

দেশের সাতটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার
বেগে ঝড় হতে পারে। সে কারণে সেসব এলাকার নদীবন্দরে তোলা হয়েছে সতর্কতা সংকেত।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) এমন পূর্বাভাস
দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ বজলুর রশিদ
জানিয়েছেন, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী এবং কুমিল্লা অঞ্চলসমূহের
ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে
দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এ নম্বর
সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর
উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে
অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে প্রথমে ঘূর্ণিঝড় এবং পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে একই এলাকায়
অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে
যেতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের
ওপর দিয়ে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাজশাহী ও খুলনা
বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট
বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ
বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
মন্তব্য করুন


যেসব শিক্ষার্থী রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
রোববার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানিয়ে আরো
বলেছেন, এই সার্টিফিকেট চাকরি ক্ষেত্রে যেন মূল্যায়ন করা হয়।
সাখাওয়াত হোসেন এটাও বলেন যে, আমি আইজিপিকে অনুরোধ করবো, এই যে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেবেন। শিক্ষার্থীরা নিজের টাকায় সড়কে কাজ করছে, সড়ক পরিষ্কার করছে, রং কিনে দেয়াল সুন্দর করছে। এটা যদি সরকারি প্রজেক্ট হতো তাহলে হাজার কোটি টাকা লাগতো। একটা দেশে এই চাইতে ভালো উদাহরণ হতে পারে না।
শিক্ষার্থীরা তাঁর গাড়িও চেক করেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, পতাকাওয়ালা গাড়ি থামানো হয়েছে। তারপর তারা বলেছে পতাকা থাক আর যাই থাক গাড়ি চেক করবো। এরপর আমাকে দেখে বললো না স্যার আপনি চলে যান।
মন্তব্য করুন


জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) মামলা দায়ের করতে পারবে বলে জানিয়েছেন- সংস্থাটির প্রধান প্রসিকিউটর (কৌঁসুলি) করিম এ এ খান।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা নিয়ে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক আদালতের প্রধান প্রসিকিউটর ছাত্র-জনতার বিপ্লবে জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের প্রক্রিয়া, রোহিঙ্গা সংকট, ২০১৭ সালে রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন।
আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটরের কাছে অধ্যাপক ইউনূস জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় গণহত্যার অপরাধীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) মামলা দায়ের করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চান। এ অভ্যুত্থানে বিগত সরকারের নৃশংসতার শিকার হয়ে অন্তত ৭০০ মানুষ মারা গেছেন এবং ২০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
আইসিসি-তে মামলা দায়ের প্রসঙ্গে করিম খান বলেন, বাংলাদেশ অবশ্যই হেগ-ভিত্তিক আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে। তবে আইসিসি-তে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়েরের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে।
বৈঠকে করিম খান অধ্যাপক ইউনূসকে ২০১৯ সালে আইসিসির রোহিঙ্গা নির্বাসন নিয়ে তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ সফর করবেন বলেও জানান আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে অধ্যাপক ইউনূসের তিন দফা প্রস্তাবের প্রশংসা করে করিম খান বলেন, এসব প্রস্তাব রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নতুন করে গতি আনবে।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য জাতিসংঘ প্রধানের একটি জরুরি সম্মেলন আয়োজন এবং সমাধানের উপায় বের করা, রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকটের জন্য শক্তিশালী যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা এবং ২০১৭ সালে রাখাইনে সংঘটিত গণহত্যার অপরাধের ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে জোরালোভাবে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চালানোর প্রস্তাব দেন।
এ তিনটি প্রস্তাবকে
নিখুঁত- বলে মন্তব্য করেন করিম খান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লা–০৬ আসনের উন্নয়ন–ভিশন জনগণের সামনে তুলে ধরতে কুমিল্লায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এবং কুমিল্লা–০৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের শাসনগাছা ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে গণসংযোগ কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। পরে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন হাজী ইয়াছিন।
গণসংযোগকালে হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেন, গত বছরগুলোতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মামলা, হামলা ও জুলুম–নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সেই কঠিন সময়ে আমি সবসময় এই এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম। জনগণের সুখে–দুঃখে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও যত বাধাই আসুক না কেন আপনাদের পাশেই থাকবো, ইনশাল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটি গণমানুষের দল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জনগণের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই এলাকার মানুষ আমাকে চাইলে দলও তাই চাইবে, আমাদের নেতৃত্বও জনগণের সেই চাওয়াকে সম্মান জানাবে। আপনাদের মনের আশা অবশ্যই পূরণ হবে—কেবল একটু ধৈর্য ধরতে হবে।”
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়ে হাজী ইয়াছিন বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক। মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থ জীবন কামনা করছি। আমি কুমিল্লাবাসীসহ দেশবাসীর কাছে তাঁর জন্য দোয়া চাচ্ছি, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও দেশ ও জনগণের পাশে দাঁড়াতে পারেন।
গণসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ূম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব চৌধুরী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. আনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান সাইদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব ও সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক কে. এম. শাহীনুর হোসাইন ও সদস্য সচিব মো. ইকরাম হোসেন তাজ, দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম টুটুল, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিনসহ জেলা, মহানগর, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মন্তব্য করুন


দেশের ৯টি জেলা ভয়াবহ বন্যার কবলে বিপর্যস্ত। দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে টিএসসিতে চলছে গণত্রাণ কর্মসূচি।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজ থেকে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
ফেসবুক পেস্টে হাসনাত জানান, টিএসসিতে চলছে গণত্রাণ কর্মসূচি, চলবে সারা দিনব্যাপী।
যে জিনিসগুলোর প্রয়োজন:
১। শুকনা খাবার (চিড়া, মুড়ি, বিস্কিট, টোস্ট, গুড়, ছাতু, বাদাম ইত্যাদি)
২। স্যালাইন, জরুরি ঔষধ
৩। স্যানিটারি ন্যাপকিন
৪। শিশুখাদ্য (দুধ, সুজি ইত্যাদি)
৫। চাল, ডাল, লবন
৬। মোমবাতি, দিয়াশলাই
৭। পলিথিন ইত্যাদি।
এ ছাড়া আপনারা অর্থ সাহায্য করা যাবে ব্যাংক একাউন্টে বা সরাসরি টিএসসিতে।
হাসনাত আরো জানান, আমাদের টিম রেসকিউয়ের কাজ শুরু করেছে। আমরা আজ সারা দিনে দুইশো’র বেশি বোট পাঠানোর সিদ্ধান্তে আছি, যার মধ্যে প্রায় ২০-২৫টি এরইমধ্যে স্পটে চলে গেছে। আমরা একতা ধরে রাখি। এই বিপদে বাংলাদেশ লড়বে একসাথে।
ফান্ড রেইজিং একাউন্ট ডিটেইল:
Mohammad
Anisur Rahman
20503100200291004
Badda
Branch, Dhaka
Islami
Bank Bangladesh
উল্লেখ্য, পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়েছে দেশের নয়টি জেলা। বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো– ফেনী, নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর ও খাগড়াছড়ি। এসব জেলার কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি ও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন


অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে যে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সুযোগ
তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে
বাম গণতান্ত্রিক জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক
ভিত্তি; একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্বই থাকবে না।
এর আগে বেলা ১১টায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা গুলশানে বিএনপি
চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গিয়ে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এরপর তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে
অংশ নেন।
সাক্ষাৎকালে বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মুজাহিদুল
ইসলাম সেলিম, কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, শরীফ নুরুল আম্বিয়া,
নাজমুল হক প্রধান, ডা. মুশতাক হোসেন, বজলুর রশীদ ফিরোজ, রাজেকুজ্জামান রতন, ইকবাল কবীর
জাহিদ, অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, মাসুদ রানা, মোশরেফা মিশু ও আব্দুল আলী।
এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়া পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়ায় কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে 'দরবার' এবং সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন। এসময় তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে অর্পিত দায়িত্ব আন্তরিকতার সাথে পালন করায় অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি সকল সেনাসদস্যকে দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় ধৈর্য্য ও পেশাদারিত্বের সাথে অসামরিক প্রশাসন এবং দেশের জনসাধারণকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে রাষ্ট্র প্রদত্ত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বিচক্ষণতার সাথে প্রয়োগ করে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিটি সেনা সদস্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সাথে তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সকলকে প্রস্তুত থাকতে বলেন। এছাড়াও, নবনির্মিত সেনানিবাসের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সেনাপ্রধান ৭ পদাতিক ডিভিশনে চলমান বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন ।
পরিদর্শনকালে সেনাসদর ও বরিশাল এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ ছাড়াও জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ, অসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গতকাল মধ্যরাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান দল রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সাকিবুর রহমান (৩৪) মোঃ সাইদুল (৩৬) নামের দুইজন ব্যক্তিকে ১টি পিস্তল, ১টি রিভলবার, ৩টি ম্যাগাজিন, ২২১ রাউন্ড এমুনিশন, ১০টি দেশীয় অস্ত্র, ৫৭৯ পিস ইয়াবা, ৭১ গ্রাম কোকেন, ১০৬ গ্রাম হিরোইন, নগদ অর্থ ও অন্যান্য সরঞ্জামাদিসহ গ্রেফতার করে।
দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার দেশে
প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীতে মানুষের ঢল নেমেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল
থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে
রওনা দেন দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এ ছাড়া লাখ লাখ নেতাকর্মী জড়ো হন রাজধানীর ৩০০
ফিটে।
তারেক
রহমান রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ইতিমধ্যে
তিনি বিমানবন্দর থেকে সেখানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য
রাখবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
জানা
গেছে, তারেক রহমান সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় থাকা তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
তার
আগমন উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় নিরপাত্তা জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা
বাহিনী। হাসপাতালের সামনে থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের।
এভারকেয়ারের
সামনে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, ভোর ৫টা থেকেই অনেকে এখানে অবস্থান শুরু করেছেন।
দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ীই তারা এখানে অবস্থান নিয়েছেন।
বিএনপির
ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী এমএ কাইয়ুমের অনুসারী মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মায়ের
কোলে ছেলে ফিরে আসছে। এতে শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরা না পুরো দেশবাসী খুশি। দলীয় নির্দেশনা
অনুযায়ী আমরা ভোর ৫টা থেকে এখানে অবস্থান নিয়েছেন।
আজ
সকাল থেকে এভারকেয়ারের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়তে
শুরু করে নেতাকর্মীদের ভিড়। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালের মূল ফটকের প্রায় ১০০ মিটার
এলাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে নেতাকর্মীদের অনেক রাস্তার একপাশে অবস্থান নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


অস্ট্রেলিয়ার
অ্যাডিলেডের প্যারা হিলস এলাকায় রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় মলত্যাগ করতে গিয়ে হাতেনাতে
ধরা পড়েছেন এক ভারতীয় যুবক। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে
পড়তেই রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে।
এনডিটিভির
এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অ্যাডিলেডের স্থানীয় বাসিন্দা ট্রেন্ট কার্টার নামে
এক ব্যক্তি ওই ভারতীয় যুবককে একটি বাড়ির সামনে খোলা জায়গায় প্যান্ট খুলে মলত্যাগ
করতে বসা অবস্থায় ধরে ফেলেন।
ফেসবুকে
শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, নাটকীয় সেই মুহূর্তে কার্টারকে ওই যুবককে উদ্দেশ্য
করে বলতে শোনা যায়, "ভাই, আপনি কী করছেন? আপনি কী করছেন?" যুবকটি দ্রুত
প্যান্ট তুলতে তুলতে উত্তর দেন, "আপনি কী বলছেন?" এরপর কার্টার উত্তেজিত
হয়ে বলেন, "আপনি কী করছেন? এটা অস্ট্রেলিয়া। খোলা জায়গায় পায়খানা করবেন না।"
জবাবে
ভারতীয় যুবক নিজেকে বাঁচাতে প্রথমে দাবি করেন যে তিনি 'শুধু প্রস্রাব করছেন'। তবে
কার্টার তখন উত্তেজিত হয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেন, "খোলা জায়গায় প্রস্রাব? আপনার
সমস্যাটা কী? আপনি এখানে বসেছেন। আপনি কি এভাবে প্রস্রাব করেন?" এরপর কার্টার
উত্তেজিত হয়ে ভারতীয় যুবককে 'কুকুর' বলে ধমক দেন এবং তাঁর পায়ের কাছে মাটি ছুড়ে
মারেন। পরে কার্টার পুরো ঘটনার ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করেন এবং ক্যাপশনে লেখেন,
"এটা (প্রকাশ্যে মলত্যাগ) কি স্বাভাবিক?"
ভিডিওটি
দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং অনেক সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী
ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্তব্যে একজন লেখেন, "ওকে এই কাজ করার জন্য তাঁর দেশে ফেরত
পাঠাও।" আরেকজন মন্তব্য করেন, "রাস্তায় একটা ঝোপও খুঁজে পায়নি সে। বিরক্তিকর।"
কেউ কেউ এটিকে 'বছরের সেরা ভিডিও' বলেও আখ্যা দেন। একজন সমালোচক লেখেন, "এই লোকগুলো
চরম নোংরা, কোনো সম্মান নেই, তারপরও সম্মান চায়। এমন কর্মকাণ্ড তাদের জন্য কোনো সম্মান
বয়ে আনবে না।"
অস্ট্রেলিয়ার
বেশিরভাগ রাজ্যেই জনসমক্ষে প্রস্রাব বা মলত্যাগ আইনত নিষিদ্ধ এবং এটি একটি শাস্তিযোগ্য
অপরাধ। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে নির্দিষ্ট টয়লেট ছাড়া
জনসমক্ষে এমন কাজ করলে সর্বোচ্চ প্রায় ২৫০ ডলার জরিমানা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


ঢাকায়
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৫০ লাখ মানুষের সমাগম
হবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও অভ্যর্থনা কমিটির সদস্য সচিব
রুহুল কবির রিজভী।
আজ
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত অভ্যর্থনা মঞ্চ পরিদর্শন
শেষে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী
বলেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান আসবেন। আজকেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিভিন্ন জেলা
থেকে লোক আসা শুরু হয়েছে। সুতরাং ২৫ ডিসেম্বর এখানে মানুষের মহামিলন ও মহামেলায় পরিণত
হবে। এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। যে জনসমাগম হবে তাদের সংবর্ধনা নেওয়ার পর তার মা দেশনেত্রী
খালেদা জিয়া যিনি দীর্ঘদিন নিপীড়ন নির্যাতন সহ্য করেছেন, আজকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন,
তাকে দেখে তিনি বাসায় যাবেন। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার প্রথম দায়িত্ব সরকারের, এরপর
দলের।
এদিকে
দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা তারেক রহমানের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপির সর্বস্তরে
আনন্দের জোয়ার বইছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘনিয়ে আসায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত
নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে স্লোগান
ও প্ল্যাকার্ড হাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মঞ্চ পরিদর্শনে আসছেন। তারা জানান, নেতাকে
বরণ করে নিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ সময় মঞ্চের সামনে পুলিশের পাশাপাশি
সেনাবাহিনীকেও টহল দিতে দেখা যায়। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দফায় দফায় গাড়িতে
করে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন টিম মঞ্চ এলাকা পরিদর্শন করছে।
মন্তব্য করুন