

মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব
প্রতিবেদক:
আজ
বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী
হয় পথচারীরা। চট্টগ্রামমুখী একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ করেই রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে
পড়ে—কোনো নির্ধারিত স্টপেজ
কিংবা সংকেত ছাড়াই।
বাসটির
দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত বাস থেকে নামতে শুরু করেন। অনেকে
প্রাণ ভয়ে ডিভাইডারের ওপর লাফিয়ে উঠেন। একজন যুবক নিরাপদে পার হলেও তার ঠিক পেছনে থাকা
দুই মাদ্রাসাছাত্র ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান রাস্তায়।
ঠিক
তখনই সামনে দিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটে আসে একটি মোটরসাইকেল। মুহূর্তের মধ্যে সবাই শ্বাসরুদ্ধ
হয়ে চেয়ে থাকেন সেই ভয়ংকর দৃশ্যের দিকে।
তবে
সৌভাগ্যক্রমে, মারাত্মক দুর্ঘটনা এড়াতে সক্ষম হন মোটরসাইকেল চালক এবং রক্ষা পান ওই
দুই ছাত্রও।
স্থানীয়রা
জানান, সেই মুহূর্তে পুরো এলাকা থমকে গিয়েছিল। আতঙ্ক আর বিস্ময়ে অনেক পথচারীর মুখ ফ্যাকাশে
হয়ে যায়। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, "মনে হচ্ছিল, সবাই যেন মৃত্যুর খুব কাছ থেকে
ফিরে এল।"
ঘটনাটি
যানবাহনের নিয়ম না মানা এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ রোডে অব্যবস্থাপনার একটি উদাহরণ বলে
মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। এ নিয়ে প্রশাসনের আরও কড়া নজরদারি দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন


রোববার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মাইক্রোবাসের চাপায় মো. মোস্তফা কামাল (৫০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
এ দুর্ঘটনাটি ঘটে সদর উপজেলার সুয়াগাজী ট্রাফিক চৌমুহনী এলাকায়।
পার্শ্ববর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জয়মঙ্গলপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে নিহত মোস্তফা কামাল। নিহত মোস্তফা কামাল পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, রাতে মোস্তফা কামাল তার অটোরিকশাটি সুয়াগাজী চৌমুহনীর একটি গ্যারেজে রেখে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় চট্টগ্রামমুখী একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কামালের মৃত্যু হয়। এ সময় মাইক্রোবাসটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায় চালক।
সোমবার (২৪ জুন) সকালে ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানায়, কিছুক্ষণ আগে দুর্ঘটনার খবরটি পেয়েছি। এ বিষয়ে জানতে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গত
এপ্রিল মাসের শেষ ১২ দিনে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ১২ শিশুর।
শুধুমাত্র ৩ দিনেই চার উপজেলায় পানিতে
ডুবে মারা গেছে ৮ শিশু। আর বেশিরভাগই শিশুর মৃত্যুই হয়েছে বাড়ির পাশের পুকুর, ডোবা
বা জলাশয়ে ডুবে।
জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল জেলার বরুড়া
উপজেলায় দুইজন, ২৫ এপ্রিল চান্দিনায় দুইজন, দাউদকান্দিতে দুইজন, ২৬ এপ্রিল বুড়িচংয়ে
একজন, ২৭ এপ্রিল দেবিদ্বারে তিন জন এবং ৩০ এপ্রিল মুরাদনগরে দুই জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে
পানিতে ডুবে। মারা যাওয়া ১২ শিশুর মধ্যে ১১ জনেরই বয়স ৮ বছরের মধ্যে।
এসব শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা সংশ্লিষ্ট
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এসব শিশুদের
মৃত্যু নিয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের আন্তর্জাতিক
ভলান্টিয়ার দিবস উপলক্ষে ‘বেস্ট ভলান্টিয়ার’
এওয়ার্ড অর্জন করেছেন কুমিল্লা জেলার মো: নাঈমুল হাসান মজুমদার নাঈম।
কুমিল্লা জেলা থেকে তিনিই প্রথম এই
এওয়ার্ড অর্জন করলেন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে প্রথম হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
গত বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জের
পূর্বাচলে ফায়ার সার্ভিস মাল্টিপারপাস ট্রেনিং গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ
ও অপারেশনাল কার্যক্রমে ২২জনকে স্বীকৃতি সনদ ক্রেস্ট তুলে দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল
ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।
ইন্টারন্যাশনাল ভলান্টিয়ার ডে-২০২৪
এর শুভ উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
অনুষ্ঠানে ভলান্টিয়ারদের অংশগ্রহণে
সাজ-সরঞ্জামের বাস্তব ব্যবহার ভিত্তিক অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার বিষয়ে প্রশিক্ষণ মহড়া
অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে এবারের অনুষ্ঠানে ২ শতাধিক ভলান্টিয়ারের পাশাপাশি ফায়ার
সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর পরিচালকগণ, উপপরিচালকগণ, ট্রেনিং কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষসহ
বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মহিউদ্দিন
(৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে ডান হাত কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার
দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মহিউদ্দিন পেশায় একজন রং মিস্ত্রি ছিলেন। তিনি
ওলাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
মহিউদ্দিনের মা মনোয়ারা বেগম বলেন,
আমার ছেলে মহিউদ্দিন দিনমজুর হিসেবে যখন যে কাজ পেতো, তাই করতো। আমার ছেলে রাজনৈতিক
কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। তার কোনো শক্রও ছিল না। কিন্তু কে বা কারা দিনদুপুরে
বসতবাড়িসংলগ্ন মসজিদের কাছে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে তার ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে
নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জান্নাতুল নাঈম তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডা: জান্নাতুল
নাঈম জানান, মহিউদ্দিনকে মৃত অবস্থায় আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়েছে। তাঁর
ডান হাত পাওয়া যায়নি। কনুইয়ের ওপর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। হাত বিচ্ছিন্ন করার
পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর মাথা ও পাসহ শরীরের বিভিন্ন
অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ
(পরিদর্শক) রোমেন বড়ুয়া বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের জেরে এ
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। তদন্তের পরে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের
জন্য কুমিল্লায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক
সাইদুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা হত্যা করা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। হত্যাকারীরা তার
ডান হাত নিয়ে গেছে। লাশের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে
পাঠানো হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার স্থানীয় জনসাধারণকে নিয়ে নিয়মিতভাবে জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিবিরবাজার বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিবিরবাজার মাঠ নামক স্থানে একটি জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এ এম জাহিদ পারভেজ, বিজিবিএমএস, পিবিজিএমএস, পিএসসি।
এ সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের বক্তব্যে মাদকমুক্ত এবং অপরাধমুক্ত একটি সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পরবর্তীতে বিজিবি অধিনায়ক সীমান্তে চোরাচালান দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রনের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনসাধারণকে বিজিবির পাশে থাকার আহ্বান জানান।
এছাড়াও, বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক - এই মর্মে সবাইকে আশ্বস্থ করেন। পরিশেষে এলাকাবাসির উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং মঙ্গল কামনা করে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা, ট্যাপান্টাডল ও মদসহ ৬ জনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড
ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার
(২০ মে ) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন
ও ইসতিয়াক মাহমুদের নেতৃত্বে কুমিল্লা “খ” সার্কেলের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
এ অভিযান পরিচালনা করে।
কুমিল্লা
আদর্শ সদর থানার শাসনগাছা ও আশপাশ এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ৫ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম
গাঁজা, ১০ পিস ট্যাপান্টাডল এবং ১০০ মিলিলিটার মদ উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে
মোট ৬ জনকে আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরে
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য সেবন এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
প্রদান করা হয়।
মাদকবিরোধী
এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪০ কেজি
গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শনিবার (৬ জুলাই) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর রহমতনগর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ
টুটুল (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৪০ কেজি
গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ টুটুল (৩৮) নারায়নগঞ্জ
জেলার ফতুল্লা থানার শৈলকুড়া গ্রামের মোঃ মহিউদ্দিন এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লা বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) উৎপাদিত সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুরসহ ২০-২২টি জেলায় যাচ্ছে।
সূত্রমতে, কুমিল্লা বিসিকের পাঁচটি কারখানায় সেমাই উৎপাদন করা হয়। সেগুলো হচ্ছে কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিল, রিয়াজ ফ্লাওয়ার মিল,মেট্রো কনফেকশনারি, খন্দকার ফুড ও মক্কা কনজুমার এন্ড ফুড প্রোডাক্টস। বিসিক ছাড়া কুমিল্লা আদর্শ সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় সেমাই উৎপাদন হয়ে থাকে। কারখানা গুলোতে বাংলা ও লাচ্ছা নামে দুই ধরনের সেমাই তৈরি করা হয়।
কুমিল্লা বিসিকের কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলে গিয়ে দেখা গেছে, মেশিনে গর গর শব্দে বাংলা সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সেমাই ছাদে শুকানো হচ্ছে। শুকানোর পর সেটা উনুনে ভাজা হয়। ঈদ বাজারের চাহিদা মেটাতে দ্রুত প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। ঘণ্টায় একজন শ্রমিক দুই থেকে আড়াইশ’ প্যাকেট করছেন। কেউ প্যাাকেট, কেউ ওজন, কেউ মুখ লাগানোর কাজ করছেন। কেউ কার্টনে সেমাই ভরছেন।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের সেমাই কারখানার সুপারভাইজার মো. মহসীন, শ্রমিক ফজলে রাব্বী ও হালিমা আক্তার বলেছেন, ঈদের অল্প কয়েকদিন বাকি। এখন বাজারে সেমাইয়ের চাহিদা রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দ্রুত কাজ করতে হচ্ছে।
নগরীর কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী টিপু সুলতান বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকে উৎপাদিত সেমাইয়ের সুনাম রয়েছে। তাই স্থানীয় বাজারে এর চাহিদাও ভালো।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের পরিচালক সৈয়দ গোলাম কাদের তানিন বলেছেন, আমরা ৩ দশক ধরে মান সম্মত উপায়ে সেমাই তৈরি করি। এখানে সেমাই তৈরিতে কৃত্রিম কিছু ব্যবহার করা হয় না। আমাদের সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বেশি বিক্রি হয়। বাংলা সেমাই আল-নূর, কুলসুম নামে এবং লাচ্ছা সেমাই তানিন নামে বাজারজাত করি। চরাঞ্চলে বাংলা সেমাইয়ের চাহিদা বেশি।
বিসিক কুমিল্লার ডিজিএম মো. মুনতাসির মামুন বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনে সুনাম রয়েছে। তার একটি সেমাই। এখানে উৎপাদিত সেমাই ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। এখানের সেমাই মান সম্মত। মান রক্ষায় আমরা নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন করি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর মুরাদপুর এলাকায় র্যাব-১১ এর মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে তার হেফাজত থেকে ৬৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তারকৃত নারী দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন দিবাগত রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ২য় মুরাদপুর এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কবরী আক্তার (৩২) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। পরে তার দখলে থাকা মাদকদ্রব্য তল্লাশি করে ৬৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কবরী আক্তার কুমিল্লা সদর উপজেলার ২য় মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং রুবেল মিয়ার স্ত্রী বলে জানিয়েছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে স্থানীয় ও আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি এবং খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোকে ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত কবরী আক্তারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক
দল ও ছাত্রদলের সমন্বয়ে সারাদেশে জেলা ভিত্তিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাম্য ও মানবিক
সমাজ বিনির্মাণে দিক নিদের্শনামূলক যৌথ কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বুধবার
(১৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি
রাজিব হাসান। সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবির পল। এছাড়াও
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, কেন্দ্রীয়
যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে কুমিল্লার শীর্ষ নেতৃবৃন্দের
মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা দক্ষিণ
জেলা যুবদলের সভাপতি আনোয়ারুল হক, সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, কুমিল্লা জেলা স্বেচ্ছাসেবক
দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, কুমিল্লা জেলা ছাত্রদলের
সভাপতি নাদিমুর রহমান শিশির, সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুদ্দিনসহ
অন্যান্যরা। কর্মী সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক
সাংগঠনিক বক্তব্য রাখেন।
এ সময় তারা বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের
নেতাকর্মীদের প্রতি তাদের স্ব স্ব এলাকায় শক্তিশালী সংগঠন তৈরি করতে দিকনির্দেশনা দেন।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্দেশনায়
ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন ইউনিটের
সাথে মতবিনিময় এবং দিক নির্দেশনামূলক সভা করছেন।
মন্তব্য করুন