

পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। অকারণে
হর্ন বাজানোটা আমাদের বদভ্যাস। এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি
বলেন, শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব আমাদের সবার। শুধু সরকারের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে
না।
আজ
রবিবার ( ২৫ জানুয়ারি ) বিমান বন্দর এলাকায় ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ
কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি
ও সিভিল এভিয়েশনের-এর সমন্বিত অভিযানে হর্নের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে
আয়োজিত সমাবেশে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের
সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা শুধু হর্ন এর উপরে জোর দিচ্ছি। কোন অজুহাতেই হর্ন বাজানো যাবেনা।
তিনি বলেন, অন্যান্য আইন ভাঙ্গলে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পুলিশ যেভাবে গাড়ির ব্যাপারে
দণ্ড আরোপ করে, একইভাবে হর্নের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন এবিষয়ে ‘শব্দ দূষণ
(নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫’-হয়েছে। পুলিশকেও একাজে সম্পৃক্ত করা
হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ বেশকিছু তরুণকে একাজে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তারা এখন অফিসিয়ালি
ট্রাফিক পুলিশের অংশ। সিভিল এভিয়েশন বিমানবন্দরের ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বন্ধে ভলেন্টিয়ারদের
সহায়তায় কার্যক্রম শুরু করতে পারে। বিমানবন্দর এলাকা হর্নমুক্ত করে আমরা উদাহরণ একটা
উদাহরণ তৈরি করতে পারি।
উপদেষ্টা
জানান, উচ্চশব্দের কারণে শতকরা ৬৫ ভাগ ড্রাইভার ঢাকা শহরে কানে কম শুনেন। একটা বাচ্চা
যখন স্কুলে যায় হর্নের আওয়াজ তার জন্য খুবই অস্বস্তিকর। জাতিগতভাবে আমাদের সকলকে দায়িত্ব
নিতে হবে। উপদেষ্টা জনগণকে সচেতন করায় এগিয়ে আসতে গণমাধ্যমকর্মীদের আহ্বান জানান। তাদেরকে
স্বপ্রণোদিত হয়ে, নিজেদের দায়িত্বের জায়গা থেকে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।
সচিব
ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যে বিধিমালাটি করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে
সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সমাবেশে
আরো বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসি-র প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত
পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস
মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের
প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এছাড়া, পরিবেশ
অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি ও সিভিল এভিয়েশনের ঊর্ধতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির পদে এ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত জনবলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার
(১৫ আগস্ট) মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সচিব/সিনিয়র সচিবদের কাছে এ তথ্য চেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে মন্ত্রণালয়গুলোকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ করা জনবলের তথ্য পাঠাতে একটি ছক করে দেওয়া হয়েছে। ছক অনুযায়ী প্রার্থীর নাম, নিয়োগপ্রাপ্ত পদ ও শ্রেণি; বাবার নাম ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, যার মুক্তিযোদ্ধা সনদ/গেজেটের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন (পিতা/মাতা/পিতামহ/মতামহ) তার নাম ও ঠিকানা; মুক্তিযোদ্ধার নাম, পিতা/মাতা/পিতামহ/মাতামহের মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও গেজেট নম্বর এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার তারিখ জানাতে হবে।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে সনদ দেওয়া হয়েছে। সেই সনদ দিয়ে অনেকে চাকরি নিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার পদক্ষেপ নিয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভোলায় ডাকাতি ও
দস্যুতার অভিযোগে ২ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা। এসময় তাদের আস্তানায়
তল্লাশি চালিয়ে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৭ রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (৭ অক্টোবর)
সদরের উত্তর দিঘলদী ও ইলিশা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো: মোসলে
উদ্দিন ও কামাল।
কোস্টগার্ড জানায়, গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামে কোস্টগার্ডের একটি দল। অভিযান দলটি সদরের ইলিশা
বাজার এবং উত্তর দিঘলদী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২ দস্যুকে আটক করে। তাদের
আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় অস্ত্র।
আটকদের নামে ভোলার
মেঘনায় নদীসহ বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, দখল ও দস্যুতার অভিযোগ রয়েছে। জেলেদের
অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানায় কোস্টগার্ড।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের
সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির
সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান
ফুয়াদ। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৃথকভাবে এ
সংক্রান্ত আবেদন করেন তারা।
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ
ও মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিত আবেদন জমা দেন কাজী রেহা কবির
সিগমা।
কাজী
রেহা কবির সিগমা আবেদনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করে
তিনি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং এরই মধ্যে ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছেন
বলে উল্লেখ করেছেন।
আইনানুগ
গণসংযোগ কার্যক্রমে ভীতি সৃষ্টি ও বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম
থানার পুলিশ ন্যক্কারজনকভাবে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়ে তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বর
দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার এক নিরপরাধ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ভুয়া মামলায় কিশোরগঞ্জ
আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে তার কর্মীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এবং নির্বাচনী কার্যক্রম
মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গ্রেপ্তার
মো. কিয়ামত আলী (৫০) একজন নিরীহ ও জনপ্রিয় ব্যক্তি উল্লেখ করে সিগমা বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে
আগে কোনো মামলা বা অভিযোগ ছিল না।
তাকে
২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর দায়ের করা একটি মামলায় আসামি দেখানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা
ও বানোয়াট। ওই মামলায় কিয়ামত আলী এজাহারভুক্ত আসামি নন। অষ্টগ্রাম থানার খুব কাছাকাছি
বসবাস করলেও গত এক বছরে পুলিশ কখনো তার খোঁজ নেয়নি। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, শুধু তার
কর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি
তদন্ত করে অবিলম্বে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচন
সুষ্ঠু ও প্রশ্নাতীত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেন
তিনি। এদিকে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার
আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রার্থী
নিরাপত্তার শঙ্কা নিয়ে ইসিতে আসছেন, এ বিষয়ে কমিশন কী ব্যবস্থা নিচ্ছে—জানতে
চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসেছিলেন। তার অভিযোগ
হচ্ছে, পুলিশ তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে না। আমরা সার্বিকভাবে সব প্রার্থীর নিরাপত্তার
বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি।
সব
প্রার্থী বিজয়ী হতে পারবেন না। জনগণ যাকে বেশি ভোট দেবেন, তিনিই বিজয়ী হবেন।’
সব প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের আচরণ বিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের
ভৈরবে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি
দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
আজ শনিবার সকাল
১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের মধ্যচর গ্রামের পূর্বপাড়া
ও পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উভয়পক্ষের আহতরা
হলেন, সেলিম মিয়া (৩৫), হজকরুনি (৪৫), জনিয়া বেগম (২৪), ইমন (২২) সাদ্দাম মিয়া (৩০),
সাজু (৫৪), সবুজ মিয়া (৩৩), শরীফ (২৫), মাহবুর (৩৪), পাবেল (২৬), ইকবাল মিয়া (৫১),
সালমান ফরাজি (১৭)। এছাড়া বাকি আহতরা স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে
ফিরে যান।
আহতদের মধ্য
গুরুতর অবস্থা থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সবুজ মিয়া, সাদ্দাম, সালমান ফরাজিকে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র
জানায়, ভৈরব উপজেলার মধ্যচর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে স্থানীয় যুবকদের আয়োজনে একটি ফুটবল
টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। এ ফুটবল খেলায় ৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকালে ঈদগাহ মাঠে উপজেলার
ভাটিকৃষ্ণ নগর গ্রামের সঙ্গে মধ্যেচর গ্রামের যুবকদের সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
এ খেলা চলাকালে ভাটিকৃষ্ণনগর যখন পরপর দুটি গোল দেয় এর উত্তেজনার জেরে দুপক্ষের লোকজন
মধ্য মাঠেই মারামারি ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় মাতব্বরা পরিস্থিতি সামাল দেয়। শনিবার সকালে
ঘটনাটি মীমাংসার জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন বৈঠকে বসলে এমন সময় মধ্যচর গ্রামের পূর্বপাড়া
ও পশ্চিমপাড়ার লোকজন দেশীয়অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা সংঘর্ষ চলার
পর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সেনাবাহিনী ও পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শিমুলকান্দি
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আল আমিন বলেন, শুক্রবারের ফুটবল খেলায় গোল
দেওয়ার উত্তেজনায় দুপক্ষের মধ্য মারামারি ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে শনিবার সকালে ফের গ্রামের
দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ভৈরব
থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, গত শুক্রবার বিকেলে ফুটবল
খেলাকে কেন্দ্র করে মধ্যচর গ্রামের দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামে যোগ দিতে আগামী ১২ অক্টোবর (রোববার) ইতালির রাজধানী রোম যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ১২ অক্টোবর রোমে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। সেখানে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামে যোগ দেবেন তিনি। পাশাপাশি উচ্চ পর্যায়ে অনেকের সঙ্গে বৈঠকও করবেন।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা সভার বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, সভায় ভিসা জটিলতা থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায় সে বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আশা করি দ্রুত সমাধান হবে।
শিক্ষার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, দেশে অনেক বেশি বিবিএ গ্র্যাজুয়েট তৈরি হচ্ছে। কিন্তু তা মার্কেটে অতিরিক্ত। তাই সার্বিক পরিস্থিতিতে সায়েন্স ভিত্তিক গ্রাজুয়েশন বাড়ানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে সবার মতামত নেওয়া হয়েছে।
দেশের ৯টি রেজিম কোম্পানিকে সরকার অতি দ্রুতই অবসায়ন করবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।
মন্তব্য করুন


জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গুরুতর আহতদের
খোঁজ নিতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আগারগাঁওয়ের
হাসপাতালটিতে পরিদর্শনে যান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
জুলাই-আগস্টে ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে গুরুতর
আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৮ শিক্ষার্থীসহ
গুরুতর আহত কমপক্ষে ১১ জন হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ সময় হাসপাতালের পরিচালক কাজী দীন
মোহাম্মদ বলেন, হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ৪ শিক্ষার্থীর
অবস্থা প্রধান উপদেষ্টা দেখেছেন। চারজনেরই মাথায় গুলি লেগেছে। তাদের অবস্থার উন্নতি
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, এখন থেকে সব মসজিদের সভাপতি হবেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ইমামদের নিয়োগ বা বরখাস্ত হতে হবে সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী।
আজ
শুক্রবার (১৮ জুলাই) দুপুরে খুলনার বয়রা এলাকার মেট্রোপলিটন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ ছাড়াও তিনি বলেন, ইমামদের জনবান্ধব হতে হবে। বাস্তবভিত্তিক ওয়াজ-নসিহত করতে হবে, যাতে মানুষ সচেতন হয়। ‘মব’ তৈরির সংস্কৃতি সমাজের জন্য কতটা ভয়ংকর, তা মসজিদে আলোচনা করা দরকার। মসজিদভিত্তিক শিক্ষাকেও নিতে হবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে। যেসব কেন্দ্রে প্রকৃতপক্ষে পাঠদান হচ্ছে না কিংবা ভুয়া কেন্দ্র দেখিয়ে অথবা স্কুল ও মসজিদে একই ব্যক্তি একযোগে শিক্ষকতা করছেন—এমন প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্ম
উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশে অপরাধের মাত্রা কমছে না, অপরাধের এত প্রবণতা পৃথিবীর আর কোনো দেশে নেই। সমাজে অপরাধ রোধে ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিকতা চর্চার বিকল্প নেই। যদি সমাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে অপরাধপ্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
তিনি জানান, সব জায়গা জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ফিরে এসেছে শৃঙ্খলা।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. সালাম খান, বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন । শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টা ২০ মিনিটে শপথ নেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
এর আগে বিএনপির নেতারা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
এরপর বিমানবন্দরে ড. ইউনূস বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারও ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।
নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেন, দেশবাসী কাছে আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, দেশে কারও ওপর কোনো হামলা হবে না।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি করাকে স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর থেকে পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান কার্যক্রম শুরু হবে।
বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আপনি যে দোকানে যান
সে দোকান থেকে পলিথিন ব্যাগ কিনে আনেন। আমি আপনিও বলি না পলিথিন ব্যাগ
দিচ্ছেন কেন, এটা তো নিষিদ্ধ। আমরাও
তো হাতে করে নিয়ে আসি। মার্কেটগুলোতে গিয়ে পলিথিন ব্যাগগুলো প্রথমে আমরা বলব ১৫ থেকে ২০
দিন তারপর আমরা অভিযানে যাব। এগুলো আপাতত সিদ্ধান্ত। এটি তারিখ নির্ধারিত হয়নি। কারণ এর সঙ্গে আরো
কয়েকটি সংস্থা সম্পৃক্ত। এখন সবাই একটা আন্দোলনের মুডে আছে। সবাই সবার দাবি পেশ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওইদিকে ব্যস্ত আছে। তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আপনারা কার্যক্রমের শুরু দেখতে পারবেন। বায়ু দূষণ একদিনে সমাধান হবে না, কিন্তু এই শীতের আগে
যেন বায়ু দূষণের কয়েকটি উৎসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেজন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা করছি। এখানে মেগা পরিকল্পনা চলছে কিন্তু বায়ুদূষণের ব্যবস্থা নেই, সেই জায়গাটা আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। কনস্ট্রাকশন হবে, কিন্তু বায়ুদূষণ করে কনস্ট্রাকশন হতে পারবে না। স্বল্প ব্যয়েই এটি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংক পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে কিছু কিছু প্রকল্প সহায়তা দিচ্ছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হলো। তাদের প্রত্যাশাটা কি, এবং এই প্রত্যাশাটা আমরা যত তাড়াতাড়ি পূরণ করতে পারব ততো তাদের পক্ষে সম্ভব হবে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে আমাদের এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে বাজেট সহায়তা দেওয়ার। আমরা বলেছি বাংলাদেশে আইনকানুন, নীতি ভালো আছে। এগুলোকে আরো ভালো করা যায়। কিন্তু সক্ষমতা না বাড়ালে এগুলোর বাস্তবায়নের জন্য তাহলে দূরত্বটা বেড়ে যাবে। মানুষের প্রত্যাশার জায়গাটা পূরণ হবে না। আইনকানুন, নীতি আমরা আরও সময়োপযোগী করব, আরও শক্ত করব। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের কাজে নেমে যেতে হবে। যেমন মানুষকে আমাদের দেখাতে হবে দূষণকারী কয়জন শাস্তি পাচ্ছে, ময়লা আবর্জনা নদীর পাড় থেকে সরছে, কিছু কিছু নদী পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন করে তাদের (বিশ্বব্যাংক) কাছে নতুন করে প্লাস্টিক, পলিথিন, শব্দ দূষণ ও কয়েকটা নদীতে দূষণ নিয়ে কথা বলেছি, বলেন পরিবেশ উপদেষ্টা।
বিশ্বব্যাংক কী ধরনের সহায়তা দেবে -এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরকে সবচেয়ে দূষিত নদী ও দূষণকারীদের তালিকা করতে বলা হয়েছে। সেগুলো যখন আমরা পাব তখন একটি মনিটরিং প্ল্যান করে ফেলতে পারব। ফলে বিস্তারিত রূপরেখা তৈরি হয়নি। তবে একটি রূপরেখা তো আছেই, সেখানে নতুন নতুন কম্পোনেন্ট যদি যুক্ত করতে পারি সেটি নিয়ে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে সর্বাত্মক সহায়তা করার চেষ্টা করবেন।
মন্তব্য করুন


ইতালির রোমে দুই দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
এর আগে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত রোববার (১২ অক্টোবর) ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামের ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্টে যোগ দিতে ইতালির রোম সফরে যান। সফরসঙ্গীসহ তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট সেদিন বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রোমের উদ্দেশে যাত্রা করে।
ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস ফোরামের মূল অধিবেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন। এসব বৈঠকে খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য নিরসন, টেকসই উন্নয়নসহ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরাম মূলত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিশ্বব্যাপী নীতিনির্ধারক, গবেষক ও উদ্যোক্তারা একত্রিত হয়ে খাদ্য ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে মতবিনিময় করেন। এবারের ইভেন্ট ১০ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলে রোমে এফএওর সদর দপ্তরে।
মন্তব্য করুন