

চট্টগ্রামের
আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার
(২৮ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে যশোরের ঝুমঝুমপুর এলাকায় যশোর ও চট্টগ্রাম জেলা
পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার
ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা এবং মো. মুসার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
পুলিশ
সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঝুমঝুমপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর তাকে চট্টগ্রাম
জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের
ভাষ্য, একসময় সাধারণ জীবনযাপন করলেও শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ গ্রুপে যোগ দেওয়ার পর চট্টগ্রামে সংঘটিত
একাধিক হত্যাকাণ্ডে ডেভিড ইমনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদেশি পিস্তল হাতে তার একাধিক ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি আলোচনায়
আসেন। পরে তিনি সাজ্জাদ গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে
পরিচিতি পান বলে পুলিশের দাবি।
পুলিশ
আরও জানায়, দুবাইয়ে অবস্থান করে তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দাবি অনুযায়ী চাঁদা না দিলে সংশ্লিষ্ট
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাসভবনে গুলিবর্ষণ
ও হামলার ঘটনাও ঘটানো হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


টানা
ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে
উঠেছে। এখন পর্যন্ত বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন
আরও ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়।
রোববার
(১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের
তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও
হবিগঞ্জ জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।
এ
পর্যন্ত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। পানিবন্দি রয়েছেন ২ লাখ
৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্য। দুর্গত মানুষের জন্য খোলা হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র,
যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন।
জেলাভিত্তিক
হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। সেখানে মারা গেছেন ২৮ জন। নিহতদের
মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন
নিখোঁজ রয়েছেন।
চট্টগ্রামে
মারা গেছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন।
সবচেয়ে
বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চট্টগ্রামে। জেলার ১৬টি উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার
মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পানিবন্দি রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ পরিবার। কক্সবাজারেও
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি।
দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য এখন পর্যন্ত ১
কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ
ছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল প্রস্তুত
রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ত্রাণ সহায়তা দেওয়া যায়।
মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় শুকনা খাবার, চাল, নগদ অর্থসহ
জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব সদর
দপ্তরে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দিয়ে
বলেন, র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। র্যাব গঠনের সময় বলা
হয়েছিল, বাহিনীটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীকালে তা
মানা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, র্যাব গঠনের শুরুর দিকে এটি একটি সুশৃঙ্খল ও
সুসংগঠিত বাহিনী হিসেবে মানুষের সম্মান, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে। পুলিশ ও
সশস্ত্র বাহিনীর সেরা অফিসারদের এখানে পদায়ন করা হতো। যখনই রাজনৈতিক বিবেচনায় এ
বাহিনীতে নিয়োগ ও পদায়ন শুরু হয়, তখন থেকে এতে পচন ধরতে শুরু করে। সাধারণ মানুষের
মনে বদ্ধমূল ধারণা এই যে, যখন থেকে র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা শুরু
হয়, তখন থেকেই র্যাব গুম, খুনসহ বিভিন্ন বেআইনি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হতে শুরু
করে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভালোবাসা, ব্যবহার ও পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে র্যাবের হারানো গৌরব ও সম্মান পুনরুদ্ধার সম্ভব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, সেজন্য আইনের মধ্যে থেকে র্যাবকে কাজ করে যেতে হবে। ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ মানা যাবে না। অননুমোদিত ও বেআইনিভাবে কাউকে আটক রাখা
যাবে না। ক্রসফায়ার, গুম, খুন থেকে র্যাবকে দূরে থাকতে হবে।
সভায় র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানসহ বাহিনীর বিভিন্ন
পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠানে র্যাবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে
অবহিত করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা র্যাবের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন
এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সিএমএইচগুলোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের চিকিৎসার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
শনিবার (৩১ আগস্ট) রাত ৯টা ৫৬ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখ হতে সারা দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের দ্রুত সুস্থ করে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে ও আন্তরিকতার সাথে সিএমএইচ সমূহে জরুরি ও উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা সিএমএইচসহ দেশের অন্যান্য ১০টি সিএমএইচে সর্বমোট ৮২৯ জন আহত ছাত্র চিকিৎসা সেবা গ্রহণের জন্য আগমন করেন। তন্মধ্যে ২১৯ জন আহত ছাত্র সিএমএইচসমূহে চিকিৎসাধীন আছেন এবং অবশিষ্ট ছাত্রগণ চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের অতিদ্রুত সুস্থতা কামনা করছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী আহত চিকিৎসাধীন ছাত্রদের প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানে সদা তৎপর আছে।
মন্তব্য করুন


আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু জানিয়েছেন, আজ রাতেই ট্রেনে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে বাংলাদেশে ।
প্রথম চালানে এক হাজার ৬৫০ টন পেঁয়াজ আসবে এবং ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামে এই পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে।
২০২৩ সালের আগস্টে ভারতের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে সরকার ৪০ শতাংশ শুল্কারোপ করে। এরপর গত অক্টোবরে পেঁয়াজের সর্বনিম্ন রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয় টনপ্রতি ৮০০ মার্কিন ডলার। কিন্তু অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়াতে এসব পদক্ষেপ খুব বেশি কার্যকর না হওয়ায় গত ৭ ডিসেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার।
চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড বা বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের কার্যালয়। ভারতের এ নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়ে পেঁয়াজের দাম।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, এই প্রজন্মই দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের
রক্ষাকবচ।
তিনি
তার ভেরিফাইড ফেসবুকে ‘কয়েকটি কথা’শিরোনামে
আজ (৯ মে) একটি পোস্টে এই কথা বলেছেন।
তিনি
সেখানে লিখেছেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা বারবার লীগ নিষিদ্ধের আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে
ছাত্ররা রাজি ছিল না, এটা বলে বেড়াচ্ছেন। মিথ্যা কথা। ক্যাবিনেটে প্রথম মিটিং ছিল আমার।
আমি স্পষ্টভাবে এই আইনের অনেকগুলো ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। নাহিদ-আসিফও আমার পক্ষে
ছিল স্বভাবতই। দল হিসেবে বিচারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলে একজন উপদেষ্টার জবাব ছিল
ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মত পশ্চাৎপদ উদাহরণ আমরা আমলে নিতে পারি কি-না। এই যুক্তি যিনি
দিয়েছিলেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা আজ সমানে তার পক্ষে স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রদের
কুপোকাত করতে। অথচ, উনার সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। মিছে বিরোধ লাগানোর অপচেষ্টা
করে কোনো লাভ নেই।
বলে
রাখা ভালো, দু’জন আইন ব্যাকগ্রাউন্ডের
উপদেষ্টা (একজন ইতোমধ্যে মারা গিয়েছেন) ও আমাদের বক্তব্যের পক্ষে ছিলেন। সংস্কৃতি উপদেষ্টাও
পক্ষে ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে কথা হয়েছে। দল হিসেবে লীগের বিচারের প্রভিশন
অচিরেই যুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন উক্ত উপদেষ্টা। উনাকে ধন্যবাদ।
মিথ্যা
বলা বন্ধ করুন। ঘোষণাপত্র নিয়ে আপনাদের দুই মাস টালবাহানা নিয়ে আমরা বলব। ছাত্রদের
দল ঘোষণার প্রাক্কালে আপনারা দলীয় বয়ানের একটি ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলেন।
সমস্যা নেই, আমরাও চাই সবাই স্বীকৃত হোক। কিন্তু, এখন সেটাও হতে দিবেন না। দোষ আমাদেরও
কম না। আমরা আপনাদের দলীয় প্রধানের আশ্বাসে আস্থা রেখেছিলাম।
পুনশ্চ:
আমরা নির্বাচন পেছাতে চাইনা। ডিসেম্বর টু জুনের মধ্যে নির্বাচন হবেই।
আপনারা
যদি মনে করেন, ছাত্ররা নিজেদের আদর্শ ও পরিকল্পনা নিতে পারে না বরং এখান থেকে ওখান
থেকে অহি আসলে আমরা কিছু করি। তাহলে আপনারা হয় ছাত্রদের খাটো করে দেখছেন, নয়তো ছাত্রদের
ডিলেজিটিমাইজ করার পরিকল্পনায় আছেন। সেই আগস্ট থেকেই আমরা জাতির জন্য যা ভালো মনে করেছি,
সবার পরামর্শ নিয়েই করেছি। বরং, উক্ত দলকেই আমরা বেশি ভরসা করেছি। সবার আগে উনাদের
সাথেই পরামর্শ করেছি। ভরসার বিনিময়ে পেয়েছি অশ্বডিম্ব। সব দোষ এখন ছাত্র উপদেষ্টা নন্দঘোষ!
আমরা
উক্ত দলকে বিশ্বাস করতে চাই। উক্ত দলের প্রধানকে বিশ্বাস করতে চাই। উনি আমাদের বিশ্বাসের
মূল্য দিয়ে লীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নে ও ঘোষণাপত্র প্রকাশে দেশপ্রেমিক ও প্রাগমাটিক ভূমিকা
রাখবেন বলেই আস্থা রাখি। উক্ত দলকে নিয়ে কে কি বলবে জানি না কিন্তু আমরা চাই উক্ত দল
ছাত্রদের সাথে নিয়ে দেশের পক্ষে, অভ্যুত্থানের শত্রুদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐকমত্যের
নেতৃত্ব দিক। দেশপ্রেমিক ও সার্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তি হিসাবে নেতৃত্ব দিলে ছাত্ররা
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় উনাদের সাথে চলবেন।
ঐক্যবদ্ধ
হোন। নেতৃত্ব দিন। এই প্রজন্মকে হতাশ করবেন না।‘এই
প্রজন্ম দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ।’
মাহফুজ
আলম ২০২৪ এর জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সংগঠক ছিলেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটির একজন সমন্বয়ক ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলন থেকে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মাহফুজ আলম।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লাসহ সারা দেশে আলোচিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রধান আসামি নিহতের স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়ের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
আজ ২০ মে বুধবার সোয়া ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১ নং আমলী আদালত) মমিনুল হকের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অমর্ত্য মজুমদার আসামিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিবাদী পক্ষের আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন ও মাহবুবুল হক খন্দকারসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানান। অপরদিকে, বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলমসহ ১০/১৫ জন আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে মামলার বাদী নিহত ফারিহার বাবা স্কুল শিক্ষক মো: হানিফ মজুমদার, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফারিহার মায়ের আহাজারিতে আদালত প্রাঙ্গণ ভারী হয়ে ওঠে। তিনি তাঁর মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং মেহেদী হাসান হৃদয়ের বাসায় থাকা ফারিহার ব্যবহা্য জিনিসপত্র উদ্ধারের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে আর্তনাদ জানাতে থাকেন।
মামলার প্রধান আসামি মেহেদী হাসান হৃদয়ের সাথে আদালত প্রাঙ্গণে কথা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, "আমি ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলাম না। আমি মেঘনা উপজেলার ছোট সাতমোরা গ্রামে নানার বাড়িতে ছিলাম।"
অভিযুক্ত মেহেদী হাসান হৃদয়ের মামা মোটর পার্টস ব্যবসায়ী মো: আবদুর রহমান জানান, মেহেদী এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে ফারিহার ওপর কোনো চাপ ছিল না। মেয়ের মা সবসময় মেহেদী বেকার থাকায় বিরক্ত হতেন এবং তাকে অপমান করে কথা বলতেন। মেহেদীর মুন্সেফবাড়ির বাসাতেই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। মেহেদী হাসান হৃদয়ের নানা মো: আফজল মিয়া বলেন, "মেহেদী ঘটনার দিন আমার গ্রামের বাড়ি মেঘনার ছোট সাতমারা গ্রামে ছিল। আমরা যদি এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকি, তাহলে আল্লাহ যেন আমাদের বিচার করেন।"
এর আগে, গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে একটি বহুতল ভবনের স্বামী ও শ্বশুরের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিয়া ও হৃদয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রহিমের ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে ফারিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ফারিয়ার পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয় এবং এ নিয়ে একাধিকবার ফারিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
এদিকে, মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, "আমরা যেভাবে এজাহার জমা দিয়েছিলাম, পুলিশ সেভাবে এজহার গ্রহণ করেনি। এতে করে মামলার ভিত দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও আমরা আশা করছি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।"
মন্তব্য করুন


বিকেলে
বাবার দাফন শেষ করেছেন। রাতেই কাজে ফিরতে হয়েছে। আর পরদিন সকালে বসতে হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক
পরীক্ষায়। জীবনের কঠিন বাস্তবতার এমন এক লড়াইয়ের গল্প এখন বাগেরহাটের শিক্ষার্থী ইকনকে
ঘিরে।
ইকন
বাগেরহাট শহরের মুনিগঞ্জ মেডিকেল স্কুল রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি সদ্য প্রয়াত ইসরাফিল
দাড়িয়ার ছোট ছেলে। বাবাকে হারানোর শোক বুকে নিয়েও তাকে এখন সামলাতে হচ্ছে সংসারের দায়িত্ব,
চাকরি এবং পড়াশোনা।
পরিবার
সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৪৫ বছর বয়সী ইসরাফিল দাড়িয়া।
সকাল ৬টার দিকে তাকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে
মৃত ঘোষণা করেন। পরে জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে মরদেহ গোপালগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে
নিয়ে গিয়ে তার মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়।
ইসরাফিল
দাড়িয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন। বড় ছেলে ইমনও একসময় বাবার
সঙ্গে কাজ করতেন। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।
এরপর থেকে পরিবারের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠেন ছোট ছেলে ইকন।
ইকন
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তিনি বাগেরহাট খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজের
মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি সংসারের খরচ চালাতে শহরের রেলরোড এলাকায়
কৃষি ব্যাংকের একটি টাকা উত্তোলন কেন্দ্রের রাতের পালায় খণ্ডকালীন চাকরি করেন।
বাবার
দাফন শেষ করেই মঙ্গলবার রাতে তিনি আবার কর্মস্থলে ফিরে যান। রাত ১০টার দিকেও তাকে দায়িত্ব
পালন করতে দেখা যায়। অথচ পরদিন, ২৩ জুলাই তার ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষা।
একদিকে
বাবাকে হারানোর গভীর শোক, অন্যদিকে মানসিক ভারসাম্যহীন বড় ভাই, সংসারের দায়িত্ব এবং
নিজের ভবিষ্যৎ—সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছেন ইকন।
তবে
এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তার দায়িত্ববোধ, পরিশ্রম এবং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অদম্য ইচ্ছা
স্থানীয়দের মুগ্ধ করেছে। তার এই সংগ্রামের গল্প অনেককে আবেগাপ্লুত করেছে। স্থানীয়রা
ইকন ও তার পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


তরুণদের মাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার
আধুনিকায়নের আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া।
বুধবার (৯ অক্টোবর) ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের (২য় পর্যায়) উদ্বোধনের পর এ আহ্বান জানান
তিনি।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে এ
আয়োজন করে যুব উন্নয়ন অধিদফতর। দুই দিনব্যাপী এই কোর্সের আওতায় প্রতি ব্যাচে ৩০০
জন করে সাতটি ব্যাচে মোট ২ হাজার ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
বলেন, ‘যানজট বাংলাদেশের একটি অন্যতম সমস্যা। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের পর
তিন দিন দেশে সরকার ছিল না। ঠিক সেই সময় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায়
নেমে আসে। যানজট নিরসনে ছাত্ররাই প্রথম ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। কোনও
প্রশিক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও তরুণ ছাত্র-যুবরা দিন-রাত সড়কের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়
নিরলসভাবে কাজ করেন। দেশ পুনর্গঠনে তরুণদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা তারুণ্যের শক্তিকে
কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক সুন্দর দেশ গড়তে চাই। এ জন্য ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সবাইকে
সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক আইন বিষয়ে সবার মাঝে সামাজিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে আধুনিকায়নে উত্তরণ ঘটাতে হবে।’
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.
রেজাউল মকছুদ জাহেদী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নজিরবিহীন
দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল; যার সুফল আমরা পেয়েছি। উপদেষ্টার দিক-নির্দেশনা এবং সবার
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব উন্নয়ন
অধিদফতরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান।
মন্তব্য করুন


পটুয়াখালী
জেলার দুমকি উপজেলার একটি মসজিদের থাকার কক্ষ থেকে মো. সায়েম (২০) নামের এক তরুণ মুয়াজ্জিনের
মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার
(২৮ আগস্ট) মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের
হাওলাদার বাড়ি বাইতুল মামুর জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
সায়েম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের প্রয়াত জব্বার মৃধার
ছেলে। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে ওই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের নামাজ শেষে হাওলাদার বাড়ির মো. ইউসুফ হাওলাদার মসজিদের ভেতরে
সায়েমের থাকার কক্ষে যান। সেখানে তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এ
সময় কক্ষের সিলিংয়ের সঙ্গে একটি দড়ি ঝুলতে দেখা যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা
দ্রুত সায়েমকে উদ্ধার করে মসজিদের বারান্দায় নিয়ে আসেন। তবে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাস্থলে
দড়ি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ায় স্থানীয়দের কেউ কেউ সায়েম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে
ধারণা করছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন নিহতের স্বজনরা। তাদের দাবি, সায়েমের
মৃত্যু স্বাভাবিক নয় এবং এর পেছনে রহস্য থাকতে পারে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো
কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে এলাকায় ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
খবর
পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের
জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ
সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
দুমকি
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ
পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন
পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন