

ভোলার
চরফ্যাশনের শশীভূষণে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তির লাশ
দাফনে বাধা ও সন্তানদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। লাশ দাফনকে কেন্দ্র করে দুই স্থানে
দুইবার কবর খুঁড়ে দাফন করতে পারেনি।
এ
নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন
হয়। শনিবার (২০ জুন) উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ৩ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার
সূত্রে জানা গেছে, মৃত জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৪টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার
দুই স্ত্রী ও সাতজন ছেলে-মেয়ে রয়েছে।
সন্তানদের
অভিযোগ, তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে
যান। এই সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরেই লাশ দাফনে বাধা দেন সন্তানরা। পরে বাধ্য হয়ে
পরিবারের লোকজন নিজ বাড়ির উঠানে দ্বিতীয়বার কবর খোঁড়েন। কিন্তু সেখানেও মৃতের চতুর্থ
স্ত্রী ও সেই ঘরের সন্তানরা পুনরায় বাধা দেন।
এ
ছাড়া লাশ আঙিনায় রেখে ভাই-বোনদের মধ্যে কয়েক দফা হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। খবর
পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব
হয়নি। পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত
করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের লাশ নিজ বাড়ির আঙিনায় জানাজা
শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানায়, দাফনকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা বিরাজ ওই বাড়িতে।
এক
পর্যায়ে লাশ বাড়ির উঠানে রেখে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি
এবং মারধর বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে শশীভূষণ
থানা পুলিশকে খরব দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।
তবে পুলিশের উপস্থিতিতেও কয়েক দফা উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি
ও স্থানীয়রা উভয় পক্ষকে শান্ত করে দীর্ঘ আলোচনার পর বাড়ির উঠানে জানাজা শেষে জলিলের
লাশ দাফন করা হয়।
এদিকে
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে একজন মৃত
ব্যক্তির দাফন বিলম্বিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। অনেকেই
এমন ঘটনাকে মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ২৫ মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২৫ মার্চ শুরু হওয়া অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
আগামী ১১ এপ্রিল ঈদের দিন ধরে হিসেব করে যাত্রা বিবেচনায় টিকিট বিক্রি শুরুর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে রেলের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট আলাদা সময়ে বিক্রি করা হবে। সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে আর দুপুর ২টায় পশ্চিমাঞ্চলে টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ৪ এপ্রিল। ১০ এপ্রিল পর্যন্ত অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে। সাধারণত যাত্রার ১০ দিন আগে অগ্রিম টিকিট শুরু করে রেলওয়ে। তবে এবার ঈদের ক্ষেত্রে সাত দিন আগে পাওয়া যাবে অগ্রিম টিকিট।
এছাড়া ৪ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৫ মার্চ, ৫ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৬ মার্চ, ৬ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৭ মার্চ, ৭ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৮ মার্চ।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সূত্র জানিয়েছে, এবারও ঈদযাত্রার কোনো টিকিট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকেই শতভাগ টিকিট বিক্রি হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট, রেল সেবা অ্যাপ ও সহজ ডটকমের প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
সাত জোড়া বিশেষ ট্রেন চলতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামীকালের বৈঠকে বিশেষ ট্রেনের সময়সূচি নির্ধারিত হবে।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুরের
গাংনী উপজেলায় গরুবোঝাই একটি ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩৫)
নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রলিতে থাকা আরো ১০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রাইপুর বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত
উজ্জ্বল হোসেন মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
আহতরা
হলেন— মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী গ্রামের ইসমাইল হোসেন (৪৫),
সাবদার আলী (৫০) ও রফিকুল ইসলাম (৫০); চকশ্যামনগর গ্রামের কবির হোসেন (৫০), ওসমান আলী
(৪৮) ও ইসরাফিল হোসেন (৫০); যাদবপুর গ্রামের নাজমুল হোসেন (৩৫); বামনপাড়া গ্রামের রাজা
হোসেন (৪০) ও শহিদুল ইসলাম (৩৫); এবং রাধাকান্তপুর গ্রামের লিটন আহমেদ (৩৫)।
আহত
শহিদুল ইসলাম জানান, তারা মেহেরপুর থেকে গরুবোঝাই ট্রলি নিয়ে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা
পশুর হাটে যাচ্ছিলেন। পথে রাইপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে
যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক উজ্জ্বল হোসেন নিহত হন এবং ট্রলিতে থাকা অন্যরা আহত হন। দুর্ঘটনার
পর স্থানীয়রা ট্রলিটি সরিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে দড়ি কেটে ট্রলিতে থাকা গরুগুলো
বের করে আনা হয়। আহতদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
গাংনী
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাসুদুর রহমান
বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই উজ্জ্বল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রাথমিক
চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গাংনী
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, গরুবোঝাই ট্রলি
উল্টে একজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


তারে
এক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের পাঁচজনই বাংলাদেশি।
স্থানীয়
সময় শনিবার ( ২০ জুন )সকালে দেশটির শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
প্রবাসীরা হলেন—সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের
জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
তারা
একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। এসময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারালে ঘটনাস্থলেই
ছয়জন প্রাণ হারান। নিহত অপর ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক।
নিহতদের
মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
জালালাবাদ
অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক বলেন, দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে
পাঁচ প্রবাসরি মরদেহ দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুষ্টিয়ার
মিরপুরে সেনা সদস্যদের বহনকারী একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেনা সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আজ রবিবার
দুপুর ১২টার দিকে পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে উপজেলার তালবাড়িয়া হাইস্কুলের সামনে এ
দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী,
পুলিশ ও আহতরা জানান, বগুড়া থেকে ভাড়া করা একটি বাসে করে প্রশিক্ষণরত সেনাসদস্যরা
খুলনার দিকে যাচ্ছিলেন। বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা হিমেল পরিবহন'-এর
একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের
উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেওয়ার পর আহতদের
মধ্যে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
প্রাথমিকভাবে
জানা গেছে, নিহত যাত্রীর নাম জিয়া। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায় এবং তিনি ব্র্যাক
ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।
আহত
সেনা সদস্যরা জানান, তাঁরা বর্তমানে সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণরত। ঈদুল আজহার ছুটি শেষে
তাঁরা একটি ভাড়া করা বাসে করে খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে ফিরছিলেন। ওই বাসে মোট
৪২ জন সেনা সদস্য ছিলেন। পথিমধ্যে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁরা কমবেশি সবাই আহত হয়েছেন।
আহত সেনা সদস্যদের মধ্যে অন্তত ১০ জনকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছে। বাকিদের অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪) দুপুর ১২:৪০ মিনেটে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ১০ পদাতিক ডিভিশন এর উপস্থিতিতে রামু সেনানিবাসের গ্যারিসন মসজিদে শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে দুপুর ১:১০ মিনিটে উক্ত অফিসারের মৃতদেহ সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার যোগে নিজ বাড়ি টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ১৯ পদাতিক ডিভিশন এর উপস্থিতিতে সন্ধ্যা ৬ টায় অফিসারের নিজ বাড়ি জেলা সদরের বেতকা গ্রামে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে যথাযোগ্য মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়।
মন্তব্য করুন


কুপিয়ে হত্যা করা আইনজীবী সাইফুল ইসলাম
আলিফের পরিবারের জন্য ধর্ম উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে কোটি টাকার ফান্ড গড়ে তোলা হচ্ছে।
এ ফান্ড সংগ্রহের দায়িত্বে আছে মানবিক সংগঠন আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন।
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের
লোহাগাড়ার পানত্রিশা গ্রামে শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত ও মোনাজাত
শেষে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ধর্ম উপদেষ্টা
এ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেন, প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ আইনের শাসন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার
প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দেশ ও জাতিকে অনেক কিছু দিতে পারতেন। কিন্তু তাঁকেই নির্মমভাবে
হত্যা করা হয়েছে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে
না।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা
ও ধিক্কার জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধীদের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করতে
সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
ধর্ম উপদেষ্টা শহিদ আইনজীবী সাইফুল
ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত করেন ও খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা
জানান। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারে ক্ষেত্রে সরকারের দৃঢ় মনোভাব ব্যক্ত করেন।
এছাড়া উপদেষ্টা এই পরিবারকে সরকারের পক্ষ হতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ধর্ম উপদেষ্টা হত্যাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত
পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ, চিকিৎসা ও পড়ালেখার জন্য শহিদ সাইফুলের বাবার হাতে আলহাজ
শামসুল হক ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে এক কোটি টাকা সহায়তা প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নগদ এক
লাখ টাকা, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকার চেক ও আল মানাহিল ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আরো এক লাখ টাকা তুলে দেন।
এ সময় লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোহাম্মদ ইনামুল হাসানসহ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


বরিশালে
সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ( ২৬মে ) গৌরনদী উপজেলার
বাটাজোর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন—উজিরপুর উপজেলার
ফিরোজ মাহমুদ (৩৬), তার স্ত্রী মনিরা বেগম (২৬) ও তাদের কন্যাসন্তান জান্নাত
(৪)।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতরা মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন। তারা বরিশাল থেকে মোটরসাইকেলযোগে
গৌরনদী যাচ্ছিলেন। বাটাজোর এলাকায় পৌঁছালে বরিশালগামী তাজ আনন্দ পরিবহনের ধাক্কায়
তারা ঘটনাস্থলে নিহত হন।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী থানার ওসি মো. তারিখ হাসান রাসেল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা
তাজ আনন্দ পরিবহনটি আটক করেছি। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে,বাংলাদেশি ভোটার বিদেশে বসবাস করলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ নিয়ে ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি হয়েছে যাতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিধান রয়েছে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য আবেদন:প্রবাসী ব্যক্তি ভোটদানের জন্য কমিশনের ঘোষিত সময়সূচির প্রজ্ঞাপন ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের জন্য রিটার্নিং অফিসারের নিকট বিধি অনুসারে আবেদন করতে পারবেন।বিধান অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান সংক্রান্ত রিটার্নিং অফিসার স্থানীয়ভাবে প্রচার করবেন। আর বিদেশে অবস্থিত দূতাবাস, হাইকমিশন ও মিশনসমূহ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পদ্ধতিগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর করণীয়: রিটার্নিং অফিসার উল্লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পর পরই সংশ্লিষ্ট ভোটারের নিকট একটি পোস্টাল ব্যালট পেপার এবং তার সঙ্গে একটি খাম পাঠাবেন। এই খামের ওপর ভোটার থেকে যথারীতি পূরণকৃত খামটি ডাক বিভাগের উপযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে ডাকযোগে প্রেরণের প্রত্যয়নসহ তারিখ উল্লেখ থাকবে। সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণ এবং চিঠির ওপর এ সম্পর্কে রাবার স্ট্যাম্পের সিল ব্যবহার করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার সঙ্গে সঙ্গে ডাকযোগে ভোটদানের যোগ্য ব্যক্তিদের নিকট পোস্টাল ব্যালট পেপার প্রেরণ করবেন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিয়ম: যার নিকট ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে তার নাম, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নাম এবং ভোটার তালিকায় বর্ণিত ক্রমিক নম্বর ইস্যুকৃত ব্যালট পেপারের মুড়িপত্রে লিপিবদ্ধ করবেন।) উল্লিখিত ভোটার সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে যাতে ভোট প্রদান করতে পারেন তা নিশ্চিত করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষকে ডাকযোগে ব্যালট পেপার প্রেরণ ও প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে ।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপের
গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ড ও ঘানার মধ্যকার ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হলেও, ম্যাচ-পরবর্তী
আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে এক অদ্ভুত বিতর্ক ‘কালো জাদু’
বা আফ্রিকান ঐতিহ্যবাহী ‘জুজু’।
ম্যাচে
বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড। বিশেষ করে দলের তারকা
স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন একাধিক সুযোগ পেয়েও জালের দেখা পাননি।
এরই
মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, গ্যালারিতে ঘানার
সমর্থকরা সাদা পাউডার ছিটিয়ে নিজেদের দলের সাফল্যের জন্য প্রার্থনা করছেন। এই দৃশ্য
ঘিরে শুরু হয় নানা জল্পনা ও হাস্যরস।
ম্যাচের
আগে ব্রিটিশ একটি গণমাধ্যমে ঘানার এক তান্ত্রিক দাবি করেছিলেন, তিনি হ্যারি কেনকে গোল
করতে না দেওয়ার জন্য ‘বিশেষ শক্তি’ প্রয়োগ করবেন। ম্যাচের ফলাফলের সঙ্গে
সেই দাবির কাকতালীয় মিল থাকায় বিষয়টি আরও আলোচনায় উঠে আসে।
ম্যাচের
শেষ মুহূর্তে নিশ্চিত গোলের সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হন কেন। তার শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে
চলে যায়, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় মিম ও রসিকতার ঝড়।
ম্যাচ
শেষে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস হাস্যরসের সুরে বলেন, ‘আমরা সব ধরনের চেষ্টা
করেছি, কিন্তু গোল পাইনি। কে জানে, হয়তো আজ ‘কালো জাদু’ই
কাজ করছিল!’
যদিও
পুরো ঘটনাটিকে অনেকে নিছক কাকতালীয় ও রসিকতা হিসেবেই দেখছেন, তবুও ম্যাচটি ঘিরে এই
অদ্ভুত বিতর্ক ফুটবল বিশ্বে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মন্তব্য করুন