

যশোরের
শার্শা উপজেলার একটি ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (সুপার) এর বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে
দীর্ঘদিন ধরে কু-প্রস্তাব দেওয়াসহ হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক।
এ
ঘটনায় বুধবার (১ জুলাই) ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ
করেন।
অভিযোগে
উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার সামটা ছিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে
একই প্রতিষ্ঠানের সুপার মমিনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি
নিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী ভয়ে দীর্ঘদিন পরিবারের কাছে বলতে পারেনি। পরে অভিযুক্তের আচরণ
অসহনীয় হয়ে উঠলে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।
এতে
আরও বলা হয়, অভিযুক্তের প্রস্তাবে রাজি না হলে পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়া, বিভিন্নভাবে
ক্ষতি করার হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি ১৮ জুন রাতে অভিযুক্ত বাড়িতে গিয়ে
ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তিনি জোরপূর্বক ঘরে
প্রবেশের চেষ্টা এবং ছাত্রীর হাত ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করেন।
এরপর
২৯ জুন অভিযুক্ত মাদরাসা সুপার ছাত্রীর বাবার হাতে টিসি (স্থানান্তর সনদ) দিয়ে তার
মেয়ের নাম প্রতিষ্ঠান থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে বলে জানান। বর্তমানে ভুক্তভোগী ছাত্রী
ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা
জানায়, এর আগেও একই সুপারের বিরুদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ
নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত
হয়। এতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। নতুন করে থানায় লিখিত অভিযোগ করায় বিষয়টি
আবারও আলোচনায় এসেছে।
শার্শা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ডিমসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক
রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালনা করেন।
আজ (৫ অক্টোবর) শ্যামবাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসায়ীবৃন্দের সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন মতবিনিময় সভা করেন এবং ব্যবসায়ীদের সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করার পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
মতবিনিময় সভা শেষে ডিমসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন এঁর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরের শ্যামবাজার এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোজাম্মেল হক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব দাউদুল ইসলাম, অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল জলিল, পরিচালক (কার্যক্রম ও গবেষণাগার) ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেনসহ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় ও ঢাকা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের উপপ্রধান মাহমুদুল হাসান, ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতিনিধি, ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর আহ্বায়ক হাফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন বাজার তদারকির সময় ব্যবসায়ীদের সংশ্লিষ্ট আইন মেনে যৌক্তিক মূল্যে পণ্য বিক্রয় করার কথা বলেন এবং পণ্যের যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিতসহ ব্যবসা সংশ্লিষ্ট কোন সমস্যা থাকলে তা সমাধানের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তথা সরকার সার্বিক সহযোগিতা করবে মর্মে জানান।
অপরদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ৬টি টিম কর্তৃক ঢাকা মহানগরের শ্যামবাজার, কারওয়ান বাজার, কাপ্তান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউনহল মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়৷
কারওয়ান বাজারে পরিচালিত অভিযানে ডিম, মুরগী, মাছ, মাংস ও চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের বাজার তদারকি করা হয়। এসময় মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, ধার্যকৃত মূল্য অপেক্ষা বেশি মূল্যে পন্য বিক্রয় করা এবং পন্যের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করায় ৮টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ওয়ারী থানাধীন কাপ্তান বাজার এলাকায় ডিমের আড়তসহ মুদি দোকান ও ফার্মেসিতে পরিচালিত অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
মোহাম্মদপুর টাউনহল এলাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের আড়তে তদারকি করা হয়। তদারকিতে দেখা যায়, চাল, ডাল,পেঁয়াজ, আদা, রসুন, আলু, ভোজ্য তেল ,চিনি ইত্যাদি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য এক সপ্তাহ যাবত একই রকম রয়েছে, ডিম ও মুরগির মূল্য কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী এবং বিক্রেতাগণ তেজগাঁও থেকে ডিম ক্রয় করেন। এছাড়া তেজগাঁও ব্যবসায়ীগণ তাদেরকে সরবরাহ কম থাকার বিষয়ে অবহিত করেছেন। অভিযানে একটি ব্রয়লার মুরগির প্রতিষ্ঠানে মূল্য তালিকা না দেয়ায় সতর্কতামূলক ৫০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
আজ ঢাকা মহানগরে অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে ১৩ টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী সর্বমোট ৮১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে যানবাহনসহ ৯২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকার অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের শাড়ি ও থ্রিপিস উদ্ধার করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। রোববার ভোরে কুমিল্লা সীমান্তবর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও সদর উপজেলা থেকে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়। রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
বিজিবি জানায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আওতাধীন শিবেরবাজার বিওপি'র বিশেষ টহলদল এবং আদর্শ সদর উপজেলার আওতাধীন কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে সীমান্তের ৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চৌয়ারা বাজার এবং ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পালপাড়া নামক স্থানে বিজিবি টহল দল কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় যানবাহনসহ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, রেডবুল এবং মুভ মলম আটক করে। আটককৃত মালামালের সর্বমোট মূল্য ৯২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার প্রাথমিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানের উপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন কুমিল্লার সুপরিচিত ডায়াবেটিস, হরমোন ও মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাক্তার অজিত কুমার পাল।
তিনি কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা ডায়াবেটিক হসপিটালের সিনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।
অধ্যাপক অজিত কুমার পাল ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বারডেম একাডেমি থেকে এন্ডোক্রিনোলজিতে এমডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে এমআরসিপিএস (গ্লাসগো) এবং ২০২০ সালে এফআরসিপি (গ্লাসগো) এবং এফআরসিপি (এডিন) লাভ করেন।
তিনি আমেরিকান কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস (এফএসিপি) এবং ২০১৫ সালে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি (এফএসিই) থেকে ফেলোশিপ অর্জন করেছিলেন। ২০২৪ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে অধ্যাপক ডাঃ আব্দুস সালেক মোল্লা এবং ড. মো. আব্দুল মালেকের তত্বাবধানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি, বাংলাদেশের ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের একজন আজীবন সদস্য।
তিনি অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজিস্ট অ্যান্ড ডায়াবেটোলজিস্ট বাংলাদেশ (এসিইডিবি) এর সহ-সভাপতি। তিনি ৮৪টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং ডায়াবেটিস ও এন্ডোক্রিনোলজি সম্পর্কিত ৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক মৌখিক এবং পোস্টার উপস্থাপন করেছেন। রোগীদের আন্তরিক ও যাদুকরী চিকিৎসা সেবা দিয়ে বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসক কুমিল্লা সহ বৃহত্তর কুমিল্লার নানা শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
ডা. অজিত কুমার পাল বলেন, সুগার স্বল্পতা ডায়াবেটিস রোগীদের সাধারণ একটি সমস্যা। ডায়াবেটিস নীল বা সুগার স্বপ্লতা হলে অনেক জটিলতা দেখা দিতে পারে। রোগীরা যদি সচেতন থাকেন এবং এ বিষয়ে আগে থেকে ধারনা রাখে তাহলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জটিলতা এড়ানো সম্ভব। তিনি পিএইচডি ডিগ্রী সম্পন্ন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পাশাপাশি কুমিল্লাবাসী সহ অগনিত রোগীদের কাছে দোয়া প্রার্তনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


পঞ্চগড় সদর উপজেলায় এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার রাত প্রায় ১১টার উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইজপাড়া এলাকায় থেকে তাকে আটক করা হয় এলাকাবাসীর দাবি, জহিরুল ইসলামের আগে চারটি বিয়ে রয়েছে এবং তিনি স্থানীয়ভাবে জামায়াতের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে গইজপাড়া এলাকায় জহিরুল ইসলামকে এক নারীর
ঘর থেকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে দড়ি দিয়ে বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজিত জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার
করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার
(৪ আগস্ট) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে জহিরুল ইসলাম ও ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে
আসে।
পুলিশ
বলছে, মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় এ ঘটনায় সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ
দায়ের করেনি। অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে,
জহিরুল ইসলামকে জামায়াতের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের
আলোচনা চললেও জেলা জামায়াতের নেতারা দাবি করেছেন, তিনি দলের কোনো সদস্য নন। তাদের ভাষ্য,
জহিরুল ইসলাম কেবল দলটির সমর্থক ছিলেন, সাংগঠনিকভাবে তার কোনো পদ বা সদস্যপদ নেই।
পঞ্চগড়
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছার রহমান বলেন, নারী ও পুরুষ দুজনকেই উদ্ধার
করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তারা থানায় রয়েছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত
সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আইনটি বাতিলের সঙ্গে সঙ্গে এর অধীনে সাংবাদিকদের
বিরুদ্ধে হওয়া সব হয়রানিমূলক মামলাও বাতিল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন, আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা
ক্লাবে ‘ডিআরইউ-দেশ টিভি বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বহুল আলোচিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়। সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে এই আইন
ব্যবহার হয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, সাইবার
সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ আইনের অধীনে সব মামলা বাতিল হয়ে যাবে,
এ মামলার জন্য সাংবাদিকদের আবেদন করা লাগবে না। তবে এ আইনের আওতায় হওয়া পর্নোগ্রাফি
ও যৌন হয়রানির মামলাগুলোর বিচার চলবে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় শহীদ পরিবারে পক্ষ
থেকে কোনো মামলা হলে সেখানে আমাদের কিছু করণীয় নেই। এক্ষেত্রেও সংবেদনশীলতার বিষয়টি
আমরা দেখতে বলেছি।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)
কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারের ঈদ জামাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। ঈদ কেন্দ্রিক
সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই।
রবিবার (১৬ জুন) সকালে জাতীয় ঈদগাহ
ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন,
সারা দেশের মতো ঢাকা মহানগরীতেও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে
পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এ ঈদগাহে নামাজ আদায় করবেন।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে সব
জামাতের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার
জন্য পার্কিং ও ডাইভারশন থাকবে। পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত
সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পেট্রোলিং, সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিংসহ নিরাপত্তা
নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের পাশাপাশি র্যাবের
পেট্রোল টিম দায়িত্ব পালন করবে। আশা করি, ঈদের জামাত সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান আরও বলেন,
বাংলাদেশের চামড়া প্রসেসিং এলাকা ঢাকা জেলার সাভারে। ঢাকা কেন্দ্রিক যে চামড়া সেগুলো
কালই সেখানে যাবে। আর ঢাকার বাইরেরগুলো ৭ দিনের মধ্যে সেখানে আসবে। এ কাজ যাতে সুন্দরভাবে
সম্পাদন করা হয় সেজন্য ডিএমপি সহায়তা করবে। আমরা ইতোমধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
গ্রহণ করেছি, অনেককেই গ্রেফতার করেছি। পরে এ ধরনের কাজ যারা করবেন, তারা সতর্ক হবেন
এবং ভবিষ্যতে এসব থেকে তারা নিবৃত থাকবেন। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই নিরাপত্তা
ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। আমরা সব সময় সর্বাত্মক ও সর্বোচ্চ ব্যবস্থাটাই নিয়ে থাকি।
এবারও সেটি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের
সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত বিষয়টি ঝুলে থাকার কারণে এতে কোনো দেশেরই
লাভ হচ্ছে না বলে জানান তিনি। (খবর এনডিটিভির)
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিআইকে দেয়া
এক সাক্ষাতকারে এ কথা বলেন ড. ইউনূস। ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, আমি যদি জানি, আমি কতটুকু পানি পাব, সেটা ভালো হতো। এমনকি পানির পরিমাণ
নিয়ে যদি আমি খুশি নাও হই, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। এই বিষয়টি সমাধান হতেই হবে। কারণ
পানি বণ্টনের বিষয়টি নিয়ে বসে থাকার ফলে এতে কোনো কাজ হচ্ছে না।
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে অন্তর্বর্তী
সরকার ভারতকে চাপ দেবে কিনা- পিটিআইয়ের এমন প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, চাপ শব্দটি অনেক
বড়। আমি এই কথা বলছি না। আমরা আলোচনা করব। তবে আমাদের একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করতে
হবে।
২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী
মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর অনেকটা চূড়ান্ত হয়ে
গিয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই চুক্তিকে অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানানোর
ফলে চুক্তি আর হয়নি। তখন মমতা দাবি করেছিলেন, তার রাজ্যেই পানির সংকট রয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা আরও বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন নতুন কোনো ইস্যু নয়, এটি অনেক পুরাতন ইস্যু।
বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিকবার কথা বলেছি। এমনকি পাকিস্তান পিরিয়ডেও কথা হয়েছে। আমরা সবাই
চেয়েছি এটির সমাধান করতে, এমনকি ভারত সরকারও এর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের
সরকার এর জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা চাই এর সমাধান করতে। ভাটির দেশ হিসেবে আমাদের
পানি পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মন্তব্য করুন


হামে
আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ
দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রোববার
(১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের
করেন। রিটে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
দুই মাসের কম সময়ে হাম ও উপসর্গে দেশে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৩৫০। একই সময়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে
৪৭ হাজার। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৯ হাজারের বেশি শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় এ তথ্য।
স্বাস্থ্য
অধিদফতর জানিয়েছে, এরমধ্যেই চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত সারা দেশে ১
কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ শিশু হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ।
সারা দেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করেছিল সরকার।
মন্তব্য করুন


জয়পুরহাটের
ক্ষেতলালে গভীর রাতে হিজাব ও বোরকা পরে এক
বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টার সময় ধারালো অস্ত্রসহ আব্দুল মুমিন নামে এক যুবককে আটক করেছে
এলাকাবাসী।
বুধবার
রাতে ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের রোয়ার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটক আব্দুল মুমিন স্থানীয় বাসিন্দা। তার সহযোগী
আরিফুল ইসলাম নামে আরেকজন পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
ওসি
মুক্তারুল আলম জানান, রাত ২টার দিকে রোয়ার গ্রামের বেলাল হোসেনের বাড়িতে হিজাব ও বোরকা
পরিহিত দুজন প্রবেশ করে। তারা ঘরে ঢুকে বেলালের স্ত্রী সাজেদা বেগমের গলা থেকে সোনার
চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। সাজেদা বেগম চিৎকার করলে এলাকাবাসী ছুটে আসে।
গ্রামবাসীকে
দেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় আব্দুল মুমিনকে অস্ত্রসহ ধরে ফেলে। তার সহযোগী পালিয়ে যেতে
সক্ষম হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে আটক ব্যক্তিকে হেফাজতে নেয়। পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে
জানিয়েছেন ওসি মুক্তারুল আলম।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
ঈদযাত্রায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে কুমিল্লার মুরাদনগরের কোম্পানীগঞ্জ বাস টার্মিনালে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় দুই পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১ জুন) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।
জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে মানুষের চাপ বাড়ার সুযোগে কয়েকটি পরিবহন যাত্রীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে কোম্পানীগঞ্জ বাস টার্মিনালে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এবং ভাড়ার রসিদ যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত ৪০০ টাকার পরিবর্তে যাত্রীদের কাছ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় হানিফ পরিবহনের ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং প্রান্তিক পরিবহনের সুপারভাইজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অতিরিক্ত আদায় করা ভাড়ার অর্থ সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের ফেরত দেয়া হয়। প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ঈদযাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন বলেন, ‘ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো পরিবহন যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে পারবে না। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যাত্রীদের স্বার্থরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে কেউ অনিয়ম করলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন