কিছু বুঝে
ওঠার আগেই সে ফিরে গেল জ্বলন্ত বাড়ির ভেতরে। তখনই মালিক বুঝলেন—ঘরের
ভেতরে আরেকটি লোমশ বন্ধু রয়ে গেছে, যে হয়তো বের হতে পারেনি।
কুকুরটি
আগুন থেকে তার সেরা বন্ধুকে উদ্ধার করে । কুকুরটি যখন আগুনের মধ্যে ঢুকল, মালিক ও প্রতিবেশীরা
শ্বাস আটকে তাকিয়ে রইল। পরিস্থিতি কুকুরটির পক্ষে ছিল না, কিন্তু কেউই খারাপ কিছু
ভাবতে চাইছিল না।
কিন্তু
কয়েকটি দীর্ঘ, ভয়ঙ্কর মুহূর্তের পর কুকুরটি বেরিয়ে এলো—তার
দাঁতের মাঝে আলতো করে ধরা একটি ছোট্ট বিড়ালছানা। সে জ্বলন্ত বাড়ি থেকে বিড়ালছানাটিকে
তুলে এনে নিরাপদে নিয়ে আসে। কুকুর আর বিড়ালছানার সম্পর্ক ঠিক কী ছিল তা স্পষ্ট নয়,
তবে তারা একই বাড়ি থেকে এসেছে বলে ধরে নেওয়া যায় যে তারা পরিবার।
সেই
ক্ষুদে বিড়ালছানাটি সত্যিই ভাগ্যবান, কারণ তার দেখভালের জন্য এমন সাহসী কুকুর ছিল।
যদি কুকুরটি নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে না ফেলত, তাহলে বাড়িটি পুরোপুরি পুড়ে যাওয়ার আগেই
বিড়ালছানাটি হয়তো বেরোতে পারত না। নিজের ছোট্ট বন্ধুকে বাঁচাতে সে প্রাণপণ চেষ্টা
করেছে। সত্যিকারের বীর সে!
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও চট্টগ্রাম এরিয়া পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অতঃপর তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজের একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শনসহ বৃক্ষরোপণ করেন। পরে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন। এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও জনগণের আস্থার প্রতীক। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান বিভিন্ন গুজব সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি সততা, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের নানিয়ারচর জোন সদর পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সাধারণ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানসহ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন। দুর্গম পাহাড়ি সেনা ক্যাম্পে সেনাবাহিনী প্রধানের আগমন পার্বত্য চট্টগ্রামে মোতায়েনরত সেনাসদস্য এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মনোবল উঁচু করেছে। এছাড়াও তিনি পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের পদস্থ অসামরিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, সেনাসদরের চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক সিএসসি'সহ সেনাসদর ও চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন