

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি
অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ) জানিয়েছে, গত ৩৮ দিনে দেশে বজ্রপাতে
৩৫ জন কৃষকসহ অন্তত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল
মাসে বজ্রপাতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নারী ১১ জন এবং পুরুষ ২০ জন। চলতি
মাসের ১ থেকে ৮ মে পর্যন্ত বজ্রপাতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন নারী
এবং ৩৪ জন পুরুষ।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) প্রকাশিত এসএসটিএফের
গবেষণা সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে একদিনে বজ্রপাতে ১১ জন নিহত ও ৯ জন
আহত হয়েছে। বজ্রপাতের ক্ষেত্রে কৃষকরা কীভাবে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন- সে বিষয়েও
আলোকপাত করা হয়েছে।
সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান,
মানিকগঞ্জের সিংগাইর, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেছেন সংগঠনটির
সদস্যরা। এ সময় ৫০০ জন করে কৃষক নিয়ে দল তৈরি করে বজ্রপাত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা
করেছেন।
এসএসটিএফের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা
বজ্রপাতের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি
অনুরোধ জানান।
এ ছাড়াও মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৪ মাস
বজ্রপাত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনটি কিছু পরামর্শও দিয়েছে কৃষকদের
জন্য। সেগুলো হলো:
*মাঠে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ
দেখে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া।
*বৃষ্টির সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া
থেকে বিরত থাকা।
*খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় জুতা
পরতে হবে।
*বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করার সময়
শুয়ে পড়ুন।
ফোরামের সভাপতি ড. কবিরুল বাশার জানান,
বজ্রপাত বাড়ার পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান
প্রভাব এবং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গাছ কাটা, বিশেষ করে মাঠের উঁচু গাছ কাটা। গাছপালা
না থাকলে খোলা স্থানে বা মাঠে মানুষের ওপর আঘাত হানে বজ্রপাত। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন
ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়াই ভালো। কিন্তু এটা ঠিক না। ঘরবাড়ি বা স্থাপনায়
আশ্রয় নিতে হবে মানুষকে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
মধ্য প্রদেশে গোবর ও গোমূত্র দিয়ে ক্যানসারের ওষুধ তৈরির একটি সরকারি গবেষণা প্রকল্পে
ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় এক দশক ধরে চলা এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের
কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও গবেষণার বাস্তব ফলাফল এবং অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর
প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
২০১১
সালে জবলপুরের নানাজি দেশমুখ ভেটেরিনারি সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মল-মূত্র ও দুগ্ধজাত
পণ্যের মিশ্রণ ব্যবহার করে ক্যানসারসহ গুরুতর রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে
এই প্রকল্প শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুরুতে আট কোটি রুপি দাবি করলেও মধ্য
প্রদেশ সরকার প্রকল্পটির জন্য সাড়ে তিন কোটি রুপি অনুমোদন দেয়। তবে প্রকল্পের অর্থের
ব্যাপক অপব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
অভিযোগ
পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে প্রকল্পটির ওপর তদন্ত শুরু হয়। অতিরিক্ত কালেক্টরের
নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ব্যয়ের নথিপত্র পরীক্ষা করে
সম্প্রতি কালেক্টরের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
তদন্তে
দেখা গেছে, শুধু গোবর, গোমূত্র, কাঁচামাল, সংরক্ষণ পাত্র ও যন্ত্রপাতির পেছনেই প্রায়
১ কোটি ৯২ লাখ রুপি ব্যয় দেখানো হয়েছে, যা বাজারদরের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। তদন্তকারীদের
মতে, এসব সামগ্রীর প্রকৃত খরচ ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপির বেশি হওয়ার কথা নয়। এছাড়া গবেষণার
নামে দেশের বিভিন্ন শহরে ২৩ থেকে ২৪ বার প্লেনে ভ্রমণের খরচ দেখানো হয়েছে, যার প্রয়োজনীয়তা
নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, অনুমোদিত বাজেটে না থাকা সত্ত্বেও প্রায় সাড়ে সাত লাখ রুপির একটি গাড়ি কেনা
হয়। পাশাপাশি জ্বালানি ও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণে সাড়ে সাত লাখ রুপি, শ্রমিক খাতে সাড়ে তিন
লাখ রুপি এবং আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিতে প্রায় ১৫ লাখ রুপি ব্যয়ের তথ্য পাওয়া
গেছে—যেগুলোকে প্রকল্পের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত বলে উল্লেখ করেছে
তদন্ত কমিটি।
অতিরিক্ত
কালেক্টর রঘুভর মারাভি বলেন, প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও
কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তার কোনো স্পষ্ট নথি নেই। এমনকি যেসব গাড়ি কেনার কথা
বলা হয়েছে, সেগুলোর অবস্থানও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তবে
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রেজিস্ট্রার ড. এস এস তোমর বলেন,
সব কেনাকাটা সরকারি নিয়ম মেনে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে হয়েছে এবং প্রকল্প নিয়মিত
অডিটের আওতায় ছিল। তার দাবি, ‘এখানে কোনো দুর্নীতি হয়নি। তদন্ত কমিটিকে সব নথি সরবরাহ
করা হয়েছে।’
এখন
এই তদন্ত প্রতিবেদন ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে পরবর্তী আইনি বা
প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র্যাব ফোর্সের ১৪৮টি দলসহ সারাদেশে ৪৩২টি টহল
দল মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার
(২২ নভেম্বর) সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান
খান এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার
গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে র্যাব টহলের মাধ্যমে এস্কর্ট প্রদান করে নিরাপদে গন্তব্যে
পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ
গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন


সাজেকে বন বিভাগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সাজেক থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, রোববার দুপুরে মাচালং একুইজ্জাছড়ি এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বনভূমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে গেলে ইউপিডিএফ নেতা সচিব চাকমার নেতৃত্বে ইউপিডিএফ ও একটি ফেডারেশনের নারী কর্মীরা বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা চালায়।অভিযোগ অনুযায়ী, পরে তারা মাচালং বাজারে অবস্থিত বন বিভাগের কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট করা হয় এবং একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। হামলার সময় বন কর্মকর্তা আশরাফুল আলমকে অপহরণের চেষ্টা হলে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।ঘটনার পর হামলাকারীরা গাছ কেটে সাজেক সড়ক অবরোধ করলে পর্যটকসহ বহু মানুষ দীর্ঘ সময় আটকা পড়েন। পরে সেনাবাহিনী সড়ক থেকে গাছ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
এ ঘটনায় বন কর্মকর্তা মো. আখতারুজ্জামান বাদী হয়ে মামলা করেন। সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন জানান, মামলাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় একটি পোষা বিড়ালকে দা দিয়ে আঘাত করে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সালেহ আল রেজা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি বাকেরগঞ্জ উপজেলার এক এলাকায় গৃহবধূ তানিয়া বেগমের পোষা বিড়ালকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী নাসিমা বেগম দা দিয়ে আঘাত করেন। এতে বিড়ালটির একটি পা ভেঙে যায়। ঘটনার প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত নারীর স্বামী আইউব মৃধা তানিয়া বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী তানিয়া বেগম।
তানিয়া জানান, আহত অবস্থায় বিড়ালটিকে উদ্ধার করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিড়ালটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সালেহ আল রেজা বলেন, “বিড়ালটিকে ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগবে।”
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বাকেরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু আহমেদ বলেন, “লিখিত অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে আটক আটজনের বিরুদ্ধে বন আইনের অধীনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার করা শামুক-ঝিনুক সুন্দরবনের নদীতে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে বুধবার বিকেলে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোবাদক স্টেশনের কঞ্চির খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি নৌকা ও বিভিন্ন সরঞ্জামসহ তাদের আটক করে বন বিভাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—খুলনা জেলার কয়রা থানা এলাকার আব্দুল ওয়াদুদ গাজী (৪০), খলিল সানা (৫৯), শফিকুল গাজী (৪৫), আবু সাইদ গাজী (৫৫), গফফার গাজী (৫১), দেলবর গাজী (৫৭), গোলাম মোস্তফা (৩৫) এবং মাসুম বিল্লাহ (৩৪)।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নৌকায় করে শামুক-ঝিনুক সংগ্রহের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় চারটি নৌকা, জালসহ শামুক-ঝিনুক সংগ্রহের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. ফজলুল হক জানান, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২–এর তফসিল–২ অনুযায়ী শামুক-ঝিনুক ধরা, বহন বা বাণিজ্য করা নিষিদ্ধ। আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটকদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর ৬৯০ কেজি, ২৭ নভেম্বর ৮৬০ কেজি এবং ৩ ডিসেম্বর ১ হাজার ৬০০ কেজি শামুক-ঝিনুক উদ্ধার করে বন বিভাগ। উদ্ধারকৃত এসব শামুক-ঝিনুকও নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোহাম্মদ ইসহাক দার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বৈঠকে দুই নেতা
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সার্কের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী দার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়ে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আন্তরিক
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে শরিফের সঙ্গে অতীতে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি বার আমাদের
সাক্ষাতে সার্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অভিন্ন, সার্ক আমাদের উভয়ের
কাছেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।
ইসহাক দার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির
সুযোগ তুলে ধরে বলেন, আমাদের দুই অর্থনীতি পরিপূরক। বহু ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ
করতে পারি। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও কমিউনিটি ভিত্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে অধ্যাপক
ইউনূসের ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান যে, আপনার মতো একজন সরকারপ্রধান
রয়েছে— আপনি এমন একজন নেতা যিনি বিশ্বকে অনুপ্রাণিত
করেন।
সফরকালে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও জ্বালানি উপদেষ্টাসহ কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আহ্বান
জানিয়ে বলেন, আমি সার্ককে উৎসাহিত করি এবং পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের
সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি হিসেবে দেখি।
তিনি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে
ধরে বলেন, যখন পাকিস্তানি শিল্পীরা বাংলাদেশে গান পরিবেশনা করেন, সবাই তাদের প্রশংসা
করে। এই চেতনার ওপরই আমাদের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
১৩ বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসা পাকিস্তানের
কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন ইসহাক দার। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে নৌ ও বিমান যোগাযোগ
উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে।
ইসহাক দার বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ফ্লাই
জিন্নাহ ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া পিআইএও বেসরকারিকরণের
পর ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে।
বৈঠকে উভয় নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন
যে, বাণিজ্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়াকে আরও স্থিতিশীল
ও সমৃদ্ধ করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক
বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণা করলেন
তাঁর নাতনি জাইমা রহমান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা।
তিনি আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে দাদু খালেদা জিয়ার
সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেমন ছিল, সে কথা তুলে ধরেন।
জাইমার
পোস্টটি হলো— দাদুকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো,
পরিবারকে আগলে রাখা একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা মমতাময়ী ছিলেন! আমার বয়স তখন এগারো।
আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু
আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা
বলতে পারি; তাঁকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি। আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার
হিসেবে কী কী করেছি, সেটা বলছিলাম; আর স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচন্ড মনোযোগ নিয়ে
আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।
আমি সব সময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু
হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের
প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’।
আমাদের ‘দাদু’। তিনি সব সময় আমাদের খেয়াল রাখতেন, আমাদের জন্য সময়
বের করতেন, আর যেসব মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেগুলোতে আমাদের সাহস দিতেন,
উজ্জীবিত করতেন। এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো থেকেই আমি নেতৃত্বের প্রথম শিক্ষা পাই। সেটি
হলো, নম্রতা, আন্তরিকতা আর মন দিয়ে শোনার মানসিকতা।
বাংলাদেশের
বাইরে কাটানো সতেরোটা বছর আমার জীবন অনেকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই আমার
শিকড় ভুলে যাইনি। কারণ, আমাদের সত্তার যে ভিত্তি, আমাদের যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ;
সেটিই আমাদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, পরিচয় বহন করে। প্রবাসে থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয়
প্রজন্মের অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও নিজ দেশের বাইরে, ভিন্ন দেশে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি।
লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বাস্তববাদী করেছে, একটা বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। যদিও আমার
হৃদয়-মন সব সময় বাংলাদেশেই ছিল। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক
জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে
দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে। আইন পেশায় কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখা
মানুষগুলোর গল্প, আর সেই গল্পগুলোর যৌক্তিক এবং আইনগত সমাধান খোঁজার দায়িত্ব আমাকে
আলোড়িত করে। প্রত্যেক ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা, কারও না কারও
জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার
হয়েছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে তাঁদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা
হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কারও জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর
অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে
ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই। আমি আমার ‘দাদা’কে
কখনো দেখিনি। কিন্তু তাঁর সততা আর দেশপ্রেমের কথা সব সময় শুনে এসেছি। ‘দাদু’
আর ‘আব্বু’ সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের
সময় এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়টাতে আমি যতটুকু পেরেছি, নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা
রাখার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে
তাঁদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।
অনেকগুলো
বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে
ইনশা আল্লাহ, আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই। এই সময়টাতে আব্বুকে
সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য সর্বস্ব দিয়ে
সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই। নিজের চোখে, নিজের অভিজ্ঞতায় প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে
জানতে চাই; মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই। যেভাবে এগুনো দরকার, আমি চাই বাংলাদেশ
আবারো সেভাবে সামনে এগিয়ে যাক, গর্জে উঠুক। আমি জানি, আমার পরিবারকে ঘিরে দেশের জনগণের
কৌতূহল রয়েছে, প্রত্যাশা রয়েছে। সেটি কখনো আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের
দায়ভারও রয়েছে। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের চাপ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনুভব
করি; পরিবারে, বন্ধুত্বে, সমাজে।
সংক্ষেপে,
আমার নিজের ভাষায়, এই হলো আমার গল্প। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটা নিজস্ব গল্প আছে।
এই গল্পগুলোকে ধারণ করে আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি।
মন্তব্য করুন


আইন
উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, শিগগিরই সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হবে।
বৃহস্পতিবার
(৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর বিচার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ
কথা বলেন।
উপদেষ্টা
আসিফ নজরুল বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব কালাকানুন বাতিল করা হবে। ডিজিটাল সার্ভিসেস
অ্যাক্টে (ডিএসএ) হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর
আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সাইবার আইনে হওয়া ‘স্পিচ
অফেন্স’ (মুক্তমত প্রকাশ) সম্পর্কিত মামলাগুলো প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মন্তব্য করুন


অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনতে বিট্রিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
বুধবার (২১ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিট্রিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এসময় ড. ইউনূস পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চান।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আমরা বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানি যে শেখ হাসিনা সরকারের সময় বাংলাদেশ থেকে প্রচুর টাকা পাচার হয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ বড়িঘর করেছেন। পাচার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কিভাবে ফেরত আনা যায় সে বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ড. ইউনূস।’
তিনি বলেন, সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে দেশ পুর্নগঠনের কাজে লাগাতে চায়।
বুধবার বিট্রিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ছাড়াও জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে উপনীত এবং ভোটার তালিকা তৈরি হলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনের ফাঁকে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা।
বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস নির্বাচন, বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন ও সংবিধানে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের সুপারিশ করার জন্য তার অন্তর্বর্তী সরকার যে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, সে সম্পর্কে কথা বলেন।
তিনি বলেন, কমিশনের সুপারিশ নিয়ে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে। সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য এবং ভোটার তালিকা শেষে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বাংলাদেশের সংস্কার উদ্যোগে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটনভিত্তিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করতে ঢাকায় একটি দল পাঠিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভাকে বাংলাদেশের পূর্ববর্তী স্বৈরশাসন উৎখাত করা ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে ব্রিফ করেন। তখন ক্রিস্টালিনা তাকে বলেন, এটি একটি ভিন্ন দেশ। এটি বাংলাদেশ ২.০।
আইএমএফের প্রধান নির্বাহী অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগে তার সমর্থন জানিয়ে বলেন, আইএমএফ বাংলাদেশ সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তা দ্রুততর করবে।
তিনি বলেন, তিনি বাংলাদেশে ‘দ্রুত’একটি আইএমএফ দল পাঠিয়েছেন এবং এ মুহূর্তে সেটি ঢাকায় অবস্থান করছে। দলটি আগামী মাসে আইএমএফ পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জর্জিয়েভা বলেন, আইএমএফ বোর্ড টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ঋণদান কর্মসূচি শুরু করতে পারে, অথবা এটি গত বছরের শুরুর দিকে চালু হওয়া বিদ্যমান সহায়তা কর্মসূচির অধীনে আরও ঋণ দিতে পারে।
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পরিবহন উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খান এবং বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা
ফাওজুল কবির খান আইএমএফপ্রধানকে বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার মাত্র এক সপ্তাহ সময়ে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে
অপরাধের ‘দুর্গ’
গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
ড. দেবপ্রিয় দেশের অর্থ প্রদানের ভারসাম্য বাড়াতে আইএমএফের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বিনিময় হার স্থিতিশীল করতে আইএমএফের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
মন্তব্য করুন