

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত মাহতাবের বাড়িতে এসে স্বজনদের সাথে দেখা করেছেন বিমান বাহিনীর প্রতিনিধি দল।
রোববার দুপুরে মাহতাবের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের উখারী গ্রামে আসেন তারা৷ বিমান বাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে আসা প্রতিনিধি দল নিহত মো. মাহতাব রহমান ভুইয়ার সমাধীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার মো. আতিক হাসান পিএসসি, মাহতাবের বাবা মো. মিনহাজুর রহমান ভুইয়া।
উইং কমান্ডার আতিক হাসান বলেন, বিমান বাহিনী এবং বিমান বাহিনীর প্রধানের পক্ষ থেকে প্রয়াত মাহাতাবের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়েছে। আমরা শোকাহত। সারাদেশবাসী দোয়া করছি যেন এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারি। যারা আহত আছেন তারাও যেন দ্রুত আরোগ্য লাভ করতে পরে আমরা দোয়া করছি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা পছন্দের প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত।
২১ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে থেকে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার এপিএস এম এ মতিন খান পেয়েছেন তালা প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।
কুমিল্লা ৭ চান্দিনা আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আতিকুল আলম পেয়েছেন কলস মার্কা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এলডিপির সাবেক মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ।
কুমিল্লা ৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করছেন ৮০ জন প্রার্থী। ৮০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭৬ জন তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এর মধ্যে তিনজন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এবং একজন হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, কুমিল্লার ১১টি আসনে ২৫টি দলের ৭৬ জন প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থী হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন, এটা যাচাই-বাছাই করছি।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৫।
আজ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিকেল ৩টায় বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
উদ্বোধনের পর বিকেল ৫টা থেকে মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
এবারের অমর একুশে মেলায় গণ অভ্যুত্থানের নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বইমেলায় থাকছে ‘জুলাই চত্বর’। মেলায় বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হবে গণঅভ্যুত্থানকে।
১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত সাড়ে ৮ টার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিন বইমেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯:০০টা পর্যন্ত (৮ ফেব্রুয়ারি ও ১৫ ফেব্রুয়ারি ছাড়া)। ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মেলা শুরু হবে সকাল ৮ টায় এবং চলবে রাত ৯ টা পর্যন্ত।
এবারের বইমেলায় মোট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৭০৮টি, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১৯৯টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৬০৯টি; মোট ইউনিট ১০৮৪টি (গত বছর প্রতিষ্ঠান ছিল ৬৪২টি এবং ইউনিট ছিল ৯৪৬টি)। এবার মোট প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৩৭টি, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ০১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬টি; (গত বছর প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ছিল ৩৭টি)। লিটল ম্যাগাজিন চত্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায়। সেখানে প্রায় ১৩০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিশু চত্বরে মোট প্রতিষ্ঠান ৭৪টি এবং ইউনিট ১২০টি (গত বছর প্রতিষ্ঠান ছিল ৬৮টি এবং ইউনিট ১০৯টি)।
বাংলা একাডেমির ৩টি প্যাভিলিয়ন এবং শিশুকিশোর উপযোগী প্রকাশনার বিপণনের জন্য ১টি স্টল থাকবে। ৮ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যতীত প্রতি শুক্র ও শনিবার মেলায় সকাল ১১ টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। অমর একুশে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। এবারের মেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে নতুন ৪৩টি ও পুনর্মুদ্রিত ৪১টি বই। বইমেলায় বাংলা একাডেমি এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ ছাড়ে বই বিক্রি করবে। প্রতিদিন বিকেল ৪টায় বইমেলার মূল মঞ্চে সেমিনার এবং সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন ও বিনিয়োগ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামীকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সফর। এই সফরে অনেকগুলো সমঝোতা স্বাক্ষর হবে। এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হবে। সফরের মূল ফোকাস অভিবাসন নিয়ে আলাপ, দ্বিতীয় ফোকাস হচ্ছে বিনিয়োগ।
রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফর নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচবি শফিকুল আলম বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের জনশক্তি খাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। আমরা আমাদের অভিবাসন এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারি-যাতে মালয়েশিয়া আমাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি নেয়। এগুলো নিয়ে কিছু আলাপ হবে এবং এটার আলোকে কিছু চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তিনি বলেন,মালয়েশিয়ার বড় বড় যেসব কোম্পানি আছে—তাদের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে কথা হবে। আগামী ১২ আগস্ট একটি বিজনেস কনফারেন্স আছে। এরপর ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টাকে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম) সম্মানসূচক ডিগ্রি দেবে। এই অনুষ্ঠানে আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীম উপস্থিত থাকবেন । মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১২ আগস্ট একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আছে। সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে সুসম্পর্ক আছে, সেটা একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহা-পরিচালক শাহ আসিফ রহমান বলেন, আগামী ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। তার সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল যাচ্ছেন। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন হারুন।
তিনি আরও জানান, সফরের প্রথম দিন প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হবে, সেখানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল প্রধান উপদেষ্টাকে গ্রহণ করবেন। ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। বৈঠকের পর দুদেশের প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হবে তা হলো প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা; এলএনজি ও পেট্রোলিয়াম সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণসহ জ্বালানি সহযোগিতা; বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ মালয়েশিয়া (আইএসআইএস); বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) ও চিপ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিমোস (এমআইএমওএস) এর সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক চেম্বার এফবিসিসিআইর সঙ্গে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক চেম্বারের মধ্যে সমঝোতা।
সম্ভাব্য এক্সচেঞ্জ নোটগুলো হলো হালাল ইকোসিস্টেম, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি এবং উচ্চ শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বিষয়ক নথি সই।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’
অ্যাপে প্রবাসী নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫০টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে
এসে পৌঁছেছে।
আজ
মঙ্গলবার ( ০৩ ফেব্রুয়ারি ) প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’
প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসস’কে এ তথ্য জানান।
সালীম
আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’
অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো
হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ
৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতোমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।
এছাড়া,
৪ লাখ ২৩ হাজার ৭১২ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক
বিভাগে জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৬ হাজার ৪২টি ব্যালট ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তারা
বুঝে পেয়েছেন।
বিদেশের
পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) অবস্থানরত ভোটারদের কাছেও পোস্টাল ব্যালট পাঠানো
শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫০৭ জন
নিবন্ধিত ভোটারের ঠিকানায় ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
ইসির
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত দেশের ভেতরে ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৬৮
জন ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ৯৬ হাজার ৬৩২ জন ভোট দিয়েছেন এবং ৭০
হাজার ৮১০ জন তাদের ব্যালট পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তারা
এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৬৫৫টি ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
সালীম
আহমাদ খান আরও জানান, এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের
মাধ্যমে ভোট দিতে দেশে ও প্রবাসে মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার ‘পোস্টাল
ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন।
মন্তব্য করুন


দেশে
মাদক সেবনকারীর সংখ্যা বর্তমানে আনুমানিক ৮২ লাখে পৌঁছেছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায়
৪.৮৮ শতাংশ। গাঁজা সেবনকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৬১ লাখ। এছাড়া ইয়াবা, অ্যালকোহল,
কফ সিরাপ, হেরোইনসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন চলছে।
বাংলাদেশ
মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড যৌথভাবে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত
দেশব্যাপী এই গবেষণাটি সম্পন্ন করেছে। এতে দেশের ৮ বিভাগে ১৩ জেলা ও ২৬ উপজেলা থেকে
তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
গবেষণায়
দেখা গেছে ময়মনসিংহ (৬.০২%), রংপুর (৬.০০%) ও চট্টগ্রাম (৫.৫০%) বিভাগে মাদক ব্যবহারের
হার সর্বোচ্চ। ঢাকা বিভাগে সংখ্যার বিচারে সর্বাধিক মাদক ব্যবহারকারী রয়েছে, প্রায়
২২.৯ লাখ।
গুরুত্বপূর্ণ
বিষয় হলো, মাদকসেবীদের অধিকাংশই তরুণ। ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮-১৭ বছর বয়সে এবং ৫৯
শতাংশ ১৮-২৫ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেছে। বেকারত্ব, পারিবারিক অস্থিরতা,
মানসিক চাপসহ বিভিন্ন সামাজিক কারণে মাদক সেবন বাড়ছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী
জানিয়েছে মাদক সহজলভ্য।
গবেষণায়
উঠে এসেছে, মাত্র ১৩ শতাংশ মাদকসেবী চিকিৎসা বা পুনর্বাসনের সুযোগ পেয়েছেন। সেবাদানের
অভাবে অনেকেই মাদক ত্যাগে ব্যর্থ হচ্ছেন। ৬৯% মাদকসেবী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ
এবং ৬২% কাউন্সেলিং সেবা চেয়েছেন।
বাংলাদেশ
মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, মাদক
সমস্যা শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি জটিল জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সমস্যা। তাই
রাজনৈতিক সংকল্প এবং গবেষণার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
মাদক
নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ জানান, বর্তমানে দেশের মানুষের মধ্যে
মাদকাসক্তির ঝুঁকি বেড়েছে। সরকার ইতিমধ্যে ৭ বিভাগে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট পুনর্বাসন কেন্দ্র
চালুর অনুমোদন দিয়েছে। পরিবার থেকে শুরু করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক নির্মূল
নিশ্চিত করতে হবে।
গবেষণার
ফলাফল দেশের মাদক নীতি প্রণয়ন ও কার্যক্রমের জন্য মূল্যবান তথ্য হিসেবে কাজ করবে বলে
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
মন্তব্য করুন


লাখো
মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা আর গভীর শ্রদ্ধায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা আজ বুধবার বেলা ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম এই জানাজায় অংশ নিতে আসা মানুষের ভিড় সংসদ ভবন
এলাকা ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে এক মহাসমুদ্রে রূপ নেয়।
জাতীয়
মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজার নামাজ পড়ান। দুপুর ২টায় জানাজা
শুরুর সময় নির্ধারিত থাকলেও ভোর থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায় মানুষের
ঢল নামে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অগণিত মানুষ প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো
এক নজর দেখতে রাজধানীজুড়ে জনস্রোত তৈরি করে।
জানাজায়
অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীরা জানান, বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু জনগণের অধিকার
আদায়ের সংগ্রামে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আজ কৃতজ্ঞ জাতি তার শেষ বিদায়বেলায় সেই ভালোবাসারই
বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। দীর্ঘ ৪৫ বছরের রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি যে জনপ্রিয়তার দৃষ্টান্ত
স্থাপন করেছেন, আজকের এই মহাসমুদ্র তারই প্রমাণ।
সাবেক
এই প্রধানমন্ত্রীর জানাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসসহ দেশি-বিদেশি শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদেশি অতিথিদের মধ্যে পাকিস্তানের
স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং নেপাল, ভুটান ও
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন।
দেশের
নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
জানাজায় শরিক হন। জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজার আগে তাঁর জীবন ও কর্ম সবার উদ্দেশে তুলে ধরেন বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়াও পরিবার ও দলের পক্ষ্য থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। এর আগে আজ সকালে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার
হাসপাতাল থেকে শেষবারের মতো গুলশানের বাসভবনে নেওয়া হয়। পরে কফিনবাহী গাড়িটি দুপুর
পৌনে ১১টার দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে পৌঁছালে সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহের সঙ্গে লাল-সবুজ রঙের বাসে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের বড় ছেলে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা
রহমান ও পরিবারের অন্য সদস্যরা জানাজাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা
উপলক্ষ্যে সংসদ ভবন ও মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ,
র্যাবের পাশাপাশি ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জানাজা শেষে এখন মরদেহ শেরেবাংলা
নগরে নেওয়া হচ্ছে। বিকেল সাড়ে ৩টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে
পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন
অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর বিদায়ে
সরকার দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও আজ বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। প্রিয় নেত্রীর
মৃত্যুতে সমগ্র দেশ এখন শোকাতুর।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ
আলম বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলচ্চিত্র সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে উদ্যোগ
নিতে হবে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ
ফিল্ম আর্কাইভ পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সম্ভাবনার
কথা উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক দলিলাদি এবং দেশি বিদেশি
চলচ্চিত্র সংরক্ষণে ফিল্ম আর্কাইভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রামাণ্যচিত্র সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা
তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিল্ম আর্কাইভকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি কেন্দ্রিক প্রামাণ্যচিত্র
সংগ্রহ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে। আর্কাইভে মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠদের সাক্ষাৎকার
ভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র সংরক্ষণেরও তাগিদ দেন তিনি।
ফিল্ম ম্যাগাজিন সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ
করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন
গ্রন্থাগার থেকে গত ৫০ বছরের ফিল্ম ম্যাগাজিন
সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা
অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন থেকেও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট প্রমাণক
সংগ্রহ করতে হবে।
তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, বর্ষীয়ান
ও গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতাদের লেখা ও সাক্ষাৎকার সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। আর্কাইভে
সংরক্ষিত সকল ফিল্মের ডিজিটাল ক্যাটালগ প্রস্তুত করতে হবে। এর ফলে চলচ্চিত্র গবেষক
ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন। উপদেষ্টা ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের পক্ষ
থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। বক্তব্যে তিনি ফিল্ম আর্কাইভের
কার্যক্রম, সীমাবদ্ধতা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
উক্ত সভায় ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক
ফারহানা রহমানসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার পূর্বে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ফিল্ম আর্কাইভের প্রজেকশন হল, ফিল্ম মিউজিয়াম, ফিল্ম হাসপাতাল, ফিল্ম ভল্ট ও লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


প্রথমবার আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। রোববার (২৫ জানুয়ারি) টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল।
বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দলের এই ঐতিহাসিক জয়ে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই অভিনন্দনের কথা জানানো হয়।
অভিনন্দন বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের এই সাফল্য দেশের ক্রীড়াজগতের জন্য গর্বের বিষয়। নারী ক্রীড়াবিদদের অদম্য মানসিক শক্তি, কঠোর পরিশ্রম এবং দক্ষতার প্রতিফলন হিসেবেই এই অর্জন এসেছে।
তিনি বিজয়ী দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি বলেন, এই সাফল্য দেশের তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করবে।
বার্তার শেষে প্রধান উপদেষ্টা ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
ঝিগাতলা এলাকা থেকে জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) নেত্রী জান্নাত আরা রুমির ঝুলন্ত
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি এনসিপির ঢাকা
মহানগর দক্ষিণের (ধানমন্ডি থানা) সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার
সকালে ঝিগাতলার জান্নাতী ছাত্রী হোস্টেল থেকে তার মরদেহ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
পাঠানো হয়।
হাজারীবাগ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ঝিগাতলা পুরান কাঁচা বাজারের পাশে অবস্থিত একটি
ছাত্রী হোস্টেল থেকে জান্নাত আরা
রুমির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
এটি আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড—তা
নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি
তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, রুমি পারিবারিকভাবে মানসিক
চাপে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা
গেছে।
নিহত
জান্নাত আরা রুমি নওগাঁ
জেলার পত্নীতলা থানার নাজিরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মো.
জাকির হোসেন এবং মা নুরজাহান
বেগম।
নিহতের
সাবেক স্বামী মো. বিপ্লব সরকার
জানান, চার থেকে পাঁচ
মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ
হয়। এর আগেও রুমির
আরেকটি বিয়ে হয়েছিল, সেখানেও
তার ডিভোর্স হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রথম
স্বামীর ঘরে রুমির আট
বছরের একটি মেয়ে এবং
তার সঙ্গে সংসারে সাড়ে তিন বছরের
একটি ছেলে রয়েছে। দীর্ঘ
কয়েক মাস ধরে রুমির
সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ
ছিল না।
জান্নাত
আরা রুমি আগে একটি
বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ২০২৪ সালের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং
এর পর এনসিপির রাজনীতিতে
যুক্ত হন।
হাজারীবাগ
থানার উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ
ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে সিলিং
ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায়
ঝুলতে দেখতে পায়। হোস্টেলের কাজের
বুয়া সকালে দরজায় ধাক্কা দিলে দরজা খুলে
যায় এবং ভেতরে ঢুকেই
এ দৃশ্য দেখতে পান।
তিনি
আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ
তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, পরিস্থিতি জটিল না হলে গ্যাস-বিদ্যুতের
দাম বাড়ানো হবে না। আমরা চাই দাম সহনীয় রাখতে। চেষ্টা করবো জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে।
আপাতত নির্বাহী আদেশে আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। যে সব প্রকল্প
চুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে, সেগুলো বন্ধ থাকবে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদ
সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিদ্যুৎ জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর দুপুরে প্রথম সচিবালয়ে
আসেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, নির্বাহী আদেশে
আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। দাম সমন্বয় করতে হলে বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। অতিরিক্ত যেকোন ব্যয় বন্ধ করে মিতব্যয়িতা নীতি গ্রহণ
করতে হবে, কিন্তু কাজ কমানো যাবে না। কম অর্থে বেশি কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন