

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবিস্ফোরিত ৫টি ককটেল র্যাব উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর ২০২৩ইং) দিনগত গভীর রাতে সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের কুথানি পাড়া এলাকা থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৮ নভেম্বর ২০২৩ইং) বেলা ১১টার দিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মারুফুল এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়ানের কুথানীপাড়া এলাকায় সিমেন্টের একটি ব্যাগে বেশ কয়েকটি ককটেল পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে অবিস্ফোরিত ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়। রাজশাহী থেকে র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে ডাকা হয়। তারা ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হরতাল-অবরোধকে কেন্দ্র করে এলাকা অস্থিতিশীল করতে ককটেলগুলো মজুত করেছিল। ককটেল মজুতকারীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
গত
এক মাসে কুমিল্লা জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে।
৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা
জেলায়ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি লক্ষ্য করা যায়। হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট, দখলবাজি
অহরহ ঘটতে থাকে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত কুমিল্লা
জেলায় অপরাধ প্রবণতা প্রকট আঁকার ধারণ করে। এ সময়ে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ
জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ঝটিকা মিছিল, অগ্নিসংযোগ করে । এসব অপরাধ দমনে বিগত সময়ে পুলিশের
অভিযান পর্যাপ্ত ছিল না বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু গত ডিসেম্বর মাসে নতুন পুলিশ সুপার
মোঃ আনিসুজ্জামানের যোগদানের পর দৃশ্যপট দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে। জেলা পুলিশ, ডিবি পুলিশ পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে।
ফলে অপরাধ দমনে গ্রেপ্তার অভিযান বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। যা গত এক মাসের গ্রেফতার অভিযানের
পরিসংখ্যান দেখলেই সহজে অনুমান করা যায়। ফলে বিগত এক মাস ধরে জেলায় আওয়ামী লীগ ও এর
অঙ্গ-সংগঠনের কার্যক্রমও দেখা যায়নি।
কুমিল্লা
জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এর নির্দেশে গত এক মাসে জেলাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করে
বিভিন্ন মামলায় ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ বিপুল পরিমাণ মাদক
ও অস্ত্র-গুলিও উদ্ধার করে।
শুক্রবার
(৯ জানুয়ারি) জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
অভিযানের এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাদক মামলায় ১৮৫ জন, ডেভিল হান্ট ফেজ টুতে-৪২৬
জন, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ২১ জন, নিয়মিত মামলায় ৭৫০ জন আসামি রয়েছে। এ সময় পুলিশ ৮০১ কেজি গাজা, ৪৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে । এছাড়া মাদক পরিবহন
কাজে ব্যবহৃত ২টি পিকআপ, একটি বাস, দুটি ট্রাক, দুটি সিএনজি এবং ডাকাতির
কাজে ব্যবহৃত ৪টি পিকআপ ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। ডাকাতদের কাছ থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণ
ও কৃষকের ৮ টি গরু উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া
পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তলসহ ৪ টি পিস্তল, ৪টি এলজি,
১টি পাইপ গানসহ বিপুল পরিমাণ গুলি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে।
পুলিশের
সক্রিয়তা জনমনে অনেকটাই প্রশান্তি এনে দিয়েছে। যদিও পুলিশের কাছে মানুষের চাহিদা আরো
অনেক বেশি। তারপরেও গত এক মাসে কিছুটা হলেও পুলিশে আস্থা ফিরেছে জনগণের। বেশ কয়েকজনের
সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।
চকবাজার
এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ি কামাল হোসেন জানান, গত এক মাস ধরে শহরে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত
অনেকটাই কমে গেছে। পুলিশ সক্রিয় হয়েছে, কিশোর অপরাধিরাও আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশের
কাছে এমন সক্রিয়তাই মানুষ আশা করে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে।
কান্দিরপাড়ের
ব্যবসায়ি আলমগীর হোসেন জানান, বর্তমান পুলিশ সুপারের যোগদানের পর পুলিশের মাঝে এখন
সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরাধ কমছে। আশা করি পুলিশ আরো ভাল কাজ করবে।
ভিক্টোরিয়া
কলেজের বিএসএস শাখার শিক্ষার্থী ইয়াছিন রাফান
জানান, গত ২০/২৫ দিনে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। অপরাধ কর্মকান্ড কমতে শুরু করেছে।
অপরাধিরা ভয়ে আছে। পুলিশের কাছে মানুষ এমনটাই আশা করে।
নাম
প্রকাশে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের এক নাগরিক জানান, পুলিশের মাঝে কাজের গতি বেড়েছে, এটা
ভাল দিক। তবে পুলিশকে তাদের নিজের মত কাজ করতে দিতে হবে। পুলিশ অপরাধি আটক করবে আর
সেই অপরাধিকে ছাড়িয়ে আনার জন্য রাজনীতিবিদরা তদবির করবে, তা হওয়া উচিত নয়। আবার জনগণ
যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও পুলিশকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলেই একটি সুন্দর সমাজ
গড়ে উঠবে। নতুন পুলিশ সুপার যোগদান করেই ভাল সফলতা দেখাচ্ছেন। তাকে আরো সময় দিতে হবে।
যাতে তিনি কুমিল্লার মানুষের নিরাপত্তার জন্য কাজ করতে পারেন।
কুমিল্লার
পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, পুলিশ জনগণের সেবক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ করতে এই অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


অদম্য জাবের: এক মানবিক যোদ্ধার উপাখ্যান। কুমিল্লার ব্যস্ত রাস্তার এক কোণে দাঁড়িয়ে জাবের যখন ফোনের ওপাশে থাকা কোনো এক মুমূর্ষু রোগীর স্বজনের সঙ্গে কথা বলেন, তার চোখে-মুখে এক অদ্ভুত স্থিরতা খেলা করে। ২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই পথচলায় আজ পর্যন্ত তিনি কয়েক হাজার ব্যাগ রক্ত ম্যানেজ করে দিয়েছেন। তার কাছে কোনো রক্তদাতাই কেবল একটি 'নাম' নয়, বরং একেকটি জীবন বাঁচানোর কারিগর।
মহামারির সেই ভয়াল দিনগুলো
২০২০ সাল। যখন পৃথিবী থমকে গিয়েছিল অদৃশ্য এক ভাইরাসের আতঙ্কে। আপনজন যখন আপনজনের লাশ ফেলে দূরে পালাচ্ছিল, তখন জাবের হোসাইন হয়ে উঠেছিলেন এক নির্ভীক ঢাল। পিপিই কিট পরে তপ্ত রোদে কিংবা গভীর রাতে তিনি কাঁধে তুলে নিয়েছেন বেওয়ারিশ বা স্বজনহীন লাশের খাটিয়া। দাফন-কাফন থেকে শুরু করে অক্সিজেনের সিলিন্ডার কাঁধে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটে চলা—জাবের শিখিয়েছেন যে, মৃত্যুভয়ও মানুষের সেবার কাছে হার মানতে বাধ্য।
রমজানের তৃপ্তি ও বন্যার তেজ
পবিত্র মাহে রমজান এলে জাবেরের ব্যস্ততা বেড়ে যায় বহুগুণ। প্রতি বছর লাখো মানুষের সেহরি ও ইফতারের আয়োজন করা তার রুটিনে মিশে গেছে। ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে এক টুকরো হাসি ফোটানোর তৃপ্তি তাকে ক্লান্ত হতে দেয় না।
আবার ২০২৪-এর প্রলয়ঙ্করী বন্যায় যখন জনপদ তলিয়ে যাচ্ছিল, জাবের তখন নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন অথৈ জলে। যখন স্রোতের টানে বড় বড় দালান কাঁপছিল, তখন জাবেরের ছোট নৌকাটি পৌঁছে যাচ্ছিল আটকে পড়া ক্ষুধার্ত পরিবারগুলোর কাছে।
তারুণ্যের বাতিঘর
জাবের হোসাইন শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি এখন একটি অনুপ্রেরণার নাম। তাকে দেখে বাংলাদেশের হাজারো তরুণ আজ মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ। তার একেকটি ডাক যেন শত শত স্বেচ্ছাসেবীর মনে সাহসের সঞ্চার করে। জাবের বিশ্বাস করেন, সমাজ বদলে দিতে বড় কোনো পদের প্রয়োজন নেই, শুধু একটি স্বচ্ছ হৃদয়ের প্রয়োজন।
"যেখানে মানবিকতার ডাক, সেখানেই জাবের"—এই স্লোগান আজ আর কেবল কথায় সীমাবদ্ধ নেই, এটি আজ হাজারো মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ডাকাতির
মালামালসহ পাঁচ ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল রোবাবার (১০ নভেম্বর)
রাতে পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে
তাদেরকে আটক করে।
এসময় তাদের কাছ থেকে এনড্রয়েড
ও বাটন মোবাইল ফোন, স্মার্ট টিভি ও ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ডাকাত দলের সদস্যরা
হলেন- নাঙ্গলকোটের আদ্রা উত্তর ইউপির শাকতলী মুন্সি বাড়ীর ওসমান গণির ছেলে মো. আবু
বক্কর (৫০), জোড্ডা পশ্চিম ইউপির নোয়াপাড়া মিস্ত্রি বাড়ির ওলি মিয়া প্রকাশ দেলু মিয়ার
ছেলে বাবুল (৪৫), আদ্রা দক্ষিণ ইউপির ভোলাইন গ্রামের আবদুল হাকিমের ছেলে শাহিন (৩৯),
বটতলী ইউপির জিনিয়ারা গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে মোস্তফা (২৮), জোড্ডা পূর্ব ইউপির
পানকরা গ্রামের মোকছুদের ছেলে মো. রাবিক।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ
পরির্দশক মো: ওবাইদুল হক বলেন, গত ৬ নভেম্বর নাঙ্গলকোটের জোড্ডা ইউপির তালতলা এলাকায়
নাছিমা আক্তার পাখির রান্না ঘরের টিন কেটে ঘরে ডুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার,
টাকা ও বিভিন্ন মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে মরিয়ম আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত
৬/৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অভিযান চালিয়ে পাঁচ জনকে আটক করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে
বিভিন্ন থানায় চুরি ও ডাকাতির মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
দীর্ঘ একযুগের নিরবিচ্ছিন্ন পথচলার পর নতুন ঠিকানায় যাত্রা শুরু করলো কুমিল্লার পাঠকপ্রিয় সংবাদপত্র ‘দৈনিক কুমিল্লার ডাক’। গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টায় দক্ষিণ চর্থা (থিরা পুকুর পাড়) প্রাইমারি স্কুলের পেছনে, মুরাদপুর বটতলা সংলগ্ন নতুন কার্যালয়ে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে এই শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “সত্য প্রকাশের দায়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে আমাকে হামলা-মামলা ও কারাবরণ করতে হয়েছে। তবুও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কলম থেমে যায়নি, থামবেও না। আমরা কোনো রাজনৈতিক নেতার পদলেহন করে সত্য আড়াল করিনি, করবোও না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, ‘দৈনিক কুমিল্লার ডাক’-এর নাম ব্যবহার করে কোনো গোষ্ঠীকে জিম্মি করে একটি টাকাও উপার্জন করিনি। সাংবাদিকতা একটি মহৎ ও আত্মত্যাগের পেশা। পারিবারিকভাবে অসচ্ছল হলে এই পেশায় আসবেন না। এখানে নিজের অর্থ, শ্রম ও মেধা দিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট শান্তনু হাসান খান, দৈনিক পূর্বাশা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, দৈনিক তরুণ কণ্ঠ পত্রিকার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি আবু ইউসুফ বাবু, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার কুমিল্লা প্রতিনিধি মোহাম্মদ নেকবর হোসেন, বাংলার আলোড়ন পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান খান, আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি এম. কে. নূর আলম, জাগরণী টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান, মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু ইউসুফ, আলোকিত কুমিল্লা পত্রিকার সম্পাদক সাইফুল সুমন, খোলা কাগজ পত্রিকার শাহ ইমরান, টুডে নিউজ পত্রিকার সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, চেতনায় ৭১-এর মাইনুল ইসলাম এবং এক্সপ্রেস বাংলা অনলাইন পত্রিকার সাইদুর সোহাগ।
উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কুমিল্লার ডাকের নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোঃ জয়নাল হোসেন, মোঃ মামুন মিয়া, মোঃ ফয়েজ আহাম্মদ ভূঁইয়া, শাখাওয়াত হোসেন, নাজমুল হাসান, মনোহরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি ইমরান হোসেন, লালমাই উপজেলা প্রতিনিধি মাইন উদ্দিন এবং সাংবাদিক মিজানুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শরিফুর রহমান শরিফ, কুমিল্লা মহানগর যুবদল নেতা আশ্বাদ আলী, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ জাকির হোসেন সর্দার, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল ওহাব, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী লোকমান হোসেন।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী দুলাল, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ আবুল কালাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক কাজী জসিম উদ্দিন মুন্না, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ এনামুল হক লিটন, জাহিদ হাসান, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি বাচ্চু মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসনাত হিরা, মোহাম্মদ মাহবুব আলম, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল হোসেন কাউছার, যুবদল নেতা মোঃ মিলন মিয়া, মোঃ আকবর হোসেন রেজভি, আনিসুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ বাপ্পি মিয়া, সাবেক গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক লোকমান হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবদুস সালাম, ডা. জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন হামিদ, মোহাম্মদ জসিম, মোহাম্মদ ফিরোজ আলম চৌধুরী, আলী রানা, ইশান, ইয়াছিন, মাসুম, রুবেল, অপু প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা বদরুল হাসান রাব্বু নতুন কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দৈনিক কুমিল্লার ডাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন।
এদিকে, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও মানবিক সংগঠন ‘বিবেক’-এর প্রতিষ্ঠাতা ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাজিউর রহমান রাজিব, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার হাজ্বী আবদুস সালাম মাসুক, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সেলিম খান, ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দীন খান সোহেল-বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের কুমিল্লা আগমন উপলক্ষে সুযাগাজি মাঠ পরিদর্শনে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও মুঠোফোনে শুভেচ্ছা ও কুমিল্লার ডাকের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
বক্তারা বলেন, ‘দৈনিক কুমিল্লার ডাক’ একযুগ অতিক্রম করে দুই যুগে পা রেখেছে। নানা প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও পত্রিকাটি সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় অবিচল থেকেছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নতুন কার্যালয়ের মাধ্যমে পত্রিকাটি আরও পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও সাহসিকতার সঙ্গে সমাজের পক্ষে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখবে।
যদিও সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ কক্সবাজার সফরে থাকায় সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি, তবুও তাঁরা শুভেচ্ছা ও সমর্থন জানিয়েছেন পত্রিকাটির নতুন যাত্রার জন্য।
এই উদ্বোধনী আয়োজন কেবল একটি কার্যালয়ের সূচনা নয়—এটি ছিল সত্য, সাহস ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রতি এক নতুন অঙ্গীকার। ‘দৈনিক কুমিল্লার ডাক’ কেবল একটি সংবাদপত্র নয়, এটি একটি নৈতিক অবস্থান, একটি সামাজিক আন্দোলন, একটি নির্ভীক কণ্ঠস্বর। নতুন কার্যালয় থেকে এই কণ্ঠ আরও উচ্চকিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা কুমিল্লার সচেতন নাগরিক সমাজের।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুরে একটি কোল্ড স্টোরেজ থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ১৪ টন খেজুর জব্দ করেছে
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। জব্দকৃত খেজুরের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায়
সাড়ে ২৩ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার
(১২ মার্চ) দুপুরে উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় অবস্থিত কোল্ড স্টোরেজে অভিযান চালিয়ে বিপুল
পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ এ খেজুরগুলো জব্দ করা হয়।
অভিযানের
নেতৃত্ব দেন, ভোক্তা অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জের উপ-পরিচালক মো.
সেলিমুজ্জামান।
ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জের উপ-পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান জানান, বিপুল পরিমাণ
এ খেজুরের পুরোটাই মেয়াদোত্তীর্ণ। আমরা অভিযান পরিচালনা করে এটি জব্দ করেছি। এখানকার
মালিক আসার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সদর ঝাগরজুলি এলাকায় "রোড স্টার হোটেল ও ব্ল ডায়মন্ড সুইটসে" জুন)
অভিযান পরিচালনা করে
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ।
আজ বুধবার (১৮ জুন) প্রতিষ্ঠান দুটি যাত্রীদের কাছ
থেকে নির্ধারিত মূল্য (MRP) এর চেয়ে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করে। উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০ টাকার চিপস ২৫ টাকায়, ২০ টাকার পানির বোতল ২৫ টাকায় এবং ২০ টাকার প্যাডস
৬০ টাকায় বিক্রি সহ নানা অনিয়মের অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
উক্ত
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী
পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।
অভিযানে আরও অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা জেলার
স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং
কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, ফ্রি ও ফেয়ার।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। তবে কেউ সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির
চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে,
এবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এবার যে পরিমাণ
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, অতীতে কোনো নির্বাচনে তার নজির নেই।
ভোটকেন্দ্রে
সিসিটিভি, ড্রোন নজরদারির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি
ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা
হয়েছে।
যেসব
ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ
রাখা হয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
ভোটারদের
নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টিকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বোরকা
পরিহিত ভোটারদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে পরিষ্কার
নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী আনসার সদস্য থাকবেন এবং প্রয়োজন হলে তারাই
বিষয়টি দেখভাল করবেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার একটি গ্রামে নদীর মাঝে বাঁশের বেড়া স্থাপন করেছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, সম্প্রতি এলাকায় নৌ-পথে ডাকাত দলের প্রবেশ লক্ষ্য করা গেছে। চুরি-ডাকাতি রোধ করতে এবং গ্রামীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নদীর মাঝেই বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গুমানি নদীতে, বেতুয়ান গ্রামের এলাকায়। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সরেজমিন দেখা গেছে, নদীর মাঝ বরাবর একটির পর একটি বাঁশের খুঁটি পুঁতিয়ে তৈরি করা হয়েছে বেড়া। এক অংশে নৌ চলাচলের জন্য স্পেস রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সজিব হোসেন জানান, নদীর মাঝ বরাবর বেড়ার খুঁটি পুঁততে তিন দিন সময় লেগেছে। গ্রামের মানুষ স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করেন। এর ফলে রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা নৌকাযোগে সহজে এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।
গ্রামের আব্দুল মজিদ বলেন, সম্প্রতি উজানে অবস্থিত অষ্টমণিষা বাজারে সোনার দোকানে ডাকাতি এবং কিছু গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনাই নৌকাযোগে সংঘটিত হয়েছিল এবং দুর্বৃত্তরা ইঞ্জিন চালিত নৌকায় গুমানি নদী পার হয়ে পালিয়ে গেছেন। এ কারণে গ্রামবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাঁশের বেড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।
ভাঙ্গুড়া থানার ওসি এস এম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নৌপথে ডাকাতি ও গরু চুরির ঘটনায় গ্রামীণ এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তাই গ্রামবাসী নদীর মাঝ বরাবর বেড়া স্থাপন করেছেন। তবে দিনের বেলা নৌকাচলাচল যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য গ্রামবাসী সার্বক্ষণিক পাহারাদারি করছে।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) মধ্যরাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী স্বাধীনতা সড়কে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের দারিয়াপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মো. মাসুদ রানা (৩৫) ও একই উপজেলার সাজিবুর রহমানের স্ত্রী মোছা. কোহিনুর (৪৫)।
ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার বলেন, ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ২ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মুজিবনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে ফজরের নামাজের প্রস্তুতিকালে মাষ্টার আবুল খায়ের (৯০) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের দৌলতপুর জামে মসজিদে তার মৃত্যু হয়।
তিনি ওই গ্রামের মরহুম সংশের আলীর ছেলে। মৃত্যুকালে ৫ পুত্রসন্তান ও ৪ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আবুল খায়ের কর্মজীবনে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। সর্বশেষ নাঙ্গলকোট বাজার আফসারুল উলুম কামিল মাদরাসার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
নিহতের ছেলে মেডিসিন ব্যবসায়ী শাহ আলম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় বাবা মসজিদে আজান দেওয়ার আগে তাহাদজ্জুদের নামাজ আদায় করতে যান। তাহাজ্জুদ শেষ করে ফজরের নামাজের প্রস্তুতিকালে ওনার মৃত্যু হয়।
দৌলতপুর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ রবিউল হোসেন জানান, মাস্টার আবুল খায়ের এ মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ছিলেন। প্রতিদিন তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে ফজরের নামাজ পড়তেন তিনি। আজ ফজরের নামাজ আদায় করার আগেই মসজিদে তার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন