

দুর্নীতি
দমনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বিএনপি- এমন মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপি
আয়োজিত ‘বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশ এবং জনগণকে পক্ষে নিতে না পারলে দেশের অস্তিত্ব নিয়ে
ভবিষ্যতে প্রশ্ন দেখা দেবে। বিভাজন ও বিভক্তি রেখে দেশ গড়া সম্ভব নয়। যেকোনো মূল্যে
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় দৃষ্টিকোন
থেকে নয়, আইনের মাধ্যমে বিচার করা হবে। দুর্নীতি দমনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বিএনপি।
সরকার গঠনে সক্ষম হলে স্বাবলম্বী মা এবং স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তুলা হবে। শিক্ষা খাতের
পরিকল্পনার বিষয়ে তারেক রহমান বলেছেন, স্কুলে কয়েকটি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা হবে।
বাচ্চারা নিজেরাই ঠিক করবে কোন ভাষা শিখবে। ইংরেজির পাশাপাশি আরো একটি ভাষা শিখতে হবে।
তরুণদের
জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনাও ব্যক্ত করেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি
কার্ড দেয়া হবে। রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা যেভাবে জনগণের কাছে নেওয়া যায় তাই করা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৩ লাখের মতো মসজিদ আছে। মসজিদগুলোতে যে ইমাম-মুয়াজ্জিন
সাহেবরা আছেন, তাদের সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।
অনেকেই
অনেক কথা বলছে, কিন্তু ক্ষমতায় গেলে কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে তা বিএনপির মতো বিস্তারিত
কেউ তুলে ধরেনি বলেও মন্তব্য করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আজ রোববার ( ১৮ জানুয়ারি ) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ
পরিবেশে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে
মতবিনিময় করেন এবং বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও উন্নয়ন সহযোগিতার
বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
আলোচনায়
তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প এবং প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-চীন
মৈত্রী হাসপাতাল প্রসঙ্গ উঠে আসে। এ বিষয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, তিনি তিস্তা প্রকল্প
এলাকা পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি চলমান কারিগরি মূল্যায়ন দ্রুত সম্পন্ন করতে চীনের প্রতিশ্রুতির
কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাতে
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ প্রক্রিয়ায় তার সরকারের
অব্যাহত সমর্থনের কথা জানান। একই সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের
জন্য শুভকামনাও ব্যক্ত করেন।
দুই
পক্ষই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থে
সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
রাজধানী ঢাকার রাস্তাঘাটে আছড়ে পড়েছে অগণিত
জনতার ঢেউ। মানিক মিয়া
অ্যাভিনিউ রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে।যতদূর
চোখ যায়, চারদিকে শুধু
মানুষ আর মানুষ।
জাতীয়
সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ
প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সকাল
থেকেই সমবেত হতে থাকেন শোকাহত
মানুষেরা।
মানিক
মিয়া অ্যাভিনিউ ঘুরে দ্য ডেইলি
স্টারের সংবাদদাতা জানান, দিনের শুরুতেই মানুষের সারি তৈরি হতে
থাকে এবং সময় গড়ানোর
সঙ্গে সঙ্গে তা আরও দীর্ঘ
হয়।
ধানমন্ডি
৩২ নম্বর এলাকা থেকে শোকাহত মানুষের
লাইন আসাদ গেট পেরিয়ে
কারওয়ান বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। প্রধান সড়কের
সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি রাস্তা ও গলিপথে মানুষ
ধৈর্যের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনেকের হাতে ছিল দলীয়
পতাকা ও প্ল্যাকার্ড, আবার
অনেকেই নীরবে দোয়া করছিলেন।
জনসমাগম
কেবল সড়কেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন
এলাকায় মানুষকে উড়াল সড়কের ওপর
এবং আশপাশের ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে জানাজার
কার্যক্রম একনজর দেখার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
বিএনপি
সমর্থকদের পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের
সঙ্গে যুক্ত নন, এমন সাধারণ
নাগরিকদেরও পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ব্যাপক প্রভাবের প্রতিফলন। বয়স্ক মানুষ, নারী ও তরুণ—সব বয়সের মানুষই
উপস্থিত ছিলেন; অনেককেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত দেখা
যায়।
এই অভূতপূর্ব জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল স্বাভাবিক
রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন
করা হয়। আশপাশের সড়কে
যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিশৃঙ্খলা
এড়াতে কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার এবং নির্দেশনা মেনে
চলার আহ্বান জানায়।
অনেক
শোকাহত মানুষ খালেদা জিয়াকে দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাস গড়ে দেওয়া এক
প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।আসাদ গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা
এক ব্যক্তি বলেন, 'খালেদা জিয়া শুধু একটি
দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন
এ দেশের সব মানুষের নেত্রী।'
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে,বাংলাদেশি ভোটার বিদেশে বসবাস করলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ নিয়ে ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি হয়েছে যাতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিধান রয়েছে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য আবেদন:প্রবাসী ব্যক্তি ভোটদানের জন্য কমিশনের ঘোষিত সময়সূচির প্রজ্ঞাপন ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের জন্য রিটার্নিং অফিসারের নিকট বিধি অনুসারে আবেদন করতে পারবেন।বিধান অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান সংক্রান্ত রিটার্নিং অফিসার স্থানীয়ভাবে প্রচার করবেন। আর বিদেশে অবস্থিত দূতাবাস, হাইকমিশন ও মিশনসমূহ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পদ্ধতিগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর করণীয়: রিটার্নিং অফিসার উল্লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পর পরই সংশ্লিষ্ট ভোটারের নিকট একটি পোস্টাল ব্যালট পেপার এবং তার সঙ্গে একটি খাম পাঠাবেন। এই খামের ওপর ভোটার থেকে যথারীতি পূরণকৃত খামটি ডাক বিভাগের উপযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে ডাকযোগে প্রেরণের প্রত্যয়নসহ তারিখ উল্লেখ থাকবে। সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণ এবং চিঠির ওপর এ সম্পর্কে রাবার স্ট্যাম্পের সিল ব্যবহার করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার সঙ্গে সঙ্গে ডাকযোগে ভোটদানের যোগ্য ব্যক্তিদের নিকট পোস্টাল ব্যালট পেপার প্রেরণ করবেন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিয়ম: যার নিকট ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে তার নাম, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নাম এবং ভোটার তালিকায় বর্ণিত ক্রমিক নম্বর ইস্যুকৃত ব্যালট পেপারের মুড়িপত্রে লিপিবদ্ধ করবেন।) উল্লিখিত ভোটার সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে যাতে ভোট প্রদান করতে পারেন তা নিশ্চিত করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষকে ডাকযোগে ব্যালট পেপার প্রেরণ ও প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সফরে থাকা ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি সিটি হোটেলে তাদের মধ্যে এ সৌহার্দ্যপূর্ণ দেখা–সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয়।
এর আগে শনিবার সকালে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসেন শেরিং তোবগে। ড্রুক এয়ারের একটি ফ্লাইট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে অভ্যর্থনা জানান।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করে থিম্পুর উদ্দেশে রওনা হবেন।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কাভার্ডভ্যানে ফেনসিডিল পাচারকালে ২ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানানো হয় র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৬) এবং শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার শাহআলীর ছেলে বিপ্লব হোসেন (২৬)। তাদের কাছে থেকে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদে শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টায় পৌরশহরের খলসী নামক স্থানে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের ওপর চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় র্যাব। এ সময় ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান থেকে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জনকে আটক করা হয়। সেইসঙ্গে জব্দ করা হয় কাভার্ডভ্যানটি।
বিভিন্ন কৌশলে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিলেন তারা।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, আসামিদের গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়া অফিস
জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে।
বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বাড়াতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের
পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে
যেতে পারে। এর মধ্যে ২-৩টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মৃদু থেকে মাঝারি তাপমাত্রার (৮-১০ ডিগ্রি
থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ১-২টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র (৬-৮ ডিগ্রি
থেকে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
আবহাওয়া অফিসের
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা
নেই। জানুয়ারিতে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ থাকবে। দেশের দৈনিক
গড় বাষ্পীভবন ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিমি এবং গড় সূর্যকিরণকাল ৩.৫০ থেকে ৫.৫০ ঘণ্টার মধ্যে
থাকবে।
সাধারণ মানুষ
শীতের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন কারণ জানুয়ারি মাস শৈত্যপ্রবাহের কারণে বেশ ঠান্ডা
হবে বলে আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে।
এদিকে গত শুক্রবার
(২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন
কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে
ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব
আরও বিস্তৃত হতে পারে। এ ছাড়া, আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও
কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
প্রথম দিন
(২ জানুয়ারি) অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও
দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন
এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা,
পঁঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের উপর দিয়ে মুদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে
এবং কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য
বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আজ শনিবার
(৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও
তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এদিনও কুয়াশার কারণে যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে
পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে
পারে।
রোববার (৪ জানুয়ারি)
থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।
অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য
কমতে পারে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি)
এবং পঞ্চম দিন মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ও
সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী
অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চম দিনে রাতের তাপমাত্রা
সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এ ছাড়া বর্ধিত
পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে সারাদেশে তাপমাত্রা
আরও কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিমাণ তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।
আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের মেসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সামরিক সদস্যদের মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, পুরো জাতি এখন নির্বাচনমুখী। গত ১৩-১৪ মাস ধরে সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করছে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সেনা সদস্যরা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিমাণ তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হবে,এমন প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি। ট্রেনিং, পোস্টিং, প্রমোশনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। এমন সময় এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ঘটনাটি সেনা সদস্যদের মনোবলে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আমরা সবসময় ন্যায়ের পক্ষে থাকব।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সোমবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। ড. ইউনূস গত ৮ আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জ্যাক সুলিভান বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রাজনৈতিক, নির্বাচন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগের জন্য অধ্যাপক ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।
এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় অধ্যাপক ইউনুসকে ধন্যবাদ জানান তিনি এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অব্যাহত মার্কিন সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।
ফোনালাপের সময় তারা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বাংলাদেশে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা কাটিয়ে উঠতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সুলিভান অধ্যাপক ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য মার্কিন সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক সফরের সময় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, আগামী জানুয়ারির মধ্যে ছয়টি প্রধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। এরপর সংস্কার ও নির্বাচনের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী আইন ও বিচার বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে বুধবার তাকে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এ বিভাগের চলতি দায়িত্ব পালনের ১০ দিনের মাথায় তিনি পূর্ণ দায়িত্ব পেলেন।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একই বিভাগে তিনি যুগ্ম সচিব (প্রশাসন-১) পদে ছিলেন। এর আগে চট্টগ্রাম থেকে তাকে ঢাকায় বদলি করে আনা হয়। তিনি ৮ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি দায়িত্বে ছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টের সাবেক এই রেজিস্ট্রার জেনারেলকে দেড় মাস আগে জেলা ও দায়রা জজ করে পাঠানো হয়েছিল চট্টগ্রামে। সরকার পরিবর্তনের পর গত ১৩ অগাস্ট তাকে আবার আইন মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে আনা হয়। তখন এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য তাকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে বলে আলোচনা ছিল।
এ বিভাগের আগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারকে গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ওএসডি করা হয়েছিল।
বিভিন্ন জেলায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করা নতুন আইন সচিব গোলাম রব্বানী ২০২২ সালে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৫ সালে তৈরি করা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের পদটি রাষ্ট্রের পদমর্যাদাক্রম অনুযায়ী জ্যেষ্ঠ সচিবের সমপর্যায়ের। এর আগে তিনি ছিলেন হাই কোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার, যে পদটি মর্যাদার দিক দিয়ে সচিব পর্যায়ের।
আগের সরকার এ বছর ১ জুলাই তাকে রেজিস্টার জেনারেল পদ থেকে সরিয়ে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে বদলি করে। ক্ষমতার পালাবদলের পর গত ১৩ অগাস্ট তাকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র গোলাম রব্বানী ১৯৯১ সালে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। পরে জুডিশিয়াল সার্ভিসে নিয়োগ পেয়ে টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর ও ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জামালপুরের যুগ্ম জেলা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন শাখায় দায়িত্ব পালন করা গোলাম রব্বানী ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর হাই কোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনকে মশামুক্ত নগরীতে পরিণত করতে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
তিনি বলেছেন, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই নগরবাসীকে মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত করা হবে। নগরবাসী মশারি ছাড়া নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবে।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লা টাউন হল মাঠে মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক টিপু বলেন, দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এই বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছে। সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত ফগিং, লার্ভিসাইডিং এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা শহরে মশার উপদ্রব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ধারাবাহিকভাবে মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হবে। যতদিন পর্যন্ত মশার অস্তিত্ব থাকবে, ততদিন এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা, ড্রেন ও নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিস্কার করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, প্রকৌশলী আবু সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন