

আজ সন্ধ্যায় বাড্ডা এলাকার প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার থেকে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত ও সাহসিকতার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, যার কারণে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিকেল আনুমানিক ৫:৩০ মিনিটের দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা ট্রান্সমিটার থেকে তীব্র ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকলে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আগুনের শিখা ট্রান্সমিটারের কাঠামোর বাইরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে আশেপাশের দোকানপাট ও বাড়িঘরের দিকে বিপদ বাড়তে থাকে।
বর্তমানে এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও, স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে একটি বড় বিপর্যয় থেকে এলাকার জনজীবন ও সম্পত্তি রক্ষা পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি
কাজের জন্য আগামীকাল সোমবার (১ এপ্রিল) আশুলিয়ার কিছু এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ
বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৩১ মার্চ) তিতাস
থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,
সোমবার (১ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা আশুলিয়ার কাঠগড়া,
আমতলাসহ জিরাবো-বিশমাইল সড়কের দুই পাশে সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের দেশে হিন্দু-বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মের
মানুষেরা আছে। ধর্ম টেনে আনলে পক্ষপাতিত্ব হয়ে যাবে। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ঠিক
নয়।
আজ
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাঁও দাখিল মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী
গণসংযোগে এসব মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘১৫ বছর মামলা আর পুলিশের তাড়ায় ছিলাম। এমন কেউ নেই বিএনপির যে মামলা হয়নি।
৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে দিয়েছে সাড়ে ৭ হাজার। অনেক কষ্ট
হয়েছে, টাকা খরচ হয়েছে। হাসিনা পালানোর পর মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ যা করেছে
তা আমাদের দলের কেউ করবে না।’
তিনি
আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির পার্থক্য হলো—বিএনপি
পরীক্ষীত দল। আমাদেরকে আপনারা সবাই চেনেন। ক্ষমতায় এলে মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া
হবে। কার্ড দিয়ে ন্যাযমূল্যে চাল-ডাল, আটা পাবেন। হাসপাতালে গেলে চিকিৎসা পাবেন। সন্তানদের
শিক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারবেন। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। সার-বিষ ন্যায্যমূল্যে
পাওয়া যাবে।’
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, সবাই মিলে কুমিল্লার উন্নয়নে পাশে দাঁড়ালে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে এই প্রত্যয় নিয়েই কাজ করা হবে।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে কুমিল্লা সমিতি ঢাকার উদ্যোগে শনিবার বিকালে রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ—এমন বিশ্বাস তাঁর রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবিতে একসময় আন্দোলন করা হয়েছে এবং সেই স্বপ্ন এখনও তাঁর অন্তরে লালিত রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে শুধু তিনি নন—সচিব পর্যায়ের বহু কর্মকর্তা, অবসরপ্রাপ্ত যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ এবং অসংখ্য গুণীজন উপস্থিত রয়েছেন। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অবহেলিত কুমিল্লাকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, কখনও ভাবেননি তাঁকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে। যখন জানতে পারেন যে তাঁকে শপথ নিতে হবে, তখন তিনি বলেছিলেন—"মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে তিনি নিশ্চিত হতে চান, যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে সেখানে যেন জনগণের কল্যাণে বাস্তব ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকে। জনগণের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ থাকলেই কেবল তিনি সেই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।" তিনি আরও বলেন, সবার দোয়া ও সমর্থনে আজ অত্যন্ত পছন্দের একটি সেক্টরে তাঁকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি যেন সৎ ও হক-হালাল পথে দায়িত্ব পালন করতে পারেন এবং তাঁর বাবার সম্মান, নিজের সম্মান ও সর্বোপরি কুমিল্লাবাসীর সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে সক্ষম হন—সেজন্য তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কুমিল্লার উন্নয়ন ও বিভাগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা সমিতির সভাপতি সিনিয়র সচিব এ বি এম শাহজাহান।
দোয়া ও ইফতার মাহফিলে কুমিল্লা সমিতি ঢাকার সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন
করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাসদর। আগের নির্বাচনে যেখানে সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করতেন, সেখানে এবার প্রথমবারের মতো
ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত
ও আস্থা ফিরিয়ে আনতেই বাড়তি এই মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে, যা ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর
রয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন
এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত
এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান
নির্বাচনে
১ লাখ সেনাবাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগের নির্বাচনে কত সদস্য মোতায়েন করা
হয়েছিলো। আগের থেকে বাড়তি মোতায়েন করা হলে কেন করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে
এবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে
আমাদের মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে এবার ভোট কেন্দ্রের আঙ্গিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া
হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিলো না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং
ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গাতে অবস্থান করেছি। এবার সাধারণ ভোটারা যেন নির্বিঘ্নে ভোট
কেন্দ্রে যেতে পারে সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান নূন্যতম প্রয়োজনীয় সেনাসদস্যদের
রেখে বাকি সকল সেনাসদস্যকে উনি নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য।
তিনি
বলেন, যেকারণে আমরা চেষ্টা করছি,আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামারিক
প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুজেশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে
পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনাসদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে ব্যবস্থা করা
হচ্ছে। সেনাসদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা
করছেন শুধুমাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য। এটা জোরদার করা হয়েছে গত
২০ জানুয়ারি থেকে।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর একুশে পদকের জন্য নয়জন বিশিষ্ট
ব্যক্তি এবং একটি সংগীত দলের নাম ঘোষণা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ তালিকায়
প্রথমবারের মতো কোনো রক ব্যান্ড স্থান পেল।
এ
বছর একুশে পদক পাচ্ছেন—ফরিদা আক্তার ববিতা (চলচ্চিত্র), অধ্যাপক
মো. আব্দুস সাত্তার (চারুকলা), মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্য), আইয়ুব বাচ্চু (সংগীত),
অর্থি আহমেদ (নৃত্য), ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলা), শফিক রেহমান (সাংবাদিকতা),
অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষা) এবং তেজস হালদার যস (ভাস্কর্য)। এছাড়া এ
বছর একুশে পদক পাচ্ছে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ওয়ারফেইজ।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৫ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
একুশে
পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান। ভাষা আন্দোলনের স্মরণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে
বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর এই পদক প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আয়োজিত এমডিএলবিস্ট সাউন্ডস্টর্ম সংগীত উৎসবে অংশ নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মার্কিন র্যাপ তারকা কার্দি বি। সৌদির অন্যতম বড় এই সংগীত আয়োজনে তার পারফরম্যান্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে সৌদি আরবে অবস্থানকালে বিভিন্ন অনলাইন পোস্টে দেশটির প্রতি ইতিবাচক মন্তব্য করতেও দেখা যায় গ্র্যামি জয়ী এই শিল্পীকে।তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বিনোদনসহ বিভিন্ন খাতে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নেওয়া ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আয়োজিত এই উৎসবে কার্দি বি–এর অংশগ্রহণকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই।সৌদিতে পৌঁছানোর পর কার্দি বি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তাকে কালো রঙের ঢিলেঢালা পোশাক ও হিজাব পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “হ্যালো সৌদি আরব, হালাল বি হাজির,” সঙ্গে যোগ করেন সৌদি পতাকার রঙের একটি হৃদয় ইমোজি। পরদিন রিয়াদের বিভিন্ন শপিং মল ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে একই পোশাকে তাকে ঘুরতে দেখেন ভক্তরা।মঞ্চে পারফরম্যান্স শুরুর আগে দর্শকদের উদ্দেশে তিনি ঐতিহ্যবাহী সম্ভাষণ “সালামু আলাইকুম” বলেন এবং সৌদি আরবের প্রসঙ্গে “মাশাল্লাহ” শব্দটি ব্যবহার করেন। তার এসব বক্তব্য দ্রুত সৌদি আরবসহ আন্তর্জাতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়।সাধারণত সাহসী বক্তব্য ও খোলামেলা মঞ্চ উপস্থিতির জন্য পরিচিত কার্দি বি সৌদিতে পারফরম্যান্সের সময় ভাষা ও আচরণে ছিলেন তুলনামূলক সংযত। তার পোশাকও ছিল সম্পূর্ণ ঢাকা, যা তার পরিচিত মঞ্চশৈলীর সঙ্গে ভিন্নতা তৈরি করে।সৌদি সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে কার্দি বি রিয়াদের আধুনিক অবকাঠামোর প্রশংসা করেন এবং শহরটিকে “একেবারে নতুন” বলে বর্ণনা করেন। তিনি জানান, হোটেলে তাকে বিশেষ আপ্যায়নের পাশাপাশি কক্ষের ভেতরেই জিম ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সৌদি সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেখানেই ব্যায়াম করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।একটি লাইভ ব্রডকাস্টে কার্দি বি বলেন, সৌদি আরবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন বলে তার মনে হয়েছে। তার ভাষায়, ছোট শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ—সবাই তাকে চিনেছে এবং স্থানীয়দের আচরণ ছিল ভদ্র ও শালীন।গত ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবের বিভিন্ন ভেন্যুতে পারফর্ম করেন কার্দি বি। এই সফর এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন সৌদি আরব বৈশ্বিক বিনোদন শিল্পে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করছে এবং আন্তর্জাতিক তারকাদের আকৃষ্ট করছে—যদিও দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জেনিফার লোপেজ, সেলিন ডিওন ও এমিনেমের মতো পশ্চিমা শিল্পীরাও উপসাগরীয় অঞ্চলে পারফর্ম করেছেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য
নিজ নিজ অবস্থান থেকে দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব
রুহুল কবির রিজভী।
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী বলেন, আমাদের নেত্রী
গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমরা সবাই আল্লাহর কাছে দোয়া করছি-আল্লাহ
তাআলা যেন তাকে পুরোপুরি সুস্থতা দান করেন।
রিজভী
জানান, দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় করছেন,
যা চিকিৎসা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে এবং অন্যান্য রোগীদের জন্যও সমস্যার তৈরি
করছে।
তিনি
বলেন, নেত্রীর প্রতি আপনাদের আবেগ স্বাভাবিক। আপনারা তাকে দেখতে চান, তার সুস্থতার
জন্য মোনাজাত করেন-এটা ভালোবাসা থেকেই আসে। কিন্তু এই ভিড়ের কারণে চিকিৎসা ব্যাহত
হচ্ছে। তাই আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আপনারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে তার জন্য দোয়া
করেন।
রুহুল
কবির রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে পথের কাঁটা মনে করতেন শেখ হাসিনা। সেই কারণে অতীতে
তাকে ‘দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার’ সব রকম চেষ্টা হয়েছে। অনেকে বলেন,
জেলখানায় তার খাবারে ‘বিষ মেশানো হয়েছিল’।
রুহুল
কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে ক্ষমতা ভোগ করেছেন নিজের,
ছেলে ও পরিবারের স্বার্থে। তিনি দাবি করেন, ‘স্বর্ণ কিনে মজুদ করা’,
‘লোকজন দিয়ে ব্যাংক লুট করে টাকা পাচার করানো’, এমন নানা অনিয়মের মাধ্যমেই দেশ পরিচালিত
হয়েছে। তার অভিযোগ, ‘সব ছেড়ে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন, তবে জমানো স্বর্ণ নিয়ে
যেতে পারেননি’।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল
এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন।
মন্তব্য করুন


মহান মুক্তিযুদ্ধের
বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা
হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার
বিকেলে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে
তিনি সাভারের পথে রওনা হন। তবে নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে সূর্যাস্তের
আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমানের পক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বিএনপির মিডিয়া
সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, মহান জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে নিয়ম
অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত
ছিলেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়, ড. আব্দুল মঈন খান। বিএনপি চেয়ারপার্সনের
উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, লুৎফুজ্জামান বাবর। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা
জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।
এছাড়া আরও
উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ,
আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান।
মন্তব্য করুন


জুমার নামাজ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই হোমস শহরের ওয়াদি আল-দাহাব এলাকায় অবস্থিত ইমাম আলী বিন আবি তালিব মসজিদকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়।রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী এলাকা ঘিরে ফেলে। বিস্ফোরণের পেছনের কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয় কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, এটি আত্মঘাতী হামলা হতে পারে অথবা পূর্বে স্থাপন করা কোনো বিস্ফোরকের মাধ্যমেও ঘটানো হয়ে থাকতে পারে—দুটি সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আলেপ্পো থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি আইমান ওঘান্না জানান, হোমস শহরে আলাউইত, খ্রিস্টান ও সুন্নি মুসলমানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস রয়েছে। তার মতে, আলাউই সম্প্রদায়ের একটি মসজিদে হামলার ঘটনা দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।এখন পর্যন্ত হামলার দায় কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ায় আইএসআইএল (আইএস) গোষ্ঠীর সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, সরকারি বাহিনী আলেপ্পোর কাছে পরিচালিত এক অভিযানে তিনজন সন্দেহভাজন আইএসআইএল সদস্যকে আটক করেছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকার যে ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে-বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করার মধ্য দিয়ে তাদের
নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। এজন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন অন্তর্বর্তী সরকার
ততটুকু সময় পেতে পারে।
আজ
শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিরতিতে এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমন কথা বলেন।
আখতার
হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কারের দৃশ্যমান রোডম্যাপ সরকারকে উপস্থাপন
করতে হবে। আমরা নির্বাচন প্রলম্বিত করার পক্ষে নয়, তবে তার আগে বিচার এবং সংস্কারকে
যেন অবশ্যই দৃশ্যমান করা হয়। সে ব্যাপারে আমরা জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। আমরা
এখন পর্যন্ত সংবিধানের বিষয়ে আলোচনা করেছি। এখন পর্যন্ত বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন,
জনপ্রশাসন, দুদক এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতো বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারিনি। তবে
পুলিশ সংস্কার কমিশিনের রিপোর্ট কেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন
করেছি। আমাদের মতামতগুলো জানাতে চেয়েছি।
বর্তমান সংবিধানের অধীনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত সম্ভব
নয় উল্লেখ সম্ভব নয় উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র
ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিকভাবেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ
তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা বলেছি এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের কথা
আমরা বলেছি। কীভাবে নতুন একটি সংবিধান পুনর্লিখন করা যায়। গণপরিষদ নির্বাচনের বাস্তবতা
নিয়ে আমরা কথা বলেছি।
এনসিপি’র
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি বিষয়ের মধ্যে
১২৯টি বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। যেসব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি সেসব বিষয়ে আমাদের অবজারভেশন
রয়েছে। এসব বিষয়ে সংযোজন, বিয়োজনের নোট আমরা ঐকমত্য কমিশনে দিয়েছি। আমরা মূলত এখন পর্যন্ত
তিনটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমত, প্রটেকশন অব সিটিজেন (নাগরিকদের নিরাপত্তা)। আমরা দেখেছি,
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরঙ্কুশ অধিকার কখনো স্বীকৃত হয়নি। সেসব
বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কথা বলেছি।
দ্বিতীয়ত,
আমরা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিনিয়ত দেখেছি, যখনই ক্ষমতা
হস্তান্তরের একটি সময় এসেছে তখনই দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একটা সরকার
থেকে অন্য সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর কীভাবে হবে এই বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা
হচ্ছে।
তৃতীয়ত,
সংসদের স্থিতিশীলতার নামে আর্টিকেল ১৭ দিয়ে আমাদের কন্ঠ রোধ করে রাখা হয়েছে- এ বিষয়ে
কথা হয়েছে। আমাদের সংসদকে আরো বেশি কীভাবে কার্যকর করা যায় ওই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কথা
হয়েছে।
উক্ত বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এনসিপি’র
পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক
সরোয়ার তুষার, জ্যেষ্ট যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী,
মুখ্য সংগঠক (দাক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মন্তব্য করুন