

আগামী
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৬
ডিসেম্বর) লন্ডনে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় দেয়া
বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, 'আজকে এই অনুষ্ঠানটি প্রথমত দুটি বিষয়—১৬
ডিসেম্বর আমাদের 'বিজয় দিবস' এবং একইসাথে প্রায় ১৭ থেকে ১৮ বছর আপনাদের সাথে যুক্তরাজ্যে
ছিলাম; কিন্তু আগামী ২৫ তারিখে ইনাশাআল্লাহ আমি দেশে চলে যাচ্ছি।'
তারেক
রহমান আক্ষেপ করে বলেন, 'প্রায় ৫৫ বছর আগে যখন যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরেছিলো, তাদের একটি
প্রত্যাশা, আশা ও আকাঙ্ক্ষা ছিল; কীভাবে তারা নিজের দেশটিকে গড়ে তুলবে। দেশের বাইরে
যেসব প্রবাসী বাংলাদেশিরা রয়েছেন, বিশেষকরে, যুক্তরাজ্যে যারা আছেন, পথে বের হলে পরিষ্কার
রাস্তা দেখি, কিংবা আমরা যখন বিভিন্ন সোশ্যাল বেনিফিট পাই, তখন কিন্তু নিজের অজান্তেই
চিন্তা করি যে আহা, আমাদের দেশটি যদি এমন হতো।'
তিনি
বলেন, আপনারা পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন হলিডে স্পটগুলোতে যান, সেগুলোতে অনেককিছু
যে আছে, তা নয়। কিন্তু তাদের যা আছে, সেগুলোকে তারা এমন সুন্দর করে রাখে, যে কি তাদের
ইতিহাস, কি তাদের ঐতিহ্য ও সামাজিক মূল্যবোধ, সে জিনিসগুলো আমরা দেখি এবং আমরা আফসোস
করি আমাদের দেশটি যদি এমন হতো।
'১৯৭১
সালে যে মানুষগুলো যুদ্ধ করেছে, সেটি প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে, তাদের কিন্তু এমনভাবেই
দেশটি গড়ার প্রত্যাশা ও আশা ছিলো,' তারেক রহমান যোগ করেন।
তিনি
আরও বলেন, আমরা দেখেছিলাম, স্বাধীনতার পর যে নতুন দেশটি আমরা পেলাম, তখন মানুষ আশায়
বুক বেঁধেছিল যে এই দেশে গণতন্ত্রের চর্চা হবে এবং এই চর্চার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে দেশ
ও জাতি এগিয়ে যাবে। কিন্তু হঠাৎ করেই আমরা দেখলাম বাকশাল চলে আসলো।
'আমরা
দেখলাম ধীরে ধীরে মানুষের ভোটের ও গণতন্ত্রের অধিকার টুঁটি চেপে ধরা হলো,' যোগ করেন
তারেক রহমান।
আলোচনা
সভায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন,
সামনের দিনগুলো খুব সহজ হবে না। ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারলে আমরা আমাদের পরিকল্পনাগুলো সফল
করতে পারবো এবং আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।
বিজয়
দিবস উপলক্ষে লন্ডনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও বিদায়ী সংবর্ধনায় তারেক রহমান বলেন মুক্তিযুদ্ধের
পর বিভিন্ন সময় দেশকে এগিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা ও উদ্যোগ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে থামিয়ে দেয়া
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা-১৭ আসন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামসহ স্থানীয় বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বৈঠকে নির্বাচনী প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় তারেক রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনা দেন এবং আসন্ন নির্বাচনে দলীয় ঐক্য বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপিকে আরও সংগঠিত ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশন (ইসি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ
করছে। আইন অনুযায়ী নির্বাচনের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশের করার বিধান রয়েছে।
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ
সরকারি মুদ্রণালয়ে ধারাবাহিকভাবে গেজেট ছাপানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
ইসির
অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, এবার ৪ হাজার ১০৩টি ভোটকেন্দ্রে চূড়ান্ত করা
হয়েছে।
কর্মকর্তারা
জানান, গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ শুরু হয়। এটি ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন
করা হবে।
ইসির
উপসচিব (নির্বাচন সমন্বয় ও সহায়তা শাখা) মো. মাহবুব আলম শাহ স্বাক্ষরিত ভোটকেন্দ্রের
গেজেট সকলের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করছে ইসি সচিবালয়। এতে ভোটকেন্দ্রের ক্রমিক নম্বর, ভোটকেন্দ্রের
নাম ও অবস্থান, ভোটকক্ষের সংখ্যা, ভোটার এলাকা, পুরুষ, নারী, হিজড়া ভোটার এবং মোট ভোটার
সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসির
অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল ২ হাজার
৭১৬টি। তারমধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি, যা মোট দাখিলকৃত
মনোনয়নপত্রের ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২৭ শতাংশ। আর বৈধ হয়েছে ১ হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র,
যা দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ৭৩ দশমিক ০৮শতাংশ বা ৭৩ শতাংশ।
ইসি
সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৬১টি আপিল
আবেদন জমা পড়েছে। আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর শুনানি আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন
কমিশন।
ইসি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা
প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার
৬৩৩ জন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসব-উত্তর শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ইস্কাটনের লেডিস ক্লাবে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তারেক রহমান।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল।
এছাড়াও বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার, মহাসচিব এস এন তরুণ দে, উপদেষ্টা অ্যালবার্ট পি কষ্টা, মনি স্বপন দেওয়ান, অধ্যক্ষ গণেশ হাওলাদার, ভাইস চেয়ারম্যান অর্পনা রায় দাস, নিতাই চন্দ্র ঘোষ, দেবাশীষ রায় মধুসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসার সাবেক পিয়ন মো. জাহাঙ্গীর আলমের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে তার স্ত্রী কামরুন
নাহার ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে। সব ব্যাংকগুলোয় পাঠানো নির্দেশনায় তাদের অ্যাকাউন্ট খোলার ফরমসহ যাবতীয় তথ্য
পাঁচ দিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স
ইউনিট (বিএফআইইউ) এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠায়।
বিএফআইইউ-এর নির্দেশনায় জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব খোলার ফরমসহ
যাবতীয় তথ্য পাঁচদিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ ও তাদের
মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো হিসাব থাকলে সেসব হিসাবের লেনদেন মানিলন্ডারিং
প্রতিরোধ আইন, ২০১২–এর ২৩ (১) (গ) ধারার আওতায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশনা
দেওয়া হলো।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে টানা দুই মেয়াদের
পাশাপাশি গত মেয়াদেও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
ওঠায় তাকে ওই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি তারপরও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত
সহকারী পরিচয় বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করেছেন।
এ পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিশেষ
বিজ্ঞপ্তিতে জাহাঙ্গীরের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। বলা হয়, তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের সম্পর্ক নেই।
সাম্প্রতিক হওয়া চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল (রোববার) সংবাদ
সম্মেলন করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাসায় কাজ করেছে, পিয়ন ছিল সে, এখন
৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না। বাস্তব কথা। কী করে বানাল এত টাকা?
জানতে পেরেছি, পরেই ব্যবস্থা নিয়েছি। ’
প্রধানমন্ত্রীর বাসার সাবেক পিয়ন ও আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীরের গ্রামের বাড়ি
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার খিলপাড়ায়। এলাকায় তিনি ‘পানি জাহাঙ্গীর’ নামে পরিচিত। তিনি
এর আগে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন।
গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী আসনে স্বতন্ত্র
হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে না দাঁড়িয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার
করেন। নির্বাচনী হলফনামায় তার মালিকানাধীন ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও নোয়াখালী নিজ এলাকায়
বাড়ি, জমি, ফ্ল্যাট, প্লটসহ বিপুল সম্পদের তথ্য উঠে আসে।
গত বছরের ৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিজ্ঞপ্তি জারি করে জাহাঙ্গীর আলম থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. জাহাঙ্গীর আলম, পিতা: মৃত রহমত উল্যাহ, রহমত উল্যাহ কেরানীর বাড়ি, গ্রাম: নাহারখিল, ইউনিয়ন: খিলপাড়া, উপজেলা: চাটখিল, জেলা: নোয়াখালী- নিজেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে বেড়াচ্ছেন। তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। এতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা নিন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষক ও কৃষাণী ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে। দেশের মানুষের
ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি জনগণের দল জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা
সরকার পরিচালনা করব।
সোমবার
(১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ‘শাহাপাড়া খাল’
পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এই কর্মসূচির আওতায় পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার
খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী
বলেন, খাল খনন কর্মসুচির মাধ্যমে আমরা দেশ গড়ার কর্মসুচিতে হাত দিলাম। কৃষক ও কৃষানের
ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
তিনি
বলেন, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ শাহাপাড়া খালটির খনন কাজ শেষ হলে এলাকার প্রায় ৩৩ হাজার কৃষক
সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে ১২০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে এবং এলাকার
সাড়ে তিন লাখ মানুষ নানাভাবে এই খালের সুবিধা ভোগ করবেন। এতে এই এলাকায় আগের চেয়ে প্রায়
৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদিত হবে। এ সময় শুধু খাল খননই নয়, খালের দুই পাড়ে সাত হাজার
বৃক্ষরোপণ এবং মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণেরও ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচনি
প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে কথা
দিয়েছিলাম ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করব। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম
বৈঠকেই আমরা সুদসহ সেই কৃষি ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা করেছি। তিনি বলেন, দেশের চার কোটি
পরিবারের মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার
মায়ের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’
চালু করা হবে।
উত্তরাঞ্চলের
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান
এলাকা। এখানকার বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেডগুলোতে কৃষিভিত্তিক
শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের পর এ বিষয়ে বড় বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে
আমরা বসব।
বিএনপি
সরকারকে ‘কৃষকবান্ধব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের রাজনীতির
লক্ষ্য হলো মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। আজকে যে মানুষটি মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে,
আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন ১০ হাজার টাকায় পৌঁছায়, আমরা সেই পলিসি
নিয়েই কাজ করছি। কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে। দেশের উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা
বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থন ছাড়া দেশের উন্নয়ন
কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে আমাদের সব ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মানুষই একাত্তর সালে
যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে এবং ২৪ সালে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার বিদায় করেছে। এ মানুষগুলোই
ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
তবে
বিভিন্ন রকম মিষ্টি কথা বলে যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে
সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ‘করব কাজ,
গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান তুলে দেশ গড়ার কাজে সবাইকে
একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল কাটার উদ্বোধন
করেন এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে
অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ
মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল
হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮০তম অধিবেশনে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের দায়িত্বশীল বৈশ্বিক
ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এতে গণতান্ত্রিক শাসন, মানবিক সংহতি ও গঠনমূলক আন্তর্জাতিক
সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি নতুনভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে
পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি প্রধান উপদেষ্টার ইউএনজিএ সফরের সাফল্যগুলো তুলে ধরেন।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, অধ্যাপক ড. ইউনূস গত
সপ্তাহে নিউইয়র্কে ইউএনজিএ-র উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব
দেন। সেখানে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনেতাদের
সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন এবং গণতন্ত্র, মানবিক নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা
নিয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন। ইউএনজিএ-র ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে
গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার প্রতি অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
করেন। তিনি স্বাধীন, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে বৈশ্বিক
মহলকে আশ্বস্ত করেন যে বাংলাদেশ জনগণ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের লালিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
রক্ষায় প্রস্তুত।
শফিকুল আলম আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সফরে
তিন রাজনৈতিক দলের ৬ প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এটাই প্রথমবার এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ
প্রতিনিধিদল একসঙ্গে সফরে যোগ দিল। তারা কূটনীতিক, প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের
সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব যোগাযোগ বিশ্বের কাছে শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিয়েছে যে গোটা
বাংলাদেশই গণতান্ত্রিক, স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে একসঙ্গে এগোচ্ছে।’
বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার কৌশলগত বৈঠক
প্রসঙ্গে আলম বলেন, অধ্যাপক ড. ইউনূস উচ্চপর্যায়ের একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন, যা
বাংলাদেশের বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার ও যৌথ অগ্রাধিকারের প্রসারে ভূমিকা রাখে।
তিনি জানান, ইতালি, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান,
অস্ট্রেলিয়া, আলবেনিয়া, কসোভো ও ভুটানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে গণতান্ত্রিক শাসন, বাণিজ্য,
জলবায়ু সহনশীলতা ও মানব উন্নয়নের বিষয় গুরুত্ব পায়।
আলম আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও
গুতেরেস, ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপো গ্রান্ডি, ইউনিসেফ নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল,
জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমা, বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা,
নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা এবং আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার
সঙ্গে বৈঠক করেন।
এছাড়া অধ্যাপক ড. ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নিয়ে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। যুক্তরাষ্ট্রের
বিশেষ দূতের সঙ্গেও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হয়, যেখানে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বহুপাক্ষিক
কূটনীতিতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ভূমিকা উঠে আসে।
রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আলম বলেন,
প্রধান উপদেষ্টার সফরের মূল বিষয় ছিল রোহিঙ্গা ইস্যু। সেখানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া
এক মিলিয়নের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া
যায়। জাতিসংঘ সংস্থা ও দাতা দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নিরাপদ, স্বেচ্ছায়
ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংকট যেন বৈশ্বিক মনোযোগ থেকে
হারিয়ে না যায় সে আহ্বান জানান। প্রেস সচিব জানান, এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
থেকে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি আনতে সক্ষম হন।
শফিকুল আলম বলেন, জবাবদিহি ও উন্নয়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি
তুলে ধরতে অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘকে অনুরোধ জানান বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি)
থেকে উত্তরণের অগ্রগতির একটি স্বাধীন মূল্যায়ন পরিচালনা করতে। এ অনুরোধ ঢাকার অর্থনৈতিক
যাত্রাপথে আস্থা ও গঠনমূলক আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের প্রতি উন্মুক্ততা প্রকাশ করে।
প্রেস সচিব জানান, ইউএনজিএ সফরে বিদেশে কর্মসংস্থান
ও শ্রমশক্তি রপ্তানির নতুন সুযোগও উন্মোচিত হয়। কসোভো, আলবেনিয়া ও ইউরোপের আরও কয়েকটি
দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনায় বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য শ্রমবাজার সম্প্রসারণের
বিষয়ে সম্ভাবনা খোঁজা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব সুযোগ প্রবাসী আয় বাড়াতে ও নতুন অংশীদার
দেশের সঙ্গে জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করতে সহায়ক হবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি
দেয়, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।
তিনি বলেন, ‘কিছু নেতা আমাদেরকে বেহেশতে নেওয়ার টিকিট দিতে চাইলেও,
তারা তো বেহেশতে নিতে পারেন না। ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের কাজ দিয়েই বেহেশতে যাব।’
আজ সোমবার (২৩ মার্চ) সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ভাউলারহাটে নেহা
নদীর খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।
এ সময় এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, যে খাল কাটার মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান এ দেশে সবুজ বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন, আজ তাঁর ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান খাল কাটা কর্মসূচি শুরু করে সেই ধারাবাহিকতাকেই রক্ষা করছেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি কৃষকদের সমস্যাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়,
আর সে কারণেই জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচির পর, বেগম খালেদা জিয়া ৫ হাজার টাকা
পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেন ও ২৫ বিঘা কৃষি জমির খাজনা মাফসহ কৃষক কল্যাণে বিস্তৃত
কর্মসূচি নিয়েছিলেন।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, আজ তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার অল্প
সময়ের মধ্যেই জনগণের কাছে দেওয়া তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা শুরু হয়েছে
এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এখন খাল কাটার মাধ্যমে কৃষকদের
পানি সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান শুরু করা হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘দয়া করে
আল্লাহর ওয়াস্তে, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো দুর্নীতির আশ্রয় নেবেন না।’
ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন— পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ও ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক
ইশরাত ফারজানাসহ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার
অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের
শুরুতে উভয়ে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
রুমন
বলেন, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী
প্রশংসা করেন। তিনি বাহিনীর সদস্যদের নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতি দিয়ে বলেন, সমুদ্র
উপকূল ও নদী তীরবর্তী এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে কোস্টগার্ড গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে জনগণের স্বার্থে দুর্যোগ মোকাবিলায় তাদের জনসেবামূলক
কাজগুলো অব্যাহত রাখার জন্য তিনি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীকে কোস্টগার্ডের চলমান বিভিন্ন
উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী এই উন্নয়নের গতিপ্রকৃতি দেখে
সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, বাহিনীর এই আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা
ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।
রুমন
বলেন, পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্টগার্ডকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি
বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই বাহিনী
দেশের সমুদ্রসীমার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করবে।
মন্তব্য করুন


মহান
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার
দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা
নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা বাজার চার মিনিট আগেই রাষ্ট্রপতি শহীদ
মিনার প্রাঙ্গণে পৌঁছান।
কেন্দ্রীয়
শহীদ মিনারে পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান তাঁকে
অভ্যর্থনা জানান।
রাষ্ট্রপতি
ধীরগতিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদির দিকে এগিয়ে যান। এ সময় মহান একুশের অমর গান
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ... আমি কি ভুলিতে পারি?’ বাজানো হয়।
রাষ্ট্রপতি
ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
মন্তব্য করুন