

আবহাওয়া অফিস জানায় কনকনের শীতের মাঝেই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির আভাস আছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমবে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানায়, বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার শুরুর দিকে দেশের উত্তরাংশে হালকা বৃষ্টি/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ের শেষের দিকে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, বর্তমানে উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এ অবস্থায় রোববার (০৫ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সে. বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সারাদেশের কোথাও কোথাও দিবাভাগে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে।
রোববার সকাল থেকে সোমবার (০৬ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্য রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সারাদেশের কোথাও কোথাও দিবাভাগে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে সামনে রেখে সশস্ত্র বাহিনীসহ ১৬টি বিভাগ ও
সংস্থার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত আলোচনা ও সমন্বয় সভা করেছে নির্বাচন কমিশন।
আজ রবিবার ( ১১ জানুয়ারি ) সকাল ৯টায়
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগে. জেনা.
(অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ সভা
অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
বর্ডার গার্ড, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, জাতীয় নিরাপত্তা
ও গোয়েন্দা অধিদফতর, ডিজিএফআই, জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার ও র্যাপিড একশন
ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সহ বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনীর মহাপরিচালকসহ প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার
ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে
নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ আসন্ন ভোটকে কেন্দ্র করে যে কোনো ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে
জোরালো ভূমিকা রাখতে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন


মেট্রোরেল নির্বাচনের দিনেও যথা নিয়মে চলবে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)।
শনিবার(৬ জানুয়ারি) সকালে ডিএমটিসিএল জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন বলেন, আমরা এই বিষয়ে কোনো ঘোষণা দিইনি। যেহেতু দিইনি, সেহেতু মেট্রোরেল চলবে। যদি না চলতো, তহালে আমরা নোটিশ দিতাম, ঘোষণা দিতাম। শুক্রবার মেট্রোরেলের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাড়া প্রতিদিন নিময় অনুযায়ী মেট্রোরেল সাভাবিক ভাবে চলাচল করবে।
মন্তব্য করুন


কোনো
পত্রিকা অফিসে ভাঙচুর বা পত্রিকা বন্ধে চাপ প্রয়োগ সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
আজ
সোমবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক
সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সংবাদ
সম্মেলনে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, কোনো
পত্রিকার বিরুদ্ধে যদি কারও কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে তা জানাতে পারে। তবে তা শান্তিপূর্ণ হতে হবে। কোনো
পত্রিকা অফিসে ভাঙচুর করা,
পত্রিকা বন্ধের জন্য চাপ প্রয়োগ করা আমরা সমর্থন করি না। এ ধরনের ঘটনা
পরবর্তীতে ঘটলে টলারেট করা হবে না।
ভাঙচুরের ঘটনায় যারা জড়িত,
তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের আহ্বান থাকবে, মানুষের যদি
ক্ষোভ থাকে তাহলে যেন শান্তিপূর্ণভাবে প্রকাশ করে।
উপদেষ্টা
নাহিদ আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট
অভিযোগ থাকলে সেটার জন্য আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারে। আমরা আহ্বান জানাব যেন কোনো
অনাকাঙ্ক্ষিত বা নৈরাজ্যকর বিষয়ে জনগণ অংশ না নেয়। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়
এমন কাজ থেকে আমরা বিরত থাকব।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফুলের তোড়া পাঠিয়েছেন প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত
চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, আপনারা জানেন- আজ গণতন্ত্রের মা, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন। তিনি এ দিনটি উদযাপন করেন না, তবে দল থেকে সারাদেশে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আজ বিকেলে ম্যাডামের (বেগম জিয়া) জন্য ফুলের তোড়া পাঠিয়েছেন। তাঁর কর্মকর্তারা এটি বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের বাসভবনে পৌঁছে দেন।
বিকেল
প্রায় ৪টায় প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব সজীব এম খায়রুল ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় গিয়ে তাঁর একান্ত সচিব
এবিএম আবদুস সাত্তারের হাতে ফুলের তোড়াটি হস্তান্তর করেন।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য বেলায়েত হোসেন, বিএনপি মিডিয়া সেলের
সদস্য শায়রুল কবির খান এবং চেয়ারপার্সনের ব্যক্তিগত উইংয়ের কর্মকর্তা মাসুদ রহমান।
এর
আগে, বৃহস্পতিবার রাতে চীনের রাষ্ট্রদূতের কার্যালয় থেকেও বিএনপি চেয়ারপার্সনের জন্য
জন্মদিনের ফুলের তোড়া পাঠানো হয়।
বেগম
খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


যেসব শিক্ষার্থী রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
রোববার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানিয়ে আরো
বলেছেন, এই সার্টিফিকেট চাকরি ক্ষেত্রে যেন মূল্যায়ন করা হয়।
সাখাওয়াত হোসেন এটাও বলেন যে, আমি আইজিপিকে অনুরোধ করবো, এই যে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেবেন। শিক্ষার্থীরা নিজের টাকায় সড়কে কাজ করছে, সড়ক পরিষ্কার করছে, রং কিনে দেয়াল সুন্দর করছে। এটা যদি সরকারি প্রজেক্ট হতো তাহলে হাজার কোটি টাকা লাগতো। একটা দেশে এই চাইতে ভালো উদাহরণ হতে পারে না।
শিক্ষার্থীরা তাঁর গাড়িও চেক করেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, পতাকাওয়ালা গাড়ি থামানো হয়েছে। তারপর তারা বলেছে পতাকা থাক আর যাই থাক গাড়ি চেক করবো। এরপর আমাকে দেখে বললো না স্যার আপনি চলে যান।
মন্তব্য করুন


গণভোট
নিয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারণা শুরু করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা
পরিষদের সদস্যরা।
নির্বাচন
মনিটরিং ও সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা আজ বৃহস্পতিবার
( ১৫ জানুয়ারি ) থেকে এই প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছেন। এ কার্যক্রমের আওতায় তারা আগামী
২১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় গণভোটের গুরুত্ব, উদ্দেশ্য ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে
জনগণকে অবহিত করবেন।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, প্রচারণার অংশ হিসেবে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসন, সুশীল সমাজের
প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং গণভোটে অংশগ্রহণের বিষয়ে
জনসচেতনতা বৃদ্ধি করবেন।
প্রচারণার
প্রথম দিনে আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান চট্টগ্রামে অবস্থান
করছেন। সেখানে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
প্রায় দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসা তারেক রহমান এখন দেশের শাসনভার
গ্রহণের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন বলে অভিহিত করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
আজ
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) ‘তারেক রহমান: ফ্রম এক্সাইল টু এজ অব পাওয়ার’—
শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে বড় জয়ের মধ্যদিয়ে তারেক রহমানের
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
এতে
বলা হয়, ২০০৮ সালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডনে যাওয়ার পর টানা ১৭ বছর বিদেশে অবস্থান
করেন তারেক রহমান। গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে তিনি দেশে ফেরেন। এরপর তিনি দেশের মাটিতে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে সক্রিয় হন এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয়
নির্বাচনে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে উঠে
আসেন।
১৯৬৫
সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় জন্ম তারেক রহমানের। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক
সম্পর্ক বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও তা শেষ করেননি। পরে তিনি বস্ত্র ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসায়
যুক্ত হন।
রয়টার্স
বলছে, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা
তৈরি হয়েছে, এর প্রেক্ষাপটেই তারেক রহমানের নব উত্থান ঘটেছে। এই পরিবর্তনকে বাংলাদেশের
রাজনৈতিক ধারায় এক অভাবনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখছেন অনেকে।
ভোটের
প্রচারে তারেক রহমান একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার
করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষমতায় গেলে এমন সাংবিধানিক সংস্কার আনা হবে, যাতে কোনো ব্যক্তি
দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে না পারেন। তার মতে, এতে করে স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা
রোধ করা সম্ভব হবে।
অর্থনৈতিক
পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও তারেক রহমান বেশ কিছু অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন। তিনি দরিদ্র পরিবারের
জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর কথা বলেছেন, পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শুধু তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর না থেকে খেলনা, চামড়াজাত
পণ্যসহ নতুন শিল্প খাত গড়ে তুলে অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন
তিনি।
দ্বিপাক্ষিক
পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রশ্নে রয়টার্সকে তারেক রহমান জানান, তিনি
‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব’ নীতিতে বিশ্বাসী। কোনো একক দেশের ওপর
অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির
চেয়ারম্যান।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য ক্ষমতায় আসা
নয়, বরং বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেরুকরণে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে।
একদিকে তিনি তার বাবা জিয়াউর রহমান ও মা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করছেন,
অন্যদিকে নিজেকে একজন নীতিনির্ধারক ও ভবিষ্যতমুখী নেতা হিসেবে তরুণ ভোটারদের কাছে তুলে
ধরার চেষ্টা করছেন।
মাঠপর্যায়ে
বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তাকে এই নির্বাচনের
প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বা ‘ফ্রন্টরানার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে রয়টার্সের
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখন
দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তারেক রহমানের দীর্ঘ ‘নির্বাসন থেকে ক্ষমতার পথে’
যাত্রা চূড়ান্ত পরিণতি পায় কি না।
মূলত,
শেখ হাসিনার শাসনামলে তারেক রহমান একাধিক দুর্নীতি মামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হন এবং
অনুপস্থিতিতেই কয়েকটি মামলায় দণ্ডিত হন। ২০০৪ সালে শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড
হামলার ঘটনায় ২০১৮ সালে তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি সব অভিযোগ
বরাবরই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন এবং হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর
সব মামলায় তিনি খালাস পান।
লন্ডনে
বসে তিনি দেখেছেন, কিভাবে একের পর এক নির্বাচনে তার দল কোণঠাসা হয়েছে, শীর্ষ নেতারা
কারাগারে গেছেন, কর্মীরা নিখোঁজ হয়েছেন, দলীয় কার্যালয় বন্ধ হয়ে গেছে।
দেশে
ফিরে তিনি সংযত ও পরিমিত ভাষায় কথা বলছেন, উসকানিমূলক বক্তব্য এড়িয়ে যাচ্ছেন এবং সংযম
ও সমঝোতার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি ‘রাষ্ট্রের ওপর জনগণের মালিকানা’
ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের কথা বলছেন— যা নতুন সূচনার আশায় থাকা বিএনপি সমর্থকদেরও
করেছে উজ্জীবিত।
মন্তব্য করুন


পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু
পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সরকারি সেবা স্বচ্ছ ও জনমুখী করতে রাজধানী
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)’র কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) সকালে ঢাকায়
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের(বুয়েট) কাউন্সিল ভবন অডিটোরিয়ামে ইউআরপি স্টুডেন্টস
অ্যাসোসিয়েশন অফ বুয়েট( ইউএসএবি)’র উদ্যোগে
‘প্লানিং উইক, ২০২৪’
উপলক্ষে আয়োজিত ‘ জাস্ট আরবান ট্রানজিশন এন্ড আরবান এন্ড রিজিওনাল প্লানিং’
শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ আহবান জানান।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হানান বলেন,
সাধারণ নাগরিকেরা যারা সেবা গ্রহণের জন্য রাজউকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যান, তাদের
জন্য আপনাদের সেবাটা দয়া করে স্বচ্ছ এবং জনমুখী করুন।
নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি সাধারণ
জনগণের যেন ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয় সেই পদক্ষেপ নেয়ার জন্য উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সকলের
প্রতি আহ্বান জানান।
যত্রতত্র জলাশয় ভরাট বন্ধ করার নির্দেশ
দিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে জলাশয় আইন যথাযথভাবে
মেনে চলার আহ্বান জানান।
উপদেষ্টা আরও বলেন, এবার আমরা পুরোনো
ও মেয়াদোত্তীর্ণ বাস রিপ্লেসমেন্ট বা পরিবর্তন করতে বাস মালিকদের ৬ মাসের সময় দিয়েছি
এবং তাদের বলে দিয়েছি দরকার হলে সহজ শর্তে আপনাদেরকে ঋণের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। বিগত
৫৩ বছরে শহরগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আমরা ঠিক করতে পারিনি। যদি ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে
হর্ন ছাড়া গাড়ি চালাতে পারি, ক্যান্টনমেন্টের ভেতর যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলে থাকতে
পারি তাহলে বাকী শহর কেন আমরা সাজাতে পারলাম না।
দেশের শহরগুলোকে দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজাতে
সংশ্লিষ্ট সকলকে তৎপর হওয়ার জন্যও আহ্বান জানান তিনি।
বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম
বদরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য প্রফেসর
ড. আবদুল হাসিব, রাজউকের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. সিদ্দিকুর রহমান,বুয়েটের ইউআরপি ডিপার্টমেন্টের
প্রধান এবং ইউএসএবি সভাপতি অধ্যাপক ড. আসিফ-উজ-
জামান খানসহ বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা
এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে বুয়েটের তিনজন শিক্ষার্থী বিষয় ভিত্তিক সেমিনার
পেপার উপস্থাপন করেন।
মন্তব্য করুন


১২
ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য বগুড়ায় দলের নেতাদের
নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বগুড়ার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের
নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
বগুড়া-৬
আসনে নির্বাচন উপলক্ষে এ মতিনিবময় সভায় বগুড়া জেলা বিএনপি’র
সিনিয়র নেতারা ছাড়াও দলটির সদর উপজেলা ও শহর কমিটির পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর
শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া
জেলা বিএনপি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তারেক রহমান দলীয় নেতাদের
নির্বাচনের বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এবারের নির্বাচন সহজ হবে না।
ধানের
শীষের ভোট চাইতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেতে হবে।
বর্তমানে
দলে নিজের অবস্থান অর্থাৎ দলের প্রধানের দায়িত্ব পালনের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন,
আমার পক্ষে আগের মত আপনাদের সময় দেওয়া সম্ভব হবে না এবং বগুড়ায় অবস্থান করাও সম্ভব
হবে না। এক্ষেত্রে আপনাদের প্রত্যেককে ধানের শীষের কান্ডারীর ভূমিকা পালন করতে হবে।
বগুড়াবাসীর
প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, দল যখন ক্ষমতায় ছিল
তখন বগুড়ার জনগণের উন্নয়নে আমরা কাজ করেছি।
আবার
যখন বিরোধী দলে ছিল তখন শীতবস্ত্র বিতরণ এবং বন্যার্তদের সহায়তাসহ নানা ধরনের কাজ করা
হয়েছে।
আগামীতে
সরকার গঠন করলে বগুড়ার উন্নয়নের নিশ্চয়তা দিয়ে তিনি বলেন, বগুড়ার কোথায় কি করতে হবে
সেটি তিনি জানেন।
১২
ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানের পাশাপাশি ফলাফল সংগ্রহ পর্যন্ত
দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়ে দলের স্থানীয় নেতাদের তিনি বলেন, আপনাদের সতর্ক ও সজাগ
থাকতে হবে।
দলীয়
সূত্রগুলো জানায়, বগুড়া-৬ আসনে প্রার্থী তারেক রহমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল
নির্ধারণের জন্যই এ সভা আহ্বান করা হয়। সভা শেষে দুপুর ১২টার পর তিনি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে
রওনা হন।
মন্তব্য করুন


পলিসি সামিট ২০২৬’-এ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় ত্রিশটি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
আয়োজক সূত্র জানায়, সকাল থেকেই বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা সামিটে যোগ দিতে শুরু করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, মালদ্বীপ, ব্রুনাই ও শ্রীলঙ্কাসহ প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সম্মেলনের সূচনা পর্বে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন শুধু টিকে থাকা নয়, বরং একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি একটি নতুন, সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর রূপরেখা তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদি ও এখনও অসম্পূর্ণ সংগ্রামের ধারাবাহিকতা। রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাই ছিল ১৯৪৭ সালের উপনিবেশ-উত্তর সময় এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রেরণা। তবে স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই লক্ষ্যসমূহ পুরোপুরি অর্জিত হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, গত প্রায় ১৭ বছরে দুর্বল শাসনব্যবস্থা ও কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার ফলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, জবাবদিহিতা কমেছে এবং সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জনগণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, নিজেদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের দাবিতে আবারও সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন