

মহান
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
শুক্রবার
দিবাগত রাত ১২টা ৮ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি ভাষা
শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁতেই তিনি শহীদ মিনার
প্রাঙ্গণে পৌঁছান।
অমর
একুশের ঐতিহাসিক গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...আমি কি ভুলিতে পারি’
গানের সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করেন। তিনি ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে
থাকেন।
শ্রদ্ধা
নিবেদনের পর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
এ
সময় মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানরা,
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক
ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে
মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
দলের (বিএনপি) পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। নানা শ্রেণি-পেশার
মানুষ খালি পায়ে, হাতে ফুল নিয়ে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’
গানের আবহে শহীদ মিনারে আসেন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের
স্মরণে তারা শ্রদ্ধা জানান।
মন্তব্য করুন


আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসিফ ইমরান জিসান।
পাঁচজন আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। লুত্ফুজ্জামান বাবরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
মন্তব্য করুন


বিদ্যমান আইনকে
আরও শক্তিশালী করে প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন)
অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে এই
আইন কার্যকর হয়েছে।
সংশোধিত অধ্যাদেশে
পাবলিক প্লেসে ধূমপান করলে বিদ্যমান আইনে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা
করা হয়েছে। এ ছাড়া ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্যান্য অপরাধের শাস্তিও বাড়ানো
হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।
বার্তায় এ আইনের
মূল উদ্দেশ্যে বলা হয়, তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা
দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট,
ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমাজিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।
ধূমপান ও তামাকজাত
দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন:
১. ‘তামাকজাত
দ্রব্য’-এর সংজ্ঞা সম্প্রসারণ
তামাকজাত দ্রব্যের
সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, Electronic Necotin Delivery System (ENDS), Heated Tobacco
Product(HTP), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এরূপ যেকোন
পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এছাড়াও,
‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্য’-এর পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেস’-এর সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে
সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
২. পাবলিক প্লেসে
নিষেধাজ্ঞা
সকল পাবলিক
প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হয়েছে।
৩. বিজ্ঞাপন
ও প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক,
ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, OTT প্ল্যাটফর্মসহ সব মাধ্যমে তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ,
বিক্রয়স্থলে (Point of Sales) প্যাকেট প্রদর্শন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ, CSR কার্যক্রমে
তামাক কোম্পানির নাম/লোগো ব্যবহার এবং কোনো অনুষ্ঠান/কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির
আর্থিক সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রয় নিষিদ্ধ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রয় নিষিদ্ধ
করা হয়েছে।
৫. ই-সিগারেট
ও উদীয়মান তামাকপণ্য (ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টস) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
উৎপাদন, আমদানি,
রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। বিধান লংঘনে সর্বোচ্চ ৬ মাস
কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
৬. কুম্ভি পাতা
ও টেন্ডু পাতার বিড়ি নিষিদ্ধ
উৎপাদন, বিপণন
ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ পৃথক Bidi Manufacture (Prohibition) Ordinance, 1975 বাতিল
করা হয়েছে।
৭. আসক্তিমূলক
দ্রব্য মিশ্রণ নিষিদ্ধ
তামাক বা তামাকজাত
দ্রব্যের সাথে কোনো ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিধান
রাখা হয়েছে।
৮. স্বাস্থ্য
সতর্কবার্তা ও স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং
প্যাকেটের ৭৫%
জায়গাজুড়ে রঙিন ছবি ও সতর্কবাণী বাধ্যতামূলক স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত
দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৯. শাস্তি ও
প্রয়োগ জোরদার
জরিমানা ও কারাদণ্ডের
পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি, কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের
বিধান রাখা হয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনার বিধান সন্নিবেশ করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী সপ্তাহে সারা দেশ থেকে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা বিদায় নিতে পারে।
বুধবার (৯ অক্টোবর) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
বর্ধিত ৫ দিনে দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) সারা দেশ থেকে বিদায় নিতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও গণতন্ত্র পুনর্গঠনে গৃহীত ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম এবং ‘জুলাই
সনদে’র প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়েছে ইতালি।
ঢাকায়
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের
সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাত্তেও পেরেগো দি ক্রেমনাগো
এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে
দুই পক্ষ বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, অভিবাসন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন
ও গণভোট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এবং জুলাই সনদসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে
বিস্তৃত আলোচনা করেন।
জুলাই
সনদের প্রশংসা করে ইতালির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই সনদে উল্লিখিত ব্যাপক সংস্কার
কর্মসূচিকে ইতালি সমর্থন করে। একই সঙ্গে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের
গণতান্ত্রিক উত্তরণে রোমের অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
মাত্তেও
পেরেগো বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল এখন বৈশ্বিক রাজনীতির নতুন কেন্দ্রবিন্দু। এই অঞ্চলের
দেশগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির বাংলাদেশসহ, সম্পর্ক জোরদার করতে
চায় ইতালি, যাতে সামনে এগুনোর একটি যৌথ পথ তৈরি করা যায়।
তিনি
বলেন, ইতালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি সম্প্রদায় ভালোভাবেই একীভূত হচ্ছে। তবে ভূমধ্যসাগরীয়
পথে অবৈধ অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ইতালির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ
করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার
আগে তিনি চলতি বছরের মিলানো-কর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিককে একটি সামাজিক ব্যবসাভিত্তিক
আয়োজন হিসেবে নকশা প্রণয়নে যুক্ত ছিলেন।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, জাপান ও ইতালির মতো উন্নত দেশগুলোতে জনসংখ্যা দ্রুত বার্ধক্যের দিকে যাচ্ছে।
এ অবস্থায় এসব দেশে বৈধ অভিবাসন সম্প্রসারণের গুরুত্ব রয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে
তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বড় পরিসরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের
পর্যবেক্ষক দল মোতায়েনের জন্য তিনি ইইউ’র প্রশংসা করেন।
তিনি
বলেন, ভোটার উপস্থিতি শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদী। বিশেষ করে তরুণদের কথা উল্লেখ
করে তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের একটি ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শাসনামলে অনুষ্ঠিত ‘ভুয়া নির্বাচনে’
অনেক তরুণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি।
এ
সময় অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইতালির সমর্থন চান এবং প্রতিরক্ষা,
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে জাতীয় নিরাপত্তা
উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির
রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালামের ২৩ নভেম্বর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা গেছে,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব অনিয়মের তদন্ত করতে ৩০০ বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান কমিটি নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রতি জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩০০ আসনের জন্য ৩০০ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করল ইসি।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধানপূর্বক তৎমর্মে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠাবেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পাঠাবেন। এর পর তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক দায়িত্ব পালনকালে ০১(এক) জন বেঞ্চ সহকারী/ স্টেনোগ্রাফার/অফিস সহকারীকে সহকারী হিসেবে সঙ্গে নিতে পারবেন।
এদিকে জেলা প্রশাসককে ইসি নির্দেশ দিয়েছে , কমিটির কর্মকর্তাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে সার্বক্ষণিকভাবে জিপগাড়ি বা মাইক্রোবাস বা স্পিডবোট এবং ক্ষেত্রমতো প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহের ব্যাবস্থা রাখার।
একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তার স্বার্থে অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর ০২(দুই) জন অস্ত্রধারী সদস্যকে নিয়োগ করার জন্য সব পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপারকেও নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেক মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী
করে গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এজন্য তিনি আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, এই দুনিয়ার
মালিক একমাত্র আল্লাহ তাআলা, বেহেশত, দোজখ, সবকিছুর মালিক আল্লাহ। আর একটি দল ভোটের
জন্য বেহেশতের টিকিট দিচ্ছে। নির্বাচনের আগেই তো ঠকাচ্ছে। আমরা যারা মুসলমান তাদের
শিরক করাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ( ২ ২ জানুয়ারি ) দুপুর সিলেটের আলিয়া মাাদ্রাসা মাঠে
বিএনপির ধানের শীষের প্রথম জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে লাখ লাখ মানুষ এই মাঠে সমবেত
হয়েছেন। এই পরিবেশ ও সবার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে কয়েক হাজার মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে।
বিগত ১৫ বছরে ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে, আমরা হারিয়েছি জুনাইদকে, দিনারকে। বিএনপির
লাখ লাখ মানুষ খুন, মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আমলে উন্নয়নের নামে মানুষ
শুধু লুটপাট দেখেছে।
উদাহারণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘২০০৫ সালে বন্যার সময় সুনামগঞ্জ
এসেছিলাম, তখন আসতে মাত্র ৫ ঘণ্টা সময় লেগেছিল, এখন আসতে ১০ ঘণ্টা লাগে। এত সময় লাগে
না লন্ডন যেতেও। তথাকথিত নির্বাচন দিয়ে তারা শুধু ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার কেড়ে
নেয়নি। তারা উন্নয়নের নামে দেশের অর্থ বিদেশে নিয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ নির্বাচিত হলে
স্বৈরাচারমুক্ত দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি দেশের এ অবস্থার পরিবর্তন
করতে চায়। কৃষক কার্ড দিয়ে কৃষকের পাশে দাঁড়াতে চায়, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের
প্রত্যেকটি পরিবারের নারী পুরুষকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চাই। বেকার যারা আছেন,
তাদের আর বেকার থাকতে দেব না। তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে কাজে লাগাব।
তারেক রহমান স্লোগান ধরে বলেন, করব কাজ, গড়ব দেশ
সবার আগে বাংলাদেশ। এজন্য সবাইকে ধানের শীষের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের সময়
খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। এখন আমরা আবার শুরু করতে চাই। এতে কৃষকরা যেমন লাভবান
হবেন, তেমনিভাবে ওপার থেকে পানি ছেড়ে দিলেও বন্যায় ভেসে যাব না। তারেক রহমান বলেন,
আমরা সবসময় বলি দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। টেক ব্যাক বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের চেতনার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এ চেতনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা। বই প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো সেন্সরশিপের প্রশ্নই আসে না।
একজন পুলিশ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে উপদেষ্টা আজ এসব কথা বলেন। (খবর তথ্য বিবরণীর)
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, গতকাল থেকে একজন পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে একটি সংবাদ ছাপা হয়েছে-বই প্রকাশের আগে পুলিশ বা বাংলা একাডেমি পরীক্ষা করতে পারে। এ বিষয়ে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, বই ছাপার আগে পুলিশ বা অন্য কারো সেটা নিরীক্ষা করার প্রশ্নই আসে না। যে পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে এটা গতকাল থেকে বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হয়েছে তার কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সব রকম বিভ্রান্তি দূর করার জন্য জানানো যাচ্ছে- বই প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো সেন্সরশিপের প্রশ্নই আসে না। সরকার মত প্রকাশ ও লেখার স্বাধীনতায় পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির
দাফন সম্পন্ন হয়েছে। হাদির জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন তার বড় ভাই
আবু বকর সিদ্দিক।
আজ শনিবার
সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল
ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত
করা হয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটার
দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ
প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে
শহীদ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড়
ভাই আবু বকর সিদ্দিকের
ইমামতিতে এ জানাজা আদায়
করা হয়। জানাজা শেষে
তাকে দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় কবরস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া
হয়।
শহীদ
ওসমান হাদির নামাজে জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস,
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ
নেন।
জানাজার
আগে প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন,
ওসমান হাদি নির্বাচনে অংশ
নিতে চেয়েছিলেন এবং নির্বাচন কীভাবে
করা উচিত, তার একটি প্রক্রিয়াও
তিনি দেখিয়ে গেছেন।
তিনি
বলেন, হাদি যে নির্বাচনী
প্রক্রিয়ার শিক্ষা দিয়ে গেছেন, সেটি
আমাদের সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। কীভাবে
প্রচারণা চালাতে হয়, কীভাবে মানুষের
কাছে যেতে হয়- সবকিছুরই
শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন।
আমরা সেই শিক্ষা গ্রহণ
করেছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, হাদি কোথাও হারিয়ে
যাবে না। কোনোদিন তোমাকে
কেউ ভুলতে পারবে না। তোমাকে আমাদের
সবার পক্ষ থেকে আল্লাহর
কাছে আমানত রাখলাম। আমরা সবসময় তোমার
কথা রেখে জাতির অগ্রগতির
পথে চলতে থাকব।
ড. ইউনূস বলেন, আজ লাখ লাখ
মানুষ হাজির হয়েছেন। রাজপথে ঢেউয়ের মতো লোক আসছে।
এই মুহূর্তে কোটি কেটি মানুষের
চোখ এখানে। তারা তাকিয়ে রয়েছে
হাদির বিষয়ে জানার জন্য। প্রিয় ওসমান হাদি তোমাকে আমরা
বিদায় দিতে আসিনি। তুমি
আমাদের বুকের ভেতরে আছ। বাংলাদেশ যতদিন
আছে, ততদিন তুমি সব বাংলাদেশির
বুকে থাকবে। এটা কেউ সরাতে
পারবে না।
হাদির
কাছে ওয়াদা করে এসেছেন জানিয়ে
ড. ইউনূস বলেন, তুমি যা বলে
গেছ, সেটা যেন আমরা
পূরণ করতে পারি। সে
ওয়াদা করার জন্য আমরা
একত্রিত হয়েছি। সেই ওয়াদা শুধু
আমরা নয়, পুরুষানুক্রমে দেশের
সব মানুষ পূরণ করবে। তোমার
যে মানব প্রেম তোমার
যে ভঙ্গি, তোমার যে ওঠাবসা এবং
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তা নিয়ে সবাই
প্রশংসা করছে। সেটা যেন আমাদের
মনে সবসময় জাগ্রত থাকে।
মন্তব্য করুন


রপ্তানিকারকদের নগদ অর্থের চাহিদা পূরণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে রপ্তানিকারকরা তাদের রপ্তানি আয়ের বৈদেশিক মুদ্রা (যেমন ডলার বা ইউরো) ভাঙানো ছাড়াই তার বিপরীতে টাকার সুবিধা নিতে পারবেন।
আজ সোমবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে এই সোয়াপ সুবিধা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় রপ্তানিকারকদের ৩০ দিনের পুলে রক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রা ও রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবের বিপরীতে ‘বৈদেশিক মুদ্রা-টাকা সোয়াপ চুক্তি’ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।
সোয়াপ হলো এক ধরনের চুক্তি, যেখানে রপ্তানিকারক সাময়িকভাবে তার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করবে এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে একই পরিমাণ মুদ্রা ফেরত নেবে। এ সময়ের মধ্যে রপ্তানিকারক টাকার সুবিধা ব্যবহার করতে পারবে—অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা ধরে রাখার পাশাপাশি ব্যবসায়িক নগদ টাকার সংকটও মেটাতে পারবে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, এই সোয়াপ চুক্তি একটি নির্দিষ্ট হারে ও মেয়াদে টাকার বিনিময়ে বৈদেশিক মুদ্রার স্পট ক্রয় এবং একই সঙ্গে নির্ধারিত তারিখে পুনঃবিক্রয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। সোয়াপের মেয়াদ ইআরকিউ তহবিলের ব্যবহারযোগ্য সময়ের বেশি হবে না এবং ৩০ দিনের পুল তহবিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যেই সীমিত থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সোয়াপের হার নির্ধারণে বাজারভিত্তিক বা খরচভিত্তিক সুদ ও মুনাফার পার্থক্য বিবেচনায় নেওয়া যাবে। তবে এই লেনদেনকে ঋণ বা অর্থায়ন হিসেবে গণ্য করা হবে না। সোয়াপ থেকে প্রাপ্ত টাকা শুধুমাত্র রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ফটকা বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এই অর্থ ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে রপ্তানিকারকরা বৈদেশিক মুদ্রা ধরে রেখেও টাকার প্রবাহ বাড়াতে পারবেন। এতে একদিকে ডলার বাজারে চাপ কমবে, অন্যদিকে রপ্তানিকারকরা তাদের আয় আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


সিঙ্গাপুর জেনারেল
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জুলাই বিপ্লবের অগ্রসেনানী এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র
শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কঠোর অবস্থান নিয়েছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা
মাহফুজ আলম। তিনি হাদির খুনিদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সব
ধরণের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার
রাতে রাজধানীর শাহবাগ ও কারওয়ান বাজার এলাকায় হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ
মিছিলে অংশ নিয়ে মাহফুজ আলম এই দাবি জানান।
তিনি বলেন,
শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতরা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।
এই খুনিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সাথে কোনো ধরণের স্বাভাবিক
সম্পর্ক রাখা সম্ভব নয়।
মাহফুজ আলম
হাদিকে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি
বলেন, হাদির কণ্ঠ স্তব্ধ করতেই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। যারা এই খুনিদের
আশ্রয় দিচ্ছে, তারাও এই অপরাধের অংশীদার। তাই অবিলম্বে খুনিদের ফেরত আনার প্রক্রিয়া
শুরু করার জন্য তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর
বিজয়নগরে নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালীন মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি।
তদন্তে উঠে
এসেছে যে, হামলাকারী নিষিদ্ধ সংগঠনের এক নেতা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও এক সপ্তাহের লড়াই শেষে আজ রাত সাড়ে ৯টার
দিকে হাদি চিরবিদায় নেন।হাদির এই ‘শহীদি মৃত্যু’র পর রাজপথে নেমে আসা ছাত্র-জনতার সাথে
একাত্মতা প্রকাশ করে মাহফুজ আলম বলেন, "আমাদের লড়াই আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং
হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেব না।
মন্তব্য করুন