

মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষক সমাজ আবার তাঁদের চিন্তার স্বাধীনতা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা ফিরে পেয়েছেন। এর সঙ্গে এখন যোগ করতে হবে বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখার সক্ষমতা। আকাক্সক্ষাকে উচ্চে রেখে দৈনন্দিন পঠন-পাঠন গবেষণার মাধ্যমেই সেটি অর্জিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার
(৭ নভেম্বর) ঢাকায় ‘বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যানের শতবর্ষ উদযাপন : ঢাকার উত্তরাধিকার’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন
তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগ এবং সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ ইন ন্যাচারাল সায়েন্সেস, ঢাবি যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার বিপ্লবের ফসল। তাই আমরা বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখতে প্রয়োজনীয় সব সংস্কার এবং উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির সকল প্রয়াস নিতে প্রস্তুত রয়েছি। এই কাজে নিবেদিত সবার কাছ থেকে চাহিদা, পরামর্শ আসতে হবে। নিজের ওপর আস্থা থাকলে এটি আমরা পারবো- যেমন আস্থা সত্যেন্দ্রনাথ বসুর ছিল বলে তিনি সম্পূর্ণ অপরিচিত হয়েও আইনস্টাইনকে লিখতে পেরেছিলেন। ১৯২৪ সালে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর আবিষ্কারের পরিবেশ যেভাবে গড়ে ওঠেছিলো, আজও সেভাবেই গড়ে উঠবে। এর কোন বিকল্প নেই। আমাদের তরুণদের মনে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে যে আমরাই বিশ্ব। আজ আমরা সেই আকাঙ্খারই শতবার্ষিকী পালন করছি। বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে বাংলাদেশের ইতিহাসের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আজ আমরা আমাদের দেশের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একজন উজ্জ্বলতম তারকার মহত্তম অবদানের শতবার্ষিকী উদযাপন করতে এসেছি। যিনি ১৯২৪ সালের এমন একটি সময়ে তাঁর আবিষ্কার বোস-আইনস্টাইন কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্সের জন্য বিজ্ঞান ইতিহাসের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। আর তিনি এটি করেছিলেন আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নবীন অধ্যাপক হিসেবে কার্জন হলের একটি কামরায় বসে, আজো যেটি পদার্থবিদ্যার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত। তাঁর আবিষ্কারের গুরুত্বের কারণে পৃথিবীর নানা দেশের পদার্থবিদগণ এই শতবার্ষিকী উদযাপন করছেন। কিন্তু আমাদের জন্য এই আবিষ্কারের মর্মটাই আলাদা। পদার্থবিদরা বলেন, বিংশ শতাব্দীর ওই পর্যায়ে পদার্থবিদ্যায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিলো কোয়ান্টাম থিওরির মাধ্যমে, এটি ছিল তার মধ্যে একটি বড় সংযোজন। এর মাধ্যমে বসু বিশ্ব-বিজ্ঞানের মানচিত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, আমাদের ঢাকা নগরীকে উজ্জ্বলভাবে চিহ্নিত করে দিয়েছিলেন। আজ আমরা যখন ছাত্র-জনতার একটি সর্বাত্মক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে নতুন ভাবে গড়ার প্রয়াস নিয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়কে তার যথাযথ চর্চার জায়গায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছি, তখন পরিবর্তনের দিগদর্শিকা হিসেবে উদযাপনের জন্য বসুর আবিষ্কারের এই শতবার্ষিকীর থেকে যথাযথ বিষয় আর কী হতে পারে? আমাদের বিপ্লবের নায়ক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রেরণা হিসেবেও বা এর থেকে বড় গৌরবের স্মরণও আর কী হতে পারে? ১৯২৪ সাল অনেক পেছনে রেখে এসেছি। কালের পরিক্রমায় বসুর আবিষ্কারটি কি এতটুকু ম্লান হয়েছে? পদার্থবিদরা বলছেন মোটেই না। যার প্রমাণ এই আবিষ্কারের ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্য প্রমাণ করে সৃষ্ট বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে ২০০১ সালে। এ নিয়ে গবেষণা চলছেই।
তিনি উল্লেখ করেন, সারা দুনিয়ার পদার্থবিদ্যার ছাত্ররা জানে যাবতীয় পদার্থ-শক্তি সব কিছুর একেবারে মূলে যে মৌলিক কণিকাগুলো এদের শ্রেণী বিভাজনে একটি বড় ভূমিকা রেখেছে বসুর থিওরির দ্বারা ঠিক করে দেয়া নির্দেশিকা।
প্রধান উপদেষ্টা
আরও বলেন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু শিক্ষার সর্বস্তরে, বিশেষ করে উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় বাংলা ভাষা প্রচলনের জন্য তর্ক বিতর্ক করছেন, বাংলায় বই লিখছেন, পত্রিকা বের করছেন, নিজের পাঠদানে বাংলা ব্যবহার করছেন। শহরের সাহিত্যানুরাগী সংস্কৃতিসেবীদের কয়েকজনকে নিয়ে নিয়মিত বৈঠকি আড্ডা গড়ে তুলেছেন। পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তখনকার ঢাকার সঙ্গে বসুর ঢাকারই মিল বেশি ছিল। কাজেই পরিবেশটি বেশ কল্পনা করতে পারি, ঢাকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। সেই শান্ত ছোট শহরকে, সেই সবুজ রমনাকে আর ফেরত আনা যাবে না, কিন্তু সেই গৌরবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা অবশ্যই ফেরত আনতে পারি, আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে। বোস- আইনস্টাইন তত্ত্বের শতবার্ষিকীতে একথা আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার
তেরেঙ্গানু রাজ্যে ২২২ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে তেরেঙ্গানু ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া অভিযানটি চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
অভিযানে
ইমিগ্রেশন জেএইএমসহ, জাতীয় নিবন্ধন (জেপিএন), জনশক্তি বিভাগ (জেটিকে), নির্মাণ শিল্প
উন্নয়ন বোর্ড (সিআইডিবি) এর ৬৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশগ্রহণ করে।
তেরেঙ্গানু
ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি মোহাম্মদ নর সাংবাদিকদের জানান, মোট ৩১৬
জন বিদেশিকে তল্লাশি করে ২২৬ জনকে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনে অপরাধ করার জন্য
গ্রেপ্তার করা হয়। আটকদের মধ্যে বাংলাদেশি ২২২ জন, ইন্দোনেশিয়ার তিন জন ও একজন ভারতীয়
নাগরিক।
প্রথমিকভাবে
চিহ্নিত করা অপরাধগুলো হলো- ব্যাক্তিগত নাথিপত্র না থাকা, অতিরিক্ত সময় ধরে বসবাস করা,
ভিসার অপব্যবহার করা। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৬৩ রেগুলেশনের ৩৯(বি) প্রবিধান এর মধ্যে পড়ে।
মোহাম্মদ
ইউসরি আরও বলেন, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পযর্ন্ত ৪১৫ জন অনিবন্ধিত
অভিবাসী কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে তেরেঙ্গানু ইমিগ্রেশন। যার মধ্যে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া,
মিয়ানমার, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভারত এবং নেপালের নাগরিক রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের
পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য কুয়ালা বেরংয়ের আজিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে সকলের
মানবাধিকার নিশ্চিত করতে গোটা বিশ্বের সম্মিলিত অঙ্গীকারের সঙ্গে বাংলাদেশের একাত্মতা
জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমন একটি বিশ্ব
গড়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যেখানে ন্যায়বিচার, সমতা এবং মানবিক মর্যাদা সবার
জন্য সমুন্নত থাকবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে
আজ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ অঙ্গীকার করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের অধিকার,
আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই’
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বছর মানবাধিকার দিবস পালিত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে মৌলিক
স্বাধীনতার অবক্ষয়, ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসমতা, অসহিষ্ণুতা, জলবায়ু সংকট, কর্তৃত্ববাদ
এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উত্থানের চ্যালেঞ্জের মুখে এই প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী
এবং প্রাসঙ্গিক।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র মর্যাদা,
সমতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে একটি মৌলিক দলিল, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় মানবাধিকার
সার্বজনীন, অবিচ্ছেদ্য এবং সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য।
৭৬ বছর আগে মানবাধিকারের সার্বজনীন
ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার পর থেকে বিশ্বে নাগরিক মর্যাদার অগ্রগতি ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি
বলেন, ‘তবে, বিশ্বের বিভিন্ন অংশের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নির্দেশ করে যে বিশ্বমানবতা সৃষ্টির
জন্য আমাদের এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া বাকি।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এটি অত্যন্ত
দুঃখজনক যে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশার দিকে খুব কমই দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে
ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে চলমান বর্বর নিপীড়নের অর্থ হলো আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে
ব্যর্থ। ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য একটি ন্যায্য, দীর্ঘস্থায়ী এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের
জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে, নয়টি মূল
মানবাধিকার চুক্তিতে সই করা দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মানবাধিকারের
সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে নিহিত মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে অদম্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্বাধীনতা
ও মর্যাদার জন্য আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা কতটা দৃঢ় তা প্রমাণ করে উল্লেখ করে ড. ইউনূস
বলেন, ন্যায্য অধিকারের জন্য আমাদের জনগণ তাদের দৃঢ় প্রত্যয়কে পুনর্ব্যক্ত করেছে। আমাদের
তরুণ সমাজ যে সাহস নিয়ে মানুষের অধিকার রক্ষায় ব্রত হয়েছে তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা
আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার করার যাত্রা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের
সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সর্বত্র মানবাধিকার রক্ষা ও প্রচারে অবদান রাখবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার ব্যবস্থার সঙ্গে আমাদের গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে থাকবে।
জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সুশাসন
সুনিশ্চিত করতে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকারের সেই ঐকান্তিক প্রত্যাশার ভিত্তিতে সার্বিক কার্যক্রমে
সহায়তা করতে ২৯-৩০ অক্টোবর ঢাকা সফরকালে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার বাংলাদেশে
মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি মিশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সাংস্কৃতিক
ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, আর্থ-সামাজিক কাঠামো এবং বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার
প্রস্তাবিত ধারণাটিকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সরকারের
সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রস্তাবিত এই মিশনের
লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কর্ম-পরিধি, গঠন কাঠামো ও পরিচালনা পদ্ধতি নির্ধারণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
প্রস্তাবিত মিশনটি স্থাপনপূর্বক এটিকে কার্যকরী করার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার আশাবাদী বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার খাতা দেখা শেষ হয়েছে। আগামী ১৮ অক্টোবরের আগেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) এ তথ্য বলেছেন, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।
তিনি জানান, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডেই খাতা মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ফল প্রস্তুতের কারিগরি কাজ চলছে। ১৮ অক্টোবর ৬০ দিন পূর্ণ হবে। আমরা এর আগেই ফল প্রকাশ করব। তবে ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে ১৯ আগস্ট। এরপর ২১ থেকে ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এবার মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন।
মন্তব্য করুন


প্রতিভার
কোনো বয়স নেই—এ কথার বাস্তব প্রমাণ দিচ্ছেন বিহারের ১৪ বছর বয়সী কিশোর
ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী। ব্যাট হাতে মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এবার
দেশের সর্বোচ্চ শিশু সম্মানেও ভূষিত হলেন তিনি।
আজ
শুক্রবার রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভারতের শিশুদের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বাল পুরস্কার’ গ্রহণ করেন বৈভব। রাষ্ট্রপতি ভবনে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
পুরস্কার
গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে বৈভবের। দেশের
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতেই এই বিশেষ সাক্ষাৎ আয়োজন করা হয়েছে।
তবে
এই সম্মান গ্রহণ করতে গিয়ে একটি ত্যাগও স্বীকার করতে হচ্ছে কিশোর এই ক্রিকেটারকে। পুরস্কার
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি চলমান বিজয় হাজারে ট্রফির বাকি ম্যাচগুলোতে খেলতে
পারছেন না।
সম্প্রতি
দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই আলোচনায় উঠে আসেন বৈভব সূর্যবংশী। অরুণাচল প্রদেশের বিপক্ষে
বিহারের প্রথম ম্যাচে মাত্র ৮৪ বলে ১৯০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। এই অসাধারণ ব্যাটিংয়ে
ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন রেকর্ড গড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর কাড়েন বৈভব।
উল্লেখ্য,
প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বাল পুরস্কার ভারতের ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সর্বোচ্চ
বেসামরিক সম্মান। সাহসিকতা, ক্রীড়া, শিল্প ও সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সমাজসেবা,
উদ্ভাবন ও পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ কৃতিত্বের জন্য প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তীব্র শীত আর অনুভূত হচ্ছে না। তাপমাত্রা কিছুটা উঠানামার মধ্যে থাকলেও কনকনে ঠান্ডা আর অনুভূত হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে বৃষ্টিরও পূর্বাভাস নেই।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলেও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তীত থাকতে পারে। (৩ ফেব্রুয়ারি) শনিবার সকাল ৯টায় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবহাওয়াবিদ খোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, শীতের তীব্রতা আর থাকবে না; তবে শীত একদম বিদায়ও নিচ্ছে না। ফেব্রুয়ারিজুড়ে মৃদু শীত অনুভূত হবে।তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস থাকলেও জোরালো না।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অপর দিকে মংলা ও ভোলায় সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, সারাদেশে শনিবার তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এ ছাড়া রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। পরদিন সোমবারও (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সিনপটিকে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
আর বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম
কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে
শপথ নিয়েছেন ।
আজ
রোববার ( ২৮ ডিসেম্বর ) সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
শপথ
গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অধ্যাপক
মুহাম্মদ ইউনূস।
এছাড়া
অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সুপ্রিম
কোর্টের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা
করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।
অনুষ্ঠানটি
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করে।
এর
আগে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ২৩ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের বিচারপতি
জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ
শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
এদিকে
বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ গতকাল শনিবার অবসরে গেছেন। এদিন তাঁর চাকরির
মেয়াদ ৬৭ বছর পূর্ণ হয়।
আইন
পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জেলা জজ আদালতে আইনজীবী
হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৮৭ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে
অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে
নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর বিচারপতি হিসেবে তাঁকে স্থায়ী করা হয়।
২০২৪
সালের ১২ আগস্ট তাঁকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে উন্নীত করা হয়।
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি যুক্তরাজ্য থেকে
আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
মন্তব্য করুন


এবারের পূজা খুব ভালোভাবে হবে। কোনো ধরনের কোনো অসুবিধা হবে না। এ জন্য আপনাদেরও সহযোগিতা চাই। প্রতিবার তো পুলিশ ও আনসার সদস্য থাকে, এবারে বাড়তি র্যার, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। শিগগিরই বাজার একটি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে মনে করেন তিনি। যদি কোনো সিন্ডিকেট থাকে, সেটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভেঙে দেবে।
কৃষিক্ষেত্রে উন্নতিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রশংসা করেন তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় আমাদের জনসংখ্যা ছিল সাত কোটি। এখন জনসংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু আবাদযোগ্য ভূমি কিন্তু বাড়েনি। মনে রাখতে হবে, দেশের উন্নতির জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা এই কৃষিক্ষেত্রের। কৃষির উন্নতির জন্য কাজ করছে এই ইনস্টিটিউট।’
এ সময় উপস্থিত
ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আবদুল্লাহ ইউছুব আখন্দ, কৃষি সচিব মো. এমদাদ উল্লাহ মিয়া, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীন, পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর
(এপিপি) সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক ছয়জনকে ভিডিও ফুটেজ
দেখে শনাক্ত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আজ
বুধবার (২৭ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, হত্যার ঘটনায়
সন্দেহভাজন অন্তত ছয়জনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। ভিডিও ফুটেজের
মাধ্যমে এই ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর
ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২১ জনকে আটক করেছে সিএমপি। বন্দরনগরে ককটেলসহ আওয়ামী
লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের
সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে মঙ্গলবার সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি
নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিক্ষোভকারীরা ওই আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।
ঘটনার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের
পক্ষ থেকে মঙ্গলবার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সবাইকে শান্ত ও সতর্ক
থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
আইনজীবীকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন এবং তিনি এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া
গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে সিএমপি জানিয়েছে, চট্টগ্রামে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও আইনজীবী হত্যার অভিযোগে ৩০ জনকে আটক করা
হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে যৌথ বাহিনী।
মন্তব্য করুন


ড্রেনে
শিশু পড়ে যাওয়ার ভুয়া অভিযোগ করে প্রশাসনকে দিয়ে নোংরা ড্রেন পরিষ্কার করানোর অভিযোগ
উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের মীরাট শহরে। এ ঘটনায়
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়
সূত্র ও ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক নারী জরুরি নম্বরে
ফোন করে দাবি করেন—একটি শিশু খোলা ড্রেনে পড়ে গেছে এবং
ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ও পৌরসভার কর্মীরা দ্রুত
ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে দমকল বাহিনী ও যন্ত্রপাতিও আনা হয়।
প্রায়
তিন ঘণ্টা ধরে জমে থাকা আবর্জনা, কাদা ও ময়লা সরিয়ে ড্রেন তল্লাশি চালানো হয়। তবে শেষ
পর্যন্ত কোনও শিশুর সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে প্রশাসন নিশ্চিত হয়, ওই এলাকায়
কোনও শিশু নিখোঁজের ঘটনাই ঘটেনি।
তদন্তে
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপচে পড়া ও দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেন পরিষ্কারের দাবি
জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত অভিযোগ সত্ত্বেও ড্রেনটি
পরিষ্কার করা হয়নি। সেই হতাশা থেকেই ওই নারী ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া জরুরি পরিস্থিতি তৈরি
করেন, যাতে প্রশাসন বাধ্য হয়ে ব্যবস্থা নেয়।
তবে
প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ড্রেন পরিষ্কারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ
ছিল না। শিশু নিখোঁজের মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় দ্রুত অভিযান চালানো হয়।
ঘটনাটি
প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ নারীর
কৌশলকে ‘চাতুর্যপূর্ণ’ বললেও অনেকে এটিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন
আচরণ হিসেবে দেখছেন।
মন্তব্য করুন