

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চান্দিনায় ঘরে ঢুকে বীনা রানী রায় (৫৮) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে সাড়ে ৮টায় উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের বরকইট দক্ষিণপাড়া শীল বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বীনা রানী রায় ওই গ্রামের দিলীপ কুমার রায়ের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে তাপস রায় জানান- আমরা সবাই বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করি, বাড়িতে মা ও বাবা থাকেন। আমার মা প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় পূজা-অর্চনা শেষে ঘরে টিভি দেখছিলেন, বাবা দোকানে চা পান করতে যান। এমন সময় দুষ্কৃতিকারীরা ঘরে ঢুকে আমার মায়ের মাথায় এলোপাথারি পিটাতে থাকে। এ সময় আমার পাশের ঘরের এক জেঠা আমার মায়ের চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজনকে সাথে নিয়ে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আমার মাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বোন শংকরী রানী রায় জানান- পারিবারিক সম্পত্তির জেরে তার ভাসুর সুরেশ চন্দ্র রায়ের সাথে দীর্ঘদিন ঝামেলা চলে আসছিলো। গত কয়েকদিন আগেও মামলা হয়েছে এসব ঘটনা নিয়ে। আমি আমার স্বামীর বাড়িতে ছিলাম। ফোনে খবর পেয়ে এসে দেখি কে বা কাহারা আমার বোন কে হত্যা করেছে।
এব্যাপারে সুরেশ চন্দ্র রায় বলেন- তাদের সাথে আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্ধ আছে। কিছুদিন পূর্বেও তারা আমার উপর হামলা করেছিলো। এঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে৷ তবে গতকালের হত্যার ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে এব্যাপারে আমরা কিছু জানিনা।
বরকইট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান- স্থানীয়ভাবে যেটুকু জেনেছি পূর্ব শত্রুতা জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরূপ চলে আসছে।
এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান- মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কি কারণে এই ঘটনা, বা কারা ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি। আমাদের একাধিক টিম রহস্য উদঘাটন সহ দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়া
রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১১ নারীকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে
পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে তাদের আটক করা
হয়।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহ আলম মিয়া জানান, গোপন
তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ওই নারীদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সবার বাড়ি জেলার
নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে।
পুলিশের
দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া নারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ট্রেনে যাত্রী সেজে চলাচল করতেন।
সুযোগ বুঝে নারী যাত্রীদের গলার চেইন, কানের দুলসহ স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
রেলওয়ে
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন
থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো
হয়েছে।
এ
ধরনের অপরাধ দমনে রেলওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান
তিনি।
মন্তব্য করুন


অগ্নিকাণ্ডে
নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সাতটি বসতঘর ও মূল্যবান আসবাবপত্র আর কষ্টার্জিত নগদ টাকা।
তবে আশ্চর্যজনকভাবে ভস্মীভূত ছাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ অক্ষত রয়ে গেছে পবিত্র কোরআন শরীফের
প্রতিটি হরফ।
এই
ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ হবিরবাড়ী গ্রামের
খন্দকার পাড়া এলাকায়। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার
ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোরআন শরীফের হরফ না পোড়ায় হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামের মালিকানাধীন টিনশেড ঘর থেকে
হঠাৎ বিকট শব্দে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশপাশের
লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে ফায়ার সার্ভিস
পৌঁছানোর আগেই আগুন তীব্র আকার ধারণ করে আশরাফুল ইসলামের চারটি ঘর ও মিতু আক্তারের
তিনটি সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন
ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও আগুনে আংশিক পুড়লেও পবিত্র কোরআন শরীফের ভেতরের হরফ বা
লেখাগুলো অক্ষত রয়ে গেছে, যা দেখে হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
ক্ষতিগ্রস্ত
বাড়ির মালিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমার বসতবাড়ির ৪টি ঘরে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার,
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের মাথা গোঁজার
ঠাঁই বা এক মুঠো খাবারও অবশিষ্ট নেই। তবে এই ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আল্লাহর কালামের হরফগুলো
অক্ষত দেখে মনে এক অন্যরকম সান্ত্বনা পাচ্ছি।
অপর
বাসার মালিক মিতু আক্তারের মা জানান, হঠাৎ আগুন দেখে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন, জীবনের
সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে কিছুই রক্ষা করতে পারেননি।
স্থানীয়
বাসিন্দা মাহফুজ খন্দকার বলেন, হঠাৎ লাগা এই আগুনে দুটি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে।
তারা এখন খোলা আকাশের নিচে একেবারে নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। আগুনে সবকিছু শেষ
হলেও কোরআন শরীফের পাতাগুলোর এই অবস্থা সবাইকে বিস্মিত করেছে।
ভালুকা
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের
গাড়ি রওনা হয়েছিল। তবে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে
নিয়ে আসে। ফলে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ফায়ার সার্ভিসের
পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


সদ্য
শেষ হওয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে গিয়েছে আর্জেন্টিনা। গোটা টুর্নামেন্টে
ছন্দে থাকলেও ফাইনালে একেবারে নিষ্প্রভ থেকেছেন লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপ
জিততে না পারায় তাঁকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় চারদিকে। এমন আবহে মেসির পাশে দাঁড়ালেন ভারতীয়
ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। ফাইনালে হারলেও এক ম্যাচের ভিত্তিতে মহাতারকা
মেসির ক্যারিয়ার বিচার করা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।
কলকাতাভিত্তিক
নিউজআঠেরোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌরভ জানিয়েছেন, একটা খারাপ ম্যাচ কোনোভাবেই মেসির
অসাধারণ ফুটবল ক্যারিয়ারকে ম্লান করতে পারে না।
‘লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারকে কখনোই একটি
ম্যাচের ভিত্তিতে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, তিনিও একজন মানুষ। প্রতিদিন
একই মানের পারফরম্যান্স উপহার দেওয়া সম্ভব নয়। খারাপ দিন আসতেই পারে।
মেসি
ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ জিতেছেন, অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন এবং নিজেকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম
সেরা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাই একটি ফাইনাল বা ম্যাচের ভিত্তিতে তার ক্যারিয়ারকে
বিচার করা অন্যায়।’ বলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক এই
অধিনায়ক।
বিশ্বকাপের
সব ম্যাচ না দেখলেও সেমি ফাইনাল এবং ফাইনাল দেখেছেন বলে জানান সৌরভ। তাঁর মতে, ‘ফাইনালে
পরিকল্পনার দিক থেকে স্পেন অনেক এগিয়ে ছিল।
প্রথম
থেকেই আর্জেন্তিনাকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে দেয়নি স্পেন’
এমনটাই মনে করেন তিনি।
তিনি
আরো বলেন, ‘আমার মতে, ট্যাকটিক্সের দিক থেকে স্পেন অনেক ভালোভাবে প্রস্তুত ছিল। ওদের
গেমপ্ল্যান ছিল নিখুঁত, আর জেতার খিদেও স্পষ্ট ছিল। সেই কারণেই ফাইনাল একপেশে ম্যাচ
হয়েছে। দলগত ভাবে স্পেন অসাধারণ খেলেছে এবং যোগ্য দল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলে যোগ
করেন এই ক্রিকেট কিংবদন্তি।
মন্তব্য করুন


মেয়ের
কলেজে হোস্টেলের সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ জন্য বাবা আরিফুর রহমান চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া
থেকে রওনা দিয়েছিলেন মেয়ের কলেজের উদ্দেশে। কক্সবাজারের চকরিয়ায় নানাবাড়ি থেকে মেয়ে
সুমাইয়াও রওনা দিয়েছিলেন কলেজের পথে। রাঙ্গুনিয়া থেকে বাসে উঠে মেয়ে কত দূর এসেছে,
তা জানতে মুঠোফোনে কল করেন বাবা। ফোন ধরেন অচেনা এক তরুণ। বলেন, মুঠোফোনের মালিক বেঁচে
নেই।
চট্টগ্রামের
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলতে বলতে কান্নায়
ভেঙে পড়েন আরিফুর রহমান। বলেন, ‘আমার মাথায় তখন আকাশ ভেঙে পড়ল। কী শুনলাম আমি। বাড়ি
থেকে বের হওয়ার সময়ও তো সুমাইয়ার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। তারপর শুনলাম এই খবর। আমি
অসুস্থ মানুষ। এই শোক কীভাবে বইব? মেয়ে স্বপ্ন দেখত, পড়াশোনা শেষ করে চাকরি নিয়ে পরিবারের
পাশে দাঁড়াবে, কিন্তু মেয়েটিই এখন নেই। এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না।’
গতকাল
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
নিহত হন আরিফুর রহমানের কলেজপড়ুয়া মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত (২০)। উপজেলার চুনতি বাজার
এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
মেয়ের
মৃত্যু কোনোভাবেই মানতে পারছেন না মা ইয়াছমিন আক্তার। থামছে না তাঁর আহাজারি। গতকাল
দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
মেয়ের
মৃত্যু কোনোভাবেই মানতে পারছেন না মা ইয়াছমিন আক্তার। থামছে না তাঁর আহাজারি। গতকাল
দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেপ্রথম আলো
চট্টগ্রাম
সরকারি মহিলা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়ার
বাড়ি বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের আরব শাহ ঘোনাপাড়া জমিদারবাড়ি এলাকায়। বাবা
আরিফুর রহমান পেশায় মসজিদের ইমাম। মা ও ভাইবোনদের নিয়ে সুমাইয়ারা থাকতেন কক্সবাজারের
চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় নানার বাড়িতে। আর বাবা কাজের সূত্রে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়।
তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সুমাইয়া সবার বড়।
গতকাল
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
নিহত হন আরিফুর রহমানের কলেজপড়ুয়া মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত (২০)। উপজেলার চুনতি বাজার
এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে হাইওয়ে পুলিশ জানায়, লোহাগাড়ার চুনতি বাজার এলাকায়
কক্সবাজারগামী ইম্পিরিয়াল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে এবং চট্টগ্রামগামী পূরবী পরিবহনের
অন্য একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং
কয়েকজন যাত্রী আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হন সুমাইয়া জান্নাত। লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের
কর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক
মৃত ঘোষণা করেন।
গতকাল
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, মেয়ের
লাশের সামনে আহাজারি করছেন মা ইয়াছমিন আক্তার। পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন বাবা আরিফুর রহমান।
কান্না করতে করতে ইয়াছমিন আক্তার বলছিলেন, ‘কলেজের হোস্টেলে আজ (গতকাল) সিট বরাদ্দ
দেওয়ার কথা ছিল। নোটিশ দিয়ে জানানো হয়েছিল, অভিভাবক নিয়ে যেতে হবে। এ জন্য সুমাইয়ার
বাবা রাঙ্গুনিয়া থেকে কলেজে আসছিলেন। তিনি অপেক্ষা করবেন বলে মেয়েটি সকাল সাতটায় ভাত
খেয়ে তাড়াহুড়া করে বাড়ি থেকে বের গেল। যাওয়ার সময় বলেছিলাম, এত তাড়া কিসের? পাঁচ মিনিট
পর বের হও, কিন্তু মেয়ে কথা শোনেনি।’ ইয়াছমিন আক্তারের আক্ষেপ, ‘পাঁচ মিনিট
পর বের হলে হয়তো আমার মেয়েটা বেঁচে যেত।
দোহাজারী
হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজছাত্রীর
লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই দুই বাসের চালক পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল।
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায়
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়।
এর আগে এদিন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা
মো. তৌহিদ হোসেন এবং অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক
করে প্রতিনিধিদলটি।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব দপ্তরের
ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যান, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোনাল্ড লুসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় জানায়, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রবিষয়ক
উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে ভালো লেগেছে। আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশের সঙ্গে
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো, মানবাধিকার সমুন্নত
রাখা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের
পর বাংলাদেশ সরকার ও ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি)
মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। যার আওতায় সুশাসন, সামাজিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক খাতে বাংলাদেশকে
২০২.২৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
গত শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের
রাজস্ব ও অর্থ দপ্তরের আন্তর্জাতিক অর্থায়নবিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট
নেইম্যানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা আসে। এই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে
যোগ দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট
সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু। দিল্লি সফর শেষে তিনি একই দিন বিকেলে ঢাকায় পৌঁছেন।
মন্তব্য করুন


ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের দাবি দীর্ঘ ৪০ বছর পর পূরণ হতে যাচ্ছে।
এমপিওভুক্তির প্রস্তাবের ফাইলে শেষদিন বুধবার (৫ মার্চ) স্বাক্ষর করে গেছেন বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। ফলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তারা এমপিওভুক্ত হচ্ছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫১৯ ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ৬ হাজারের বেশি শিক্ষকের ভাগ্য খুলছে।
আজ বিদায়ী বক্তব্যে বিষয়টির ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ নিজেই। আজ বুধবার (৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শেষ কর্মদিবসে সেই ফাইলে স্বাক্ষর করে গেছেন বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা। সেই ফাইল এখন প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হবে। তার সম্মতি মিললে মে মাসের মধ্যে শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পেতে পারেন।
তিনি বলেন, দেশে অনেক ইবতেদায়ী মাদ্রাসা আছে। এর মধ্যে অনেকগুলো অনানুষ্ঠানিক। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানের নথি (রেজিস্ট্রেশন) আছে। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের মতো তারা বাংলা, ইংরেজি, গণিত পড়াচ্ছে। অবকাঠোমো, শিক্ষক থাকার পরও তাদের এমপিওভুক্ত করা হয়নি। তাদেরকে এমপিওভুক্ত করা সম্ভব। সেই কাজ আমি করে দিয়েছি।
এদিকে আজ বঙ্গভবনে নতুন শিক্ষা উপদেষ্টার শপথ অনুষ্ঠানে এই শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিষয়টি অর্থ বিভাগের সচিবকে অবহিত করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা। এ সময় অর্থ সচিব প্রধান উপদেষ্টার সম্মতি মিললে টাকা ছাড় করার বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দেন।
মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস থেকে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার জন্য কাজ করছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ। সারা দেশে এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনাক্তকারী নম্বর আছে (ইআইআইএন) এমন ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসাকে এমপিও করার ফাইল প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হবে।
এ নিয়ে জানতে চাইলে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম বলেন, বিদায়ী উপদেষ্টা এই ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন। ফাইলটি এখন প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের অনুমতির জন্য পাঠানো হবে। তিনি সদয় অনুমতি দিলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করা হবে।
কতদিন লাগতে পারে- জানতে চাইলে সচিব বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় চলতি বছরের বাজেট বরাদ্দ থেকে অর্থ ছাড়ের আশ্বাস দিয়েছেন। মে মাসের বেতন যেন শিক্ষকরা পান সেই চেষ্টা চালাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের
কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মনকে খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলা কৃষি
কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা করা হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার কৃষকদের মাঝে ভেজাল সার বিতরণের
ঘটনায় আলোচনায় আসেন এই কর্মকর্তা।
সোমবার
(২৯ জুন) সকালে বিষয়টি তাকে বদলির নিশ্চিত করেছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের
উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা।
এর
আগে রোববার এক অফিস আদেশে রতন চন্দ্র বর্মনকে খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা
হিসেবে বদলির আদেশ জারি করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।
অফিস
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মনকে আগামী
১লা জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হয়ে বদলি করা কর্মস্থলে যোগদান করতে
হবে অন্যথায় ২ জুলাই থেকে তিনি স্ট্যান্ড রিলিজ বলে গণ্য হবেন।’
গত
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের
কামারখন্দে গাছের চারা ও সার বিতরণে জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন মেশানো মাটি, ময়লা-আবর্জনা
বিতরণের অভিযোগ তোলেন কৃষকরা। এই ঘটনায়, ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পলিথিন মেশানো
ভেজাল সার বিতরণ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে ইত্তেফাক
অনলাইন।
পরদিন
বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জহুরুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট
তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের
অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) আনোয়ার সাদাত, সদর উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মেরাজ হোসেন
মিসবাহ। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বেধে দেয়
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব সদর
দপ্তরে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দিয়ে
বলেন, র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। র্যাব গঠনের সময় বলা
হয়েছিল, বাহিনীটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীকালে তা
মানা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, র্যাব গঠনের শুরুর দিকে এটি একটি সুশৃঙ্খল ও
সুসংগঠিত বাহিনী হিসেবে মানুষের সম্মান, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে। পুলিশ ও
সশস্ত্র বাহিনীর সেরা অফিসারদের এখানে পদায়ন করা হতো। যখনই রাজনৈতিক বিবেচনায় এ
বাহিনীতে নিয়োগ ও পদায়ন শুরু হয়, তখন থেকে এতে পচন ধরতে শুরু করে। সাধারণ মানুষের
মনে বদ্ধমূল ধারণা এই যে, যখন থেকে র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা শুরু
হয়, তখন থেকেই র্যাব গুম, খুনসহ বিভিন্ন বেআইনি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হতে শুরু
করে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভালোবাসা, ব্যবহার ও পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে র্যাবের হারানো গৌরব ও সম্মান পুনরুদ্ধার সম্ভব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, সেজন্য আইনের মধ্যে থেকে র্যাবকে কাজ করে যেতে হবে। ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ মানা যাবে না। অননুমোদিত ও বেআইনিভাবে কাউকে আটক রাখা
যাবে না। ক্রসফায়ার, গুম, খুন থেকে র্যাবকে দূরে থাকতে হবে।
সভায় র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানসহ বাহিনীর বিভিন্ন
পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠানে র্যাবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে
অবহিত করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা র্যাবের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন
এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


সিলেটের
হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগে এবার ৩৪ দিনে পাওয়া গেছে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার
৬৭২ টাকা। এ ছাড়া দুই ভরি এক রতি স্বর্ণ, ১৫ ভরি দুই আনা রৌপ্য এবং ১৯টি দেশের বৈদেশিক
মুদ্রাও পাওয়া গেছে। সংবাদআর্কাইভ
শনিবার
(১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে গণনা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সিলেট
সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এর
আগে, শনিবার সকাল ১০টায় মাজারের তিনটি দানের ডেগ ও তিনটি দানবাক্স সিলগালা অবস্থায়
খোলা হয়।
গণনা
শেষে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দানবাক্স ও ডেগ থেকে মোট ৭০ লাখ ৮৮
হাজার ৬৭২ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুই ভরি এক রত্তি স্বর্ণ এবং ১৫ ভরি ২ আনা
রৌপ্য পাওয়া গেছে।
তিনি
জানান, দানবাক্স থেকে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে, ব্রিটিশ পাউন্ড ৩১ পাউন্ড
১১ পয়সা, ভারতীয় রুপি ৩ হাজার ২৪৮ রুপি, পাকিস্তানি রুপি ৬০ রুপি, সৌদি রিয়াল ৭০
রিয়াল, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৮৩ রিঙ্গিত, মার্কিন ডলার ৪ ডলার, নেপালি রুপি ১০০ রুপি,
ওমানি মুদ্রা ১০০০ বায়সা ও ১ রিয়াল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৬৪ দিরহাম ২২ সেন,
ইরাকি দিনার ২৫০ দিনার, তুর্কি লিরা ৯০ লিরা, ভিয়েতনামের ডং ১০০০ ডং, জাপানি ইয়েন
১০০০ ইয়েন, কাতারি রিয়াল ১১২ রিয়াল ৫০ পয়সা, লেবাননের পাউন্ড ১০ পাউন্ড, মিশরীয়
পাউন্ড ১০ পাউন্ড, ইউরো ৪০ পয়সা, বাহরাইনি মুদ্রা ১ পয়সা এবং কানাডীয় ডলার ১ ডলার।
এর মধ্যে ভারতীয় রুপির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, ৩ হাজার ২৪৮ রুপি।
জেলা
প্রশাসক জানান, নজরানা হিসেবে পাওয়া গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগির পৃথক হিসাব মাজার কর্তৃপক্ষের
কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
প্রসঙ্গত,
গত ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে গিয়ে আয়-ব্যয়ের
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ নেন সিলেটের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার
আলম। পরবর্তীতে তার নির্দেশে ১৮ জুন পুরাতন তিনটি ডেগে সিলগালা ও নতুন দানবাক্স বসানো
হলে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এ অবস্থার মধ্যেই সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার
করে নেয় সরকার।
তবে,
প্রত্যাহারের আদেশ হলেও গত ২২ জুন সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের
প্রকাশ্যে মাজারের দানের টাকা গণনা করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য
ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে গত ২৬ জুন সিলেট সার্কিট হাউজে
এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাজারের পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী
স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
এক
মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত জমা দেওয়ার কথা বললেও গঠনের পর প্রায়
দেড় মাস পার হয়ে গেলেও কমিটি এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা রূপরেখা দিতে
পারেনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
কেন্দ্রীয় কারাগার অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্ধারণে শিগগিরই কাজ
শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘কারাগারটি
শহরের বাইরে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সাইট নির্বাচন করা হবে।
মঙ্গলবার
(২ জুন) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে কুমিল্লা সদরের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে কুমিল্লার রাজনৈতিক,
সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনের প্রাচীর পূর্ববর্তী স্থানেই নির্মাণের যৌক্তিকতা
তুলে ধরেন সদরের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম,
কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী, দৈনিক কুমিল্লার কাগজের সম্পাদক
আবুল কাশেম হৃদয়, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্যসচিব নাসির উদ্দিন, সময় টিভির সাংবাদিক
বাহার উদ্দিন রায়হান, ব্যবসায়ী মাইনুল হাসান রিপন এবং এনসিপি নেতা মাসুমুল বারী কাউসার।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন