

ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পোস্টাল ভোট বিডি
মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সৌদি আরবসহ ৭ দেশে প্রবাসী ভোটারদের নিবন্ধন কার্যক্রম পুনরায়
চালু করা হয়েছে।
আজ
রবিবার ( ৩০ নভেম্বর ) ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
মো. রুহুল আমিন মল্লিক বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি
জানান, পোস্টাল ভোট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন, কুয়েত ও মালয়েশিয়ায় প্রবাসী ভোটারদের
নিবন্ধন কার্যক্রম পুনরায় আজ বিকাল সোয়া ৩টা হতে চালু করা হয়েছে।'
তিনি
বলেন, ডাকযোগে পোস্টাল ব্যালট পেতে হলে প্রবাসীদের
স্ব স্ব দেশের সঠিক ঠিকানা প্রদান করতে হবে, প্রয়োজনে বন্ধু/আত্মীয়ের ঠিকানা অথবা নিকটস্থ
সুপরিচিত কোন প্রতিষ্ঠান/ভবনের ঠিকানা ব্যবহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং ওসিভি ও এসডিআই প্রকল্পের
টিম লিডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সালীম আহমাদ খান সাংবাদিকদের জানান, সৌদি আরবসহ
সাতটি দেশের প্রবাসী ভোটাররা সঠিকভাবে ঠিকানা ইনপুট দিতে পারছেন না। ব্যালট পেপার পৌঁছাতে
হলে ঠিকানা অবশ্যই ইংরেজিতে এবং পূর্ণ পোস্ট কোডসহ দেওয়া আবশ্যক। অনেকেই ম্যান্ডেটরি
ফিল্ডে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছিলেন। তাই নিবন্ধন প্রক্রিয়া অস্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা
হয়েছে।
তারা
জানান, প্রবাসী ভোটাররা যাতে দ্রুত নিবন্ধন করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আমরা
অ্যাপ পুনরায় চালু করার চেষ্টা করছি। নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হবে কি না-এ প্রশ্নের জবাবে
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে ২১ দিনের সময় যথেষ্ট। ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন
চলবে। একজন ভোটারও যাতে বাদ না পড়ে, সেজন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। এরপর ব্যালট পেপার
প্রিন্টিং ও ডাক বিভাগে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
ইসির
তথ্যানুযায়ী, রবিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত
পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে ৯৫ হাজার ৪৫০ জন প্রবাসী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথমবারের মতো বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। নিবন্ধন ও ঠিকানা নিশ্চিত হলে প্রত্যেক
প্রবাসীর ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছে যাবে, যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ
পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন গোবিন্দপুর এলাকা হতে ৪০ কেজি গাঁজা ও ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৪ ডিসেম্বর সোমবার বিকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন গোবিন্দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা ও ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী নোয়াখালী জেলার সোনাইমুরি থানার মোটুবী গ্রামের আনোয়ার উল্লাহ@আম্বর আলীর ছেলে মাহমুুদুল হাসান রিয়াজ (২৪)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে নোয়াখালী, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা, ফেন্সিডিল’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে
মন্তব্য করুন


বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার সড়কে দেখা মেলে শতবর্ষোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের, যিনি খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে মাদারীপুর থেকে এসেছেন।নিজেকে মৌলভী আব্দুর রশিদ পরিচয় দিয়ে তিনি জানান, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। তার দেশপ্রেম ও আদর্শ তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করত। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার জানাজায়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। সেই সময়েও মানুষের ঢল নেমেছিল বলে স্মৃতিচারণ করেন এই প্রবীণ ব্যক্তি।মৌলভী আব্দুর রশিদের ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেমের প্রতিচ্ছবি তিনি খালেদা জিয়ার মধ্যেও দেখেছেন। তার মতে, নানা চাপ ও প্রতিকূলতার মুখেও খালেদা জিয়া কখনো নৈতিক অবস্থান থেকে সরে যাননি।নিজের বয়স ১১০ বছর উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন কারাবরণ ও নানা নির্যাতনের শিকার হয়েও খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। তার মতো নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি মনে করেন, দেশ একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক নেত্রীকে হারিয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে না পারলে আজীবন আফসোস থেকে যেত—এই কারণেই অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি ছুটে এসেছেন।প্রসঙ্গত, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে জানাজা শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক জানাজায় ইমামতি করেন।জানাজাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ আশপাশের এলাকা—বিজয় সরণি, খামারবাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ ও মোহাম্মদপুর পর্যন্ত বিপুল মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
প্রায় দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসা তারেক রহমান এখন দেশের শাসনভার
গ্রহণের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন বলে অভিহিত করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
আজ
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) ‘তারেক রহমান: ফ্রম এক্সাইল টু এজ অব পাওয়ার’—
শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে বড় জয়ের মধ্যদিয়ে তারেক রহমানের
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
এতে
বলা হয়, ২০০৮ সালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডনে যাওয়ার পর টানা ১৭ বছর বিদেশে অবস্থান
করেন তারেক রহমান। গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে তিনি দেশে ফেরেন। এরপর তিনি দেশের মাটিতে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে সক্রিয় হন এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয়
নির্বাচনে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে উঠে
আসেন।
১৯৬৫
সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় জন্ম তারেক রহমানের। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক
সম্পর্ক বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও তা শেষ করেননি। পরে তিনি বস্ত্র ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসায়
যুক্ত হন।
রয়টার্স
বলছে, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা
তৈরি হয়েছে, এর প্রেক্ষাপটেই তারেক রহমানের নব উত্থান ঘটেছে। এই পরিবর্তনকে বাংলাদেশের
রাজনৈতিক ধারায় এক অভাবনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখছেন অনেকে।
ভোটের
প্রচারে তারেক রহমান একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার
করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষমতায় গেলে এমন সাংবিধানিক সংস্কার আনা হবে, যাতে কোনো ব্যক্তি
দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে না পারেন। তার মতে, এতে করে স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা
রোধ করা সম্ভব হবে।
অর্থনৈতিক
পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও তারেক রহমান বেশ কিছু অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন। তিনি দরিদ্র পরিবারের
জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর কথা বলেছেন, পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শুধু তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর না থেকে খেলনা, চামড়াজাত
পণ্যসহ নতুন শিল্প খাত গড়ে তুলে অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন
তিনি।
দ্বিপাক্ষিক
পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রশ্নে রয়টার্সকে তারেক রহমান জানান, তিনি
‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব’ নীতিতে বিশ্বাসী। কোনো একক দেশের ওপর
অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির
চেয়ারম্যান।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য ক্ষমতায় আসা
নয়, বরং বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেরুকরণে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে।
একদিকে তিনি তার বাবা জিয়াউর রহমান ও মা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করছেন,
অন্যদিকে নিজেকে একজন নীতিনির্ধারক ও ভবিষ্যতমুখী নেতা হিসেবে তরুণ ভোটারদের কাছে তুলে
ধরার চেষ্টা করছেন।
মাঠপর্যায়ে
বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তাকে এই নির্বাচনের
প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বা ‘ফ্রন্টরানার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে রয়টার্সের
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখন
দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তারেক রহমানের দীর্ঘ ‘নির্বাসন থেকে ক্ষমতার পথে’
যাত্রা চূড়ান্ত পরিণতি পায় কি না।
মূলত,
শেখ হাসিনার শাসনামলে তারেক রহমান একাধিক দুর্নীতি মামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হন এবং
অনুপস্থিতিতেই কয়েকটি মামলায় দণ্ডিত হন। ২০০৪ সালে শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড
হামলার ঘটনায় ২০১৮ সালে তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি সব অভিযোগ
বরাবরই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন এবং হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর
সব মামলায় তিনি খালাস পান।
লন্ডনে
বসে তিনি দেখেছেন, কিভাবে একের পর এক নির্বাচনে তার দল কোণঠাসা হয়েছে, শীর্ষ নেতারা
কারাগারে গেছেন, কর্মীরা নিখোঁজ হয়েছেন, দলীয় কার্যালয় বন্ধ হয়ে গেছে।
দেশে
ফিরে তিনি সংযত ও পরিমিত ভাষায় কথা বলছেন, উসকানিমূলক বক্তব্য এড়িয়ে যাচ্ছেন এবং সংযম
ও সমঝোতার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি ‘রাষ্ট্রের ওপর জনগণের মালিকানা’
ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের কথা বলছেন— যা নতুন সূচনার আশায় থাকা বিএনপি সমর্থকদেরও
করেছে উজ্জীবিত।
মন্তব্য করুন


ফেসবুক পোস্টে
তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘মাত্র ৭ ঘণ্টায় আপনারা ১২ লাখ টাকারও বেশি পাঠিয়েছেন। এতটা অভূতপূর্বভাবে
আপনারা পাশে দাঁড়াবেন, তা সত্যিই আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। আপনাদের প্রতি আন্তরিক
কৃতজ্ঞতা।’
জনগণের কাছে
নির্বাচনের তহবিল চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ
সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। এজন্য
নিজের বিকাশ পার্সোনাল নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রকাশ করেছেন।
তাসনিম জারা
আরও জানান, তার মোট লক্ষ্যমাত্রা ৪৬,৯৩,৫৮০ টাকা। আর ৩৪ লাখ টাকা সংগ্রহ সম্পন্ন হলেই
ফান্ডরেইজিং বন্ধ করে দেবেন তিনি।
এর আগে আরেক
পোস্টে তিনি জানান, বিকাশ একদিনে সর্বোচ্চ লেনদেনের সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। ফলে এই
মাধ্যমে এদিনের জন্য আর লেনদেন করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্য মাধ্যমগুলোতে টাকা পাঠানোর
অনুরোধ করেন তিনি।
অনুদান চেয়ে
দেওয়া পোস্টের ৪ ঘণ্টা পর তিনি জানান ৫ লাখ ২৬ হাজার টাকা পেয়েছিলেন তিনি।
জারা বলেন,
আমি এ অসততা ও মিথ্যার রাজনীতি করবো না। আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে, আইনে অনুমোদিত টাকার
বাইরে আমি এক টাকাও খরচ করবো না। অনেকে বলেছেন, এত অল্প বাজেটে নির্বাচন করা অসম্ভব।
আমি তাদের বলেছি, নতুন বাংলাদেশ গড়তে অন্য উপায় নেই।
জারা লিখেন,
নির্বাচনের খরচ যখন ১০ কোটি বা ২০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় তখন সেই টাকা তোলার জন্য
নির্বাচিত হওয়ার পর চাঁদাবাজি আর টেন্ডারবাজি করাটা তাদের জন্য ‘বাধ্যতামূলক’ হয়ে
দাঁড়ায়। এভাবেই রাজনীতিটা সাধারণ মানুষের হাত থেকে ছিনতাই হয়ে মুষ্টিমেয় কিছু সিন্ডিকেটের
হাতে চলে যায়।
এ সংসদ সদস্য
প্রার্থী আরও লিখেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী এ নির্বাচনে আমি মোট ৪৬ লাখ ৯৩
হাজার ৫৮০ টাকা ব্যয় করতে পারবো। আমি এ টাকাটা আপনাদের কাছ থেকে চাই।
এনসিপির এ নেত্রী
লিখেন, আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশ নম্বর দিচ্ছি। এগুলো একদম নতুন অ্যাকাউন্ট।
কত টাকা আসছে আর কত খরচ হচ্ছে, প্রতিটি টাকার হিসাব আমি স্বচ্ছভাবে আপনাদের সামনে প্রকাশ
করবো, প্রমাণসহ।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আয়োজনে রাজধানীর কাকরাইলে এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশে বিলুপ্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ থেকে গত ৭ নভেম্বরই মুক্তির সূচনা হয়েছিল।
সালাহউদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো গণতন্ত্রের পুনর্বাসন চায় না। তারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্র রক্ষার জন্য কোনো কাজ করেনি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি সবসময় মিথ্যার রাজনীতি। জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে আমরা এতদিন প্রশ্ন তুলিনি। ভারতে বসে আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের লকডাউন কর্মসূচি দেয়া পাগলের প্রলাপ, শক্তি থাকলে তাদের ভারতে পালাতে হতো না।
তিনি আরও বলেন, ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ করে আমেরিকায় গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন সহ-সভাপতি। গণভোটের মধ্যদিয়ে সংবিধান পরিবর্তন হয়ে যাবে না, তবে মানুষের চাওয়া রক্ষায় সায় দিয়েছে বিএনপি। ঘি দিয়ে তৈলাক্ত বক্তব্য সমীচীন নয় রাজনৈতিক দলের নেতাদের।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনারা খেতে না পারলে, বারা ভাতে ছাই দেবেন তা মেনে নেবে না জনগণ। জামায়াতের আনুকূল্যে রায় দিয়েছে কমিশন, অথচ রেফারি হয়ে হাতে গোল দেয়ার চেষ্টা করছে তারা। সরকারের সীমারেখা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন পর্যন্ত। তাদের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় প্রস্তুত বিএনপি, তবে কোনো রাজনৈতিক দলকে রেফারির দায়িত্ব দেয়া যাবে না।
মন্তব্য করুন


ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
ইতিহাসে
প্রথমবারের মতো তিনি একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের
পর সেখানেই দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ
নেন।
প্রথা
অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের পরপরই শহীদ মিনার ত্যাগ করেন।
তবে এবার সেই প্রথার বাইরে গিয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণেই দোয়া মাহফিলে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
দোয়া
পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা
নাজির মাহমুদ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী
আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ
মোনাজাত করা হয়।
এ
সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার
জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
নেতৃত্বাধীন সরকারের সফলতা কামনা করা হয়।
এর
আগে রাত ১২টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
দোয়া
শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর মন্ত্রিসভা, দল এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকেও পৃথক পুষ্পস্তবক অর্পণ
করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, ফ্রি ও ফেয়ার।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। তবে কেউ সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির
চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে,
এবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এবার যে পরিমাণ
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, অতীতে কোনো নির্বাচনে তার নজির নেই।
ভোটকেন্দ্রে
সিসিটিভি, ড্রোন নজরদারির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি
ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা
হয়েছে।
যেসব
ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ
রাখা হয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
ভোটারদের
নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টিকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বোরকা
পরিহিত ভোটারদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে পরিষ্কার
নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী আনসার সদস্য থাকবেন এবং প্রয়োজন হলে তারাই
বিষয়টি দেখভাল করবেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৩ দিনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে
বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ যত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী
আছে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা
পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো, আরো উন্নতির চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তিনি
বলেন, ‘সীমান্ত নিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ নিযুক্ত
হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সীমান্তে যাতে আর কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা করা
না হয় সে বিষয় তাদের বলা হয়েছে।’
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী কবে ব্যারাকে ফিরে যাবে সে ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই এ সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।’
চট্টগ্রামে
ব্যবসায়ের বাসায় গুলি বর্ষণের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আইনের
আওতায় আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
লাইসেন্সকৃত
যেসব অস্ত্র এখনো জমা হয়নি সে ব্যাপারে একটি আইনি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে জানিয়ে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল কি না তা নিশ্চিত
করতে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মহান রাব্বুল ইজ্জত তাঁর একান্ত মেহেরবানীতে
মজলুমদেরকে বিজয় দান করলে মিছিল নয়, স্লোগান নয়, উচ্ছ্বাসও নয়- আমরা সবাই সিজদায় পড়বো।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভেরিফায়েড পেজে এমন মন্তব্য
করেন তিনি।
তিনি
আরও লিখেছেন, মনভরে আল্লাহ তাআলার শোকর আদায় করবো এবং জাতির সেবার জন্য মহান রবের একান্ত
সাহায্য কামনা করবো।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উপর দেশের ভবিষ্যত নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
সোমবার (১০ নভেম্বর) কুমিল্লা বার্ডের একটি অডিটোরিয়ামে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে চ্যালেঞ্জসমূহ নিরুপণ ও উত্তরণের উপায়” শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা এসব কথা বলেন কমিশনার।এসময় নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যৎ। সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন জিহাদ ঘোষণা করেছে। দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই,আসন্ন নির্বাচনে কাউকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা একটি ভালো নির্বাচন। অতীতে আমরা বহুবার কলঙ্কিত হয়েছি, এবার সেই কলঙ্ক মুছে দিতে হবে। আমরা একটি গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চাই।’তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আর মাত্র ৮০ থেকে ৯০ দিন বাকি। এরপরও কারো মনে যদি সন্দেহ থাকে নির্বাচন হবে না, তাহলে সেটি ভুল ধারণা। নির্বাচন হবেই, এবং তা হবে অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ।”
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ আব্দুল হালিম খান, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়সার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, এবং উপপ্রধান (উপ-সচিব) ও প্রকল্প পরিচালক, সিবিটিইপি প্রকল্প, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মুহাম্মদ মোস্তফা হাসান।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা কুমিল্লার মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম।
দিনব্যাপী এ কর্মশালায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা অংশ নেন। তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রতিটি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। ভোটকেন্দ্রই হলো গণতন্ত্রের প্রতিচ্ছবি, তাই সেখানে সঠিক দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা চলবে না।শেষে প্রধান অতিথি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান, ‘জনগণের আস্থা অর্জনই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। নির্ভয়ে, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করুন দেশ আপনার পাশে আছে।
মন্তব্য করুন