

বোনের বিয়ে দুদিন পরই। চলছিল হলুদের
অনুষ্ঠান। আর সে হলুদের অনুষ্ঠানে আনন্দে নাচছিলেন ১৮ বছর বয়সী কনের ছোট বোন। তবে আনন্দ
মুহূর্ত বিষাদে রূপ নিতে সময় লাগেনি।
নৃত্য করার মাঝেই মৃত্যুর কোলে ঢলে
পড়েছেন ওই তরুণী। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই
তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তরপ্রদেশের
মিরাটে বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচতে থাকা ১৮ বছর বয়সী এক কিশোরী মারা গেছে। মেয়েটির
নাম রিমশা এবং গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তার বোনের ‘হলদি অনুষ্ঠানে’ নাচছিল সে।
মর্মান্তিক এই ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল
মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রিমশা তার
পরিবারের সদস্যদের সাথে উচ্চস্বরে গানের সাথে নাচের তাল মেলাতে চেষ্টা করছেন।
কিন্তু, কয়েক সেকেন্ড পরে তাকে তার
বুকে স্পর্শ করতে দেখা যায় এবং মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার আগে পাশে নাচতে থাকা ছেলেটির
হাত ধরে রাখার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
পরে রিমশাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে
গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বোনের মৃত্যুর পর কোনো ধরনের গানবাজনা
ছাড়াই এবং শুধুমাত্র পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন
হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এমন তথ্য জানিয়ে বলা হয় যে, তাজুল ইসলাম ছাড়াও ট্রাইব্যুনালে আরও চার আইনজীবীকে প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম, বিএম সুলতান মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আল নোমান।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয় যে, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম অ্যাটর্নি জেনারেলের সমমর্যাদা ভোগ করবেন।
এতে
পরিশেষে আরো বলা হয়, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক
নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় অদম্য নারী পুরস্কার
কার্যক্রমের আওতায় গণতন্ত্রের মানসকন্যা বেগম খালেদা জিয়াকে 'গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায়
শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী' সম্মাননায় ভূষিত করতে যাচ্ছে।
আগামীকাল
রবিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়াকে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে।
আপসহীন
সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অদম্য নেতৃত্ব প্রদান এবং গণতান্ত্রিক ধারা
প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়া অসামান্য অবদান রাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
অন্যান্য
বছরের ন্যায় এ বছরও পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচ জন নারীকে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী হিসেবে পুরস্কার
প্রদান করা হবে।
অর্থনৈতিক
ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে
সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে নুরবানু
কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা
বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন- এমন নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. আফরোজা
ইয়াসমিন শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী হিসেবে পুরস্কৃত হচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’এ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তিনজনকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে।
আমন্ত্রণ পাওয়া অন্য দুজন হলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে দেওয়া এ আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শনিবার (১১ জানুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামী ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া ব্রেইল বইসহ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। ইউনেস্কো ২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেইক ল্যাঙ্গুয়েজ কাউন্ট ফর সাসটেউনেবল ডেভেলপমেন্ট’ যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ ও দেশের ভাষাসমূহের মর্যাদা রক্ষায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
ড. ইউনূস আরো বলেন, শত বছরের শোষণে ও শাসনে জর্জরিত বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম জয়যাত্রা ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল। এ দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণোৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরো অনেকে।
পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রফেসর
ইউনূস সবাইকে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫ এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
জানান। তিনি এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। সূত্র: বাসস
মন্তব্য করুন


মহান
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
শুক্রবার
দিবাগত রাত ১২টা ৮ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি ভাষা
শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁতেই তিনি শহীদ মিনার
প্রাঙ্গণে পৌঁছান।
অমর
একুশের ঐতিহাসিক গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...আমি কি ভুলিতে পারি’
গানের সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করেন। তিনি ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে
থাকেন।
শ্রদ্ধা
নিবেদনের পর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
এ
সময় মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানরা,
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক
ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে
মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
দলের (বিএনপি) পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। নানা শ্রেণি-পেশার
মানুষ খালি পায়ে, হাতে ফুল নিয়ে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’
গানের আবহে শহীদ মিনারে আসেন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের
স্মরণে তারা শ্রদ্ধা জানান।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল।
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায়
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়।
এর আগে এদিন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা
মো. তৌহিদ হোসেন এবং অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক
করে প্রতিনিধিদলটি।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব দপ্তরের
ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যান, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোনাল্ড লুসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় জানায়, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রবিষয়ক
উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে ভালো লেগেছে। আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশের সঙ্গে
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো, মানবাধিকার সমুন্নত
রাখা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের
পর বাংলাদেশ সরকার ও ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি)
মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। যার আওতায় সুশাসন, সামাজিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক খাতে বাংলাদেশকে
২০২.২৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
গত শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের
রাজস্ব ও অর্থ দপ্তরের আন্তর্জাতিক অর্থায়নবিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট
নেইম্যানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা আসে। এই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে
যোগ দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট
সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু। দিল্লি সফর শেষে তিনি একই দিন বিকেলে ঢাকায় পৌঁছেন।
মন্তব্য করুন


সিঙ্গাপুর, চীন এবং ভারত থেকে আগত ২১ জন চিকিৎসক ও নার্সের একটি প্রতিনিধিদল রোববার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
বিদেশি মেডিকেল টিমগুলো সম্প্রতি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা দিতে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।
চিকিৎসকরা দ্রুত সাড়া দেওয়ায় এবং চিকিৎসা সহায়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি এই জাতীয় সংকটকালীন সময়ে তাঁদের নিষ্ঠা ও সংহতির প্রশংসা করেন এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
‘এই টিমগুলো কেবল দক্ষতা নয়, হৃদয় নিয়েই এসেছে’ বলেন অধ্যাপক ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, তাঁদের উপস্থিতি আমাদের মানবিক ঐক্যের প্রতিফলন এবং বিপদের সময় বৈশ্বিক অংশীদারত্বের মূল্য প্রমাণ করে।
আহত—যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু— তাদের জরুরি চিকিৎসা এবং ট্রমা কেয়ার নিশ্চিত করতে এই মেডিকেল টিমগুলো স্থানীয় চিকিৎসকদের সঙ্গে মিলেমিশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস টিমগুলোর দ্রুত আগমন এবং কাজ শুরু করার জন্য কূটনৈতিক সমন্বয়ের প্রশংসা করেন।
তিনি সফররত চিকিৎসকদের মিশন বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি চিকিৎসকদের প্রতি অনুরোধ জানান যে, তারা যেন ভার্চুয়ালি হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক বজায় রাখেন—প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা, চিকিৎসা শিক্ষা বিনিময়, এবং স্বাস্থ্য খাতে সক্ষমতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে স্থায়ী সম্পৃক্ততার জন্য।
প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের অংশীদারিত্ব জনস্বাস্থ্য এবং জরুরি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম এই দুঃসময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য চিকিৎসক ও নার্সদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক সায়েদুর রহমান বলেন, বিদেশি চিকিৎসকরা দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে অনেক জীবন রক্ষা পেয়েছে।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আবারও প্রমাণ হলো, চিকিৎসকের কোনো সীমান্ত নেই।’
সাক্ষাতে সিঙ্গাপুর থেকে আগত চিকিৎসকদের ১০ জন, চীনের ৮ জন এবং ভারতের ৪ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্যদের মধ্যে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং সিঙ্গাপুর মিশনের প্রধানও উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র-বাসস)
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জন্য ঋণ সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। এসময় বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বলেন, চলতি অর্থবছরে তার সংস্থা বাংলাদেশের জন্য দুইশ’ কোটি মার্কিন ডলারের নতুন অর্থায়ন করতে পারবে। এই অর্থ অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন, বন্যা মোকাবিলা, দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বায়ুর মান বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সহায়তা করা হবে।
জরুরিভাবে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে এমন ক্ষেত্রে সহায়তা করা হবে উল্লেখ করে আবদৌলায়ে সেক বলেন, আমরা যত দ্রুত সম্ভব এবং যতটা সম্ভব আপনাদের সহায়তা করতে চাই।
বৈঠকে নতুন ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংস্থাটি সরকারের চলমান বিদ্যমান প্রকল্পে প্রায় একশ’ কোটি ডলারের অতিরিক্ত একশ’ কোটি ডলারের তহবিল পুনর্বিন্যাসের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান জানান, অতিরিক্ত ঋণ প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক এবারের অর্থবছরে বাংলাদেশকে সহজশর্তে ঋণ এবং মঞ্জুরি মিলিয়ে প্রায় তিনশ’কোটি মার্কিন ডলার প্রদান করবে, যার মাধ্যমে বিদ্যমান প্রকল্পসমূহের তহবিল পুনর্বিন্যাসও করা হবে।
সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন বাংলাদেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং দেশটির জন্য ‘মহৎ কাজ’হবে উল্লেখ করে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বলেন, প্রতিবছর যে ২০ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, তারাও এর সুফল পাবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরক্টেরকে উদ্দেশে করে বলেন, ১৫ বছরের অপশাসন থেকে ঘুরে দাঁড়াতে আমরা যে নতুন যাত্রার সূচনা করেছি তাকে এগিয়ে নিতে এবং সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাংকের ঋণ তহবিলসমূহের শর্তাবলী নমনীয় হতে হবে। আমাদের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন কাঠামো তৈরি করতে হচ্ছে। আমাদের এখন বড় ধাক্কা দেওয়ার প্রয়োজন এবং ছাত্রদের যে স্বপ্ন রয়েছে তা পূরণে মনোযোগ দিতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন,
আমি আপনাদের বলবো- আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের টিমের অংশীদার হোন। গত ১৫ বছরে শেখ
হাসিনার শাসন আমলে দুর্নীতিবাজরা অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে কয়েক বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। পাচার হওয়া এসব অর্থ ফিরিয়ে আনতে তিনি বিশ্বব্যাংককে কারিগরি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সহায়তা করতে সম্মত হন। তিনি বলেন, আমরা আপনাদের সাহায্য করতে পেরে খুশি হবো। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে পরিসংখ্যানগত তথ্যের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি, কর আহরণে অটোমেশন চালু এবং আর্থিক খাত সংস্কারে সহায়তা করতে চায়। বাংলাদেশ তার প্রতিষ্ঠানগুলো মেরামত এবং মোটা দাগের সংস্কার করার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না। একবার এ সুযোগ হারালে কখনো তা আর ফিরে আসবে না।
আবদৌলায়ে সেক জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের শহিদদের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি ঢাকার দেয়ালে তরুণদের আঁকা বর্ণিল গ্রাফিতি ও ম্যুরাল দেখে মুগ্ধ হয়েছেন উল্লেখ করে বলেছেন, ৩০ বছরের চাকরি জীবনে অন্য কোথাও এমন দেখিনি।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ
হাইকমিশনার সারাহ কুক।
আজ
বুধবার (৪ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে
হাইকমিশনার কুক সম্মানজনক কিং চার্লস হারমনি পুরস্কার প্রাপ্তির জন্য অধ্যাপক ড. ইউনূসকে
অভিনন্দন জানান।
পুরস্কারের
কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটি একটি মহান সম্মানের বিষয়।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস ৯ জুন ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং ১৩ জুন ফিরে আসবেন। সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা ঊর্ধ্বতন
ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান
উপদেষ্টা ও ব্রিটিশ হাইকমিশনারের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট
বিভিন্ন বিষয়, যেমন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিমান চলাচল সংক্রান্ত সহযোগিতা, অভিবাসন এবং
অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়াও
অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কারমূলক উদ্যোগ ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি
নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস হাইকমিশনারকে জানান, জাতীয় ঐকমত্য গঠনে গঠিত কমিশন এবং
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা এ সপ্তাহে শুরু হয়েছে এবং শিগগির তা শেষ
হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বাংলাদেশের সামুদ্রিক গবেষণা কার্যক্রম আরও উন্নত করতে যুক্তরাজ্যের কারিগরি
সহায়তা এবং ব্রিটিশ গবেষকদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাতে
উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া
মোরশেদ এবং ব্রিটিশ উপহাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে
জাতিসংঘ (ইউএন)। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের
প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
জাতিসংঘের
এক শোকবার্তায় বলা হয়, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে
জাতিসংঘ গভীর শোক প্রকাশ করছে।’
বার্তায়
আরো বলা হয়, ‘এই শোকের সময়ে জাতিসংঘ সম্মানিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ও স্বজনদের
প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি তার সংহতি পুনর্ব্যক্ত
করছে।’
মন্তব্য করুন