

বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘শিশু স্বর্গ
মডেল’ বিষয়ক কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের
সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।
প্রধান
অতিথি হিসেবে ব্যতিক্রমধর্মী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডা. জুবাইদা রহমান। উদ্বোধনের
আগে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয়
পণ্যের স্টল ঘুরে দেখেন ডা. জুবাইদা রহমান।
বৃহস্পতিবার
(১৪ মে) দুপুরে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে
এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে
প্রধান বক্তা ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ
মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ
সাকি), সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, প্রধানমন্ত্রীর
স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের
(জেডআরএফ) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত
চন্দ্র বিশ্বাস।
এছাড়া
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘শিশু
স্বর্গ মডেল’বিষয়ক সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে
ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি স্ট্যানলি গোয়াভুয়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক)
চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম (রিজু), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন), প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম
মনোয়ারুল কাদির (বিটু) প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জে
বিয়ের প্রলোভনে ১৪ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক মোফাজ্জলকে (৩৮) আটক করেছে
পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে
আটক করা হয়। আটক মোফাজ্জল পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মেলাপাড়া এলাকার মৃত আকরাম
শরীফের ছেলে।
জানা
যায়, পঞ্চসার ইউনিয়নের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকার রহমত মিয়ার বাড়িতে দীর্ঘদিন পাশাপাশি কক্ষে
বসবাস করার সুবাদে অভিযুক্ত মোফাজ্জলের সাথে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর সুসম্পর্ক গড়ে
উঠে। একই বাড়িতে পাশের কক্ষে অভিযুক্ত মোফাজ্জল ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করত। সুসম্পর্কের
সূত্রে বিভিন্ন সময়ে তার কক্ষে ভিকটিমকে একাধিকবার বিবাহের প্রলোভনে ধর্ষণ করে। গত
১৮ মে রাত ৩টার সময় ভিকটিমকে ধর্ষণকালে ভিকটিমের বাবা মা দেখে ফেললে অভিযুক্ত কৌশলে
পালিয়ে যায়।
পরে
শনিবার রাতে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় অভিযুক্ত মোফাজ্জলকে এলাকা থেকে আটক করা হয়
এবং জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত
পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ৪ হাজার
৫৩৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ হিসেবে যোগ হবে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার
(১৬ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায়
সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। সভায় মন্ত্রিসভার সদস্য
এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুমোদিত
প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন তিনটি এবং সংশোধিত দুটি প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পগুলো বিভিন্ন
খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণকে
কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের অধীনে ‘Supporting Infrastructure Project for Chinese Economic and
Industrial Zone’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রকল্পটি দেশের শিল্পায়ন
ত্বরান্বিত করতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবকাঠামোগত সহায়তা জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পানি
সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিনটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনী
জেলার মুহুরী-কহুয়া এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার পুনর্বাসন
প্রকল্পের প্রথম পর্যায়। একই সঙ্গে করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর
ভাঙন থেকে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর ও কুমারখালী উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রক্ষায় একটি
সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধ,
কৃষি সেচব্যবস্থা উন্নয়ন এবং বন্যা ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা
হচ্ছে।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন’
প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং
দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে এই প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এছাড়া
৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত চারটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় অবহিত করা হয়, যেগুলো
পূর্বে পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে বিমান বাহিনী
ঘাঁটিতে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ, সাভারে নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজ স্থাপন, শমসেরনগরে
বিমান বাহিনী শাহীন কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও নৈতিক
শিক্ষা কার্যক্রমের চতুর্থ পর্যায়।
সভায়
উপস্থিত মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, ব্যয় কাঠামো এবং বাস্তবায়ন কৌশল
নিয়ে আলোচনা করেন এবং দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে শুক্রবার (০৭ মার্চ) দেওয়া এক বাণীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নারীদের সম্ভাবনা ও কর্মদক্ষতাকে উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের নারীরা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’
ড. ইউনূস বলেন, ৮ মার্চ- আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। নারী অধিকার রক্ষায় এই দিনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতি বছর উদযাপিত হয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: ‘অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন-নারী ও কন্যার উন্নয়ন’।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের আকাঙ্ক্ষায় ছাত্র-শ্রমিক-জনতা যে অভ্যুত্থান সংগঠিত করেছিল গত জুলাই-আগস্টে তার সম্মুখ সারিতে ছিল নারী। লাখ লাখ ছাত্রী বিভিন্ন ক্যাম্পাসে দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়েছে। একাধিক নারী এই গণ-অভ্যুত্থানে শাহাদতবরণ করেছেন। আমি এই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। তারা এগিয়ে যাচ্ছে সর্বক্ষেত্রে। নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
তিনি আরও বলেন, নির্যাতিত, দুস্থ ও অসহায় নারীদের জন্য শেল্টার হোম, আইনি সহায়তা দিতে ‘মহিলা সহায়তা কেন্দ্র’, কর্মজীবী মহিলাদের আবাসন ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সহায়তা ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ড. উইনূস বলেন, বাংলাদেশের অদম্য মেয়েরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বমহিমায় এগিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ শনিবার (১২ অক্টোবর) পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন এবং সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


সৌদি
আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নুরে আলম (৪২) ও মোঃ ইউনুছ (৪৩) নামে দুই প্রবাসী বাংলাদেশি
নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার
(১৬ মে) সন্ধ্যায় জেদ্দা-রিয়াদ মহাসড়কের আফিফ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরে আলম কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের বাসুদাই গ্রামের মৃত খলিলুর রহমান সওদাগরের ছেলে এবং মোঃ ইউনুছ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসুয়ারা ৪নং শ্রীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
পারিবারিক
সূত্রে জানা গেছে, নুরে আলম ও ইদ্রিস মিয়া সৌদি আরবের রিয়াদে যৌথভাবে ব্যবসা করতেন।
শুক্রবার জেদ্দা থেকে দোকানের মালামাল নিয়ে রিয়াদের উদ্দেশ্যে ফেরার পথে আফিফ এলাকায়
তাদের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু
হয়।
নিহত
নুরে আলমের স্ত্রী সুমি আক্তার বলেন, আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে
হারিয়ে আমরা দিশেহারা। আমার স্বামীর মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই।
নাঙ্গলকোট
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু রায়হান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে নিহতের
পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কেউ যোগাযোগ করেনি। পরিবার আবেদন করলে মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে
প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
কুমিল্লার
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই প্রবাসীর মৃত্যুর
খবর আমরা পেয়েছি। পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ করলে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহ দেশে আনার
জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


নিম্নচাপের
প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে আবারও পাহাড়ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা
এড়াতে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ও সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে
সরে যেতে মাইকিং করছে জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি পাহাড়সংলগ্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও
মসজিদকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সোমবার
সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ
এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এর আগে রোববার রাতেও নগরের বিভিন্ন
পাহাড়ি এলাকায় সতর্কতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।
এদিকে
রোববার রাতে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও কক্সবাজার শহরে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায়
নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর চট্টগ্রামেও পাহাড়ধসের ঝুঁকি
নিয়ে সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
জেলা
প্রশাসন জানিয়েছে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারির পর পাহাড়ধসের
ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
প্রশাসনের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।
চট্টগ্রামের
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে বৃষ্টিপাত অব্যাহত
রয়েছে। পাহাড়ধসের আশঙ্কা বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে
সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। জেলা প্রশাসনের ছয়জন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিজ নিজ এলাকায়
তদারকি করছেন। মাইকিংয়ের পাশাপাশি স্থানীয়দের সরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া
হয়েছে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘নগরের আকবরশাহ এলাকার ঝিল-১, ঝিল-২ ও ঝিল-৩, বিজয়নগর পাহাড়, শান্তিনগর পাহাড়
এবং বেলতলীঘোনা পাহাড়ে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।’
চান্দগাঁও
সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্লাবন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘টাংকির পাহাড়, আমিন জুট
মিল এলাকা, পাহাড়িকা, সমবায় আবাসিক, সমসাময়িক গৃহ নির্মাণ এলাকা, মিয়ার পাহাড় এবং মুরাদপুর
রেলস্টেশনসংলগ্ন রেলওয়ের পাহাড়ে বসবাসকারীদের সতর্ক করা হচ্ছে। এসব এলাকার নিকটবর্তী
কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
আগ্রাবাদ
সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হাসান তুরান জানান, লালখান বাজারের পোড়া কলোনি,
ঢেবারপাড়, আমবাগানসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা এবং উত্তর হালিশহর সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় মাইকিং
করে বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই পাহাড় কেটে গড়ে
ওঠা বসতি কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ ঢালের নিচে বসবাসকারীদের কোনো অবস্থাতেই সেখানে অবস্থান
না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কোনোভাবেই উদ্বিগ্ন নয় বিশ্বব্যাংক। বরং বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চায় সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব বিষয়ে সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায় বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। তিনি জানান, আমরা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জেনেছি। যার ফলে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির সংস্কারে কীভাবে সহযোগিতা করবো সেটিও আলোচনা করেছি। কারণ জটিল কিছু সংস্কার বাংলাদেশের প্রয়োজন। এখানে আর্থিক খাতে সংস্কার প্রয়োজন, বাণিজ্যে সংস্কার প্রয়োজন- আমরা এগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহী।
পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, আমরা এখন এ দেশে বেসরকারি খাতে চাকরির বাজার সৃষ্টিতে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে যুবকরা এখানে বড় সম্পদ। এছাড়া এখানে জলবায়ু পরিবর্তন অনেক বড় ঝুঁকি, সেখানে অন্তর্বর্তীমূলক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক গড়তে কাজ করছি আর আমরা মোটেই বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। আমি অনেক দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, এটি কখনোই আমাদের উদ্বেগের বিষয় নয়।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের স্থবির অর্থনীতিকে চালু করার জন্য যত রকমের সহযোগিতা দরকার বিশ্বব্যাংক তা দেবে। আইএফসি ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছি আমরা। তারা বলেছে, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা যে কোনো কিছুই করতে পারে। নিয়মকানুন মেনে তারা বিনিয়োগ করবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থীদের জন্য শোক জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। পাশাপাশি এ সময়ে যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা সংস্কারেও পাশে থাকবে সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন


সংবিধান
সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,
সমঝোতার ভিত্তিতে এমন একটি সংবিধান সংশোধনী প্রণয়ন করা হবে, যা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ
করবে এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কারকে এগিয়ে নেবে।
মঙ্গলবার
(৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকের প্রাক্কালে
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, বাংলাদেশের নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়ায় যেসব গণতান্ত্রিক
সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সেগুলো ধারণ করা হবে।
এজন্য সব রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী
প্রস্তাব তৈরি করা হবে।
তিনি
বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য পাঁচজন সদস্যের নাম এখনো পাওয়া
যায়নি। তবে তারা নাম দিলে তা গ্রহণ করা হবে এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এ ছাড়া
সংসদের ভেতরে ও বাইরে থাকা সব বিরোধী দল এবং সদস্যদের মতামত গ্রহণে কমিটি উন্মুক্ত
থাকবে। কেউ সভায় উপস্থিত হয়ে কিংবা লিখিতভাবে মতামত দিলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা
করা হবে।
বিরোধী
দলের অংশগ্রহণ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘তাদের আমরা সবসময়
স্বাগত জানাব।’সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন কিনা-
এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কমিটির সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ নয় বরং জনগণের প্রত্যাশা
পূরণের দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি
বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার আলোকে একটি শক্তিশালী
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। আর সেই লক্ষ্য অর্জনে সংবিধানেই প্রয়োজনীয়
সংস্কার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
কারা
কারা আলোচনায় অংশ নেবেন জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি বলেন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ,
পেশাজীবী ও আগ্রহী অংশীজনদের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনার
পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে। তবে এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি।
জুলাই
জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সনদে যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে,
সেগুলো সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যেসব বিষয়ে ভিন্নমত বা ‘নোট
অব ডিসেন্ট’ রয়েছে, সেগুলোও যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি ইশতেহার এবং আলোচনায় উঠে এলেও জুলাই জাতীয় সনদে স্থান না পাওয়া
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনায় নেওয়া হবে। তিনি বলেন, লক্ষ্য একটাই-
সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য, টেকসই এবং জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটায় এমন
সংবিধান সংশোধনী প্রণয়ন করা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের
চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, কমিটির সদস্য জয়নুল আবেদীন,
মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, আন্দালিভ রহমান, মো. নুরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,
ফারজানা শারমীন, সাকিলা ফারজানা ও মো. মাহমুদুল হক রুবেল।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর থেকে পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান কার্যক্রম শুরু হবে।
বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আপনি যে দোকানে যান
সে দোকান থেকে পলিথিন ব্যাগ কিনে আনেন। আমি আপনিও বলি না পলিথিন ব্যাগ
দিচ্ছেন কেন, এটা তো নিষিদ্ধ। আমরাও
তো হাতে করে নিয়ে আসি। মার্কেটগুলোতে গিয়ে পলিথিন ব্যাগগুলো প্রথমে আমরা বলব ১৫ থেকে ২০
দিন তারপর আমরা অভিযানে যাব। এগুলো আপাতত সিদ্ধান্ত। এটি তারিখ নির্ধারিত হয়নি। কারণ এর সঙ্গে আরো
কয়েকটি সংস্থা সম্পৃক্ত। এখন সবাই একটা আন্দোলনের মুডে আছে। সবাই সবার দাবি পেশ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওইদিকে ব্যস্ত আছে। তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আপনারা কার্যক্রমের শুরু দেখতে পারবেন। বায়ু দূষণ একদিনে সমাধান হবে না, কিন্তু এই শীতের আগে
যেন বায়ু দূষণের কয়েকটি উৎসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেজন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা করছি। এখানে মেগা পরিকল্পনা চলছে কিন্তু বায়ুদূষণের ব্যবস্থা নেই, সেই জায়গাটা আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। কনস্ট্রাকশন হবে, কিন্তু বায়ুদূষণ করে কনস্ট্রাকশন হতে পারবে না। স্বল্প ব্যয়েই এটি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংক পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে কিছু কিছু প্রকল্প সহায়তা দিচ্ছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হলো। তাদের প্রত্যাশাটা কি, এবং এই প্রত্যাশাটা আমরা যত তাড়াতাড়ি পূরণ করতে পারব ততো তাদের পক্ষে সম্ভব হবে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে আমাদের এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে বাজেট সহায়তা দেওয়ার। আমরা বলেছি বাংলাদেশে আইনকানুন, নীতি ভালো আছে। এগুলোকে আরো ভালো করা যায়। কিন্তু সক্ষমতা না বাড়ালে এগুলোর বাস্তবায়নের জন্য তাহলে দূরত্বটা বেড়ে যাবে। মানুষের প্রত্যাশার জায়গাটা পূরণ হবে না। আইনকানুন, নীতি আমরা আরও সময়োপযোগী করব, আরও শক্ত করব। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের কাজে নেমে যেতে হবে। যেমন মানুষকে আমাদের দেখাতে হবে দূষণকারী কয়জন শাস্তি পাচ্ছে, ময়লা আবর্জনা নদীর পাড় থেকে সরছে, কিছু কিছু নদী পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন করে তাদের (বিশ্বব্যাংক) কাছে নতুন করে প্লাস্টিক, পলিথিন, শব্দ দূষণ ও কয়েকটা নদীতে দূষণ নিয়ে কথা বলেছি, বলেন পরিবেশ উপদেষ্টা।
বিশ্বব্যাংক কী ধরনের সহায়তা দেবে -এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরকে সবচেয়ে দূষিত নদী ও দূষণকারীদের তালিকা করতে বলা হয়েছে। সেগুলো যখন আমরা পাব তখন একটি মনিটরিং প্ল্যান করে ফেলতে পারব। ফলে বিস্তারিত রূপরেখা তৈরি হয়নি। তবে একটি রূপরেখা তো আছেই, সেখানে নতুন নতুন কম্পোনেন্ট যদি যুক্ত করতে পারি সেটি নিয়ে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে সর্বাত্মক সহায়তা করার চেষ্টা করবেন।
মন্তব্য করুন


বরিশালে
ইয়াবাসহ আটক এক যুবকের গায়ে থাকা আর্জেন্টিনার জার্সি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি
ব্যবহার করে ব্রাজিলের জার্সিতে পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের
(বিএমপি) মিডিয়া উইংয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার পাশাপাশি ব্রাজিল
সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
জানা
গেছে, সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বরিশাল নগরীর পলাশপুর কলোনিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল হাওলাদার
(৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে কাউনিয়া থানা পুলিশ। আটকের সময় তার
গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি ছিল। পরে থানার পক্ষ থেকে তোলা ছবি বিএমপির মিডিয়া সেলে পাঠানো
হলে সেখানে ডিজিটালভাবে জার্সির নকশা পরিবর্তন করে ব্রাজিলের জার্সি যুক্ত করা হয় বলে
অভিযোগ ওঠে।
বিএমপির
মিডিয়া সেল থেকে ওই ছবি প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিতর্কের
সৃষ্টি হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সংশোধিত ছবি ও তথ্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ
এবং ই-মেইলের মাধ্যমে পুনরায় পাঠানো হয়।
বিএমপির
মিডিয়া সেলের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তানজিল আহমেদ বলছেন, বিষয়টি ‘দুষ্টুমির ছলে’
করা হয়েছিল।
কাউনিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ গণমাধ্যমকে জানান, গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা
উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরেক অভিযুক্ত আঁখি (৩২) পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলায় আটক রাসেল ও পলাতক আঁখিকে
আসামি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন