

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ‘ভদ্র জ্বীনের
বাদশা’ পরিচয় দেওয়া এক প্রতারককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা।
গতকাল শুক্রবার (১৪ মার্চ) বিকেলে উপজেলার
দক্ষিণ রাজানগর তুপ্পার পাড়ে চাঁদা তুলতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে দেয়।
আটক ওই ব্যক্তির ওমর ফারুক নিজেকে
‘ভদ্র জ্বীনের বাদশা’ পরিচয় দিতেন।
স্থানীয়রা জানান, ‘ভদ্র জ্বীনের বাদশা’
নামে এই ব্যক্তি বড়ুয়া থেকে মুসলিম হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়
ঘুরে ঘুরে জ্বীন হাজিরের মাধ্যমে বিভিন্ন কিছু সমাধান করবে বলে মানুষের কাছ থেকে টাকা
নিয়ে ধোঁকাবাজি করে আসছে। কয়েক দিন আগেও তিনি এক শিক্ষকের অবসরের টাকা, আত্মীয়-স্বজনকে
দেওয়া ধারের টাকা ফেরত এনে দেবে বলে ৩০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এরপর থেকে তিনি নিরুদ্দেশ
হয়ে যান।
সম্প্রতি তিনি তার মেয়ের বিয়ে দিবে
বলে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে চাঁদা নিচ্ছেন। শুক্রবার সোনারগাঁ এলাকায় চাঁদা নিতে
গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়।
এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া থানার পরিদর্শক
(তদন্ত) সুজন হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তাকে থানায় নিয়ে
আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বুড়িচং থানার ওসি মহোদয় এবং থানা পুলিশ সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে নিমসার বাজারে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার হওয়া এ অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার লেবু, শসা, কাঁচা মরিচ,ধনে পাতা, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতি পণ্যের দাম যাচাই করেন। কাঁচাবাজার এর
পাশাপাশি দোকানগুলোতেও রশিদ এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, লেবু ২০-৬০ টাকা হালি, কাচা মরিচ ২৬ টাকা, শশা ৩০ টাকা, খিরা ১২-১৫ টাকা , টমেটো ৫-৮ টাকা , আলু ১৬-১৮ টাকা, লাউ ১৮-২০ প্রতি পিস, পেঁয়াজ দেশি (মেহেরপুর) ১৮-২০ টাকা, পেয়াজ দেশি (পাবনা,নওগা) ২৫-৩০ টাকা, ডিম হালি ৩৩-৩৪ টাকা, চিচিংগা ১৫ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৬০-৬৫/- (উন্নতমানের বড় সাইজ), চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা এবং সিম ২০-২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।
তবে অভিযান পরিচালনাকালীন সময়ে এটাও বলে দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মূল্য কারসাজি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (০১ জুন) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (০২ জুন) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
শনিবার (০১ জুন) রাতে সানারপাড় এলাকার ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: সানারপাড় এলাকার নবী হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩০) ও কুমিল্লা জেলার আ. বাতেনের ছেলে কাউছার (২৭)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের জানাযায় সানারপাড় এলাকায় মাদকের বেচাকেনা হবে। এমন খবরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা পলিথিনের মোড়ানো ১০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
আসামিরা পেশাদার মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩২ কেজি গাঁজা, ১৮০ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ি সহ
২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
শনিবার
(১৮/১১/২০২৩) বিকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলার
সকল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা সদর
দক্ষিণ মডেল থানাধীন ঢাকা টু চট্টগ্রামগামী মহাসড়কের ধনাইতরী সাকিনস্থ জনৈক নিজাম উদ্দিন
এর ইট ভাটার সামনে পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ী
থামানোর জন্য সংকেত দিলে গাড়ীটি থামায়। পরবর্তীতে উক্ত কাভার্ডভ্যান গাড়ীটি তল্লাশী
করে গাড়ীর ভিতর হতে ৩২ কেজি গাঁজা ও ১৮০ বোতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ বিল্লাল
হোসেন রনি ও মোঃ রাকিব হোসেন রকিব কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১।
মোঃ বিল্লাল হোসেন রনি (২৬), পিতা-মোঃ মতিউর রহমান, মাতা-রেহেনা বেগম, গ্রাম-শৌলমারী
(খান বাড়ী), থানা-ঝিনাইদহ সদর, জেলা-ঝিনাইদহ, বর্তমানে-পঞ্চবটি (হাজী বাড়ীর ভাড়াটিয়া),
থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ, ২। মোঃ রাকিব হোসেন রকিব (২৪), পিতা-মৃত আবুল কাশেম,
মাতা-হনুফা বেগম, গ্রাম-মিয়া বাজার, রামচন্দ্রপুর (সর্দার হাজী বাড়ী), থানা- চৌদ্দগ্রাম,
বর্তমানে গ্রাম-ভাটপাড়া (মন্দার বাড়ী), নানা-মৃত মন্দার, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরে জীবন্ত রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপ ধরে বনবিভাগে জমা দেওয়ার পর
আওয়ামী লীগের ঘোষিত পুরস্কারের অর্থ পেয়েছেন দুই ব্যক্তি।
এ দুজন ছাড়াও আরও একজনকে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকেলে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো.
ইশতিয়াক আরিফ জীবিত রাসেলস ভাইপার ধরা দুজনকে ৫০ হাজার করে ১ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার
বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুরস্কারের অর্থের চেক পাওয়া আজাদ শেখ বলেন, আমি জেলা আওয়ামী লীগের ঘোষিত পুরস্কারের
৫০ হাজার টাকা পেয়েছি। ধন্যবাদ জেলা আওয়ামী লীগ, তাদের কথা রাখার জন্য।
সোমবার দিবাগত রাতে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত অফিসে
দুজনের হাতে পুরস্কারের অর্থের চেক তুলে দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ
মো. ইশতিয়াক আরিফ।
পুরস্কার পাওয়া ব্যাক্তিরা হলেন—ফরিদপুর সদরের রেজাউল করিম ও আজাদ শেখ। শাহজাহান
নামের আরও একজনকে পরে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ বলেন, আমাদের
ঘোষণা অনুযায়ী তিন ব্যক্তিকে পুরস্কার বাবদ ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা। আমরা ঘোষণা
অনুযায়ী দুজনকে সোমবার রাতে আমার ব্যক্তিগত অফিসে ৫০ হাজার করে এক লাখ টাকা দিয়েছি।
আর একজনকে আমরা পুরস্কার দেব। সেটা দুই-একদিনের মধ্যে দিয়ে দেব। জেলা আওয়ামী লীগ তাদের
কথা রেখেছে।
প্রসঙ্গত, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন উপেক্ষা করে প্রথমে রাসেলস ভাইপার মারতে পারলে
গত ২০ জুন ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
শাহ মো. ইশতিয়াক। এ নিয়ে সমালোচনা হওয়ার একদিন পরে ২১ জুন জেলা আওয়ামী লীগ ওই ঘোষণা
থেকে কিছুটা সরে এসে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিজে সুরক্ষিত থেকে জীবিত রাসেলস
ভাইপার ধরে বনবিভাগে জমা দেওয়া হলে তাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হব। তবে জেলা
আওয়ামী লীগের এ সংশোধিত ঘোষণাও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থি। এ ঘোষণার পর রাসেলস
ভাইপার জীবিত ধরার জন্য তোড়জোর শুরু হয়ে যায় ফরিদপুর সদরসহ বিভিন্ন গ্রামে।
ইশতিয়াক আরিফ আরও বলেন, মৃত রাসেলস ভাইপার সাপ আনতে পারলে ও পরবর্তীতে জীবিত
রাসেলস ভাইপার ধরতে পারলে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। তবে প্রথমে মৃত রাসেলস ভাইপারের পুরস্কারের
কথাটা আমরা একটু ইমোশনাল হয়েই বলেছিলাম। তবে, এ ব্যাপারে নানা জনের নানা কথা শুনতে
হয় আমাদের, পরবর্তীতে জীবিত রাসেলস ভাইপার সাপ ধরতে পারলে পুরস্কারের ঘোষণা করেও নানা
কথা শুনতে হয় এবং আইনগত সমস্যা আছে বলে জানানো হয়। পরে আমরা উভয় পুরস্কারের ঘোষণা প্রত্যাহার
করে নিয়েছি। এরপর থেকে জীবিত কিংবা মৃত রাসেলস ভাইপারের জন্য কাউকে কোনো পুরস্কার দেওয়া
হবে না।
মন্তব্য করুন


মো:
মাসুদ রানা,কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
মুড়ি ভাজার কারখানা চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাদলা গ্রাম। মাহে রমজানকে সামনে রেখে দেশীয় মুড়ি ভাজার কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন ওই গ্রামের পালবাড়ির বাসিন্দারা। এ যেন কারিগরদের ধম নেয়ারও সময় নেই।
সরেজমিনে কাদলা গ্রামের পাল বাড়িতে গিয়ে কয়েকজন মুড়ি ভাজার কারিগরদের সাথে কথা হয়। ওই গ্রামের বিমল পাল,শ্যামল পাল, যুবরাজ,অমর পাল ও অজয় পাল জানান,মুড়ি ভাজা আমাদের বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত পেশা হিসেবে মুড়ি ভাজার কাজে আছি। সংসারের হাল ধরার একমাত্র উপার্জনক্ষন ব্যক্তি হিসেবে তারা বংশগত এ পেশার উপরেই নির্ভরশীল রয়েছেন বলেও তারা জানান।
তারা আরো জানান, মুড়ি ভাজতে অনেক পরিশ্রম হয়। বর্তমান যুগে মুড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় তাদের এখানে আগের মতো এখন আর কেউ মুড়ি ভাজতে আসে না। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ কেজি মুড়ি ২০ টাকা প্রতি কেজি ধরে ভাজা হয় প্রতিটি পরিবারে। প্রতি কেজি মুড়ি তারা ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি করেন। এক সময় এ গ্রামে ২৫টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে থাকলেও বর্তমানে ৩/৪টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ধানের দাম বেশি হওয়ায় এবং আধুনিক মেশিনে মুড়ি ভাজায় হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। তবে রমজান আসলে একটু চাহিদা থাকলেও বছরের অন্যান্য সময় অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয় তাদের। মুড়ি ভাজতে লবন, বালু লাগলেও এতে সহায়ক হিসেবে মাটির চুলা, লাকরি ও মাটির কড়াইয়ে মুড়ি ভাজা হয়। এতে এক একটি পরিবারের ৪ থেকে ৫ জন সদস্য সার্বক্ষনিক মুড়ি ভাজার কাজে সহায়তা করে থাকেন।
এমনি ভাবে কাদলা পাল বাড়ির অজয় পাল, যুবরাজ পাল, বিমল পাল, দিলিপ পাল, বিষ্ণু পদ পাল, বিমল পালের পরিবারও এ মুড়ি ভাজার কাজ করে তাদের সংসার চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তবে তারা জানান, এ পেশায় আগের মতো চাহিদা না থাকায় এবং লোকজন আগের মতো মুড়ি না ভাজায় বাধ্য হয়ে বংশগত পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে অনেকে।
তাদের দাবি বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত এ পেশা বদল করতে চাইলেও পারছে না এবং কাছা-কাছি এলাকায় বৃহৎ বাজার না থাকায় ইচ্ছা করলেও ব্যবসা করতে পারছে না তারা।
বিমল পাল,শ্যামল পাল ও অমর পাল জানান, চলতি বছর এক মন ধান ১৭-১৮শ টাকায় ক্রয় করতে হয়। মুড়ির দাম কম হওয়ায় এবং আগের মতো মানুষের হাতে ভাজা মুড়ি ক্রয়ে আগ্রহ না থাকায় এ পেশায় আমাদের এখন আর পোষে না। আমরা বাপ দাদার ঐতিহ্য পেশায় ধরে রাখলে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের ছেলেরা এ পেশায় থাকবে না। তারা আরো জানান, ইচ্ছা করলেই এ পেশা বদল করা যায় না। তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা এনজিও সংস্থার ঋণ সহায়তা নিয়ে এ পেশাকে এগিয়ে নিতে চান কাদলা গ্রামের মুড়ি ভাজার কারিগড়রা ।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার উপজেলার গুলবাহার এলাকা থেকে কচুয়া থনার এসআই মো. এনামুল হক ও এএসআই মফিজুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে গাঁজাসহ আটক করে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন মাছিমপুর গ্রামের মৃত. হোসেন আহম্মেদের ছেলে।
কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাসি চালিয়ে গাঁজাসহ আটকে করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী আলমীর হোসেনের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় মামলা দায়েরের পর চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ মিয়া ,কচুয়া:
জীবনযুদ্ধে হার না মানা এক যোদ্ধা আজগর হোসেন (৩০)। তিনি একজন দিনমজুর। দুর্ঘটনায় হারিয়েছেন একটি হাত। পুরো পরিবার এখন নির্ভরশীল তার এক হাতের ওপর। ঘরে ২ মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে আজগর হোসেনের সংসার। তার আয়ে কোনোরকম চলছে পরিবারটি।
এলাকায় কাজ না থাকলেও বর্তমানে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাঁচাইয়া মেসার্স এসএবি বিকস ফিল্ডে শ্রমিকের কাজ করের তিনি। ওই ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে যে টাকা উপার্জন করেন, তা দিয়ে চলে পরিবারটি।
জানা যায়, ২০ বছর আগে ইটভাটায় এক দুর্ঘটনায় আজগর হোসেন হারিয়ে ফেলেন তার ডান হাতটি। এক হাত না থাকলেও জীবন সংগ্রামে ঠিকে থাকার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। কোনো ভিক্ষাবৃত্তি না করে আত্মনির্ভরশীল হতে কাজ করছেন সে। তবে এমন বাস্তবতায় তিনি থেমে থাকেননি। এক হাত নিয়েই ধরেন সংসারের হাল। যদিও আগের চেয়ে তার উপার্জন কমেছে, তবুও পরিবারকে বাঁচাতে দিন রাত পরিশ্রম করে চলছেন আজগর হোসেন। আজগর হোসেন নোয়াখালী জেলার সুবর্নচর উপজেলার চররশিদ গ্রামের অধিবাসী আব্দুল মালেকের ছেলে। বর্তমানে সে কচুয়ার বাচাঁইয়া ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করছেন।
শ্রমিক মো. আজগর হোসেন বলেন, আমার জায়গা জমি বলতে ভিটেমাটি ছাড়া কিছুই নেই। ২০০৫ সালে ইটভাটায় কাজ করতে গিয়ে দূর্ঘটনায় আমার ডান হাতটি নষ্ট হয়ে কাটা পড়ে । আমি এই এক হাত দিয়ে ইটভাটায় মাটি কাটা, ইট সারিবদ্ধ সহ বিভিন্ন কাজ করে থাকি। তবে আমার এক হাত নেই বলে আগের মতো কেউ আর কাজে নিতে চায় না। শরীরে যতক্ষণ দম আছে এক হাতেই কাজ করে যাব, তবুও ভিক্ষার মতো নিচু কাজ করব না।
অন্য শ্রমিকরা বলেন, আজগর হোসেন ও তার পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। এক হাতের ওপর চলছে পুরো সংসার। মেয়ে ও পরিবারের খরচ যোগান দিতে না পারায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।
এ বিষয়ে মের্সাস এসএবি বিকস্ এর পরিচালক মো. এমরান হোসেন জনি বলেন, এ ইটভাটায় প্রায় শতাধিক শ্রমিক কাজ করে। কেউ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসেন। তারই মধ্যে আজগর হোসেন তার এক হাত নেই, তবুও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। তার মতো অন্যরা এভাবে কাজ করলেও হয়তো ভিক্ষাবৃত্তি রোধ করা যেত। আজগর হোসেন অনেক মানুষের অনুপ্রেরনা।
মন্তব্য করুন


শ্বশুরকে মোটরসাইকেল উপহার দিয়ে তাক লাগালেন জামাই। এ বিরল ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের দেউলী গ্রামে।
জামাই সাবিত হাসান পেশায় একজন ফ্রিল্যান্সার। বাবাহারা এই যুবক ছোটবেলা থেকে অনেক কষ্টের মধ্যে দিন পার করে বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। জ্ঞান হওয়ার পর থেকে তার ইচ্ছা ছিল কোনো বাবার কলিজার টুকরো কন্যা সন্তানকে ঘরে তুললে বিনা যৌতুকে বিয়ে করবেন। শুধু তাই নয় উলটো শ্বশুরকে উপহার দিবেন মোটরসাইকেল। যে কথা সেই কাজ বিয়ে হয়েছে প্রায় দুমাস আগে।
এ সময় তার শ্বশুরকে কথা দিয়েছিলেন একটি মোটরসাইকেল উপহার দেবেন। তার ইচ্ছামতো একটি মোটরসাইকেল সম্প্রতি উপহার দিলেন শ্বশুর আলী হোসেনকে। সাবিতের শ্বশুরবাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার গড়েয়া ইউনিয়নের গুঞ্জরগড় গ্রামে।
শশুর আলী হোসেন মোটরসাইকেল পেয়ে শুধু খুশি নয় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তিনি জানান, তার মনের মতো জামাই নয়, যেন ছেলে পেয়েছেন তিনি।
অপরদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় বেশ ধুম পড়ে যায়। এরকম ঘটনা সমাজে দৃষ্টান্ত বলে মনে করে স্থানীয়সহ বন্ধুরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোটবেলা থেকেই সাবিতের ইচ্ছা ছিল বিনা যৌতুকে বিয়ে এবং শ্বশুরকে উল্টো মোটরসাইকেল গিফট করা। তার ইচ্ছা পূরণ হলো।
জামাই সাবিত হাসান বলেন, বর্তমান সমাজে যৌতুক ও খুশি করে দেওয়া উপহার যেন ট্র্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই যৌতুক প্রথা ভাঙতেই তার এই মহৎ উদ্যোগ।
তার মতো সবাই শশুরকে উপহার নয় অন্তত বিনা যৌতুকে বিয়ে করবে এবং সমাজের যৌতুক প্রথার অবসান ঘটবে এমনটাই ইচ্ছা সাবিতের।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-কুমিল্লার মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির ১ লাখ ১৩ হাজার ৯শত টাকাসহ দুইজনকে আটক।
সোমবার ( ১৪ অক্টোবর) সকাল ৪:৪৫ মিনিট থেকে ৬:৪৫ মিনিট পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে লাকসাম থানাধীন খুন্তা দক্ষিণ পাড়াস্থ আসামী মোহাম্মদ আলীর নিজ ঘর এবং মিশ্রী মধ্যম পাড়াস্থ আসামী মো: মামুন এর নিজ ঘর থেকে ইয়াবা,গাঁজা ও টাকা সহ তাদের আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর সার্বিক তত্বাবধানে ও পরিদর্শক মো: সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা এর নেতৃত্বে এবং লাকসাম উপজেলা ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এর সার্বিক সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ডিএনসি কুমিল্লা, সেনা সদস্য, লাকসাম থানার পুলিশ সদস্য ও লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি মেডিকেল টিম অংশগ্রহণ করেন।
আটককৃত আসামীরা হলো-১/ লাকসাম থানাধীন মিশ্রী(মধ্যপাড়া) গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক এর ছেলে মো: মামুন (৪৪), ২/ খুন্তা দক্ষিণ পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদ এর ছেলে মোহাম্মদ আলী(৫০)।
আসামীদের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মো: সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বাদী হয়ে লাকসাম থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন

