

ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী হুমায়রা হিমু আর নেই। জানা গেছে,তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসান। বর্তমানে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে রয়েছে অভিনেত্রীর মরদেহ।
লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হুমায়রা হিমু অভিনয় জগতে পা রাখেন মঞ্চনাটকের মাধ্যমে ।
২০০৬ সালে টেলিভিশন নাটক ছায়াবীথি-তে প্রথম অভিনয় করেন। একই বছর পিআই (প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর) নামে একটি টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেন। তারপর বাড়ি বাড়ি সারি সারি, হাউজফুল, গুলশান এভিনিউ সহ অনেক জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি।
ছোট পর্দার পাশাপাশি হিমু নাম লিখিয়েছেন চলচ্চিত্রেও। ২০১১ সালে আমার বন্ধু রাশেদ সিনেমার মাধ্যমে এই ভুবনে তার অভিষেক হয়। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ চলচ্চিত্রে অরু চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসা কুড়ান তিনি।
দেওয়ান নাজমুল পরিচালিত তোরে কত ভালোবাসি শিরোনামে একটি চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছেন হিমু। সাওতালদের নিয়ে গড়ে উঠেছে এর গল্প। এ চলচ্চিত্র এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ট্রান্সজেন্ডার
বিষয়ভিত্তিক ‘রূপান্তর’ নাটকটি পরিচালনা করেছেন রাফাত মজুমদার রিংকু। নাটকটির অভিনেতা
জোভানসহ ছয়জনের নামে মামলা করা হয়েছে।
নোয়াখালীর
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট
কাউসার উল জিহাদ বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। তাতে ‘রূপান্তর’ নাটকের অভিনেতা-অভিনেত্রী,
পরিচালকসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
গত
মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) ইউটিউব চ্যানেল একান্ন মিডিয়া থেকে নাটকটি সরিয়ে ফেলার পর এ বিষয়ে
কথা বলেছিলেন নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু। তার মতে, দর্শকরা নাটকটির কনসেপ্ট হয়ত
বোঝেননি। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক কিছুই দেখছি। আসলে বিষয়টি
নিয়ে আমি কিছু মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।
তুমুল
সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান ও অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি।
দর্শকদের
অভিযোগ, রাফাত মজুমদার রিংকু পরিচালিত এ নাটকটিতে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ ইস্যুকে প্রমোট
করা হয়েছে। এ কারণে গত তিনদিন ধরে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা জোভানকে অনলাইনে তুলোধোনা
করছেন নেটিজেনরা।
এছাড়া
জোভান ও সামিরা খান মাহি দুইজনের ফেসবুক পেজ গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। জোভানের ১৯ লাখ
ও মাহির ২৪ লাখ ফলোয়ারের পেজটি আর ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
‘রূপান্তর’
নাটকটি ইউটিউবে প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয় সমালোচনা। অসংখ্য পোস্ট ও লক্ষাধিক প্রতিক্রিয়া
আসে নাটকটির বিরুদ্ধে। তীব্র সমালোচনায় পড়ে নাটকটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
অভিনেতা
জোভান বলেন, আমি বুঝতে পারছি না, নাটকটি নিয়ে কেন এমন সমালোচনা করা হচ্ছে। নাটকটির
ভিউ হয়েছিল নব্বই হাজার। তাহলে বাকি মানুষ তো দেখেননি! আমার মনে হয়, তারা না দেখেই
সমালোচনা করছেন। বিষয়টি নিয়ে আমি ঘোরের মধ্যে আছি। বুঝতে পারছি না কী হচ্ছে। যেহেতু
মানুষ পছন্দ করছে না সেহেতু এসব আর করা যাবে না। এরপর থেকে এগুলো আর করব না।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি, মাতৃকালীন ছুটি কাটিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে একের পর এক কাজের খবর দিচ্ছেন তিনি।
প্রথমবারের মতো কলকাতার সিনেমায় কাজ করছেন পরীমণি। সিনেমার নাম ‘ফেলুবকশি’। এই সিনেমার মাধ্যমেই কলকাতায় শুরু পরীমণির নতুন ইনিংস। কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা সোহমের বিপরীতে কাজ করছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) থেকে সিনেমাটির প্রথম ধাপের শুটিং শুরু হয়েছে। শুটিংয়ে অংশ নিতে একদিন আগেই কলকাতা উড়ে গেছেন এই অভিনেত্রী। কলকাতার প্রথম সিনেমার জন্য দোয়াও চেয়েছেন তিনি।
পরীমণি বলেছেন, আগে থেকেই কলকাতার সিনেমাতে কাজের প্রতি লোভ ছিল। আমার মনে হয়েছে, তাদের কাজগুলো অনেক গোছানো হয়। শুটিংয়ের আগে–পরে কাজের দারুণ জার্নিও হয়। ফলে কাজটি সুন্দরভাবে শেষ হয়ে মুক্তি পায়। গত বছর ওখানে পুরস্কার গ্রহণকালে বলেছিলাম, কলকাতায় কাজ করতে চাই, এরপর থেকেই আমার হাতে চিত্রনাট্য আশা শুরু হয়। মনে হয়েছে, এটি দিয়ে শুরু করা যায়। এভাবেই শুরু।
জানা যায়, থ্রিলার গল্পে নির্মিত হচ্ছে ‘ফেলুবকশি’। পরীমণির চরিত্রের নাম লাবণ্য, রহস্যময় এক চরিত্র। শুটিংয়ের আগে তিনি পাঁচ দিনের গ্রুমিং ক্লাসে অংশ নেন। এর ফাঁকে কলকাতায় একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিংও করেন পরীমণি।
অন্যদিকে, নির্মাণ কাজ শেষের দিকে পরীমণি অভিনীত নির্মিতব্য ‘ডোডোর গল্প-Story of Dodo’ সিনেমার কাজ। অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ প্রযোজিত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন রেজা ঘটক। সিনেমায় পরীর বিপরীতে আছেন সাইমন সাদিক।
মন্তব্য করুন


২২ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার ঢাকার শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানটি করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব সরদার এ রাজ্জাকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রফেসর ডাঃ সরদার এ নাঈম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সুইড বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাহবুবুল মনির। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সেক্রেটারী জেনারেল বৈশাখী সমাদ্দার বানী।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইন্টারন্যাশনাল ডিজ্যাবিলিটি অ্যালায়েন্স (IDA) এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি জনাব অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম সিদ্দিকী, জাতীয় তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার বশির আল হোসাইন এনডিডি ট্রাস্টের ট্রেনিং কনসালট্যান্ট ডঃ মারুফ আহমেদ মৃদুল,ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের পরিচালক শাহানাজ পারভীন চৌধুরী প্রমুখ।
ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার আহমাদ ইবনে সালেহ এর সঞ্চালনায় এতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক উত্তম হাওলাদার। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মঙ্গোলিয়ান অভিনেতা কর্তৃক অভিনীত আন্তর্জাতিক পুরস্কার চলচ্চিত্র The TRIO Movie এই অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হয়। এশিয়া প্যাসিফিক ডাউন সিনড্রোম ফেডারেশনের অন্যতম সদস্য দেশ মঙ্গোলিয়ার ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অভিনেতার অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি বিশ্বের বেশ কয়েকটি পুরস্কার লাভ করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন এবং প্রদর্শিত চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুইড বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাহবুবুল মনির বলেন ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি বাংলাদেশে সকল উদ্যোগে সাইটসেভার্স পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে। ২২ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র অভিনেতা কর্তৃক অভিনীত সেরা চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব সরদার এ রাজ্জাক ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের আমন্ত্রণে সাড়া দেয়ায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ এদেশে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর কল্যাণে সমতার বাংলাদেশ গড়তে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অভিনেতার অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে চমৎকার নৃত্যশৈলী প্রদর্শন করে ডাউন সিনড্রোম ড্যান্স সেলিব্রিটি দল।
মন্তব্য করুন


বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ কাভি এবার আরও চমকপ্রদ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর একসময় তার স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছিল।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ হয় এবং ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সে সময় করিনার বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কাভির বক্তব্য অনুযায়ী, শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানদের হিন্দু নারীদের বিয়ে করার সুযোগ রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী তিনি কারিনা কাপুরকে নিকাহ করেছিলেন। তিনি বলেন, “কারিনা কাপুর আমার স্ত্রী ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের ভাবি ছিলেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেঠ শাহিদ’ নামটি কারিনাকে প্রভাবিত করেছিল এবং সে সময় তিনি বড় তারকা না হওয়ায় তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল।
মুফতি কাভির আরও বক্তব্য, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেটিকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। এর পেছনে কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন—কারিনা তার নিকাহে ছিলেন বলেই তিনি প্রকাশ্যে ওই বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
পডকাস্টে কাভি আরও বলেন, এখনো যদি অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তবে তিনি প্রস্তুত।
তবে কারিনা কাপুরকে স্ত্রী দাবি করলেও, তাদের মধ্যে কখন ও কীভাবে তালাক হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি কাভি।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
অভিনেত্রী তানজিন তিশা ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট নাটক উপহার দিয়েছেন। পাশাপাশি সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয়।
আর
এবার শোনা যাচ্ছে, শিগগিরই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে কলকাতায় পাড়ি জমাচ্ছেন অভিনেত্রী তানজিন
তিশা। গণমাধ্যমে বিষয়টি অভিনেত্রী তিশা নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
অভিনেত্রী
তিশা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই টালিউডের বিভিন্ন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও নির্মাতার কাছ থেকে
প্রস্তাব পাচ্ছিলাম। কিন্তু ব্যাটে-বলে না মেলায় কাজ করা হয়নি। কখনও শিডিউল নিয়ে জটিলতা
হয়েছে আবার কখনও গল্প কিংবা নির্মাতা পছন্দ হয়নি। এবার সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। আমিও
সম্মতি দিয়েছি কাজ করার জন্য। নির্মাতা কে, আমার সঙ্গে কে অভিনয় করবেন, সেটা এখনই বলছি
না। তবে এতটুকু বলতে পারি, চলতি বছরই পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় আমাকে দেখতে পাবেন দর্শক।
জানা
যায়, কয়েক বছর ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতার সিনেমায় যুক্ত হচ্ছেন অভিনেত্রী তিশা। মূলত
বেশ কয়েকবার কলকাতায় যাওয়া-আসায় গুঞ্জনটি ছড়িয়েছিল। তবে এতে ব্যাপক খুশিই হয়েছিলেন
অভিনেত্রীর ভক্তরা।
মন্তব্য করুন


বিদিপ্তা
চক্রবর্তী ওপার বাংলার শোবিজ অঙ্গনের পরিচিত মুখ। তিনি নাটক থেকে সিনেমা সকল জায়গাতেই
অভিনয়ের ছাপ ফেলেছেন। ব্যক্তিজীবনে পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তকে বিয়ে করেছেন বিদিপ্তা।
বিদিপ্তার
শাশুড়ি ওপার বাংলার জনপ্রিয় সঞ্চালিকা চৈতালী দাশগুপ্ত। বিরসার সঙ্গে বিয়ের অনেক আগে
থেকেই শাশুড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল তার। এক সাক্ষাৎকারে সেটাই জানালেন এই অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী
বিদিপ্তা বলেন, তাদের বাড়িতে আমার যাতায়াত ছিল। তখন তো বিরসাকে (বর্তমান স্বামী) ছোট
দেখেছি। হয়তো কখনও গালও টিপে দিয়েছি আদর করে, ঠিক মনে নেই। স্বামীর চেয়ে বয়সে প্রায়
৭ বছরের বড় তিনি। কিন্তু বয়সের এই ফারাক কোনোদিন তাদের সম্পর্কে বাধা হয়নি।
তবে
বিরসাকে বিয়ের আগেই বিবাহিত ছিলেন বিদিপ্তা। প্রথম সংসারে একটি কন্যা সন্তানও ছিল বিদিপ্তার।
কিন্তু সেই সংসার টেকেনি। ডিভোর্সের পর মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন অভিনেত্রী বিদিপ্তা।
তখনই বিরসা দাশগুপ্তের সঙ্গে পরিচয়। ২৫ বছর বয়সী বিরসার তখন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙেছিল।
আমিও বিচ্ছেদ নিয়ে ভেঙে পড়েছিলাম। একটা সময়ে দুজনের সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। আমাদের
পরিবারও বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
অভিনেত্রীর
শাশুড়ি চৈতালী দাশগুপ্ত বলেন, বন্ধু কখন বউমা হয়ে গেল, সেটা একদম চমকপ্রদ গল্প।
মন্তব্য করুন


৩৩০
কোটি টাকার মালিক এই স্টারকিড! বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তানের তকমা পেয়ে গেছে
ছোট্ট রাহা কাপুর! আর সে স্টারকিড হচ্ছে ‘রণলিয়া’ খ্যাত
দুই বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের একমাত্র মেয়ে।
কিন্তু
কীভাবে এতো অর্থ জমা পড়েছে ছোট্ট মেয়ে রাহার অ্যাকাউন্টে?
আনন্দবাজার
পত্রিকার এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মুম্বাইয়ের পালি হিলস্
এলাকায় এক অ্যাপার্টমেন্টের ৯ তলায় থাকেন ‘রণলিয়া’
দম্পতি। এই আবাসনে আলিয়ারও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩২ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২ কোটি টাকা)। অন্যদিকে,
গত ৩ বছর ধরে বান্দ্রায় নিজেদের বাংলো তৈরি করছেন এই তারকা
দম্পতি। দাদা রাজ কাপুরের ‘কৃষ্ণা রাজ’ বাংলোকেই নতুনভাবে তৈরি করছেন তারা। কাজ প্রায় শেষ, খুব শিগগিরই নিজেদের স্বপ্নের বাড়িতে প্রবেশ করবেন রণবীর-আলিয়া।
আর
এই বাংলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫০ কোটি রুপি তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩০
কোটি টাকা। কারণ, শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ ও অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’র সমপরিমাণ বাজারমূল্য এই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোর।
বলিউডের
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, নিজেদের উপার্জনের অনেকটা অর্থই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোতে বিনিয়োগ করছেন ‘রণলিয়া’। আর বাংলোটি ইতোমধ্যেই মেয়ে রাহার নামে করে দিয়েছেন তারা। সে
হিসেবে রাহা কাপুরই এই মুহূর্তে বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তান।
মন্তব্য করুন


এশিয়া কাপের চলমান আসরে ফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখার লক্ষ্য নিয়ে সুপার ফোরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছে এই দু’দল। তাই এ ম্যাচের জয়ী দল ফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকবে। আর হেরে যাওয়া দলের ফাইনালে খেলার আশা কঠিন হয়ে যাবে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবুধাবিতে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় মাঠে নামবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সুপার ফোরে উঠেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হারে তারা। ভারতের কাছে দুঃস্মৃতি ভুলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই বলে জানান পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগা।
তিনি বলেন, ‘ভারত ম্যাচ অতীত। এখন আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ শ্রীলঙ্কা। এ ম্যাচে জিততেই হবে। ফাইনালে দৌড়ে ভালোভাবে টিকে থাকতে জয় ছাড়া অন্যকোনো পথ খোলা নেই। আমরা জয়ের জন্যই মাঠে নামব।’
২০২২ সালের এশিয়া কাপের পর আবারও টি-টোয়েন্টিতে দেখা হচ্ছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার। মাঝে টেস্ট ও ওয়ানডেতে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ২৩ ম্যাচ খেলে পাকিস্তান ১৩টিতে এবং শ্রীলঙ্কা ১০টিতে জিতেছে।
সুপার ফোরের ম্যাচে রাতে মাঠে নামছে পাকিস্তান, মোবাইলে দেখবেন যেভাবে
আজ হারলে বাংলাদেশের ওপর ‘নির্ভর’ করবে শ্রীলঙ্কার ফাইনাল খেলা!
২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে দু’বার দেখা হয়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার। দু’বারই জয় পেয়েছে লঙ্কানরা। সুপার ফোরে ৫ উইকেটে এবং ফাইনালে ২৩ রানে জিতেছিল তারা।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের কাছে হারের স্মৃতি ভুলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া শ্রীলঙ্কা। ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয় ছাড়া অন্য কিছুই ভাবছে না তারা। লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কা বলেন, ‘বাংলাদেশের কাছে হার ভুলে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আমরা এখন সবচেয়ে বেশি মনোযোগী। এ ম্যাচটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে জয়ের বিকল্প নেই।’
সুপার ফোরের পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস। অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করবে টফি। দর্শকরা টফি অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস) ব্যবহার করে মোবাইলে ম্যাচটি উপভোগ করতে হবে। এ ছাড়া টফি লাইভ ডট কম এবং স্মার্ট টিভি (অ্যান্ড্রয়েড টিভি, স্যামসাং টাইজন ও এলজি ওয়েবওএস)-এর মাধ্যমেও ম্যাচটি দেখা যাবে।
মন্তব্য করুন


দুরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান দেশের গুণী ও জনপ্রিয়
অভিনেতা অলিউল হক রুমি। সোমবার (২২ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসাপাতালে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর নিশ্চিত করা তথ্য হতে আরো জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কোলন
ক্যানসারে ভুগছিলেন এই অভিনেতা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে অভিনেতাকে প্রথমে ভারতের
চেন্নাই নেয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসা শেষে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন
অভিনেতা।
কর্তব্যরত চিকিৎসক বলছেন, অভিনেতা রুমির শারীরিক অবস্থা প্রথমে স্থিতিশীল ছিল।
চিকিৎসাধীন হয়ে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তবে হঠাৎই অবস্থার অবনতি হতে শুরু
করে তার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন এই অভিনেতা ।
মৃত্যুর আগে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছিলেন অভিনেতা।
ক্যানসার জয় করে আগের মতো আবারও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে ক্যানসারের
কাছে হেরে গেলেন অভিনেতা।
১৯৮৮ সালে ‘এখন ক্রীতদাস’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয় জগতে যাত্রা শুরু হয় রুমির। নাটকে
জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০৯ সালে ‘দরিয়া পাড়ের দৌলতী’
সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে প্রথম বড় পর্দায় কাজ করেন।
মন্তব্য করুন


পৃথিবী
সফরের অংশ হিসেবে আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি।
তবে এই ঐতিহাসিক ট্রফি সবাই সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। কেবল কোকা-কোলার ‘আন্ডার
দ্য ক্যাপ’ প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি
ট্রফিটি দেখার এবং এর সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পাবেন।
কোকা-কোলার
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনটি শেষ হয়েছে ৮ জানুয়ারি। নির্দিষ্ট প্রোমোশনাল বোতল কিনে কিউআর
কোড স্ক্যান করা এবং ফিফা-থিমভিত্তিক কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ীরা এই এক্সক্লুসিভ পাস অর্জন
করেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলার ষষ্ঠ আসরের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় গত শনিবার সৌদি
আরবের রাজধানী রিয়াদে। কিংবদন্তি ইতালিয়ান ফুটবলার ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপজয়ী আলেসান্দ্রো
দেল পিয়েরো এই বিশ্বভ্রমণের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের
শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন ভিআইপিরা।
বিশেষ
ট্রফি ট্যুর বিমানে করে রিয়াদ বিমানবন্দরে পৌঁছে দেল পিয়েরো টারমাকে ফিফা বিশ্বকাপের
মূল ট্রফি উন্মোচন করেন। এরপর তিনি অংশ নেন একটি সংগঠিত ফুটবল ক্লিনিকে, যেখানে তরুণ
শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং বিভিন্ন ফুটবল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিশ্বকাপ ট্রফির
উপস্থিতি ও কিংবদন্তি ফুটবলারের সান্নিধ্যে শিশুদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
দিনব্যাপী
উৎসবের শেষ পর্বে রিয়াদের একটি বড় শপিং মলে সাধারণ দর্শকদের জন্য আয়োজন করা হয় পাবলিক
ফ্যান ইভেন্ট। সেখানে শত শত ফুটবলপ্রেমী ও গণমাধ্যমকর্মীর সামনে প্রদর্শন করা হয় ফিফা
বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ট্রফি।
ফিফা
বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করবে। পুরো সফর
চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে। এই বৈশ্বিক ট্রফি ট্যুরের মাধ্যমে বিশ্বের হাজারো ফুটবলপ্রেমী
জীবনে একবার কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবলের সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
ট্রফি
ট্যুরের সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি।
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও বিশ্বকাপের আবহে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ
পাবেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ২০২৬ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ-যুক্তরাষ্ট্র,
কানাডা ও মেক্সিকো-যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এবারের আসরে অংশ নেবে ৪৮টি
দল এবং অনুষ্ঠিত হবে রেকর্ডসংখ্যক ১০৪টি ম্যাচ।
এই
ট্রফি ট্যুরে ২০২৬ সালের তিন আয়োজক দেশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ফিফা বিশ্বকাপ ও ফিফা নারী
বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলো-মরক্কো, পর্তুগাল, স্পেন, সৌদি আরব ও ব্রাজিল-সফর করবে ট্রফি।
কোকা-কোলা’র
গ্লোবাল অ্যাসেটস, ইনফ্লুয়েন্সার ও পার্টনারশিপস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মিকায়েল
ভিনে বলেন, ফুটবল এমন একটি খেলা, যা ভাষা বা দেশের সীমারেখা ছাড়াই মানুষকে একত্রিত
করে। দুই দশক ধরে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা ফুটবলপ্রেমীদের খেলাটির
জাদুর সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফিফার
চিফ বিজনেস অফিসার রোমি গাই বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি খেলাধুলার জগতে সর্বোচ্চ সম্মানের
প্রতীক। কোকা-কোলার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের
বিশ্বকাপের উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফুটবল
ম্যাচ দেখার সময় যে আবেগ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়-সেই অনুভূতিগুলোকে উদযাপন করতেই
ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি বাংলাদেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রফির এই সংক্ষিপ্ত সফর হলেও
তা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন