

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, যারা পরিস্থিতি অবনতি করার চেষ্টা করবে তাদের কোনো
অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবে না।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙ্গামাটি
রিজিয়নের প্রান্তিক হলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের
তিনি এ কথা বলেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের
প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের
প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী বলেন, একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।
কোনো অবস্থায় পরিস্থিতি অবনতি করা যাবে না। যারা পরিস্থিতি অবনতি করার চেষ্টা করবে
তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার,
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বাহির
থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমাদের কোথাও যেন ছন্দপতন ঘটছে। এর পেছনের ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত
করা হবে।
সভায় পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা,
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ, পুলিশের
আইজিপি মইনুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাইনুর রহমান,
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিভিন্ন নেতারা
উপস্থিত ছিলেন।
সভায় স্থানীয়দের মধ্যে বিএনপি, জনসংহতি
সমিতি, জাতীয় পার্টি, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন,
পার্বত্য নাগরিক পরিষদ, পরিবহন মালিক শ্রমিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন পরামর্শ
তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেছেন জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান
আজহারি। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি আরোগ্য
কামনা করেন।
ফেসবুক
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নানা বিভক্তি ও বিভাজনের এ দেশে সর্বজন শ্রদ্ধেয় মানুষের সংখ্যা
একেবারেই নগণ্য। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া এ ক্ষেত্রে অনন্য।
দেশপ্রেম
ও অতুলনীয় ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি প্রায় সবার কাছে বিশেষ সম্মানের ও শ্রদ্ধার আসন
অলংকৃত করেছেন। বর্তমানে তিনি অসুস্থ হয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
আছেন। এই মুহূর্তে গোটা জাতি তাকে আন্তরিক দোয়ায় স্মরণ করছে। দলমত নির্বিশেষে অগণন
মানুষের এমন দোয়া ও ভালোবাসা পাওয়া সত্যিই পরম সৌভাগ্যের।
তিনি
বলেন, ‘আমি দেশের তরে সীমাহীন ত্যাগ স্বীকার করা ধর্মীয় মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল এ মহিয়সী
নারীর রোগমুক্তি ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি। আল্লাহ তাআলা তাকে দ্রুত আরোগ্য দান
করুন।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাবের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজি গ্রেড-১) এ কে এম শহিদুর রহমান,
বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি এবং এসবির অতিরিক্ত আইজি (গ্রেড-১) মোঃ গোলাম রসুল দীর্ঘ কর্মজীবন
শেষে গতকাল রবিবার অবসরে গেলেন। তাঁদের অবসর উপলক্ষে আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিকালে পুলিশ
হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে এক বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
ইন্সপেক্টর
জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ মোঃ আলী হোসেন ফকির অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
সভায়
অতিরিক্ত আইজিগণ, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে
বিদায়ী কর্মকর্তাগণের পেশাগত ও ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পুলিশ কর্মকর্তাগণ
স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন।
বিদায়ী
অতিরিক্ত আইজিগণ তাঁদের বক্তব্যে জনগণের আস্থা ও সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করার
জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতার জন্য সকল সহকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সভাপতির
বক্তব্যে আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে বিদায়ী কর্মকর্তাগণ
অত্যন্ত সুনাম ও সফলতার সাথে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁরা বাংলাদেশ পুলিশের
উন্নয়নে অনন্য অবদান রেখেছেন। আইজিপি বিদায়ী কর্মকর্তাগণের সুখী, সুন্দর ও সমৃদ্ধ
অবসর জীবন এবং সার্বিক সুস্থতা কামনা করেন।
জনাব
এ কে এম শহিদুর রহমান ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ
পুলিশে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি র্যাবের মহাপরিচালক ছিলেন।
অপর
বিদায়ী অতিথি জনাব মোঃ গোলাম রসুল ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে
বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজি পদে দায়িত্ব
পালন করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন,
জুলাই হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনা আমাদের মূল লক্ষ্য। এটা আমাদের শপথ, আমাদের অঙ্গীকার।
চব্বিশের জুলাইয়ে আন্দোলনে দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী-জনতাকে হত্যা করেছিল ফ্যাসিস্ট
সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের গণহত্যার
চিত্র।
আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা মাগুরা সরকারি
উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক
আব্দুল কাদের, মাগুরা পৌরসভার প্রশাসক ইমতিয়াজ হোসেন, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বিএম
সাজিন ইসরাত ও ক্রীড়া সংগঠক বারিক ননজাম বারকি।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান
খান কামালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচারের রায় মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। আমরা চাই
তাদের দেশে এক্সট্রাবিশন করা হোক। তাদের আপিল করার অধিকার আছে। দেশীয় আন্তর্জাতিক নিয়ম
মেনে তাদের রায় দ্রুত কার্যকর হয় আমরা সেইটা করবো। যারা যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে
জড়িত ছিল। যাদের হাতে রক্তের দাগ লেগে আছে তাদের প্রত্যেককে আমরা বাংলাদেশে ফিরে আনবো
এটা শহীদদের কাছে আমাদের দায় আমাদের শপথ। আমরা ফেল করলে এটা পরবর্তী জেনারেশন নিবে।
এ জায়গায় কারো ছাড় নেই। দেশে প্রত্যেকটা মানুষ একতাবদ্ধ তাদের ছেলে মেয়েকে যারা খুন
করেছে, পঙ্গু করে দিয়েছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনবো এটা আমাদের শপথ।
আমাদের হাতে ৭০ দিনের মতো আছে ইলেকশনের আগ পর্যন্ত আমরা পারবো কিনা জানি না, তবে আমাদের
চেষ্টা থাকবে। আমরা কোনো মাইনাস ফোরের কথা বলিনি। এ কথা যারা বলছে তারা স্বৈরাচারের
দোসরের মতো। যিনি মাইনাস হয়েছেন তিনি হত্যাযজ্ঞ করে মাইনাস হয়েছেন। উনি উনার পরিবারকে
নিয়ে চোরতন্ত্র জারি করেছিলেন সে জন্য উনি মাইনাস হয়ে গেছে।
শফিকুল আলম বলেন, খালেদা জিয়া আমাদের জাতীয় নেতা। আপামর জনসাধারণের নেতা। উনি শুধু বিএনপির নেতা না। আমরা তার সুস্থতা কামনা করি। তিনি দেশে ফিরে আসুক। বাংলাদেশের তার প্রেজেন্টটা খুবই প্রয়োজন। আমরা চাই উনি নির্বাচনে থাকবেন এবং কনটেস্ট করবেন।
তিনি আরও বলেন, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের
লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে দেশে
সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা
সম্পন্ন করেছে। আমরা চাই দেশে শান্তি ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশন (ইসি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ
করছে। আইন অনুযায়ী নির্বাচনের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশের করার বিধান রয়েছে।
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ
সরকারি মুদ্রণালয়ে ধারাবাহিকভাবে গেজেট ছাপানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
ইসির
অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, এবার ৪ হাজার ১০৩টি ভোটকেন্দ্রে চূড়ান্ত করা
হয়েছে।
কর্মকর্তারা
জানান, গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ শুরু হয়। এটি ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন
করা হবে।
ইসির
উপসচিব (নির্বাচন সমন্বয় ও সহায়তা শাখা) মো. মাহবুব আলম শাহ স্বাক্ষরিত ভোটকেন্দ্রের
গেজেট সকলের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করছে ইসি সচিবালয়। এতে ভোটকেন্দ্রের ক্রমিক নম্বর, ভোটকেন্দ্রের
নাম ও অবস্থান, ভোটকক্ষের সংখ্যা, ভোটার এলাকা, পুরুষ, নারী, হিজড়া ভোটার এবং মোট ভোটার
সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসির
অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল ২ হাজার
৭১৬টি। তারমধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি, যা মোট দাখিলকৃত
মনোনয়নপত্রের ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২৭ শতাংশ। আর বৈধ হয়েছে ১ হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র,
যা দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ৭৩ দশমিক ০৮শতাংশ বা ৭৩ শতাংশ।
ইসি
সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৬১টি আপিল
আবেদন জমা পড়েছে। আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর শুনানি আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন
কমিশন।
ইসি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা
প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার
৬৩৩ জন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ভয়াবহ অগ্নি’কান্ডে ছোট-বড় ৩টি বসতঘর পুড়ে ছা’ই হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাচাঁইয়া ব্রিকফিল্ড এলাকার নিরীহ কামরুল হকের বসতঘরে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে অগ্নিকান্ডে প্রায় ১২ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধান হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্থ মো. কামরুল হক বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে বসতবাড়িতে কেউ ছিল না। স্থানীয়দের নিকট থেকে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে এসে দেখি আগুনের লেলিহান চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ততক্ষনে নগদ টাকা, মূল্যবান আসবাবপত্রসহ সবপুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিন্তু কিভাবে অগ্নিপাতের সূত্রপাত হয়েছে জানাতে পারেনি তিনি।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. মাহাতাব মন্ডল বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় ১ঘন্টা ব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ
আলম বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলচ্চিত্র সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে উদ্যোগ
নিতে হবে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ
ফিল্ম আর্কাইভ পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সম্ভাবনার
কথা উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক দলিলাদি এবং দেশি বিদেশি
চলচ্চিত্র সংরক্ষণে ফিল্ম আর্কাইভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রামাণ্যচিত্র সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা
তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিল্ম আর্কাইভকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি কেন্দ্রিক প্রামাণ্যচিত্র
সংগ্রহ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে। আর্কাইভে মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠদের সাক্ষাৎকার
ভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র সংরক্ষণেরও তাগিদ দেন তিনি।
ফিল্ম ম্যাগাজিন সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ
করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন
গ্রন্থাগার থেকে গত ৫০ বছরের ফিল্ম ম্যাগাজিন
সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা
অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন থেকেও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট প্রমাণক
সংগ্রহ করতে হবে।
তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, বর্ষীয়ান
ও গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতাদের লেখা ও সাক্ষাৎকার সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। আর্কাইভে
সংরক্ষিত সকল ফিল্মের ডিজিটাল ক্যাটালগ প্রস্তুত করতে হবে। এর ফলে চলচ্চিত্র গবেষক
ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন। উপদেষ্টা ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের পক্ষ
থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। বক্তব্যে তিনি ফিল্ম আর্কাইভের
কার্যক্রম, সীমাবদ্ধতা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
উক্ত সভায় ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক
ফারহানা রহমানসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার পূর্বে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ফিল্ম আর্কাইভের প্রজেকশন হল, ফিল্ম মিউজিয়াম, ফিল্ম হাসপাতাল, ফিল্ম ভল্ট ও লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক
নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় অদম্য নারী পুরস্কার
কার্যক্রমের আওতায় গণতন্ত্রের মানসকন্যা বেগম খালেদা জিয়াকে 'গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায়
শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী' সম্মাননায় ভূষিত করতে যাচ্ছে।
আগামীকাল
রবিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়াকে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে।
আপসহীন
সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অদম্য নেতৃত্ব প্রদান এবং গণতান্ত্রিক ধারা
প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়া অসামান্য অবদান রাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
অন্যান্য
বছরের ন্যায় এ বছরও পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচ জন নারীকে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী হিসেবে পুরস্কার
প্রদান করা হবে।
অর্থনৈতিক
ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে
সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে নুরবানু
কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা
বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন- এমন নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. আফরোজা
ইয়াসমিন শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী হিসেবে পুরস্কৃত হচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


সবকিছু
ঠিক থাকলে ঈদের পর যমুনায় উঠবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তার আগেই ঈদুল ফিতরের
শুভেচ্ছা বিনিময়ের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানটি সেখানে করবেন সরকারপ্রধান। গণপূর্ত অধিদফতর
জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো সংস্কার নয়, চলছে রুটিন কাজ।
আগস্টের
অভ্যুত্থানের সময় গণমানুষ গণভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। এরপর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি
জাদুঘর হিসেবে গড়ে তোলা হয় ভবনটি। ফলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর থাকার সুযোগ আর নেই। এর
আগে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে গণভবন ব্যবহার হতো।
অন্তর্বর্তী
সরকারের সময় নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য জাতীয় সংসদ ভবন ও আগারগাঁও এলাকায় বাসভবন দেখা
হয়েছিল। তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। তাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকেই
সরকার প্রধানের বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে
প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে দীর্ঘ পথ ও যানজট পেরিয়ে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
নিয়মিত অফিস করছেন। যমুনা থেকে কার্যালয় ও সচিবালয় দুইটিরই দূরত্ব কাছাকাছি। ৩০ হেয়ার
রোডে অবস্থিত যমুনার আয়তন প্রায় ৮ একর। এর মধ্যে ভেতরের অংশ ৫.২ একর, আর বাইরের অংশ
২.৮ একর। অফিসসহ ভবনের মোট আয়তন ৩৫ হাজার স্কয়ার ফিট।
গণপূর্ত
অধিদফতর জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। গণপূর্ত
অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ভেতরের কাজগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
থেকে শুরু করে সবই নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ। এর সঙ্গে কিছু ছোটোখাটো সংস্কারও করতে হচ্ছে।
হাইজিনিক ওয়াশ এবং রং মেইন কাজ। এছাড়া সিলিংয়ের কিছু পুরনো অংশে সমস্যা থাকলে তা ঠিক
করা হচ্ছে।
তবে
বড় ধরনের সংস্কার বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। খালেকুজ্জামান
চৌধুরী বলেন, আমরা কোনো ব্যাপক নির্দেশনা পাইনি। মূলত রুটিন কাজগুলোই আমরা করছি। এটি
শেষ করতে বেশি সময় লাগবে না। দুই সপ্তাহের মধ্যে আমরা সব কাজ শেষ করে ফেলব।
এদিকে,
সরকার প্রধান যমুনায় এরই মধ্যে দুই দফায় দুটি ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এতে দেশি
ও বিদেশি কয়েকশ অতিথি অংশগ্রহণ করেছেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন চলচ্চিত্র শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে ত্রয়োবিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এ কথা জানান।
বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সংগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। এর পাশাপাশি এই চলচ্চিত্র উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র সম্পর্কে ধারণা লাভের সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে চলচ্চিত্রের ভূমিকা উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, চলচ্চিত্র শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; চলচ্চিত্র সামাজিক পরিবর্তনেরও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এই অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতি আহ্বান রইলো।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও র্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে নাশকতার অভিযোগে নয়জন আটক করা হয়েছে। তবে রেলের ঠিক কোন কোন ঘটনায় তারা জড়িত সে সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো জানায়নি র্যাব।
বিমানবন্দর রেলস্টেশনে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মুহাম্মদ মোসতাক আহমদ বলেন, বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সম্প্রতি নেত্রকোনা থেকে তেজগাঁও রেলস্টেশনে আগত একটি ট্রেনের বগিতে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় একজন মা-শিশুসহ ৪ জন নিহত হোন। তারই ধারাবাহিকতায় র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের সহযোগিতায় সন্ধ্যা থেকে অভিযান চালিয়ে নয়জনকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, আটকরা সামান্য কিছু উৎকোচের বিনিময়ে চলমান হরতাল অবরোধকে কেন্দ্র রেললাইন ও ট্রেনে নাশকতা করতো। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি- এরা কোন কুচক্রী মহলের হয়ে স্বল্প টাকার বিনিময়ে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে থাকে। তারা বিভিন্ন জায়গাতে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বেও বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করবো। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের কাছ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক আরো বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে আমরা রেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাবো। যতক্ষণ পর্যন্ত ট্রেনের যাত্রীরা নিরাপত্তা নিশ্চিত অনুভব না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভবিষ্যৎতে ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা আছে কি না এবং বাড়তি কী ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মোসতাক আহমদ বলেন, প্রথমে বাস-ট্রাকের ওপরে অগ্নি-সন্ত্রাস ছিল। কিন্তু অতি সম্প্রতি সময়ে তা রেলের ওপরেও এসেছে। যার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।নাশকতাকারীরা এ ধরনের কাজ করে কখনো রেহাই পাবে না। বিভিন্ন রেলস্টেশনে আমাদের সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন রয়েছে। ট্রেন আসা ও যাওয়ার সময় নজরদারি করা হচ্ছে।
ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরাসরি জড়িত কাউকে গ্রেফতার বা শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, আমরা আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করবো। সেই সঙ্গে আমাদের অভিযান অব্যাহত। আমরা মূলহোতা কিংবা অগ্নিকাণ্ডে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করলে আপনাদের জানবো।
উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও স্টেশনে ঢাকাগামী মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুন চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই রেলের যাত্রী ছিলেন। মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি নেত্রকোনা থেকে ছেড়ে আসে।
মন্তব্য করুন