

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৬ (সদর, সদর দক্ষিণ ও সিটি কর্পোরেশন) আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নারীদের নেতৃত্বে বিশাল বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর ধর্মসাগরপাড়স্থ অস্থায়ী দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্তরে অবস্থান কর্মসূচিতে পরিণত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিক্ষোভে প্রায় আট হাজার নারী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “ইয়াছিন ভাইয়ের মনোনয়ন ফেরত চাই”, “৮ এর প্রার্থী ৬ এ কেন–মানিনা মানবো না”, “আমি কে তুমি কে, ইয়াছিন ভাই ইয়াছিন ভাই”সহ বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নারী নেত্রী ও অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “আমাদের নেতা ইয়াছিন ভাই, তার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আমরা তার পাশে আছি।” তারা জানান, এই আন্দোলনের মাধ্যমে নারীরা শুধু ক্ষোভ নয়, বরং রাজনৈতিক সচেতনতা ও নেতৃত্বের দাবি জানাচ্ছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, বর্তমান মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় ছিলেন না, অন্যদিকে হাজী ইয়াছিন দীর্ঘদিন তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন। তার সহায়তায় অনেক নেতা-কর্মী আইনি ও মানবিক সহায়তা পেয়েছেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, হাজী ইয়াছিনের ত্যাগ ও অবদান বিবেচনা করে তার মনোনয়ন ফিরিয়ে দেওয়াই হবে তৃণমূলের দাবি ও প্রত্যাশা। অন্যথায় স্থানীয় পর্যায়ে বিভাজন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


শপথ
গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের
তথ্যমতে, নতুন সরকার গঠনের পর আগামীকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অফিস করবেন
নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথম কার্যদিবসে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ
বৈঠক এবং সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন তিনি।
এ
ছাড়া বুধবার সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তারেক রহমান। সেখান
থেকে ফিরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে
তিনি অফিস করবেন।
সেখানে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। সভা শেষে
সচিবালয়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ করে বিকাল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠক করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ
বৈঠক শেষে বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের জন্য প্রস্তুত, ভোটাররাও প্রস্তুত। সবাই প্রস্তুত
থাকার পরও যখন কানে কানে এসে কেউ জিজ্ঞেস করে, নির্বাচন কি হবে? তখন বুঝতে হবে—
এরা গত ১৬ বছরের প্রেতাত্মা।
আজ
বুধবার ( ২১ জানুয়ারি ) ফরিদপুরে অম্বিকা অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে
আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
ভোটের
ব্যাপারে জনমনে উৎসাহের কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এই পর্যন্ত যে পাঁচটা জেলায় আমি
গিয়েছি, সব জেলাতেই মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার ব্যাপক আগ্রহ দেখেছি। তার একটা বড় কারণ
হচ্ছে সরকার নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি
আরো বলেন, আরেকটা অনেক বড় কারণ হচ্ছে— রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের পক্ষে জনমত
গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ জানাই।
উপদেষ্টা
আরো বলেন, আজকে আমরা এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যখন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আর বিগত ৫৪
বছরের বাংলাদেশের একটা সংযোগ আমাদেরকে স্থাপন করতে হবে এবং সেই সংযোগটা করতে হবে এত
বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে। ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আর
এই সবকিছুর জন্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে মত দিতে হবে।
উপদেষ্টা
আরো বলেন, আগামী ১২ তারিখে দুইটা ভোট দিতে হবে। একটাতে আপনার এলাকার যোগ্য সংসদ সদস্য
নির্বাচন করবেন। মনে রাখতে হবে, ভোট শুধু অধিকার নয়, ভোট মানে দায়িত্বও। আর এবারের
গণভোট মানে দেশের পদ্ধতি বদলের সুযোগ। শুধু ব্যক্তি বদলালে দেশ বদলায় না, পদ্ধতি বদলাতে
হবে। যাতে যে কেউ ক্ষমতায় আসুক, সে যেন দানব হয়ে উঠতে না পারে।
কিছু
কিছু পরিবর্তন সংবিধানে আনতে হবে, যাতে সংবিধানের ‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’—
কথাটি সার্থক হয় বলেও জানান তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে
বক্তব্য দেন।
তিনি
বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়
পরিবর্তন এবং সংস্কার আনতে পারেন আপনারাই। অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ
নিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য গঠনের চেষ্টা করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দীর্ঘ সময় বিভিন্ন
পর্যায়ে আলোচনা করেছে। এবার সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে আপনাদের মতামতের জন্য গণভোটের আয়োজন
করেছে। নির্বাচিত সরকারকে এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। এখন দেশের ভবিষ্যৎ আপনাদের
হাতে।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, এবারের গণভোটের বিষয়গুলো সুষ্ঠুভাবে
আপনাদের জানানোর জন্য প্রত্যেকটি বিভাগে, প্রতিটি জেলায় আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি। প্রত্যন্ত
অঞ্চলের জন্য আমরা পৃথক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
তিনি
আরো বলেন, গতকাল মঙ্গলবার ৪৯৫টি উপজেলায় এবং ৪ হাজার ৫০০টি ইউনিয়নে ভোটের রিকশা চালু
করা হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে রাস্তায় রাস্তায় মানুষকে বোঝানো হবে যে, পরিবর্তনের জন্য
আমাদের হ্যাঁ বলতে হবে। ‘হ্যাঁ’ বলার কোনো বিকল্প নেই।
ফরিদপুরের
জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আয়োজনে আরো বক্তব্য রাখেন পুলিশ
সুপার মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের নেতা, বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির জেলা প্রতিনিধিরা।
এর
আগে উপদেষ্টা গণভোট ও নির্বাচনে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য আয়োজিত এক র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে ভোটের গাড়ির স্ক্রিনে প্রধান উপদেষ্টার গণভোট বিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রদর্শন
করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, উত্তরাঞ্চল কৃষক প্রধান এলাকা। কৃষির সঙ্গে জড়িত দেশের অনেক কোম্পানি।
আমরা সেসব কোম্পানির সাথে কথা বলেছি। ঈদের পর তাদের সাথে বসব। উত্তরাঞ্চল থেকে কৃষিভিত্তিক
ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সেখানে কৃষকদের সন্তানরা চাকরি পাবেন।
সোমবার
(১৬ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া খাল খনন পরবর্তী আয়োজিত
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক
রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে অনেক কথা বলেছি। বলেছি সারাদেশে ৪ কোটি পরিবারের ফামিলি
কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। আমরা সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড দিতে শুরু করেছি। মধ্যপ্রাচ্যে
অনেক মানুষ কাজ করে। তাদের বিষয়ে আমরা চিন্তা করছি। তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে
যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারণে অর্থনীতির ওপর চাপ পড়েছে। কিন্তু আমরা যে ওয়াদা করেছি সেগুলো
এরই মধ্যে শুরু করেছি।
তিনি
বলেন, খাল কাটার কাজ শুরু করেছি। আগামী মাস থেকে কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। ক্ষুদ্র,
প্রান্তিক ও মধ্য কৃষকরা কার্ড পাবেন। শহিদ জিয়া ও খালেদা জিয়া ছিলেন কৃষকদের বন্ধু।
আমরা কৃষকদের বন্ধু। কৃষক, কৃষানি ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকব। তাই তাদের ভালো রাখতে
চাই। দেশের কৃষকদের শক্তিশালী ভিত্তির ওপর রাখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, আমরা এমন একটি দল করি, যেই দলের কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষের উপকারে আসে এমন কাজ।
যেই কাজ করলে সাধারণ মানুষ খুশি হয় আমরা সেই কাজ করি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সাহাপাড়া খাল
খনন শুরু হলো, খালটি ১২ কিলোমিটার খনন শেষ হলে ৩১ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। এই খাল থেকে
পানি নিয়ে কৃষকরা ১২ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দিতে পারবে। সুবিধার আওতায় আসবে সাড়ে ৩
লাখ মানুষ। সবচেয়ে বড় বিষয় এই এলাকার কৃষকরা যে ফসল উৎপাদন করছে, তার থেকে ৬০ হাজার
মেট্রিক টন বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারবে। এই খালের দুই পাশে রাস্তা নির্মাণসহ ১০ হাজার
বৃক্ষরোপণ করা হবে। খাল খনন শেষ হলে আমি আবার পুনরায় দেখতে আসব।
প্রধানমন্ত্রী
আরও বলেন, গ্রামের মানুষদের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি। কৃষি যদি বাঁচে তাহলে কৃষক বাঁচবে,
তাহলেই দেশ বাঁচবে। খালগুলো খনন না হওয়ার কারণে ভরাট হয়ে গেছে। নদীও ভরাট হয়ে গেছে।
বর্ষার মৌসুমের অনেক খরা হয়, পানি পাওয়া যায় না। আমরা এই বর্ষার পানিতে কাজে ব্যবহার
করতে চাই। আমরা এমনভাবে পানি ব্যবহার করতে চাই, যাতে করে সমগ্র এলাকার মানুষ উপকার
পায়। আজকে খাল খনন শুরু করলাম। আগামী ৫ বছর সমগ্র দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন
করব। উজান থেকে যখন পানি আসে তখন নদীর পাশের মানুষ ও পশুর ক্ষতির পাশাপাশি ঘর-বাড়ি
নষ্ট হয়।
তিনি
বলেন, আমরা খাল খননের পর বর্ষার সময়ে অতিরিক্ত পানির ধরে রাখব। উজান থেকে নেমে আসা
পানি ধরে রাখতে পারলে আমরা সবাই উপকৃত হব। শুষ্ক কিংবা বর্ষা মৌসুমে কৃষকের পানি সরবরাহ
করতে পারি। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমরা এত মানুষের খাবার বিদেশ থেকে আনা সম্ভব নয়।
তাই কৃষকের উপরে গুরুত্ব দিতে হবে। তাই পানিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।
পরিকল্পনার
পাশাপাশি সজাগ থাকবে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারা বিশৃঙ্খলা করতে চায় তাদের বিষয়ে
খেয়াল রাখতে হবে। এই কাজগুলো আমার পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজগুলো
করতে হবে। নির্বাচনে আপনাদের সমর্থনে যেমন আমরা সরকার গঠন করেছি। তেমনি আপনাদের সমর্থন
ছাড়া কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে সকল ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মালিক
জনগণ।
এই দেশের মালিক আপনারা। আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে থাকেন তাহলে যে কোনো পরিকল্পনা কাজ
বাস্তবায়ন করতে পারব।
দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা
পরিষদের প্রশাসক মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার
আহমেদ কচির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার
মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ মন্ত্রী
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণ ও নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ
হোসেন, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, দিনাজপুর-৪ আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের
হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের এমপি
সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ রোববার থেকে
সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামছে।
ভোটের
আগে চারদিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুইদিনসহ মোট সাতদিন তারা দায়িত্ব পালন করবে। এ
হিসেবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।
নির্বাচন
কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে জানান, রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে। সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে, তবে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে
মোতায়েন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ভোটের চারদিন আগে, ভোটের দিন ও পরবর্তী দুইদিন মিলিয়ে
মোট সাতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান তিনি।
ভোটের
পরিবেশ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা
মনেকরি নির্বাচনের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভালো আছে।’
নির্বাচনের
প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ব্যালট বাক্স জেলায়
জেলায় পাঠানো হচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো গ্রহণ করছেন। সংশ্লিষ্ট সবাই এখন
ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।’
এ
বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী সাতদিন দায়িত্ব
পালন করবে এবং আনসার বাহিনী থাকবে আটদিন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী অলরেডি মাঠে রয়েছে।
ইসি
সচিব জানান, ১ হাজার ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েন
(ডেপ্লয়েড) থাকবেন। মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য তাদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি
এ সময় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদেরও মাঠে রাখা হবে। এছাড়া ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি অ্যান্ড
এডজুডিকেশন কমিটি ইতোমধ্যে মাঠে কাজ করছে।
ইসি
সচিব আরও জানান, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা ভোট গ্রহণের
৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় বন্ধ হবে।
এর
আগে গত ২২ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি
বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুষ্কৃতকারীদের ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। অতীতের
নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করলেও
এবার প্রথমবারের মতো প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে পাঁচজন অস্ত্রধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে দুইজন অস্ত্রধারী পুলিশ ও তিনজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য
থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে তিনজন অস্ত্রধারী পুলিশসহ মোট ছয়জন অস্ত্রধারী
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া,
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অস্ত্রবিহীন (লাঠিসহ) ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে, যাদের
মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ‘এবারের জাতীয় নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাধ, স্বচ্ছ,
নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন, যা একটি রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে।’
এজন্য
নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা
ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনসিসি, গার্লস গাইড ও স্কাউট সদস্যরাও
নির্বাচনে সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে দুই ধাপে
বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রথম ধাপে যারা বর্তমানে মোতায়েন আছেন, তারা দায়িত্বে থাকবেন।
দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাতদিন দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, জাতির প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। তবে সবাই এক বিষয়ে একমত, সেটি হলো গ্রহনযোগ্য নির্বাচন।
আর ঐক্যমত কমিশন যদি সব দলের থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আচরনবিধি পালনের বিষয়ে লিখিত নেয়, তাহলে ইসির কাজ সহজ হবে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এখন আলোচনায় নির্বাচন। আসন্ন নির্বাচনকে একটি চ্যলেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন।
মানুষের মনে ভোট দেওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সামনে আমাদের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এসেছে, আমরা সেটি প্রতিষ্ঠা করবো।
এসময় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, দেশকে একটি স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। এই নির্বাচনে কর্তৃপক্ষের কোনো প্রভাব দেখতে চাই না।
তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে হানাহানি দেখতে চাই না, রাতের সিলমারা দেখতে বা শুনতে চাই না। এছাড়াও কর্তৃপক্ষের প্রভাব দেখতেও চাই না। শুধুমাত্র একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চাই।
নির্বাচনে কোন অনিয়ম হলে দায় কমিশন এড়াতে পারে না উল্লেখ করে নির্বাচনার কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন,
জুলাই আগস্ট বীরদের রক্তের সাথে যেন বেইমানি না হয সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, সেই প্রথম পরীক্ষায় হবে আগামী নির্বাচন।
রোববার (২ মার্চ) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে জাতীয় ভোটার দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য আজ বুধবার (০৩ ডিসেম্বর ) সকালে
যুক্তরাজ্যের এক চিকিৎসক ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
ডা.
রিচার্ড বিলি নামে ওই চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ১০টা
৩৫ মিনিটে তিনি হাসপাতালের চতুর্থ তলায় করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) প্রবেশ করেন,
যেখানে খালেদা জিয়া চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, পরিদর্শনকারী
চিকিৎসক তার সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্ট পরীক্ষা করবেন এবং তার চিকিৎসার পরবর্তী পদক্ষেপ
সম্পর্কে তাদের মূল্যায়ন দেওয়ার আগে মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।
সকাল
সাড়ে ১০টার দিকে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা
রহমান সিথিও হাসপাতালে পৌঁছে সরাসরি সিসিইউতে যান।
হাসপাতালের
কর্মকর্তারা জানান, চীন থেকে একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল আজ সন্ধ্যার পরে পৌঁছাবে বলে
আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায়
গেলে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। যাতে এই মানুষগুলো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।
শুধু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই না, পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করে গড়ে তুলতে
চাই। যেন আপনারা মধ্যপ্রাচ্য, লন্ডন বা পৃথিবীর অন্য কোথাও যান যাতে ওই দেশে গিয়ে আপনারা
দ্রুত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন।
তিনি বলেন, নারীদের উন্নয়নে কাজ করতে চায় বিএনপি।
ক্ষমতায় গেলে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আর এই ফ্যামেলি কার্ড
দেওয়া হবে নারীদের। পরিবারের মায়েরা পাবেন এই কার্ড। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তাদেরকে
খাদ্য সহায়তা বা নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। যাতে করে তাদের সংসার সুন্দরভাবে চালাতে
পারেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে মৌলভীবাজারের শেরপুরের
আইনপুর মাঠে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আব্দুর
রহিম রিপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক
জিকে গৌউছ, মিফতাহ উদ্দিন সিদ্দিকি।
প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা
ঘরে ঘরে ফ্যামেলি কার্ড দেব। কৃষকদের উন্নয়নে আমরা কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। এই কার্ডের
মাধ্যমে তাদেরকে ঋণ, সার, বীজ ও বিমা সহায়তা দেব। যাতে করে তাদের বিপদের সময় ঘুরে দাঁড়াতে
পারে।
এতে বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনের বিএনপি
মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও মৌলভীবাজার-৩ আসনের এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের
হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-২ আসনের শওকতুল ইসলাম শকু এবং মৌলভীবাজার-১
আসনের নাসির উদ্দিন মিঠু।
জনসভায় জেলার ৭টি উপজেলা থেকে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের
নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। দুপুর গড়াতেই শেরপুরের আইনপুর মাঠে লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে।
সকাল থেকে সমাবেশস্থলে মানুষের উপস্থিতি শুরু হয়।
দুপুর গড়ানোর আগেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে উপস্থিত হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। মৌলভীবাজার
সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে দলের নেতাকর্মীরা
উপস্থিত হতে থাকেন।
দীর্ঘদিন পর জনসভায় তারেক রহমানের উপস্থিতি নেতাকর্মীদের
মধ্যে বিপুল উৎসাহের সঞ্চার করে। এই জনসভায় তারেক রহমান জেলার ৪টি আসনের বিএনপি মনোনীত
সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। এর আগে ২০০৫ সালে মৌলভীবাজারে প্রথম আসেন
তারেক রহমান। সর্বশেষ ২০১৮ সালে শেরপুরের পথসভা ও ২০০৪ সালে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ
বিদ্যালয়ের মাঠের জনসভার পর এটাই দলীয়প্রধানের প্রথম কোনো জনসভা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান–শ্রীনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া বিএনপির দুই নেতার আবেদন প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মীর সরাফত আলী সপু এবং শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোমিন আলী।বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, যাচাইয়ের সময় প্রার্থীদের দাখিল করা মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তালিকার তথ্যের মিল পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা সৈয়দা নুরমহল আশরাফী জানান, নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও রোগমুক্তি কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য, কুমিল্লা–৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে শনিবার বিকালে নগরীর কান্দিরপাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে এ দোয়ার আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত হয়ে দেশনেত্রীর দীর্ঘায়ু ও দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেন।
মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, মাবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবুর রহমান দুলাল ও আতাউর রহমান ছুটি। এছাড়াও মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিব, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমানসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক, যিনি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করেছেন বাংলাদেশের মানুষের অধিকার, ভোটের মর্যাদা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের পক্ষে সংগ্রাম করে। বর্তমানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতা ও শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রতিটি ঘরে ঘরে দোয়ার আহবান জানানো হয়।
এসময় দলের কর্মী–সমর্থকরা আবেগাপ্লুত হয়ে প্রার্থনায় অংশ নেন। নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মানুষকে দেশনেত্রীর সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা–৬ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন এর উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এর উদ্যোগে দেশনেত্রীর জন্য নানা স্থানে দোয়া মাহফিল, কোরআন খতম এবং স্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি)
বিকেলে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানা।
তিনি বলেন, বৈঠকে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশের
খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। সেইসঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অধ্যাদেশ-২০২৬-এর
খসড়া চূড়ান্ত এবং বাংলাদেশ প্রাণী ও প্রাণীজাত পণ্য সংঘনিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া
নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে প্রতিবছর ২৩ মার্চকে ‘বিএনসিসি ডে’ হিসেবে
ঘোষণা; জাতিসংঘের নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তিবিরোধী
কনভেনশনের ৭০(১) ধারার আওতায় বাংলাদেশ কর্তৃক পূর্বে দেওয়া ঘোষণা প্রত্যাহার; ক্যারিবিয়
দেশ গায়ানায় বাংলাদেশের একটি নতুন কূটনৈতিক মিশন (সারফেয়ার্স/লোয়ার লেভেল মিশন)
খোলা; ২০২৫-২৮ সময়কালের জন্য আমদানি নীতি আদেশের খসড়া; নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
অধ্যাদেশ-২০২৬; কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত
এবং আন্তর্জাতিক পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে নেদারল্যান্ডসের
হেগভিত্তিক হেগ কনভেনশন অন সিভিল অ্যাসপেক্টস অব ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড অ্যাবডাকশন-১৯৮০-এ
বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার প্রস্তাব বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে।
এসব সিদ্ধান্ত নারীদের সুরক্ষা, মানবাধিকার, ক্রীড়া
উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, বাণিজ্য ও নগর উন্নয়নে কাঠামোগত সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখবে জানান প্রেস সচিব।
মন্তব্য করুন