

শ্বশুরকে মোটরসাইকেল উপহার দিয়ে তাক লাগালেন জামাই। এ বিরল ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের দেউলী গ্রামে।
জামাই সাবিত হাসান পেশায় একজন ফ্রিল্যান্সার। বাবাহারা এই যুবক ছোটবেলা থেকে অনেক কষ্টের মধ্যে দিন পার করে বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। জ্ঞান হওয়ার পর থেকে তার ইচ্ছা ছিল কোনো বাবার কলিজার টুকরো কন্যা সন্তানকে ঘরে তুললে বিনা যৌতুকে বিয়ে করবেন। শুধু তাই নয় উলটো শ্বশুরকে উপহার দিবেন মোটরসাইকেল। যে কথা সেই কাজ বিয়ে হয়েছে প্রায় দুমাস আগে।
এ সময় তার শ্বশুরকে কথা দিয়েছিলেন একটি মোটরসাইকেল উপহার দেবেন। তার ইচ্ছামতো একটি মোটরসাইকেল সম্প্রতি উপহার দিলেন শ্বশুর আলী হোসেনকে। সাবিতের শ্বশুরবাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার গড়েয়া ইউনিয়নের গুঞ্জরগড় গ্রামে।
শশুর আলী হোসেন মোটরসাইকেল পেয়ে শুধু খুশি নয় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তিনি জানান, তার মনের মতো জামাই নয়, যেন ছেলে পেয়েছেন তিনি।
অপরদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় বেশ ধুম পড়ে যায়। এরকম ঘটনা সমাজে দৃষ্টান্ত বলে মনে করে স্থানীয়সহ বন্ধুরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোটবেলা থেকেই সাবিতের ইচ্ছা ছিল বিনা যৌতুকে বিয়ে এবং শ্বশুরকে উল্টো মোটরসাইকেল গিফট করা। তার ইচ্ছা পূরণ হলো।
জামাই সাবিত হাসান বলেন, বর্তমান সমাজে যৌতুক ও খুশি করে দেওয়া উপহার যেন ট্র্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই যৌতুক প্রথা ভাঙতেই তার এই মহৎ উদ্যোগ।
তার মতো সবাই শশুরকে উপহার নয় অন্তত বিনা যৌতুকে বিয়ে করবে এবং সমাজের যৌতুক প্রথার অবসান ঘটবে এমনটাই ইচ্ছা সাবিতের।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জমিজমা নিয়ে বিরোধের
জের ধরে মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ জামাল হোসেন নামের দুই চাচাতো জ্যেঠাতো ভাইকে ধারালো
দা, ছেনী ও হকিস্টিক দ্বারা কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন
কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। সেই সাথে প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড
এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
প্রদান করেন।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায়
কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ
রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরী গ্রামের মোঃ হাজী আতর আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ তোতা,
মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন, হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন, মোঃ ফরিদ
উদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন, মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে মোঃ বাবুল ও মৃত আনোয়ার আলীর হারুনুর
রশিদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা
হলেন- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরীর মৃত জুনাব আলীর ছেলে হায়দার আলী, হাজী
আব্দুর রহিমের ছেলে আঃ মান্নান, মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল হোসেন, মৃত আঃ খালেক
এর ছেলে আবুল বাশার, মৃত আঃ রশিদ এর ছেলে জাকির হোসেন, মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আব্দুল
কাদের ও মৃত ইউসুফ মিয়া'র ছেলে আব্দুল কুদ্দুস।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ জেলা পিপি
এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে
নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট
মোঃ মজিবুর রহমান বাহার এবং বাদীপক্ষে প্রাইভেট ল'ইয়ার এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন
আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন অশোকতলা এলাকা হতে ১০ কেজি গাঁজাসহ
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি আভিযানিক দল গত ২১ ডিসেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন অশোকতলা
এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত
মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দক্ষিণ চরথা গ্রামের আব্দুল
মোতালেব এর ছেলে মোঃ কামরুল হাসান (৩০)।
র্যাব
জানান, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ
মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার হোমনায় তিন খুনের আসামীকে গ্রেফতার করেছে হোমনা থানার পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার শ্রীমদ্দি চরের গাও
এলাকার হক মিয়ার ছেলে
আক্তার হোসেন(২৭)।
পুলিশ জানান,
উক্ত বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান আছে।
উল্লেখ্য,
গত বুধবার রাতে উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া গ্রামে ঘরে ঢুকে তিনজনকে হত্যা করে।
নিহতরা হলেন, বড় ঘাগুটিয়া গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা বেগম (৩৫), তার ছেলে-সাহাব উদ্দিন (৯) এবং ভাগ্নি তিশা আক্তার (১৪)।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, এই মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় অবশ্যই আছে, আমরা তা অস্বীকার করছি না।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের চেক বিতরণ ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, যেসব ভাই-বোন স্বজন হারিয়ে এসেছেন, তাদের ক্ষতি কোনো রাষ্ট্রই পূরণ করতে পারবে না। এই মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় অবশ্যই আছে, আমরা তা অস্বীকার করছি না। নিহতদের পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে রাষ্ট্র সজাগ থাকবে। কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও সেবার ক্ষেত্রে নিহতদের পরিবার যাতে অগ্রাধিকার পায়, সেটি সরকার নিশ্চিত করবে।
কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আট লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পদুয়ার বাজার এলাকায় আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ করা হবে।
জেলা প্রশাসন কুমিল্লা ও বিআরটিএ কুমিল্লা সার্কেল যৌথ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।
আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয় এবং সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলায় ভাত রান্নায় দেরি হওয়ায় স্বামীর হাতেই স্ত্রী খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী মো: ইয়াসিনকে আটক করছে থানা পুলিশ।
নিহতের নাম ফেরদৌসী আক্তার আন্না (২৫)। উপজেলার নবুরকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুল আউয়ালের মেয়ে ফেরদৌসী আক্তার।
অভিযুক্ত স্বামী মো. ইয়াছিন উপজেলার পশ্চিম গাজীপুর গ্রামে মো: শাহ আলমের ছেলে।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের মেঘনা ধনাগোদা নদীর নবুরকান্দি বেড়িবাঁধের সঙ্গে টেম্পু স্টেশন নদী থেকে নিহত ফেরদৌসীর লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
এদিন বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মো. রবিউল হক।
স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাত রান্না দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রী ফেরদৌসীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় স্বামী ইয়াসিনের। এক পর্যায়ে রাগান্বিত হয়ে ফেরদৌসীর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন ইয়াসিন। পরে গলা টিপে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেন।
সকালে নদীর পাড়ে লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয় এলাকাবাসী। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
নিহত ফেরদৌসী আক্তার আন্নার বড় বোন মনোয়ারা জানান, আমার ছোট বোনের স্বামী অন্য মেয়ের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে পারলে এবং পরকীয়ায় বাধা দিলে আমার বোনকে প্রতিনিয়ত মারধর করত ইয়াসিন। কয়েকদিন আগেও পরকীয়া করতে গিয়ে ধরা পড়ে জরিমানা দিয়েছে ইয়াসিন। শুক্রবার রাত তিনটার দিকে ইয়াসিন আমার মাকে ফোন দিয়ে বলে আপনার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না, আপনার বাড়িতে গিয়েছে কিনা। আমরা ভোরে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি ঘরের দরজায় তালা দেওয়া। পরে লোকমুখে শুনতে পাই আমার বোনকে মেরে নদীর তীরে ফেলে রেখেছে।
নিহত ফেরদৌসী আক্তারের বড় ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৭) জানান, ভাত খেতে গেলে আমার আব্বু রাতে আম্মুকে গ্যাসের চুলার আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় এবং গলা টিপে হত্যা করে জামা কাপড় পরিবর্তন করে অটোরিকশায় করে আম্মুকে নদীতে ফেলে দেয়।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মো. রবিউল হক জানান, খবর পেয়ে মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. খাইরুল কবিরসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ইয়াসিনকে আটক করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন


এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে কুমিল্লা জেলা হ্যান্ডবল দল।
সোমবার (৩ জুন) এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর উদ্বোধন হবে ঢাকায়।
১২ সদস্যের কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দল রবিবার কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে যাত্রা করে।
রবিবার সকালে কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলকে বিদায় জানান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া ও সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির।
নারী হ্যান্ডবল দলকে শুভেচ্ছা জানান, নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, তিনি শৃংখলার সাথে খেলায় অংশ নিয়ে নিজেদের ও কুমিল্লা জেলার সুনাম বয়ে আনতে মনোযোগী হতে বলেন।
কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলের ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন রোকসানা বেগম ও কোচ আলমগীর আলম রাজু।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) মধ্যরাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী স্বাধীনতা সড়কে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের দারিয়াপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মো. মাসুদ রানা (৩৫) ও একই উপজেলার সাজিবুর রহমানের স্ত্রী মোছা. কোহিনুর (৪৫)।
ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার বলেন, ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ২ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মুজিবনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে কোতয়ালী
মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল (১৮মে)
সন্ধ্যায় কোতয়ালী
মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ২নং উত্তর দূর্গাপুর ইউপিস্থ আড়াইওড়া উত্তর পাড়া কালী মন্দির সংলগ্ন ধৃত আসামী খালেক মিয়ার চা দোকানের উত্তর পাশে খালেক মিয়ার মালিকানাধীন একচালা ছাপরা ঘরের ভিতরে তল্লাশী করে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী নিলুফা বকুল
ও মোঃ মালেককে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন
আড়াইওড়া(উত্তর পাড়া, কালী মন্দির সংলগ্ন) এলাকার খোকন মিয়ার
স্ত্রী নিলুফা
বকুল (৫০) এবং একই এলাকার মৃত আলী আশরাফ এর
ছেলে মোঃ
মালেক(৫০)।
এ
ঘটনায় কুমিল্লা কোতয়ালী
মডেল থানায়
মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ
বন্ধু নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার
দিকে পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়কের পাবনা সুগার মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের
সদস্যরা নিহতসহ আহতদের উদ্ধার করেন।
নিহতরা হলেন- উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের
আজমনগর গ্রামের রেজাউল হোসেনের ছেলে জিহাদ, কবির আনোয়ারের ছেলে বিজয়, ইলিয়াস হোসেনের
ছেলে শিশির, মাসুম হোসেনের ছেলে সিফাত ও ভাড়ইমারী গ্রামের ওয়াজ আলীর ছেলে শাওন। আহতরা
হলেন- একই গ্রামের জেটুর ছেলে শাহেদ ও সুমন আলীর ছেলে নাঈম।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, নিহতের
মধ্যে বিজয় হোসেন ঢাকার একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানির প্রাইভেটকার চালাতেন।
ছুটিতে নিজ গ্রামের বাড়িতে বেড়ানোর উদ্দেশে গিয়ে সেই গাড়িতে আরও ছয় বন্ধুকে নিয়ে
ঘুরতে বের হয়। দাশুড়িয়া-পাবনা মহাসড়কের পাবনা সুগার মিলের সামনে পৌঁছালে প্রাইভেটকারটি
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এ সময় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে
মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই গাড়িতে থাকা জিহাদ, বিজয় ও শিশির নামে তিন বন্ধু নিহত হন।
এ সময় আহত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার
করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিফাত
ও শাওনের মৃত্যু হয়। শাহেদ ও নাঈম নামে আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক
শামীম।
পাকশী হাইওয়ে থানার ওসি বেলাল হোসেন
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিস
ও ডিফেন্স স্টেশনের সদস্যদের সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আহত অবস্থায় ৪ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে তাদের মধ্যে আরও ২ জন মারা যায়।
মন্তব্য করুন