

ঢাকার
সচিবালয়ের নতুন কেবিনেট ভবনের অষ্টম তলায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে
পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
আজ
রবিবার (৩০ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার
সার্ভিস জানায়, সচিবালয়ের নতুন ১ নম্বর ২০ তলা ভবনের ৯ তলায় ভবনের বাইরের এডজাস্ট ফ্যানে
বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুন লেগেছিল। ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট গেলেও কোনো কাজ করতে
হয়নি। ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃক আগুন নেভানো হয়।
জানা
যায়, ভবনে আগুন লাগার পরপরই সেখানে কর্মরত সবাই দ্রুত নিচে নেমে আসেন। এ ঘটনায় কোনো
হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার লালদীঘি এলাকার জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট এলাকা থেকে এক পলাতক আসামিকে আটক করে র্যাব। গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।র্যাব সূত্র জানায়, আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার আসামি গণেশ দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।মামলার নথি ও র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা একপর্যায়ে সহিংস সংঘর্ষে রূপ নেয়। ওই সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়।ঘটনার পর নিহত আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রাথমিক এজাহারে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তৎকালীন কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন ও চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর ২৫ আগস্ট চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদের আদালত শুনানি শেষে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন।তদন্তের একপর্যায়ে এজাহারভুক্ত গগন দাশ, বিশাল দাশ ও রাজকাপুর মেথরের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে নতুন করে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ আরও ১০ জনকে মামলায় আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।চট্টগ্রাম র্যাবের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎকালে, সেনাপ্রধান
দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান
উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। পাশাপাশি, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনী গৃহীত
বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন।
আলোচনাকালে, সেনাপ্রধান তাঁর সাম্প্রতিক
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এই সফরটি দুই
দেশের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সেনাপ্রধান
আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও, সদ্য সমাপ্ত বিবিধ বঞ্চিত সেনা
কর্মকর্তাদের সুবিচার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ এবং
বিবিধ কারণে চাকরিচ্যুত জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনা সদস্যদের চলমান উচ্চপদস্থ পর্ষদ-এর
অগ্রগতির বিষয়ে সেনাপ্রধান প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
এ ছাড়া জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত
ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত
করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা
ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা
প্রদান করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


যেকোনো
মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)
মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি
যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐকবদ্ধ না হই তাহলে দেশ ধ্বংস
হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই নির্বাচন যেকোনো মূল্য
নির্বাচন হতে হবে।”
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে
তিনি বলেন, “গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর যে দুষ্কৃতকারীদের
হামলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন তিনি, এই হামলার পেছনে কারও
কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না ভেবে দেখতে হবে।”এ সময় তিনি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে
বিএনপির এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন এবং বলেন, এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা
লোটার চেষ্টা করছে। অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “অতীতে আওয়ামী
স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালিত করেছেন, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালিত করবো না। আমরা তার
পরিবর্তন আনবো, কল্যাণ করবো। সেজন্য এই দেশ গড়ার পরিকল্পনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবো।”
দলীয়
নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “মানুষের কাছে আমাদের যেতে হবে।
একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা মানুষের সঙ্গে মেশেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের
বসে থাকলে চলবে না।”বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তারেক
রহমান বলেন, “আমাদের এখন বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রত্যেকটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে
পৌঁছে দেওয়া। বিএনপির একজন নেতা হিসেবে, একজন কর্মী হিসেবে আমাদের পরিকল্পনাগুলো জনগণের
কাছে নিয়ে যেতে হবে। শুধু জনগণের দোরগোড়ায় নিলে হবে না, এই কাজের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে।”
মন্তব্য করুন


দেড়
যুগের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন যেমন বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় স্থান
নিয়েছে, তেমনি রয়টার্স, আল জাজিরাসহ বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ২৫ ডিসেম্বর ) দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে রয়টার্সের একটি খবরের শিরোনাম
ছিল- ভোটের আগে নির্বাসন থেকে ফিরলেন শীর্ষ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত
বাংলাদেশ নেতা।
খবরটিতে
বলা হয়, প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ঢাকায় ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান। তার দল আশা করছে এতে সমর্থকরা উদ্দীপ্ত হবেন। আরও বলা হয়, ফেব্রুয়ারি
১২ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে তাকে।
তারেক
রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে সড়ক জুড়ে লাখো সমর্থকদের উপস্থিতি এবং কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার
কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।
ভারতীয়
গণমাধ্যমে এনডিটিভির সংবার শিরোনাম ছিল- খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বাংলাদেশে
ফিরলেন: নির্বাসনের সময়টি যেমন ছিল।
তারেক
রহমান দেশে ফিরেছেন এবং এ উপলক্ষ্যে সারা দেশ থেকে নজিরবিহীন মানুষের ঢল নেমেছে, এমন
বর্ণনা উঠে আসে এনডিটিভির প্রতিবেদনে। এর পাশাপাশি ২০০৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত
তারেক রহমানের বিষয়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এতে আলোচনা করা হয়।
এএফপির
প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরলেন
১৭ বছর পর।
বাংলাদেশে
দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা পরিবারের উত্তরসূরি এবং সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের নেতা
তারিক রহমান দেশে ফিরছেন, এমন বর্ণনা উঠে এসেছে প্রতিবেদনটিতে। তার মা খালেদা জিয়ার
শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তারেক জিয়া তার মায়ের থেকে বিএনপির দায়িত্ব
বুঝে নেবেন এমন ধারণা করা হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সংবাদের শিরোনাম ছিল- ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ফিরলেন বাংলাদেশের
বিরোধীদলীয় নেতা তারেক রহমান।
তারেক
রহমানের পরিচিতি এবং দেশে ফেরার পটভূমির পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির
চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে আল জাজিরার এই প্রতিবেদনে।
বিবিসি
বাংলার ওয়েবসাইটে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর লাইভ প্রকাশ করা হয়। এর
শিরোনাম ছিল- ১৭ বছর পর ঢাকায় তারেক রহমান। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান
দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর আজ এসেছেন
দেশের
মাটিতে।
তাকে ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ
বিএনপির সিনিয়র নেতারা।
মন্তব্য করুন


জুলাই
সনদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক
উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। কয়েক
মিনিটের মধ্যেই তার পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
বুধবার
(১১ মার্চ) রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই স্ট্যাটাস দেন তিনি।
স্ট্যাটাসে
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লেখেন, ‘জুলাই সনদ Non-negotiable’।
মাত্র
৩ শব্দের এ স্ট্যাটাসটি ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
স্ট্যাটাসটিতে
প্রায় ২৫ হাজার রিঅ্যাক্ট পড়েছে। পাশাপাশি প্রায় এক হাজার ২০০ আইডি থেকে স্ট্যাটাসটির
মন্তব্যের ঘরে নানা মন্তব্য করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১৫ জানুয়ারি ) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত
হবে।
বিএনপির
মিডিয়া সেলের সদস্য এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বাসসকে
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত
বছরের ১৩ জুন যুক্তরাজ্যের লন্ডন সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তারেক
রহমানের প্রথমবার একান্তে বৈঠক হয়। তখন তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
ছিলেন। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে দুজনের এই বৈঠকের পর উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি
দিয়েছিলেন।
যুক্তরাজ্যে
১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। গত ৩০ ডিসেম্বর
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ৯ জানুয়ারি
বিএনপির চেয়ারম্যান হন তারেক রহমান। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী
কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে দলের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিএনপির
চেয়ারম্যান হিসেবে আজই প্রথম তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন।
নির্বাচন
কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হবে। একই সঙ্গে সংস্কার তথা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে হবে গণভোট।
জানা
গেছে, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের এই বৈঠকে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি-
বিশেষ করে আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


রিটার্নিং
কর্মকর্তাদের কাছে বাতিল হওয়া মনোনয়ন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে ফিরে পেয়েছেন তাসনিম
জারা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী
ডা. তাসনিম জারা।
আজ
শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানি শেষে তার মনোনয়ন
ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় কমিশন।
এর
আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের
সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গুদামের আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ এক ফায়ারকর্মী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সোমবার টঙ্গী এলাকার একটি কেমিক্যাল গোডাউনে বিস্ফোরণের ঘটনায় আমাদের এখানে চারজন এসেছিল। শামীম আহমেদ নামে একজন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৩টার দিকে মারা যান। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় তিনজন আমাদের এখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া উইংয়ের তালহা বিন জসিম বলেন যে , সোমবার টঙ্গীর কেমিক্যাল গোডাউনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ বিকেল ৩টায় মারা গেছেন। তিনি টঙ্গীর ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। মাগরিবের নামাজের পর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দপ্তরে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সাহারা মার্কেট এলাকার একটি কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ গুরুতরভাবে দগ্ধ হন। পরে তাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে জাতীয় স্বার্থে
সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে সেজন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ কয়েকজন উপদেষ্টা বৈঠকে ছিলেন। তাদের
সঙ্গে বিদ্যমান পরিস্থিতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দেশ কীভাবে শান্তিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে
আগামীতে একটা কার্যকর নির্বাচনের দিকে এগোতে পারে, সে বিষয়ে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতি-ধর্ম, দল-মত নির্বিশেষে
এ দেশ আমাদের সবার। সবাই মিলেমিশে জাতীয় ঐক্য আরও কীভাবে সংহত করা যায়, প্রশাসনকে আরও কীভাবে গুছিয়ে আনা যায়, এসব বিষয়ে
আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, যেটাতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে, সেটাকে
লাঘব করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামীতে রমজান মাস আসছে, এটাকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা
যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সেসব নিয়েও কথা হয়েছে। আমরা পরামর্শ করেছি।
পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অনেক আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু
বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। এসব আলোচনায় আমরা একমত হয়েছি যে—দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়েই দেশকে সামনে
এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আর দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে যারাই জড়িত থাকবে,
তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এর মাধ্যমে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দিতে হবে। এরজন্য
প্রয়োজন সর্বোত জাতীয় ঐক্য। দল-মত-ধর্মের ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে জাতীয় স্বার্থে আমরা
যেন ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি। আপনাদের মাধ্যমে আমরা সে আহ্বান জানাই। আমরা বৈঠকেও এ কথা
বলেছি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ন্যূনতম যে
সংস্কার দরকার, সেটা দ্রুত করে তারপর নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে এসেছি আমরা।
বৈঠকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত
ছিলেন, দলটির দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, আব্দুল হালিম এবং
নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লে ও বাজি উদ্ধার
করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য এক কোটি
৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
সোমবার
(২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির
মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোর আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
উপজেলা যশপুর বিওপির আওতাধীন লক্ষ্মীপুর সীমান্ত এলাকার প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে
‘বলের ডেপা’ নামক স্থানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল
ডিসপ্লে ও কিং কোবরা ব্র্যান্ডের আতশবাজি পড়ে থাকতে দেখা যায়। যা অবৈধভাবে ভারত থেকে
দেশে আনা হয়। পরে বিজিবির দায়িত্বরত টহলটিম সেগুলো জব্দ করে।
কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, জব্দকৃত মালামালের
আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এ ধরনের চোরাচালান দেশের অর্থনীতির
জন্য ক্ষতিকর এবং জননিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করে।
বিশেষ
করে অবৈধ বাজি মজুদ ও পরিবহন অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। উদ্ধারকৃত
মালামাল বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। সীমান্ত এলাকায়
চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবির এ অফিসার।
মন্তব্য করুন