

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
হারানো অস্ত্রের সন্ধান দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়া হবে।
এ সময় তিনি জানান,
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুমানিক ৭০০ অস্ত্র উদ্ধার এখনো বাকি রয়েছে।
আজ রোববার (১০
আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা
সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হারানো
অস্ত্রগুলো উদ্ধার করতে আমরা একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি৷ যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হারানো
অস্ত্রের সন্ধান দিতে পারবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। দ্রুত এ সংক্রান্ত একটি কমিটি
গঠন করা হবে, যা পরবর্তীতে মিডিয়ায় জানিয়ে দেওয়া হবে।
গাজীপুরে সাংবাদিক
তুহিন হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক৷ এ ধরনের
ঘটনা ঘটুক সমাজে কেউ চিন্তাও করতে পারে না৷ জাতি হিসেবে আমরা খুব অসহিষ্ণু হয়ে গেছি৷
আগে সমাজে কোনো খারাপ কাজ ঘটলে লোকজন ঝাঁপিয়ে পড়ত সেটা প্রতিহত করার জন্য৷ কিন্তু আজকাল
সেটা খুব কমে গেছে৷ এখন সবাই ভিডিও করে৷ অপরাধ প্রতিহত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব৷ সবসময়
সব জায়গায় তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকেন না৷ সে সময় উপস্থিত জনতারই
প্রাথমিকভাবে অপরাধ প্রতিরোধ বা প্রতিহত করা উচিত। উপদেষ্টা এ সময় গাজীপুরের ঘটনায়
জড়িতদের বেশিরভাগকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান।
নিউমার্কেট থেকে
১১০০ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব অস্ত্র যারা তৈরি করেন, তাদের আরও
সতর্ক হতে হবে। তারা জানে- কারা এসব ব্যবহার করছে। যারা এগুলো করছে তাদের আইনের আওতায়
আনা হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও
বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নয়। এর
সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন,
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সর্বোপরি জনগণ। আশা করি, আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ
নির্বাচন উপহার দিতে পারব। উপদেষ্টা এ সময় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের
নিরাপত্তার জন্য অস্ত্রসহ একজন বাড়তি আনসার সদস্য (গানম্যান) নিয়োজিত থাকার সিদ্ধান্তের
কথা জানান।
ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, পিএসসি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেছেন, তার সরকার
দেশে মানবাধিকার এবং
বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি
হোটেলে অর্ধ ডজনেরও
বেশি বিশ্বের শীর্ষ
মানবাধিকার সংস্থার সিনিয়র
কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে
এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার
প্রেস উইং জানায়,
এ সাক্ষাতে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার বিপ্লব
এবং গত ১৫ বছরের বেশি
সময় ধরে শেখ
হাসিনা সরকারের শাসন
আমলে চালানো নৃশংসতা
এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের
বিচার ও জবাবদিহিতা নিয়ে
আলোচনা হয়।
এছাড়া তারা
নিরাপত্তা সেক্টর সংস্কার,
সাইবার নিরাপত্তা আইন
বাতিল এবং অধিকতর
তদন্ত, একনায়কতন্ত্রের সময়
বলপূর্বক গুমের শিকার
ব্যক্তিদের রাখা ডিটেনশন
কেন্দ্রগুলোতে অবাধ প্রবেশাধিকার এবং
জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান
জানান।
বৈঠকে ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব
দেন রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান
রাইটসের প্রেসিডেন্ট কেরি
কেনেডি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সেক্রেটারি জেনারেল
অ্যাগনেস ক্যালামার্ডও এ বৈঠকে যোগ
দেন।
অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন,
অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত
একটি শক্তিশালী বার্তা
পাঠানো যে একটি
নতুন বাংলাদেশ।
প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, তার সরকার
পুলিশসহ প্রধান প্রধান
প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে কয়েকটি
কমিশন গঠন করেছে।
ড. ইউনূস
বলেন, তার সরকার
যেকোনো সমালোচনাকে স্বাগত
জানায় এবং অন্তর্বর্তী প্রশাসন
মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত
রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি বলেন,
এ সরকার কোনো
সমালোচনায় বিরক্ত হয় না। বরং
আমরা সমালোচনার জন্য
আমন্ত্রণ জানাই।
অন্যদের মধ্যে
কথা বলেন, হংকংভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনের
সাবেক অ্যাক্টিভিস্ট মোহাম্মদ
আশরাফুজ্জামান, হিউম্যান রাইটস
ওয়াচ এর সিনিয়র
গবেষক জুলিয়া ব্লেকনার
প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বিশ্ববাসীর উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা পৃথিবীর জন্য আশার এক বাতিঘর
হিসেবে দাঁড়াতে চাই এবং আমাদের বন্ধু ও অংশীদারদের আহ্বান জানাই অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক
চুক্তি পুনর্লিখনের জন্য, পাশাপাশি সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের
ভূমিকা অন্বেষণ করতে, যা প্রান্তিক জনগণের জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিতে
সহায়ক।
আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাতারের দোহায়
আর্থনা শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে, যেখানে একটি নতুন সামাজিক চুক্তি
করার সুযোগ এসেছে। এটি এমন এক চুক্তি, যেখানে রাষ্ট্র ও জনগণ, বিশেষ করে যুবসমাজ, অন্তর্ভুক্তিমূলক
ব্যবস্থা, ঐতিহ্য, ন্যায়বিচার, মর্যাদা এবং সুযোগের ভিত্তিতে একটি ভবিষ্যৎ একত্রে গড়ে
তুলবে।
তিনি বলেন, এটি এমন এক সামাজিক চুক্তি,
যেখানে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রান্তিক জনগণের ক্ষমতায়ন মৌলিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত
হবে।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে একটি
সহনশীল, সমৃদ্ধ এবং টেকসই ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তবে এখন
এমন নানা হুমকি রয়েছে, যা আমাদের উন্নয়নকে বিপথে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা এমন এক সময় পার করছি,
যেখানে বহুপাক্ষিকতা হুমকির মুখে, জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুততর হচ্ছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
বাড়ছে এবং মানবিক সংকট গভীরতর হচ্ছে। নতুন নতুন নীতিমালা, প্রযুক্তি এবং শাসন পদ্ধতি
আমাদের পৃথিবীকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে, যা অতীতের অনেক অনুমানকে অচল করে দিচ্ছে।
এমন প্রেক্ষাপটে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর
জোর দিয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এখন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার পুনরুজ্জীবনের
প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আসুন আমরা সাহসী হই। একটি এমন পৃথিবী গড়ি, যেখানে কেউ এতটা দরিদ্র না হয়
যে, সে স্বপ্ন দেখতে না পারে এবং কোনো স্বপ্ন এত বড় না হয় যে, তা অর্জন করা যায় না।
ভবিষ্যৎ এমন কিছু নয়, যা আমরা উত্তরাধিকার হিসেবে পাই। এটি এমন কিছু যা আমরা তৈরি করি।
এবং আমাদের প্রত্যেকেরই এতে একটি করে ভূমিকা রয়েছে। সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে,
তা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের উদ্ভাবন,
সহমর্মিতা এবং সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের সক্ষমতাও ব্যাপক।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, কাতার
যেভাবে আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের উদ্যোগ নিয়েছে, তা দেখাচ্ছে কীভাবে একটি দেশ উদ্ভাবন,
ঐতিহ্য ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট, সামাজিক বৈষম্য এবং কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ
মোকাবিলা করতে পারে।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর মূল
বক্তব্যে সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের মাধ্যমে প্রান্তিক
জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি কাতার ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন
শেখ মোজা বিনতে নাসের এবং ভাইস চেয়ারপারসন ও সিইও শেখ হিন্দ বিনতে হামাদ আল থানিকে
সময়োপযোগী ও চমৎকার এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়েছে ।
তিন দিনব্যাপী এ বিশ্ব ইজতেমা শুরুর আগে তিনজন ও ইজতেমা শুরু হওয়ার পর একজন মুসল্লি মৃত্যুবরণ করেন। এ নিয়ে বিশ্ব ইজতেমায় চারজন মুসল্লি মারা গেলেন।
শুক্রবার ভোররাতে এখলাস উদ্দিন (৭০) নামে এক মুসল্লি বার্ধক্যজনিত কারণে ইজতেমা ময়দানে মারা যান যার বাড়ি নেত্রকোনা জেলা সদরে।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, ভোররাত ৩টা ১৫ মিনিটে ইজতেমা ময়দানে নির্দিষ্ট খিত্তায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এখলাস উদ্দিনকে টঙ্গী শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার কুমরি বাজার গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৭০), চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌহদ্দীটোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬৫) নামে ৩ জন মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যপুস্তকে ভুল-ত্রুটি ও অসঙ্গতি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ জানাচ্ছেন।
এসব সমালোচনা ও মতামতকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে মূল্যায়ন করে পাঠ্যপুস্তকের ভুল-অসঙ্গতির সংশোধনী অতি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
মঙ্গলবার বিকালে পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীসহ সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ২০২৪ সালের বইয়ের বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা ও গভীর পর্যবেক্ষণে যেসব বিষয় উঠে এসেছে, তা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। বছরের প্রথম দিনে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সময় আমরা সব শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তক সম্পর্কে কোনো পরামর্শ থাকলে তা অবহিত করতে অনুরোধ করেছিলাম। আপনারা আমাদের আহ্বানে তাৎপর্যপূর্ণ ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে একই সাথে আরো বলা হয়, আপনাদের এ তাৎপর্যপূর্ণ মতামত আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করে বিদ্যমান পাঠ্যপুস্তক যৌক্তিকভাবে মূল্যায়ণপূর্বক সংশোধনীসমূহ অতি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমে পাঠানো হবে। যারা আমাদের নানান তথ্য-উপাত্ত, যৌক্তিক বিশ্লেষণ এবং সঠিক উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকের মানোন্নয়নে সহায়তা করছেন, তাদের প্রতি আমরা অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ সর্বসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নেওয়া হবে।
আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সংগঠনটির পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, শহিদ শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী বিমানটি সন্ধ্যা ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই আন্দোলনের সাহসী এই বীর সন্তানকে সম্মান জানাতে বিমানবন্দর থেকে শাহবাগমুখী সড়কের দুই পাশে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সেখান থেকে মরদেহটি সর্বসাধারণের সাক্ষাতের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে নেওয়া হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে শহিদ শরিফ ওসমান হাদির আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ঘানা এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সফররত ঘানার পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি বিষয়ক মন্ত্রী শার্লি আয়োরকর বোচওয়ে-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে একমত হয় বাংলাদেশ ও ঘানা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, “বাংলাদেশ ও ঘানা কৃষি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ফার্মাসিউটিক্যালস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পাট, চামড়া ও গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে।” গণভবনে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঘানার পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি মন্ত্রী শার্লি আয়োরকার বোচওয়ের মধ্যে বৈঠকে এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আফ্রিকান দেশগুলির সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আফ্রিকান দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য এবং টেক্সটাইল পণ্য আমদানি করতে পারে।
ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ ও ঘানার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে তিনি দুই দেশের মধ্যে কৃষি, ওষুধ, আইসিটি এবং কৃষিভিত্তিক খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথের মহাসচিব হিসেবে আসন্ন নির্বাচনে তার দেশের প্রার্থীতার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন। এবার আফ্রিকার দেশগুলো থেকে কমনওয়েলথ মহাসচিব নির্বাচিত হবেন।
কমনওয়েলথ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সংস্থা এক সময় নিষ্ক্রিয় ছিল। কিন্তু কমনওয়েলথ এখন বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ প্রশিক্ষণ (সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে) বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলেন, কমনওয়েলথের মহাসচিব পদে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
মন্তব্য করুন


শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিগুলো পূরণ করা
হবে। তবে আইন ভেঙে অসন্তোষ সৃষ্টি করলে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন, শ্রম ও
কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) শ্রমিক কল্যাণ
তহবিলে গ্রামীণফোনের লভ্যাংশের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শ্রমিকদের কল্যাণে দেশের বিভিন্ন শিল্প
গ্রুপকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, যারা শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে
লভ্যাংশের নির্ধারিত অংশ দিচ্ছেন না, তাদেরও এর আওতাভুক্ত করা হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার
ভিত্তিতে তহবিল থেকে শ্রমিকদের সহায়তা দেওয়া হবে। শ্রমিকদের দাবি অনুসারে তাদের সব
সমস্যার সমাধানও করা হবে বলে জানান তিনি।
উপদেষ্টা আরও বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য
দাবি পূরণ করা হবে। তবে যেসব শ্রমিক আইন ভেঙে অসন্তোষ সৃষ্টি করবে, তাদের আইনের আওতায়
আনা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
গ্রামীণফোন লিমিটেড তাদের গত এক বছরের
লভ্যাংশের দশমিক ৫ শতাংশ হিসেবে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ২৪ কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার ৪৪২
টাকা প্রদান করেছে। এখন পর্যন্ত এ তহবিলে ২৭৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা দিল গ্রামীণফোন লিমিটেড।
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৪৪০টি কোম্পানি
লভ্যাংশের নির্ধারিত অংশ নিয়মিত দিয়ে থাকে। শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে এখন পর্যন্ত জমা
রয়েছে ১ হাজার ২৬ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ ৯২ জন নোবেল বিজয়ী। এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের ১০৬ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী এবং সুশীল সমাজের নেতারা তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল তার ফেসবুকে চিঠিটি শেয়ার করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীরা বাংলাদেশের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন এবং আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের জনগণের মতো ড. ইউনূসও স্বৈরাচারিতার শিকার। আজ গণতান্ত্রিক এবং ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের ফলশ্রুতিতে স্বৈরাচার উৎখাত হয়েছে। ড. ইউনূস যেমনটা বলেছেন, বাংলাদেশ তার দ্বিতীয় স্বাধীনতা উপভোগ করছে এবং জাতি হিসেবে তার পূর্ণ সম্ভাবনা পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে অধ্যাপক ইউনূসকে সমর্থন করতে পেরে গর্বিত। এটা বাংলাদেশের নতুন সূচনা এবং এই নতুন সময়ে আমরা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ও সাফল্য কামনা করি। একটি নতুন এবং উন্নত সমাজ তৈরিতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে আমরা সমর্থন করি এবং যেকোনো প্রয়োজনে সাহায্য করতে প্রস্তুত আছি।
ড. ইউনূসকে দেওয়া শুভেচ্ছা চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ শান্তি, চিকিৎসা, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, অর্থনীতি ও সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী ৯২ জন। এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের ১০৬ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ৫ আগস্ট নিয়ে
আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বরাবরের মতোই সরকার সতর্ক আছে।
সরকারের বিশেষ অভিযান পুরো দেশব্যাপী চলছে, যেটা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলবে। আর যেসব
অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়নি, সেসব খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা
অব্যাহত রয়েছে।
তিনি
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত
কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্ট নিয়ে কোনো ধরনের আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। মহান আল্লাহর রহমতে
সকলের সহযোগিতায় সব ধরনের অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে
সরকারের পক্ষ থেকে সতর্কতাও রয়েছে।
তিনি
বলেন, সরকারকে সব কিছুর বিষয়েই সতর্ক থাকতে হয়। এজন্যই বিভিন্ন ধরনের সভা আয়োজন করা
হয় এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়। বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের সময় যে
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল তা ক্রমান্বয়ে উন্নতি হয়েছে। আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে
রয়েছে।
মব
সহিংসতা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মব সহিংসতা
আগের থেকে কমেছে। আস্তে আস্তে আরো কমে যাবে। মবের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দিচ্ছি না।
নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। নির্বাচনের সময় যেন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ভালো থাকে সেজন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা পুলিশকে প্রশিক্ষণও
দিচ্ছি।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর অপরাধ প্রবণতা বেশি। এ বিষয়ে আমাদের
পরিবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, মাদক আমাদের দেশে একটি বড় সমস্যা। মাদক উদ্ধার অভিযানে রুই-কাতলা ধরা
পড়ছে না, টেংরা-পুটি ধরা পড়ছে। অর্থাৎ মাদকের গডফাদার ধরা পড়ছে না, ক্যারিয়ার ধরা পড়ছে।
তবে আগের চেয়ে মাদক উদ্ধার অভিযান আরও জোরালো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এখন
অনেক মাদকদ্রব্য ধরা পড়ছে।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ আনসার ও
গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের আগেই একটি গোষ্ঠী জনগণকে প্রতারণার মধ্যে ফেলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এখনই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে নির্বাচনের পর পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। শুধু রাজনৈতিক প্রতারণাই নয়, মুসলমানদের শিরকের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত নিজের প্রথম নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, গত দেড় দশকে দেশে একের পর এক বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে। কোথাও ব্যালট ছিনতাই, কোথাও রাতের আঁধারে ভোট, আবার কোথাও ডামি প্রার্থীর মাধ্যমে ভোটের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বিএনপির লক্ষ্য দেশের প্রতিটি মানুষকে স্বনির্ভর করে তোলা—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিথ্যা, কুফরি ও হঠকারিতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি দাবি করেন, দেশকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করা হয়েছে, এবার মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পালা। শুধু ভোট দেওয়ার বা মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করলেই চলবে না, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতাও জরুরি।
তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে বিএনপি কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু করতে চায় এবং ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং কর্মক্ষম মানুষদের উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সিলেটের জনসভা শেষে তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ঘেঁষে ছয়টি জেলার ছয়টি পৃথক স্থানে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার শেরপুর এলাকার একটি মাঠ এবং হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রস্তাবিত নতুন উপজেলা পরিষদ মাঠে সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন