

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেছেন, দেশের দুর্যোগ দুর্দিনে এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশবাসীর কল্যাণে পাশে আছে
এবং থাকবে। বন্যায় যাদের ঘর ভেসে গেছে, তাদের নতুনভাবে ঘর করে দেওয়া হবে।
আজ (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর
জেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমটুয়া আল আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসা মাঠে বানভাসিদের
মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, বন্যায় যারা অত্যন্ত
ক্ষতিগ্রস্ত, যাদের ঘর পানিতে মিশে গেছে, যারা রাস্তার ওপর থাকছেন তাদের ছোটখাটো বাড়ি
করে দেওয়া হবে।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর,
ফেনী ও নোয়াখালীতে বন্যাদুর্গতদের সাহায্যে আলেম সমাজ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তারা মাঠে ময়দানে
গিয়ে সাহায্য করছেন। ফেনী মুহুরি নদীর দিকে বেসরকারি উদ্যোগে এক কোটি টাকা খরচ করে
বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগেও কাজ চলছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা এ বিপদ থেকে উদ্ধার
হতে পারবো। আমরা আল্লাহর সাহায্য কামনা করি।
আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আয়োজন
করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া জিরির মুতামিম মাওলানা
খোবাইন বিন তৈয়ব, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ
তারেক বিন রশিদ ও কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ
প্রমুখ।
আয়োজকরা জানায়, আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের
উদ্যোগে বন্যায় দুর্গত ৫০০ পরিবারে মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে দুই শতাধিক
মানুষের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


এম এ হান্নান, ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহনে ৫৬ পিস ইয়াবাসহ মো: রনি নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড গজারিয়া বাংলালিংক টাওয়ার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত রনি ওই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড গজারিয়া এলাকার বাসিন্দা মৃত হেজন আলীর ছেলে।
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন থানার এসআই মো: ইউসুফ ও সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে গজারিয়া বাংলালিংক টাওয়ার এলাকা থেকে রনিকে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে ৫৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব উল আলম বলেন, আটককৃত রনির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে ভোলা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৫' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
আজ রোববার
(২০ জুলাই)) সেনা সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন
তিনি।
প্রথম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
পদোন্নতি পর্ষদের বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা শুরুতেই স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনানীদের, যাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। এছাড়াও, তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে সকল আহত ও শহীদ সেনা সদস্যদের। একই সাথে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যূত্থানে শহীদ ও আহত সকল ছাত্র জনতাকে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া সৎ, নীতিবান, পেশাদার এবং নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যে সকল অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন স্তরে যোগ্য নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সে সকল অফিসারকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা।
ড.
ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সেনা সদস্যগণ বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বেশ কিছু সময় ধরে পালন করে আসছেন। দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ত্যাগের জন্য তিনি সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি এবং চীফ অব জেনারেল স্টাফ।
নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনা প্রধান অধ্যাপক
ড. ইউনূসের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
এসময়
সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
মন্তব্য করুন


স্বাধীনতাবিরোধীদের
হাতে দেশ নিরাপদ নয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে
এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াতকে
উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আরেকটা দল ভোটের জন্য এসেছে। তাদের মার্কা হলো দাঁড়িপাল্লা।
৭১
সালে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন করেনি। অনেক লোককে মেরে ফেলেছে। মা-বোনদের ইজ্জত
নষ্ট করেছে। তারা এখনো মাফ চাননি।
তিনি
বলেন, ‘বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না এসব ভাঁওতাবাজি আর ধান্দাবাজি। ভোট দিলে নাকি জান্নাতে
যাওয়া যাবে। এসব কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন।
গত
১৫-১৬ বছর দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ব্যাংকগুলো শূন্য হয়ে গেছে। সব টাকা নিয়ে পালিয়ে
গেছে। সেগুলো ঠিক করতে হবে। ঝগড়াঝাটি না করে সঠিক মানুষটিকে নির্বাচিত করতে হবে।
মহাসচিব
বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের উন্নতির জন্য। শান্তিতে থাকার জন্য। বিগত সময়ে
আমরা শান্তিতে থাকতে পারিনি। ১৫ বছর পর খারাপ সময় পার করেছি। এখন সুসময় এসেছে। দেশে
একটা ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। এরকম একটা আশা জেগেছে।’
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ সময় আপনার সঙ্গে থেকেছি। আমার বাবা এলাকায় ভালো কাজ করেছেন। ওনার
ছেলে হিসেবে আমিও আপনাদের কাছে এসেছি। আমি মন্ত্রীও ছিলাম, কেউ বলতে পারবে না এক কাপ
চা খেয়েছি। নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী। ভোট চাওয়ার জন্য এসেছি। মার্কা
হলো ধানের শীষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।’
বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার
পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মাফ করে দেওয়া হবে। এনজিও এর যত টাকা ঋণ আছে তার দায় সরকার নেবে।
মায়েদের মওকুফ করে দেয়া হবে। এছাড়া মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া
হবে। শিক্ষিত বেকারের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
শান্তি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। সব ধর্মের মানুষেরা শান্তিতে থাকবেন।’
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড.
আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, বিচার বিভাগ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সংবিধান সংশোধন করা হবে কিনা প্রশ্নে
তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেক দাবি আছে। কিন্তু আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো জবাব দিতে পারব না।
এটা আমার এখতিয়ারাধীন বিষয় না। আমরা উপদেষ্টা পরিষদে এ বিষয়ে আলোচনা করব।
মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে কোনো
চেষ্টা করবেন কিনা, জানতে চাইলি তিনি বলেন, অবশ্যই চেষ্টা করব। একটা পুরোজাতির ভোটাধিকারকে
এমনভাবে প্রহসন করা! এ রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার মাধ্যমে সেই
অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিচার বিভাগ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে
আইন মন্ত্রণালয়কে যে সহযোগিতা করতে হয়, সেটা আমরা সম্পন্ন করেছি। এরইমধ্যে প্রধান বিচারপতিসহ
আপিল বিভাগের বিচারপতিরা নিয়োগ পেয়েছেন।
আমরা এমন একজন প্রধান বিচারপতি পেয়েছি,
যিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া করেছেন। এখান থেকে আপনারা বুঝে নেবেন, আমরা
কীসের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। যোগ্যতা ও সততার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। আগে যারা প্রধান বিচারপতি
ছিলেন, তাদের সিভি, আর বর্তমান প্রধান বিচারপতির সিভি তুলনা করলে বুঝতে পারবেন, আমরা
কীসের ওপর জোর দিচ্ছি,’ যোগ করেন আইন উপদেষ্টা।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার
না হলে জাতির কাছে আমরা দায়ী থাকব বলে মন্তব্য করেছেন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
সাগর-রুনি হত্যার বিচার গতি পাবে কিনা;
জানতে চাইলে, উপদেষ্টা বলেন, অবশ্যই, আপনারা রাজপথে থেকে আমাদের চাপে রাখবেন। এই বিচার
না হলে জাতির কাছে আমরা দায়ী থাকব। আমি বিশ্বাস করতে পারি না, এমন একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড
নিয়ে কীভাবে প্রহসন করা হয়।
অর্থপাচারের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের
বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেকোনো অপরাধের বিচার করার ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য আমাদের আছে।
আমাদের দেশের ব্যাংক ও সম্পদ লুটপাট করে নিয়ে যাবে, এটা তো আমার-আপনার টাকা। সাবেক
সরকারের মন্ত্রীদের টাকা না। জনগণের টাকা যারা নিয়ে গেছেন, তাদের অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থা
করা ও বিচারের সম্মুখীন করার জন্য যতটুকু করা দরকার, অবশ্যই আমরা করব।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়া অফিস জানায় কনকনের শীতের মাঝেই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির আভাস আছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমবে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানায়, বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার শুরুর দিকে দেশের উত্তরাংশে হালকা বৃষ্টি/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ের শেষের দিকে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, বর্তমানে উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এ অবস্থায় রোববার (০৫ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সে. বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সারাদেশের কোথাও কোথাও দিবাভাগে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে।
রোববার সকাল থেকে সোমবার (০৬ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্য রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সারাদেশের কোথাও কোথাও দিবাভাগে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে মাতৃভূমিতে ফেরার এই ঐতিহাসিক
যাত্রায় তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
এবং পরিবারের পোষা বিড়াল জেবু।
তারেক
রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক যেন পরিণত হয়েছে
মিলনমেলায়। প্রিয় নেতাকে সংবর্ধনা দিতে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ।
দলীয়
নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সংবর্ধিত হবেন তিনি—এমন
প্রত্যাশায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
৩০০
ফিট সড়ক ও এর আশপাশের এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ইতিমধ্যেই জড়ো হয়েছেন বিপুলসংখ্যক
নেতাকর্মী ও সমর্থক। বহু বছর পর প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে গত কয়েক দিন ধরেই দেশের নানা
প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী হচ্ছেন তারা। ভিড় ও দুর্ভোগ এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই রাজধানীতে
এসে অবস্থান নিয়েছেন।
যাদের
ঢাকায় আত্মীয়-স্বজন বা থাকার ব্যবস্থা রয়েছে, তারা আগেই এসে পৌঁছান। তবে গত সোমবার
থেকেই দলবদ্ধভাবে নেতাকর্মীদের ঢাকায় আসা শুরু হয়। বুধবার রাতেও দেশের বিভিন্ন জেলা
থেকে ট্রেন, লঞ্চ ও বাসে করে নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। ঢাকায় পৌঁছে অনেকেই
সংবর্ধনাস্থল পরিদর্শন করে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন—কেউ
সেলফি তুলেছেন, কেউ লাইভে যুক্ত হয়েছেন।
সরেজমিনে
গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা বাস, ট্রাক, মিনি
ট্রাক ও মাইক্রোবাসে করে দলে দলে ৩০০ ফিট এলাকায় এসে জড়ো হচ্ছেন। কুমিল্লা, সিলেট,
রাজশাহী, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষের ঢল নেমেছে।
মন্তব্য করুন


এশিয়ান
নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনসের (আনফ্রেল) একটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
আজ
বুধবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাত সদস্যের
সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন রোহানা হেট্টিয়ারাচ্ছি ।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল বীর
শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা আজ বৃহস্পতিবার (২১
নভেম্বর) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে
এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
এসময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি
চৌকস দল প্রধান উপদেষ্টাকে সালাম জানান। এসময়
বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।
প্রধান উপদেষ্টা সেখানে রাখা দর্শনার্থীদের বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে শিখা অনির্বাণে পৌঁছলে সেখানে
তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অধ্যাপক ইউনূসকে
স্বাগত জানান।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে সেনা,
নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং তারা পাকিস্তানি হানাদার
বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক হামলা চালায়।
স্বাধীনতার পর থেকে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে
প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
মন্তব্য করুন


কৃষি
ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)
বলেছেন, মিনি
কোল্ড স্টোরেজ কৃষকের ক্ষতি কমাবে। শীত মৌসুমে দেশে প্রচুর সবজি উৎপাদিত হয়, যা সংরক্ষণের
ব্যবস্থা না থাকায় পঁচে যাওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মিনি কোল্ড স্টোরেজে সবজি
সংরক্ষণ করা যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আজ
বুধবার (২৭ আগস্ট) মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের
মেদুলিয়া এলাকায় ফার্মারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে
কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান,
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলমসহ সরকারি বিভন্ন
দপ্তরের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কৃষি
ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন,
মধ্যস্বত্বভোগীরা কৃষি সিন্ডিকেট করে বড় বড় বিল্ডিংয়ের মালিক হচ্ছেন। কৃষকরা
কুঁড়ে ঘরেই থাকতে হচ্ছে। ফার্মারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ কেবল ফসল সংরক্ষণ নয়, বরং কৃষি
অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে এ প্রকল্পকে আরো
সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের হাতে প্রযুক্তি পৌঁছে
দেওয়া হবে। মানিকগঞ্জে
গাজর, শীতকালীন
সবজি বেশি উৎপাদন হয়। এই ব্যবস্থায় কৃষক,
ভোক্তারা সরাসরি উপকৃত হবেন। এ মিনি কোল্ড স্টোরেজ পরে আরো বাড়ানো হবে।
প্রয়োজনে কৃষকরা নিজেরাও বাড়িতে তৈরি করে নিতে পারবেন অল্প খরচে। নকল ও ভেজাল
বীজের ব্যাপারে উপদেষ্টা বলেন,
‘নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর
আগে উপদেষ্টা কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। এসময় খাল বেদখল, বিদ্যুৎ
সংযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগ শোনেন এবং এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট
দপ্তরকে নির্দেশ প্রদান করেন।
কৃষি
জমি যাতে অন্য খাতে ব্যবহার না হয়,
সেজন্য আগামী ৫ থেকে ৬ মাসের মধ্যেই কৃষি জমি সুরক্ষা আইন পাশ করা হবে জানিয়ে
উপদেষ্টা বলেন, ‘শিল্প
কারখানা ও অন্যান্য অবকাঠামোর জন্য আলাদা জমি থাকবে। সড়ক অধিগ্রহণের সময় সড়ক বিভাগ
জমির মালিককে তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দিলেও এলজিইডি কোনো অর্থ দেয় না। নতুন আইন প্রণয়ন
হলে এলজিইডির প্রকল্পেও ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা তিনগুণ ক্ষতিপূরণ পাবেন।
মন্তব্য করুন


ভূমধ্যসাগর দিয়ে নৌকাযোগে ইউরোপ যাত্রাকালে তিউনিসীয় উপকূলে অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া নয়জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ত্রিপোলিতে থাকা দূতাবাস জানায়, লিবিয়া উপকূল থেকে ৫২ জনের একদল অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগরপথে ইউরোপ যাত্রাকালে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তিউনিসিয়া উপকূলে তাদের বহনকারী নৌকাটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
পরে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী নৌকাটি থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে। জীবিত ফিরিয়ে আনে ৪৩ জনকে।
আর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর মারা যাওয়া নয়জনের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
দূতাবাস আরো জানায়, উদ্ধারকৃত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দূতাবাস তিউনিসিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং আইওএমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। এছাড়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎপূর্বক তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে দূতাবাসের একটি টিমকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিউনিসিয়া পাঠানোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।
পাশাপাশি দূতাবাস বলছে, আইওএমের তথ্যমতে বিভিন্ন দেশের উপকূল হতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ গমনের চেষ্টাকালে ২০২৩ সালে তিন হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন এবং নিখোঁজ হয়েছেন।
সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশ অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় লিবিয়া ও তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী তাদের নজরদারি জোরদার করেছে। ফলে বর্তমানে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপযাত্রা অত্যন্ত বিপদজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ।
ঝুঁকি নিয়ে এভাবে ইউরোপযাত্রা না করতে বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সতর্ক করেছে দূতাবাস।
এছাড়া লিবিয়ায় কর্মরত-বসবাসরত প্রবাসীদের বর্ণিত বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থানরত তাদের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদেরও সতর্ক করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
মন্তব্য করুন