

ঢাকার ভোটার হচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। এরই মধ্যে ভোটার তালিকায় তার নাম
অন্তর্ভুক্তির জন্য তথ্য সংগ্রহ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভোটার
তালিকা হালনাগাদকালে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে ডা. জুবাইদা রহমানের তথ্য
সংগ্রহ করা হয়। গত ৬ মে লন্ডনে চিকিৎসা শেষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেশে
ফিরলে তার সঙ্গে পুত্রবধূ জুবাইদাও আসেন। পরে ঢাকায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য ঈদুল
আজহার আগে তার ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন ইসির কর্মকর্তারা।
৫ জুন জুবাইদা লন্ডন ফিরে যান।
আজ সোমবার (২৩ জুন) ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ
সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এবারের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে
জুবাইদার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
ওয়ান-ইলেভেনে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের
আমলে ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। সে সময় তারেক
রহমান ও জুবাইদা রহমান লন্ডনে ছিলেন। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে বাংলাদেশ
ছেড়েছিলেন এই দম্পতি। এরপর তারা দেশে আসেননি।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, তথ্য সংগ্রহ
ও নিবন্ধন কার্যক্রম হলেও চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হবে পুরো হালনাগাদ
কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর। আইন অনুযায়ী হালনাগাদ কার্যক্রম শেষে আগামী বছরের ২ জানুয়ারি
খসড়া ভোটার তালিকা এবং ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তবে ফেব্রুয়ারিতে
নির্বাচন হলে ভোটার তালিকা আইন সংশোধন করে এর আগেই তালিকা চূড়ান্ত করার চিন্তা আছে
ইসির।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের নীরব সঙ্গী গৃহকর্মী
ছিলেন ফাতেমা বেগম। এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছায়ার মতো খালেদা জিয়ার
পাশে ছিলেন তিনি। সেই ছায়াসঙ্গী ফাতেমাকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
রাজনীতির
ইতিহাসে যেখানে নেতা, আন্দোলন, ক্ষমতা ও কারাগারের গল্প বারবার উঠে আসে। সেখানে অনেক
সময় আড়ালে থেকে যায় কিছু নীরব মুখ। আলোয় না থেকেও যারা ইতিহাসের সাক্ষী হন। বেগম খালেদা
জিয়ার জীবনে সেই নীরব সাক্ষীর নাম ফাতেমা বেগম।
দেড়
দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহকর্মীর পরিচয় ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালেদা জিয়ার একান্ত
সঙ্গী। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ সময়, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত
কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর সবখানেই নিঃশব্দে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
ফাতেমা
বেগমের জন্ম ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহ-মাদার গ্রামে। রফিকুল ইসলাম ও মালেকা
বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন জ্যেষ্ঠ। অল্প বয়সেই সংসারের দায়িত্ব
কাঁধে নিতে হয় তাকে। একই ইউনিয়নের কৃষক মো. হারুন লাহাড়ির সঙ্গে বিয়ের পর মেঘনা নদীর
চরে কৃষিকাজ করেই চলছিল সংসার।
তাদের
সংসারে জন্ম নেয় মেয়ে জাকিয়া ইসলাম রিয়া ও ছেলে মো. রিফাত। তবে ২০০৮ সালে ছেলের বয়স
মাত্র দুই বছর থাকতেই অসুস্থ হয়ে মারা যান তার স্বামী। এক মুহূর্তে বদলে যায় জীবনের
পথচলা। দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ফিরে যান বাবার বাড়িতে। কিন্তু মুদি দোকানি বাবার সামান্য
আয় সংসারের ব্যয় মেটাতে না পারায় কঠিন সিদ্ধান্ত নেন ফাতেমা। সন্তানদের গ্রামে রেখে
কাজের খোঁজে ঢাকায় পাড়ি জমান।
২০০৯
সালে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি কাজ পান বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে। সেখান
থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সহযাত্রা। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক নেত্রীর দৈনন্দিন
জীবনের নীরব সাক্ষী হয়ে ওঠেন তিনি। বাথরুমে নেওয়া–আসা, ওষুধ খাওয়ানো, শারীরিক দুর্বলতায়
হাত ধরে রাখা এসব কাজ তার কাছে শুধু দায়িত্ব ছিল না, ছিল সম্পর্কের দায়।
২০১৪
সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচির সময় গুলশানের বাসভবনের সামনে
বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে পথ অবরুদ্ধ করা হয়। গাড়িতে উঠেও বেরোতে না পেরে ফিরোজার দোরগোড়ায়
দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন খালেদা জিয়া। পুলিশের চাপের মধ্যে শরীরের ভার সামলাতে
না পারার মুহূর্তে নীরবে তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন ফাতেমা। ক্যামেরার ফ্রেমে
ধরা পড়ে যায় সেই মানবিক দৃশ্য।
২০১৮
সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতের রায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে আইনজীবীরা আবেদন করেন,
তার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম যেন সঙ্গে থাকতে পারেন। আদালতের অনুমতিতে ছয় দিন পর তিনি
নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই
স্বেচ্ছায় হয়ে ওঠেন কারাবন্দি।
২০২১
সালের এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৩ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া।
যখন মহামারির ভয়ে প্রিয়জনের কাছেও যেতে মানুষ দ্বিধায় ছিল, তখন ফাতেমা ছিলেন অবিচল
সেবিকা হয়ে, সাহস হয়ে, ছায়া হয়ে।
সবশেষ
লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার সময়ও খালেদা জিয়ার সঙ্গেই ছিলেন তিনি। আগের বিদেশ সফরগুলোতেও
নীরবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফাতেমা
বেগম কোনো রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না, কোনো পদও ছিল না। তবু ইতিহাসের কঠিন মুহূর্তগুলোতে
তার উপস্থিতি ছিল অবিচ্ছেদ্য। তিনি প্রমাণ করে গেছেন সব সম্পর্ক ক্ষমতার নয়, কিছু সম্পর্ক
শুধু দায়িত্ব আর মানবিকতার। রাজনীতির কোলাহলের ভিড়ে তিনি ছিলেন এক নীরব নাম। কিন্তু
সেই নীরবতাই তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৫ বছর যেমন আমাদের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার
কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন আবার একটি দল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আপনাদের চোখ-কান খোলা
রাখতে হবে। আপনাদের ভোটের অধিকার কেউ যেন কেড়ে নিতে পারে না পারে।
ভোটের
দিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কাজ ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজরের নামাজের জামাত আদায় করবেন।
এদেশের জনগণের সঠিক সিদ্ধান্তের ওপর আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। আমরা
যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
রোববার
(২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান
অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি
আরও বলেন, বিগত স্বৈরাচারদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করলে জনগণের লাভ হবে না, সুতরাং
যেভাবে জনগণের লাভ হয় আমরা সেই কাজগুলো করব। ধানের শীষকে নির্বাচিত করে দুর্নীতির
লাগাম টেনে ধরতে হবে। ধানের শীষ সরকার গঠন করতে পারলেই আমরা খালেদা জিয়া, শহীদ জিয়ার
কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে পারবো। যাতে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
তারেক
রহমান বলেন, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর এলাকার মানুষের ওপর বিএনপির একটা হক আছে
মানুষেরও একটু হক আছে। খালেদা জিয়া এলাকার সন্তান এলাকার মেয়ে স্বাভাবিকভাবে ধানের
নির্বাচনে খালেদা জিয়ার সম্মান বৃদ্ধি পাবে। সবাই মিলে খালেদা জিয়ার সম্মান আসমানে
তুলে ধরবেন ইনশাল্লাহ। আসুন আমরা ১২ তারিখে গণতন্ত্রকে পুরো প্রতিষ্ঠিত করি। নির্বাচিত
জনপ্রতিনিধি থাকে এলাকার সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে।
গত
১৫ বছর পর সারা দেশে কোনো সত্যিকার অর্থে জানা প্রতিনিধি ছিল না, জনগণের প্রতিনিধি
ছিল না। এজন্য দেশের এই অবস্থা কিছু সংখ্যক মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে ৯৮ শতাংশ
মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা হয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত
হলেও জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আপনাদের সহযোগিতা
প্রয়োজন। করব কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে আমরা
এলাকার মানুষের জন্য কাজগুলো শুরু করতে পারব। এদেশে আমাদের প্রথম ঠিকানা আমাদের শেষ
ঠিকানা থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার
অতিরিক্ত মেট্রো রেল চলাচল করবে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড এক বিজ্ঞপ্তির
মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়ছে।
ডিএমটিসিএল
তাদের বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সম্মানিত যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণের
সুবিধার্থে আগামীকাল ৩১ ডিসেম্বর (বুধবার) ডিএমটিসিএল নিয়মিত সময়সূচির অতিরিক্ত বিশেষ
মেট্রো ট্রেন সার্ভিস পরিচালনা করবে।
বিএনপির
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর দুপুর ২টায় সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয়
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার মাঠ এবং মানিক মিয়া এভিনিউসংলগ্ন এলাকায় জানাজা অনুষ্ঠিত
হবে।
জানাজা
শেষে ‘জিয়া উদ্যানে’ জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে তাকে শায়িত
করা হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে
তার স্বামী এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে দাফন করা হয়েছে।
বুধবার
(৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে তাকে জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে সমাহিত করা হয়।
এর
আগে বিকেল ৩টার পর পূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত
হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক তার জানাজা নামাজ পড়ান।
বেগম
জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী,
তিন বাহিনীর প্রধান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূতরা,
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও শীর্ষ নেতারা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের
প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সে
সময় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের আশপাশ, বিজয় সরণি, খামার বাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট,
শাহবাগ, মোহাম্মদপুর পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। যে যেখানে পারেন সেখানেই দাঁড়িয়ে
জানাজায় যোগ দেন। জানাজার আগে বেগম জিয়ার দীর্ঘ জীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
পরে
পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে কথা বলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আপনারা
আমার মরহুমা মায়ের জন্য দোয়া করবেন। কারও কাছে আম্মার কোনো ঋণ থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ
করবেন। আমি পরিশোধ করবো। কেউ আমার মায়ের আচরণে বা কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে তার পক্ষ থেকে
আমি ক্ষমাপ্রার্থী। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
এদিন
দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনের
দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হয়। তাকে বহন করা হয় লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি
ফ্রিজার ভ্যানে। সেনাবাহিনী হিউম্যান চেইন তৈরি করে রাষ্ট্রীয় প্রোটোকলে তার মরদেহ
সেখানে নেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এই বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
এ বিষয়ে দায়িত্বরত (বিজিবি) কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ০২ প্লাটুন (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। ০১ প্লাটুন হাসপাতালের গেটে দায়িত্ব পালন করছে। আরেক প্লাটুন টহলে রয়েছে।’
গত সোমবার রাতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা ও দলীয় নেতা–কর্মীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ব্যারিকেড বসায়। তারপরও আজ (০৩ ডিসেম্বর) বুধবার সকাল থেকেই হাসপাতালের সামনে নানা এলাকা থেকে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী এসে জড়ো হয়েছেন। ব্যারিকেডের বাইরে নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থান করছেন তারা। হাসপাতালের সামনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেকে বলেন, ভিড় এড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু তাদের মন সায় দেয়নি। উদ্বেগ আর টানাপোড়েন সামলে তারা ছুটে এসেছেন হাসপাতালে।
উল্লেখ্য, ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেদিন তার অনেক শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছিল। দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার চিকিৎসা শুরু হয়। অবস্থার অবনতি হলে ০২ দিন আগে তাকে হাসপাতালের কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ০২ মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ০২ বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন সরকার নির্বাহী আদেশে তার সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ০৬ মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার। যদিও চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক
মীর আরশাদুল হক বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় গুলশানের চেয়ারপারসন
কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন তিনি। বিএনপির
মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন মীর আরশাদুল
হক।
গত
২৫ ডিসেম্বর সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, এনসিপির সব দায়িত্ব ও পদ থেকে নিজেকে
প্রত্যাহার করছেন এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে
অংশ নিচ্ছেন না।
মীর
আরশাদুল হক এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব, নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া
সেল ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি তিনি পরিবেশ সেলের প্রধান এবং চট্টগ্রাম
মহানগরের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পদত্যাগপত্রে
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এনসিপির যাত্রা শুরু হলেও গত
১০ মাসে দলটি সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।
দল
ও নেতৃত্ব ভুল পথে রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তাই এনসিপির সঙ্গে আর কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক
রাখছেন না বলেও জানান।
পোস্টে
তিনি আরো লেখেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখলেও
বাস্তবে তা পূরণ হয়নি। গণ-অভ্যুত্থানে বিপুল আত্মত্যাগের পরও দেশে শান্তি ও ন্যায্যতা
প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন।
রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বন্যাদুর্গতদের সহায়তার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদানের চেক তুলেন দেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
পাশাপাশি চীনা রেড ক্রসও বাংলাদেশের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের মানবিক সহায়তা প্রদান করবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করায় চীনা নেতা এবং জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবুজ অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে চীনের কিছু সোলার প্যানেল কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত এবং আমি আশাবাদী যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণ সফল হবে।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেন, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও বাংলাদেশের কৌশলগত এবং সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বের সম্পর্ক উচ্চ শিখরে রয়েছে এবং উভয় দেশ আগামী বছর তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বছর উদযাপন করবে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বেইজিং ও ঢাকার মধ্যে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন সোলার প্যানেলের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, তবে রপ্তানি বাজারে ক্রমবর্ধমান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তিনি উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান।
ইয়াও ওয়েন বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা কবলিত অঞ্চলে অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে চীনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
বৈঠকে ড. ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিক, আর্থিক ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন।
প্রধান উপদেষ্টা চীনে তার স্মৃতি স্মরণ বলেন, চীনের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে এবং অনেক তরুণ ত্রি-জিরো ক্লাব গঠন করেছে। এসব ক্লাবের সদস্যরা দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি দুই দেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং জনগণের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত ড. ইউনূসকে তার সুবিধাজনক সময়মতো চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা সন্ধিক্ষণ পার করছে, তবে বাংলাদেশের জনগণ এই চ্যলেঞ্জ অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুই ছাত্র প্রতিনিধি আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ
আলম পদত্যাগ করেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক
করে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এই তথ্য বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে,
এই দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
আজ
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় এ বিষয়ে ব্রিফিং করা হবে।
গত
বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে
অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই সরকারে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের
প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন জায়গা পান। এর মধ্যে নাহিদ ইসলাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
পান।
আসিফ
মাহমুদ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণায়ের দায়িত্ব পান। পরে উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনে
আসিফ মাহমুদকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া
হয়। অন্যদিকে মাহফুজ আলম শুরুতে উপদেষ্টা পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
হন। পরে উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনে আসিফ মাহমুদ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে নতুন রাজনৈতিক
দল এনসিপির দায়িত্ব নেন নাহিদ ইসলাম। পরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মাহফুজ আলম।
তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য সময় ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ
মাহমুদ ও তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম শিগগিরই পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন আলোচনা
চলছিল।
আজ
বিকেলে ডাকা জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ জানান, তিনি নির্বাচন করবেন। তবে কোথা
থেকে বা কোন দলের হয়ে নির্বাচন করবেন সে বিষয়ে স্পষ্ট করেননি। পদত্যাগের বিষয়ে সাংবাদিকদের
প্রশ্নে আসিফ মাহমুদ জানান, এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পুলিশ কোনো
রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা জনগণের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মচারী। পুলিশ
বাহিনীর মূল দায়িত্ব জনগণের সেবা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা।
আজ
রোববার ( ১৮ জানুয়ারি ) রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে বিসিএস ব্যাচের সহকারী
পুলিশ সুপারদের (এএসপি) সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব
কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল
শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু
ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি
আরও বলেন, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ১ লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ
দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় শতভাগ নিরপেক্ষ থাকতে হবে এবং কোনো অনৈতিক
সুবিধা বা আপ্যায়ন গ্রহণ করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে রিটার্নিং
অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী তা কঠোরভাবে দমন করতে হবে।
পেশাগত
জীবনে নানা চাপ ও সমালোচনা আসতে পারে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সততা ও
দেশপ্রেম থাকলে কোনো কিছুই দায়িত্ব পালনে বাধা হতে পারে না। জনগণের আত্মত্যাগ ও ভবিষ্যৎ
প্রজন্মের প্রত্যাশাকে ধারণ করে দুর্নীতি ও পক্ষপাতমুক্ত একটি মানবিক, সাহসী ও গৌরবময়
পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
কুচকাওয়াজ
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি, পুলিশের মহাপরিদর্শক
(আইজিপি) বাহারুল আলম ও বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ তওফিক মাহবুব চৌধুরী উপস্থিত
ছিলেন।
প্রশিক্ষণ
সমাপনী কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ
সুপার ধীমান কুমার মন্ডল। দীর্ঘ প্রশিক্ষণের কৃতিত্বের অংশ হিসেবে বেস্ট প্রবেশনার
হওয়ার গৌরব অর্জন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।
বেস্ট
একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী আরিফ, বেস্ট
ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সজীব
হোসেন, বেস্ট হর্সম্যানশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ
উদ্দীন আহমেদ এবং বেস্ট শ্যুটার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার
সালমান ফারুক। তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
গত
বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৪১তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের ৯৬ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ
সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করলেন।
কুচকাওয়াজে
৪১তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের ৮৭ জন ছাড়াও ২৮তম বিসিএস ব্যাচের একজন, ৩৫তম বিসিএসের তিনজন,
৩৬ তম বিসিএসের একজন, ৩৭তম বিসিএসের দুইজন এবং ৪০তম বিসিএসের দুইজন প্রশিক্ষণার্থী
সহকারী পুলিশ সুপার অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন