

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেটে নির্বাচনী
প্রচারনার প্রথম জনসভায় বলেছেন, দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে
বাংলাদেশ। টেক ব্যাক বাংলাদেশের অর্ধেক পূরণ করেছি, স্বৈরাচারমুক্ত করেছি। ১২ ফেব্রুয়ারি
ধানের শীষ নির্বাচিত হলে স্বৈরাচারমুক্ত দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে। ধানের শীষকে
জয়যুক্ত করতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটে প্রথম
নির্বাচনি জনসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি তার বক্তব্যে গত ১৬ বছর এই দেশকে অন্য দেশের
কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উপস্থিত নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে এসময় বিএনপির চেয়ারম্যান
জানতে চান, তারা ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে পারবেন কি না; সবাই হাত নেড়ে হ্যাঁ সূচক
ইঙ্গিত দেন। তারেক রহমান এসময় বলেন, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, বিএনপির সরকার ,মা–বোনদের স্বাবলম্বী
করে গড়ে তুলতে চায়। সিলেটের বহু মানুষ বিদেশে যায়। আমরা মানুষকে ট্রেনিং দিতে চাই।
সুযোগ তৈরি করতে চাই।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিগত ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম
করে দেশের জনগণের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। তথাকথিত উন্নয়নের
নামে অর্থ লুট করে নেওয়া হয়েছে। এই অবস্থার উন্নয়ন করতে চাই।
তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। দেশে-বিদেশে
বসে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের থেকে সচেতন থাকতে হবে। দেশের মানুষ আগেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে
ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে। আগামীতেও জনগণ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত দ্রুতই
শুরু হবে।
সোমবার (৪ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শনের
পর এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম বলেন, ‘বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত অবশ্যই হতে হবে। আর সেটা দ্রুতই হবে।’বি
জিবি সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে
না। চোরাচালান যেন না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার
পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে (বর্তমান নাম বিজিবি) বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ
৭৪ জন নিহত হন। এই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস
বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে মুক্তি আটকে আছে ৪৬৮ বিডিআর সদস্যের।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের দেশে হিন্দু-বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মের
মানুষেরা আছে। ধর্ম টেনে আনলে পক্ষপাতিত্ব হয়ে যাবে। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ঠিক
নয়।
আজ
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাঁও দাখিল মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী
গণসংযোগে এসব মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘১৫ বছর মামলা আর পুলিশের তাড়ায় ছিলাম। এমন কেউ নেই বিএনপির যে মামলা হয়নি।
৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে দিয়েছে সাড়ে ৭ হাজার। অনেক কষ্ট
হয়েছে, টাকা খরচ হয়েছে। হাসিনা পালানোর পর মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ যা করেছে
তা আমাদের দলের কেউ করবে না।’
তিনি
আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির পার্থক্য হলো—বিএনপি
পরীক্ষীত দল। আমাদেরকে আপনারা সবাই চেনেন। ক্ষমতায় এলে মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া
হবে। কার্ড দিয়ে ন্যাযমূল্যে চাল-ডাল, আটা পাবেন। হাসপাতালে গেলে চিকিৎসা পাবেন। সন্তানদের
শিক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারবেন। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। সার-বিষ ন্যায্যমূল্যে
পাওয়া যাবে।’
মন্তব্য করুন


ইন্দোনেশিয়ার মান্যবর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী Armanatha Christiawan Nasir আজ সেনা সদরে সেনাপ্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তাঁরা বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার এবং সামরিক ও নিরাপত্তা খাতে পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক লাখ সেনা সদস্যসহ মোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্য মোতায়েন করা হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আজ বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা
পরিষদ কমিটির ২০তম সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
তিনি
বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ
বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে সদস্য মোতায়েন করা হবে। এরমধ্যে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর সদস্য থাকবে ১ লাখ, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ৫ হাজার, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী
৩ হাজার ৭৩০ (স্থলভাগ-১ হাজার ২৫০), বাংলাদেশ পুলিশ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, বাংলাদেশ আনসার
ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৭
হাজার ৪৫৩, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাব ৭ হাজার ৭০০, এবং সাপোর্ট সার্ভিস
হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ সর্বমোট ৮ লাখ ৯৭
হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।
উপদেষ্টা
বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রথম পর্বে চলমান যারা মোতায়েন রয়েছেন, তারা বলবৎ
থাকবেন। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি
বলেন, পুলিশ, আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং র্যাবের
সমন্বয়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এ সমন্বয় সেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
তিনি
আরো বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য
এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর। সেজন্য জাতীয় নির্বাচনে জনআকাঙ্ক্ষা
বাস্তবায়ন ও নিশ্চিতকরণে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা
গ্রহণ আমাদের নিকট সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আর এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে
কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,
জুলাই জাতীয় সনদে যা কিছু আমরা সম্মত হয়েছি, তার সব কিছুই ধারণ করবো।
তিনি
বলেন, ‘শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও জনসাধারণের প্রত্যাশা নিয়ে আমরা কথা বলবো।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আজ বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারী দলের সংসদীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে এ কথা বলেন।
এ
সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল শুরু
হবে, রাষ্ট্রপতি সংসদীয় বিধি মোতাবেক স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
এরপর অধিবেশন বসবে, সেই অধিবেশনে প্রথমে সভাপতিমন্ডলির প্যানেল ঘোষণা করা হবে। এরপর
শোক প্রস্তাব আসবে এবং শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনা হবে।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ অধিবেশন চলাকালীন সংসদে
আইনমন্ত্রী উপস্থাপন করবেন। কার্যউপদেষ্টা কমিটিসহ বেশ কয়েকটি সংসদীয় কমিটিও গঠন করা
হবে। প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি
বলেন, কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠক পরদিন অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৫ মার্চ অধিবেশন আরও একদিন
চলার পর বিরতি হতে পারে।
মন্তব্য করুন


দেশে
ফেরার পর সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি
ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার
(২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১টা ৫০ মিনিটের দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ পোস্টটি প্রকাশ
করা হয়।
পোস্টে
তারেক রহমান দেশে ফেরার সময় পাওয়া শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও সহযোগিতার জন্য সর্বস্তরের
মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ফেসবুক
পোস্টটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে
পড়ে। নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মন্তব্য ও শেয়ার দিয়ে তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
দলীয়
সূত্র জানায়, তারেক রহমানের এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশকে দেশে ফেরার পর তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক
প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বন্যার্তদের সেবায় নিঃস্বার্থ পেশাগত দায়িত্ব এবং অনন্য মানবিকতার দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করায় রোববার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪), সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, লেফটেন্যান্ট মো: বায়েজিদ বোস্তামী ও ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজনের সাথে সেনাসদরে সাক্ষাৎ পূর্বক ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান তাদের সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রাণিত করেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর নবীন অফিসার লেফটেন্যান্ট মোঃ বায়েজিদ বোস্তামী এক উদাহরণস্বরূপ অবদান রেখেছেন। গত ২২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাতে তিনি প্রায় ৩৫০ জন এর অধিক বন্যার্তদের উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে ছিলেন শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা,বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি সহ অনেকেই।
এছাড়া ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজন ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ভুজপুর এলাকায় বন্যার্তদের উদ্ধারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গত ২৩ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাটুকে সিঁড়ি বানিয়ে অসুস্থ,গর্ভবতী মহিলাদের ট্রাকে উঠতে সহায়তা এবং বন্যা কবলিত এলাকায় অসহায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীফ অব জেনারেল স্টাফ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী; জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া এবং উক্ত সেনা সদস্যদের অধিনায়কগণ।
তরুণ সেনা সদস্যগণের মতোই দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ সেনাবাহিনীর প্রত্যেক সদস্য কাজ করে যাচ্ছে দেশবাসীর সেবায়। তারুণ্যের এই সহমর্মিতা ও মানবতাবোধ হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস।
মন্তব্য করুন


বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অর্থ আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরানোর কাজ শুরু করেছে সরকার।
এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বিএফআইইউ, পুলিশের সিআইডি ও দুদকের সহায়তায় আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচার করা অর্থ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।
সরকার খুব শিগগির একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করবে, যারা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যাংকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করবে এবং ব্যাংকগুলোর
পুনর্গঠনের জন্য ছয় মাসের মধ্যে একটি বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করবে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও প্রতারণার মাধ্যমে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিদেশে পাচার করেছেন। এর সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলমান আছে। এই আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ লক্ষাধিক কোটি টাকার ওপরে বলে ধারণা করা যায়।
অর্থ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার সহায়তা চেয়ে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করা হয়েছে।
এ ধরনের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতিমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে
সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
নতুন ব্যবস্থাপনা
কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা এসব অর্থের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তাদের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নির্ণয়ে অডিট কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের লক্ষ্য হলো সব আন্তর্জাতিক
মানদণ্ড পরিপালনে সক্ষম একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং খাত গড়ে তোলা। তবে এই উদ্দেশ্য অর্জনের কার্যক্রম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কারিগরি সহায়তা ও অর্থের প্রয়োজন হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার অর্থ আত্মসাৎকারীদের দেশি-বিদেশি সম্পদ অধিগ্রহণ ও বিদেশ থেকে ফেরত এনে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে। ব্যাংকগুলোর এই পুনর্গঠন ও আর্থিক খাতের কাঠামোগত সংস্কার সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে সরকার বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আন্তর্জাতিক
মানের করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
মন্তব্য করুন


পহেলা
বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। উদ্বোধনী দিনে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কৃষকদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ
করবেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায়
এই কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।
মঙ্গলবার
(১৭ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়ন
সংক্রান্ত সেলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর
রহমান রুমন এ তথ্য জানান।
আতিকুর
রহমান রুমন জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ মোট ১১ উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম
শুরু হবে। প্রথম ধাপে এসব উপজেলার ২১ হাজার ৫০০ কৃষকের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে
অর্থ সহায়তা পৌঁছে যাবে।
অতিরিক্ত
প্রেস সচিব বলেন, ‘এই কার্ড কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষি ও খামারিদের দেওয়া
হবে। এটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র
শ্রেণির কৃষককে কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য প্রণোদনা হিসেবে বছরে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া
হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সার, বীজ, কীটনাশক ও পশু খাদ্য ক্রয় করতে পারবেন।’
টাঙ্গাইল
ছাড়া অন্য উপজেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা,
পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সাবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর,
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজারের জুড়ী।
বৈঠক
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য
পরিচিতি নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি কৃষি ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা, বীজ ও সার বিতরণসহ বিভিন্ন
সরকারি সহায়তা আরো স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে।
বৈঠকে
ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়েও
আলোচনা হয়।
বৈঠকে
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিন, মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ
আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলম এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা
রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপিস্থত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার সড়কে দেখা মেলে শতবর্ষোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের, যিনি খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে মাদারীপুর থেকে এসেছেন।নিজেকে মৌলভী আব্দুর রশিদ পরিচয় দিয়ে তিনি জানান, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। তার দেশপ্রেম ও আদর্শ তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করত। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার জানাজায়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। সেই সময়েও মানুষের ঢল নেমেছিল বলে স্মৃতিচারণ করেন এই প্রবীণ ব্যক্তি।মৌলভী আব্দুর রশিদের ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেমের প্রতিচ্ছবি তিনি খালেদা জিয়ার মধ্যেও দেখেছেন। তার মতে, নানা চাপ ও প্রতিকূলতার মুখেও খালেদা জিয়া কখনো নৈতিক অবস্থান থেকে সরে যাননি।নিজের বয়স ১১০ বছর উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন কারাবরণ ও নানা নির্যাতনের শিকার হয়েও খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। তার মতো নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি মনে করেন, দেশ একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক নেত্রীকে হারিয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে না পারলে আজীবন আফসোস থেকে যেত—এই কারণেই অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি ছুটে এসেছেন।প্রসঙ্গত, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে জানাজা শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক জানাজায় ইমামতি করেন।জানাজাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ আশপাশের এলাকা—বিজয় সরণি, খামারবাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ ও মোহাম্মদপুর পর্যন্ত বিপুল মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
মন্তব্য করুন