

পৌষ
মাসের শেষ দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের সাকরাইন উৎসবে মেতে ওঠার দিন। এ উৎসবের মূল
আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো।
রবিবার
(১৪ জানুয়ারি) পৌষের শেষ দিন। ঐতিহ্যের আলোয় পৌষের শেষদিনকে রঙিন করতে মাতোয়ারা পুরান
ঢাকাবাসী। তাই উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার উৎসব। শিশু, তরুণ,
বৃদ্ধরা কিনছেন ঘুড়ি, নাটাই, সুতা। চলছে সুতায় মাঞ্জা দেওয়ার কাজ। পুরান ঢাকায় চলছে
ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। দোকানে দোকানে হরেক রকমের ঘুড়ি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রঙ-বেরঙের ঘুড়ি
আর নাটাই-সুতা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। বাজারে বিভিন্ন নামের ঘুড়ি পাওয়া
যাচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম- চোখদার, চশমাদার, কাউটাদার, লাভবার্ড, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি,
চক্ষুদার, ঈগল, সাদাঘুড়ি, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভঘুড়ি, তিন টেক্কা, মালাদার,
দাবা ঘুড়ি, বাদুড়, চিল, অ্যাংগ্রি বার্ডস হরেক রঙের ঘুড়ি। এসব নাটাই মিলবে ৫০০ থেকে
তিন হাজার টাকার মধ্যে। সেসব সুতার মধ্যে রক সুতা, ডাবল ড্রাগন, কিংকোবরা, ক্লাক ডেবিল,
ব্লাক গান, ডাবল গান, সম্রাট, ডাবল ব্লেট, মানজা, বর্ধমান, লালগান ও টাইগার অন্যতম।
জানা
যায়, রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে চলবে পিঠাপুলির উৎসব।
মন্তব্য করুন


দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। তবে এমন
অবস্থায় দেশের দুই বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দিনের তাপমাত্রা
বাড়বে বলেও আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী
৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানায়, সোমবার ও বুধবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই
সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে
আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে, যশোর
ও রাজশাহী জেলা ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ,
পাবনা ও নীলফামারী জেলাসহ খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে
যাচ্ছে। ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও বান্দরবান জেলাসহ
ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি
ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
আর আগামী বুধবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ
অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার
বিমানবন্দরে পাচারকালে ১০ হাজার ইয়াবাসহ যাত্রীবেশী এক নারীকে আটক করেছে বিমানবন্দরের
কর্মিরা।
রোববার
( ২১ জুন ) সকালে বিমানবন্দরে ঢাকাগামী যাত্রীদের ব্যাগসহ অন্যান্য মালামাল তল্লাশীর
সময় ওই যাত্রীর ব্যাগে ইয়াবা পাওয়া যায় বলে জানান, বিমানবন্দরটির ম্যানেজার মোহাম্মদ
গোলাম মুর্তুজা।
আটক
নারী জেসমিন আক্তার (৩৭) চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়নহাট এলাকার মৃত হারুন
মিয়ার মেয়ে।
বিমানবন্দর
কর্মিদের বরাতে গোলাম মুর্তুজা বলেন, সকালে কক্সবাজার থেকে নভোএয়ারের ঢাকাগামী প্রথম
ফ্লাইট (VQ-922) এর এক নারী যাত্রী বোর্ডিং পাস সংগ্রহের পর হোল্ড লাগেজ স্ক্যানিং
করা হচ্ছিল। এসময় বিমানবন্দর স্ক্যানিংয়ের দায়িত্বরত কর্মিরা লাগেজটিতে সন্দেহজনক বস্তুর
উপস্থিতির সংকেত পান। পরে যাত্রীর ল্যাপটপ ব্যাগের দুই পাশের শকপ্রুফ ফোমের ভেতরে বিশেষ
কৌশলে সেলাই করে রাখা সন্দেহজনক বস্তুগুলোর প্যাকেট বের করা হয়।
“ পরে ব্যাগের ভিতর থেকে বের করা প্যাকেটগুলো
খুলে পাওয়া যায় ৯ হাজার ৮২৫ টি ইয়াবা। এসময় ঘটনাস্থলেই ব্যাগটি বহনকারি ওই নারী যাত্রীকে
আটক করা হয়। “
উদ্ধার
করা ইয়াবাসহ আটক নারীকে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে
বলে জানান বিমানবন্দরের এ ম্যানেজার।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা
জানিয়েছেন নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে হবে।
আজ
শনিবার (২৪ মে) রাত সাড়ে ১০টায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিনটি রাজনৈতিক দলের
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া ও ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস
সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দল প্রধান উপদেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা
অনুরোধ করেছে— নির্বাচন শেষ না
করে তিনি যেন পদত্যাগ না করেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচনের বিষয়ে এনসিপি ও জামায়াত দ্বিমত
পোষণ করেনি। তবে বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে চেয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা বিচার প্রক্রিয়া এ মাসের মধ্যেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন এবং এ বিষয়টি সর্বোচ্চ
অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তিনি
বলেন, খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন চেয়েছে।
শেখ হাসিনার আমলের সব নির্বাচন বাতিল চেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু
বলেননি।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির
বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে কাজের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে
হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার
বিভাগের নভেম্বর মাসের সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব (রুটিন
দায়িত্ব) মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় গত সমন্বয় সভার গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের
বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি পর্যালোচনা, প্রকল্প মনিটরিং ও মূল্যায়ন কার্যক্রম, অভিযোগ নিষ্পত্তি,
ডি-নথির ব্যবহার বৃদ্ধি, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, দপ্তর ও সংস্থা সম্পর্কিত বিষয়সহ
বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, রাজনৈতিক
প্রভাব মুক্ত থেকে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খা বাস্তবায়নে নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
আগের কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে জেলা
পর্যায়ে পর্যালোচনার মাধ্যমে বঞ্চিত এলাকাগুলোকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বাজেট পুনর্বণ্টন
করার নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
আরও বলেন, অতি শিগগিরই স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ
শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ায় ‘ডট ইন্টারনেট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ঢুকে হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটেছে। ‘বাপে ফোন দেয়, ধরিস না ক্যান? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো’— এরকম কথা বলতে বলতে ওই প্রতিষ্ঠানে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির
করপোরেট কো-অর্ডিনেটর অফিসার সগীর হোসেন আসিফ বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা
করেন।
বুধবার
(১০ জুন) হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার
(এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি
বলেন, ডট ইন্টারনেট অফিসে হামলার ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তের পর গ্রেফতার
করা হবে।
হামলার
ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মাস্ক পরা অবস্থায় সাতজন অফিসে
প্রবেশ করে। প্রথমে তারা অ্যাকাউন্ট শাখায় যায়। সেখানে গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলা অবস্থায়
অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার ইব্রাহিম হাওলাদারকে মারধর করা হয়। এসময় হামলাকারীরা বলে, ‘মিঠু
(মিঠু হাওলাদার) ও প্রদীপ (প্রদীপ ঢালী) কই? বাপে ফোন দেয়, ধরিস না ক্যান? বাপের সঙ্গে
কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো।’
পুরো
ঘটনা আবার পাশের একজন ভিডিওকলে বাইরের কাউকে দেখাচ্ছিল। একই সময়ে অফিসে আসার কারণ জানতে
চাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ইলেকট্রিশিয়ান জালালকেও মারধর করা হয়। পরে সবাইকে অফিস থেকে বের
করে দেওয়া হয়।
দুর্বৃত্তরা
যে মিঠুকে খুঁজতে এসেছিল তিনি প্রতিষ্ঠানটির অংশীদার। ফোন আসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে
কেউ কখনো ফোন করেনি। কারা কী কারণে আমার অফিসে হামলা করেছে, কিছুই বলতে পারবো না। অজ্ঞাত
মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা আমার অফিসে এসে আমার অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার ও ইলেকট্রিশিয়ানকে
মারপিট করে। মাস্ক পরে থাকায় তাদের কাউকে চেনা যায়নি। তাদের এই অফিসে আসার উদ্দেশ্য
কী, কেন তারা এসেছে—সে বিষয়টি আমার কাছে এখনো স্পষ্ট নয়।
তারা
এমন একটি সময় এসেছিল, যখন অফিসে তেমন কোনো লোক ছিল না। থানায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের
পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, বাকি ব্যবস্থা পুলিশ নেবে’—বলছিলেন
ভুক্তভোগী মিঠু।
মামলার
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানার লালমাটিয়া ই-ব্লকের একটি ভবনের তৃতীয় তলায়
অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির অফিসে ২০-২৫ জনের একটি দল মাস্ক পরা অবস্থায় জোরপূর্বক প্রবেশ
করে। পরে কর্মীদের মারধর করে প্রতিষ্ঠানটির মালিক প্রদীপ ঢালী এবং সিটিও মিঠু হাওলাদারকে
খুঁজতে থাকে।
সে
সময় অফিসে উপস্থিত অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার ইব্রাহিম হাওলাদার এবং ইলেকট্রিশিয়ান মো.
জালাল তাদের আসার কারণ জানতে চাইলে দুর্বৃত্তরা উত্তেজিত হয়ে তাদের এলোপাতাড়ি মারধর
শুরু করে। এতে তারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান এবং পরবর্তীসময়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
হামলাকারীরা
অফিস থেকে একটি সিপিইউ, একটি ওয়াইফাই রাউটার এবং একটি আইফোন মোবাইল চুরি করে, যার আনুমানিক
মূল্য ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা। যাওয়ার সময় তারা স্টাফদের বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।
মন্তব্য করুন


২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের পর বিতর্ক যেন থামছেই না। স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে
হেরে শিরোপা হারানোর পর এবার ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবিতে অনলাইন পিটিশন শুরু করেছেন
আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। ইতোমধ্যে চেঞ্জডটওআরজি-এ প্রকাশিত সেই আবেদনে ৬১ হাজার ৫০০-এর
বেশি মানুষ সই করেছেন। তবে ফুটবলবিশ্বে আলোচনার জন্ম দিলেও এই উদ্যোগে ফাইনালের ফল
বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই।
পিটিশনটি
শুরু করেছেন আর্জেন্টিনার সমর্থক গিসেলা সানচেজ। আবেদনে তিনি দাবি করেছেন, ১৯ জুলাই
নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ
বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ভুল করেছেন, যা ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।
এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ফিফার
প্রতি।
পিটিশনে
আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ম্যাচে কিছু ‘অনিয়ম’ ছিল। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো স্বাধীন
বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, চেঞ্জডটওআরজি-এর মতো প্ল্যাটফর্মে করা কোনো
অনলাইন পিটিশনের আইনি বা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক কোনো ক্ষমতা নেই। তাই শুধু সই সংগ্রহের ভিত্তিতে
ফিফা কোনো ম্যাচের ফল পরিবর্তন বা পুনরায় ম্যাচ আয়োজন করতে পারে না।
ফিফার
নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ম্যাচ পুনরায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কেবল অত্যন্ত ব্যতিক্রমী
পরিস্থিতিতে-যেমন ম্যাচ পরিচালনায় ফুটবলের আইন ভুলভাবে প্রয়োগ হওয়া, কিংবা ফিফা বা
সংশ্লিষ্ট বিচারিক সংস্থার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত
বা সমর্থকদের অসন্তোষ সাধারণত ম্যাচ পুনরায় খেলার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় না।
২০২৬
বিশ্বকাপেই এটি প্রথম এমন ঘটনা নয়। স্পেন ও ফ্রান্সের সেমিফাইনালের পরও ফরাসি সমর্থকরা
একটি অনলাইন পিটিশন শুরু করেছিলেন। সেই পিটিশনে ৮২ হাজারের বেশি মানুষ সই করেন। তাদের
অভিযোগ ছিল, স্পেনের পক্ষে পাওয়া বিতর্কিত পেনাল্টির সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে
দেয় এবং সেই ম্যাচও পুনরায় আয়োজন করা উচিত।
তবে
সেই পিটিশনেরও কোনো প্রভাব পড়েনি। ফিফা ফলাফল বহাল রাখে এবং স্পেন ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত
করে।
ফাইনালে
হারের হতাশা থাকলেও দেশের বিভিন্ন শহরে হাজারও সমর্থক জাতীয় দলকে বীরের সম্মান জানিয়েছেন।
বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছানোর জন্য
লিওনেল স্কালোনির দলকে অভিনন্দন জানান তারা।
অন্যদিকে
স্পেন অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ইতিহাসের
দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নেয়। যদিও অনলাইন পিটিশনটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার
জন্ম দিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা
কার্যত নেই।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ভূঞাপুরে ১২ বছর বয়সী ৫ম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোফাজ্জল
হোসেন ওরফে মফিজুল (৩৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
এ
ঘটনায় বুধবার (২৪ জুন) সকালে মেয়েটির বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামিকে
গ্রেপ্তার করেন। এর আগে শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার ভরুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত
মফিজুল ওই গ্রামের হাসান আলীর ছেলে।
জানা
যায়, উপজেলার ভরুয়া গ্রামের মফিজুল ইসলাম শনিবার দুপুরে মেয়েটির মুখ চেপে ধরে পাটক্ষেতে
নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা করে। এসময় মেয়েটির ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে মফিজুল পালিয়ে
যায়। পুলিশি তৎপরতায় প্রভাবশালী মহল ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়। বুধবার
সকালে মেয়ের বাবা বাদি হয়ে মফিজুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার।
এবিষয়ে
ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদি হয়ে মামলা
দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত মফিজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া
চলছে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
ফতুল্লার হাজিগঞ্জ এলাকায় ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার
সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায়
পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন বলে জানা
গেছে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ফতুল্লার হাজিগঞ্জ
এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,ফিফা
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা পরাজিত হওয়ার
পর হাজিগঞ্জ এলাকার ব্রাজিল সমর্থক অপূর্ব ও তার অনুসারীরা বিজয় উল্লাস করে। এ সময়
উল্লাসকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা সমর্থক হাবিব ও তার সহযোগীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু
হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে আর্জেন্টিনা
সমর্থকরা ব্রাজিল সমর্থকদের ধাওয়া দিলে পরে ব্রাজিল সমর্থকরা আরও লোকজন নিয়ে ফিরে
আসে। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুর হয়। এ সময় বাড়িঘরে ভাঙচুর ও
লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হলে পুরো এলাকায়
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক
রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি
শান্ত করেছি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা
দায়ের হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


হঠাৎ ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হলে শুক্রবার (১৪ মার্চ) ভোরে কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলার অবনতি ছাড়াও তার নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছিল।
এদিকে ওসির কর্মস্থল ত্যাগের খবর দেরিতে পেয়ে কমপক্ষে ৩০ জন পাওনাদার বিচ্ছিন্নভাবে থানায় এসে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, নান্দাইল থানায় ওসি হিসেবে গত ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর যোগ দিয়েছিলেন ফরিদ আহম্মেদ। এর পর থেকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক রাতেই তুচ্ছ ঘটনায় পাঁচটি অভিযোগ মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রেকর্ডভুক্ত করার অভিযোগ ওঠে এ ওসির বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি চুরি ছিনতাইসহ আইনশৃঙ্খলার
মারাত্মক অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে পুরো উপজেলার আনাচে-কানাচে ইয়াবার কারবার, গ্রেপ্তার
বাণিজ্য চলছিল নির্বিঘ্নে।
বিভেদপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না নান্দাইল থানার ওসি ফরিদ আহম্মেদ। অন্যদিকে মামলা নেওয়ার নামে বিচার প্রার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছিল নিয়মিত।
এমন অবস্থায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকালে তাকে প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠি পেয়ে ওসি ফরিদ সবকিছু গুছিয়ে আজ শুক্রবার ভোরে চলে যান জেলা শহর ময়মনসিংহে।
এসব বিষয়ে জানতে প্রত্যাহার হওয়া ওসি ফরিদ আহম্মেদের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।
জানতে চাইলে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার বলেন, ‘ওসির কাছে সাধারণ লোকজন টাকা পায়, এটি খুবই দুঃখজনক।’ এ বিষয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
আর এক রাতে ৫টি মামলা রেকর্ডভুক্ত
হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে তো দুটির কথা বলা হয়েছিল। বাকিগুলো তো
জানাননি।’
মন্তব্য করুন


পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রশিক্ষণার্থীদের
সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে
পার্বত্য অঞ্চলকে এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সম্পদে
পরিপূর্ণ পার্বত্য জেলাগুলো বাংলাদেশের সবচাইতে উন্নত অঞ্চল হতে পারতো, কিন্তু সবচেয়ে
পেছনে পড়ে আছে। এটা হওয়ার কথা না। আপনাদের ফসল, ফল-ফলাদি, ঐতিহ্যবাহী পণ্য দিয়ে অর্থনীতিতে
আপনাদের এগিয়ে যাওয়ার কথা। পার্বত্য এলাকাগুলো দুর্গম, সেজন্য যোগাযোগ করা কঠিন হয়।
আর এ কারণেই সেখানে প্রযুক্তির প্রসার দরকার। প্রযুক্তি দিয়ে এই দূরত্ব জয় করা যাবে।
পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও
সদস্যবৃন্দের জন্য আয়োজিত 'পার্বত্য জেলা পরিষদ ব্যবস্থাপনা' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ
দিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নারী ফুটবল টিমে পার্বত্য জেলা থেকে
আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকের স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বের
অন্যান্য দেশের টিমকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। আপনাদের এলাকার মেয়েরা কী দুর্দান্ত
খেলল! কীভাবে বলবেন পিছিয়ে আছে? যারা আপনাদের এলাকা থেকে এসেছে তাদের সাথে আমি কথা
বলেছি। কী কঠিন পরিস্থিতি! কত কষ্ট করে পাহাড় ভেঙে বাড়িতে পৌঁছাতে হয়! বাবা মা ঢাকায়
আসলে কত কষ্ট করে তাদের আসতে হয়। এই প্রতিকূলতার মধ্যেই কিন্তু তারা বিশ্বজয় করে এসেছে।’
পার্বত্য এলাকার তরুণরা যেন বিশ্ব নাগরিক
হয়ে গড়ে ওঠে এ আশাবাদ ব্যক্ত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আপনাদের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বজয়
এনে দিয়েছে। তরুণরা শুধু বাংলাদেশের নাগরিক না, বিশ্ব নাগরিক হতে হবে। দুর্গম এলাকা
বলে পিছিয়ে থাকলে হবে না। সীমাবদ্ধতা থাকবে, কিন্তু মনের সীমারেখাকে বাড়িয়ে দিতে হবে।
সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে নিজ কৃতিত্ব দিয়ে পৌঁছে যেতে হবে।’ জানুয়ারিতে তারুণ্যের উৎসবে পার্বত্য
অঞ্চলের তরুণদের অংশ নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আপনাদের শিশুদের, তরুণদের
এ উৎসবে যোগ দিতে উৎসাহ দিন। স্থানীয় খেলা হোক, রচনা প্রতিযোগিতা, গান-নাচ তারা যা
পারে, যা চায় তা নিয়ে যেন অংশ নেয়। এটা সবার উৎসব। উৎসবটি বৈচিত্রময় হোক। সরকারি নির্দেশ
তাই অংশ নেবে এরকম না। তাদেরকে আপনারা উৎসাহ দিন, যেন নিজ থেকেই তারা উদ্যমী হয়ে এ
উৎসবে অংশ নেয়।
পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার
সংস্কার ও সঠিক পদ্ধতি, প্রশিক্ষণের গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি
আরও বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এক কঠিন সংকটে আছে। আপনাদের অঞ্চলে এটা আরও বেশি কঠিন।
শিক্ষকদের কষ্ট হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের কষ্ট হয়। আপনাদের পড়াশোনার দিকে মনোযোগী হতে হবে।
আমরাও চেষ্টা করব রাষ্ট্রীয় দিক থেকে কীভাবে কী করা যায়। পার্বত্য জেলার তরুণরা দুর্গম
অঞ্চলে আছে বলে বড় শহর থেকে লেখাপড়ায় পিছিয়ে থাকবে সেটা হতে দেওয়া যাবে না। লেখাপড়ায়
তাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্তব্য করুন