

স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আগামী সোমবার ঘোষিত রায়কে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
তিনি
বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা এবং অন্যদের বিরুদ্ধে রায় ১৭ নভেম্বর ঘোষণা
করা হবে। রায়কে কেন্দ্র করে দেশের কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তাই
আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ইতোমধ্যেই তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।’
আজ শনিবার ( ১৫ নভেম্বর ) দুপুরে সরকারি
সফরে পটুয়াখালী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি ।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নয় দিনের জন্য
বিশেষ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। নির্বাচনের আগে পাঁচ দিন, নির্বাচনের দিন এবং পরে আরও তিন দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে কঠোর অবস্থানে থাকবে। প্রয়োজন হলে দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী সময়সীমা সমন্বয় করা হতে পারে বলেও তিনি জানান।
তিনি
জানান, বর্তমানে ৩০ হাজার সেনা
সদস্য মাঠে থাকলেও নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর মোতায়েন বাড়িয়ে প্রায় ১ লাখ করা
হবে। এছাড়া দায়িত্ব পালন করবে প্রায় ১ লাখ ৫০
হাজার পুলিশ, ৩৫ হাজার বিজিবি,
৫ হাজার নৌবাহিনী, ৪ হাজার কোস্টগার্ড,
৮ হাজার র্যাব এবং
আনুমানিক সাড়ে ৫ লাখ আনসার
সদস্য। নিরাপত্তা জোরদারে আনসার সদস্যদের অস্ত্র ও বডিক্যাম সরবরাহ
করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনের
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো সন্দেহের সুযোগ নেই জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ইলেকশন খুবই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে।
সরকার
পরিবর্তন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ দেশে সরকার
পতন কোনো তিনজন মানুষের কারণে হয়নি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণেই সরকার পরিবর্তন ঘটেছে। আপনারা দেখেছেন, তারা কীভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাদের আত্মীয়স্বজনও পালিয়েছে। এটি জনগণের ইচ্ছার ফসল।’
উপদেষ্টা
জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে রোজার আগেই অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষণার পর লটারির মাধ্যমে
প্রশাসনের রদবদল করা হবে।
মতবিনিময়
শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পটুয়াখালী পুলিশ লাইনস ও কোস্টগার্ড বেইস
পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


স্বাধীনতাবিরোধীদের
হাতে দেশ নিরাপদ নয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে
এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াতকে
উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আরেকটা দল ভোটের জন্য এসেছে। তাদের মার্কা হলো দাঁড়িপাল্লা।
৭১
সালে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন করেনি। অনেক লোককে মেরে ফেলেছে। মা-বোনদের ইজ্জত
নষ্ট করেছে। তারা এখনো মাফ চাননি।
তিনি
বলেন, ‘বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না এসব ভাঁওতাবাজি আর ধান্দাবাজি। ভোট দিলে নাকি জান্নাতে
যাওয়া যাবে। এসব কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন।
গত
১৫-১৬ বছর দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ব্যাংকগুলো শূন্য হয়ে গেছে। সব টাকা নিয়ে পালিয়ে
গেছে। সেগুলো ঠিক করতে হবে। ঝগড়াঝাটি না করে সঠিক মানুষটিকে নির্বাচিত করতে হবে।
মহাসচিব
বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের উন্নতির জন্য। শান্তিতে থাকার জন্য। বিগত সময়ে
আমরা শান্তিতে থাকতে পারিনি। ১৫ বছর পর খারাপ সময় পার করেছি। এখন সুসময় এসেছে। দেশে
একটা ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। এরকম একটা আশা জেগেছে।’
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ সময় আপনার সঙ্গে থেকেছি। আমার বাবা এলাকায় ভালো কাজ করেছেন। ওনার
ছেলে হিসেবে আমিও আপনাদের কাছে এসেছি। আমি মন্ত্রীও ছিলাম, কেউ বলতে পারবে না এক কাপ
চা খেয়েছি। নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী। ভোট চাওয়ার জন্য এসেছি। মার্কা
হলো ধানের শীষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।’
বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার
পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মাফ করে দেওয়া হবে। এনজিও এর যত টাকা ঋণ আছে তার দায় সরকার নেবে।
মায়েদের মওকুফ করে দেয়া হবে। এছাড়া মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া
হবে। শিক্ষিত বেকারের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
শান্তি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। সব ধর্মের মানুষেরা শান্তিতে থাকবেন।’
মন্তব্য করুন


মসজিদের
ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাসিক সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের
উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের অন্যতম
নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পাইলট প্রকল্পের আওতায়
প্রাথমিকভাবে দেশের হাজার হাজার ধর্মীয় সেবককে মাসিক ভাতার আওতায় আনা হয়েছে।
এর
মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক স্বীকৃতি
নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রমে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের
ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইতকে মাসিক সম্মানি
প্রদান করা হবে। এ ছাড়া ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার
যাজকসহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
প্রকল্পের
আর্থিক রূপরেখা অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০ হাজার টাকা মাসিক সম্মানি নির্ধারণ
করা হয়েছে।
এর
মধ্যে সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম
২ হাজার টাকা করে পাবেন।
অন্যদিকে,
হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলোর জন্য প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা
করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার
টাকা পাবেন। একইভাবে বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং খ্রিস্টান
চার্চের পালক বা যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা করে সম্মানি পাবেন।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায়
বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কর্তব্যে
গাফিলতির জন্য ত্রিপুরা পুলিশের তিন সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে
এ তথ্য জানিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা পুলিশের এসপি কিরণ কুমার।
তিনি জানান, বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে
হামলার ঘটনায় আগরতলার গোলচত্বর এলাকা থেকে ঝুটন দাস, দশমীঘাট চত্বর থেকে উজ্জ্বল দাস,
অভয়নগরের দীপ্তনীল ভৌমিক, আমতলি রানীখামার অঞ্চলের সূর্য দাস, বিলোনিয়ার মতাই অঞ্চলের
ঝুলন মালাকার, শহরের ৭৯টিলা অঞ্চলের বাসিন্দা প্রদীপ সাহা এবং অলক মজুমদারকে সোমবার
রাতে আটক করা হয়েছে। গতকালের ঘটনায় পুলিশের তিন জন উপপরিদর্শককে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সেই সঙ্গে আগরতলার নিউ ক্যাপিটাল কমপ্লেক্স থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে।
এ ব্যাপারে পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকার জাতীয় শোক, শিশু ও ঐতিহাসিক ৭
মার্চসহ মোট ৮ দিবস বাতিল
করছে।
উপদেষ্টা
পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয় গত সেপ্টেম্বর মাসে।
জানা
গেছে, সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে সরকার এসব জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিস্তারিত
আসছে...
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, যারা পরিস্থিতি অবনতি করার চেষ্টা করবে তাদের কোনো
অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবে না।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙ্গামাটি
রিজিয়নের প্রান্তিক হলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের
তিনি এ কথা বলেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের
প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের
প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী বলেন, একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।
কোনো অবস্থায় পরিস্থিতি অবনতি করা যাবে না। যারা পরিস্থিতি অবনতি করার চেষ্টা করবে
তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার,
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বাহির
থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমাদের কোথাও যেন ছন্দপতন ঘটছে। এর পেছনের ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত
করা হবে।
সভায় পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা,
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ, পুলিশের
আইজিপি মইনুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাইনুর রহমান,
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিভিন্ন নেতারা
উপস্থিত ছিলেন।
সভায় স্থানীয়দের মধ্যে বিএনপি, জনসংহতি
সমিতি, জাতীয় পার্টি, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন,
পার্বত্য নাগরিক পরিষদ, পরিবহন মালিক শ্রমিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন পরামর্শ
তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সাময়িক অসুস্থতার খবর
শুনে তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
বুধবার ( ২৫ ফেব্রুয়ারি ) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি
জানান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রথমে জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়া
হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের প্রেক্ষিতে তার সঙ্গে সরাসরি ফোনালাপের ব্যবস্থা করা
হয়। ফোনে তারা কুশল বিনিময় করেন।
গোলাম
পরওয়ার আরও জানান, আলাপকালে জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রীকে ইফতারের দাওয়াত দেন। তিনি
প্রধানমন্ত্রীকে সপরিবারে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। দাওয়াতপত্র গ্রহণ করেছেন
বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য,
মঙ্গলবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া এলাকায় একটি আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে যোগ দেওয়ার কথা
ছিল ডা. শফিকুর রহমানের। তবে যাত্রাপথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার কর্মসূচি স্থগিত করা
হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা ও আশপাশের জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
২০ নভেম্বর (সোমবার) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারাদেশে ২৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পেলো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এতে খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির আকাঙ্ক্ষিত প্রতীক ধানের শীষ না পেলেও
মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন উর রশীদ।
মনোনয়ন
না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে নিজেকে সরিয়ে
নেন নির্বাচন থেকে। হতাশ না হয়ে বরং দলের চেয়ারম্যানের দেওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে কুমিল্লা দক্ষিণের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দলের কোন্দল নিরসন
এবং নির্বাচনি প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা দক্ষিণের ৬টি আসনে। তিনি বিএনপি
চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহ্বায়কের
দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘদিন। অবশেষে বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন
উর রশীদ। শুধু তাই নয়, বরং কৃষি, মৎস ও প্রাণিজ সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ
তিন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হয়েছেন তিনি।
এ
ছাড়া কুমিল্লা- ৮ বরুড়া আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত
মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী এবং কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসন থেকে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে
ধর্ম মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাকারিয়া তাহের সুমন এ নিয়ে
দুই এবং শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ৬ বারের এমপি নির্বাচিত হলে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব
পেলেন এবারই প্রথম। এদিকে, কুমিল্লা জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পাওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন
তারা।
কুমিল্লা
জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পেলো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এতে খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির আকাঙ্ক্ষিত প্রতীক ধানের শীষ না পেলেও
মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন উর রশীদ।
মনোনয়ন
না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে নিজেকে সরিয়ে
নেন নির্বাচন থেকে। হতাশ না হয়ে বরং দলের চেয়ারম্যানের দেওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে কুমিল্লা দক্ষিণের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দলের কোন্দল নিরসন
এবং নির্বাচনি প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা দক্ষিণের ৬টি আসনে। তিনি বিএনপি
চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহ্বায়কের
দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘদিন। অবশেষে বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন
উর রশীদ। শুধু তাই নয়, বরং কৃষি, মৎস ও প্রাণিজ সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ
তিন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হয়েছেন তিনি।
কুমিল্লা-
৮ বরুড়া আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী
এবং কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসন থেকে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাকারিয়া তাহের সুমন এ নিয়ে দুই এবং শাহ মোফাজ্জল
হোসেন কায়কোবাদ ৬ বারের এমপি নির্বাচিত হলে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন এবারই প্রথম।
এদিকে, কুমিল্লা জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পাওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মন্তব্য করুন


পুলিশের
শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সভা শেষে সাংবাদিকদের এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ডাকবেন।
সেই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার চূড়ান্ত হবে। এর পাশাপাশি অন্তর্বতী সরকারের
শাসনামলের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে।
নতুন
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে কি কোনো আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, না—
সে বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার পরে চূড়ান্ত করা হবে বলেও
জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এছাড়া
শনিবার রাতে রাজধানীর আদাবরের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি সদ্য
বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন। আগামী তিন বছরের
জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব সামলাবেন।
আজ রোববার (২৩ জুন) তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
এর আগে ১১ জুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ওয়াকার-উজ-জামানকে সেনাবাহিনী
প্রধান হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের শ্বশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমানও
একসময় (১৯৯৭-২০০০) সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ওয়াকার-উজ-জামানকে চলতি বছরের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ
অফিসারের (পিএসও) দায়িত্ব থেকে সিজিএস করা হয়। তার আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে মেজর জেনারেল
থেকে পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হন ওয়াকার-উজ-জামান। তখনই তাকে সেনা সদর দপ্তরের
সামরিক সচিবের দায়িত্ব থেকে পিএসও করা হয়।
শেরপুরের সন্তান ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি
কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন পান। দীর্ঘ ৩৯ বছরের সামরিক
জীবনে তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন, একটি পদাতিক ব্রিগেড ও পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব
দিয়েছেন। স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস ও সেনা সদর দপ্তরে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব
পালন করেছেন তিনি।
ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব পান ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি।
তার আগে তিনি নবম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল
স্টাফ অফিসারও ছিলেন একসময়। দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাঙ্গোলা ও লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি
মিশনেও, সিনিয়র অপারেশন অফিসার হিসেবে।
সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পাওয়া ওয়াকার-উজ-জামান মিরপুরের ডিফেন্স
সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ ও যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড
স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মাস্টার্স অব ডিফেন্স
স্টাডিজ’ এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে ‘মাস্টার্স অব আর্টস ইন ডিফেন্স স্টাডিজ’
ডিগ্রি পান।
ব্যক্তিগত জীবনে ওয়াকার-উজ-জামানের সহধর্মিণী সারাহনাজ কমলিকা জামান। এই দম্পতির
ঘরে দুই কন্যা সন্তান (সামিহা রাইসা জামান এবং শাইরা ইবনাত জামান) রয়েছে।
ওয়াকার-উজ-জামান প্রয়াত
জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমানের জামাতা, যিনি ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ২০০০
সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মন্তব্য করুন